শিমুল সালাহ্উদ্দিনের গুচ্ছ কবিতা

শিমুল সালাহ্উদ্দিন | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ১১:৩৬ অপরাহ্ন

ছন্দ-সুর

বৈশাখের রোদ উপেক্ষা করে জল-কাদাময় ক্ষেতে, ধানের গাছের ফাঁকে ফাঁকে ঝুঁকে উল্টো হয়ে পড়ে থাকা শামুকদের কুড়িয়ে ডুলায় তুলছিলাম আর ডুলাটা ভরে গিয়েছিল জড়াজড়ি করা শামুকদের স্তূপে

শামুকেরা ডুলাটার ভেতর তাদের আস্ত-শরীরটাই গুঁটিয়ে নিয়েছিলো, এক টিপুনিতেই ভেতর থেকে বের করে আনছিলাম সব মাঁস আর মজ্জ্বা, উঠোনের পাশে পালিত হাঁসগুলোর খাবার তৈরির জায়গায়, আর খোঁয়াড়ের ভেতর হাঁসগুলো তখন জুলজুল লোলপড়া লোভাতুর চোখে তাকাচ্ছিল। হাঁসগুলো কেমন তাকিয়েছিলো!

শামুকের খোলাগুলো ভেঙে যাচ্ছিল মড়মড় করে আর তার মধ্যে কেমন একটা অদ্ভুত ছন্দ ছিলো, যেনো এর মধ্যে লুকিয়ে আছে মরা শামুকগুলোর শোক-তাপ-বিলাপ, জীবনের স্মৃতিকাতরতা

আজ, এতোদিন পর, সেই ছন্দটির উৎস হাতড়ে-হাতড়ে আমি হামাগুড়ি দিয়ে বেড়াই জল-কাদাময় জলার পাড়ে-পাড়ে, বেয়ে-বেয়ে উঠি জলে-ডাঙ্গায়, শোঁ-শোঁ শব্দের সঙ্গতে কাদের ত্রস্তপায়ে এগিয়ে আসবার আওয়াজ, আমি তাদের কবলে পড়ে যাই, বারে বারে ভেসে-ভেসে উঠি জলা-পাহাড়চূড়ার উচ্চতায়, ডুবে-ডুবে যাই বসতিভাসানো জলে

আশ্চর্যভাবে কোন্-এক অদৃশ্য হাত আমার শরীরটা তুলে নেয়, এক টিপুনিতেই নিংড়ে বার করে নেয় আমার নিজের ভেতরটাকে। বুক ভেঙে যাবার যন্ত্রণাতেই মড়মড় ক’রে ভেঙে যায় আমার শরীরের খোলা, তৈরি হয়ে যায় আরো-এক নতুন বিলাপগাঁথার ছন্দ-সুর।

আর অদৃশ্য হাতের শরীরে থাকা চোখদুটো, কেমন তাকিয়ে থাকে!

কালস্নান

অস্থিরতা
অস্থিকথা
কুড়িয়েছি চিতাভষ্ম থেকে সারারাত্রি ঘুরে
নাভি ও অঙ্গারগুলি হাই তোলে ধোঁয়াটে ঢেঁকুড়ে
ঢুকে গেছে আমার ফুসফুসে
যার ডাক শুনে কাঁদি আমাকে সে
শূন্যের মোচড়ে ব্যোম-ভাঁজে-ভাঁজে দিলো ছুড়ে
পুতলো লুব্ধক চাঁদিতে আমার গোল ছিদ্র করে
ঘামরজঃরক্ত শুষে
নীল কালো রাত্রি চুষে।

সাকিনগোত্রহীন রাত্রির চণ্ডাল রাষ্ট্রময় মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়েছি
মরা মানুষের নক্ষত্রের দেশে রক্ত মাখা ভাত খেয়ে বেঁচে আছি

এই মরা শহরেও গজায় নতুন পাতা, ফুল ফোটে, প্রজাপতি ওড়ে,
খুব খুব আকাশ উঁচুতে দু-একটা মিষ্টি ফল সোনালিরোদে ওঠে ভরে।


উদ্ধত সৈয়দের জন্য শোকগাঁথা

ভেসেছে উদ্ধত প্রেরণার গান কালস্রোতে
কি দারুন নিদারুন হেসে অন্ধ কবিতারগোছা
নিরবতা গভীরতা হয়ে শুয়ে আছে আজ

উত্তর-দক্ষিণে পাথর নিথর শুইয়ে দেবার আগে
পালাতে পালাতে আমলা-কেরানি-ঊনসাহিত্যিক ভিড়ে
মনে মনে শুধু তোমাকে প্রণাম জানাই মান্নান ভাই

শবযাত্রায় আমাদের মাথার ওপরে ঠাঁই নিয়ে
আকাশের সাথে প্রগত-সমান্তরাল শুয়ে
বস্তুর বিরুদ্ধে দিলে অফুরান উড়িয়ে প্রজাপতি
আরও কত ভালোবাসা বাকি ছিলো হায় জানে কি যযাতি
জীবনের গূঢ় রহস্যের এই যেনো প্রথম আশ্চর্য প্রকাশ

কবি, শবযাত্রায় হাঁটতে হাঁটতে
আমার কেবল মনে পড়ছে, ঠা ঠা হেসে দিয়ে
বললেন আপনি, কোন বিচ্ছেদই বিচ্ছেদ নয় শিমুল…
najib.gif
ঘুমপ্রহরের গান

সানজিদা ইসলাম পদ্মা
আমাকে নিকটে নিয়ে,ঘুম যার চলে গেছে দূরে…

কি ভীষণ সেই সচেতন লাফিয়ে পড়া,সেই মুহূর্তের মধ্যে গভীর সমুদ্রের অচেতন মাছ হয়ে যাওয়া— উজ্জ্বল রশ্মিরাশির পেছনে ফেলে যাবতীয় কোলাহল,হলাহল, জাগরণ— দারুণ দুহাত বিস্মৃত করে পতনের লোভে দেখো পেছনে ঠেলে ফেলছো উজ্জ্বল নীল বাস্তব ও শূন্যতা,নীচেও থাকে আরো নীল,জলের তরল হাতে নিজেকে এরপর সঁপে দাও তুমি,তবু চেতনে তোমার কেন ওগো অধরা ঘুম?

