সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য:চিরকালের শত শ্রেষ্ঠ ননফিকশন

বিপাশা চক্রবর্তী | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:২৯ পূর্বাহ্ন

nonfiction.jpgরাজনীতি, শিল্প, ইতিহাস, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও ক্রীড়া, যুদ্ধ,স্মৃতিকথা ও জীবনী, মনোজগত,সংস্কৃতি,দর্শন,সমাজ ও পরিবেশ–এমনসব প্রকৃত বা বাস্তব তথ্যভিত্তিক রচনাবলী হচ্ছে নন-ফিকশন সাহিত্য। বিশ্ব-সাহিত্যের সুবিশাল রত্নভাণ্ডার থেকে গুরুত্বপূর্ণ একশটি নন-ফিকশন গ্রন্থের তালিকা বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের জন্য উপস্থাপন করা হলো। এগুলো এযাবৎ কালের মানব সভ্যতার ইতিহাসে কেবল অনন্য নজিরই স্থাপন করেনি, বরং এসব গ্রন্থের কারণে ইতিহাস রচিত হয়েছে নতুনভাবে। এসব অমূল্য গ্রন্থ পাল্টে দিয়েছে প্রকৃতিকে দেখার ক্ষেত্রে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি, বৃদ্ধি করেছে জানার পরিধি। নতুন করে রূপায়িত করেছে আমাদের ভাবনার জগত। এই সব মহান গ্রন্থের কিছু আপনি হয়তো পাঠ করেছেন,আর কিছু হয়তো আপনার পাঠের অপেক্ষায়।
পাঠকদের সুবিধার্থে, বিষয়ভিত্তিক মিল অনুযায়ী গ্রন্থের নাম, লেখক, তারিখ উল্লেখসহ আলাদা আলাদা বিভাগে উপস্থাপন করা হলো ।

শিল্পকলা

দ্য শক অফ দ্য নিউ
রবার্ট হিউস (১৯৮০)
কিউবিজম থেকে আভা-গার্ড পর্যন্ত আধুনিক শিল্প ইতিহাসের অসাধারণ বর্ণনাচিত্র।

দ্য স্টোরি অফ আর্ট
আরনেস্ট গোমব্রিচ (১৯৫০)
শিল্প ইতিহাসের বই হিসেবে সবচেয়ে জনপ্রিয় । আদ্যিকাল থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত শিল্পকলার ইতিহাসে যেসব নান্দনিক ও কারিগরি সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন শিল্পীরা তারই এক পরীক্ষণমূলক জরিপ।

ওয়েস অফ সিয়িং
জন বারজার (১৯৭২)
শিল্পকলাকে আমরা কিভাবে প্রত্যক্ষন করি বা মানুষের শিল্পকলা পর্যবেক্ষণ করার দৃষ্টিভঙ্গি কেমন এই বিষয়ে বিস্তারিত গবেষণামূলক রচনা। যা পাল্টে দিয়েছিল একটি প্রজন্মের ভিজ্যুয়াল আর্টসের সংস্কৃতিকে।

জীবনী

লাইভস অফ দ্য মোস্ট এক্সিলেন্ট পেইন্টার্স, স্কাল্পচার এন্ড আরকিটেক্টস
গিঅর্গিও ভাসারি (১৫৫০)
সেই সব চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, স্থপতিদের জীবন ও কর্ম বিষয়ক প্রাচীন ও বিখ্যাত একটি গ্রন্থ যাদের সৃষ্টিকর্ম ইতালীর রেনেসাঁ যুগের সবচেয়ে প্রভাবশালী। চিত্রাঙ্কন, ভাস্কর্য ও স্থাপত্য শিল্পের অতীত ইতিহাসের সর্বাধিক পঠিত বই।

দ্য লাইফ অফ স্যামুয়েল জনসন
জেমস বসওয়েল (১৭৯১)
কবি, অভিধান প্রণেতা, সমালোচক, নীতিবাগীশ অসাধারণ ব্যক্তিত্ব ড. জনসনের জীবনকে অবিশ্বাস্য এক প্রানবন্ত দলিলে রূপদান করেছেন তাঁরই বন্ধু ও লেখক বসওয়েল । অষ্টাদশ শতকের শ্রেষ্ঠ ও এ যাবতকালের অনন্য ক্লাসিক একটি জীবনীগ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত।

দ্য ডায়েরিস অফ স্যামুয়েল পেপিস
স্যামুয়েল পেপিস (১৮২৫)
ব্রিটিশ নৌ প্রশাসক ও সংসদ সদস্য স্যামুয়েল পেপিস যিনি আজও বিখ্যাত হয়ে আছেন তাঁর অসাধারণ প্রাণবন্ত দিনলিপির জন্য। সপ্তদশ শতকের একজন ব্রিটিশ নাগরিকের দৈনন্দিন জীবনাচরন, ব্যক্তিগত উপলব্ধি, উদ্ঘাটন, দুর্বলতা, সক্ষমতা , ভালমন্দই শুধু নয় বরং এই দিনপঞ্জিকার মাধ্যমে ঐ সময়ের সকল রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক গুরুত্বপূর্ণ সংঘটন সম্পর্কেও বিশদভাবে জানা যায়। তেমনি পেপিসের সহজ সরল লেখনীর মাধ্যমে এই দিনপঞ্জিকায় উঠে এসেছে ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের পুনঃনির্মাণ যুগের বিশেষ বিশেষ ইতিহাস । এটিকে কেবল ব্রিটেনের সবচেয়ে সুপ্রসিদ্ধ দিনপঞ্জিকাই নয়, বস্তুত সর্বকালের সেরা দিনপঞ্জিকা হিসেবে গণ্য কয়া হয়।

এমিনেন্ট ভিক্টোরিয়ানস
লিটন স্ট্রেচি (১৯১৮)
ভিক্টোরিয়ান যুগের চারজন মহান ব্যক্তির বিদগ্ধ জীবনী । তিনজন পুরুষ ও একজন নারী যারা তাদের কর্মগুনে অতিমানব-মানবী হিসেবে খ্যাতিমান হয়েছিলেন। গ্রন্থটি আজও আধুনিক জীবনীগ্রন্থ রচনার আদর্শ মানদণ্ড হিসেবে দেখা হয়।

