সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: যাদুবাস্তবতার শাহেনশাহ মার্কেসের মানসিক গ্রন্থাগার

বিপাশা চক্রবর্তী | ১৫ মার্চ ২০১৬ ৮:৩৩ অপরাহ্ন


গার্সিয়া মার্কেসের মানসিক গ্রন্থাগার

marquez-1.jpgসম্ভবত প্রতিটি মানুষের মস্তিষ্কের একটি অংশে তাঁর প্রিয় বইগুলোর নাম সংরক্ষিত থাকে। অনেকটা অনলাইন পোর্টালের মতই বইগুলোর নাম লেখক ঘটনা সংলাপ চরিত্র বই পঠনের ফলে সৃষ্ট প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি সংরক্ষিত থাকে মানুষের মনোজগতে। আর এই অদৃশ্য অংশকে আমরা বলতে পারি মানসিক গ্রন্থাগার যার ভূমিকা সেই মানুষটির জীবনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রিয় বইগুলি একজন মানুষের জীবনের অভ্যন্তরে গড়ে ওঠা কাঠামোর মূল ভিত্তি। তাঁর ব্যক্তিত্ব ও মূল্যবোধের সহায়ক অবিচ্ছেদ্য শক্তি। আর সেই মানুষটি যদি হন বিংশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন কথাসাহিত্যিক, তাহলে পাঠকমাত্রই আকুল হবেন তাঁর প্রিয় বইগুলোর নাম জানবার জন্য। বলছি গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের কথা। নিঃসঙ্গতার একশ বছর উপন্যাসের জন্য যিনি আমাদের কাছে ব্যাপকভাবে পরিচিত। অসাধারণ রচনাশৈলী ও গদ্যভঙ্গির জন্য কেবল দক্ষিণ আমেরিকা আর স্প্যানিশ ভাষাভাষীদের কাছেই নয়, বরং সমগ্র পৃথিবীতে তিনি তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন।

২০১৪ সালে ১৭ এপ্রিল দূরারোগ্য লিম্ফেটিক ক্যান্সারে মারা যাবার আগে যিনি আমাদের বলে গিয়েছেন লিভিং টু টেল দ্য টেইল এর মতো এক উজ্জ্বলতার গল্প যেখানে তিনি জানিয়েছেন, “জীবন তো কেবল বেঁচে থাকা নয়। জীবন হচ্ছে সেটাই যা আপনি মনে রাখছেন । জীবনের ঘটে যাওয়া সেইসব স্মৃতি যা আপনি স্মরণ করেন, বর্ণনা করেন, আর যেভাবে যে প্রক্রিয়ায় করেন সেটাই আসলে কারো জীবন”।

