যাবার বেলায় ফেলে যেয়ো…

সোহেল হাসান গালিব | ২৬ মে ২০১৩ ১:১১ পূর্বাহ্ন

‘আমার আজ পর্যন্ত লেখা সমস্ত কবিতা ও গানের সর্বাপেক্ষা ভাল যেগুলি-সেইগুলি চয়ন করিয়া একখানা বই ছাপাইতেছি সঞ্চিতা নাম দিয়া।…
আপনি বাংলার মুসলিম নারীদের রানী। আপনার অসামান্য প্রতিভার উদ্দেশ্যে সামান্য কবির অপার শ্রদ্ধার নিদর্শনস্বরূপ সঞ্চিতা আপনার নামে উৎসর্গ করিয়া ধন্য হইতে চাই। আশা করি এজন্য আপনার আর সম্মতিপত্র লইতে হইবে না। আমি ক্ষুদ্র কবি, আমার জীবনের সঞ্চিত শ্রেষ্ঠ ফুলগুলি দিয়া পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করা ব্যতীত আপনার প্রতিভার জন্য কি সম্মান করিব?
সুদূর ভক্ত কবির এই একটি নমস্কারকে প্রত্যাখ্যান করিয়া পীড়া দিবেন না–এই আমার আকুল প্রার্থনা।’

বাংলাকবিতার পাঠকমাত্রই বুঝবেন চিঠিখানা কবি নজরুলের লেখা। এ চিঠি নজরুল লিখেছিলেন অঙ্কশাস্ত্রে এম এ ক্লাসের কৃতী ছাত্রী ফজিলাতুন্নেসাকে ১৯২৮ সালের মার্চের শেষ দিকে। আমরা জানি, সঞ্চিতা শেষাবধি রবীন্দ্রনাথের নামে উৎসর্গীকৃত। অর্থাৎ গণিতের এই ছাত্রীটি নজরুলকে উৎসর্গের অনুমতি দেন নাই।

ফজিলাতুন্নেসার সঙ্গে নজরুলের পরিচয় ঘটে ১৯২৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তৎকালীন বর্ধমান হাউস হস্টেলের হাউস টিউটর কাজী মোতাহার হোসেনের দৌত্যে। মোতাহার হোসেনকে মিস নেসা ‘বড় ভাই’ জ্ঞান করতেন। কবি তখন ঢাকা এসেছিলেন মুসলিম সাহিত্য সমাজের নিমন্ত্রণে, তাদের দ্বিতীয় বার্ষিক অধিবেশনে যোগদান করতে। মোটামুটি এক মাস নজরুল ঢাকায় ছিলেন। এই এক মাসে ঘনিষ্ঠতা কতদূর তৈরি হয়েছিল, ঠিক জানা নেই আমাদের। এ নিয়ে লেখা বইগুলিতেও সঠিক হদিস মেলে না। এমনকি কবিবন্ধুদের জবানিতে পাওয়া নজরুলের বক্তব্যও স্ববিরোধী মনে হয় কখনোবা। হাত দেখার সূত্রে হয়তো কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্তের উন্মেষ ঘটেছিল। বাস্তবতা এখানে অনেকখানি স্বপ্ন ও কল্পনায় রচিত। ঘটনার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে আমরা তাই নজর দেব মনের সেই গহনে, যেখান থেকে উৎসারিত হয় কল্পনা ও আবেগ। এক্ষেত্রে চিঠি, কবিতা ও গানই আমাদের অবলম্বন। নজরুলও বলেছেন : আমার কাব্য ও সঙ্গীত আমারই জীবনাভিজ্ঞতার মধ্য হতে জন্ম নিয়েছে।
fazilatunnesa-joha.jpg
১৯২৮ মার্চের ২০ তারিখে লেখা একটি দীর্ঘ রচনা ‘তুমি মোরে ভুলিয়াছ’ কবিতাটিকে এই ঘটনার ভরকেন্দ্রে রেখে আমরা আলোচনা এগিয়ে নেব। ফেব্রুয়ারির ২৫ তারিখে বন্ধু মোতাহারকে লেখা চিঠিতে কবি লিখছেন : আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অভাব ছিল sadness-এর। কিছুতেই sad হতে পারছিলাম না। কেবল ভেসে বেড়াচ্ছিলাম। কিন্তু আজ ডুবেছি বন্ধু! একেবারে নাগালের অতলতায়।’

ঠিক মাসখানেক পরে কবিতায় উঠে এল এই স্বীকারোক্তি :
আমি ভুলে/ নিরুদ্দেশ তরী মোর তব উপকূলে/ না চাহিতে বেঁধেছিনু, গিয়েছিনু গান,/ নীলাভ তোমার আঁখি হয়েছিল ম্লান/ হয়ত বা অকারণে।