গুডবাই টু অল দ্যাট
রবার্ট গ্রেভস (১৯২৯)
ব্রিটিশ কবি, গল্পকার, সমালোচক, ও যোদ্ধা রবার্ট গ্রেভস, নিজের বাল্যজীবন ও পরিণয়ে আবদ্ধ হবার পরের বছরগুলো নিয়েই শুধু এখানে লেখেননি, বরং তাঁর এই আত্মজীবনীটি গুরত্বপূর্ণ হয়েছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের নৃশংসতা, তুচ্ছতার, অসাধারণ বর্ণনার জন্য।

দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ এলিস বি টোকলাস
গারট্রুড স্টেইন (১৯৩৩)
আমেরিকান কবি,ঔপন্যাসিক ও চিত্রনাট্যকার স্টেইনের একটি যুগান্তকারী জীবনীগ্রন্থ। লেখক তাঁর প্রেমিকা ও আমরণ জীবনসঙ্গিনী এলিস বি টোকলাস-এর জীবনী রচনা করেছেন অভিনব ভঙ্গিমায়। এটি মূলত ছদ্মনামে রচিত এবং এলিসের জবানীতে বর্ণিত।

সংস্কৃতি

নোটস অন ক্যাম্প
সুসান সনটাগ (১৯৬৪)
আমেরিকান লেখিকা, চলচিত্র নির্মাতা, শিক্ষিকা ও রাজনৈতিক কর্মী সুসানের মোট ৫৮টি প্রবন্ধের এক অনবদ্য উপস্থাপন যা নির্দেশ করে ইহুদী মূল্যবোধ আর সমকামী নন্দনতত্ত্বের দ্বারা আধুনিক চেতনা ও রূপরেখার গঠন সম্পর্কে।

মিথোলজিস
রোলাঁ বার্থ (১৯৭২)
লেখক এই গ্রন্থে সমসাময়িক সামজিক নিয়ম-রীতি, প্রবণতা ও সামাজিক মূল্যবোধ পরীক্ষণের মাধ্যমে আধুনিক মিথ সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করেছেন। বলা যায় সমকালীন মিথ বা শ্রুতি, পুরাণ বা আদিকথাগুলো সৃষ্টি সম্পর্কিত এক প্রজ্ঞাময় গবেষণা।

অরিয়েন্টালিজম
এডওয়ার্ড সাঈদ (১৯৭৮)
প্রাচ্যবাদের সাংস্কৃতিক উপস্থাপনা সম্পর্কিত একটি সমালোচনামূলক যুক্তিপূর্ণ চিত্রায়ন। বিশেষভাবে এশিয়া, উত্তর আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের সংস্কৃতিকে যেভাবে পশ্চিমী জগত প্রত্যক্ষন ও অনুভব করে, সে সম্পর্কে এই গ্রন্থে লেখক অত্যন্ত যুক্তিগ্রাহী বর্ণনার সাথে ব্যাখ্যা করেছেন।

পরিবেশ

সাইলেন্ট স্প্রিং
র‌্যাচেল কার্সন (১৯৬২)
প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ক আমেরিকান লেখিকা, মেরিন বায়োলজিস্ট এবং সংরক্ষণবাদী র‌্যাচেল কার্সন-েএর একটি গুরত্বপূর্ণ গ্রন্থ। পরিবেশের উপর কীটনাশকের যথেচ্ছ ব্যবহার ও রাসায়নিক শিল্পের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে রচিত এই নথির মাধ্যমেই আমেরিকায় সর্বপ্রথম পরিবেশবাদী আন্দোলনের সুত্রপাত হয় ও গড়ে ওঠে জনমত।

দ্য রিভেঞ্জ অফ গাইয়া
জেমস লাভলক (১৯৭৯)
স্বনির্ভর বিজ্ঞানী, লেখক, পরিবেশবিদ ও গবেষক জেমস লাভলকের যুক্তি হলো, যখন একটি গ্রহে প্রাণ স্থাপিত হয়, তখন কিছু শর্ত প্রযোজ্য হয় প্রাণের টিকে থাকার জন্য। যা আমাদের নিজেদের আবাসস্থল বা স্থান সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও পরিকল্পনায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছিল।

ইতিহাস

দ্য হিস্টোরিস
হেরোডোটাস (খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০)
ইতিহাস শুরু হয়েছিল হেরোডটাসের গ্রেকো-ফার্সি যুদ্ধের বর্ণনা লিপিবদ্ধ করার মধ্য দিয়ে।

দ্য হিস্টোরি অফ ডিক্লাইন এন্ড ফল অফ দ্য রোমান এম্পায়ার
এডওয়ার্ড গিবন (১৭৭৬)
রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম আধুনিক ইতিহাসবিদ যিনি প্রাচীন উৎসসমূহে প্রত্যাবৃত্ত হয়ে যুক্তি দেন যে, নৈতিক অবক্ষয়ই অনিবার্য সর্বনাশের জন্য দায়ী।


দ্য হিস্টোরি অব ইংল্যান্ড

টমাস ব্যাবিংটন ম্যাকলে (১৮৪৮)
একজন সর্বশ্রেষ্ঠ ব্রিটিশ রাজনৈতিক নেতা ও ইতিহাসবেত্তা দ্বারা লিপিবদ্ধ যুগান্তকারী ইংরেজ ইতিহাসের এক অধ্যয়ন ।

আইখম্যান ইন জেরুজালেম
হান্না আরেন্ট (১৯৬৩)
এডলফ আইখম্যান-এর বিচার এবং ব্যাপক হত্যাকান্ডের মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া অন্বেষণের ক্ষেত্রে আরন্টের এক অবিস্মরণীয় প্রতিবেদন।

দ্য মেকিং অফ ইংলিশ ওয়ার্কিং ক্লাস
ইপি থমসন (১৯৬৩)
যাদেরকে অধিকাংশ ইতিহাসবিদ বেনামী জনসাধারণ হিসেবে উপেক্ষা করেছেন সেই শ্রমিকশ্রেণীর দিকেই রাজনৈতিক সংস্থাগুলোর মনোযোগ নিবদ্ধ করে ইংরেজ-সমাজ-ইতিহাস রচনা করেছেন ইপি থমসন।


বিউরি মাই হার্ট এন্ড উন্ডেড নী

ডি ব্রাউন (১৯৭০)
আদিবাসী আমেরিকানদের সাথে মার্কিন সরকারের আচরণের এক মর্মস্পর্শী কাহিনী ।

