কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা: কবিতায় ভাষাচিন্তা

আসাদুল্লাহ্ | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন

nurul.gifজাতিসত্তার কবি বিশেষণে খ্যাত মুহম্মদ নূরুল হুদা। আদতে তিনি বহুমাত্রিক লেখক। হ্যাঁ, তার প্রধান পরিচয় তিনি কবি। কেবল কবিকৃতি নয়; তার রয়েছে স্বকীয় বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত উপন্যাস। তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রবন্ধ লেখক। তিনি সমালোচক। এখন অধ্যাপনা ও সাংবাদিকতা পেশায় নিযুক্ত। সব মিলিয়ে মনোযোগী পাঠকমাত্রই মুহম্মদ নূরুল হুদার লেখনির বহুমাত্রিকতা কবুল করে থাকবেন। আমার উপলদ্ধি আরেকটু এগিয়ে। আমি বোধ করি- মুহম্মদ নূরুল হুদা যেমন বাংলা কাব্য সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। তেমনি তার বিচিত্র গদ্যের নিরিখে তিনি একজন মণীষী লেখক। কবুল করছি-তার মণীষা ঠাহর করতে না পারলে আমার মূল্যায়ন- তিনি একজন মণীষী লেখক-এর সাথে সবাই একমত হতে পারবেন না। তার মণীষার মূল্যায়ন নিঃসন্দেহে বড় কাজ এবং সময়সাপেক্ষ। আমি আপাততঃ মাতৃভাষার বিষয়ে কবি মুহম্মদ নূরুল হুদার সিরিয়াস থট বা গভীর ভাবনাকে কী করে তার কতিপয় কবিতায় তুলে এনেছেন – তদ্বিষয়ে খানিকটা আলোকপাত করবার চেষ্টা করছি।

আমাদের মনে আছে মধ্যযুগের মহান কবি আবদুল হাকিম ‘বঙ্গবাণী’ কবিতায় বাংলাভাষী হিসেবে অমর হয়ে আছেন। বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী ও আধুনিক কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ‘বঙ্গভাষা’ কবিতায় তার ভাষাপ্রেম অমর করে রেখেছেন। আমাদের যুগের শামসুর রাহমান ‘দুঃখিনী বর্ণমালা’ শীর্ষক বিখ্যাত কবিতায় বাংলা ভাষার প্রতি তার দরদের ভাষাচিত্র এঁকেছেন। তেমনি মুহম্মদ নূরুল হুদা ‘যতদূর বাংলা ভাষা, ততদূর এই বাংলাদেশ’ শীর্ষক কবিতায় বাংলা ভাষার ভাব প্রভাব ও ভবিষ্যতের রূপকল্প ও অভিলক্ষ্য এমন চাতুর্যের সাথে রূপায়িত করেছেন যা সচেতন পাঠককে কেবল কাব্যরসে আপ্লুত করে না; জাতিরাষ্ট্রের মতো অখণ্ড ভাষারাষ্ট্রের দৃশ্যমান স্বপ্ন বাস্তবতায়ও রোমাঞ্চিত করে তোলে। মুহম্মদ নূরুল হুদার মণীষা এখানটায় যে, পূর্ববর্তী কবিদের বিচিত্র ভাষাবোধ তার ‘যতদূর বাংলা ভাষা,ততদূর এই বাংলাদেশ’ কবিতায় কেবল সারসংক্ষেপের রূপ ধরেনি; কবিতার শিরোনামটাই বাংলাভাষীদের বীজমন্ত্রের দীক্ষাশ্লোক হয়ে উঠেছে।

ষাট বছরের কবিতা-নামীয় কাব্যসংকলনের বেশ কিছু কবিতা আছে যাতে সরাসরি কবির মাতৃভাষা বাংলাভাষা বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে। মনে রাখা আবশ্যক নূরুল হুদার অধিকাংশ কবিতাই চেতন কবিতা। বায়ান্নতে ব্যক্তিত্ব আরোপ করে ‘আমি বায়ান্ন বলছি’ শীর্ষক কবিতায় ওদের শহীদ মিনার ভাঙন কী করে বাঙালির জাগরণ হয়ে ওঠে-অসাধারণ নৈপুণ্যে কবি তার ভাষিক চিত্র এঁকেছেন-

ভাঙলেই যদি ভেঙেই দাও
ইটের মিনার ভেঙেই দাও
প্রস্তর স্মৃতি গুড়িয়ে দাও
দুহাতে ঢেকো না মুখ;
আবার আমাকে জাগতে দাও
জাগতে জাগাতে জাগাতে দাও
অবাক নিশিথে দোলাতে দাও
সাড়ে সাতকোটি বুক।
(আমি বায়ান্ন বলছিঃ আমার সশস্ত্র শব্দবাহিনী)।

