গুলশানের সেই কফিশপটির কথা কোনোদিন ভুলবো না

মিনার মনসুর | ১৭ মে ২০১৬ ১২:৩৩ অপরাহ্ন

sikder-aminul.jpgআমি তখন সংবাদ-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কাজ করি। সিকদার ভাই এলিফ্যান্ট রোডের সেই প্রসিদ্ধ বাড়িটি ছেড়ে চলে গেছেন গুলশানে। ফলে আগের মতো ইচ্ছে হলেই আর ছুটে যেতে পারি না। এ নিয়ে প্রায় মন খারাপ থাকে। সিকদার ভাই মাঝেমধ্যে ফোন করেন। তাঁর শরীরটা ভালো যাচ্ছে না। ক’দিন আগেই ব্যাংকক থেকে ফিরেছেন চেকআপ করে। তখনই ফোনে কথা হয়েছে। শুনেছি, অবস্থা বিশেষ ভালো নয়। আবারও হার্টের বাইপাস সার্জারি করাতে হবে। আমি সার্জারিটা করে আসার পক্ষেই মত দিয়েছিলাম। জলি ভাবীও তাই চেয়েছিলেন। কিন্তু সিকদার ভাইকে রাজি করানো যায়নি। তিনি সাব্যস্ত করেছেন মুম্বাইয়ের বিশিষ্ট একজন চিকিৎসককে দিয়ে করাবেন। দ্বিতীয় দফা বাইপাস সার্জারিতে তাঁর হাত নাকি খুব ভালো। সিকদার ভাইয়ের কাছের মানুষমাত্রই জানেন যে তিনি কতোটা খুঁতখুঁতে ছিলেন এসব ব্যাপারে। ব্যাংকক থেকে ফিরে আসার পর আবারও ফোন করেছিলেন। গলায় গাঢ় অভিমান। কিছু বলার মতো মুখ ছিল না আমার। এটা কি ভাবা যায় যে তাঁর দেশে ফেরার পর কয়েকদিন কেটে গেছে অথচ আমি দেখতে যাই নি প্রিয় এ মানুষটিকে।

তখন আমার খুব খারাপ সময় যাচ্ছে। বিএনপি-জামায়াত জোটের কবন্ধ রাজনীতির কোপানলে পড়ে চাকরিই শুধু হারাতে হয়নি, একাধিক মামলায় নিয়মিত হাজিরাও দিতে হচ্ছে আদালতে। চারপাশে যাদের বন্ধু বা আপনজন বলে ভাবতাম মুখোশের আড়াল থেকে তাদের মুখটি ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বোপরি, জীবিকার লবণাক্ত সংগ্রাম আমাকে প্রায় রোবটে পরিণত করেছে। বিষাদের ধূসর চাদরটি ছুড়ে ফেলে একদিন সত্যি সত্যি চেপে বসি গুলশানগামী বাসে। দীর্ঘ যানজট ঠেলে কিছু রিকশায় কিছু হেঁটে সিকদার ভাইয়ের বাসাটি যখন খুঁজে বের করি, তখন আমার অবস্থা ঝড়ো কাকের মতো। সারা শরীর থেকে ঘাম ঝরছে। সিকদার ভাই এত পরিপাটি মানুষ যে এ অবস্থায় তাঁর মুখোমুখি হতে হবে ভেবে আমি খুব বিব্রত বোধ করি ভেতরে ভেতরে। ভাগ্য ভালোই বলতে হবে যে তিনি তখনো বাসায় ফেরেননি। হাতে-মুখে পানি দিয়ে আমি নিজেকে গুছিয়ে নিতে না নিতেই বেজে ওঠে কলিং বেল। সহাস্য সপ্রতিভ সিকদার ভাই। তাঁকে দেখে মুহূর্তে আমার সব বিষাদ বরফের মতো গলে যায়। ক্রিম কালার প্যান্টের সঙ্গে জাফরান রঙের প্রিন্টেড ফুলহাতা শার্ট। অবয়বে রুগ্নতার ছাপ নেই বিন্দুমাত্র।