হার্ড টাইমস: এন ওরাল হিস্টোরি অফ দ্য গ্রেট ডিপ্রেশন
স্টাডস টারকেল (১৯৭০)
বিংশ শতাব্দীর অর্থনৈতিক মহামন্দা চলাকালে বিশেষভাবে এর উৎপত্তিস্থল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নানা ধরণের মানুষের যাপিত জীবনের এক অলিখিত দলিল।

শাহ অফ শাহ’শ
রেয়জারডস কাপুচিন্সকি (১৯৮২)
এই মহান পোলিশ সাংবাদিকের কলমে কালিতে বন্দী হয়েছে ইরানের সর্বশেষ শাহ, মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভির কাহিনী, অধঃপতন, পতন ও জীবনের শেষ দিনগুলি ।

দ্য এজ অফ এক্সট্রিমস: এ হিস্টোরি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড ১৯১৪-১৯৯১
এরিখ হবসবাউম (১৯৯৪)
হবসবাউম প্রণীত বিংশ শতাব্দীর এই নকশা নির্দেশ করছে পুঁজিবাদী আর সাম্যবাদীদের ব্যর্থতার চিত্রটা একই রকম।

উই উইশ টু ইফরম ইউ দ্যাট টুমরো উই উইল বি কিলড উইথ আওয়ার ফ্যামিলিস
ফিলিপ গোরেভিচ (১৯৯৯)
রুয়ান্ডার গণহত্যার ভয়ংকর চিত্র আর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যর্থতার ইতিহাস গোরেভিচ তাঁর এই বইয়ে অক্ষরবন্দী করে রেখেছেন।

পোস্টওয়ার

টনি জুড(২০০৫)
১৯৪৫ সালে ২য় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হবার পর থেকে ২০০৫ সাল অবধি ইউরোপের ইতিহাসের প্রতিটির বাঁকের এক অসামান্য বর্ণনা।

সাংবাদিকতা

দ্য জার্নালিস্ট এন্ড দ্য মার্ডারার
জেনেট ম্যালকম (১৯৯০)
সাংবাদিক বাণিজ্যের গভীরে উভয়সঙ্কট বা নৈতিক দ্বিধা দ্বন্দের এক অনুসন্ধানমূলক রচনা।

দ্য ইলেকট্রিক কুল-এড এসিড টেস্ট
টম উলফ (১৯৬৮)
মার্কিন লেখক ও সাংবাদিক টম উলফ রচিত প্রচন্ড জনপ্রিয় একটি গ্রন্থ। আমেরিকার এলএসডি আবছায়া যুগের অনুসারী লেখক ও বিপরীত সংস্কৃতির বাহক ‘কেন কেসি’ এবং তাঁর দল ‘মেরী প্রাঙ্কস্টেরস’ যারা ঐসময় একটি রঙিন গাড়িতে চড়ে সারা মার্কিনমুলুক ভ্রমন করে বেড়াতো, তাদেরই সরজমিনে অনুসরণ করে রচিত এই গ্রন্থ। এর মাধ্যমে ‘নয়া-সাংবাদিকতা’ বা নিউ জার্নালাজিম’এর মতো নতুন সাহিত্য শৈলীর দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন টম উলফ।

ডিসপাচেস
মাইকেল হের (১৯৭৭)
হের-এর ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞতার এক প্রাণবন্ত দলিল।

সাহিত্য

দ্য লাইভস অফ দ্য পোয়েটস
স্যামুয়েল জনসন (১৭৮১)
১৮ শতকের কবিদের জীবনীসংক্রান্ত একটি সমালোচনামূলক অধ্যয়ন যা কিনা তাঁদের জীবন ও কর্মের ওপর একটি সন্দেহপ্রবণ চোখের দৃষ্টি নিক্ষেপ করে।

এন ইমেজ অফ আফ্রিকা
চিনুয়া আচিবে (১৯৭৫)
চিনুয়া আচিবের ইউনিভার্সিটি অফ ম্যাসাচুসেটস আমহার্স্টে দেয়া দ্বিতীয় চ্যান্সেলর বক্তৃতায় প্রকাশিত ও সংশোধিত সংস্করণ এন ইমেজ অফ আফ্রিকা। প্রবন্ধটিকে উত্তর উপনিবেশবাদের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা অ-ইউরোপীয়দের দেশগুলোর সাথে এবং উপনিবেশিকতার প্রভাবের সাথে মানিয়ে নেয়া মানুষের মতামতকে ইউরোপীয়দের বিবেচনায় নেয়ার সমর্থন করে । আচিবে পশ্চিমা সংস্কৃতির সাম্রাজ্যবাদকে অভিযুক্ত করে যুক্তি দেখান যে, যোশেফ কনরাড রচিত হার্ট অফ ডার্কনেস (১৮৯৯) একটি বর্ণবাদী উপন্যাস যা কিনা তার আফ্রিকান চরিত্রগুলোকে মানবতা থেকে বঞ্চিত রাখে ।

দ্য ইউজেস অফ এনচেন্টমেন্ট
ব্রুনো বেটেলহেইম (১৯৭৬)
অস্ট্রিয়-আমেরিকান মনোবিজ্ঞানী ব্রুনো এই গ্রন্থে শিশুদের মনোজগৎ ও ভবিষ্যতের বিকাশের ক্ষেত্রে রূপকথা ও একইসাথে প্রচলিত ঐতিহ্যগত কাহিনীর আবেগীয় ও প্রতীকী গুরত্ব ব্যাখ্যা করেন। তিনি যুক্তি দেন যে, এইসব অর্থাৎ গ্রীম ভাইদের রুপকথা, ডাইনি, জাদু, পরী, মৃত্যু, বিসর্জন ইত্যাদির অন্ধাকারচ্ছন্ন দিকগুলো শিশুদের দূরবর্তী ভয়ের সাথে লড়াই করতে শেখায় এবং নিজস্ব কল্পনাশক্তির, মানসিক বৃদ্ধি ও উত্তম ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করে।

গণিত

গোডেল, এশার,বাখ: এন ইটারনাল গোল্ডেন ব্রায়েড
ডগলাস হফস্টাডটের (১৯৭৯)
ডগলাস হফের ‘গোডেল এশার বাখ’ বইখানি মন, গণিত, চিন্তা, বুদ্ধি ইত্যাদি নিয়ে কথা বলে।

স্মৃতিকথা

কনফেশনস
জাঁ জ্যাক রুশো (১৭৮২)
লেখক তাঁর নিজের জীবনের এই অন্তরঙ্গ রচনার মধ্য দিয়ে আধুনিক আত্মজীবনীর এক আদর্শ প্রতিষ্ঠা করে গেছেন।

