খুঁজে ফিরি অসমাপ্ত পথরেখা, ব্যর্থতার বিন্দুগুলি

সোহেল হাসান গালিব | ১৫ জানুয়ারি ২০১৬ ৫:১৫ অপরাহ্ন

selim-1.jpgবাংলাদেশে, শিক্ষিত বাঙালির কাছে নাটক আর সেলিম আল দীন কথা দুটো প্রায় সমার্থক। কারণ সহজেই অনুমেয়। তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে নাটক নিয়ে যে-সব কর্মতৎপরতা তিনি চালিয়েছেন, বাংলা ভাষার আর কোনো লেখক, গবেষক, নির্দেশক, চিন্তক এককভাবে কেউ তা করেন নি। একদিকে নাটকের নানা তত্ত্ব উদ্ভাবন, অন্যদিকে তার মৌলিক রচনায় সে-সবেরই সফল প্রয়োগ। পাশাপাশি পাঠ, চর্চা ও গবেষণার প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠা করেছেন নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে স্বতন্ত্র একটি বিভাগ হিশেবে এর যাত্রা, অন্তত বাংলাদেশে, তারই হাত ধরে।

যদিও সেলিম আল দীন বাংলাভাষীদের কাছে নাট্যকার হিশেবেই পরিচিত, তবু লেখক নিজে তার রচনাকে নাটকমাত্র বিবেচনা করেন না। মূলত তিনি আখ্যান নির্মাণ করেন। আর তার সমস্ত রচনাই বারবার পাঠযোগ্য, পাঠযোগ্য কাব্যগুণেই। সাহিত্যকে গদ্যপদ্যের বিভাজিত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কখনো বিচার করেন নি তিনি। কাব্য, সঙ্গীত, আখ্যান ও নৃত্য–প্রাক-ইউরোপীয় বাংলাসাহিত্যের সমস্ত প্রবণতাকে অঙ্গীকার করে নিয়েই এক অখণ্ড শিল্পভুবনের দিকে তার যাত্রা। বহুকে তিনি একসূত্রে অর্থাৎ এক অদ্বয়-সম্বন্ধে গেঁথে তোলেন। এর নাম দিয়েছেন তিনি ‘দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্ব’। খণ্ড খণ্ড পরিচয়ের মধ্যে জগৎ ও জীবনের যে অখণ্ড রূপাভাস, তার রচনায় সেই রূপেরই উন্মোচন।

করিম বাউয়ালীর শত্রু অথবা মূল মুখ দেখা, চর কাঁকড়া, মুনতাসীর, শকুন্তলা, কিত্তনখোলা, কেরামতমঙ্গল, চাকা, যৈবতীকন্যার মন, হরগজ, বনপাংশুল, হাতহদাই, প্রাচ্য, নিমজ্জন, ধাবমান, স্বর্ণবোয়াল, উষাউৎসব–প্রায় প্রতিটি নাটকই অভিনব, পুনরাবৃত্তিহীন; সেই সঙ্গে প্রতিটি রচনাতেই তার শিল্পসাফল্যও বিস্ময়কর। সম্ভবত তিনিই সেই বিরল নাট্যকার, যার একাধিক রচনা মঞ্চায়নের পাশাপিাশি চলচ্চিত্র-রূপও লাভ করেছে। মৌলিক গবেষণার ক্ষেত্রেও সেলিম আল দীন অ্যাকাডেমিয়ানদের কাছে ঈর্ষণীয়। বহুদিন থেকে বাংলা নাটকের ইতিহাস বলতে দুশো বছরের ইতিহাস দেশের বিভিন্ন বিদ্যায়তনে পঠিত হয়ে আসছিল। তিনিই প্রথম তার মধ্যযুগের বাংলা নাট্য গবেষণাগ্রন্থে প্রমাণ করেন, বাংলা নাটকের ঐতিহ্য প্রায় হাজার বছরের।