বাংলা ভাষার শব্দের ভাব প্রভাব বুলেট বা গুলির চেয়ে কম কিছু নয়। আমার ধারণা -মুহম্মদ নূরুল হুদা এমন বোধ ও বিশ্বাস থেকেই কাব্যের নাম দিয়েছেন- আমার সশস্ত্র শব্দ বাহিনী। মানব জাতির ইতিহাসও তা-ই বলে: শব্দই শাস্ত্র বা আয়ুধ। শব্দই মন্ত্র। এই বোধ কবির রক্তে। তাই নদীর অনেক জলের পিপাসার মতো কবির বুকেও জেগে ওঠে মানবিক নদী। যে নদীর জলের রূপক মাতৃভাষা। নদী, জল, পিপাসা প্রভৃতির রূপকে ভাষার ভাব প্রভাবকে প্রকাশের মধ্যদিয়ে কবি মাতৃভাষার প্রতি তার স্বতন্ত্র ভাবনার কাব্যিক প্রকাশ ঘটিয়েছেন-

মানুষেরা নদী নয়, মানুষের বুকে তবু নদীর পিপাসা,
……………………………………………………
নদীর শব্দের সাথে জেগে থাকে মানুষের প্রিয় মাতৃভাষা
মাতৃভাষা,মাতৃভাষা।
(মাতৃভাষাঃ যিসাস মুজিব)।

কথা প্রধানত দুই ধরণের। কাজের কথা; অকাজের কথা। আকাজের কথার অন্য পারিচয় আকথা,কু-কথা ইত্যাদি। কাজের চেয়ে কথা বেশি হলে; কথার কথা অতিরিক্ত হলে তাকে বলা হয় অতিবাদ। আকথা,কু-কথা, অতিবাদ সবই আদতে ভাষা বা মাতৃভাষার অপমান,অপব্যবহার,অতি ব্যবহার। যা ভাষার প্রতি অবিচার। বক্তা হয়ে ওঠেন বাচাল। কবি বলছেন-

কে কথা বলছে যে কথা বলছে সে কথা বলছে
রাজা কথা বলছে প্রজা কথা বলছে বাঁজা কথা বলছে
কথা বলছে কথা
কথায় কথায় ধূয়া
হুয়া হুয়া হুক্কা হুয়া
(বাক-স্বাধীনতাঃ যিসাস মুজিব)

জাতির গৌরব, অহংকার, বীরের ইতিহাসকে অস্বীকার করা কবির বিবেচনায় অমানবিক। মনুষ্যত্বহীনতা। তাই মাতৃভাষার শব্দাবলীতে যে ব্যক্তি সত্য বা ইতিহাস স্বীকার করে না, কবির মতে তার জিহ্বা নেই। অর্থাৎ সে না-জিব। প্রাণী মাত্র। না-জিব মাতৃভাষার চরম অবমাননা করে। দুঃখের বিষয় বাঙালি এমনও হয়-

নেই তো তাহার জিব,
যে বলেনি জাতির পিতা
মুজিব, শেখ মুজিব।
(না-জিব বাঙালির কথাঃ যিসাস মুজিব)।

ভাষার সাধারণ বৈশিষ্ট বোধ হয় সবাই জানি। ভাষা আদতে বক্তার ব্যক্তিত্বের স্মারক। ভাষায় নজরুল, জীবনানন্দ, পল্লীকবি-সবাইকে চিনি। ভাষা তার প্রয়োগকারী বক্তাকে ছাড়ে না। আমরা যা-ই লিখি ; যাকেই লিখি; আদতে নিজেকেই অনুবাদ করি। ব্যক্তির ভাষাই তার ব্যক্তিত্বের অনুবাদক। এই আদর্শ বা তত্ত্বকে, এই দর্শনকে মুহম্মদ নূরুল হুদা কত সহজে বলেন-

তোমাকে লিখতে গিয়ে
লিখে ফেলি কেবল আমাকে;
(আত্মভাষাঃ এক জনমে লক্ষ জন্ম)

ভাষা যে অমন অনিবার্য প্রকাশক; তার বিপদও অনেক। কোন রাখ-ডাক থাকে না। জামা তবু টললেস, বটমলেস হয়। ভাষার কোন লেস নেই; সবটুকু ওপেননেস। বিপদ এখানেই। শুনেছি ও বুঝেছি- মুখের কথা আর বন্দুকের গুলি বেরুলে ফেরানো যায় না। এই প্রকাশ বিবেচনাপ্রসূত কিংবা স্থানকালপাত্রসম্মত না হলে খেসারতের শেষ থাকে না। মাতৃভাষার বিষয়ে এই অভিজ্ঞান কবিকে তিক্ততার পাশাপাশি নতুন এক বোধের পৃথিবীতে পৌঁছে দেয়-