নেরেটিভ অফ দ্য লাইফ ফ্রেড্রিক ডগলাস, এন আমেরিকান স্লেভ
ফেড্রিক ডগলাস(১৮৪৫)
প্রথমবারের মতো একজন ক্রীতদাসের জবানিতে বর্ণিত এক অবিস্মরণীয় রচনা যা কিনা কণ্ঠস্বর হয়ে আওয়াজ তুলেছিল সমাজের মূলস্রোত ধারায়।

ডি প্রোফন্ডিস
অস্কার ওয়াইল্ড (১৯০৫)
ইংল্যান্ডের বিখ্যাত প্রাচীন কারাগার রিডিং গাওল থেকে অবরুদ্ধ এক কয়েদীর গভীর দুঃখবোধ উৎসারিত লেখা চিঠি। বন্ধু আলফ্রেড ডগলাসের উদ্দেশ্যে রচিত এই চিঠিতে লেখক ওয়াইল্ড ডগলাসের সাথে তার গভীর সম্পর্ক ও নিজের আধ্যাত্মিক উন্নয়নের গল্প বলেছেন ।

দ্য সেভেন পিলারস অফ উইসডম
টি ই লরেন্স (১৯২২)
অটোমান সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের দিনগুলিতে লরেন্সের কীর্তিকলাপের এক জবরদস্ত বর্ণনা।

দ্য স্টোরি অফ মাই এক্সপেরিমেন্টস উইথ ট্রুথ
মহাত্মা গান্ধী (১৯২৭)
স্বীকারোক্তিমূলক রচনার একটি সর্বশ্রেষ্ঠ উদাহরণ এই গ্রন্থ যেখানে মহাত্মা গান্ধী বর্ণনা করেছেন তাঁর প্রথম জীবনের সংগ্রাম, আত্মদর্শন ও নিজেকে জানার প্রগাঢ় প্রচেষ্টার কথা।

হোমেজ টু কাতালোনিয়া
জর্জ অরওয়েল (১৯৩৮)
অরওয়েলের তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে নির্মিত হয়েছে স্পেনের গ্রহযুদ্ধের সময়কার বিভ্রান্তি, বিশ্বাসঘাতকতার এক সুস্পষ্ট প্রতিকৃতির ।

দ্য ডায়েরি অফ ইয়ং গার্ল (আনা ফ্রাঙ্কের ডায়েরি)
আনা ফ্রাঙ্ক (১৯৪৭)
জার্মানির নাজী বাহিনী কর্তৃক নেদারল্যান্ড অভিযানের সময় একটি অসহায় পরিবারের লুকায়িত জীবনের করুন আখ্যান। গনহত্যা ও যুদ্ধের বিবরণ পাওয়া যায় কিশোরী আনার এই দিনলিপিতে। আনার মৃত্যু ও যুদ্ধের পর ডায়েরিটি তার পিতা গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন।

স্পিক, মেমোরি
ভ্লাদিমির নবোকোভ (১৯৫১)
এই রচনায় নবোকোভ তাঁর আমেরিকায় আগমনপূর্ব জীবনের আলোকপাত করেন।

ম্যান ডাইড
ওলে সোয়িংকা (১৯৭১)
নাইজেরিয়ান গৃহযুদ্ধের সময় সোয়িংকার কারাবাসের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ একটি শক্তিশালী আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।

দ্য পেরিওডিক টেবিল
প্রিমো লেভি (১৯৭৫)
একজন লেখকের জীবন দর্শন, একই সাথে বন্দী শিবিরে অতিবাহিত জীবনের নানা বৈচিত্রময় রসায়নের ব্যঞ্জনাপূর্ণ দৃশ্যায়ন ।

ব্যাড ব্লাড
লোরনা সেগ (২০০০)
যুদ্ধোত্তর নর্থ ওয়েলসের একটি চিত্র। একটি পরিবারের স্বপ্ন, দুঃখ, ক্রোধ, বিষাদ, সমস্যা, আকাঙ্ক্ষা ও হতাশা একই সাথে লোরনার উপর পরিবারটির প্রভাব যা একটি নিষ্ক্রিয় প্রজন্মকে অনুধাবন করতে সাহায্য করে।

মন

দ্য ইন্টারপ্রিটেশন অফ ড্রিমস
সিগমুন্ড ফ্রয়েড (১৮৯৯)
ফ্রয়েড যুক্তি দেন যে, আমাদের অভিজ্ঞতাগুলোই আমরা যখন স্বপ্ন দেখি তখন এবং সেইসাথে আমাদের মানসিক জীবনের মূল চাবিকাঠির ভূমিকা পালন করে। মনঃসমীক্ষনের এই আদর্শ তত্ত্বটি পশ্চিমা সংস্কৃতিকে পাল্টে দিয়েছিল।

সঙ্গীত

দ্য রোম্যান্টিক জেনারেশন
চার্লস রোজেন (১৯৯৮)
রোজেন পরখ করে দেখিয়েছেন, উনিশ শতকের সুরকাররা কিভাবে সঙ্গীতের সীমানা প্রসারিত করেছিলেন এবং আরো দেখিয়েছিলেন তাঁদের সাথে সাহিত্য, প্রাকৃতিক-ভূদৃশ্য ও অতিমানবিকতার যোগসূত্র।

দর্শন

দ্য সিম্পোজিয়াম
প্লেটো (খ্রিষ্টপূর্ব ৩৮০)
প্রেম ও প্রকৃতির উপর এক জীবন্ত কথোপকথন।

মেডিটেশন
মার্কাস আউরেলিয়াস (১৮০ খ্রিষ্টাব্দ )
ব্যক্তিগত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া, সংঘাতের মুখেও শান্তি জিইয়ে রাখা এবং জীবনকে এক মহাজাগতিক দৃষ্টিকোণ থেকে চর্চা করে যাওয়ার এক ধারাবাহিক আখ্যান।

প্রবন্ধ

মিশেল দ্য মঁতেইগ (১৫৮০)
মঁতেইগের নিজের সম্পর্কে এবং মানব প্রকৃতি নিয়ে এক জ্ঞানগর্ভ চিত্তাকর্ষক অনুসন্ধান যা কিনা প্রবন্ধকে সাহিত্যিক গড়ন দিয়েছিল।

