সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের সর্বশেষ উপন্যাস ‘দূর হ শয়তানের দল’

বিপাশা চক্রবর্তী | ১৮ জুলাই ২০১৬ ৭:৩৬ অপরাহ্ন

Saddam's Novel-2বিশ্বব্যাপী তিনি পরিচিত ছিলেন একজন শাসক, রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে। তার শাসনামলে মিথ্যা অভিযোগে তার দেশে আক্রমণ চালিয়েছিল পশ্চিমা দেশগুলো। তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল, তাকে খুন করা হয়েছিল। কিন্তু খুন হওয়ার অনেক আগে থেকেই তার মধ্যে জন্ম হচ্ছিল অন্য অারেকটি সত্ত্বা, এক সাহিত্যিক সত্ত্বা। যদিও সবাই জানেন, তিনি জীবদ্দশায় সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন না কারোর কাছেই। এমন একজন মানুষের যে বইটির কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করতে যাচ্ছি – সে বইটি জেতেনি কোন সাহিত্য পুরস্কার। এই বইটিকে বলা যায়, ‘স্মৃতির অতলে হারিয়ে যাওয়া এক খন্ড কাগজের মন্ড।’–‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’ পত্রিকা এভাবেই আখ্যায়িত করেছে বইটিকে।

মানুষটির নাম সাদ্দাম হোসেন। ইরাকের সাবেক ও প্রয়াত প্রেসিডেন্ট। বিস্মৃত এই রাষ্ট্রনায়কের সবচেয়ে অনালোকিত দিক আমরা প্রায় কিছুই জানি না। যদিও আরবীভাষী জগতে তিনি এই পরিচয়ে এখন বেশ পরিচিত এবং জনপ্রিয়। আর এই পরিচয় ও জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে পশ্চিমা প্রকাশনা সংস্থাগুলো এখন উৎসুক হয়ে উঠেছে তার বইগুলোর ইংরেজি অনুবাদে। তার সর্বশেষ বইটিই এখন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। যে বইটির কথা বলছি তা সাদ্দাম হোসেনের চতুর্থ ও সর্বশেষ উপন্যাস। সাদ্দাম হোসেন লিখেছিলেন আরবীতে ‘উরখাজ মিন’হাইয়া,মাল’উন”। যা ইংরেজীতে Begone, Demons অর্থাৎ “দূর হ শয়তানের দল” নামে সর্বাধিক পরিচিত। এছাড়াও উপন্যাসটি Get Out You Damned অথবা Get Out of Here, Curse You! শিরোনামেও অভিহিত করা যেতে পারে, বাংলা করলে যার তর্জমা দাঁড়ায় ‘দূর হ, নরকের কীট’ অথবা ‘যা এখান থেকে, অভিশাপ তোকে!” এসব নামেও ডাকা যেতে পারে। বইটি তিনি শেষ করেছিলেন ইউএস আর্মি দ্বারা তাঁর পতনের ঠিক একদিন আগের সন্ধ্যায়। স্বাধীন রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে সাদ্দাম হোসেনের জীবনের অন্তিম মুহূর্তে শেষ করেছিলেন পান্ডুলিপিটি। তখন ২০০৩ সাল। মার্চের বিশ তারিখে পতন ঘটে সাদ্দাম হোসেনের। তারপরের ঘটনা সবার জানা। পালিয়ে বেড়ান সাদ্দাম হোসেন পরের নয়টি মাস। নিজ জন্ম শহর তিরকিত-এর কাছে পিঠে কোথাও আত্মগোপনে ছিলেন। কিন্তু ডিসেম্বরের তের তারিখ গ্রেফতার হন সেই ইউএস আর্মির কাছে। গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী কাজের জন্য যারা তাঁকে ২০০৬ সালের ত্রিশ ডিসেম্বর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ডাদেশ কার্যকর করে। মৃত্যু হয় একজন সাদ্দাম হোসেনের কিন্তু তাঁর লেখা সর্বশেষ বইয়ের পান্ডুলিপিটি সঙ্গে নিয়ে জর্ডানে নির্বাসিত হন তাঁর কন্যা রেগাদ সাদ্দাম হোসেন। অতিসম্প্রতি এই বইটি প্রথমবারের মতো ইংরেজী অনুবাদ প্রকাশের ঘোষণা দিল ব্রিটিশ প্রকাশনা সংস্থা হাস্পার্স।

