সুকারি’র ধাতব আবেগ

মাজুল হাসান | ১৯ এপ্রিল ২০১৬ ৬:৪৭ অপরাহ্ন

sukari-5.jpgপাবলো পিকাসো বলেছিলেন- Sculpture is the art of the intelligence. শুধু ভাস্কর্য নয় শিল্পের অন্য যে কোনো মাধ্যমের জন্য এ কথা সত্য। তবে ভাস্কর্য যেহেতু ত্রিমাত্রিক অবয়বে উপস্থিত হয় সেহেতু এর পেছনে থাকে আরও বুদ্ধিবৃত্তিক চারুকৌশল। সাথে যোগ হয় নিষ্ঠা, প্রজ্ঞা ও ব্যক্তিগত কারিশমা। কবিতায় আমরা যেমন কবি-মানসের আলোকে মূর্তায়ন, অর্ধ কিংবা পূর্ণ বিমূর্ততার স্বাদ পাই, তেমনি পাই পেইন্টিং-এও। সেখানে রঙ ও রেখার টানে অনেক শিল্পমাহাত্ম আরোপের সুযোগ থাকে, করা হয়ে থাকে। কিন্তু কথাসাহিত্যে শেষ পর্যন্ত মূর্ততার দিকেই আস্থাশীল থাকতে হয় শিল্পীকে। ননফিকশনে বিষয়টি আরও প্রবল। সেখানে বিষয় ও বক্তব্যে আরও পরিশীলিত পরিচর্চার ছাপ থাকাটা জরুরি। অনেকে তাই প্রবন্ধ বা মননশীল লেখাকে স্কালচার বা ভাস্কর্যের সাথে তুলনা করে থাকেন। মাইকেলেঞ্জেলো অবশ্য ভালো পেইন্টিংকে ভাস্কর্যের সাথে তুলনা করেছিলেন। ভালো ছবির থরে থরে সাজানো দৃঢ় ও প্রকাশ্য সৌন্দর্যের কারণে‌ই হয়তো এই অভিধা। মোটা দাগে, Painting is so poetic, while sculpture is more logical and scientific and makes you worry about gravity।এই তফাত গড়ে দেয় দুই মাধ্যমের ব্যক্তিগত ক্যারেক্টারিস্টিকস তথা স্পেস।

পেইন্টিং দ্বিমাত্রিক আর ভাস্কর্য ত্রিমাত্রিক বিষয়। দ্বিমাত্রিক একটি শিল্প নমুনায় অনেক কিছুই থাকে অধরা-অপ্রকাশ্য, ওর অনেক সীমাবদ্ধতা থাকে। এই লুপহোলগুলো পূরণ করে নিতে হয় নন্দনতত্ত্ব ও শিল্প আস্বাদের ক্ষুধা দিয়ে। এখানেই চলে আসে ওপেন এন্ডেড ইমাজিনেশনের বিষয়টি। পেইন্টিং-এ, কবিতায় এই ওপেন এন্ডেড ইমাজিনেশনের ওপর অনেক কিছুই নির্ভর করে। কিন্তু ভাস্কর্য ত্রিমাত্রিক, একজন দর্শক সেটেকে দৈর্ঘ-প্রস্থ-উচ্চতায় চারদিকে ঘুরে ঘুরে দেখার সুযোগ পান। এর ভাবগত বিমূর্ততা যে পর্যায়েরই হোক না কেনো তা চাক্ষুষ, স্পর্শযোগ্য। এখানে ইমাজিনেশ থাক বা না থাক, দর্শক একটি অবয়ব প্রত্যক্ষ করেন, যা বাস্তব। এ কারণেই মার্কিন পেইন্টার চাক ক্লোজ বলেছিলেন- Sculpture occupies real space like we do… you walk around it and relate to it almost as another person or another object. এখানেই মোটা দাগে অন্য শিল্পমাধ্যমের সাথে ভাস্কর্যের ফারাক। শিল্পের কোনো মাধ্যমই কখনো একলা চলে না। একজন ভালো ঔপন্যাসিক যখন একটি কাহিনিচিত্র নির্মাণ করেন ভাষা ও ভাব মাধুর্যে তা হয়ে ওঠে মহাকাব্যিক। আবার কোনো বড়মাপের শিল্পী যখন ছবি আঁকেন তখন সেটা সৌধের মতো দৃঢ় ও প্রত্যক্ষ হয়ে ওঠে। আবার কোনো কোনো ভাস্করের দৃঢ় ভাস্কর্যগুলো হয়ে উঠতে পারে নরম, আবেগী, অধরা জগতের বস্তুসমাহার।