এই বঙ্গ ব-দ্বীপের সমগ্র জনপদকে স্পর্শ করবার, গভীরে যাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা জেগেছিলো তার শিল্পীমনে। কিন্তু ইতিহাসের প্রদোষে-প্রত্যুষে কবির রোমান্টিক মনের কোনো উড্ডয়ন তাতে ছিলো না। ‘হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী’-বলে চর্যার কবি যেমন গোলাভরা ধানের গালগল্পের মুখোশ উন্মোচন করেছেন, তেমনি এই গৌড়বঙ্গের, সোনার বাংলা নামের আড়ালে পড়ে থাকা গণমানুষের একটা প্রকৃত চিত্র অঙ্কনের প্রয়াসই আমরা লক্ষ করি সেলিম আল দীনের নাটকে। মঙ্গলকাব্যের সুপরিসর আঙ্গিকের ভেতর সেই অভিযানের প্রথম সঞ্চারপথ তিনি রচনা করলেন কেরামতমঙ্গল-এ। এমন বিশাল আয়োজন গত শতকের আর কারো উপন্যাস বা নাটকে আমরা দেখতে পাই না। কেবল বাঙালি নয়, এ অঞ্চলের নানা জাতিগোষ্ঠীর আনন্দবেদনাসংগ্রামের ইতিবৃত্ত তুলে ধরতে গিয়ে এরপর লিখলেন বনপাংশুল। লঘু নৃগোষ্ঠীর মিথ ও দর্শনের ভেতর দিয়ে তিনি অন্বেষণ করতে চাইলেন, মানবাত্মার আদিম ও অকৃত্রিম মুক্তি, আনন্দ ও কল্যাণ। এই অন্বেষণেরই ফল ‘নব্য নৃগোষ্ঠী নাট্য আন্দোলন’। আদিবাসীদের শিল্পরীতিকে আধুনিক ভাবনায় সাঙ্গীকৃত করে উপস্থাপন করলেন একটি মারমা রূপকথা। আর এধারাতেই তার সর্বশেষ রচনা একমাত্র গীতিনৃত্যনাট্য উষাউৎসব। উৎসব ও আনন্দ উপভোগের আয়োজনকে অবারিত করার মধ্য দিয়েই সম্ভব হিংসা ও হানাহানি রুখে দেয়া–এমনটাই তার বিশ্বাস। লেখকের বড়ো আক্ষেপ ছিল, সমুদ্র তীরবর্তী একটি দেশে বাস করি, অথচ উপকূলের জনপদ নিয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো রচনা বাংলা ভাষায় নেই। এ আক্ষেপই হয়তো তার হাতহদাই লিখবার প্রেরণা। বলতেন, মাছে-ভাতে বাঙালি, অথচ মাছ-শিকারের কোনো আখ্যান আমাদের নেই। তখন তিনি লিখছিলেন স্বর্ণবোয়াল। পাঠক হিশেবে আমরা জানি, এসব রচনা কেবল লেখকবর্ণিত পটভূমিতেই আটকে নেই; বরং দর্শনগত দিক থেকে তা শেষপর্যন্ত সর্বমানবিক এবং বৈশ্বিক।

সেলিম আল দীনের শিল্পসাধনা মূলত সমন্বয় ও সংশ্লেষের। তিনি প্রাচ্যের সঙ্গে প্রতীচ্যের, লোকজের সঙ্গে ধ্রুপদীর মিশ্রণ ঘটিয়েছেন। সে কেবল লেখনীতে নয়, তার নাট্যদলের রঙ্গমঞ্চে উপস্থাপন-রীতিতেও তা অনুসৃত। প্রসেনিয়াম থিয়েটারকে তারা ভেঙেছেন; এ ভাঙন আমাদের ঐতিহ্যের আঘাতেই শুধু নয়, বরং প্রতীচ্যের নবতর অভিঘাতেও। সারা দেশ জুড়ে গড়ে তুলেছেন গ্রাম থিয়েটার। আয়োজন করেছেন বিভিন্ন মেলা ও পার্বণের। এ সম্পর্কে লেখক বলতেন : আমরা গিয়েছি গ্রামের কাছে শিখতে, শেখাতে নয়। শিল্প-অভিযাত্রার এ বিপুল কর্মযজ্ঞে বন্ধুরূপে তিনি পেয়েছিলেন নাট্যনির্দেশক নাসির উদ্দীন ইউসুফকে। তাদের এ বন্ধুত্ব আমাদের সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

সেলিম আল দীনের লেখায় গদ্য ভাষারীতির বিরুদ্ধে একটা অভিযোগ উচ্চারিত হয়। তার আখ্যানভাগে থাকে নিপীড়িত, প্রান্তিক, ব্রাত্যজনের কথা; অথচ বয়ানের ক্ষেত্রে তার ভাষা সংস্কৃত শব্দবহুল এবং প্রায়শ গুরুচণ্ডালী দোষযুক্ত।