border=0এই বছর ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সাদ্দাম হোসেনের মৃত্যুর দশ বছর পূর্ণ হবার প্রাক্কালে এই ঘোষণা আসে ব্রিটিশ প্রকাশনা সংস্থাটির পক্ষ থেকে। যদিও বইটির ইংরেজী অনুবাদের শিরোনাম কী হবে এবং এর অনুবাদক কে, এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি সংস্থাটি। হাস্পার্সের একজন মুখপাত্র ‘দ্য গার্ডিয়ান’ পত্রিকাকে বলেছেন, ‘উপন্যাসিকাটি গেম অব থ্রোন এবং ইউকে হাউজ অব কার্ডস স্টাইল ফিকশনের মিশ্রণ। এবং রাজনৈতিক গুপ্ত ষড়যন্ত্রের পরিপূরর্ণ উত্তেজনাময় আখ্যান। তবে সবকিছু জানার জন্য সবাইকে ক্রিসমাস অর্থাৎ বড়দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে”। এর আগ পর্যন্ত এসব গোপন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। এর আগে ২০০৫ সালে ১৮৫ পৃষ্ঠার মূল বইটি প্রকাশনার উদ্যোগ নিয়েছিলেন সাদ্দাম হোসেনের উত্তরাধিকার কন্যা রেগাদ সাদ্দাম হোসেন । কিন্তু বাধ সাধে জর্ডানের প্রেস ও প্রকাশনা সংস্থা অধিদপ্তর। তারা বইটিকে তাৎক্ষণিক বাজেয়াপ্ত করে। কিন্তু ততক্ষণে বইটির বেশকিছু নকল বা কপিকরা অনুলিপি বিক্রি হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, “জর্ডানের অনেক মানুষের হৃদয়ে সাদ্দামের অবস্থান অনেক উঁচুতে।। তাঁর জনপ্রিয়তা ঈর্ষনীয়”। সেখানকার বিক্রেতা হারুনী জানান, বইটি বাজেয়াপ্ত ঘোষণার কয়েক ঘন্টার মধ্যে ৫০ কপি বিক্রি হয়ে যায়। এখানে তাঁর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সাদ্দামের ত্রিশ বছরের শাসনের অবসান যে অবৈধ উপায়ে করা হয়েছিল তা এখন সবাই জানে। আমেরিকার ভুল পদক্ষেপ, বন্দি কেলেংকারী, প্রসারমান দুর্নীতি সাদ্দামের জনপ্রিয়তাকে তুঙ্গে নিয়ে যাচ্ছে। মানুষ বর্তমান অবস্থার সাথে সাদ্দামের শাসনামলের তুলনা করতে পারছে। কোনটা ভাল কোনটা মন্দ তার তুলনা করছে মানুষ- এমনটিই বলেছিলেন জর্ডানের এক সাংসদ বইটি প্রথম প্রকাশ নিষিদ্ধ হবার সময় নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকাকে। আর এখন এটা প্রমাণিত যে ইরাক যুদ্ধের অবতারণা আমেরিকান প্রোপ্যাগান্ডার নির্জলা মিথ্যার বেসাতী ছাড়া আর কিছুই নয়। আগেই উল্লেখ করেছি ২০০৩ সালে আমেরিকান আগ্রাসন শুরুর সময় বইটি লেখা শেষ হয়। এর আগে সাদ্দাম হোসেনের লেখা তিনটি বই প্রকাশিত হয়। জাবিহা এন্ড দি কিং, দি ফোর্টিফাইড ক্যাসল এবং ম্যান এন্ড দি সিটি। এছাড়া সাদ্দাম হোসেন কবিতাও লিখতেন ঐতিহ্যবাহী আরবীয় শৈলীতে। প্রচলিত আছে আর্নেস্ট হেমিংওয়ে ছিলেন সাদ্দাম হোসেনের প্রিয় লেখক। এবং সাদ্দাম হোসেনের লেখায় তাই হেমিংওয়ের ছাপ পাওয়া যায়।

