এদুয়ার্দো গালেয়ানোর ‘দর্পন’-এ বাংলাদেশ ও অন্যান্য

রাজু আলাউদ্দিন | ১০ জুলাই ২০১৪ ১০:১২ অপরাহ্ন

galeano-1.jpgউরুগুয়াইয়ের লেখক এদুয়ার্দো গালেয়ানোর লাতিন আমেরিকার উন্মুক্ত শিরাউশিরা (Las venas abiertas de America Latina) বইটি যখন ১৯৭১ সালে বের হয় তখন স্পানঞলভাষী পাঠকরা প্রবল আগ্রহে তাকে বরণ করে নিয়েছিলেন। নেবার কারণ এই বইটির মধ্যে পাঠক দেখতে পেয়েছিলেন লাতিন আমেরিকার বঞ্চনার, নিপীড়নের আর দেশি বিদেশী লুটেরাদের কাহিনী যা তথ্যের প্রাচুর্যে আর অনুপুঙ্খ বিশ্লেষণে প্রায় সামগ্রিকতা নিয়ে হাজির হয় প্রথমবারের মতো। এমন নয় যে গালেয়ানোর আগে লাতিন আমেরিকার ইতিহাসের বই ছিলো না, অনুসন্ধানী পাঠক মাত্রেই জানেন দেদার কিতাব আছে স্পানঞলে এসব বিষয়ে। কিন্তু কোনটাই পাঠকপ্রিয়তায় গালেয়ানোর কাছাকাছি আসতে পারেনি। খোদ রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে একেবারে সাধারণ জনগণ অবদি বিস্তৃত তার পাঠকবৃত্ত।

২০০৯ সালে গালেয়ানোর এই বইটির একটি কপি প্রেসিডেন্ট উগো চাবেস যখন বারাক ওবামাকে উপহার হিসেবে দিলেন তখন রাতারাতি এটি আমেরিকা এবং লাতিন আমেরিকা–উভয় মহাদেশেই বেস্ট সেলার হয়ে ওঠে। চাবেসের লক্ষ্য ছিলো ওবামা জানুক কিভাবে আমেরিকা নানা কায়দায় ও নানান ছলছুতায় প্রতিবেশী মহাদেশকে নিপীড়িত ও লুণ্ঠন করেছে। তবে ওবামা জানুক বা না জানুক, বহু দেশের বহুভাষী পাঠক এই বঞ্চনার ইতিহাস আজ জানেন এই বইয়ের মাধ্যমে। ইতিমধ্যে এটি অনুদিত হয়েছে ২০টি ভাষায়। বাংলা ভাষায়ও আছে এর অনুবাদ।

তবে আমার এই ছোট লেখাটির উদ্দেশ্য এই বইটি নয়, অন্য একটি বই যা আরও পরে ২০০৮ সালে বেরিয়েছে। আগের বইটি ছিলো কেবল নিজেদের মহাদেশের কথা আর এই নতুন বইটিতে তিনি মহাদেশ পেরিয়ে প্রবেশ করেছেন বিশ্বপরিক্রমায়। কিন্তু ইতিহাস বলতে আমরা যা বুঝি সেকরমভাবে বিবৃত হয়নি পৃথিবীর ইতিহাস। গালেয়ানোর নিজের মর্জি মতো বিভিন্ন জাতির, বিভিন্ন ভাষার, বিভিন্ন সময়ের পুরান ও ইতিহাসের ঘটনা এবং চরিত্রগুলো এমন চমকপ্রদভাবে হাজির করেছেন যেন তা ঘটনা নয়, যেন গল্প; গল্পও ঠিক নয়, অনুগল্প। তবে তা ইতিহাস, পুরান, লোককাহিনী ও লোকশ্রুতি থেকে বিচ্ছিন্ন নয়, বরং ইতিহাসের ঘটনার এবং চরিত্রদের মর্মে প্রবেশ করে তার গল্পময় অংশটুকুকে আবিস্কার করেছেন গালেয়ানো। নতুন এই বইটি তাই হয়ে উঠেছে পৃথিবীরই এক আয়না। গালেয়ানো এর নাম দিয়েছেন আয়না (Espejos), উপশিরোনাম বলেছেন: ”প্রায় বিশ্বজনীন এক ইতিহাস”।

বাংলাদেশ যেহেতু বিশ্বের বাইরে নয়, তাই এই আয়নায় পৃথিবীর অন্যান্য অংশের সাথে দেখা যাবে বাংলাদেশের মুখটিও। আছে ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্থান, বাগদাদ, ইরান, ইরাকসহ বহু দেশের কোন না কোন ঘটনা। আছে বিজ্ঞান ও সাহিত্যের অনন্য স্রষ্টাদের ঘটনাও। আর বইটির চরিত্র এমনই যে আপনি যে কোন পৃষ্ঠা থেকেই শুরু করতে পারেন আবার যে কোন পৃষ্ঠায় গিয়ে শেষও করতে পারেন।