জলের তরল হাতে সমর্পণ করো তুমি পেলবতাবহ মাছের শরীর,সাঁতার কাটতে থাকো দৃঢ় দুই পায়ে…গড়ে তোলো সারাদিন থরে থরে জলের সঙ্গত; সংলাপ।
এভাবেই চুমুর ছদ্মবেশে সাজিয়ে আরকঘুম ঢেলে দেবে জল চোখেতে তোমার, ঠোঁটের চামচে— কবিতার পদশব্দ,শব্দের উজ্জ্বল প্রসাধন,ছন্দের স্পন্দন থেকে অবিরাম আমার আবিল রক্ত ক্রমাগত শুদ্ধ করে নেয়া ছাড়া আর কোন ব্রত নেই সোনা,কেন আমি নিকটে এসেছি বলে ঘুম উধাও তোমার? দস্যুতা কি প্রেমিকের আলখাল্লা হবে না কখনো?

জানো,রাত্রী গভীর হলে কেউ কেউ মাছ হয়ে যায়,কেউ পাখি,কেউ নদী,কেউ কেউ ফুল,আর তোমার সাথে দেখা হবার পর মানুষেরা কবি হয়,কবির সমস্ত ঘুম কোলে নিয়ে ঘুমায় প্রেমিক হৃদয়।
অয়ি নিশীথিনী,তোমার স্তুতি ও স্তবে আমার উষর ঠোঁট গ্রীষ্মশেষের শিমুলের মতো ফেটে পড়তে চায়।আহ !আমি যদি এই মধ্যরাতের ঘুমহীনতার মঞ্চ থেকে ঝাপিয়ে পড়তে পারতাম অবনীল সমুদ্রে, যা তুমি চাও… কথা নেই কোন আর, ঘুমাও…ঘুমাও…

বর্ষণ

বিভাবিদ্যুতে ফেটে ফেটে যাওয়া আকাশ
নেমে এলো প্রবলতোড়ে বর্শাবল্লমফলা

ফোঁটা ফোঁটা—

ছিটকে
মাটিতে পড়েই টেনে আনলো পাতাল থেকে
সোঁদাঘ্রাণ, ওমজড়ানো বীজ ও মুমূর্ষুশ্বাস গন্ধপুরাণ
বাতাসে বাতাসে—

পাতাদের দেশে দেশে নিরুপায় জলকেলি স্নান-উৎসব

খঞ্জরের মতো যদি এভাবেই ভেঙে পড়তে প্রকৃত বুকে!
এভাবেই ভেঙে ভেঙে পড়তে আর গলে যেতে
সোঁদাকাদাগন্ধমাখাকামজলে—

নিফাটা আকাশ তবে মুহুর্মুহু বিজলীঠমকেও,খুঁজে পেত ঠিকই
নেশালু গমক— চুষবার মতো কোনো সুডৌল বর্তুলবোঁটা…

তুমি আর ভিজতে ভয় পেতে না!

অকালসন্ধ্যা


তোমার কন্যা,স্বপ্ন কমলিনী,যখন তোমার এখনকার বয়সী হবে,কোন এক বিষণ্ন সন্ধ্যায়,গোধূলীর দিকে চেয়ে তোমাকে শুধাবে,বাবা তোমাকে সত্যিই ভালোবাসে এটা তুমি কখন বুঝলে মমি!

তুমি অতৃপ্ত এক শ্রী-দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলবে,ওকে কবর দিয়ে ফেরার পথে। খুব শীত লাগছিলো।তখন।

সকল সন্ধ্যাই অকালে নেমে আসে
দিনেই জ্বালাতে হয় পিদিমের
নিভু নিভু আলো
খুলে দেয় আলো
কাহিনীঠোঙার দড়িবাঁধা মুখ
জানালায় জানালায় ছড়িয়ে পড়ে পালা,
দহলিজে, সেলফোন ও ড্রয়িঙ-স্পেসে…

মানুষের বদলে শুনতে আসে কেবল
রাজ্যের শালিখ,চড়ুই আর কাক…

আহা সে পালা! হাসে
নটীরূপী আমার রঙে ঢঙে হেসে কুটি কুটি
প্রিয় পাখিগুলি, ডানা ঝাপটিয়ে
সন্ধ্যা নামিয়ে আনে
কিচিরমিচিরে ক্রমাগত

মানুষের মগজহীন আমার ছায়ার
উঠোনে পড়ছে রোদ…

হুল্লোর।
Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (52) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কামাল উদ্দিন রিমন — এপ্রিল ২২, ২০১৪ @ ৩:০৫ অপরাহ্ন