saddamদূর হ শয়তানের দল উপন্যাসের পটভূমি আবর্তিত হয়েছে ইউফ্রেতিস নদীর তীরে বসতি স্থাপনকারী স্থানীয় এক গোষ্ঠীকে নিয়ে যারা সেখানে ১৫০০ বছরেরও বেশী সময় ধরে ছিল। একদিন তারা ভিন্ন এক গোষ্ঠীর আক্রমণের শিকার হয়, যুদ্ধ হয় এবং যুদ্ধ শেষে জয়ও আসে। গল্পের কথক চরিত্রের নাম আব্রাহাম। তিনি তাঁর তিনজন নাতী ঈজিকিয়েল বা আইজ্যাক, জোসেফ এবং মোহাম্মদের গল্প বলেন। মূলত বাইবেলীয় রূপকের আশ্রয়ে লিখিত এই গল্পের মূল অংশের দৃষ্টি নিবদ্ধ এই তিন মানবের উপর। এখানে আসলে ঈজিকিয়েল ইহুদীদের, জোসেফ খ্রিস্টানদের এবং মোহাম্মদ হচ্ছেন মুসলিমদের প্রতিনিধি বা দলপতি। গল্পে আব্রাহাম ব্যবীলন সম্পর্কে সতর্কবানী দেন। গল্পে দেখা যায়, ঈজিকিয়েল একজন খল চরিত্র এবং বিশ্বাসঘাতক। যেখানে বাকী দুইজন সৎ, ভাল এবং পরিশ্রমী। একসময় ঈজিকিয়েল দেশ ত্যাগ করে পশ্চিমের মৃত সাগর ডেড সী’র দিকে যাত্রা করে। সেখানে সে এক লোভী রোমান রাজ্যপালের সাথে যোগদান করে। যারা ষড়যন্ত্র করে প্রচুর টাকা উপার্জন করে এবং তা স্থানীয় জনগণের আরাম আয়েশের জন্য খরচ করে। তাদের ধন সম্পদ ধরে রাখার জন্য অবশেষে দুটি সুউচ্চ অট্টালিকা বা টাওয়ার নির্মানের প্রয়োজন হয় এবং তারা দুটি টাওয়ার নির্মান করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এক আরব আদিবাসী নেতার কন্যা আরব যোদ্ধাদের সহযোগিতায় ঐ টাওয়ার দুটি ধ্বংস করে। এমনকি তারা আগুনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহুতি দিতে কুন্ঠিত হয় না একজন মুসলিম শহীদ হিসেবে। এখানে এই সুউচ্চ অট্টালিকা দুটি আসলে নাইন ইলিভেনের রেফারেন্স বহন করে। গল্পে ইহুদি-খ্রীষ্টানদের প্লটটি রূপক হিসেবে আরব ও মুসলিমদের বিপরীতে দেখানো হয়েছে। যদিও আলী আবদেল আমির, সাদী হাদী’র মতো ইরাকী লেখক সাংবাদিক ও সমালোচকদের মতে এই গল্পে “সাদ্দাম হোসেন অনেক জায়গায় সত্য সংস্পর্শ হারিয়েছেন”। এদিকে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে চিলকোট রিপোর্টে উল্লেখ আছে, সাদ্দাম হোসেন এক হুমকি– জনসাধারণকে এই তথ্য দিয়ে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরাক যুদ্ধে যোগদান করাটা ছিল ভুল সিদ্ধান্ত। কেননা ‘সাদ্দাম হোসেন এক হুমকি’ এই তথ্যটিই ছিল ভুল। এর দায় স্বীকারও করেছেন টনি ব্লেয়ার। এই প্রেক্ষিতে সাদ্দাম হোসেনের মৃত্যুর দশ বছর পর তাঁর বইয়ের ইংরেজী অনুবাদ ইংল্যান্ড এবং আমেরিকা এই দুইদেশের ইংরেজ ভাষাভাষীদের কাছে তা আকর্ষণের তুঙ্গে থাকতে পারে এমন ধারণা করছেন কোন কোন বিশেষজ্ঞ। এবং এর মাধ্যমে বিস্মৃত এই রাষ্ট্রনায়ক বা পশ্চিমাদের মতে স্বৈরশাসক যাই বলুন না কেন, তিনি যে পুনরায় আলোচনার মধ্যমণি হয়ে কেন্দ্রে চলে এলেন এটা বলাই বাহুল্য।