শব্দ বড় কষ্ট দেয় কষ্ট দেয় ধ্বনি
কষ্ট দেয় অক্ষরের কটাক্ষ চাহনি
কষ্ট দেয় চিত্রকল্প উদাস উপমা
কষ্ট দেয় যে কামিনী নয় নিরুপমা।
…………………………………..
আমি সেই হলাহলে চোখ রেখে দেখি
কবির অহং সত্য, কবিতারা মেকি।
(তন্দ্রাচ্ছন্ন কবির উক্তিঃ প্রিয়াঙ্কার জন্য পঙক্তিমালা)

শুরুতেই বলেছিলাম মুহম্মদ নূরুল হুদার মনীষার কথা। শব্দের কষ্টের কথা বলতে বলতে অদর্শনদারি রমণী কী যন্ত্রণাদায়ক হয়; কী মর্ম যাতনা দেয়- শুধু তাই চট করে বলেন না; পাঠককে সারপ্রাইজসুলভ চমকে দিয়ে বলেন যে, কবিতাও মেকি হয়। শুধু কবির অহম বা সোহম সত্য। এই আবিষ্কার ; অস্তিত্বের এই জয়জয়কার মনীষার উপলব্ধি বৈ তো নয়। মাতৃভাষা নূরুল হুদাকে এভাবেই কষ্ট থেকে নতুন সৃষ্টির জগতে উত্তীর্ণ করে। মুখের ভাষা আসে বুকের ভাষা থেকে-অর্থাৎ মানুষের বহিঃপ্রকাশ। মুহম্মদ নূরুল হুদা জন্মান্তরের মতো নিরন্তর বোধান্তরের কবি। মাতৃভাষার শব্দ তাকে কষ্ট দেয়; আবার সৃজনশীলতার কেষ্টও দেয়। ভাষার সদ্ব্যবহার না করে ভাষী না-জিব হয়ে ওঠে। অর্থাৎ জিভের অসদ্ব্যবহার জিভহীনতারই নামান্তর। তেমনি কবির উপলব্ধি- কানে কানে বা মনে মনে নয়; কথা প্রকাশ্যে বলাই ভাল। কিন্তু মানুষ তার বাগচাতুর্য দিয়ে নিজেকে আড়াল করবার ব্যর্থ প্রয়াস পায়। এই ব্যর্থতা শেষতক লুকানো যায় না। তবু মানুষ তা করে। তাই কবির বোধ জন্মে- কথা বলা পাপ। সত্য না হয়ে, কথা যদি মিথ্যে বা অতিবাদ হয়- সেতো পাপই। মুহম্মদ নূরুল হুদা মৈনাক পাহাড়ের মতো মৌনতা কিংবা ফুলেদের পাপড়ির মতো সত্যসিদ্ধতা রপ্ত করতে না পারার দুঃখে কাতর।

আমি স্বেচ্ছাশৃঙ্খলার কথা বলি,
কেননা আমি ফুল নই, মানুষ,
আমি-গোলাপ চামেলির মতো
সত্যস্বর হতে শিখিনি।
(কথা বলা পাপঃ দেখা হলে একা হয়ে যাই)

কবির ভাষাবোধ এমন- ইতিহাস এগিয়ে গেলে কবিতা ক্লান্তি বোধ করে এবং একটু জিরোতে চায়। ইতিহাস যখন কথা বলে না; কবিতার চরণ তখন দোলে ওঠে। এভাবেই নূরুল হুদা ভাষার মজার দিকটি আবিষ্কার করেন। তাই কবির কলমে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড রুমুঝুমু নাচে। কবির জিজ্ঞাসা তাই সমস— দার্শনিকতা এবং চেতন ইতিহাসের অনিবার্যতা নিয়ে সামনে দাঁড়ায়-

একুশ তো বাইশ নয়, বিশও নয়
একুশ কেবল একুশও নয়,
কত একুশ এলো গেলো
একুশ কি তবু একুশেই থেকে গেলো?
(একুশঃ পদ্মাপারের ঢেউেেসায়ার)