      কবিতাগুলো আমি এখানে প্রকাশ হওয়ার আগেই পড়েছি। আবারও পড়লাম। সবগুলোই ভালো হয়েছে। বেশি ভালো লেগেছে ‘ঘুম প্রহরের গান’ ‘বর্ষণ’ আর ‘অকালসন্ধ্যা’

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন zunnu rien — এপ্রিল ২২, ২০১৪ @ ৬:০৭ অপরাহ্ন

      চমৎকার লাগল বন্ধু। এগিয়ে যাও …

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন হাসান আমীন — এপ্রিল ২৬, ২০১৪ @ ৮:৪৫ অপরাহ্ন

      অসাধারণ কয়েকটি কবিতা পড়লাম। আর্টস সাময়িকীকে ধন্যবাদ এই কবির কবিতা প্রকাশ করার জন্য। ছন্দ-সুর মিলিয়ে অসাধারণ গদ্য কবিতা। শামুকের মানবিক বেদনা নিয়ে এ মুন্সিয়ানা যে কারো হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। কালস্নান এর অন্তঃমিলসহ ছন্দের খেলা দারুন লাগলো। ছন্দপ্রাধান্য থাকলেও কবিতাটির বক্তব্য কিন্তু চমৎকার।

      “সাকিনগোত্রহীন রাত্রির চণ্ডাল রাষ্ট্রময় মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়েছি
      মরা মানুষের নক্ষত্রের দেশে রক্ত মাখা ভাত খেয়ে বেঁচে আছি”
      এক জীবনে হয়তো কোন কবি এমন দুটি লাইন লিখতে পারলেই নিজের প্রতি তৃপ্ত থাকতে পারেন। বাহ্। স্যালুট কবিকে। বর্ষণ, অকালসন্ধ্যা, ঘুমপ্রহরের গান-ও ভালো লাগলো। সবচেয়ে আলাদা করে চোখে পড়ল কবির নিরীক্ষা। কাব্যিক নিজস্ব ভাষার সুক্ষ্ণ স্বাতন্ত্র থাকলেও প্রত্যেকটি কবিতা যে স্বতন্ত্র ও বৈচিত্রময়, এটাই কবির সবচে বড় শক্তির জায়গা।

      এই কবি অনেক দূর যাবেন। কবির জন্য শুভকামনা। আর্টস টীমকে এমন তরুণ কবিদের আরও কবিতা পোস্ট করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Mahzabin Haque — এপ্রিল ২৬, ২০১৪ @ ৮:৫৪ অপরাহ্ন

      খুব ভাল লাগল। অন্যরকম কবিতাগুলি। “তোমার কন্যা,স্বপ্ন কমলিনী,যখন তোমার এখনকার বয়সী হবে,কোন এক বিষণ্ন সন্ধ্যায়,গোধূলীর দিকে চেয়ে তোমাকে শুধাবে,বাবা তোমাকে সত্যিই ভালোবাসে এটা তুমি কখন বুঝলে মমি!

      তুমি অতৃপ্ত এক শ্রী-দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলবে,ওকে কবর দিয়ে ফেরার পথে। খুব শীত লাগছিলো।তখন।”

      দিস ওয়ান ইজ সো গুড।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তামান্না মজুমদার — এপ্রিল ২৯, ২০১৪ @ ৫:৫২ অপরাহ্ন

      দারুন লাগল কবিতাগুলি। শব্দের ব্যবহার খুব চমৎকার। বিষয়বস্তুতেও আছে বৈচিত্র। সোঁদাকাদাগন্ধমাখাকামজলে— এরকম কাজ ভাল লাগে। ধন্যবাদ কবিকে। তার জন্য শুভকামনা।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মনিরুল রানা — এপ্রিল ৩০, ২০১৪ @ ১১:২৮ পূর্বাহ্ন

      শিমুল আমাদের সময়ের কবি, আমি তার বন্ধু ও লেখার পাঠক, ভাবনায় ওর লেখা যা কিছু নিয়ে আসে আবার চলে যায়, কিন্তু চিরতরে যায় না, কি যেন রেখে যায় তার লেখা।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শামীমা আখতার চৌধুরী — এপ্রিল ৩০, ২০১৪ @ ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন

      অয়ি নিশীথিনী, তোমার স্তুতি ও স্তবে আমার উষর ঠোঁট গ্রীষ্মশেষের শিমুলের মতো ফেটে পড়তে চায়। আহ !আমি যদি এই মধ্যরাতের ঘুমহীনতার মঞ্চ থেকে ঝাপিয়ে পড়তে পারতাম অবনীল সমুদ্রে, যা তুমি চাও… কথা নেই কোন আর, ঘুমাও…ঘুমাও…

      সুন্দর। মনে হল, কিছু একেবারে নতুন স্বাদের কবিতা পড়লাম।

      “সাকিনগোত্রহীন রাত্রির চণ্ডাল রাষ্ট্রময় মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়েছি
      মরা মানুষের নক্ষত্রের দেশে রক্ত মাখা ভাত খেয়ে বেঁচে আছি”

      এই দুইলাইনের পরে নিচের দুইলাইন-

      “এই মরা শহরেও গজায় নতুন পাতা, ফুল ফোটে, প্রজাপতি ওড়ে,
      খুব খুব আকাশ উঁচুতে দু-একটা মিষ্টি ফল সোনালিরোদে ওঠে ভরে।”

      অসাধারণ।

      “এভাবেই চুমুর ছদ্মবেশে সাজিয়ে আরকঘুম ঢেলে দেবে জল চোখেতে তোমার, ঠোঁটের চামচে— কবিতার পদশব্দ,শব্দের উজ্জ্বল প্রসাধন,ছন্দের স্পন্দন থেকে অবিরাম আমার আবিল রক্ত ক্রমাগত শুদ্ধ করে নেয়া ছাড়া আর কোন ব্রত নেই সোনা,কেন আমি নিকটে এসেছি বলে ঘুম উধাও তোমার? দস্যুতা কি প্রেমিকের আলখাল্লা হবে না কখনো?”

