সুতপার ঠিকানা’য়

শবনম ফেরদৌসী | ১৩ মে ২০১৫ ৯:০৭ অপরাহ্ন

border=0প্রসূন যখন জানাল, ‘সুতপার ঠিকানা’-র রিভিউ আমাকে লিখতে হবে তখন বেশ উভয় সঙ্কটে পড়া গেল। প্রথমত, শেষ কবে লিখেছি মনে পড়ে না। দ্বিতীয়ত, কী লিখতে কী লিখি, শেষে সম্পর্ক অহিনকুলে পরিণত না হয়!

নিজেদের বন্ধু-বান্ধবদের সমালোচনা করার এই এক মুসিবত। চেক অ্যান্ড ব্যালান্সের একটা মাত্রা থেকেই যায়। মূল আলোচনায় প্রবেশের আগে আমি ভাবি, এ ছবি দেখার অভিজ্ঞতার বয়ানের ভাষা কেমন হবে–ধারালো? ঝাঁঝালো? নাকি নম্র-মধুর? কোনটাতে শ্যামও থাকবে, কুলও যাবে না।
সব ভেবে সিদ্ধান্তে পৌঁছাই–এখানে শুধু আমি আমার কথা বলব না, দর্শকদের হয়েও বলব। ৭ মে প্রিমিয়ার শোতে আমার আশপাশে যেসব দর্শক-বন্ধু-সহকর্মী বসেছিলেন তাদের মন্তব্যও স্থান পাবে। ফলে কোনো একচোখা সমালোচনার দায় আমার উপর বর্তাবে না।
তাহলে প্রসূন, শুরু করা যাক।

প্রথমেই আসা যাক গল্পে। প্রসূনের নিজস্ব গল্প এটি। গল্প কিন্তু মন্দ নয়, সহজ, ন্যারেটিভ। সহজভাবেই গল্পের কঠিন কথা বলা যেত। কিন্তু, বাধ সাধল অতিকথনে। সিনেমা নিজেই তার কথা বলে, নির্মাতা যে কাহিনির সুত্র গেঁথে দেন, তা-ই যথেষ্ট দর্শকদের জন্য। বিশেষভাবে কাহিনিচিত্রে। তথাপি প্রসূন কেন ধারাবর্ণনায় গেলেন, বোঝা গেল না। ধারাবর্ণনা আসতেই পারে ট্রিটমেন্ট হিসেবে।

sutopar-thikana.jpgকিন্তু, সুতপার ঠিকানায় ঠিক তার দরকার ছিল না। যা অভিনীত ছিল, যা ডায়লগ ছিল, তাই যথেষ্ট ছিল সিনেমাকে বোধ করার জন্য। ধারাবর্ণনা যেন সেই যথেষ্ট–এর উপর চেপে বসানো। ঘটে যাওয়া ঘটনাকে পুনরায় ব্যাখ্যা করতে থাকা। বেদনার কথা কি বলে দিলে চলে! কেন প্রসূন? আপনি কি কোনো কারণে Insecurity-তে ভূগছিলেন? মনে হচ্ছিল, যা বলতে চাচ্ছি–তা যথেষ্ট হয়ে উঠছে না? আপনার কাছে প্রশ্নটা রইল কিন্তু।

