সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: বিজ্ঞানসচেতন শেক্সপিয়র

বিপাশা চক্রবর্তী | ২৩ এপ্রিল ২০১৬ ৮:৫৭ অপরাহ্ন

w-s.jpgউপলক্ষটি চার’শ বছরের। তা যতই ভক্ত, অনুরাগী থাকুক না কেন, কর্মগুণ না থাকলে কেউ চারশ বছর ধরে বাঁচে কী করে? অাভনের কবি থেকে যিনি হয়েছেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্য স্রষ্টা। বলাই বাহুল্য, ইংরেজী ভাষায় তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক। উইলিয়াম শেক্সপিয়র। তাঁর সৃষ্টিকর্মকে উপজীব্য করে আজও মেতে আছে মননশীল আধুনিক মানুষেরা। যাকে নিয়ে আবার নাক সিঁটকেছিল একদল অজ্ঞ শূন্যগর্ভ লোক। তাঁর কালজয়ী সব নাটকের ছায়া অবলম্বনে একদিকে যেমন তৈরি হয়েছে জনপ্রিয় সব চলচ্চিত্র তেমনি রচিত হয়েছে বহু গল্প উপন্যাস। অন্যদিকে এসবকিছু ব্যবহার করে জমজমাট ব্যবসা করে যাচ্ছে অনেক প্রতিষ্ঠান। কিন্তু সবকিছুকেই ছাপিয়ে গেছে তাঁর প্রতি মানুষের ভালবাসা আর মুগ্ধতা। তাঁর সৃষ্টিকর্মে অনুপ্রাণিত প্রভাবিত হয়েছেন আধুনিক যুগের শ্রেষ্ঠ সব শিল্পী ও সাহিত্যিকরা।

শেক্সপিয়রের ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে তার সাহিত্যকৃতির নানা দিক নিয়ে আলোচনার অন্ত নেই। কিন্তু এত আলোচনার পরও এখনও তার অনালোকিত এমন সব দিক আছে যা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। ‘শেক্সপিয়র বার্ষিকীতে’ যে বিষয়টি পাঠকদের সামনে তুলে ধরতে চাই তা–বলাই বাহুল্য যে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি বইয়ের সূত্রে–এবং এ নিয়ে সম্ভবত খুব কম আলোচনাই হয়েছে। প্রাচ্যে তো বটেই এমনকি পাশ্চাত্যেও। পশ্চিমের দেশগুলোর মুষ্টিমেয় পণ্ডিতরা এ বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করেছেন। সেটা কী? “শেক্সপিয়র বিজ্ঞান জানতেন”! আমরা সাধারণত ‘শেক্সপিয়র’ আর ‘বিজ্ঞান’ এই দুটি দিককে কখনোই একসাথে ভাবি না। আর একটি ব্যাপার শেক্সপিয়রের সেই ভিক্টোরিয়ান যুগের বিজ্ঞান এখনকার বিজ্ঞানের মতো ছিল না। তবে এটা ঠিক শেক্সপিয়র বসবাস করেছিলেন এমন একটা অসাধারণ সময়ে যা ছিল বিজ্ঞানের বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হবার প্রথম পর্ব। যদিও এই মহান কবির জীবদ্দশায় জাদু আর নানা প্রকারের কুসংস্কার রাজত্ব করত। তবুও বলা যায় সেটা ছিল বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ ও আবিষ্কারেরই যুগ। মহাবিশ্ব এবং মহাবিশ্বে মানুষের অবস্থান সম্পর্কে নতুন নতুন জ্ঞান মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করছিল তখন।
এই মুহূর্তে পৃথিবী উদযাপন করছে এই মহান নাট্যকারের ৪৫২তম জন্ম ও ৪০০তম মৃত্যুবার্ষিকী। আর এইসময়ে এসে আমরা জানতে পারছি জগতের প্রাকৃতিক পরিবেশ তথা বিজ্ঞানের প্রতি শেক্সপিয়রের আগ্রহের কথা।