দ্য এনাটমি অফ মেলানকোলি
রবার্ট বারটন (১৬২১)
নৈরাশ্যে অবসাদের আতশদৃষ্টিতে মানুষের সকল সংস্কৃতিকে পর্যবেক্ষণের এক আখ্যান।

মেডিটেশন অফ ফার্স্ট ফিলসফি
রনে দেকার্ত(১৬৪১)
সবকিছুকে সন্দেহের চোখে দেখেছেন কিন্তু আত্মার অমরত্ব, ঈশ্বর ও মহাবিশ্বকে একই সাথে গঠনের চেষ্টা করেছেন এই দার্শনিক।

ডায়ালগ অফ কনসারনিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন
ডেভিড হিউম (১৭৭৯)
হিউম ঈশ্বরের অস্বিত্ব নিয়ে যুক্তিতর্ক আলোচনা ও পরীক্ষা নিরীক্ষার উপর বিশ্বাস রাখতেন।

ক্রিটিক অফ পিয়র রিজন
ইমানুয়েল কান্ট (১৭৮১)
প্লেটো যদি পাশ্চাত্য দর্শনের নিছক একটি পাদটীকা হয়, তাহলে কান্টের প্রয়াস হলো অভিজ্ঞতালব্ধ কারণগুলি একত্রিত করা, যেগুলি অনেক বিষয়ের শিরোনাম হতে পারে।

ফেনোমেনোলজি অফ মাইন্ড
জি ডব্লিউ এফ হেগেল (১৮০৭)
হেগেল পাঠকে চেতনার বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে নিয়ে যান।

ওয়ালডেন
হেনরি ডেভিড থরো (১৮৫৪)
থরোর প্রকৃতির সান্নিধ্যে নিভৃতে কিছুকাল অতিবাহিত হবার ফসল হিসেবে এই গ্রন্থের আবির্ভাব যা সমাজ, স্বাধীনতা, আধ্যাত্মিক আবিষ্কার, বিদ্রুপ ও আত্মনির্ভরশীলতা সম্পর্কে লেখকের ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ।

অন লিবার্টি
জন স্টুয়ার্ট মিল (১৮৫৯)
মিল যুক্তি দ্বারা প্রমাণ করেন যে, “একটি সভ্য সমাজের যে কোন সদস্যের উপর তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আইনসংগতভাবে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের অর্থ হলো, সমাজের অন্যদের ক্ষতি প্রতিরোধ করা”

দোজ স্পিক জরথ্রুস্ত্রা
ফেডরিখ নিৎসে (১৮৮৩)
ঈশ্বরের মৃত্যু আর অতিমানবের জয়ের শক্তিশালী ঘোষণা করেন নিৎসে এই গ্রন্থে।

দ্য স্ট্রাকচার অফ সায়েন্সটেফিক রিভুলিউশন
টমাস কুন (১৯৬২)
প্রকৃতি বিজ্ঞানের অগ্রগতি সম্পর্কে এক বৈপ্লবিক তত্ত্ব।

রাজনৈতিক

দ্য আর্ট অফ ওয়ার
সান জু (খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০)
যুদ্ধবিগ্রহের উপর এক গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার এক প্রাচীন উদাহরণ যা পূর্ব ও পশ্চিমের সামরিক ভাবনা, ব্যবসায়িক কৌশল, আইনি কৌশল ও তার বাইরেও প্রভাব ফেলেছে।

দ্য প্রিন্স

নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি (১৫৩২)
ক্ষমতার অধ্যয়নে বাস্তববাদের প্রবেশ ঘটিয়ে ম্যাকিয়াভেলি প্রতিপন্ন করেন যে, শান্তি বজায় রাখবার জন্য ক্ষমতার অধিশ্বরদের পূন্য ত্যাগ করার জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত।

লেভিয়াথান
টমাস হবস (১৬৫১)
জীবনকে কদর্য, নিষ্ঠুর ও শ্বাসাঘাতশুন্য হবার থেকে রক্ষার করার জন্য হবস পরম ক্ষমতার ক্ষেত্র গড়ে তোলেন।

দ্য রাইটস অফ ম্যান
টমাস পেইন (১৭৯১)
ফরাসী বিপ্লবের পক্ষে একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী সমর্থন, এটা নির্দেশ করে সরকারের সেই অবৈধতার যা নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করে না।

এ ভিনডিকেশন অফ দ্য রাইটস অফ ওমেন
মেরি ওলস্টোনক্রাফট (১৭৯২)
ওলস্টোনক্রাফট যুক্তি দেন যে নারীকে যেকোন শিক্ষায় সমর্থবান হওয়া উচিত যাতে সমাজে অবদান রাখতে পারে।

দ্য কমিনিউস্ট মেনিফেস্টো
কার্ল মার্ক্স এবং ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস ( ১৮৪৮)
শ্রেণী সংগ্রামের পরিপ্রেক্ষিতে একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণ যা কিনা আন্দোলনের জন্ম দেয় পরিষ্কার একটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে আর তাহলো: “ শুধুমাত্র শৃঙ্খল ছাড়া সর্বহারাদের হারানোর আর কিছুই নেই”।

দ্য সৌলস অফ ব্ল্যাক ফোক
ডব্লিউ ই বি দুবয়েস (১৯০৩)
আমারিকার দক্ষিণে সমতার ক্ষেত্র গড়ে তোলার এক ধারাবাহিক প্রবন্ধ।


দ্য সেকেন্ড সেক্স

সিমোন দ্য বুভোয়্যার (১৯৪৯)
ইতিহাস ঘেটে দ্য বুভোয়্যার দেখান,নারীর কাছে নারীত্বের মানে কি এবং পুরুষ কিভাবে নারীকে সংজ্ঞায়িত করে।

দ্য রেস্টচ দ্য আর্থ

ফ্রাঞ্জ ফ্যানো (১৯৬১)
ব্যক্তি,সমাজ তথা একটি জাতির মনোজগৎ, আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে উপনিবেশ স্থাপনের প্রভাব নিয়ে মনস্তাত্বিক বিশ্লেষণের একটি চমৎকার গ্রন্থ।


দ্য মিডিয়াম ইজ দ্য মেসেজ

মার্শাল ম্যাকলুহান (১৯৬৭)
মার্শাল ম্যাকলুহান ও কোয়েন্টিন ফিয়র-এর একটি যৌথ নির্মাণ । গ্রাফিক্সের মাধ্যমে উপস্থাপিত প্রযুক্তি ও সংস্কৃতির ধারণা বিষয়ক একটি বহুল বিক্রিত গ্রন্থ।