তারচে যদি ধারাবর্ণনার শটগুলো এমনিই থাকত with silent ambience, তাহলে অনেক ভালো হতে পারত। সেই সঙ্গে আছে একই আবহসংগীতের বারবার ব্যবহার। চলচ্চিত্রের সবচে শক্তিশালী অঙ্গ হচ্ছে silence / নৈঃশব্দ। শব্দহীনতার ব্যবহার কতটা মোক্ষম হতে পারে, তা তো সেই নির্বাক যুগেই দেখেছি আমরা। চলচ্চিত্র তো ভিজুয়ালের রাজ্য। সেই ভিজুয়াল নিজেই সব বলে দেয়। আবহসংগীতের ব্যবহার যদি ভিজুয়ালের সৌন্দর্য্য গ্রাস করে ফেলে, তবে তা নিঃশ্বাস নিতে পারে না। Breathing Space-এর দরকার পড়ে কাহিনির। সেই নিঃশাস নেওয়ার জায়গাটুকু মিস করে গেছি কথা আর সংগীতের অতি ব্যবহারে। একই সূত্র ধরে ছবির সংগীত পরিচালক কুমার বিশ্বজিতের প্রসঙ্গে আসতে হচ্ছে। সুতপার বিয়ে হয়ে শ্বশুরবাড়ি যাবার সময়কার রাধারমনের গানটি চন্দনা মজুমদারের কণ্ঠে উপভোগ্য ছিল নিঃসন্দেহে। আর সুরকারের নিজের কণ্ঠে গাওয়া তোমার খয়েরি রঙের– গানটিও বেশ ভালো। এর বাইরে বাদবাকি যা করলেন, তাতে ভিন্নতা কোথায়? একটা অনুভূতিই শুধু জানাই। ক্লাস ফাইভে থাকতে এ শিল্পীর প্রেমে পড়েছিলাম আমি। এই চল্লিশোর্ধ বয়েসে এসে সে প্রেম ছুটে গেল এই মিউজিক কম্পোজিশনে… আমি নিশ্চিত, প্রসূন নিজেও হতাশ। বিশেষ করে আবহসংগীতের ক্ষেত্রে। আবহসংগীতই পারত সুতপার বেদনার দ্যোতনা তৈরি করতে, যা ট্রেনের ঘটাঘট শব্দ পারল, তা সুরকার পারল না।

ভালো লেগেছে পুরো ছবির COLOR GRADDING। উৎকট নয় একেবারেই। প্রসূনের মতোই প্রশান্ত। বেশ নরম একটা সুর আছে আলো আর রঙে। কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি ক্যামেরার কাজ। ক্যামেরার ভাষা যে আবহ তৈরি করতে পারত, তা হয়নি। একেবারেই গতানুগতিক। অথচ, সুতপা চলে যাবার পর তার সন্তান যখন ট্রেন স্টেশনে যায়। চুপচাপ প্লাটফর্মে বসে থাকে। একটা-দুটো আলো জ্বলে… ভারী সুন্দর সে মুহূর্ত। ছেলের হতাশার ভাব আমাদের মধ্যেও উচ্চারিত হয়। ছবিজুড়ে Close and Wide shot-এর বড় অভাব। সুতপাকে যখন তার বেয়াইন বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলেন, তখন কি সুতপার আহত চোখ আমরা দাবি করতে পারি না? যেন কিছুই হয়নি–এমন ভাব করে সুতপা ব্যাগ গোছাতে বসল। কোনো তাড়া ছিল কি প্রসূন? কিংবা মেজাজ খারাপ?

কারণ, ছবির শুরুটা যত ভালোভাবে এগুচ্ছিল, দ্বিতীয়ার্থ এসে ততটাই তাড়াহুড়োর ছাপ ছিল, আর ছিল দীর্ঘসুত্রিতা। ক্যামেরার ব্যবহারে তাড়াহুড়ো, হাতে গোনা শট–ফলে একই ধরনের শটের ব্যবহার কাহিনিকে দীর্ঘায়িত করেছে। বায়েজিদের ক্যামেরা বহুবার কেঁপেছে। এই শটগুলো কি আবার নেওয়া যেতে পারত না?
ছবির প্রথম সফলতা পাত্রপাত্রী নির্বাচন। সুতপার ছেলের ভূমিকায় নাভিদ ছাড়া আর সবাই যথার্থ অভিনয় করেছেন। সুতপার বেয়াইন, বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি, দেবর-ননদ সকলেই ভালো। আর সুতপা? অপর্ণা ঘোষ?