Book Fair in Leipzig - Romance novel by Saddam Hussein২০০৪ সালে প্যানআরব দৈনিক ‘আল-শারাক আল আসাওয়াত’ পত্রিকায় গল্পটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে বৈরুতসহ বিভিন্ন স্থানেও বইটি প্রকাশিত হয়। ঐ ২০০৬ সালে জাপানী পাবলিশার্স তকুমা সতেন প্রকাশনা সংস্থা ডেভিল’স ড্যান্স বা শয়তানের নৃত্য শিরোনামে বইটি প্রকাশ করে জাপানী ভাষায়। এটি তুর্কী ভাষাতেও অনূদিত হয়। অনুবাদকের নাম হাম্মাম খালীলী আবু মুলাল আল-বালায়ি। ঐ সময় প্রকাশিত পাঁচ ডলার মূল্যের বইটির প্রচ্ছদে সাদ্দাম হোসেনের ছবি আছে। পরের পৃষ্ঠায় লেখা সারসংক্ষেপের নীচে তাঁর স্বাক্ষর, তারিখ ১৮ মার্চ ২০০৩।
রাজনীতি বা যুদ্ধের ময়দান নয় বরং বইটি ইংরেজী অনুবাদ প্রকাশের ঘোষণার সাথে সাথে সাহিত্যের অঙ্গনে আবার যেন গর্জে উঠলেন বিস্মৃত এক সিংহের ন্যায় প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন।

তথ্যসূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস, দ্য গার্ডিয়ান, ওয়াশিংটন পোস্ট।

আর্টস বিভাগে প্রকাশিত বিপাশা চক্রবর্তীর আরও লেখা:
জীবন ও মৃত্যুর সঙ্গম: অর্ধনারীশ্বর অথবা তৃতীয় প্রকৃতি

মানব তুমি মহীরুহ তুমি

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: আইনস্টাইন, শেক্সপিয়র, আঁদ্রে গ্লুক্সমাঁ, ফের্নান্দো ও বিয়োরো

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি: স্রোতের বিরুদ্ধে স্নোডেন, অরুন্ধতী, কুসাক

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি: ভিক্টর হুগো ও টেনেসি উইলিয়াম

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: আরবমুখী ফরাসী লেখক ও মার্গারেটের গ্রাফিক-উপন্যাস

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: গত বছরের সেরা বইগুলো

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: নতুন বছরে নারীরাই রবে শীর্ষে

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি: নতুন এলিয়ট, ব্যাংকসির প্রতিবাদ ও তাতিয়ানার রসনা

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য:চিরকালের শত শ্রেষ্ঠ

নারী দীপাবলী: তুমি হবে সে সবের জ্যোতি

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য:চিরকালের শত শ্রেষ্ঠ ননফিকশন

গ্রন্থাগারের জন্য ভালোবাসা

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: যাদুবাস্তবতার শাহেনশাহ মার্কেসের মানসিক গ্রন্থাগার

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য:ভাষারাজ্যের তীর্থযাত্রী ঝুম্পা লাহিড়ী ও টেন্টাকলের মার্গারেট এটউড

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: প্রত্যাখ্যাত রাউলিং ও পুনর্বাসনে লুইয এলিজাবেত ভিযে ল্য ব্রাঁ

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: রোবট লিখবে হাইব্রিড উপন্যাস?

