সুনীলদা কথা রেখেছিলেন

শান্তা মারিয়া | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১১:৫৬ অপরাহ্ন

sunil.jpgবাংলাভাষাভাষী পাঠককে গত অর্ধশতাব্দী ধরে যিনি মুগ্ধ করে রেখেছিলেন তার সৃষ্টির যাদুতে তিনি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি অসামান্য কবি, অতুলনীয় গদ্য লেখক।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কবি না ঔপন্যাসিক? তাঁর কবিতার মুগ্ধ পাঠকের সংখ্যা যেমন অসংখ্য তেমনি তাঁর গদ্যের ভক্ত পাঠক অজস্র। তবে এ প্রশ্নের মীমাংসা তিনি নিজেই তাঁর আত্মজীবনী অর্ধেক জীবনসহ অন্যান্য লেখায় ও সাক্ষাৎকারে করেছেন। মনে আছে ২০১১ সালে ঢাকায় তাঁকে এ প্রশ্নটি করার পর তিনি হেসেছিলেন। রহস্য করে বলেছিলেন দেহে তিনি গদ্যকার, অন্তরে কবি।
লেখকের সঙ্গে পাঠকের একটি অলিখিত চুক্তি থাকে। চুক্তিটি হলো, লেখক যেমন পাঠকের চাহিদা পূরণ করবেন, তাকে নিয়ে যাবেন সৃষ্টির ভুবনে তেমনি পাঠকের ভালোবাসাও তিনি পাবেন। জীবনে কেউ কথা না রাখলেও সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কথা রেখেছিলেন। ১৯৫৮ সালে প্রথম বই প্রকাশের পর তিনি লিখে গেছেন ক্লান্তিহীনভাবে। আর পাঠকও তাকে ভালোবাসা দিয়েছে হৃদয় উজাড় করে।
হ্যা, শুরুটা তাঁর হয়েছিল কবিতা দিয়েই। ১৯৫৩তে কবিতা পত্রিকা ‘কৃত্তিবাস’ সম্পাদনা দিয়ে শুরু। সে সময় তরুণ কবি হিসেবে জনপ্রিয়তা পান তিনি। ১৯৫৮ তে প্রকাশ পায় তাঁর প্রথম কবিতার বই একা এবং কয়েকজন। আর ১৯৬৬ তে প্রথম উপন্যাস আত্মপ্রকাশ। আত্মপ্রকাশের পর গল্প বলিয়ে হিসেবে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। ‘দেশ’ পত্রিকায় চাকরির সুবাদে প্রচুর ফিচার, বই আলোচনা, রম্য লিখতে হয়েছে তাঁকে। লিখেছেন ছবির দেশে কবিতার দেশের মতো চমৎকার সব ভ্রমণকাহিনি। নীল লোহিত, নীল উপাধ্যায় আর সনাতন পাঠক ছদ্মনামে লিখতেন অজস্র। তবে তাঁর নীললোহিত ছদ্মনামটিই বেশি বিখ্যাত। নীললোহিত নামে তিনি যে উপন্যাস বা গল্পগুলো লিখেছেন সেগুলোর অধিকাংশের নায়ক নীললোহিত নামে সাতাশ বছরের এক তরুণ। যার পায়ের তলায় সর্ষে। যে খোলা চোখে, খোলা মনে দেখে জীবনকে। নীললোহিতের সঙ্গে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের এক চমকপ্রদ সাক্ষাতের বর্ণনাও রয়েছে ভ্রমণকাহিনি তিন সমুদ্র সাতাশ নদীতে।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় শুধু যে পাঠকের কাছে তার কথা রেখেছেন তাই নয়। তিনি বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন এবং বাঙালি জাতির প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা পালন করেছেন অনন্য চারটি ক্ল্যাসিক উপন্যাসের মাধ্যমে। সেই সময়, প্রথম আলো, একা এবং কয়েকজন এবং পূর্ব পশ্চিম উপন্যাসের মূল পটভূমি পশ্চিম বাংলা হলেও বাঙালির সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিকাশের ধারা এতে পরিস্ফূট হয়েছে। সেই সময় উপন্যাসে ১৮৩০-১৮৭০, প্রথম আলোতে ১৮৭০ থেকে বিশ শতকের প্রথম দশক, একা এবং কয়েকজন-এ ১৯২০-১৯৫০/৫২ এবং পূর্ব পশ্চিম-এ ১৯৫০-বিশ শতকের আশির দশকের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। চারটি উপন্যাসেরই মূল নায়ক সময়। সময়ের গতিতে ক্রমপরিবর্তনশীল সমাজ উপন্যাসগুলোর মূল উপজীব্য। একা এবং কয়েকজন ছাড়া অন্য তিনটি উপন্যাসে ইতিহাসখ্যাত মানুষরা এসেছেন উপন্যাসের চরিত্র হয়ে।