সাম্প্রতিক সময়ে যে সব ভাস্কর নিজেদের নামের সাথে সৃষ্টিশীল ও স্বপরিচয় প্রবলভাবে মেলে ধরেছেন তাদের একজন সুকারি ডগলাস ক্যাম্প। সৃষ্টিশীলতার স্বীকৃতি হিসেবে ব্রিটিশ এম্পায়ার অর্ডার অফ কমান্ডার খেতাবে ভূষিত হয়েছেন ২০০৫ সালে। সুকারির জন্ম ১৯৫৮ সালে নাইজার বদ্বীপের কালাবারিতে, যেটি এখন পড়েছে নাইজেরিয়ার বুগুমায়। বোন-জামাই বিখ্যাত ব্রিটিশ নৃতাত্তিক ও দার্শনিক রবিন হর্টনের সাহচর্যে বেড়ে ওঠা সুকারি’র। ভাস্কর্য ও শিল্পচর্চার দীক্ষার শুরুতে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া কলেজ অফ দ্য আর্টস-এ। এরপর লন্ডনের সেন্ট্রাল কলেজ অফ আর্ট এন্ড ডিজাইন থেকে ফাইন আর্টসে বিএ এবং রয়েল কলেজ আফ আর্টস থেকে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন। এখন পাকাপাকিভাবে বিলাতনিবাসী। ওখানেই ওর স্টুডিও- সারাদিন স্টিলের সাথে ধস্তাধস্তি। অন্য অনেক জিনিস নিয়ে কাজ করলেও সুরাকির সাচ্ছন্দ্য স্টিলে। সবচেয়ে শক্ত ধাতু দিয়ে সবচেয়ে আবেগী চরিত্র নির্মাণই যেন ওর অভিপ্রায়।

শিক্ষা ও শিল্পসৃষ্টির চোখটি পাশ্চিমের হলেও সুকারি কিন্তু শেকড়মুখী। ওর ভাস্কর্যে ধরা দেয় সেই সুদূর আফ্রিকার কালাবারি’র প্রাচীন ইতিহাস-ঐতিহ্য। সেই সাথে সেখানকার আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনশীলতা ও সাম্প্রতিক টানাপোড়েনও হয় অবয়ববন্দী। আর এতে করে একখণ্ড স্টিলকে তিনি ঘটমান বর্তমানের রেপ্লিকায় রূপান্তরিত করেন। এ এক অদ্ভূত ক্ষমতা। একইসাথে শিল্প ও শিল্পীর দায় বয়ে চলা এই ঝঞ্ঝাপ্রবন বিশ্বে যখন দুরূহ হয়ে উঠছে, তখন সুকারির ‘আর্ট ফর আর্ট সেক’ থিওরিকে নাকচ করা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। অবশ্য আফ্রিকান অরিজিনের শিল্পীদের বিরাট একটা অংশ সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করেন। এজন্য তাদের কাজ অনেক বেশি জনসংলগ্ন। সহজেই সেই শিল্পের বক্তব্যটি ধরা পড়ে। সুকারির কাজও তেমন। ওগুলো বিনির্মাণ হলেও বিমূর্ত নয়।