      ঠোঁটের চামচ, কবিতার পদশব্দ, দস্যুতায় প্রেমিকের আলখাল্লা হওয়া, নিজের রক্ত শুদ্ধ করে নিতে চাওয়া, খুবই কাব্যিক। মেধাবী এই কবির জন্য অনেক অনেক শ্রদ্ধা ও শুভকামনা। আর্টসকে এই অল্পবয়সী কবির কবিতা ছাপার জন্য ক্রেডিট না দিলেই নয়।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আজাদ রহমান — মে ১, ২০১৪ @ ৯:৫৮ পূর্বাহ্ন

      কবিতাগুলো ভাল লাগলো। কবিতাগুলোতে কবির দীর্ঘ সাধনা, ধ্যানমগ্নতা ও নিষ্ঠার ছাপ আছে। অনেক নতুন করে বলা আছে, নতুনভাবে। কবির চর্চা অব্যাহত থাকুক। সবথেকে বেশি ভাল লেগেছে বর্ষণ কবিতাটি আমার কাছে। প্রত্যেকটি কবিতাই সুখপাঠ্য।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শাহমান মৈশান — মে ১, ২০১৪ @ ১১:০০ পূর্বাহ্ন

      দুর্দান্ত শিমুল। কবিতাগুলি পড়ে হঠাৎ পুরনো একটা গান শুনলে যেমন অনুভূতি হয় তা হল। আপনার নীরিক্ষা ভালো লাগল। এগিয়ে যান কবি।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শিমুল সালাহ্উদ্দিন — মে ১, ২০১৪ @ ২:০৬ অপরাহ্ন

      যারা পড়লেন এবং প্রযত্ন নিয়ে মন্তব্য করলেন তাদেরকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনাদের প্রেরণাই আমার পাথেয়…নিরন্তর শুভকামনা সবার জন্য।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ফাহমিদা এনাম কাকলী — মে ২, ২০১৪ @ ১১:৫২ পূর্বাহ্ন

      ছন্দ-সুর কবিতাটি চিত্রকল্পে চিত্রকল্পে ভরা। পড়ার সময় মনে হয় একটা সিনেমা দেখছি। কালস্নান ভাল লাগল খুব। উদ্ধত সৈয়দ কি কবি আবদুল মান্নান সৈয়দ? ঘুম প্রহরের গান, বর্ষণ, অকালসন্ধ্যা প্রত্যেকটা কবিতায় অনেক দৃশ্য, ছবি আছে। চিত্রময়তা দারুন লাগল। কবির জন্য শুভকামনা।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আবীর আহমেদ — মে ২, ২০১৪ @ ২:৩৪ অপরাহ্ন

      শিমুল আমার প্রিয় কবিদের একজন। তাঁর কবিতা দেখলেই পড়ি আমি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে তাঁর দরাজ গলায় প্রথম কবিতা শুনেছিলাম ২০০৪/০৫ এর দিকে। তখন থেকেই আমি আমি এই কবির ভক্ত।

      কাব‌্যপাড়ার দীর্ঘদিনের বাসিন্দা হিসেবে তার পর্যবেক্ষণ ও আত্মঅনুভবের প্রমাণ আছে এই কবিতাগুলোতে। আর্টসে এত পরে তাঁর কবিতা পড়বো ভাবিনি। প্রচারণার মোহ থেকে নিজেকে যে ধৈর্য ধরে সরিয়ে রেখেছে এই কবি এটাই তাঁর প্রমাণ যে তিনি একটার পর একটা ভাল কবিতা লিখে চলেছেন। দীর্ঘদিন পর শিমুলের একাধিক কবিতা একসাথে পড়তে পেরে ভাল লাগলো। কবিতার পথ অনেক অমসৃণ, অনেক কষ্টের, যন্ত্রণার, এখানে সফল হওয়া অনেক কঠিন। কবি শিমুল সালাহ্উদ্দিন, নিজের নামের প্রতি সুবিচার করেছেন, এটাই বলা যায়।। বলাবাহুল্য,রসসিক্ত, মিষ্টি উপমার ব্যবহার, সাবলীল ও অর্থবহ শব্দের ব্যবহারের জন্য কবিতাগুলো ভাবগম্ভীর হয়েছে। ভালো লাগলো কবির চিন্তার রূপ ও রঙের জগৎ।

      এই কবির আরো কবিতা ও লেখা পড়তে চাই আর্টসের কাছে। সুস্থ ও সুন্দর থাকুন কবি শিমুল সালাহ্উদ্দিন।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আবেগ রহমান — মে ৩, ২০১৪ @ ১:৩০ পূর্বাহ্ন

      খুবই মিউজিক্যাল। এবং ম্যাজিকাল। পরিচ্ছন্ন, পরিমিতিবোধসম্পন্ন। খুব ভাল লাগল। শব্দের ব্যবহার খুব চমৎকার ও মুন্সিয়ানাপূর্ন। অভিনন্দন কবিকে।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মাহফুজ মাসুম — মে ৩, ২০১৪ @ ২:৪৬ অপরাহ্ন