আমি খবর দিয়ে আসিনি। অপ্রত্যাশিতভাবে আমাকে দেখে তিনি যে খুব খুশি হয়েছেন সেটা প্রকাশ পায় তাঁর উচ্ছ্বাসে। অনেকদিন পর আবার আমরা মুখোমুখি বসি। অনেক কথা জমে আছে। আছে তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগও। তবে আমার কিছু জিজ্ঞেস করতে হয় না। তিনিই অনর্গল বলে যান। প্রথম কথাটিই ছিল, ‘মিনার, আপনাকে কিন্তু মুম্বাই যেতে হবে আমার সঙ্গে। অপারেশনের সময় থাকতে হবে।’ আমি আজও ভেবে অবাক হই, তাঁর সঙ্গে আমার প্রায় দেড়যুগের বয়সের ব্যবধান তো ছিলই, সর্বোপরি ছিল অতলস্পর্শী স্বার্থগন্ধশূন্য এক সম্পর্কের বন্ধন। তারপরও তিনি আমাকে ‘আপনি’ সম্বোধন করতেন। আমি জিজ্ঞেস করি, ‘শরীরের অবস্থা এখন কেমন?’ তিনি খুব উচ্ছ্বাসের সঙ্গে বলেন, ‘ডাক্তার দু একটা ওষুধ বদলে দিয়েছেন। এখন বেশ ভালো।’ সেটা বোঝাতেই বাসার দীর্ঘ বারান্দাটি দেখিয়ে বললেন, এখন দু তিনবার চক্কর দিতে পারি। আগে তো হাঁটতেও বুকে অস্বস্তি হতো।

sikder-bhai-2.jpgআমি তবু আশ্বস্ত হতে পারি না। কারণ একটু আগেই ভাবীর কাছে শুনেছি কলকাতার বিড়লা হাসপাতালে দেবী শেঠির করা প্রথম বাইপাসটি ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ মুছে গেছে। সময়মতো চেকআপ না করায় বেড়ে গেছে ঝুঁকির মাত্রাও। আমি তাই দ্রুত অপারেশনটা সেরে ফেলার তাগাদা দেই। বলি, যখনই প্রয়োজন হয় আমি যাবো। তিনি আমার উদ্বেগকে গ্রাহ্য করেন না। বলেন, ‘আজ কাজী আরিফের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। ওরও দুবার বাইপাস সার্জারি হয়েছে। কিন্তু যথেষ্ট ভালো আছে। ও নিয়মিত তেঁতুলের শরবত খায়। এতে নাকি ভীষণ উপকার হয়। আমিও শুরু করেছি।’ জলিভাবী কবির উচ্ছ্বাসে জল ঢেলে দেন। বলেন, ‘দেখো দীপক (কবির ডাক নাম), হঠাৎ করে এত হাঁটাহাঁটি আর এক সঙ্গে দু গ্লাস তেঁতুলের শরবত তোমার শরীরে সহ্য হবে না।’
সিকদার ভাই প্রসঙ্গ পাল্টান। ফিসফিস করে বলেন, ‘ব্যাংককের মেয়েগুলো কিন্তু ভালো। খুব যত্ন করে ম্যাসাজ করে। নার্সগুলোও খুব আন্তরিক। অপারেশনটা সেখানে করে ফেললেই পারতাম। কেরালার মেয়েগুলোও খুব ভালো ছিল। কালো, কিন্তু এত আন্তরিকতা আপনি কোথাও পাবেন না। মুম্বাইয়ের নার্সগুলো কেমন হবে জানি না।’ ডাক্তার, অপারেশন, নিজের নাজুক স্বাস্থ্য সব ছাপিয়ে নার্স নিয়ে তাঁর উৎকণ্ঠা দেখে আমি মনে মনে হাসি। এই না হলে কবি!