এ কথা বুঝতে হবে, তার শিল্পপ্রয়াসের মূলমন্ত্র লোকজীবনের অকিঞ্চিৎকরতাকে মহাজীবনের শাশ্বত উপলব্ধির দুয়ারে উপনীত করা। অর্থাৎ রোমান্টিক মনের সঙ্গে ক্লাসিক দৃষ্টিভঙ্গির সেতুবন্ধ রচনা। আর এক্ষেত্রে তিনি আশ্রয় করেছিলেন মূলত ভাষা। লোকমুখের ভাষার সঙ্গে তাই ফিউশান ঘটিয়েছেন মননশাসিত পণ্ডিতি ভাষার। তবে বাক্যরীতিতে উলেখযোগ্য বিপর্যয় তিনি আনেন নি। যেমনটা এনেছিলেন কমলকুমার মজুমদার।

লেখক মনে করেন, ভাষার একটা সাধারণ প্রবণতা হলো বোধগম্য হওয়া। তাই আঞ্চলিকতাকে ততটুকুই গ্রহণ করা যেতে পারে, যতটুকু না হলে সাহিত্যের পটভূমিকে আর বাস্তব বলেই মনে হয় না। সাহিত্য প্রধানত কৃত্রিম অথচ স্বতঃস্ফূর্ত এক নির্মিতি। উদাহরণস্বরপ তিনি বলেন, চট্টগ্রামের লোকজন যে ভাষাই বলুক না কেন, মাইজভাণ্ডারি গানে তা অনুসৃত হয় না। আমরাও লক্ষ করি, লালনের, হাসনের, জালাল উদ্দীন খাঁর গানে এমন অনেক শব্দ আছে, যা কৃষকপ্রজার ভাষা নয়। এমনকি শিক্ষিত সাধারণেরও অনুধাবন-অযোগ্য।

যে কথাটি পূর্বে উল্লেখ করেছি, অর্থাৎ লেখকের আরাধ্য লোকায়ত জীবনকে ধ্রুপদী পর্যায়ে রূপান্তরকরণ, এর দুইটি মেরু তার সাহিত্যে আমরা লক্ষ করি। শকুন্তলা নাটকের আগেকার রচনা ও তার পরের রচনা। মূলত শকুন্তলায় এসেই লেখকের কবিসত্তার গভীরে ক্লাসিক ও শাশ্বত অস্তিত্বের জন্যে যে আর্তি, একই সঙ্গে নশ্বরতার বিরুদ্ধে যে আর্তনাদ লুকিয়েছিল, শকুন্তলার কণ্ঠে তাই ধ্বনিত হলো। এরপর কিত্তনখোলা থেকেই নাটকের বিষয় ও আঙ্গিকে ঘটে গেল অভাবনীয় রূপান্তর। লেখক-কথিত বর্ণনাত্মক নাট্যরীতি প্রয়োগের নানা কৌশল আমরা প্রত্যক্ষ করতে শুরু করলাম। কথানাট্য-নাম আঙ্গিকের ধারায় তার শ্রেষ্ঠ রচনা চাকা। আর সবচেয়ে নিরীক্ষাপ্রবণ যৈবতী কন্যার মন। এখানে বয়ানের ক্ষেত্রে লেখক তৈরি করলেন মহাবিপর্যয়। কোনটি লেখকের বর্ণনা, কোনটি চরিত্রের সংলাপ আর কোনটি কালিন্দী বা পরীর কথা–সব একাকার করে তুলে ধরলেন পাঠকের সামনে। আশ্চর্যের ব্যাপার, এতে পাঠ দুরূহ হওয়া দূরের কথা বরং আরো বেশি একাত্ম হওয়া গেল আখ্যানের সঙ্গে।

ক্ষমা ও সহিষ্ণুতার মধ্যেই সভ্যতার ভারসাম্য। প্রকৃতিতেও আমরা লক্ষ করি সুন্দর ও ভয়ঙ্করের সহাবস্থান, পারস্পরিক বৈপরীত্যের আড়ালে জীবনের গভীরতর ঐক্য। আগুনের দাহ্যতা, সাপের ছোবল যেমন তার স্বভাবের অংশ, মানুষের লালন ও পোষণ-রীতি তেমনি তার মহানুভবতার অঙ্গ। এ ভাবনাপ্রসূত প্রাচ্য নাটকটির মাধ্যমেই লেখক দুই বাংলায় হয়ে ওঠেন সর্বজনমান্য। তার জীবদ্দশায় সর্বশেষ মঞ্চায়িত নাটক নিমজ্জন দর্শক-পাঠককে দাঁড় করিয়ে দেয় পৃথিবীর ইতিহাসে গণহত্যার পুনরাবৃত্তি বিষয়ক নির্মম এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি। আমাদের বিবেচনায়, বাংলা ভাষায় টুকরো টুকরো আখ্যানের সমন্বয়ে আখ্যানহীন এমন নাটক ইতঃপূর্বে রচিত হয় নি। কেরামতমঙ্গল-এ বাস্তবতার যে রূঢ় ভয়ঙ্কর রূপ তিনি আবিষ্কার করেছিলেন স্বদেশের পটভূমিতে দাঁড়িয়ে, জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে ইতিহাসের তেমনি এক রক্তরঞ্জিত অধ্যায়ের উন্মোচন ঘটালেন বিশ্বপ্রেক্ষাপটে। স্পষ্টতই, লেখকের এ চেতনার উৎসক্ষত তার হাড়ে ও মজ্জায়। তাই বুঝতে অসুবিধা হয় না, নিমজ্জন নাটকে দুবন্ধুর বাক্যালাপ মূলত নিজের সঙ্গে কথোপকথন।