সেই সময় উপন্যাসটির কথাই ধরা যাক। এই উপন্যাসের নায়ক নবীন কুমার সিংহ ঐতিহাসিক চরিত্র কালী প্রসন্ন সিংহের আদলে নির্মিত। আর স্বনামে রয়েছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, দ্বারকানাথ ঠাকুর, রাজা রামমোহন রায়, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর-কে নয়। গঙ্গা নারায়ণ, কুসুমকুমারী, বিন্দুবাসিনী, রাইমোহন ঘোষাল কাল্পনিক চরিত্র হলেও তারা সে যুগের মানুষের সার্থক প্রতিনিধি।
প্রথম আলো উপন্যাসের অন্যতম নায়ক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বিবেকানন্দ, সরলা ঘোষাল, কাদম্বরী দেবী, ইন্দিরা দেবী, ভগিনী নিবেদিতা, রামকৃষ্ণ পরমহংস, এরা সবাই ইতিহাসখ্যাত নরনারী।
কিন্তু সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠত্ব এইখানে যে তিনি স্কুল মাস্টারের দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে পাঠককে ইতিহাস শিক্ষা দিতে বসেননি। তিনি ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে রক্ত মাংসের মানুষকে জীবন্ত করেছেন। ঐতিহাসিক তথ্য ঠিক রেখে ইতিহাসের মধ্যে প্রাণ প্রতিষ্ঠার দুরূহ কাজটি তিনি করেছিলেন। প্রথম আলোর রবীন্দ্রনাথকে তাই দেখা যায় কাদম্বরীর প্রেমিক, উচ্ছ্বাস মুখর আবেগী কবি আবার পরবর্তীতে নিবেদিত সংগঠক হিসেবে।
একা এবং কয়েকজন-এর নায়ক সূর্যকুমার বাংলা সাহিত্যের এক অবিস্মরণীয় চরিত্র। অসাম্প্রদায়িক বাঙালি আত্মার প্রকাশ যেন সূর্যকুমার।
পূর্বপশ্চিম-এর প্রতাপ মজুমদার এবং তার ছেলে বাবলু বা অতীন দুই প্রজন্মের মূল্যবোধের ধারক। দেশবিভাগের আঘাত কখনও অতিক্রম করতে না পারা সৎ, নীতিবান প্রতাপ আর নকশাল আন্দোলনের বিপ্লবী অতীন তাদের মূল্যবোধ নিয়ে মুখোমুখি দাঁড়ায় পাঠকের সামনে। পূর্ব পশ্চিম-এর কাহিনি পূর্ব ও পশ্চিম বাংলা ছাড়িয়ে বিস্তৃত হয়েছে ইউরোপ ও আমেরিকায়। পাশ্চাত্যের অভিবাসী বাঙালির মূল্যবোধ কীভাবে পাল্টে যায় নতুন দেশে নতুন সমাজ ও সভ্যতার অভিঘাতে সে কাহিনিও রয়েছে পূর্বপশ্চিম-এ।
সেই সময় আর প্রথম আলোতে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বাঙালিকে মনে করিয়ে দিয়েছেন তার উন্মেষ কালের চেতনা। এইভাবে আপন সমাজের কাছে তিনি তার ঋণশোধ করেছেন।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বাংলাভাষী পাঠকের হাতে উপহার দিয়েছেন ক্ল্যাসিক সাহিত্য থেকে তুলে আনা কয়েকটি কাহিনির নিজস্ব ভাষ্য। প্রাচীন কাহিনির সৌরভ সম্পূর্ণ অক্ষুন্ন রেখে তিনি তাতে দিয়েছেন ভিন্ন ব্যঞ্জনা। এই ধারায় লেখা তার উল্লেখযোগ্য বই হলো, রাধাকৃষ্ণ, শকুন্তলা, স্বপ্ন বাসবদত্তা সোনালি দুঃখ। ইউরোপের বিখ্যাত প্রেমকাহিনি সোনালি ইসল্ট ও ত্রিস্তানের উপাখ্যান নিয়ে সোনালি দুঃখ। পাশ্চাত্যের এই জনপ্রিয় মধ্যযুগীয় উপাখ্যানকে প্রথমবারের মতো বাংলায় নিজস্ব ঢংয়ে পরিবেশন করেছেন সুনীল।