sutopar-thikana-1.jpgঅপর্ণা ঘোষ অভিনীত আমার দেখা এটি দ্বিতীয় চলচ্চিত্র। মেঘমল্লার-এ অপর্ণা ঘোষ যথাযথ ছিল। কিন্তু, খাটুনি চোখে পড়েনি। এখানে অপর্ণা খেটেছে, সত্যিকার অর্থেই। সিনেমার এই এক দোষ-কোনটা খাটুনি, কোনটা খাটুনি নয়, তার কিছুই নজর এড়ায় না দর্শকের কাছে। অপর্ণা এতটাই ভালো ছিল যে, তার অভিনয়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগোতে পারেনি পুরো ছবি। তাল মেলাবার সমস্যায় আর্টিস্ট যেন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল পুরো প্রেক্ষাপট থেকে। একাকি সে হেঁটে বেড়াল ছবি জুড়ে। শিল্পকে ছাড়িয়ে গেল শিল্পী নিজেই। কিন্তু, অপর্ণার এ সাফল্যের ভাগীদার প্রসূনও নিশ্চয়। কারণ, যা হয়, তা তো নির্মাতার এখতিয়ার বহির্ভূত কিছু নয়। প্রসূন পেরেছেন অপর্ণার কাছ থেকে আদায় করতে। ছবির সবচে বড় সাফল্য বোধ করি তাই অপর্ণা। পুরো ছবি সে একাই বহন করে গেছে।

কলাকুশলীর পোশাক ও সাজসজ্জা ছিল এক্কেবারেই ঠিকঠাক। শুধু অপর্ণার কিশোরী বেলার সালোয়ার কামিজ সময়োচিত ছিল না। যদি বর্তমানকে ধরি এ ছবির কাল, তবে অপর্ণার সালোয়ারের সঙ্গে ফ্রক থাকবার কথা নয়। কারণ, হিসেবমতো ওটা ছিল ষাট বা সত্তরের দশক। তখন চাপানো কামিজ পড়া হত। আশাতীত ভালো ছিল অপর্ণার বৃদ্ধ বয়সের মেকআপ। কিন্তু, শরীরটা তো আর বৃদ্ধ নয়। তাই সুতপার ঋজুভাব এড়ায়নি ক্যামেরার চোখে। অপর্ণা চেষ্টা করেছে ধীরলয়ে চলবার, কুঁজো হবার। কিন্তু শরীর বয়েস লুকাতে পারেনি।

ছবির প্রপসের ব্যবহার নিয়েও তেমন কিছু বলবার নেই। বিষদৃশ্য কিছু লাগেনি তেমন।
প্রসূন আমার কথায় কি খুব খেপে গেলেন? কিন্তু সহকর্মী হিসেবে আমার মনে হয়েছে, আমাদের কথাগুলো আপনার জানা দরকার। আমাদের দেশে তো সমালোচনার নামে যা হয়, তা হল অতি প্রশংসা, নয়ত অতি ভুল ধরা। আমার নিজের আরও কিছু আপত্তি আছে, ধারাবর্ণনার ভাষা প্রয়োগ নিয়ে। কিন্তু, সেসব মুখোমুখি আলাপ করে নেওয়া যাবে।

শেষ কথায় আসি, দশর্ক কিন্তু ছবি পছন্দ করেছে। শো শেষে দর্শক বের হতে হতে বলতে শোনা গেছে অনেকদিন পর একটা পরিচ্ছন্ন ছবি দেখেছেন তারা। বিশেষভাবে, পুত্র-সন্তানেরা সেদিন তাদের মায়ের জন্য আবেগবান হয়েছে। এটাই তো শিল্পের তালিসমানি ক্ষমতা। টেকনিক, দুর্বলতা কিছু নয় যদি তা মানুষকে স্পর্শ করে। সুতপার ঠিকানা মানুষকে স্পর্শ করেছে।
এরপর কি আমার আর কিছু বলা সাজে!