      খুব সম্ভবত আমার দুই ব্যাচ জুনিয়র শিমুল জাহাঙ্গীরনগরে। সাংস্কৃতিক জোটের খুব একটিভ কর্মী ছিলো। শেষদিকে সভাপতিও ছিল মনে হয় জোটের। জাহাঙ্গীরনগরে ওদের সময়টা ওরা কবিতা নিয়া বেশ ভালই শোরগোল করেছে। দুপুর মিত্র, পরাগ রিছিল, পিয়াস মজিদ, নওশাদ জামিল, রাসেল শাহরিয়ার, রাসেল মৈতালি, মেহেদি রাসেল এদের মধ্যে কবিতা নিয়ে তোরজোর তৈরি করতো শিমুলরা কয়েকজন। নিজেরাও যে এত ভাল লেখে তা এতদিন বুঝি নাই। দেশ থেকে অনেক দূরে থাকি, এদের কে আবার বটতলায় আড্ডারত দেখতে ইচ্ছা করে।

      কবি মোহাম্মদ রফিক, নাট্যকার সেলিম আল দীন, কবি ও ছড়াকার খালেদ হোসাইন, ফিলসফির রায়হান রাইন, হিমেল বরকত, সুমন সাজ্জাদ এদের ঘিরে ঘিরে ক্যাম্পাস জুড়েই বিভিন্ন সময় দেখেছি বিভিন্ন রকম সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে। প্রান্তিকে নিয়মিত আড্ডায় দেখতাম জ্ঞানী মানুষগুলোকে। ধ্বনির আবৃত্তি উৎসব, কবির কবিতা পাঠ আয়োজন, মোহাম্মদ রফিক স্যারের বিদায় উপলক্ষে বড় একটা আয়োজন করেছিল ওরা। নিপীড়ন বিরোধী আন্দোলন নিয়ে, কবিতা নিয়ে উন্মাদের মতো সময় কাটানো হ্যাংলাপাতলা ছেলেটা এত ভাল কবিতা লিখছে দেখে খুব ভাল লাগছে।

      ক্যাম্পাসের অনেকটা সময় ধরে সব মিছিলের আগে থাকা শিমুল পুরো জাহাঙ্গীরনগরবাসীরই গর্ব। ভালো থাকিস কবি শিমুল। আরো অনেক ভালো লেখ।

      মাহফুজ ভাই
      (৪১৩/বি, এম এইচ হলে তোরই করিডোরে থাকতাম, তুই থাকতি ৪২০/বিতে)
      (জ্যুলজি,৩১)
      মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অণিমা আহমেদ — মে ৩, ২০১৪ @ ৪:৫৫ অপরাহ্ন

      সহজ সুন্দর কবিতা। ভাল লাগল।

      “রাত্রী গভীর হলে কেউ কেউ মাছ হয়ে যায়,কেউ পাখি,কেউ নদী,কেউ কেউ ফুল,আর তোমার সাথে দেখা হবার পর মানুষেরা কবি হয়,কবির সমস্ত ঘুম কোলে নিয়ে ঘুমায় প্রেমিক হৃদয়।” কী সুন্দর! কবি যাকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন ঘুম প্রহরের গান তার জন্য ঈর্ষা।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সেলিম আজাদ — মে ৪, ২০১৪ @ ৫:২৭ অপরাহ্ন

      এই কবির কবিতা স্নিগ্ধ এবং জীবনবাদী আকাঙ্খায় ভরপুর। বাংলা কাব্যে এই তরুণের অবস্থান আরো উজ্জ্বল হোক। প্রতিটি কবিতাই ভাল লাগল খুব।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সায়ন্তনী চক্রবর্তী — মে ৪, ২০১৪ @ ৯:১৬ অপরাহ্ন

      এত স্বচ্ছ, প্রাঞ্জল চিত্রকল্প, গদ্যছন্দ! একবার পাল তুলে দিয়েই নিজমনে ভেসে চললাম। নির্বাক হয়ে গেলাম অকালসন্ধ্যা কবিতাটার প্রথমটুকুতে। খুব ভাল কবিতা লেখা হচ্ছে তাহলে বাংলাদেশে। শুভকামনা এই তরুণ কবির জন্য।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অপু মেহেদী — মে ৫, ২০১৪ @ ১২:০৩ অপরাহ্ন

      নির্মল চিত্রকল্প…

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শাহ মতিন টিপু — মে ৫, ২০১৪ @ ১২:৫০ অপরাহ্ন

      ভাল লেগেছে ছন্দ-সুর। কবিতায় জীবনের গাঁথার চমৎকার উপমা।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গোলাম ফারুক — মে ৫, ২০১৪ @ ৭:৫২ অপরাহ্ন

      দুর্দান্ত কয়েকটা কবিতা পড়লাম। মনে দাগ কেটে গেল। এগিয়ে যাক কবি।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শহীদ আহসান — মে ৬, ২০১৪ @ ১১:২৬ অপরাহ্ন

      ঈর্ষনীয়। কবিতাগুলি গীতল। প্রত্যেকটি কবিতাই স্বতন্ত্র। শুভকামনা কবির জন্য।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রুবেল হাসনাত — মে ৬, ২০১৪ @ ১১:৩৪ অপরাহ্ন