সাম্প্রতিক শিল্পসাহিত্য: পানামা পেপার্স-এ চিত্রকলাও

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: বিজ্ঞানসচেতন শেক্সপিয়র

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: দ্য জাঙ্গল বুক-এর চোখধাঁধানো নতুন অলংকরণ

জাহা হাদিদ: আপোষহীন প্রতিভার অনন্য স্থাপত্য

সুর বাগিচার বুলবুলি, গান সায়রের মতি

আদিম লতাগুল্মময় শেকসপিয়রের নগ্ন প্রদর্শনী

ভিতরে বাইরে ছন্দোময় কবি মোহাম্মদ আলী

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: বিদায় রাবাসা, অজানা কাফকা ও শিল্পকর্মের উল্টোপিঠ

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি: বিদায় আব্বাস, বিদায় বনফয়

Flag Counter

প্রতিক্রিয়া (6) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শিমুল সালাহউদ্দিন — জুলাই ১৮, ২০১৬ @ ৮:৩৭ অপরাহ্ন

      bah… goodone to read…

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন shams Hoque — জুলাই ১৯, ২০১৬ @ ৩:০১ অপরাহ্ন

      A little more detail on the language,aesthetic and style of the book by Saddam would be more attractive for the review itself. Can we expect it as a response, dear author? Thank you!

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিপাশা চক্রবর্তী — জুলাই ১৯, ২০১৬ @ ৮:২০ অপরাহ্ন

      ধন্যবাদ, শিমুল।
      সামস হক, ধন্যবাদ আপনার আগ্রহের জন্য। আমি লেখাতেই উল্লেখ করেছি সাদ্দাম হোসেনের এই বইটির কোনো ইংরেজী অনুবাদ নেই। বরং অনুবাদ প্রকাশের ঘোষণা এসেছে যা আসছে ডিসেম্বর ২০১৬ থেকে বাজারে পাওয়া যাবে ব্রিটিশ প্রকাশন সংস্থা হাস্পার্স-এর দেয়া তথ্যনুযায়ী। তবে আমার পক্ষে যতটুকু জানা সম্ভব হয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস, দ্য গার্ডিয়ান, ওয়াশিংটন পোস্ট ইত্যাদির দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমি এই লেখায় তা-ই দেয়ার চেষ্টা করেছি। আশা করছি Begone, Demons এর ইংরেজী অনুবাদ হাতে পাওয়ার পর এই জানার চাহিদা আমি পূরণ করতে পারব। অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভানু ভাস্কর — জুলাই ২০, ২০১৬ @ ৭:৪৯ পূর্বাহ্ন

      শুধু সাদ্দাম নয়, আমেরিকা ও তাদের পাণ্ডারা সারা দুনিয়ায় যাদেরকেই অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে, তারা সবাই স্মরনীয় হবেন। আমেরিকা হলো মোড়ক, দেখতে চকচক করে, কিন্তু তা প্রত্যাখ্যাত। আজ মনে হচ্ছে না, কিন্তু তবুও ঘৃনিত ও প্রত্যাখ্যাত। মানবের ইতিহাসে এদের চেয়ে বড় খুনে আর কেউ নেই, হবেও না। বিপাশার ভাষায় – সাহিত্যের অঙ্গনে আবার যেন গর্জে উঠলেন, গর্জে উঠবে দুনিয়ার সমস্ত অত্যাচারিত মানুষেরাও। সেই আখ্যান নিয়েই একদিন সৃষ্টি হবে বিজয়ের সাহিত্য।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন dilruba shahana — জুলাই ২০, ২০১৬ @ ৮:৪০ পূর্বাহ্ন

      বইটির বিষয়ে তথ্য দেয়ার জন্য লেখিকা ও বিডিনিউজকে ধন্যবাদ। উল্লেখ্য ইরাকে যখন ধ্বংসযজ্ঞ চলছে সাদ্দাম হোসেন ধৃত ও মৃত্যুর অপেক্ষায় অষ্ট্রেলীয় গায়িকা টিনা এ্যারেনা তার এক গানে ‘শাহেরজাদে ওব বাগদাদ’ শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করে সমালোচিত হন কারণ এটা সাদ্দামকে মনে করা হয়েছিল।
      সেই সাদ্দাম ফিরছেন নতুন গৌরবে!

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Khairul Islam — জুলাই ২১, ২০১৬ @ ২:২০ অপরাহ্ন

      আমার অল্প জ্ঞান থেকে বলছি, ইতিহাসের অনেক আগে থেকেই কওমে বনিঈসরাইল (ইহুদী) এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায় মুসলমানদের ঈর্ষা করে আসছে। এবং এখনও করছে। জানা নাই কতদিন করবে। আল্লাহ তাদেরকে সঠিক জ্ঞান দান করুক।আমিন।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com