১৯২৭ সালে কলাম্বিয়ার উপকূলীয় শহর আরাকাতাকায় জন্ম নেন মার্কেস আর এখান থেকেই শুরু লিভিং টু টেল দ্য টেইল-এর গল্প। মার্কেসের শৈশব কৈশোর বোর্ডিং স্কুলে পড়ার দিনগুলো সাংবাদিকতা ও কর্মজীবন, ১৯৫০-এ দীর্ঘদিনের প্রেমিকা মের্সেদেস বারচাকে প্রিয়তমা স্ত্রীরূপে পাবার জন্য পাণি-প্রার্থনা–এসব কিছু বর্ণিত হয়েছে এই আত্মজীবনীতে। কিন্তু একজন পাঠক হিসেবে আপনার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে হবে মার্কেসের লেখক হয়ে ওঠার গল্পটি। নিশ্চয়ই আপনার জানতে ইচ্ছে করছে মার্কেসের প্রিয় সেইসব বইগুলোর নাম, যা এই মহান লেখকের জীবন ও শিল্পীসত্তার মূল ভিত্তি ছিল। যে বইগুলো তাকে শিহরিত করেছিল, জাগিয়ে রেখেছিল রাতের পর রাত, উত্তেজিত করেছিল, আলোড়িত করেছিল তাঁর মনোজগৎ, সর্বোপরি প্রলুব্ধ করেছিল তাকে লেখক হবার জন্য। সেই বইগুলোর কথা তিনি নিজেই জানিয়ে গেছেন আমাদের।
চলুন, জেনে নিই সেই অমূল্য রত্নের নামগুলো।
top-12.jpg
১। ম্যাজিক মাউন্টেন, টমাস মান।
২। দ্য ম্যান ইন দ্য আয়রন মাস্ক, আলেকজান্ডার ডুমা।
৩। ইউলিসিস, জেমস জয়েস।
৫। এজ আই লে ডাইয়িং, উইলিয়াম ফকনার।
৬। দ্য ওয়াইল্ড পাম, উইলিয়াম ফকনার।
৭। ওউদিপাস রেক্স, সফোক্লেস।
৮। দ্য হাউজ অব দ্য সেভেন গেবলস, নাথানিয়েল হথর্ন।
৯। আংকল টমস কেবিন, হেরিয়েট বিচার স্টো।
১০। মবিডিক, হারমান মেলভিল।
১১। সনস এন্ড লাভারস, ডি এইচ লরেন্স।
১২। দ্য এরাবিয়ান নাইটস
১৩। দ্য মেটামরফসিস, ফ্রানজ কাফকা।
১৪। দ্য আলেফ এন্ড আদার স্টোরিজ, হোর্হে লুইস বোর্হেস।
১৫। দ্য কালেক্টড স্টোরিজ, আর্নেস্ট হেমিংওয়ে।
১৬। পয়েন্ট কাউন্টার পয়েন্ট, অলডাস হাক্সলি।
১৭। অফ মাইস এন্ড ম্যান, জন স্টেইনব্যাক।
১৮। দ্য গ্রেপস অব র‌্যাথ, জন স্টেইনব্যাক।
১৯। টোব্যাকো রোড, আরস্কিন কডওয়েল।
২০। স্টোরিজ, ক্যাথরিন ম্যানন্সফিল্ড।
২১। ম্যানহাটন ট্রান্সফার, জন ডস প্যাসোস।
২২। প্রোর্ট্রেট অফ জেনি, রবার্ট নাথান।
২৩। অরল্যান্ডো, ভার্জিনিয়া উলফ।
২৪। মিসেস ডালওয়ে, ভার্জিনিয়া উলফ।
ম্যাজিক মাউন্টেন কিংবা আয়রন মাস্ক, কৈশোরে বন্ধুদের সাথে দার্শনিক ঝগড়া আর রোমান্সের শুরু এই বইগুলো পাঠের মাধ্যমে। জেমস জয়েসের ইউলিসিস ছিল যেন আরেকটা বাইবেল! প্রিয় লেখক উইলিয়াম ফকনারের কাছ থেকে শিখেছিলেন কিভাবে লেখনীর সরলতা আর সাবলীলতার সৌন্দর্যও তীক্ষ্ণ ও অসাধারণ হয়ে উঠতে পারে। ওউদিপাস রেক্স, সফোক্লেস-এর পরিপূর্ণ এই সৃষ্টিকর্ম পাঠ করার মাধ্যমে মার্কেস অনুভব করেছিলেন ভাল ভাল বই পড়া ভাল লেখক হবার জন্য সাহায্য করতে পারে কিন্তু খুব ভাল লেখক হতে গেলে গ্রিক ক্লাসিকস অবশ্যই পাঠ করতে হয়। দ্য হাউজ অব দ্য সেভেন গেবলস-এর মতো বই মার্কেসকে কল্পনা, একাকিত্ব বা স্মৃতিকাতরতা নয় বরং জীবন ও বাস্তবতা সম্পর্কে অনুভব করতে শিখিয়েছিল। অন্যদিকে, সহস্র এক আরব্য রজনীর গল্পগুলো পড়তে গিয়ে মার্কেসের মনে হয়েছে, একটি কার্পেটে চড়ে শহরের পর শহর,পাহাড় পর্বত মরুভূমির উপর দিয়ে উড়ে বেড়ানো কিংবা একটি দৈত্যকে শাস্তিস্বরূপ একটি বোতলে দু’শ বছরের জন্য বন্দী করে ফেলা আজকের যুগের পাঠকের জন্য বিশ্বাসযোগ্য মনে না হলেও যখন কেউ এসব কল্পকথা পাঠ করেন তখন তার পাঠক হৃদয় সেইসব কল্পনাকে বিশ্বাস করেই পাঠ করেন। কারণ লেখক এখানে পাঠককে তা বিশ্বাস করিয়ে ছাড়েন আর এখানেই একজন লেখকের সার্থকতা।