আবার পাল্টে যায় প্রসঙ্গ। ‘জলি, আজকাল তোমার কিছুই মনে থাকে না। মিনারকে চা দিতেও ভুলে গেছো তুমি।’ ভাবি বলেন, ‘তুমি হাতমুখ ধুয়ে আসো। টেবিলে খাবার দিচ্ছি।’ সিকদার ভাইয়ের কী যেন হয়েছে। বাইরে থেকে এসে জামা-কাপড় ছেড়ে দীর্ঘ সময় ধরে হাত-মুখ না ধুয়ে তিনি জলও স্পর্শ করেন না। স্বভাববিরুদ্ধভাবে আজ জামাকাপড় পরা অবস্থায় টেবিলে গিয়ে বসলেন। বসেই বললেন, ‘মিনারের তো ভাত আর গরুর মাংস না হলে চলে না। আমি কিন্তু এখন এগুলোই খাই। অত্যন্ত নিয়ম মেনে চলি।’ টেবিলে পাস্তা আর সবজি সেদ্ধ। আমার বুকটা অজান্তেই হু হু করে উঠলো। সিকদার ভাইয়ের জিব আর চোখের বিরল আভিজাত্যের কথা কে না জানে! সর্বোপরি, চার সদস্যের এ পরিবারটির হরেক পদের সুস্বাদু রান্না আর অভূতপূর্ব আতিথেয়তার খবর শুধু ঢাকায় নয়, কলকাতার কবিমহলেও সুবিদিত।

সেই নব্বই দশকের শুরু থেকে এ পরিবারের নিয়মিত সদস্যই বলা যায় আমাকে। কতো খেয়েছি। থেকেও গিয়েছি বহু রাত। ক্ষুধার্ত ছিলাম। তারপরও আজ কিন্তু কিছুই মুখে দিতে ইচ্ছে হলো না। সিকদার ভাই ভাবীকে উদ্দেশ্য করে বললেন, ‘মিনার কি এগুলো খাবে?’ আর ফিসফিস করে আমাকে বললেন, ‘একটা বিয়ার আছে। আপনি খান।’ এও কি সম্ভব? একযুগেরও বেশি সময় ধরে প্রায় নিয়মিত আড্ডা হয়েছে। বেশিরভাগ আড্ডাই হয়েছে সিকদার ভাইয়ের বাসায়। তবে রুবী রহমান, খান সারওয়ার মুরশিদ কিংবা মাইদুল ইসলামের বাসায়ও জমজমাট আড্ডা বসেছে। কখনো আমার নূরজাহান রোড কিংবা সলিমুল্লাহ রোডের চিলেকোঠায়ও আলোর বন্যা বইয়ে গেছে। আজ ভাবতে স্বপ্নের মতো মনে হয় যে সেখানে সিকদার ভাই আসতেন। আসতেন রাহমান ভাই, সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, আবুল হাসনাত ও রুবী আপার মতো মানুষেরা। সেখানে যথারীতি পান এবং আহার দুটোই চলেছে।

ঘরেবাইরে এত যে আড্ডা, কোথাও সিকদার ভাইকে ছাড়া পান করেছি এমন তো মনে পড়ে না। যেদিন কলকাতার বিড়লা হাসপাতালের খ্যাতনামা হৃদরোগ চিকিৎসক শুভ দত্ত সেই ভয়ঙ্কর বার্তাটি তাঁকে দিয়েছিলেন– বলেছিলেন এখনই ধূমপান সম্পূর্ণ ছেড়ে দিতে– সেই সন্ধ্যায়ও আমরা সাকুরায় দীর্ঘ আড্ডা দিয়েছি। যে-বেনসনের প্যাকেট আর সুদৃশ্য লাইটার ছিল তাঁর ব্যক্তিত্বেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ তা আমার দিকে ঠেলে দিয়ে বলেছিলেন, ‘সিগ্রেট আর নয়। তবে শুভ দত্ত বলেছেন হুইস্কি দু-তিন পেগ পর্যন্ত চলতে পারে।’ সেই থেকে দু পেগে গিয়ে আমি থেমে যেতাম। কিন্তু সিকদার ভাই বলতেন, ‘আর একটু বসি।’ ইশারায় বেয়ারাকে বলতেন আরও হাফ পেগ করে দিতে। সেটাও শেষ হয়ে যাওয়ার পর বলতেন, ‘লাস্ট হাফ পেগ কিন্তু আমার সৌজন্যে।’ এমনভাবে বলতেন যে আমি না করতে পারতাম না।