s-w.jpeg
ঐতিহাসিকদের দাবী, এটিই একমাত্র প্রতিকৃতি যা শেক্সপিয়রের জীবদ্দশায় আঁকা হয়েছিল। তবে এর চিত্রশিল্পী অজানা রয়ে গেছেন।
উইলিয়াম শেক্সপিয়র তাঁর যুগে তিনিই বোধ হয় বিজ্ঞান সমন্ধে সবচেয়ে বেশি সচেতন ছিলেন। তিনি কোপার্নিকাসের চোখে জগতকে দেখতেন। বিশ্বাস করতেন পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে। অন্যরা যেখানে বিশ্বাস করত এর উল্টোটা।
বেশ কিছু বছর ধরে পশ্চিমের কয়েকজন গবেষক বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করে আসছেন। বিজ্ঞানের আবিষ্কারের প্রতি শেক্সপিয়রের ঝোঁকের বিষয়টি। তাঁরা জানতে চেয়েছিলেন শেক্সপিয়রের লেখায় বিজ্ঞানের প্রভাব রয়েছে কি-না। বোস্টনের দ্য ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস-এর অধ্যাপক স্কট মেইসানো বিজ্ঞানের প্রতি শেক্সপিয়রের অনুরাগের বিষয়টি খতিয়ে দেখেছেন। তাঁর নাটকে বিজ্ঞানের প্রভাব বিশেষ করে শেষের দিকার নাটকগুলোতে। অক্সফোর্ডের দুজন অধ্যাপক জন পিচার ও জনাথন বেট, তাঁরা দুজনেই সমকালীন বিজ্ঞানের প্রতি শেক্সপিয়রের আগ্রহের কথা আমাদের জানিয়েছেন। তাঁদের এই অনুসন্ধানের ফলে শেক্সপিয়রের লেখায় উন্মোচিত হলো ভিন্ন এক দিকের। যেমনঃ ট্রয়লাস এন্ড ক্রেসিডা নাটকে ইউলিসিসের বক্তব্যই বিবেচনা করা যাক: “the glorious planet Sol / In noble eminence enthroned and sphered . . .” (1.3.89–90)
“মহিমান্বিত গ্রহ সূর্যদেব/মহান সিংহাসনে অধিষ্ঠিত এবং গোলক…”
এখানে “spheres” শব্দটি মধ্যযুগীয় বিশ্বসৃষ্টিতত্ত্বের চেয়েও অনেক বেশী অগ্রসরমান। একই সাথে ‘প্লানেট’কে সূর্য হিসেবে বুঝিয়েছেন। ১৯৪০ সালে এই ব্যাপারটি (E. M. W. Tillyard) ই এম ডব্লিউ টিলিয়ার্ড-এর গবেষণার মূল উপজীব্য বিষয় ছিল। গবেষণায় তিনি বলেন, শেক্সপিয়রের যুগকে আধুনিক বলা উচিত হবে না। সেটাকে মধ্যযুগ বলে অভিহিত করাই শ্রেয়। দ্য এলিজাবেথিয়ান ওয়ার্ল্ড পিকচার গ্রন্থে এ বিষয়ে গবেষক টিলিয়ার্ড বিস্তারিত লিখেছেন। বর্তমানে টিলিয়ার্ডের অনুজ কোন কোন পণ্ডিত বলছেন, এটা শেক্সপিয়রের সময়কালের ‘টলেমীয়’ ধারণা। আবার সূর্যের ভূমিকার উল্লেখ থাকার কারণে গবেষক জনাথন বেট বলছেন, শেক্সপিয়র সূর্যকেন্দ্রিক জ্যোতির্বিজ্ঞান সম্পর্কে ধারণা রাখতেন। এ থেকে বোঝা যায়, শেক্সপিয়র জানতেন টলেমির বিশ্বজ্ঞান কোপার্নিকাসের বৈপ্লবিক তত্ত্বের কাছে হার মেনেছে।

সিম্বেলাইন নাটকে আমরা দেখতে পাই নতুন মহাকাশজ্ঞানের সংযোজন। ১৬১০ সালের শেষের দিকে রচিত হয় এই নাটক। এর শেষ অংকে ‘জুপিটার’ নিজেই পর্দায় আবির্ভূত যখন চারটি ভূত গোলাকার বৃত্ত রচনা করে নৃত্যরত থাকে। গ্যালিলিওর সদ্যআবিষ্কৃত চারটি গ্রহের অবতারণা কি করছিলেন শেক্সপিয়র এই দৃশ্যের মাধ্যমে? গবেষক মেইসানো ও পিচার বলেছেন, তাঁর ঐ সময়ের লেখাগুলোতে তিনি প্রাচীন ব্রিটেন ও রোমের বৈজ্ঞানিক জ্ঞানসমূহকে একত্রিত করেছিলেন। এবং গ্যালিলিওর টেলিস্কোপ সম্পর্কে তিনি পড়েছিলেন ।