border=0ধরা যাক, ‘ক্লোস টু মাই হার্ট’ ভাস্কর্যটির কথা, যেটি একই নামের একটি সিরজের অন্তর্ভূক্ত। এই ভাস্কর্যে আফ্রিকার ঐতিহ্যবাহী ঘাগরা পরে এক নারীকে দেখতে পাই। ওর হাতে একটি ফটোফ্রেম। সেখানে সাঁটা ছবিতে দেখা যায় ধোঁয়া উড়ছে একটি তেলকুপ থেকে। মহিলার মুখটি খুবই এবড়োথেবড়ো, চোখ-কান-মুখ পরিস্কার বোঝা যায় না। কালাবাতি’র সংস্কৃতিতে কেউ মারা গেলে প্রিয়জন তার ছবি প্রদর্শন করে। সুকারির ভাস্কর্যে ফটোফ্রেমে তেলকূপ থেকে ধোঁয়া ওঠার ছবি নির্দেশ করে ওটার মৃত্যু হয়েছে।

কালাবারির এমন অনেক ঐতিহ্য, মিথ, লোকাচারকে সঙ্গী করে সুকারির শিল্পযাত্রা। ওর কাজ বুঝতে হলে বুঝতে হবে কালাবারিকে; কালাবারির অতীত ও বর্তমান সঙ্কটকে। একটা সময় নিজস্ব সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য আর ক্ষুধা নিয়ে নিজের মতো ছিল কালাবারি, এখন সেখানে বহুজাতিক তেল কোম্পানির থাবা। সুকারি’র আদিগ্রাম যে দ্বীপে সেখানে এখন তেলক্ষেত্র, মানববসতি নেই। এই বিষয়টি খুব তাড়া করে হয়তো তাকে। খনিজের লোভে আফ্রিকাজুড়ে পশ্চিমের নগ্ন হস্তক্ষেপ ও যুদ্ধবিগ্রহ ও রক্তপাতের যে সংস্কৃতি কায়েম হয়েছে তার বিরুদ্ধে কথা বলে নিশ্চল ভাস্কর্যগুলো। এক জায়গায় সুকারি লিখছেন-
After being in Nigeria for my holidays I could not help but not notice the increase in the number of oil wells in the Kalabari region. An oil well had been sunk near an island that is particularly sacred because this was where the Kalabari nation started. From this island Kalabari chiefs spread out across the delta with their people to inhabit the islands we now live on. It was always nice to go to this island and to walk around the palm groves and the mounds where our people are buried.

বসতবাড়ি, ভিটেমাটি, গরস্তান- এভাবে পূর্বপুরুষের শেষ স্মৃতিচিহ্নটিও হারাচ্ছে মানুষ। তেলের জন্য। সুকারি তাই পুরুষ কিংবা নারী যে ভাস্কর্য তৈরি করেন না কেনো, তাদের অনেককেই দেখা যায় ড্রামের ওপরে। কখনো তেলের ড্রাম টুপি হয়ে বসে মাথায়, যেন মাথায় জেঁকে বসেছে ভার, ভেঙে পড়েছে আকাশ (Purge: Man)। প্রায়শ্চিত্ত সিরিজের ভাস্কর্যগুলোতে সুকারি পুরুষকে গড়েছে মাথায় সাহেবি টুপি পরা অবস্থায়। ওদের হাতে ছড়ি। পুরো শরীর গুলিতে ঝাঝরা। আর পুরুষ দাঁড়িয়ে আছে একটি তেলের ড্রামের ওপর। একইভারে নারী ভাস্কর্য গড়েছেন সুকারি (Purge: Woman)। নারীর উর্ধ্বাঙ্গে ফুলের বসন, গুলিতে ক্ষতবিক্ষত ফুল, শুভবোধ, স্বস্তি, শান্তি, প্রাণ।