৩৬৫ পৃষ্ঠার এই বইটিতে প্রায় ছয়শ’র মতো ভুক্তি রয়েছে। শুরুর ভুক্তিটির শিরোনাম ‘আমরা সবাই আকাংখার’। এই ভুক্তিটির কোন ঐতিহাসিক তথ্য প্রমাণ নেই। কিন্তু মানুষের আকাংখা কি ইতিহাসের বাইরে? তারও ইতিহাস আছে যা অন্তর্ভুক্ত হয় সৃষ্টিশীল লেখকের রচনায়। এখানেও তাই হয়েছে। গালেয়ানো এই ভুক্তিটিতে বলেছেন:

নাম আর স্মৃতিহীন জীবন ছিলো একা। হাত ছিলো, কিন্তু ছিলো না কাউকে ছুঁয়ে দেখার মতো। মুখ ছিলো, কিন্তু এমন কেউ ছিলো না যার সাথে কথা বলা যায়। জীবন ছিলো একাকী, আর একাকী থাকা মানে কেউ না থাকা।

পরে উৎসারিত হলো আকংখা। আকংখার তীর দ্বিখণ্ডিত করলো জীবনকে। জীবন এবার হলো দু’জন।
দু’জনের দেখা হয় আর হাসে। দেখা হলেই হাসে, হাসে ছুঁতে পারে বলেও।

আরেকটি ভুক্তি নারীর শারীরিক পরাধীনতা সম্পর্কে। ভুক্তিটির শিরোনাম:

ভয়ংকর এক অস্ত্র
”ত্রিশটিরও বেশি দেশে ভগাংকুর কেটে ফেলার ঐতিহ্য বহাল রয়েছে। স্ত্রী বা স্ত্রীদের উপর স্বামীর কর্তৃত্বের অধিকারকে নিশ্চিত করে এই কর্তন।
নারীর যৌন সম্ভোগের বিরুদ্ধে এই অপরাধকে খৎনাকাররা বলেন বিশুদ্ধিকরণ এবং তারা বলেন ভগাংকুর হচ্ছে:

বিষাক্ত তীর,
বৃশ্চিকের লেজ,
ঘুনপোকার বাসা
যা পুরুষকে হত্যা করে বা অসুস্থ করে,
আর যা উত্তেজিত করে নারীদেরকে ।
পিচ্ছিল তরল রসকে করে তোলে বিষাক্ত
জন্ম দেয় অন্তহীন সম্ভোগের
আর নারীকে করে তোলে উন্মাদিনী।

নারীদের খৎনার যৌক্তিকতা বুঝাবার জন্য নবী হযরত মোহাম্মদের উদ্বৃতি দেয়া হয় যদিও তিনি কখনোই এসব নিয়ে কিছুই বলেন নি। দোহাই দেয় কোরানের, যদিও কোরানে এর কোন উল্লেখই নেই।”

আরেকটি ভুক্তি এক কবিকে নিয়ে। ভুক্তিটির শিরোনাম:

দিব্যদর্শী কবি
”নবী হযরত মোহাম্মদের অনুসারীরা শীয়া ও সুন্নী–এই দুই দলে বিভক্ত হয়ে লিপ্ত হলো পরস্পরের সঙ্গে কলহে, এক দেশ অন্য দেশের বিরুদ্ধে, কায়রোর বিরুদ্ধে বাগদাদ।

গোটা ইসলামি দুনিয়া পারস্পরিক ঘৃণায় টুকরো টুকরো হয়ে গেল। মুসলিম সেনারা নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ করে ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে পড়ে। ক্রুসেডাররা তাই, কোন রকম বাধা বিপত্তি ছাড়াই জয় করতে করতে এগিয়ে গেল পবিত্র ভূমির দিকে। আরবের এক কবি, আরবী ভাষায় আরব থেকে লিখলেন তার অনুভূতি:

“পৃথিবীর অধিবাসীরা দুই দলে বিভক্ত:
এক দল যারা ধর্মহীন ঘিলুময়
অন্য দল ঘিলুহীন ধর্মময়।

আরও আছে:

নিয়তি আমাদেরকে কাচের টুকরোর মতো ভেঙে ফেলে
আমাদের টুকরোগুলো কখনোই জোড়া লাগে না।

লেখকের নাম আবুল আলা আল মাআরী। তিনি মারা যান ১০৫৭ সালে সিরিয়ার মারাত-এ, যে-মারাতকে ক্রিশ্চিয়ানরা চল্লিশ বছর পর গুড়িয়ে দেয় পুরোপুরি। লোকশ্রুতি বলে এই কবি ছিলেন অন্ধ।”