সত্তর ও আশির দশকে পশ্চিম বাংলার বিশেষ করে কলকাতার আধুনিক নাগরিক প্রেম, যন্ত্রণা, মূল্যবোধ আর উচ্চাশার গল্প বলেছেন সুনীল তাঁর অসংখ্য উপন্যাসে। গভীর গোপন, দর্পনে কার মুখ, এক জীবনে, বন্ধুবান্ধব, সংসারে এক সন্ন্যাসীসহ দুইশ’র বেশি উপন্যাসে অসম্ভব গতিশীল ভাষায় তিনি জীবনের ছবি এঁকেছেন।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর উপন্যাসের বিষয়বস্তু হিসেবে বিচিত্র সব বিষয়বস্তুকে বেছে নিয়েছেন। তাঁর উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে এসেছেন মধ্যযুগের কবি, ত্রিশ দশকের ব্রিটিশ বিরোধী বিল্পবী, নকশাল বিল্পবী, দেশবিভাগের শিকার উদ্বাস্তু , মহাভারতের বীর, বাংলা উপন্যাসের লেখক, কবি, চিত্রকর, ব্যবসায়ী, বেকার, চোরাচালানকারী, চিত্রনায়িকা। নবজাতক উপন্যাসে বোধিসত্ত্ব মৈত্রেয়কে তিনি নিয়ে এসেছেন বিংশ শতকের বাঁকুড়া ও কলকাতায়। মনের মানুষ উপন্যাসে লালন ফকির হয়েছেন নায়ক।
‘হরিদাসপুরে গাছের ছায়ায়’, ‘দূর উদাস’, ‘শাজাহান ও তাঁর নিজস্ব বাহিনী’, ‘দেবদূত অথবা বারোহাটের কানাকড়ি’, ‘গরম ভাত অথবা নিছক ভূতের গল্প’, ‘রাতপাখি’, ‘স্বর্গের বারান্দায়’ তাঁর অসাধারণ কয়েকটি ছোট গল্প। পাঁচতারা হোটেলের শৌচাগারের পরিচারক অটিস্টিক শাজাহানের মতো চরিত্র বাংলাসাহিত্যে বিরল। ‘দেবদূত অথবা বারোহাটের কানাকড়ি’তে বশিরহাট অঞ্চলের মেয়ে হাসিনার মাতৃস্নেহের যে চিত্র তিনি আঁকেন তা অসামান্য। মানুষকে তিনি দেখেছেন একই সঙ্গে নির্লিপ্ত ভঙ্গীতে ও পরম মমতায়।
কিশোরদের জন্য তিনি লিখেছেন কম নয়। ‘আকাশ দস্যু’, ‘তিন নম্বর চোখ’, ‘ডুংগা’ বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিভিত্তিক তিনটি দুর্দান্ত কিশোর উপন্যাস। ‘ভয়ংকর সুন্দর’ দিয়ে কাকাবাবু সিরিজের যাত্রা শুরু। ভয়ংকর সুন্দর, সবুজ দ্বীপের রাজা, পাহাড় চূড়ায় আতংক, -কাকাবাবু ও সন্তুর গল্পগুলো কিশোরদের শুধু অ্যাডভেঞ্চারের আনন্দই দেয় না, সেই সঙ্গে ভাবায়ও। সুনীলের কিশোর সাহিত্য নিজস্ব বৈশিষ্ট্যে ভাস্বর। কিশোরদের জন্য হলেও সেগুলো হালকা নয়, গভীরতায় পরিপূর্ণ। তিনি ইতিহাসের তথ্য এমনভাবে কিশোর পাঠকদের সামনে নিয়ে আসেন যে গল্পের ভিতর দিয়ে বিচিত্র তথ্যের ভুবনে তারা অনায়াসে প্রবেশ করে।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বাংলাভাষার অন্যতম প্রধান কবি। ‘হঠাৎ নীরার জন্য’, ‘আমি কিরকমভাবে বেঁচে আছি’, ‘সেই মুহূর্তে নীরা’, নীরা হারিয়ে যেও না’, ‘সুন্দরের মন খারাপ, মাধুর্যের জ্বর’, ‘রাত্রির রঁদেভু’সহ অনেক সার্থক ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থের জনক তিনি।
