সুর বাগিচার বুলবুলি, গান সায়রের মতি

বিপাশা চক্রবর্তী | ২৬ মে ২০১৬ ৩:৩৪ অপরাহ্ন

nazrul-51.jpg “যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে
অস্তপারের তারার কাছে আমার খবর পুছবে”
ব্রিটিশ ভারতের স্বাধীনতা লাভের কিছু কাল আগে বাংলার পথে পথে এমন দৃশ্য দেখা যেত, -একজন লোক মাথায় কলের গান নিয়ে হাঁটছে, আরেকজন বাক্সে রেকর্ড নিয়ে হাঁক পাড়ছে, ‘পূজোর নতুন রেকর্ড বেরিয়েছে, নেবে নাকি গো”। তারা নাকি বাড়িতে বাড়িতে ডেমনস্ট্রেশন দিয়ে রেকর্ড বিক্রি করত। সেদিনের সেই ফেরিওয়ালার বাক্সের বেশিরভাগ রেকর্ডের কম্পোজার ছিলেন আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, সে গানগুলো ছিল তখনকার সাধারণ মানুষের প্রাণের গান। কি ছিল সেই গানে? গজল থেকে শুরু করে, হিন্দুস্তানি গান, এমনকি লোকসুরের প্রয়োগে বাংলা গানের এক প্রভাবশালী নতুন ধারা। রাগপ্রধান, টপ্পা , কাওয়ালি, গজল, ঠুংরি, ভাটিয়ালি, ঝুমুর, বাউল, ভজন, কীর্তন, শ্যামাসঙ্গীত, ইসলামী, দেশাত্ববোধক, হাসির গান সব। এমন কি, ছাদ পেটানো, ঘুম পাড়ানি, চরকার গানের মতো বিরল জাতির গান ছিল সেই ভান্ডারে। বাংলা গানে নজরুলই প্রথম গজলের আঙ্গিকে মধ্যপ্রাচ্যের সুরা ও সাকি, মরুভূমির খরতাপ আর মরূদ্যানের শ্যামলিমা একই সাথে বয়ে এনেছিলেন। আবার বাংলা ভাষায় মার্চ সঙের মতো অনবদ্য সৃষ্টিও এই বিপ্লবী কবির কলমে। কত বিচিত্র রাগের জনক যে নজরুল তা বলে শেষ করা যাবে না। যেমন কাব্যিক তাদের নাম তেমনি সুন্দর তাদের চলন। উদাসী ভৈরব, নির্ঝরিণী,অরুণরঞ্জনী, দোলনচাঁপা, সন্ধ্যামালতি, মধুমাধবীসারং, পটমঞ্জরী আরও কত কি। কত হারিয়ে যাওয়া রাগ কুড়িয়ে গান বেঁধেছেন নজরুল- মালগুঞ্জী, বসন্তমুখারী, অনন্তগৌড়, লঙ্কাদহন। এমনকি ১৯৩৮ সাল থেকে রেডিওতে থাকাকালীন ‘নবরাগমালিকা’ ও ‘হারামনি’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেগুলি নিয়মিত প্রচারও করেছেন। নজরুলের গানের সাগরে যত ডুব দেয়া যায় ততই তাঁর মাধুর্যে, বৈচিত্র্যে মুগ্ধ আর আবিষ্ট হতে হয়। এ যেন সীমার মাঝে অসীমের প্রাচুর্য। রাগসঙ্গীত, লোকসঙ্গীত আর বিদেশী সুরের এক অসাধারণ ত্রিবেণী সঙ্গম। সীমিত কর্মময় জীবনে একক হাতে এত বিচিত্র ধরনের গান শুধু বাংলা সাহিত্যই নয় পৃথিবীর ইতিহাসেও কেউ রচনা করেনি। অথচ নজরুলের উত্থান হয়েছিল রবীন্দ্রযুগে। তারপরেও কি অপূর্ব দক্ষতায় সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বাদ আর স্বকীয়তায় গান রচনা করেছিলেন এই স্রষ্টা। তাঁর সৃষ্টির কাছে তাই আপনিই মাথা নত