দ্য ফিমেল ইউনাখ
জারমেইন গ্রীর (১৯৭০)
গ্রীর প্রমাণ দেন যে, পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর যৌনতাকে অবদমন করা হয়।

ম্যানুফ্যাকচারিং কনসেন্ট
নোয়াম চমস্কি এবং এডওয়ার্ড হেরমান (১৯৮৮)
কর্পোরেট মিডিয়া বিশ্বের এক বিকৃত চিত্র উপস্থাপন করে নিজেদের লাভের মাত্রা বাড়াতে।

হেয়ার কামস এভরিবডি
ক্লে শিরকি (২০০৮)
চলমান সামাজিক গণমাধ্যমের উদ্ভব সম্পর্কে প্রথম স্পন্দনশীল ইতিহাস।

ধর্ম

দ্য গ্লোডেন বাউ
জেমস জর্জ ফ্রেজার (১৮৯০)
মানবজাতির নৃতাত্ত্বিক-সাংস্কৃতিক ইতিহাস। এই গ্রন্থে পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রন্থের নির্যাষগুলিকে চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছেন যা প্রস্তাব করে সেগুলি উর্বরতা চর্চার মাধ্যমেই উদ্ভূত হয়েছে।

দ্য ভেরাইটিজ অফ রিলিজিয়াস এক্সপেরিয়েন্স
উইলিয়াম জেমস (১৯০২)
জেমস যুক্তি দেন যে, ধর্মের মূল্য তাদের উৎপত্তি বা গবেষণার যথার্থতা দ্বারা পরিমাপ করা উচিত নয়।

বিজ্ঞান

অন দ্য অরিজিন অফ স্পিসিস
চার্লস ডারউইন (১৮৫৯)
প্রাকৃতিক নির্বাচনের দ্বারা প্রজাতির বিবর্তনবাদ সম্পর্কে ডারউইনের বর্ণনা যা রূপান্তরিত জীববিজ্ঞান এক দলিল এবং এই গবেষণা ধারণা দেয় মহাবিশ্বে আমাদের স্থান সম্পর্কে।

দ্য ক্যারেক্টার অফ ফিজিক্যাল ল
রিচার্ড ফেইনম্যান (১৯৬৫)
বিংশ শতকের এক মহান তাত্ত্বিকের এই বইটা ভৌত আইনের অপূর্ব সৌন্দর্য নিয়ে কথা বলে, প্রকৃতির নিয়মাবলি নিয়ে আলোচনা করে।

দ্য ডাবল হেলিক্স
জেমস ওয়াটসন (১৯৬৮)
জেমস ওয়াটসন এবং ফ্রান্সিস ক্রিক কিভাবে ডিএনএ কাঠামো ভেঙেছেন তাই তিনি বর্ণনা করেছেন।

দ্য সেলফিস জিন
রিচার্ড ডকিন্স (১৯৭৬)
জীববিজ্ঞানে এক নতুন বিপ্লবের সূচনা হয় ডকিন্সের মাধ্যমে। তাঁর অভিভাবন হলো অঙ্গ প্রত্যঙ্গের তুলনায় জিন প্রত্যক্ষনের মাধ্যমেই বিবর্তন সবচেয়ে ভালভাবে দৃষ্টিগোচর হয় ।

এ ব্রিফ হিস্টোরি অফ টাইফ
স্টিফেন হকিং (১৯৮৮)
দশ মিলিয়ন মানুষের কাছে বইটি আছে কিন্তু খুব কম সংখ্যক মানুষই আছে যারা এটি হৃদয়ঙ্গগম করতে পেরেছেন। মহাবিশ্বের উৎপত্তি বিষয়ক হকিং-এর এই গবেষণা প্রকাশনা জগতে চমকের সৃষ্টি করে।

সমাজ

দ্য বুক অফ দি সিটি অফ লেডিস
ক্রিস্টিন ডি পিসান (১৪০৫)
ইতিহাস থেকে বিখ্যাত নারীদের অধিবাসী করে নারীজাতির এক আদর্শ শহরের কল্পনা করেছেন।

প্রেইজ অফ ফোলি
ইরাসমাস (১৫১১)
ইউরোপিয় সমাজে মানুষের মূর্খতা, কুসংস্কার, পাশাপাশি ক্যাথলিক চার্চগুলোর দুর্নীতির বিদ্রূপাত্মক স্তুতিবাদ।

লেটারস কনসার্নিং দি ইংলিশ নেশন
ভলতেয়ার (১৭৩৪)
ইংরেজ সমাজের উপর ভলতেয়ারের তীক্ষ্ণ দৃষ্টির এক পর্যবেক্ষণ। ইংলিশ চ্যানেলের অপর তীরের জীবনযাত্রার সাথে তুলনামূলক আদরনীয় আলোচনা ।

সুইসাইড
এমিল ডুরখেইম (১৮৯৭)
প্রোটেস্ট্যান্ট ও ক্যাথলিক সংস্কৃতির মধ্যে একটি অনুসন্ধানী তদন্ত, যা প্রমাণ করে যে, ক্যাথলিক সমাজের মধ্যে আরো বেশি সতর্কতা আর সামাজিক নিয়ন্ত্রণ আত্মহত্যার হারকে কমিয়ে দেয়।

ইকোনমি এন্ড সোসাইটি
ম্যাক্স ওয়েবার (১৯২২)
আধুনিক সমাজে রাজনৈতিক,অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় গঠনতন্ত্রের একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ যা আধুনিক সমাজবিজ্ঞানের আদর্শ স্থাপন করে।

এ রুম অফ ওয়ান’স ওন
ভার্জিনিয়া উলফ (১৯২৯)
উলফের বর্ধিত এই প্রবন্ধটি যুক্তি প্রদান করে যে, নারী লেখকরা আক্ষরিক ও শারীরিক উভয় স্থান বলে বিবেচ্য হয় একটি পুরুষশাসিত সাহিত্যিক ঐতিহ্যগত সমাজে ।


লেট আস নাউ প্রেইজ ফেমাস ম্যান

জেমস এগি এবং ওয়াকার ইভানস (১৯৪১)
ইভানসের ছবি ও এগির কথামালায় আমেরিকার দক্ষিণের বর্গাচাষিদের জীবন অঙ্কিত হয়েছে।