poet.jpg
পরবর্তী শিল্পীদের চোখে বিভিন্ন সময়ে আঁকা শেক্সপিয়র
পেনসিলভিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পিটার উসার মনে করেন, শেক্সপিয়র তাঁর সমস্ত রচনাই বিজ্ঞানের জ্ঞান দিয়ে রচনা করেছেন। তিনি হ্যামলেট নাটকের উল্লেখ করে বলেন, সেখানে তিনি মহাবিশ্ব সম্পর্কে মানুষের ধারণাকে রূপক অর্থে প্রকাশ করেছেন। নাটকে শুধুমাত্র কোপার্নিকাসের উল্লেখ করা হয় নি, টলেমি থেকে টাইকো ব্রাহের কথাও তিনি বলেছেন। টাইকো ব্রাহে যিনি টলেমি ও কোপার্নিকাসের দেওয়া সৌরজগতের মডেলকে আরো উন্নত রূপ দিয়েছিলেন। উসার বলেন শেক্সপিয়র হ্যামলেট নাটকে রাজার ‘অনাদিকালের স্থান’ (২।২।২৫৫) দ্বারা অনন্ত মহাবিশ্বের অস্তিত্বের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। এখানে কি আমরা শেক্সপিয়রের স্বদেশী থমাস ডিগস’কে খুঁজে পাই না? ব্রিটিশ গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী থমাস ডিগস যিনি প্রথম অনন্ত মহাবিশ্বের ধারণা দিয়েছিলেন।

শেক্সপিয়রের সৃষ্ট চরিত্রগুলির সাথে মহাবিশ্বের সংযোগের পদ্ধতিটা আধুনিক পাঠকের কাছে কিঞ্চিৎ অপরিচিত মনে হতে পারে। বিষয়টি বোধগম্য হয়
‘মহাজাগতিক কল্পনা’কে অনুভবের মধ্যে দিয়ে। দেখা যায় নাটকের চরিত্রগুলি আনন্দে কাঁদছে আবার অশ্রু লুকাচ্ছে কষ্টে। তারা নিশ্চয়তার জন্য তাকিয়ে আছে আকাশপানে আবার ‘জুপিটার, ‘দ্য গডস’ অথবা ‘দ্য হেভেনস’কে এমনভাবে আহ্বান করছে যেন তারা বেঁচে থাকার একটি অর্থ তৈরি করবার জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছে।

তবে এটাও কম চমকপ্রদ নয় যে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে জ্যোতিঃশাস্ত্রের সন্ধান পাওয়া যায়। সমানভাবে কিছু চরিত্রও আমাদের সামনে চলে আসে যারা কিনা এসব কুসংস্কারের বিরুদ্ধে কথা বলে। যেমন ক্যাসিয়াস(জুলিয়াস সিজার) অথবা এডমন্ড (কিং লিয়ার)। ধর্মীয় কারণে যদিও শেক্সপিয়র মাঝে মাঝে বাইবেলে উল্লেখিত গল্পের আশ্রয় নিয়েছেন কিন্তু কখনোই ‘বাইবেল’ শব্দটি কোথাও ব্যবহার করেননি। শুধু তাই নয়, তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলি মৃত্যু-পরবর্তী জীবনের প্রতিও বিশেষ একটা আস্থা রাখেনি কখনো। চরম অদৃষ্টবাদিতার যুগে বসবাস করেও শেক্সপিয়রের সৃষ্টিকর্ম জুড়ে ছিল সংশয়বাদ। বিশেষ করে তাঁর কর্মজীবনের শেষ সৃষ্টি কিং লিয়ার ছিল চূড়ান্ত পর্যায়ের। তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলি প্রায়ই সাহায্যের জন্য ঈশ্বরকে ডাকে, কিন্তু তাদের সেই মরিয়া আবেদন খুব কম সময়ই সাড়া পেত। তাহলে কি শেক্সপিয়র তেমনটাই ভাবতেন যেমনটা ভাবতেন তাঁরই সহযাত্রী ক্রিস্টোফার মার্লো?

অনুসন্ধানী পাঠক এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার ভার এখন আপনার। আমি শুধু শেক্সপিয়রের বিজ্ঞানভাবনা সম্পর্কে আরো কিছুটা তথ্য জানিয়ে আপনাদের জানার আগ্রহটাকে আরেকটু উসকে দিয়ে এবারের আয়োজন শেষ করব।