      বাহ্। সুন্দর কবিতা তো। আমি জানতাম আপনি আবৃত্তি করেন। এত ভাল কবিতা লিখেন, জানতাম না। মুক্তমঞ্চে আপনার কণ্ঠে শোনা ‘কাল্লু’ পরানের গহীন ভিতর, ঈর্ষা, জঙ্গলে এক উন্মাদিনী, সুনীলের কবিতাগুলি এখনো আমার কানে বাজে। অনেক ভালো থাকুন কবি।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোমেনা চৌধুরী — মে ৭, ২০১৪ @ ১:২৭ পূর্বাহ্ন

      বাহ্

      জীবনের গূঢ় রহস্যের এই যেনো প্রথম আশ্চর্য প্রকাশ

      কবি, শবযাত্রায় হাঁটতে হাঁটতে
      আমার কেবল মনে পড়ছে, ঠা ঠা হেসে দিয়ে
      বললেন আপনি, কোন বিচ্ছেদই বিচ্ছেদ নয় শিমুল…

      কবি আবদুল মান্নান সৈয়দের শবযাত্রায় লেখা কবিতাটা সবচেয়ে ভাল লাগল। সবগুলিই সুখপাঠ্য। কবির জন্য শুভকামনা।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মাসুদার রহমান — মে ৭, ২০১৪ @ ৭:৩৯ পূর্বাহ্ন

      ” কোন বিচ্ছেদই বিচ্ছেদ নয় শিমুল” এ জাতীয় পংক্তি অনেক সময় প্রবাদে রূপ পায়। আপনার অনেক সাফল্য কামনা করি শিমুল…

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ — মে ৮, ২০১৪ @ ৫:১৪ পূর্বাহ্ন

      ছন্দ-সুর: গুঁটিয়ে, মাঁস, মজ্জ্বা – কবিতা ভালো লাগল, কিন্তু আরও ভালো লাগতে পারত; খানিকটা সত্তরি রোমান্টিকতার ঘ্রাণ পাওয়া যায়।

      কালস্নান: ভষ্ম, পুতলো, রজঃরক্ত, – ভালো লাগল…

      উদ্ধত সৈয়দের জন্য শোকগাঁথা: গাঁথা, দারুন, নিদারুন, নিরবতা – আগের দুইটা চেয়ে ভালো লাগল।

      ঘুমপ্রহরের গান: রাত্রী, ঝাপিয়ে – ভালো। কিন্তু এক্সপ্রেশনে ক্লিশে এসে যায় অনেক, সেটা সব কবিতার ক্ষেত্রেই প্রায় প্রযোজ্য – উদাহরণ: গভীর সমুদ্রের / উজ্জ্বল রশ্মিরাশির / অধরা ঘুম, ইত্যাদি।

      বর্ষণ: বিজলী – মোটামুটি।

      অকালসন্ধ্যা: বিষণ্ন, গোধূলীর, হুল্লোর – দিস ইজ দ্য বেস্ট অব দ্য বাঞ্চ… খুব ভালো লাগল।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Tamanna Ahmed — মে ৮, ২০১৪ @ ১০:১১ পূর্বাহ্ন

      শামুকের খোলাগুলো ভেঙে যাচ্ছিল মড়মড় করে আর তার মধ্যে কেমন একটা অদ্ভুত ছন্দ ছিলো, যেনো এর মধ্যে লুকিয়ে আছে মরা শামুকগুলোর শোক-তাপ-বিলাপ, জীবনের স্মৃতিকাতরতা

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন jewel mazhar — মে ৯, ২০১৪ @ ৪:১০ পূর্বাহ্ন

      বেশ ভালো লাগলো। সাবলীল আর ঝরঝরে। আবেগটা আছে তবে তার লাগাম টানাটাও বেশ। এটা কম কথা নয়। শামুকের প্রসঙ্গটাও বেশ মুন্সিয়ানায় এলো।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আদনান ইউসুফ — মে ৯, ২০১৪ @ ২:২৭ অপরাহ্ন

      স্পষ্ট ইমেজারির কিছু কবিতা পড়লাম। উপমা, রূপক আর কল্পনাপ্রতিভার সঙ্গে মিশেছে ধ্বনিব্যঞ্জনার অপূর্ব অনিবার্য সংশ্লেষ। অভিনন্দন কবিকে। বৈচিত্রময়তা আসলেই এই কবির বড় শক্তির জায়গা। আর-ও ভাল লিখুন কবি।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আবু সাঈদ তুলু — মে ৯, ২০১৪ @ ১০:৫২ অপরাহ্ন

      কবিতাগুলো পড়লাম। অত্যন্ত ভালো লাগলো। বাঙালি জীবন-বাঙলার প্রকৃতি অত্যন্ত নিপুণ ভাষিক বিন্যাসে ধরা দিয়েছে কবিতাগুলোতে। উপমা-রূপকের নান্দনিক মাত্রায় কবির ব্যক্তিক বোধ-বিশ্বাস-উপলব্ধি দেখে বিস্মিত না হয়ে পারা যায় না। ভাষার ঝমঝমানির ঠুককো মাত্রায় কবি থাকেন নি; বরং গভীর উপলব্দিতে; তীক্ষ্ণতর ভাববিন্যাসে ফুটে উঠছে চারপাশে বাস্তবতা। কবি উপলব্ধ অনুভূতিও যেন আমাদেরকে টেনে নিয়ে যায় প্রকৃতি দর্শন ও নষ্টালজিয়ায়। গতানুগতিক আধিপত্যবাদী কাব্যপ্রেষণ কিংবা উপস্থাপনের বাইরে প্রকৃতির সৌন্দযই যেন কবিতাগুচ্ছে ধরা দিয়েছে। মুক্ত ভাষিক ও ভাববিন্যাসে অনুপম সৌন্দয কবিতার ছত্রে ছত্রে। কবি শিমূল সালাউদ্দিনের উত্তরোত্তর কাব্যসাফল্য কামনা করি।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সানজানা বিনতে ওয়াহিদ — মে ১০, ২০১৪ @ ১২:০৩ পূর্বাহ্ন