এ কথা সত্য যে কবি প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন। আরও সত্য যে ঢাকা থেকে কৃষ্ণনগরে ফিরে এসে অযাচিতভাবেই চিঠি লিখছিলেন, কোনো উত্তর না পেলেও। প্রথমদিকে একটি চিঠির উত্তর তিনি পান। নজরুল বন্ধুকে লিখেছেন, ‘ঐ এক চিঠি পেয়েই যতদূর বুঝেছি–আমায় তিনি দ্বিতীয় চিঠি দিয়ে দয়া করবেন না।’ মিস নেসার মনের অবস্থাটা কবিকল্পনায় ধরা দিচ্ছে এভাবে : পোড়ারমুখি আম্রবনচ্ছায়ে/ নিশিদিন ডাকে, শুনে কান ঝালাপালা।/ জানে না ত কুহু-স্বরে বুকে ধরে জ্বালা।/ উহার স্বভাব এই, তোমারি মতন/ অকারণে গাহে গান, করে জ্বালাতন।/…উহু উহু উহু করি’ বেদনা জানায়।/ বুঝিতে নারিনু আমি পাখি ও তোমায়।

কবিতায় নিজের প্রতি মৃদু স্যাটায়ার ও মাধুর্য থাকলেও, বাস্তবতা সম্ভবত এমন ছিল না। মোতাহারকে কবি লিখছেন : ‘গণিতের প্রতি আমার ভয় কি কোনোদিনই যাবে না? গণিতজ্ঞ লোকেরা বড্ডো কঠোর নিষ্ঠুর হয়… ওদের কেবলই intellect, heart নেই। আমাদের যেমন কেবল heart, intellect নেই। একেবারে যারে বলে ‘সিলি ফুল’।’

সন্দেহ হয়, ‘সিলি ফুল’ কথাটা মিস নেসা নজরুলকে বলেছিলেন কি না। কবির চিঠি থেকেই এ ধারণা জন্মে যে, ফজিলাতুন্নেসা চিঠিতে অভিযোগ এনেছিলেন তাকে ‘খেলো’ করবার। কবির আকুতিকে ‘কবির খেয়াল’ বলে পাশ কাটিয়ে গেছেন তিনি। কবি লিখছেন : ‘আমার সব চিঠিই কি তোমার বোনকে দেখাও?… লিখি আর ভয় দুরু দুরু করে কাঁপে, এই রে! বুঝি বা কোথায় কি বেফাঁস লিখে তাকে ‘খেলো’ করে ফেললাম। এই বুঝি ‘কবির খেয়াল’ হয়ে গেল লেখাটা!’

শেষমেশ মিস নেসাকে নিয়ে তৈরি সমস্ত অভিমান কবি ঝেড়েছেন গণিতের উপর। ‘কোনো নারী–সুন্দরের উপাসিকা নারী–কোনো অঙ্কশাস্ত্রীর কবলে পড়েছে, এ আমি সইতে পারি নে। নারী হবে সুন্দরের অঙ্কলক্ষী, সে অঙ্কশাস্ত্রের ভাঁড়ার রক্ষী হবে কেন?’ অপর একটি চিঠিতে কবির উতলাভাব আরও উদলা হয়ে পড়েছে : ‘আমার এতদিনে ভারী ইচ্ছে করছে অঙ্ক শিখতে।…আমি যদি বিএ-টা পাশ করে রাখতাম, তাহলে দেখিয়ে দিতাম যে, এম. এ-তে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট কবিও হতে পারে ইচ্ছে করলে।’