পরমানু সম্পর্কে জানতেন শেক্সপিয়র। প্রাচীন গ্রীকরা যে পরমানুর কথা বলেছিল বাস্তবে তার অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল উনিশ শতকে। কিন্তু বহু শতাব্দী আগে গ্রীকদের দিয়ে যাওয়া সেই ধারণার কথা জানতেন শেক্সপিয়র। আর সেটা স্পষ্ট হয় রোমিও এন্ড জুলিয়েট নাটকে। ‘কুইন ম্যাব’ অতি ক্ষুদ্র এই পরীরাণী যে কিনা প্রায় অদৃশ্য হয়ে তাঁর শিকারের নাকের ভেতর দিয়ে মস্তিষ্কে প্রবেশ করে তাঁর স্বপ্নে হস্তক্ষেপ করতে পারে। কতখানি ক্ষুদ্র হতে পারে ‘কুইন ম্যাব’ ? এ প্রসঙ্গে রোমিওর বন্ধু মারকুটিও বলছে,
“in shape no bigger than an agate stone,” / sitting in a coach “Drawn with a team of little atomi / Over men’s noses as they lie asleep.”
border=0
শেক্সপিয়রের বিজ্ঞানচেতনা নিয়ে লেখা সাম্প্রতিক একটি বইয়ের প্রচ্ছদ
যান্ত্রিক শরীর বা যন্ত্রচালিত শরীর সম্পর্কে জ্ঞান ছিল শেক্সপিয়রের। প্রাচীন গ্রীক চিন্তাবিদ এরিস্টেটল জীব ও উদ্ভিদ জগত পর্যবেক্ষণ করে পৃথিবীকেই একটি জীবন্ত অঙ্গ বা শরীর হিসেবে তুলনা করেছিলেন। আর শেক্সপিয়রের সময় এই ধারণাকে বলা হতো ‘ম্যাকনিক্যাল ফিলসফি’। রেনে দেকার্ত যার জন্ম শেক্সপিয়রের ৩২ বছর পর, যিনি মানুষ আর প্রাণীর শরীরি কার্যপ্রক্রিয়াকে অনেকটা রোবোটের মতো “অটোম্যাটা’” বলে অভিহিত করলেন, আরও বললেন ‘পৃথিবীর তৈরি একটি মূর্তি বা যন্ত্র ছাড়া মানুষের শরীর আর কিছুই না’ । তাঁর এই ধারণা শেক্সপিয়রের সময়কালে বেশ জনপ্রিয় হয়। শেক্সপিয়রও যে প্রভাবিত ছিলেন, তার প্রমাণ মেলে উন্টারস টেল নাটকের মধ্যে দিয়ে যেখানে মৃত রাণী হারমোনির একটি ভাস্কর্য জীবন্ত রাণী হয়ে উঠল। গবেষক স্কট মেইসানো বলেন, এটা সম্ভবত সেই সময়ে ‘আটোম্যাটা’র দারুন জনপ্রিয়তার কারণে শেক্সপিয়র তার নাটকে নিয়ে এসেছিলেন।
বর্তমানকালে বিজ্ঞানীদের গবেষণা থেকে বাদ যায়নি শেক্সপিয়রের কবিতাও। ক্যান্সার নির্ণয়ে ও চিকিৎসা বিষয়ক গবেষণায় ব্যবহার করা হচ্ছে তাঁর সনেটের ছন্দ-মাত্রা। অর্থাৎ যে গানিতিক ছন্দোবদ্ধ ভাষা ও কৌশল ব্যবহার করে মহান কবি তাঁর সনেটগুলি সৃষ্টি করেছিলেন সেই কৌশল প্রয়োগ করছেন কম্পিউটার বিজ্ঞানীরা বিপুল পরিমাণ তথ্যের সুক্ষ্ম তারতম্য নির্ণয়ে।

প্রকৃতির সাথে মানুষের নিবিড় সম্পর্ক বিজ্ঞানী না হয়েও যে অনুভব করেছিলেন, শেক্সপিয়রের অসামান্য সৃষ্টিকর্মগুলিই এর প্রমাণ। ২০১৪ সালে শেক্সপিয়রের ৪৫০তম জন্মবার্ষিকীতে কানাডিয়ান লেখক ও সাংবাদিক ডেন ফ্লাক প্রকাশ করেছেন দ্য সায়েন্স অফ শেক্সপিয়র: আ নিউ লুক অফ প্লেরাইট’স ইউনিভার্স। যেখানে লেখক দেখিয়েছেন- “শেক্সপিয়র মানব প্রকৃতিকে এমনভাবে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন ঠিক যেমন রাতের আকাশকে পর্যবেক্ষণ করেন একজন জ্যোতির্বিজ্ঞানী”। শেক্সপিয়র নিয়ে চলছে এখনও বহু গবেষণা। কে জানে অদূর ভবিষ্যতে আমাদের জন্য হয়তো অপেক্ষা করছে আরও চমকপ্রদ কোন কিছু।