সবশেষে যে-ভূক্তিতে আমাদের ঢাকা শহরের কথা রয়েছে সেটি পাঠকদের সামনে তুলে ধরছি। ভুক্তিটির নাম:

অদম্য উপনিবেশ
”ভারত এক সময় সুতা ও সিল্কের সুক্ষ্ম বস্ত্র বিক্রি করতো বিলেতে। ইংরেজ সরকার এই বাজার দখলের ব্যাপারটার প্রতিরোধের উপায় খুঁজছিলো। ১৬৪৫ সালের পর থেকে ভারতীয় বস্ত্রের উপর তারা উচ্চহারের শুল্ক আরোপ করা শুরু করে। এরপর শুল্কহার ক্রমশ বাড়তে থাকে। বাড়তে বাড়তে এমন হয় যে শেষ পর্যন্ত অনেকেই এ ব্যাবসা গুটিয়ে ফেলে।

বহুকাল পেরিয়ে গেলেও নিষেধাজ্ঞা প্রতিযোগিতাকে বিলুপ্ত করতে পারেনি। স্টিম ইঞ্জিন এবং শিল্প বিপ্লবের পঞ্চাশ বছর পরেও ভারতের বস্ত্রশিল্পীদেরকে কোনঠাসা করা কঠিনই ছিলো। বুননের প্রাচীন পদ্ধতি সত্ত্বেও তাদের বস্ত্রের উচ্চ মান আর স্বল্প মূল্য খদ্দেরকে আকৃষ্ট করে যাচ্ছিলো।

অদম্য এই প্রতিযোগিরা বহু দিন পর্যন্ত অজেয় হিসেবে ছিলেন। উনিশ শতকের শুরুতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য গোটা ভারতবর্ষকে জয় করার জন্য রক্ত আর বারুদে একাকার করে তোলে চরমভাবে। বস্ত্রশিল্পীদেরকে বাধ্য করা হলো অবিশ্বাস্য রকমের উচ্চ শুল্ক দানে।

পরে, আত্মত্যাগীদের মধ্যে যারা বেঁচে ছিলেন তাদেরকে কাপড় পরানোর মহানুভবতা প্রদর্শন করলেন ইংরেজরা। উনিশ শতকের মাঝামাঝি, যখন ভারতের তাঁতযন্ত্রগুলো টেমস নদীর গভীরে ছুঁড়ে ফেলা হলো, তখন ভারতবাসীরা হয়ে উঠলো ম্যাঞ্চেষ্টারের তাঁত শিল্পের বড় খদ্দের। আর তখন থেকেই ঢাকা, কিংবদন্তীতুল্য ক্লাইভ যে-ঢাকাকে তুলনা করেছিলেন লন্ডন ও ম্যাঞ্চেস্টারের সাথে, সেই ঢাকা হয়ে পড়েছিলো প্রায় জনশূন্য। প্রতি পাঁচ জনের চারজনই ঢাকা ছেড়ে চলে গেছেন। ঢাকা ছিলো বাংলার শিল্প কেন্দ্র, সেই বাংলা আর বস্ত্র উৎপাদন করতো না, বরং উৎপাদন করতে লাগলো অপিয়াম। বঙ্গজয়ী ক্লাইভ অতিরিক্ত অপিয়াম সেবনে মারা গিয়েছিলেন। এখন ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী, বাংলাদেশ এখন গরীবস্য গরীব এক দেশ।”

মজার ব্যাপার হলো ’গরীবস্য গরীব’ এই বাংলাদেশ এখন আবার বস্ত্রের দেশ হয়ে উঠেছে, বিদেশে রফতানি করছে বস্ত্র, যদিও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ইউরোপীয় কোন না কোন দেশের কোম্পানির পক্ষে উৎপাদন করছে এই বস্ত্র। আর ইতিহাস কিছুটা ভিন্নভাবে আগের মতোই প্রতারণা ও বঞ্চনা করে যাচ্ছে উৎপাদনের সঙ্গ জড়িত সেই শ্রমিকশ্রেণিকেই। ইতিহাস যেন গরীব দেশগুলোতেই নিজের কোনো কোনো পর্বের নিষ্ঠুর প্রতিধ্বনি করার জন্য পথ খুঁজে বেড়ায়।
Flag Counter

প্রতিক্রিয়া (6) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গনী আদম — জুলাই ১২, ২০১৪ @ ৬:৫৫ অপরাহ্ন

      কৌতুহলজাগানিয়া ছোট্টো লেখা। খুব আগ্রহভরে পড়লাম। রাজু আলাউদ্দিনকে কৃতজ্ঞতা।

      লাতিন ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে তাঁর পাণ্ডিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি– যতোই শুদ্ধ হোক, “স্পানঞল” একেবারেই অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে। “এসপানিওল” তো এতোদিন ভালোই চলেছে, আমাদেরও বুঝতে সমস্যা হয়নি। এর মধ্যে হঠাৎ করে স্পানঞল-কে মনে হয়েছে অহেতুক বিদঘুটেমি।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজু আলাউদ্দিন — জুলাই ১৩, ২০১৪ @ ২:১৩ পূর্বাহ্ন