দ্য ফেমিনিন মিস্টিক
বেটি ফ্রাইডেন (১৯৬৩)
১৯৫০ থেকে ১৯৬০ পর্যন্ত অনেক গৃহবধূর অনুভূত অসুখী পারিবারিক জীবনের নানা উপাদানের অনুসন্ধান।

ইন কোল্ড ব্লাড
ট্রুম্যান ক্যাপুটি (১৯৬৬)
আমেরিকার ক্যানসাস রাজ্যের একটি ছোট শহরে চার ব্যক্তির হত্যাকান্ডের ঘটনার সাহিত্যিক বর্ণনা, যা লেখককে খ্যাতি আর সৌভাগ্য এনে দেয়।

স্লাউচিং টুয়াডারস বেথেলহেম
জোয়ান ডিডিয়ন (১৯৬৮)
ডিডিয়নের ১৯৬০’এর ক্যালিফোর্নিয়ার জীবনের এক উজ্জ্বল বর্ণনা।

দ্য গুলাগ আরকিপেলাগো
আলেক্সান্ডার সলঝেনিৎসিন (১৯৭৩)
সোভিয়েত ইউনিয়নের কারানিবাসের এক বিশ্লেষণধর্মী রচনা কিছুটা লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে।

ডিসিপ্লিন এন্ড পানিশমেন্ট
মিশেল ফুকো (১৯৭৫)
আধুনিক সমাজের কারারোধ ব্যবস্থার উন্নয়ন অনুসন্ধান করেছেন।

নিউজ অফ এ কিডন্যাপিং
গ্যাব্রিয়াল গার্সিয়া মার্কেস (১৯৯৬)
বিংশ শতাব্দীর কলাম্বিয়ার বিশিষ্ট লেখক এই বইটিতে একটি অপহরনের ঘটনাকে উপন্যাসের কাঠামোয় চমৎকার শিল্পকুশলতায় সাজিয়েছেন।

ভ্রমণ

ট্রাভেলস অফ ইবনে বতুতা
ইবনে বতুতা (১৩৫৫)
মধ্যযুগীয় আরব বিশ্বের এক মহান পর্যটক যিনি পৃথিবীর জানা ও অজানা স্থানে তাঁর ভ্রমনের স্মৃতি লিপিবদ্ধ করে গেছেন।

ইনোসেন্টস এবরোড
মার্ক টোয়েন (১৮৬৯)
মার্ক টোয়েনের ইউরোপের দুঃসাহসিক অভিযানের এক ব্যঙ্গরসাত্মক বর্ণনা যা তাৎক্ষনিকভাবে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।

ব্ল্যাক ল্যাম্ব গ্রে ফ্যালকন
রেবেকা ওয়েস্ট (১৯৪১)
যুগোস্লাভিয়ায় ছয় সপ্তাহ ভ্রমনের এক বর্ণনা যাকে মেরুদন্ড দিয়েছে বলকান ইতিহাসের নৃকুলবিদ্যার তথ্যসমূহ।

ভেনিস
জেন মরিস (১৯৬০)
ভেনিস নিয়ে এটি নিছক ভ্রমণ কাহিনির অধিক কিছু যা হাস্যরস, ‍বুদ্ধির দিপ্তী, আকর্ষণীয় গদ্যের কারণে বহুল পঠিত হয়ে আছে।

এ টাইম অফ গিফটস
প্যাট্রিক লেহ ফারমর (১৯৭৭)
একটি মহান নগরীর শিল্প, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জনগণ সম্পর্কে অদ্ভুত কিন্তু শিক্ষণীয় একটি নির্দেশিকা ।
পদব্রজে লেহ ফারমর-এর ইউরোপ যাত্রার প্রথম খন্ড- যৌবন,স্মৃতি ও ইতিহাসের এক প্রদীপ্ত আহ্বান।

দানিয়ুব
ক্লাদিউ ম্যাগ্রিস (১৯৮৬)
ভ্রমন, ইতিহাস, মজার চুটকী ও সাহিত্যের মিশ্রণ ঘটিয়েছেন ম্যাগ্রিস এখানে, অনেকটা যেভাবে তিনি দানিয়ুব নদীর উৎস থেকে সাগরে গেছেন।

চায়না এলোং দি ইয়োলো রিভার
কাও জিনকিং (১৯৯৫)
চীনা সমাজবিজ্ঞানের একটি অগ্রগণ্য কাজ। আধুনিক মুখ দিয়ে আধুনিক চীনের অনুসন্ধান।

দ্য রিংস অফ স্যাটার্ন
ডব্লিউ জি সিবাল্ড (১৯৯৫)
ইস্ট এনগালিয়াতে এক হাঁটা সফর যা পরিণত হয়েছিল নশ্বরতা আর ক্ষয়ের মনমরা একাকী গভীর চিন্তায়।

প্যাসেজ টু জুনো
জোনাথন রাবান (২০০০)
দুই মাস্তুলওয়ালা ৩৫ফুটের এক জাহাজে চড়ে সিয়াটল থেকে আলাস্কা উদ্দেশে জলযাত্রার এক বিবরণ যা অন্বেষণ করেছিল আদি আমারিকানদের শিল্প, আবেগপূর্ণ কল্পনা আর রাবানের নিজের ভাঙ্গা সম্পর্ককে।


লেটারস টু এ ইয়ং নভেলিস্ট

মারিও বার্গাস যোসা (২০০২)
লেখকের নৈপুন্য এবং আজীবন পরিব্যাপ্ত পড়া ও লেখার নির্দেশনা দানকারী এক সারগ্রন্থ।

অনেক তর্ক বিতর্ক গবেষণা ও বিশ্লেষণের পর দ্য গার্ডিয়ান বুকস ডেস্ক’র সদস্যরা এযাবতকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ নন-ফিকশন গ্রন্থের এই তালিকাটি প্রস্তুত করেন। জুন ২০১১ তে তালিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় । প্রকাশিত হবার পর জুলাই ২০১১ এবং পুনরায় নভেম্বর ২০১২ তে এটি সংশোধন করা হয়। তালিকাটির সর্বশেষ সংশোধিত বর্তমান রূপটি এখানে দেয়া হয়েছে।

আর্টস বিভাগে প্রকাশিত বিপাশা চক্রবর্তীর আরও লেখা:
জীবন ও মৃত্যুর সঙ্গম: অর্ধনারীশ্বর অথবা তৃতীয় প্রকৃতি