না; একুশ শুধু একুশে থমকে নেই। একুশ ছেষট্রি উনসত্তর ও একাত্তর হয়ে ওঠেছে। একুশ বাঙালির মাথা নত না করার অহংকার হয়ে ওঠেছে। একুশ বাঙালির পরিচয় হয়ে ওঠেছে। একুশ তো বাংলাভাষারই জয়ের স্মারক। মাতৃভাষা পরাজয় মানে না। বাংলাভাষা পরাভব মানেনি। যারা ভাষাশহীদ; তারা স্বাধীনতার প্রথম শহীদ- এ সত্যও মুহম্মদ নূরুল হুদার আবিষ্কার। কার্ল মার্ক্সের বিশ্লেষণে আমরা প্রথম জানি যে, সিপাহী বিদ্রোহীরা ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামী। কবির কন্ঠেও আমরা ভাষা শহীদদের আরেক পরিচয় পেলাম; যা কবির মণীষা বৈ তো নয়।

মায়ের ভাষার মান রাখতে
জীবন দিলো যারা,
বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম শহীদ তারা।
(ভাষার শহীদঃ সুর সমুদ্র)।

ভাষা শহীদদের এই ভাষা বৈশাখী ভাষা। ঝরা পাতার বৃন্তে নতুন কিশলয়ের ভাষা। এ ভাষা বিপ্লবীও বটে। বৈশাখ মানেই জীর্ণ ও মুমূর্ষুরে উড়িয়ে নতুনের আবাহন। বৈশাখী ভাষা না হলে বাঙালির বাঁচন নেই-কবির এই বোধ দিন বদলের মতো ভাষার বদল বা পরিবর্তমানতার জীবন্ত আবস্থারই সাক্ষী। বলা হয় ভাষা বহতা নদির মতো। কবি বলেন-

ও মাঝি ভাই ‘মানি না,মানি না’ দাও ডাক
ডুবো বাংলার ভাষা বদলাক এ বৈশাখ
(ভাষা বদলাক এ বৈশাখঃ আমার সাহস নেই টোকা মেরে সুন্দরকে উড়িয়ে দেবার)।

ভাষার ইতিহাস বলে-ওঁ থেকেই ওঙ্কার। ধ্বনি থেকেই কবিতা। শব্দ থেকেই স্রষ্টার বিকাশ। কোরানে কথিত ‘ কুন ‘ শব্দই শব্দবীজ; বীজমন্ত্র। ‘ কুন ‘ শব্দই মহাবিস্ফোরণ- বিগ ব্যাং। মুহম্মদ নূরুল হুদার মণীষার আরেক লক্ষ্মণ সুফিবাদিতা। কোরান,পুরাণ,ইতিহাস-দর্শনকে আত্তীকরণ করে তিনি যখন বলেন-
ভাষাই শক্তি ভাষাই মক্তি-অস্ত্র
ভাষাই অন্ন ভাষাই মান্য বস্ত্র
…………………………..
ভাষাবলে,এসো নাশ করি ষড়যন্ত্র
বাংলা ভাষা বাঙালির সেরা মন্ত্র
(ভাষামন্ত্রঃ ঐ)।

-তখন কবির মণীষা ও দার্শনিকতা স্বতঃপ্রকাশমান। একুশ আমাদের বাতিঘর। ফুয়েল স্টেশনের মতো চেতনার পুনর্ভরন কেন্দ্র। মুহম্মদ নূরুল হুদা তার কবিতায় মাতৃভাষার অমন স¡ভাব কেবল সনাক্ত করেননি। পাঠকের বোধ,বিশ্বাস ও চেতনায় তা সঞ্চারিত করতে সফল হয়েছেন আমার বিশ্বাস। এখানটায় কবি সফল। কেবল তিনি ভাবেন না; ভাবান। কেবল তিনি বিশ্বাস করেন না;বিশ্বাস করান। কেবল তিনি দেখেন না; দেখান। তাই নূরুল হুদার মাতৃভাষা বাংলাভাষা মৃতভাষা নয়। জিন্দাভাষা, চেতনভাষা। যে ভাষার দেশ একটি ভাষারাষ্ট্র। একটি জাতিরাষ্ট্র; যে ভাষা রাষ্ট্রভাষা। যে ভাষা অস্ত্র। মন্ত্র। অন্ন বস্ত্র। আদতে কবির বাংলাভাষা বিষয়ক ভাবনা পরিবর্তমান। এ কেবল কবির সৃজনশীলতা নয়; ভাষার ভাবসম্পদেরও পরিচায়ক। কবির মাতৃভাষা বাংলা ভাষা বাঙালির শক্তি ও মুক্তি। সত্যের এই মুক্তি ও শক্তির জোরেই- ‘যতদূর বাংলাভাষা , ততদূর এই বাংলাদেশ’।
Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (1) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন saifullah mahmud dulal — সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৫ @ ৭:৪৪ পূর্বাহ্ন

      শুভ জন্মদিন

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com