      প্রিয় গনী আদম, লেখাটা পড়েছেন জেনে খুশী হলাম। বানান প্রসঙ্গে আপনি যে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন তার জন্য কিছু যুক্তিযুক্ত কারণ আপনার নিশ্চয়ই আছে এবং এর জন্য দায়ী আসলে আমাদের কয়েকজন অর্ধশিক্ষিত অধ্যাপক-লেখকের বিভ্রান্তিকর বানান। এক সময় লেখা হতো “স্প্যানিশ”( আমি নিজেই লিখেছি এই বানান যতদিন পর্যন্ত না সরাসরি তাদের উচ্চারণের সাথে পরিচিত হ্ওয়ার সুযোগ পেয়েছি।), পরে কেউ কেউ লিখতে শুরু করলেন “এসপানিওল”, তবে একমাত্র আমিই “স্পানঞল” বানানের প্রতি বেশি পক্ষপাত দেখিয়েছি। “এসপানিওল” একটি ভুল উচ্চারণের ভুল বানান। স্পানঞলভাষী যে-কাউকে জিজ্ঞেস করলে বা ইন্টারনেটে গুগল-উচ্চারণ পরীক্ষা করলেই আপনি এর সত্যতা খুঁজে পাবেন। “অহেতুক বিদঘুটেমি” করার প্রয়োজন থেকে নয়, বরং সহি উচ্চারণের স্বার্থেই “স্পানঞল” বানানের প্রতি আমার পক্ষপাত। বুঝবার সমস্যা তো “স্প্যানিশ” বললেও হয় না। তাই বলে ভুলকে তো আর গাধার মতো অকারণে বয়ে বেড়াতে চাইবে না কেউ। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Dilruba Shahana — জুলাই ২২, ২০১৪ @ ৬:০৮ অপরাহ্ন

      লেখাটি চমৎকার, লেখককে ধন্যবাদ। কবি অমোঘ সত্য উচ্চারণ করেছেন ‘ঘিলুহীন ধর্মময়’, এদের শাসনত্রাশনে সুদানের খৎনাহওয়া এক নারী, যার সাথে কেনিয়ার নাইরোবীতে দেখা হয়েছিল যিনি সৌদী আরবে হজ করতে গিয়ে প্রথম জানলেন ঐদেশে মেয়েদের খৎনা হয় না। খৎনা ইসলাম ধর্মের বিধানই নয়। ‘ঘিলুহীন ধর্মময়’‘রা কোরানও বুঝে না ঠিকমত, রসুলের হাদিসও কি তা জানে না। তবে ‘ধর্মহীন ঘলিুময়’রা এগুলো শুধু ভাল জানে তা নয় এইসব বিধিবিধানের মনগড়া বিষশ্লেণ ও প্রয়োগও এদের ঘিলুজাত।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শামস আরেফিন — এপ্রিল ১৪, ২০১৫ @ ১২:৫১ পূর্বাহ্ন

      লেখাটি অসাধারণ।এখানে শুধু আরব বিশ্ব সহ অন্যন্য মহাদেশ এর ঘটনাসহ আনলে আমাদের মতো কিছু তরুণ পাঠকরা হয়তো আরও বেশি উপকৃত হতো।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Ratana Jyoti — এপ্রিল ১৪, ২০১৫ @ ৩:৩৪ পূর্বাহ্ন

      পড়ে ভালো লাগলো। লেখককে ধন্যবাদ।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Ratana Jyoti — এপ্রিল ২০, ২০১৫ @ ১১:০৭ পূর্বাহ্ন

      গনী আদমের মন্তব্য আর রাজু আলাউদ্দিনের প্রতিক্রিয়ায় ‘স্প্যানিশ-স্পানঞল’ শব্দটি সম্পর্কে একজন আমেরিকান মেক্সিকানের কাছে জানতে চেয়েছিলাম। সে জানালো বৃটিশরা তাদের করা উচ্চারণে ‘স্প্যানিশ’ শব্দটি সবার কাছে চালু করেছে। রাজু আলাউদ্দিনের “স্পানঞল” শব্দটি ব্যবহার তাদের মৌলিক উচ্চারণে নিতে চাইলেও আমি যখন ওই শব্দটি বারবার শুনছিলাম ঐ ছেলেটির কাছ থেকে, তখন মিলছিল না, কেন জানি ‘ন’টা খাপ খাচ্ছে না। স্পা(ন)ঞল, মনে হলো ‘ন’টা উহ্য থাকছে।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com