কলেজের দিনগুলোতে বন্ধুদের কাছে বই ধার নেয়া, বিনিময় করে পড়া ব্যাপারটি ছিল। একদিন এক বন্ধু ভার্জিনিয়া উলফের কিছু বই মার্কেসের হাতে ধরিয়ে দেয়। এর মধ্যে বিশেষ করে মিসেস ডালওয়ে আর অরল্যান্ডো পাঠের মাধ্যমে অন্যরকম আনন্দ পান, সেই থেকে ভার্জিনিয়া উলফ মার্কেসের প্রিয় হয়ে ওঠেন। এভাবেই একরাতে এক বন্ধুর কাছে থেকে ধার নিয়ে মার্কেস যে বইটি পড়া শুরু করেছিলেন, সেই বইটিই মার্কেসের লেখক হয়ে ওঠার পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছিল। ফ্রানজ কাফকার মেটামরফসিস। হ্যাঁ এই বইটি পড়ার পর থেকে মার্কেস আর আগের মতো নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারেননি। মনে আছে, বিশ্বসাহিত্যের সেই অবিস্বরণীয় চরিত্র গ্রেগর সামসা’র কথা? দুঃস্বপ্নে কাটানো এক রাত শেষে ভোর বেলায় যিনি বিছানায় নিজেকে দেখতে পান প্রকান্ড এক পোকায় রূপান্তরিত হয়েছেন। মেটামরফসিস-এর প্রথম লাইনের কথাগুলো পড়ার সাথে সাথেই যেন পাল্টে গেল মার্কেসের জীবন। মার্কেসের নিজের ভাষ্য অনুযায়ী, “ এখানে বিস্তারিত সত্য অনুসন্ধানের প্রয়োজন হয় না, লেখকের বর্ণনাকৌশলের শক্তি ও সামর্থ্যই এই রচনাকে পাঠকের নিকট সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবার জন্য যথেষ্ট”। এক সাক্ষাৎকারে মার্কেস বলেন “… এভাবে যে কেউ লিখতে পারে সেটাই তো আমার অজানা ছিল, এটা যদি জানা থাকতো তাহলে আমি আরো আগেই লেখালেখি শুরু করতাম। এরপর আর দেরী না করে, আমি ছোটগল্প লেখা শুরু করি”। আর এখান থেকেই একজন গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের লেখক হয়ে ওঠার শুরু। সাহিত্যবিশারদদের মতে লুইস বোর্হেস এবং হুলিও কোর্তাসারের পাশাপাশি মার্কেস ছিলেন বিংশ শতকে দক্ষিণ আমেরিকার শ্রেষ্ঠ লেখক। বিশ্বব্যাপী অত্যধিক জনপ্রিয়তার কারণে এই মহান লেখকের নাম উচ্চারিত হয় লেভ তলস্তয়, চার্লস ডিকেন্স, আর্নেস্ট হেমিংওয়ের সঙ্গে একই উচ্চতায়। মার্কেসকে বলা যেতে পারে জাদুবাস্তবতার শাহেনশাহ। লেখার মূল উপজীব্য বিষয়কে বাস্তবে প্রোথিত রেখে কল্পনার ডালপালা ছড়িয়ে দিতেন মার্কেস। তাঁর গদ্যভঙ্গিমার জন্য তিনি বেছে নিয়েছিলেন বর্ণনাকে, সংলাপ ছিল কম। চরিত্রগুলোর আচার আচরণ ইত্যাদির নিখুঁত বর্ণনা দিয়ে পাঠককে বুঝিয়ে দিতেন চরিত্রগুলো সম্পর্কে। কল্পনার আশ্রয়ে রচিত লেখার মাঝে রাজনৈতিক দিগদর্শনমূলক বক্তব্যের জন্য মার্কেসের লেখা পাঠকের কাছে আরো বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস, যার প্রতিটি রচনার প্রতিটি অক্ষর মানবতার আলো ছড়িয়ে দিয়েছে সারা পৃথিবী জুড়ে, ১৯৮২ সালে সাহিত্যে নোবেল পাওয়া এই মহান লেখকের ঊননব্বইতম জন্মবার্ষিকী ছিল গত ৬ মার্চ, তাঁকে জানাই গভীর শ্রদ্ধা আর অপার ভালবাসা।