মানব তুমি মহীরুহ তুমি

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: আইনস্টাইন, শেক্সপিয়র, আঁদ্রে গ্লুক্সমাঁ, ফের্নান্দো ও বিয়োরো

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি: স্রোতের বিরুদ্ধে স্নোডেন, অরুন্ধতী, কুসাক

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি: ভিক্টর হুগো ও টেনেসি উইলিয়াম

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: আরবমুখী ফরাসী লেখক ও মার্গারেটের গ্রাফিক-উপন্যাস

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: গত বছরের সেরা বইগুলো

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: নতুন বছরে নারীরাই রবে শীর্ষে

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি: নতুন এলিয়ট, ব্যাংকসির প্রতিবাদ ও তাতিয়ানার রসনা

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য:চিরকালের শত শ্রেষ্ঠ

নারী দীপাবলী: তুমি হবে সে সবের জ্যোতি

Flag Counter

প্রতিক্রিয়া (5) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরফান — ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৬ @ ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন

      উপরের ছবিটা দ্যা রিডার মুভির। কিন্তু ভিতরে দ্যা রিডার নিয়ে কোনো আলোচনা নাই কেন?

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ronni ahmmed — ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৬ @ ১:১৬ অপরাহ্ন

      রিডার ম্যুভি থেকে নেয়া এই ছবিটা এক কথায় অসাধারণ এবং এই লেখাটির সাথে তা খুবই প্রাসঙ্গিক বলে মনে হচ্ছে আমার কাছে। ছবিটার মধ্যে একটা নিমগ্নতা এবং বই পড়ার সেলিব্রেশন লক্ষ করা যায়। ফটোগ্রাফি হিসেবে এটা খুবই সুসংবদ্ধ: বাথটাবে পানির মধ্যে যেই ছায়া এবং দুজনের দেহাংশের আকৃতি তা একটা ল্যান্ডস্কেপ তৈরি করেছে। লেখার সম্পূর্ণ আবহের সাথে পাঠকের কল্পনার মিলন ঘটায়। এটাতে আপত্তিকর বা অশ্লীল কিছু দেখছি না। এটা ইস্থেটিক্যালি খুবই ব্যালান্সড একটা ছবি। রিডার ম্যুভি নিয়ে আলোচনা না থাকলেও তো এই ছবি ব্যাবহার করে যেতে পারে, যেহেতু এর ব্যবহার এখানে সিম্বলিক।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Ezaz Ahmed oryo — ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৬ @ ৯:০৭ অপরাহ্ন

      I read only 7 out of this. feeling illiterate.

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Hossain Mofazzal — ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৬ @ ১:৪২ অপরাহ্ন

      চমৎকার অনুবাদ। যদিও বেশ কিছু জায়গায় মূল ইংরেজি অনুবাদ থেকেও লেখকদের সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য সংযোজিত করা হয়েছে। এটা আমাদের পাঠকের জন্য কাজে দিলেও মূল লেখার সাথে মিলিয়ে পড়তে গেলে প্রশ্ন উঠতে পারে। বাইরের লেখকদের নাম উচ্চারণের ক্ষেত্রে সবসময় আমাদের একটা ঝামেলা থেকে যায়, এখানেও কোন কোন ক্ষেত্রে তাই হয়েছে। যেমন আরনেস্ট গোম্বরিচ হয়েছে আরনেস্ট গোমব্রিজ , জর্জো ভাসারি হয়েছে গিয়োর্গি ভাসারি, রিসার্ত কাপুচসিনিস্কি হয়েছে রেয়জারডস কাপুচিন্সকি বা জেরমেইন গ্রীয়ের হয়েছে জারমেইন গ্রীর ইত্যাদি, যা হওয়া স্বাভাবিক। এছাড়াও বেশ কিছু বইয়ের নামের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা ঘটেছে যেমন আইশমান ইন জেরুজালেম হয়েছে আইখম্যান এমন কী লেখকের নাম হানাহ আরেন্ট হয়েছে হান্না আরেন্ট।খুবই জনপ্রিয় একটি বইয়ের নাম – দাজ স্পেক জারাথ্রু¯ত্রা হয়েছে দোজ স্পিক জরথ্রুস্ত্রা ইত্যাদি। জার্নালিজম শাখায় দ্য ইলেকট্রিক কুল-এড এসিড টেস্ট এর ক্ষেত্রে এইড লেখলে জুৎসই হত। অনুবাদে এসব ছোটখাটো ত্রুটি বই প্রকাশ করার সময় পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে। অনুবাদক-লেখক বিপাশা চক্রবর্তীর প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাতে হয়।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিপাশা চক্রবর্তী — ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৬ @ ৩:২৬ অপরাহ্ন

      অনেক ধন্যবাদ জনাব হোসেইন মোফাজ্জল , লেখাটি পড়ে আপনার মূল্যবান মতামত দেয়ার জন্য। শুধু অনুবাদ না করে সংশ্লিষ্ট লেখক বা গ্রন্থ সম্পর্কে একটু বাড়তি পরিচয়জ্ঞাপক কথা যুক্ত করতে চেয়েছি যাতে করে একেবারে নতুন পাঠকরা খানিকটা আন্দাজ পেতে পারেন বইটি বা লেখক সম্পর্কে। বিভাগীয় সম্পাদকও আমার এই অভিপ্রায় মেনে নিয়েছেন বলে আমি খুবই আনন্দিত। বিদেশি লেখকদের উচ্চারণের ক্ষেত্রে সার্বজনীনতা রক্ষা করা একটু মুশকিল, সেটা আপনি ভালো করেই জানেন। তবু চেষ্টা করেছি যাতে প্রচলিত উচ্চারণরীতি যদ্দুর সম্ভব বজায় রাখতে। কিন্তু সবক্ষেত্রে তা রক্ষিত হয়নি, এর কারণ স্ক্যান্ডিনেভীয় বা পূর্ব-ইউরোপিয় লেখকদের নামের উচ্চারণ সম্পর্কে আমার অজ্ঞতা( আমার মতো আরও অনেকেরই হয়তো)। যেমন আপনি বলেছেন, ‘রিসার্ত কাপুচসিনিস্কি হয়েছে রেয়জারডস কাপুচিন্সকি’। হয়ে থাকতে পারে। আপনার পরামর্শ, প্রতিক্রিয়া এবং আমাকে সাধুবাদ জানিয়ে উৎসাহিত করার জন্য আপনার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com