‘লাইলী ছিল সাধারণ মেয়ে; মজনু তাকে এমন করে সৃষ্টি করে গেল, যেমন করে দেবতা তো দূরের কথা স্বয়ং ভগবানও সৃষ্টি করতে পারেন না।’–কথাগুলো নজরুলের। ফজিলাতুন্নেসার মুখোমুখি হয়ে তার এই দশাটিই হয়েছিল :
উন্মাদ ফর্হাদ যারে পাহাড় কাটিয়া/ সৃজিতে চাহিয়াছিল–একি সেই শিরীঁ?/ লাইলী এই কি সেই, আসিয়াছে ফিরি/ কায়েসের খোঁজে পুন?
kazi-nazrul_3.jpg
কিন্তু দুর্ভাগ্য কবির, মিস নেসা লাইলির ভূমিকায় অবতীর্ণ হন নাই। এই নারীকে কবি আবিষ্কার করেছিলেন ‘ডিউটিফুল’ ও ‘বিউটিফুলে’র এক অদ্বয় সত্তারূপে। যে সুন্দর কিন্তু অনেক হিশেবি, সাবধানী, সতর্ক। এক মাসেরও কম সময়ের পরিচয় এবং একতরফা ব্যাকুলতা। শুরুটা হয়তো এমন ছিল না। কারণ, নজরুলের অতিরিক্ত চা ও পান খাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখেছি আমরা ‘অঙ্কশাস্ত্রের ভাড়ার-রক্ষী’কে। বার্ষিক সওগাত-এ ফজিলাতুন্নেসা ‘শুধু দুদিনের দেখা’ নামে একটি গল্প পাঠিয়েছিলেন। নজরুল গল্পটি সংশোধন করেছিলেন ‘দুদিনের দেখা’ নামে। সংশোধনের আগে ও পরে গল্পলেখিকার সম্মতি ও মতামত জানতে চেয়েছিলেন কবি, চিঠি মারফত। কিন্তু অপর পক্ষ একেবারে নিশ্চুপ।

‘তুমি মোরে ভুলিয়াছ’ কবিতাটি অনেকটা ফ্ল্যাশবাক, এই প্রেম-আখ্যানের। কবি-চিত্তে জ্বলে ওঠা দীপালি-উৎসবে কবিতার শুরু এবং এ আলো নিভে যাওয়ার মধ্য দিয়ে শেষ। মাঝখানে কল্পনা, শোক ও উচ্ছ্বাস।

তুমি মোরে ভুলিয়াছ তাই সত্য হোক।–/ সেদিন যে জ্বলেছিল দীপালি-আলোক/ তোমার দেউল জুড়ি’ ভুল তাহা ভুল!/ সেদিন ফুটিয়াছিল ভুল করে ফুল/ তোমার অঙ্গনে প্রিয়!

শেষ হচ্ছে বাস্তবতাকে স্বীকার করে নেবার সংকল্পে :
সুন্দর কঠিন তুমি পরশ-পাথর,/ তোমার পরশ লভি’ হইনু সুন্দর-/ -তুমি তাহা জানিলে না!… সত্য হোক প্রিয়া/ দীপালি জ্বলিয়াছিল–গিয়াছে নিভিয়া।

‘আরতি থামিয়া গেল শিবের মন্দিরে’ এবং দীপ হাতে এগিয়ে আসা নারীটিও হারিয়ে গেল এ বস্তুজগতের থেকে বাইরে কোথাও–সেই ‘স্বপ্ন’ কবিতার মতো ঘটনাটি এখানে ঘটে নি। ফজিলাতুন্নেসার প্রসঙ্গ আরও বেশ কিছুদিন হয়তোবা শেষাবধি তাড়িয়ে ফিরেছে কবিকে। তার সঙ্গে শেষ দেখা হয় সওগাত-এর অফিসে। মিস নেসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে ১৯২৮ সালের সেপ্টেম্বরে সরকারি বৃত্তি নিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য বিলাতগমন করেন। সে উপলক্ষে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন, ‘সওগাত’-এর পক্ষ থেকে। এ অনুষ্ঠানে নজরুল একটি গান গেয়েছিলেন ‘জাগিলে পারুল কিগো’ শিরোনামে। গানের কথাগুলি লক্ষণীয় এই জন্য যে, এতে ব্যক্তিমনের আকুতিও লুকিয়ে আছে :
‘চলিলে সাগর ঘুরে/ অলকার মায়ার পুরে,/ ফোটে ফুল নিত্য সেথায়/ জীবনের ফুল্লশাখে।…থেকো না স্বর্গ ভুলে/ এ পারের মর্ত্যকূলে/ ভিড়ায়ো সোনার তরী/ আবার এই নদীর বাঁকে।’

ব্যক্তিমনের আকুতি বললাম, কেননা ‘ফিরে সে আসতেও পারে’ এই আশাবাদ হয়তো ফুরায় না কোনোদিন। ফজিলাতুন্নেসার বিবাহ-সংবাদ শুনে কবি লিখেছিলেন ‘বাদল বায়ে মোর নিভিয়া গেছে বাতি’ গানটি। এ গানের কথাগুলিতেও সেই অন্তর্লীন আর্তিরই সাক্ষ্য :
‘শূন্য করি মোর মনের বনভূমি/ সেজেছ সেই ফুলে রানীর সাজে তুমি।/ নব বাসরঘরে/ যাও সে সাজ পরে/ ঘুমাতে দাও মোরে কাঁটার শেজ পাতি’।’