আর্টস বিভাগে প্রকাশিত বিপাশা চক্রবর্তীর আরও লেখা:
জীবন ও মৃত্যুর সঙ্গম: অর্ধনারীশ্বর অথবা তৃতীয় প্রকৃতি

মানব তুমি মহীরুহ তুমি

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: আইনস্টাইন, শেক্সপিয়র, আঁদ্রে গ্লুক্সমাঁ, ফের্নান্দো ও বিয়োরো

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি: স্রোতের বিরুদ্ধে স্নোডেন, অরুন্ধতী, কুসাক

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি: ভিক্টর হুগো ও টেনেসি উইলিয়াম

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: আরবমুখী ফরাসী লেখক ও মার্গারেটের গ্রাফিক-উপন্যাস

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: গত বছরের সেরা বইগুলো

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: নতুন বছরে নারীরাই রবে শীর্ষে

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি: নতুন এলিয়ট, ব্যাংকসির প্রতিবাদ ও তাতিয়ানার রসনা

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য:চিরকালের শত শ্রেষ্ঠ

নারী দীপাবলী: তুমি হবে সে সবের জ্যোতি

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য:চিরকালের শত শ্রেষ্ঠ ননফিকশন

গ্রন্থাগারের জন্য ভালোবাসা

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (3) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভানু ভাস্কর — মার্চ ১৫, ২০১৬ @ ৯:৪৯ অপরাহ্ন

      গ্রেট ম্যান থিঙ্ক অ্যালাইক। আমি হলাম সেই ঘুনে ধরা গ্রেট ম্যানদের একজন যার প্রিয় বইয়ের তালিকার অন্তত পাঁচটা বই মার্কেজ পড়েছেন। অর্থাৎ মার্কেজের ব্যক্তিত্বের ২০.৮৩ শতাংশ আমার জানা। যদি শতভাগ মিলে যেতো তবে কি এ কথা বলা যেতো যে, দুইজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব সমানে সমান? না যেতো না। তার কারণ ইডিওসিনক্রেসি। এটা মানুষে মানুষে আলাদা হয় বলে দুজনের ব্যক্তিত্বও এক হয় না। একই বই পড়ে তাই তো মানুষ ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে, ভিন্ন দৃষ্টিতে চিন্তা করতে পারে। সফোক্লিসের ইদিপাসের বিষয়ে একজনের চিন্তাধারা সঙ্গে আমার তুমুল বিরোধ ছিলো। থাকতেই পারে।
      তবে মার্কেজের অন্যান্য প্রিয় বইয়ের তালিকাটা দেখে ভালোই হলো। বই মানুষকে প্রভাবিত করে, এটা দিনের আলোর মত সত্য। কিন্তু বই মানুষে মানুষে বিচিত্র চিন্তার স্পেকট্রাম তৈরি করে, সেটাও রাতের আঁধারের মত সত্য। বিভেদ মন্দ নয়, যদি তা সৃষ্টিশীল হয়।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন হাসান শিবলী — মার্চ ১৬, ২০১৬ @ ১২:১৮ পূর্বাহ্ন

      তথ্যবহুল এই লেখাটির জন্য ধন্যবাদ। তবে একটি গুরুত্বপূর্ন বই যা মার্কেজকে প্রবলভাবে প্রবাহিত করেছে তা হল পেদ্রো পারামো, মেহিকান লেখক হুয়ান রুলফোর লেখা। এই বইটি নাকি , সম্ভবত সুসান সনটাগের দাবী অনুযায়ী, তাঁর মুখস্থই ছিল।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিপাশা চক্রবর্তী — মার্চ ১৬, ২০১৬ @ ৩:৪৬ অপরাহ্ন

      ধন্যবাদ, হাসান শিবলী সাহেব। আমার এই লেখাটায় মূলত মার্কেসের শৈশব কৈশোর এবং লেখক হয়ে ওঠার আগের বইগুলো নিয়ে লেখা। যে বইগুলো তাঁর প্রথম জীবনে পড়া এবং তাঁর ব্যক্তিত্ব গঠনে বিকাশে এবং সর্বোপরি লেখক হয়ে উঠতে সাহায্য করেছিল। আমি সেভাবেই আলোচনা করবার চেষ্টা করেছি আপনি তা লক্ষ্য করে থাকবেন হয়তো। যেহেতু মার্কেসের আত্মজীবনী লিভিং টু টেল আ টেইল-এর উপর ভিত্তি করে এই লেখাটা তৈরি এবং সেখানে ১৯৫০ পর্যন্ত ঘটনাবলীই কেবল বর্ণিত হয়েছে । আর পেদ্রো পারামো মার্কেস প্রথম পড়েছিলেন সম্ভবত ১৯৬১ সালে আর বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৫৫ সালে। ততদিনে মার্কেস রীতিমতো লেখক বনে গেছেন। এবং এই বইটি পড়বার পরই পরই মনেহয় তিনি নিঃসঙ্গতার একশ বছর লেখা শুরু করেছিলেন। হ্যাঁ বইটি অব্যশই গুরুত্বপূর্ণ, এবং এই বই আর মার্কেস প্রসঙ্গে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি লেখা তৈরি করা যায়। আপনার সচেতন মন্তব্যের জন্য আবারও ধন্যবাদ।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com