      অটোগ্রাফ নেওয়া প্রথম কবি…কবিতা প্রিয়তে রাখলাম, অনেকদিন কবিতাগুলো মনে বাজবে। ভালো থাকুন।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Afsana Begum — মে ১০, ২০১৪ @ ৯:৫৩ পূর্বাহ্ন

      কবিতাগুলো মন ভরিয়ে দিলো। বিশেষ করে, ছন্দ-সুর এবং ঘুম প্রহরের গান। “…..যেনো এর মধ্যে লুকিয়ে আছে মরা শামুকগুলোর শোক-তাপ-বিলাপ, জীবনের স্মৃতিকাতরতা”…. এ কথাগুলো মনে থাকবে অনেক দিন। পোস্ট করার জন্য ধন্যবাদ, শিমুল। ভবিষ্যতে আরও পড়তে পারব আশা রাখি।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শুভাশিস সিনহা — মে ১০, ২০১৪ @ ৫:২৩ অপরাহ্ন

      ভালো লাগল শিমুল। ‘বর্ষণ’ আর ‘অকালসন্ধ্যা’ অসাধারণ। দুটো বিপরীত মেজাজের। প্রথমটা আগ্রাসি, শব্দ-ধ্বনিতে, প্রকাশভঙ্গিতে, আর দ্বিতীয়টা বেশ দার্শনিক, শান্ত-সমাহিত ভাব আছে।

      সাকিনগোত্রহীন রাত্রির চণ্ডাল রাষ্ট্রময় মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়েছি
      মরা মানুষের নক্ষত্রের দেশে রক্ত মাখা ভাত খেয়ে বেঁচে আছি…
      বাহ্ !

      এক্সপ্রেসিভ কবিতার জয়ধ্বজা আবার ওড়ালে তুমি!
      অভিনন্দন।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শাহরুখ শহীদ — মে ১১, ২০১৪ @ ৭:৫৭ পূর্বাহ্ন

      দুর্দান্ত এক পাঠ অভিজ্ঞতা হল। অভিনন্দন কবি শিমুলকে।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজীব আশরাফ — মে ১৩, ২০১৪ @ ১:৪৪ অপরাহ্ন

      ভালো লেগেছে কবিতা সকল। আরো প্রত্যাশা_____

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Fardeen Ferdous — মে ১৩, ২০১৪ @ ২:০৬ অপরাহ্ন

      Superb…!
      Go ahead Younger Poet..

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বনি আমিন — মে ১৩, ২০১৪ @ ২:৫৩ অপরাহ্ন

      ভাল লাগলো। এবং ধন্যবাদ কবিকে, তিনি আমার ইনবক্সে লিঙ্কটা দিয়েছেন সে জন্য।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন kazi mahtab shuman — মে ১৩, ২০১৪ @ ৫:১৫ অপরাহ্ন

      সাকিনগোত্রহীন রাত্রির চণ্ডাল রাষ্ট্রময় মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়েছি
      মরা মানুষের নক্ষত্রের দেশে রক্ত মাখা ভাত খেয়ে বেঁচে আছি……
      অসম্ভব ভাল লাগলো!
      শিমুল সালাহউদ্দিন ভালবাসা …

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শামীম আজাদ — জুন ২৯, ২০১৪ @ ২:১২ পূর্বাহ্ন

      অস্থিরতা
      অস্থিকথা-

      ওটাই তুমি, তোমার কথা।

      যত অকপট শিল্প লীলা তুলে আনতে দ্বিধা চরাচর ভাঙবে , ততই আত্মমুক্তি। অভিনন্দন শিমুল।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এহসান হায়দার — জুন ২৯, ২০১৪ @ ১০:১৬ পূর্বাহ্ন

      শিমুল, কবিতাগুলো মন ভরিয়ে দিলো। উপমা, রূপক আর কল্পনাপ্রতিভার সঙ্গে মিশেছে ধ্বনিব্যঞ্জনার অপূর্ব অনিবার্য সংশ্লেষ। অসম্ভব ভাল লাগলো!

      ঘুমপ্রহরের গান: রাত্রী, ঝাপিয়ে – ভালো। কিন্তু এক্সপ্রেশনে ক্লিশে এসে যায় অনেক, সেটা সব কবিতার ক্ষেত্রেই প্রায় প্রযোজ্য – উদাহরণ: গভীর সমুদ্রের / উজ্জ্বল রশ্মিরাশির। তবে সেও উৎরে গেছে নতুন কবিতার নীরিক্ষামূলক প্রবণতার কাছে। শুভকামনা আপনার নতুন কবিতার জন্য।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন চৈতী আহমেদ — জুলাই ৫, ২০১৪ @ ১০:৩৩ অপরাহ্ন

      ভালো, খুব ভালোই লাগলো। শুভেচ্ছা কবি!