হয়ে আসে। নজরুলের সাথে কারো তুলনা চলে না, সেই সময়ের রবীন্দ্রনাথ, দ্বিজেন্দ্রলাল, রজনীকান্ত কি অতুলপ্রসাদ। তাঁরা গান রচনা করতেন প্রাণের আনন্দে, মনের খোরাক যোগাতে । অন্যদিকে গান রচনা নজরুলের সহজাত হলেও কঠিন বাস্তবতার রুক্ষ মাটিতে সেই প্রতিভার জন্ম। আশৈশব দারিদ্রের সাথে লড়াই করে, কখনো গৃহস্থ বাড়িতে, কখনো রুটির দোকানে বয়ের কাজ করে, আবার কখনো লেটোর দলে গান বেঁধে যাকে দুবেলা দুমুঠো যোগাতে হয়েছে। গান তাঁর কাছে অবসরের বিনোদন হয়ে আসবে কিভাবে? উদাসী,আত্মভোলা প্রকৃতি আর বোহেমিয়ান জীবন কখনো তাঁকে আয়েসী আর স্বচ্ছল হতে শেখায়নি । পেটের তাগিদে ফরমায়েশি রচনা- কোনটা বিকিয়েছে গ্রামোফোন কোম্পানিতে, কোনটা রেডিওতে,আবার কিছু সিনেমা বা থিয়েটারে । গান ছিল তাঁর জীবিকা। এতকিছুর পরেও যে নজরুলের পৃথিবী কঠিন, নিরস গদ্যময় হয়ে ওঠেনি সেখানেই তাঁর মহত্ব। বুদ্ধদেব বসু বলেছিলেন, ‘জাত বোহেমিয়ান একমাত্র নজরুলকেই দেখেছি – শ্রীকৃষ্ণের মতো, তিনি যখন যার,তখন তার। একটি হারমোনিয়াম এবং যথেষ্ট পরিমাণ চা ও পান দিয়ে বসিয়ে দিতে পারলে তাঁকে দিয়ে একটানা পাঁচ-সাত ঘণ্টা গান করিয়ে নেওয়া কিছুই নয়। তিনি বাজাতে বাজাতে গেয়েছেন, গাইতে গাইতে লিখেছেন। সুরের নেশায় এসেছে কথা, কথার ঠেলা সুরকে এগিয়ে নিয়ে গেছে’। সমকালীন রচিয়তাদের সাথে নজরুলের আরো একটা তফাত ছিল, তিনি তাঁর গানে অন্য সুরকারদেরও সুর করার অনুমতি দিয়েছিলেন। তাঁরা প্রত্যেকেই তখন সুরের আকাশে এক একটি সূর্য। ধীরেন দাস, বিমল-কমল-সুবল দাশগুপ্ত, উমাপদ ভট্টাচার্য, তুলসী লাহিড়ি, হিমাংশু দত্ত, শৈলেশ দত্তগুপ্ত, চিত্ত রায়, দুর্গা সেন, জ্ঞান দত্ত প্রমুখ। কমল দাশগুপ্ত সম্পর্কে নজরুল নাকি বলেছিলেন, ‘কমল আমার গানে সুর করলে, সুপাত্র কন্যাদান করলে পিতার যে অনুভুতি হয়, আমারও সেইরকম আনন্দ হয়’। সাংগীতিক সৃষ্টির পাশাপাশি সাহিত্যশাখাকেও সমৃদ্ধ করেছিলেন বিপ্লবী বিদ্রোহী নজরুল। সরস্বতীর অকৃপণ কৃপাতো পেয়েছেন কিন্তু লক্ষীর শুভেচ্ছা জোটেনি। অতিপ্রসবের প্রক্রিয়া ক্রমশ ক্লান্ত করেছে তাঁকে, ভেঙেছে, বিষন্ন করেছে তবুও হাল ছাড়েননি পানসীর। সৃষ্টির তালিকা ক্রমশ দীর্ঘ হয়েছে ঠিকই কিন্তু তাকে পর্যাপ্ত সংরক্ষণ ও সংস্কারের অবকাশ পাননি। অর্থনৈতিক সঙ্কট সেই শৈশব থেকে কখনো পিছু ছাড়ে নি। উপার্জনের বাধ্যতাই প্রতিদিন অধিক মেধা আর জীবনীশক্তির দাবী রাখছিল। এমনকি চিরকালের জন্য বাকরুদ্ধ হয়ে যাওয়ার মুহূর্তেও নজরুল গল্প বলছিলেন শিশুমহলের কচিকাঁচাদের জন্য। গল্প শেষ করতে পারেননি