sukari-3.jpgবলা যেতে পারে ১৯৯৬ সালে গড়া সুকারি’র আলাগবা ইন লিমবো (Alagba in Limbo) -এর কথা। যেখানে একটি মরদেহকে টেনে নিতে দেখি আমরা। কপেনহেগেন নাইটি সিক্সের জন্য বানানো এই ভাস্কর্যটির পটভূমি সম্পর্কে শিল্পী বলছেন- ‘তেল কোম্পানি সেলের সাথে নাইজেরিয়ায় আমার নিজের প্রদেশের একটা সংঘাত চলছে। নয়জনকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে কোনো স্বচ্ছ্ব শুনানি পর্যন্ত হয়নি। … আলাগমাকে দেখলে বুঝতে পারবেন তিনি ছেলে বা মেয়ে যাই হোন না কেনো, তাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অসৌজন্যমূলকভাবে। তার লৈঙ্গিক পরিচয় খোলাশা হয়ে গেছে। কিন্তু আলাগমা সংস্কৃতিতে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয় খুবি রাখঢাক করে, যাতে তার লৈঙ্গিক পরিচয় জানা না যায়।’

sukari-2.jpgশেকড়ের টানে নিজের সত্ত্বার কাছে দায়বদ্ধ সুকারি যেমন দেশে-বিদেশে প্রশংসিত, তেমনি কম বিপত্তি পোহাতে হয়নি তাকে। অনেকেই তার কাজকে রাজনৈতিক ও কম শিল্পমূল্যের বলে সমালোচনার চেষ্টা করেন। আর শাসকগোষ্ঠির বিরোধিতা তো আছেই। ২০১৫ সালের ৮ সেপ্টম্বর নাইজেরিয়ার লাগোসে আটকে দেয়া হয় তার একটি বাসের ভাস্কর্য। কাস্টমস কর্মকর্তারা এর কারণ হিসেবে বলেছিলেন- এটি নাইজেরিয়ার রাজনৈতিক মূল্যবোধকে আঘাত করে। সুকারি অবশ্য সাধারণ মানুষের পক্ষে অবস্থান নেন খোলাখুলিভাবেই। মূলত কেন সারো-উইওয়াসহ নয় পরিবেশবাদীর ফাঁসির ঘটনার প্রতিবাদ হিসেবেই বাসের ভাস্কর্যটি গড়েছিলেন সুকারি। যার দেয়ালে লেখা ছিল আই অ্যাকিউজ দ্যা ওয়েল কোম্পানি, আমি তেল কোম্পানিগুলোকে দায়ী করছি..। এই ভাস্কর্য তিনি উপহার হিসেবে পাঠিয়েছিলেন নাইজেরিয়ার সামরিক সরকারকে। এ যেন পরিস্কার এক চপেটাঘাত। সুরাকির তীর লেগেছিল নিশানা মতো। পিত্তি জ্বলে গিয়েছিল নাইজেরিয়া সরকারের। তাই লাগোস কাস্টমস আটকে দিয়েছিল ভাস্কর্যটি। কিন্তু এতে করে, জবরজং বাস পরিণত হয় অনেক মুক্তিকামী নাইজেরিয়র অধিকার আদায়ের বাহনে। কুরিয়ারে করে লাগাসো পাঠানোর আগে লন্ডনের দ্যা গার্ডিয়ান অফিসের সামনে এই ভাস্কর্যটির প্রদর্শনী হয়েছিল, তাতে মিলেছিল অভূতপূর্ব সাড়া।