সেই বিয়ার আমি ছুঁয়েও দেখিনি। সিকদার ভাই সিগ্রেট ছেড়ে দেওয়ার পরও বহুদিন আমি ধূমপান করেছি। কিন্তু তাঁর সামনে সিগ্রেট পারতপক্ষে বের করতাম না। তিনি সেটা বুঝতেন। রাত বাড়ছিল। গুলশান থেকে কীভাবে মিরপুর ফিরবো– ছিল সেই উৎকণ্ঠাও। কিন্তু যতবার ওঠার কথা বলছিলাম ততবারই তিনি বলছিলেন, আর একটু বসেন। একপর্যায়ে ভাবীও বললেন, ‘মিনার চলে যাক। দেরি হলে কোনো গাড়ি পাবে না।’ একটুও না ভেবে সিকদার ভাই বললেন, ‘আমাদের ড্রাইভারই পৌঁছে দেবে।’ তার পর হঠাৎ করেই বললেন, ‘জলি, চলো আমরাও যাই। এক সঙ্গে কফি খেয়ে আসি।’ আমি অবাক হয়ে যাই। কারণ সিকদার ভাইকে যখন থেকে ঘনিষ্ঠভাবে চিনি, কখনোই কফির প্রতি তাঁর বিন্দুমাত্র আসক্তি দেখেছি বলে মনে পড়ে না। তখন রাত প্রায় সাড়ে দশটা। সিকদার ভাই গিয়েছিলেন আজকের কাগজ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে। সেখান থেকে ফিরে বিশ্রাম দূরে থাক, কাপড়ও পাল্টাননি। অন্য সময় ভাবীও এ নিয়ে রাগ করতেন। আজ কিন্তু অদ্ভূতভাবে তিনিও রাজি হয়ে যান সিকদার ভাইয়ের এ অদ্ভুত আবদারে।

sikder-minar.jpgসিকদার ভাইয়ের কুকুরপ্রীতির কথা তাঁর বন্ধু ও স্বজনরা প্রায় সবাই জানেন। ডোডি আর তিতলি নামের দুটি কুকুর ছিল তাঁর সন্তানতুল্য। এলিফ্যান্ট রোডে ছিল নিজের বাসা, কিন্তু গুলশানের ভাড়া বাসায় কুকুর নিয়ে সমস্যা হতে পারে ভেবে বাসাবদলের সময় বিশালাকৃতির জার্মান শেফার্ড ডোডিকে সম্ভবত কারো কাছে দিয়ে আসতে হয়েছিল। শুনেছি, ডোডির নাকি এ বিচ্ছেদ সহ্য হয়নি। প্রায় না খেয়েই মারা গিয়েছিল ডোডি। সেই শোকে সিকদার ভাইকে কাঁদতেও দেখেছি। তখন তিব্বতিয়ান দীর্ঘ শুভ্র লোমের ছোট্ট তিতলিই ছিল তার সর্বক্ষণের সঙ্গী। সেই তিতলিকে কোলে নিয়ে তিনি লিফটে ওঠেন। পেছনে জলি ভাবী আর আমি। তাঁর গাড়িই আমাদের পৌঁছে দেয় খুব কাছের একটি কফিশপে। ‘নিউইয়র্কার’ নামের গুলশানের সেই কফিশপটির কথা আমি কোনোদিন ভুলতে পারবো বলে মনে হয় না। ফেনিল কফি আসে। ঠান্ডা হয়। কিন্তু পরে আমার মনে হয়েছে সেটা ছিল একটা উপলক্ষ মাত্র। কবিরা তো বহুদূর অবধি দেখতে পান। তিনি কি কিছু আঁচ করতে পেরেছিলেন?

উঠে আসার সময় তাঁর সর্বশেষ প্রকাশিত আমরা যারা পাহাড়ে উঠেছি কাব্যগ্রন্থটির একটি কপি আমার হাতে তুলে দিয়ে বললেন, ‘আজকের কাগজের শামীম একটা রিভিয়্যু ছাপতে চেয়েছে। আমি আপনার কথা বলেছি।’ আমি বললাম, ‘ঠিক আছে।’ হঠাৎ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, ‘বুঝলে জলি, মিনার গদ্যটা…।’ প্রসঙ্গ পাল্টানোর জন্যে আমি বললাম, ‘সিকদার ভাই, বাসায় একদিন চা খেতে আসেন।’ সঙ্গে সঙ্গে তিনি প্রতিবাদ করে ওঠেন, ‘চা খেতে কেন আসবো? মিতা (আমার স্ত্রী) এত ভালো রান্না করে। মিনার কিপটে হয়ে গেছে, জলি।’ আমি লজ্জা পাই। বলি, ‘আপনি যা খেতে চান, তাই হবে। আসেন।’ বললেন, ‘কয়েকদিনের মধ্যেই আসবো।’ আমি গাড়িতে উঠে বসি। প্রায় মধ্যরাত। কিন্তু আমি অবাক হয়ে লক্ষ করি, গাড়িটি দৃষ্টির বাইরে না যাওয়া পর্যন্ত সিকদার ভাই সেদিকে তাকিয়ে আছেন। কেন জানি, ভাবীর মধ্যেও কোনো বিরক্তি নেই। তিনিও কি কিছু বুঝতে পেরেছিলেন?