কল্পনার অঙ্কলক্ষ্মী আর বাস্তবের গৃহলক্ষ্মী এক হবার নয়। হয় নি কোনোকালেই। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, প্রেমের এই অধ্যায় যখন রচিত হয়ে চলেছে কালের পৃষ্ঠায়, সাংসারিক পরিচয়ে নজরুল ততদিনে স্বামী ও পিতা, ফজিলাতুন্নেসা নিতান্তই কুমারী–কুমারী মাত্র নয়, উজ্জ্বল তাপসী। কী চেয়েছিলেন কবি এই তাপসীর কাছে? অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় কেবল একটু সম্মতি, সাংসারিকতার বাইরে উতরোল প্রেমানুভূতির সশ্রদ্ধ স্বীকৃতি মাত্র। যেন শুধু এইটুকু আর্তি : ‘যাবার বেলায় ফেলে যেয়ো একটি খোঁপার ফুল’।

আশ্চর্যের বিষয় এই, নজরুল ও ফজিলাতুন্নেসার পটপ্রেক্ষিত সামনে রেখে কবির বহু কবিতা ও গান পাঠ করলে তাতে বিমূর্ত ভাবব্যঞ্জনা যেন মূর্ত হয়ে ওঠে। প্রায় সব প্রেমের কবিতা ও গানে যেন এই দ্বৈত সত্তারই লীলা।

এর কারণ হয়তো কবির স্বেচ্ছানির্বাসিত জীবনবোধ, বিপুল মর্ষকামিতা, কল্পিত বিরহ-সন্তাপ, প্রবল আত্মাভিমান। বারবার স্যাডনেসের কথা বলেছেন নজরুল। এক চিঠিতে মোতাহারকে বলছেন : ‘রবীন্দ্রনাথ আমায় প্রায়ই বলতেন, ‘দেখ উন্মাদ, তোর জীবনে শেলীর মতো, কীটসের মতো খুব বড় একটা tragedy আছে, তুই প্রস্তুত হ।’ জীবনে সেই ট্রাজেডি দেখবার জন্য আমি কতদিন অকারণে অন্যের জীবনকে অশ্রুর বরষায় আচ্ছন্ন করে দিয়েছি, কিন্তু আমরই জীবন রয়ে গেছিল বিশুষ্ক মরুভূমির মত তপ্ত-মেঘের ঊর্ধ্বে শূন্যের মত। কেবল হাসি কেবল গান।’

বস্তুত নজরুলের জীবন শেষ পর্যন্ত বিশুষ্ক থাকে নি, একটা ট্র্যাজেডিতেই পরিণত হয়েছে। ট্র্যাজেডির নায়কের যে ধরনের জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হতে হয়, সেসবেরই একটা স্বর্ণযোগ ঘটেছিল কবির জীবনে। কবি বলতেন, দেবতা গ্রেট হতে পারে কিন্তু সুন্দর নয়। তার আর সব আছে, চোখে জল নেই। এই জলই তাই কবির অহংকার–

নাইবা পেলাম কণ্ঠে আমার তোমার কণ্ঠহার,/ তোমায় আমি করবো সৃজন এ মোর অহঙ্কার।/ এই তো আমার চোখের জলে,/ আমার গানে সুরের ছলে,/ কাব্যে আমার, আমার ভাষায়, আমার বেদনায়,/ নিত্যকালের প্রিয়া আমার ডাকছ ইশারায়।

তাই নজরুল তার বন্ধুকে লিখেছেন : যেদিন আমি ঐ দূর তারার দেশে চলে যাব–সেদিন তাকে বলো এই চিঠি দেখিয়ে–সে যেন দুটি ফোঁটা অশ্রু তর্পণ দেয় শুধু আমার নামে।

এই যেন শেষ বাণী, শেষ প্রার্থনা কবি ও প্রেমিকের।

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (2) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন khalil Mazid — মে ২৭, ২০১৩ @ ৫:৩১ অপরাহ্ন

      ধন্যবাদ গালিব। লেখাটা প্রায় অনালোচিত একটা বিষয়কে আলোকিত করেছে। জানতাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ফজিলাতুন্নেসার সাথে পত্র যোগাযোগ ছিল কবির। কিন্তু তার সঞ্চিতার উৎসর্গ বিষয়ে অনুমতি চাওয়া এবং এ নিয়ে বেশ কিছু কবিতা ও গানের সংশ্লিষ্টতা লেখাটাকে সমৃদ্ধ করেছে।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সোহেল হাসান গালিব — মে ২৮, ২০১৩ @ ২:০১ পূর্বাহ্ন

      খলিল ভাই, অনেক অনেক শুকরিয়া।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com