শুধু রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলন ও দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে নয়, শিল্পের ব্যাপারে সুকারি খুবই নীরিক্ষাপ্রবন; সচল। ওর ভাস্কর্য যেন নড়েচেড়ে ওঠার চেষ্টা করে। মনে হয় এই যেন চাটি মারবে মাথায়। অথবা মনে হয়, এই বুঝি নিষ্প্রান ভাস্কর্যের কষ্টে দর্শকরা অবচেতনে হাত বুলিয়ে দেবেন ক্ষতস্থানে। এই সচলতার জন্য প্রদর্শনীর ধরণেও পরীক্ষা-নীরিক্ষা করেছেন সুকারি। এই চেষ্টা অবশ্য এখন অনেকেই করেন। এখন আর শুধু নড়নচড়নহীন ভাস্কর্য নয়, শিল্পীরা তার প্রদর্শনিতে তুলে আনতে চায় একটি কাঙ্খিত আবহ। সুকারির ভাস্কর্য প্রদর্শনীর তাই একই সাথে ইনসটলেশন ও পেইন্টিং-এর সংমিশ্রন। এরসাথে থাকে টুকটাক প্রযুক্তির ব্যবহার। যেমনি এক প্রদর্শনীতে তিনি কালাবারির স্বাপ্নিক আবহের মধ্যে একটি চেয়ারে বসিয়ে দেন সিগমন্ড ফ্রয়েডকে। এটা একটা কম্পোজিশন, ফ্রয়েডের মনোসমীক্ষা ও নারী ভাবনাকে ব্যাঙ্গ করা, যেখানে মানবদেহের একটি মিনিয়েচারের সাথে শক্ত ধাতু দিয়ে যুক্ত করা হয় ফ্রয়েডকে। আর এই মানবদেহ ও ফ্রয়েড ঘুরছেন নিজের মতো করে (Freud – White Sacrifice, 1998)। এই প্রদর্শনীতেই ঝাঝরা হয়ে যাওয়া কালো নারীর মুখ দিয়ে সুরাকি তৈরি করেছেন পানির ফোয়ারা, মারমাইড ভাস্কর্যের মতো। এক কোণে দেখা মেলে পিঠে বন্দুক নিয়ে এক গেরিলা নারীকে। আরেকটি বন্দুকের নল মুখে ভরে ট্রিগারে আঙুল রেখে তিনি যেন যমদূতকে সুরসুরি দিচ্ছেন, অবজ্ঞা করছেন মৃত্যু ভয়কে।

sukari-1.jpgআফ্রিকা থেকে লন্ডন, অকৃত্রিমতা থেকে কৃত্রিমতার দিকে যাত্রা, যেখনে প্রতি পদে পদে অতীত এসে হানা দেয়, করে নস্টালজিক। সুকারি সেই ব্রিব্রত-বিপর্যন্ত (তবে হতোদ্যম নয়) পৃথিবীর চরিত্রগুলো তৈরি করেন। ধাবতের ভেতরে কতোটা কোমল হৃদয় ঠুসে দেয়া যায় ওর কাজ সেটার সাক্ষী। ওর ভাস্কর্য তাই ফুলের টুকরির ভারে নুয়ে পড়তে চায় (Atlas Flower Barrel)। ওর লাল কাদামাটির মুখে ভিড় করে প্রজাপতি, মাথায় কালিবারি মুকুট। এই যে তেলের ব্যারেল মানুষকে ভাগ করে ফেলছে, শ্মশান করছে প্রিয় শহর, শৈশব স্মৃতি তার ভেতর থেকেও স্বপ্ন দেখে সুকারি। দেখে আবারও এই রক্তপিপাসী তেলের ব্যারেল তেকে গজিয়ে উঠবে সবুজ, (Green Leaf Barrel) এ যেন স্বপ্ন স্মৃতির সুকারির প্রিয় কালাবারি, প্রিয় আফ্রিকা।

আর্টস বিভাগে প্রকাশিত মাজুল হাসানের অন্যান্য লেখা:

মাজুল হাসানের গুচ্ছ কবিতা

একটা কাঠগোলাপের গাছ ছিল মনিমালার

শহীদুল জহিরের গল্পে জাদুআবহ ও কয়েনেজসমূহ

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (1) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সনাতন — এপ্রিল ২১, ২০১৬ @ ১২:১১ অপরাহ্ন

      খুব ভালো লেখা। সুকারি সম্পর্কে জানলাম। স্যালুট

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com