তিনি, এভাবেই অসমাপ্ত রয়ে গেছে তাঁর অনেক কাজ। চল্লিশের দশকে নজরুল যখন পুরোমাত্রায় সক্রিয় ছিলেন তখন তাঁর গান শ্রোতাদের কাছে আদর পায়। সেসময় তাঁর গান গেয়েছেন সত্য চৌধুরী, জগন্ময় মিত্র, ধীরেন্দ্রনাথ মিত্র, বেচু দত্ত, সন্তোষ সেনগুপ্ত, আব্বাসউদ্দিন, শৈলদেবী, দীপালী নাগ, বিজন ঘোষদস্তিদারেরা, এমনকি বিদেশিনী গায়িকা মড কস্টেলা। যদিও তখনো নজরুলের গান ‘নজরুলগীতি’ হিসেবে পুরোপুরি আত্মপ্রকাশ করেনি। কারণটা মনে হয় ব্রিটিশ রাজরোষ। প্রথমদিকে ১৯২২ সালে নজরুলের দুটি কবিতায় সুর দিয়ে তৎকালীন বিখ্যাত গায়ক হরেন্দ্র ঘোষ রেকর্ড করেছিলেন গ্রামোফোন কোম্পানিতে, তাও আবার নজরুলের নাম গোপন করে। পরে সে খবর কোম্পানির কর্তাব্যক্তিদের কানে পৌঁছলে অনুমতি মেলে নজরুলের গান রেকর্ড করবার। এবং তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। কিন্তু ১৯৪২ সালে কবি রুদ্ধবাক হয়ে যাওয়ায় সে জনপ্রিয়তায় অধোগতি দেখা দেয়। আর যেহেতু নজরুলের বেশীরভাগ গানই ছিল তাৎক্ষনিক রচনা তাই খানিকটা সংরক্ষণের অভাবেও অনেক গান হারিয়ে যেতে বসে। এসময়ে নজরুলসঙ্গীতের শুদ্ধ স্বরলিপি ও সুর সংরক্ষণে একটি গুরত্বপূর্ণ ভূমিকায় অবতীর্ণ হন ফিরোজা বেগম। কবির জীবদ্দশায় কিছু গান গ্রন্থাকারে সংকলিত হয়েছিল যার মধ্যে রয়েছে গানের মালা, গুল বাগিচা, গীতি শতদল, বুলবুল ইত্যাদি। পরবর্তীকালে আরো গান সংগ্রন্থিত হয়েছে। ধারণা করা হয় প্রায় চার হাজারের মতো গান তিনি সৃষ্টি করেছিলেন। সত্তরের দশকে নজরুলের গানের স্বর্ণ যুগ বলা যায়। মূলত এসময় থেকেই নজরুলগীতি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র বাংলা ধারার গান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এসময় যারা গাইতে শুরু করলেন তাঁরা হলেন মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, সুপ্রভা সরকার, পূরবী দত্ত, অঞ্জলী মুখোপাধ্যায়, ধীরেন বসু, কল্যানী কাজী, শেখ লুৎফর রহমান, সোহ্‌রাব হোসেন, বেদারউদ্দিন আহমদ, সুধীন দাশ প্রমুখ।
কিন্তু বড় দুঃখের সাথে বলতে হয় একসময় ফেরিওয়ালা দিয়ে যে গানের বাজার পাওয়া গেছে এখনকার ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে এসে সে গানের বাজার তৈরি করা যাচ্ছে না। অথচ সেকালের গানের প্রতি একালের শ্রোতার মোহ চলে গেছে এমন তো নয়। বাঙালীর, বিশেষ করে বাঙালী মুসলমানের আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকার কথা ছিল যে গানের, কাণ্ডারীর অভাবে তা আজ অনেকটাই