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (5) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নাজমুল আলম শিশির — মে ১৪, ২০১৫ @ ৯:০৪ পূর্বাহ্ন

      বাংলাদেশে সিনেমার একটা ধারা তৈরী হয়েছে, সিনেমা বানোনো হবে কিন্তু হলে বাণিজ্যিকভাবে চলবে না। বিভিন্ন প্রদশর্নীতে সিনেমাটি দেখানো হবে। আর তথাকথিত বোদ্ধারা দেখবে, সেই ছবিটি নিয়ে আলোচনা সমালোচনা করবে। এরপর ছবিটি দুই একটা পুরষ্কার জিতবে।
      ‘সুতপার ঠিকানা’ এমনই একটা ছবি। আলোচক শবনম ফেরদৌসীও লেখার শুরুতে বলেছেন, পরিচালক তার বন্ধু মানুষ।বন্ধুটির আবদার রক্ষা করার জন্যই তার এই আলোচনা।
      আলোচক শুরুতে বলেছে, প্রিমিয়ার শোতে আগত দর্শকদের কথা উনি বলবেন। আর শেষ দিকে এসে লিখেছেন, “দশর্ক কিন্তু ছবি পছন্দ করেছে। শো শেষে দর্শক বের হতে হতে বলতে শোনা গেছে অনেকদিন পর একটা পরিচ্ছন্ন ছবি দেখেছেন তারা।”
      তার মানে হচ্ছে আমন্ত্রিত তথাকথিত চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের কথাই বলতে চেয়েছেন শবনম ফেরদৌসী।
      আমাদের দেশে চলচ্চিত্র নিয়ে যদি সমস্যার কথা বলা হয় , আমি বলবো, দেশের সাধারণ মানুষ কি চায় , সেই সব অনেক দিন ধরেই আমাদের দেশের সিনেমাতে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত দর্শকদের হলে বা প্রেক্ষাগ্রহে টানার মত সিনেমা খুব একটা তৈরী হচ্ছে না। অথচ সারা বিশ্বে চলচ্চিত্র হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। আর আমাদের দেশ এখন প্রদর্শনী নির্ভর কিছু সিনেমা বানাচ্ছে। আর ব্যবসা বা লগ্নি করা অর্থ তুলে আনার জন্য টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে সেই সিনেমা বিক্রি করছে।
      আফসোস হচ্ছে, শবনম ফেরদৌসীরাও অনুরোধের আসরে মত, সেই সব সিনেমা নিয়ে আলোচনাও করছে।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আলম খোরশেদ — মে ১৪, ২০১৫ @ ৩:১২ অপরাহ্ন

      খুব ভালো আলোচনা। এভাবে কেউ লেখে না আর আজকাল। অথচ সমালোচনার ভাষা ও ভঙ্গিটা তো ঠিক এরকমই হওয়া উচিত: স্পষ্ট, শালীন এবং সংবেদী। ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন শবনম ফেরদৌসী।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অসীম সেন গুপ্ত — মে ১৪, ২০১৫ @ ৫:০২ অপরাহ্ন