‘কেউ কথা রাখেনি’, ‘আমি কীরকমভাবে বেঁচে আছি’, ‘মন ভালো নেই’- এমন অসংখ্য মন তোলপাড় করা কবিতা দিয়ে পাঠককে তিনি মন্ত্রমুগ্ধ করেছেন। তাঁর কবিতা খুব সহজে প্রবেশাধিকার পায় মনের অন্দর মহলে আর সে মহলকে অধিকার করে নেয় তার সহজ, অকপট সত্যাপলব্ধির অভিঘাতে।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখনীতে গদ্যকারের তীক্ষ্ণতা ও বাস্তব চেতনা এবং কাব্যের সুষমা সমভাবে প্রবাহিত ছিল। তিনি গদ্যকে যেমন কাব্যময় করে তুলতে পারতেন, তেমনি কবিতাকে দিতে পারতেন গদ্যের ঋজুতা। ‘আমি কীরকমভাবে বেঁচে আছি তুই এসে দেখে যা নিখিলেশ’, কিংবা ‘চোখ খোলা তবু চোখ বুজে আছি কেউ তা দেখেনি’-একই সঙ্গে কাব্যের দ্যোতনা ও গদ্যের ব্যঞ্জনাবাহী।
কবি ছিলেন বলেই সম্ভবত তাঁর গদ্য এত নির্মেদ ও লালিত্যময় হতে পেরেছিল। তাঁর কাব্যনারী নীরা, বরুণা যেমন অতি সহজ, উপন্যাসের চরিত্রের মতো বাস্তব অথচ অধরা। তেমনি গদ্য হওয়া সত্ত্বেও নীললোহিত দিগশূন্যপুরে যখন তখন হারিয়ে যেতে পারে কবিতার যাদুতে।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় জন্মেছিলেন ১৯৩৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরে। ২০১২ সালের ২৩ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু।
শৈশব, শিক্ষাজীবন সবই কলকাতায় তবে বাংলাদেশকে তিনি কখনও ভোলেননি। চোস্ত কলকাতাইয়া ও দারুণ কলকাতা প্রেমিক হওয়া সত্ত্বেও তিনি তাঁর বাঙ্গালত্ব কখনও অস্বীকার করেননি এবং জন্মস্থানকে ভালোবেসে গেছেন আজীবন। তিনি বারবার নিঃসংশয়ে ঘোষণা করে গেছেন যে, বাংলাভাষা শেষ পর্যন্ত টিকে থাকবে বাংলাদেশেই। দেশবিভাগের সত্যকে স্বীকার করে নিয়েও তিনি অখ- বাংলাকে লালন করে গেছেন হৃদয়ে। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ছিলেন দুই বাংলার শেষ অবিভক্ত বাঙালি।

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (2) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মলয় অধিকারী — সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৪ @ ১:০০ অপরাহ্ন

      অসাধারণ বিশ্লেষণী লেখা। উল্লেখ্য প্রায় সকল রচলা-ই আমার পড়া বলে উপলব্ধিটাও চমৎকার হলো। ধন্যবাদ।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন prokash — সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৪ @ ৩:৫৮ অপরাহ্ন

      ছোট পরিসরে সুনীলকে নিয়ে এত সুন্দর লেখা মনে হয় কখোনো পড়িনি। সুনীলকে নিয়ে তথাকথিত মার্কসিস্ট(প্রকৃত মার্কসিস্ট নন), কথিত এন্টিস্টাবশিমেন্ট স্কুলের লেখক, কবিরা কতই না বিরোধিতা করে , চিৎকার করে বাজার গরম করে দিলেন , প্রতিহিংসা ছড়ালেন, এমনকি মারামারি পর্যন্তও করলেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ বড় লেখক কবিও ছিলেন। তাদের দলে ছোট বেলায় একসময় আমি এবং আমরাও ছিলাম। এখন পাঠক হিসাবে মনোযোগ দিয়ে দেখি তার বাজারী লেখার বাইরে উঁচুমাপের লেখার পরিমান অনেক। সুনীল মুক্ত চিন্তার মানুষ , তিনি তার লেখাতে সব কিছুই ধারন করতে জানতেন।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com