দিশেহারা। বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক প্রতিভাবান নজরুল শিল্পী রয়েছেন, যারা ভালবেসে গান করেন, অর্থ বা খ্যাতির মোহে নয়। কিন্তু সেসব শিল্পীদের যথার্থভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না। নজরুল বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, প্রথমত আগে নজরুলের গানগুলোকে ঠিক মতো প্রজেক্ট করতে হবে। অগোছাল ব্যাপারগুলো সমন্বয় করতে হবে, কোন একটি গানের দুটি স্বরলিপি পাওয়া গেলে দুটিই সংরক্ষণ করতে হবে। গানের আঙ্গিকের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। গানের চরিত্র ও রস অক্ষুন্ন রেখে বর্তমানের সাথে তাল মিলিয়ে স্টাইলে পরিবর্তন আনা যেতেই পারে। দ্বিতীয়ত, বেশীরভাগ সময়ই দেখা যায় জন্ম আর মৃত্যু দিন ঘিরেই নজরুলকে নিয়ে আমাদের যত আয়োজন। সারা বছর জুড়েই বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন, আলোচনা, প্রতিযোগিতা, টিভি শো, শিশুকিশোরদের জন্য নজরুলের গানের স্কুল ও নজরুলভিত্তিক পড়াশোনা ইত্যাদির মাধ্যমে নজরুলের চেতনাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। কিছু কিছু যে হচ্ছে না তা নয়। পশ্চিমবঙ্গের নিবেদিতপ্রাণ নজরুল গবেষক ড. ব্রহ্মমোহন ঠাকুর নিজের সংগ্রহ করা নজরুলের গানের রেকর্ডের ভাণ্ডার দান করেন ঢাকার নজরুল ইনস্টিটিউটকে। তাঁর সংগৃহীত গানের ভাণ্ডার নিয়ে ইনস্টিটিউট প্রকাশ করেছে ‘নজরুল সঙ্গীত নির্দেশিকা’ গ্রন্থ। এতে দুই হাজারের বেশি গানের তথ্য স্থান পেয়েছে। সুধীন দাশ বলেন, সুর হারিয়ে গেছে কিংবা আদৌ সুর করা হয়নি- নজরুলের এমন গানগুলো রক্ষা করতে হবে একটা বোর্ডের মাধ্যমে। নজরুল গবেষক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলামের মতে, নজরুলের গানের সংখ্যা সোয়া তিন হাজার, যা ইতিমধ্যে সংগ্রহে এসেছে। অন্যদিকে সংগীতজ্ঞ সুধীন দাশের মতে, এ সংখ্যা সাড়ে তিন হাজার হতে পারে। নজরুল ইনস্টিটিউট প্রকাশিত রশিদুন নবী সংকলিত ‘নজরুল সঙ্গীত সংগ্রহ’ গ্রন্থে নজরুলের তিন হাজার ১৬৩টি গানের বাণী লিপিবদ্ধ হয়েছে। এখনো তাঁর গান উদ্ধার হচ্ছে। ‘নজরুল তার শেষ ভাষণে উল্লেখ্য করেন – ‘কেউ বলেন আমার বানী যবন কেউ বলেন কাফের। আমি বলি ও দুটোর কোনটাই না। আমি শুধু হিন্দু মুসলিমকে এক জায়গায় ধরে নিয়ে হ্যান্ডশেক করানোর চেষ্টা করেছি, গালাগালি কে গলাগলিতে পরিণত করার চেষ্টা করেছি’। বর্তমান একুশ শতকের বাংলাদেশের যত অবক্ষয়, অস্থিরতা, মৌলবাদ আর বিশ্বাস অবিশ্বাসের দ্বন্দ্বে নজরুল তাই হতে পারে নবীন প্রবীন সকলের আশ্রয়,আদর্শ, চেতনা ।