পরদিন অফিস থেকে ফেরার পর রাত ১০টার দিকে লেখার টেবিলে বসে সিকদার ভাইয়ের বইটির পাতা উল্টাচ্ছিলাম। তিনি লিখেছেন, ‘কবি মিনার মনসুর বন্ধুবরেষু’। আমার চোখ সেখানেই আটকে যায়। মাথা নত হয়ে আসে একেবারেই স্বতন্ত্র এ কবিমানুষটির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায়। তখনই ফোনটি আসে, ‘দীপকদা আর নেই।’ কান্নাজড়িত কণ্ঠটি কবির ছোটো ভাই দিলীপের। অভিশপ্ত সেই দিনটি ছিল ১৭ মে ২০০৩।
Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (5) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন saifullah mahmud dulal — মে ১৭, ২০১৬ @ ১:৩২ অপরাহ্ন

      মিনার,
      অনেক পুরোনো স্মৃতিতে নাড়া দিলেন। এই সব আড্ডায় কোথাও কোথাও কখনো কখনো আমিও ছিলাম।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জুনান নাশিত — মে ১৭, ২০১৬ @ ২:২২ অপরাহ্ন

      মিনার ভাইয়ের কাছে কথাগুলো আগেও শুনেছি। কিন্তু এবারে পড়লাম। লেখাটা খুবই গুছানো এবং গভীর দরদের। সিকদার ভাইয়ের যৎকিঞ্চিত স্নেহ পেয়েছিলাম। তাই লেখাটি পড়ে অজান্তেই দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো। তাঁকে স্মরণের যে বেদনা হয়তো তারই প্রকাশ। সিকদার ভাই আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন এবং থাকবেন। তাঁর কবিতাগুলোও আমাদের ভালোলাগা যুগিয়ে যাবে দীর্ঘ দীর্ঘদিন।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন হানযালা হান — মে ১৭, ২০১৬ @ ৮:১৬ অপরাহ্ন

      পুরোটা পড়লাম। ভালো।

      শেষটায় মর্মাহত।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মাহমুদ হাফিজ — মে ১৮, ২০১৬ @ ১২:১১ অপরাহ্ন

      পল্টনে কবি ফজল শাহাবুদ্দীনের অফিস কিংবা নয়াপল্টনে গাজী শাহাবুদ্দিন ভাই’র বাসায় রাতের আড্ডায় যাতায়াতের সুবাদে কখনো কবির সঙ্গে আলাপ হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আশির দশকের ছাত্রজীবনে যেসব কবির কবিতা আমাদের প্রাণিত করতো কিংবা আমরা যাদের কবিতা নিয়ে আলোচনায় মাততাম…তাদের মধ্যে সিকদার আমিনুল হক অন্যতম।
      যতদূর মনে পড়ে……এলিফ্যান্ট রোডে তার একটা ফাস্টফুডের দোকান ছিল। সেখানে মাঝে মাঝে যেতাম এবং কবিকে দেখা যেত। মিনার মনসুর এই স্মরণ অন্যদেরকেও কবিকে নিয়ে ভাবাবে বলে মনে হয়।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মিজানুর রহমান রানা — মে ১৯, ২০১৬ @ ৪:২২ পূর্বাহ্ন

      অনেক পুরোনো কথা মনে করিয়ে দিলেন। স্মৃতির পাঠাগারের সবকিছু উজাড় করে দিলেন। সুন্দর মনোরম উপস্থাপনায় আর নান্দনিকতায়।

      ধন্যবাদ।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com