ফিলিস্তিনের গান
ফিলিস্তিন; নিজ বাসভূমে কাঁটাতার আর চারদেয়ালের চতুর্ভূজে বন্দী মানবতা! উপরের খোলা আকাশপানে চেয়েও মুক্তির সীমানা বিস্তারের উপায় নেই। সেখানে আকাশ প্রহরায় ঝাঁকে ঝাঁকে বোমারু বিমান মৃত্যুর মিছিলে অবিরাম ধেয়ে চলে। সীমানা দেয়ালে লেপ্টে থাকে শিশুর মগজ আর পোড়া মাংসের গন্ধ। এভাবে যুগের পর যুগ, পরম্পরা থেকে পরম্পরায় ভূমির সাথে জীবন আর বংশগতির সীমা সঙ্কুচিত হয়ে আসে নিখুঁত হত্যার অংকে; এই অসভ্য সভ্যতায়।
প্রেম কিন্তু থেমে থাকে না। মিলনের ফুল অবুঝ শিশুও কেমন মৃত্যুকে আদর করে বুকে চেপে; গুলতি হাতে সটান দাঁড়িয়ে যায় ভয়াল ট্যাংকের সামনে!
তাই প্রতিরোধও জারি থাকে। অখন্ড মানবসত্ত্বার অংশ বলেই কিনা, যুদ্ধের বিপরীতে মুক্তির কাঙ্খাতেই তা বয়ে যায় মানুষ থেকে মানুষে; পৃথিবীর প্রতিটি কোণায়; প্রেমের পরম্পরায় …।
বিভেদের দিন ঘুচলো না কোনোদিনও
সমতার পটে চললো না ছবি আঁকা,
ফিলিস্তিনের রক্ত জমাট বুকে
এখনো চলছে কালো ট্যাংকের চাকা।
বিশ্ববাজারে যুদ্ধের বিকিকিনি
অস্ত্র পাঠায় শান্তির মহাঘুমে,
শবযাত্রার মিছিলগুলোও আঁধার
বোমারু বিমান ক্ষেপনাস্ত্রের ধুমে।
আমরা দুজন নীরব পৃথিবী কোণে
মেলে দিতে চাই সাম্যের সামিয়ানা,
শাদাকালো সব স্বপ্নেরা ছুটি নেবে
রঙিন স্বপ্ন মেলবে রঙিন ডানা।
প্রেমে আর প্রেমে; প্রতিবাদে-প্রতিরোধে,
দু’জনার থেকে মিলবো লক্ষ প্রাণে,
বোমারু বিমান পাখি হয়ে উড়ে যাবে
প্রজাপতি আর শিশুদের গানে গানে।
ডিসেম্বর-২০০৮।


বোমারু বিমান পাখি হয়ে উড়ে যাবে
প্রজাপতি আর শিশুদের গানে গানে।
অসাধারন মামুন..ভালো লাগলো।
কবি মামুন দীঘর্জীবী হোক।
ভালো লেগেছে কবি। শুভেচ্ছা।