তথ্যসূত্র: ‘দ্য সায়েন্স অফ শেক্সপিয়রঃ আ নিউ লুক অফ প্লেরাইট’স ইউনিভার্স’ –ডেন ফ্লাক।
সায়েন্টিফিক আমেরিকান ম্যাগাজিন।

আর্টস বিভাগে প্রকাশিত বিপাশা চক্রবর্তীর আরও লেখা:
জীবন ও মৃত্যুর সঙ্গম: অর্ধনারীশ্বর অথবা তৃতীয় প্রকৃতি

মানব তুমি মহীরুহ তুমি

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: আইনস্টাইন, শেক্সপিয়র, আঁদ্রে গ্লুক্সমাঁ, ফের্নান্দো ও বিয়োরো

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি: স্রোতের বিরুদ্ধে স্নোডেন, অরুন্ধতী, কুসাক

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি: ভিক্টর হুগো ও টেনেসি উইলিয়াম

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: আরবমুখী ফরাসী লেখক ও মার্গারেটের গ্রাফিক-উপন্যাস

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: গত বছরের সেরা বইগুলো

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: নতুন বছরে নারীরাই রবে শীর্ষে

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি: নতুন এলিয়ট, ব্যাংকসির প্রতিবাদ ও তাতিয়ানার রসনা

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য:চিরকালের শত শ্রেষ্ঠ

নারী দীপাবলী: তুমি হবে সে সবের জ্যোতি

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য:চিরকালের শত শ্রেষ্ঠ ননফিকশন

গ্রন্থাগারের জন্য ভালোবাসা

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: যাদুবাস্তবতার শাহেনশাহ মার্কেসের মানসিক গ্রন্থাগার

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য:ভাষারাজ্যের তীর্থযাত্রী ঝুম্পা লাহিড়ী ও টেন্টাকলের মার্গারেট এটউড

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: প্রত্যাখ্যাত রাউলিং ও পুনর্বাসনে লুইয এলিজাবেত ভিযে ল্য ব্রাঁ

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: রোবট লিখবে হাইব্রিড উপন্যাস?

সাম্প্রতিক শিল্পসাহিত্য: পানামা পেপার্স-এ চিত্রকলাও

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (4) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শিমুল সালাহ্উদ্দিন — এপ্রিল ২৪, ২০১৬ @ ১২:০০ পূর্বাহ্ন

      দুর্দান্ত পরিশ্রমসাধ্য একটা কাজ হয়েছে। অভিনন্দন লেখককে। আনন্দপাঠ হলো। অনেক জানা অজানা ঝালাই করে নেয়া হলো।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Mostafa Tofayel — এপ্রিল ২৪, ২০১৬ @ ১১:১২ অপরাহ্ন

      The treatment of science in Shakespearean literature is an interesting article that deserves great appreciation . I would simply like to add that Shakespeare had been a pupil in Stafford-Upon-Avon school from the year 1571 to 1580, when he had the occasion to read Ovid’s Metamorphosis. Metamorphosis is a vast subject concerned with science. We observe Shakespeare making the use of his knowledge of metamorphosis in his play, The Tempest, in the mouth of Ariel, who sings:
      “Full fathom five thy father lies,
      In his bones are coral made.”

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিপাশা চক্রবর্তী — এপ্রিল ২৫, ২০১৬ @ ১:৪৯ পূর্বাহ্ন

      ধন্যবাদ শিমুল সালাউদ্দিন, আমার এই ক্ষুদ্র চেষ্টাটুকু আপনাকে আনন্দ দেয়ায় আমারও ভাল লাগছে। জনাব মোস্তফা তোফায়েল, আপনার তথ্যপূর্ণ মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। শেক্সপিয়র বিশাল। আমি সামান্যই উপস্থাপন করতে পেরেছি। ভবিষ্যতে আরো বিস্তারিত আপনাদের সামনে উপস্থাপনের চেষ্টা করব। আপনার দেয়া তথ্যের জন্য আবারো ধন্যবাদ।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Mostafa Tofayel — এপ্রিল ২৫, ২০১৬ @ ১১:৫০ পূর্বাহ্ন

      It is modesty and cordiality on the part of Bipasha, but, in fact, she is a Shakespeare scholar as she has ventured to delve deep into one of the modernist trends Shakespeare have.It is great to open up the vista of a modernist or postmodernist Shakespeare. By the by, I would pursue Bipasha to explore Shakespeare in the perspective of Metamodernism, setting aside the ultramodern and elite debate on modernism and postmodernism. Interestingly, Metamodernism is a new-found tendency and literary term introduced first by Bengali poet Mohammad Nurul Huda, in his essay published in 1995.

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com