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মনিরুল মনির — জুলাই ৬, ২০১৪ @ ৩:৫২ পূর্বাহ্ন

      অভিনন্দন কবি…. ভালো লাগলো…

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ফারহানা খান — জুলাই ১০, ২০১৪ @ ৬:০৯ অপরাহ্ন

      তোমার কন্যা,স্বপ্ন কমলিনী,যখন তোমার এখনকার বয়সী হবে,কোন এক বিষণ্ন সন্ধ্যায়,গোধূলীর দিকে চেয়ে তোমাকে শুধাবে,বাবা তোমাকে সত্যিই ভালোবাসে এটা তুমি কখন বুঝলে মমি!

      তুমি অতৃপ্ত এক শ্রী-দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলবে,ওকে কবর দিয়ে ফেরার পথে। খুব শীত লাগছিলো।তখন।

      চরম সুন্দর। কবিকে অভিনন্দন।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাঁঝবাতি — আগস্ট ৬, ২০১৪ @ ৯:২২ অপরাহ্ন

      ‘আশ্চর্যভাবে কোনো এক অদৃশ্য হাত আমার শরীরটা তুলে নেয়, এক টিপুনিতেই নিংড়ে বার করে নেয় আমার নিজের ভেতরটাকে।’
      এখান থেকে চমকানো শুরু। শুরুতেই মাটির গন্ধ, সোঁদা ঘাসের গন্ধ্, সাথে কবির সারল্য আর জীবনবোধ মাখামাখি হয়ে থাকে, যার জন্যে একবার পড়তে শুরু করলে শেষ না করে নিঃশ্বাস ফেলা যায় না। শব্দচয়ন অন্যদের থেকে ভিন্নতর লেগেছে। অনেক কাছের, যেটা আজকাল পশ্চিমবঙ্গের কবিদের মধ্যে কম পাই।
      সাকিনগোত্রহীন/ চুমুর ছদ্মবেশে/ আরকঘুম/ শ্রী-দীর্ঘশ্বাস এত মিষ্টি লাগে পড়তে সত্যিই যেন ‘গ্রীষ্মশেষের শিমুলের মতো ফেটে পড়তে চায়’, অসাধারণ লাইন!
      ‘নিফাটা আকাশ তবে মুহুর্মুহু বিজলীঠমকেও,খুঁজে পেত ঠিকই
      নেশালু গমক— চুষবার মতো কোনো সুডৌল বর্তুলবোঁটা…
      তুমি আর ভিজতে ভয় পেতে না!’
      অনেকদিন হয়ে গ্যালো বৃষ্টির কবিতা লেখা হয় নি। অনেকে দিতে বলেন। কিন্তু এই কটা লাইন পড়ার পর আমার মনে হল, এরপর না ভিজে বৃষ্টির কবিতা লেখার সাহস না করাই ভাল।
      ‘মানুষের বদলে শুনতে আসে কেবল
      রাজ্যের শালিখ,চড়ুই আর কাক…/
      মানুষের মগজহীন আমার ছায়ার
      উঠোনে পড়ছে রোদ… ’

      পড়তে পড়তে কবিতা শেষ হয়ে আসে, আরো লেখার পড়ার ইচ্ছের সাথে সাথে ভাস্কর বাবুর দুটো লাইন মনে পড়ে- ” মানুষের কাছে শুধু যেতে গিয়ে আজ আমি
      মানুষের থেকে শুধু দূরে চলে গেছি “

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নওশাদ পার্থ — আগস্ট ২০, ২০১৪ @ ১:৩৮ অপরাহ্ন

      শিমুল সালাহ্উদ্দিনের কবিতা পড়েও মুগ্ধ হলাম। অভিনন্দন তরুণ সাধক। আপনার কবিতার সুর বাজবে অনেকদিন কানে। এ কবিতাগুলোতেও সাধনা, ধ্যান ও নিষ্ঠার ছাপ আছে। অনেক নতুন করে বলা আছে, নতুনভাবে। কবির চর্চা অব্যাহত থাকুক। মুগ্ধতা রেখে গেলাম।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কমলিনী মিত্র — আগস্ট ২০, ২০১৪ @ ২:১৫ অপরাহ্ন

      কবির নিজস্বতা মুগ্ধ করল। একেবারে অন্যরকম করে বলা নতুন কণ্ঠস্বরের কিছু কবিতা পড়লাম। অভিনন্দন কবিকে।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আহমেদ মুজতবা জামাল — আগস্ট ২৩, ২০১৪ @ ৫:৩৬ অপরাহ্ন

      বাহ। দুর্দান্ত কয়েকটি কবিতা পড়লাম। একেবারে নতুন স্বাদ। এরপর শিমুলের কবিতার প্রতি আমার বিশেষ মনোযোগ থাকবে।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নিগার জাহান — আগস্ট ২৪, ২০১৪ @ ২:৩৭ অপরাহ্ন

      এমন মুগ্ধতা আমাকে সব সময় স্তব্ধ করে দেয়…অভিনন্দন কবিকে

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Rubana Haque — মার্চ ১২, ২০১৫ @ ৪:৩৪ অপরাহ্ন

      খুব ভালো লাগলো কবিতাগুলো… কবিকে ধন্যবাদ, অনুরোধ রইল শতব্যস্ততায়, জীবনের টানাপোড়েনেও যেন চর্চা অব্যাহত রাখেন।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন হুমায়ূন ইকবাল — জানুয়ারি ২৪, ২০১৬ @ ৬:৪৯ অপরাহ্ন

      অসাধারন কয়েকটা কবিতা পড়লাম। খুব ভাল লাগল। সামনের মেলায় কি কবির কোন বই প্রকাশিত হচ্ছে? আর্টসকে ধন্যবাদ। এই কবির আরো কবিতা পড়তে চাই।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com