তথ্যসূত্র:
১। নজরুল সংগীত: পটভূমি ও পরিচয়” নজরুল-গীতি অখণ্ড, আবদুল আজীজ আল্‌-আমান সম্পাদিত, হরফ প্রকাশনী, কলকাতা।
২। সুধীন দাশ, মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, বিমান মুখোপাধ্যায়, ইন্দ্রাণী সেন এর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত সাক্ষাৎকার।
৩। বাংলাদেশ নজরুল গবেষণা কেন্দ্র।

আর্টস বিভাগে প্রকাশিত বিপাশা চক্রবর্তীর আরও লেখা:
জীবন ও মৃত্যুর সঙ্গম: অর্ধনারীশ্বর অথবা তৃতীয় প্রকৃতি

মানব তুমি মহীরুহ তুমি

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: আইনস্টাইন, শেক্সপিয়র, আঁদ্রে গ্লুক্সমাঁ, ফের্নান্দো ও বিয়োরো

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি: স্রোতের বিরুদ্ধে স্নোডেন, অরুন্ধতী, কুসাক

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি: ভিক্টর হুগো ও টেনেসি উইলিয়াম

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: আরবমুখী ফরাসী লেখক ও মার্গারেটের গ্রাফিক-উপন্যাস

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: গত বছরের সেরা বইগুলো

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: নতুন বছরে নারীরাই রবে শীর্ষে

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি: নতুন এলিয়ট, ব্যাংকসির প্রতিবাদ ও তাতিয়ানার রসনা

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য:চিরকালের শত শ্রেষ্ঠ

নারী দীপাবলী: তুমি হবে সে সবের জ্যোতি

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য:চিরকালের শত শ্রেষ্ঠ ননফিকশন

গ্রন্থাগারের জন্য ভালোবাসা

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: যাদুবাস্তবতার শাহেনশাহ মার্কেসের মানসিক গ্রন্থাগার

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য:ভাষারাজ্যের তীর্থযাত্রী ঝুম্পা লাহিড়ী ও টেন্টাকলের মার্গারেট এটউড

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: প্রত্যাখ্যাত রাউলিং ও পুনর্বাসনে লুইয এলিজাবেত ভিযে ল্য ব্রাঁ

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: রোবট লিখবে হাইব্রিড উপন্যাস?

সাম্প্রতিক শিল্পসাহিত্য: পানামা পেপার্স-এ চিত্রকলাও

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: বিজ্ঞানসচেতন শেক্সপিয়র

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: দ্য জাঙ্গল বুক-এর চোখধাঁধানো নতুন অলংকরণ

জাহা হাদিদ: আপোষহীন প্রতিভার অনন্য স্থাপত্য

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (5) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মারুফ কবির — মে ২৬, ২০১৬ @ ৫:০০ অপরাহ্ন

      খুব সুন্দর। সংক্ষেপে বিপাশা নজরুলের গানের বৈচিত্র্যময় সম্ভার তুলে ধরেছে। ভালো হয়েছে লেখাটি। নজরুলের বিপুলা গানের ভাণ্ডার কতভাবে নন্দিত– পাঠক তা অনুধাবন করতে পেরেছে বলে আমার বিশ্বাস।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Saif BARKATULLAH — মে ২৬, ২০১৬ @ ৬:১০ অপরাহ্ন

      কবি কাজী নজরুল ইসলামের গান নিয়ে ছোট্ট আলোচনা ভাল লাগল। ধন্যবাদ

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আনিস মাহমুদ — মে ২৮, ২০১৬ @ ৬:১৭ অপরাহ্ন

      বিষয়পরিসর বিশাল। কিন্তু আলোচনা খুবই সংক্ষিপ্ত। এ যেন ভুরিভোজের নিমন্ত্রণ করে চাটনি খাইয়ে বিদায় করা।

      পরবর্তীতে মনভরার মতো আরও সুবিস্তৃত আলোচনার দাবি জানিয়ে গেলাম।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Md. Mahmudul Hasan — মে ৩১, ২০১৬ @ ১০:০৩ পূর্বাহ্ন

      অতি অল্প পরিসরে বিশাল নজরুলকে আপনি যেভাবে চিত্রিত করেছেন তা অনেক ভালো লাগলো। আরো ভালো লেখার অপেক্ষায় রইলাম। ধন্যবাদ।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিপাশা চক্রবর্তী — মে ৩১, ২০১৬ @ ৯:১১ অপরাহ্ন

      ধন্যবাদ, মারুফ কবির, সাইফ বরকতউল্লাহ। নজরুলের অসাধারণ সৃষ্টিকর্ম গান নিয়ে ছোট্ট এই আলোচনা আপনাদের ভাল লেগেছে। আমি চেষ্টা করেছি বর্তমানের ব্যস্ত পাঠকের কাছ থেকে খুব অল্প সময় নিয়ে নজরুলের গানকে তাদের সামনে তুলে ধরতে।
      আনিস মাহমুদ আপনার দাবী খুবই যুক্তিসঙ্গত। আমি চেষ্টা করব পরবর্তী সুযোগ পেলেই আপনার মন ভরাতে।
      মাহমুদুল হাসান, স্বাগত জানাই আপনার অপেক্ষাকে।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com