      শবনম ফেরদৌসীর আলোচনা অনেক সহজ সরল হয়েছে। সেজন্য তাকে ধন্যবাদ।
      আলোচক শুরুতেই বলেছেন, বন্ধু-বান্ধবদের সমালোচনা করা মুসিবত। সত্যি মুসিবত! লেখক বন্ধুর অনুরোধে সিনেমার আলোচনা করেছেন, না তার বন্ধুর সমালোচনা করেছেন তা আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে প্যাচ লেগে যায়।
      আলোচনা করার আগেই লেখক শ্যাম আর কুল রাখার চিন্তায় অস্থির।
      আমাদের দেশের এই সব তথাকথিত প্রদর্শনীতে দেখানোর সিনেমার আলোচনা করাটা আসলেই কঠিন। যেখানে পরিচালককে অনুরোধ করতে হয় সিনেমাটা কেমন হলো তা লেখার জন্য। সিনেমার উপর আলোচনার জন্য।
      বলাই বাহুল্য এটাও প্রদর্শনীনির্ভর একটা সিনেমা। লেখক নিজেও প্রিমিয়ার শোতে উপস্থিত থেকে সিনেমাটি দেখে আলোচনা করেছেন। যদি মফস্বলের কোনো প্রেক্ষাগৃহে বা হলে ভ্যাপসা গরমের মধ্যে ছারপোকার কামড় খেয়ে আলোচক সিনেমাটি দেখতেন তাহলে তা যথার্থ হতো তা বলা যায় নিঃসন্দেহে।
      আমাদের দেশে এখন টেলিভিশনে প্রচারের জন্য সিনেমা বানানো হয়। আমার বিশ্বাস সুতপার ঠিকানাও টেলিভিশনে প্রচারের জন্যই বানানো হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে দেশের চলচ্চিত্র যে সামনের দিকে না এগিয়ে পেছনের দিকে ধাবিত হবে সেকথা জোর দিয়েই বলা যায়।
      আলোচনার একেবারে শেষে লেখক বলেছেন, ‍‍‍মানুষকে স্পর্শ করাই শিল্পের তালিসমাতি ক্ষমতা। টেকনিক, দুর্বলতা কেন কিছু নয় যদি তা মানুষকে স্পর্শ করে।
      সুতপার ঠিকানা নাকি মানুষকে স্পর্শ করেছে। তাই এরপর তার আর কিছু বলা সাজে না তার। অতি উত্তম কথা। তবে প্রশ্ন হচ্ছে এই সিনেমাটি কতজন মানুষ দেখেছে । তাদের মধ্যে কতজনকে তা স্পর্শ করেছে! যদি শবনম ফেরদৌসীর মত জনাদশেককে স্পর্শ করে তাহলে কি তাকে সার্থক বলা যাবে!

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন butterflyboy — মে ১৪, ২০১৫ @ ৭:০৯ অপরাহ্ন

      সুতপা’র ঠিকানা চলচ্চিত্রটি আমার দেখা হয়নি। ফিল্ম না দেখেই রিভিউ পরে মন্তব্য করলাম-

      প্রশংসা : রিভিউটি ভালো হয়েছে। বিশেষ করে, রিভিউ-এর শুরুতে রিভিউ লেখা সম্পর্কে লেখিকা যে সরল স্বীকারোক্তি দিয়েছেন তাতে আমার কাছে মনে হয়েছে রিভিউ লেখার বিষয়ে উনি সৎ ছিলেন। অন্তত সৎ থাকার চেষ্টা করেছেন।

      কনফিউশন : রিভিউতে উনি লিখেছেন “এখানে শুধু আমি আমার কথা বলব না, দর্শকদের হয়েও বলব।” এরা কোন দর্শক? অসীম সেন গুপ্ত’র শেষ কথাটির সাথে আমি একমত।

      শূণ্যতা : সুতপা’র ঠিকানা চলচ্চিত্রটি মুক্তি দেয়া হয় মা দিবসে। এই ছবির পোস্টারে লেখা আছে যে চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের নারী জীবনের প্রতিচ্ছবি। এই কথাটি আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রিভিউতে কোথাও এ বিষয়ে কোন আলোকপাত নেই। পরিচালক এখানে কতটুকু স্বার্থক হয়েছেন সেটা জানতে খুব ইচ্ছা করছে। বিশেষত নারী দর্শকরা এটা কিভাবে নিয়েছেন?

      কষ্ট : প্রায় তিন দশকের প্রেম ছুটে যাওয়া ব্যাপক কষ্ট পেয়েছি……………কুমার বিশ্বজিতের জন্য।

      প্রাপ্তি : কেউ কেউ অনুরোধের আসরের মত, সেই সব সিনেমা নিয়ে আলোচনা করছেন বলে, কারো কারো লেখা পরতে পারলাম।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com