সেলিম আল দীনের যারা নিকটজন, তারা জানেন, শেষদিকে গান নিয়ে তিনি বেশ মেতে উঠেছিলেন। তিনি বলতেন, রবীন্দ্র-নজরুলের পর বাংলা গানের ইতিহাস মোটামুটিভাবে পতনের ইতিহাস। এই পতন মূলত গানের বাণী-সৌধের। হাল আমলে, বাংলা কবিতায় টানা গদ্যের যে দৌরাত্ম্য, তার গানের অভিমুখ ছিল সেদিকেই। রবীন্দ্রভুবনের উচ্ছ্বসিতপ্রাণ এই লেখক কেন লিরিকের বিরুদ্ধে দাঁড়ালেন–প্রশ্ন করেছি তাকে। বলেছেন : বাংলা লিরিক রবীন্দ্রনাথ যে পর্যায়ে নিয়ে গেছেন, তারপর সে পথে অগ্রসর হওয়া অবান্তর। এ দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই তার যে-একটি গানের অ্যালবাম অনতিবিলম্বে বের হবার কথা ছিল, আমরা সবাই মিলে সে অ্যালবামের নাম ঠিক করেছিলাম ‘সেলিম আল দীনের গদ্যবর্তী গান’। ৯০-এর দশকের শেষের দিকে তিনি ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন একটি গানের দল ‘কহন কথা’।

আমার এ ছোট্ট লেখাটিতে খুব সংক্ষেপে সেলিম আল দীনের চিন্তা ও তৎপরতার একটা পরিচয় তুলে ধরতে চেষ্টা করলাম। তা এই জন্য যে, তত্ত্বচিন্তা ও সৃজনশীল কাজের এক অদ্ভুত, প্রায়-অসম্ভব সমন্বয় দেখি এই লেখকের জীবনে। তাঁর নাট্যচিন্তা প্রতিটি নাটকে সুসাম্য বা সুষমা তৈরি করতে পেরেছে, তা বলব না। সূক্ষ্মতর বিশ্লেষণে, শিল্পের বিচারে, ব্যক্তিরুচির নিরিখে পাঠক কোথাওবা হোঁচট খেতে পারেন, অতৃপ্তির চাপা আর্তনাদও জেগে উঠতে পারে। সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, শিল্পের বিচিত্র সম্ভাবনাকে তিনি আগলে রাখেন নি, নানা পথ উন্মুক্ত করে দিয়ে গেছেন ভাবীকালের রচয়িতার সামনে।

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (3) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন saifullah mahmud dulal — জানুয়ারি ১৫, ২০১৬ @ ৮:৫৭ অপরাহ্ন

      “তিনি (সেলিম আল দীন) প্রাচ্যের সঙ্গে প্রতীচ্যের, লোকজের সঙ্গে ধ্রুপদীর মিশ্রণ ঘটিয়েছেন।”
      ——————-
      আমি এক মত!

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শিমুল সালাহ্উদ্দিন — জানুয়ারি ১৬, ২০১৬ @ ১২:২৯ পূর্বাহ্ন

      ছোট্ট সুন্দর সংহত জরুরী লেখা। ধন্যবাদ গালিব ভাইকে, ধন্যবাদ আর্টসকে।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সোহেল হাসান গালিব — জানুয়ারি ১৬, ২০১৬ @ ৫:০৫ অপরাহ্ন

      অনেক ধন্যবাদ দুলাল ভাইকে, এ সামান্য লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য। ধন্যবাদ শিমুলকে, তোমার শংসাবচনের নিমিত্ত।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com