গুচ্ছ কবিতা

মেসবা আলম অর্ঘ্য | ২৯ december ২০১২ ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন

লেবুপাতার মিল

মন্ড কি মন্ড না
আলাদা একা লেবুপাতার মিল

যেই পাপ বুঝলানা সেই পাপ তোমার হইলো না - তুমি ইনোসেন্স ক্লেইম করতে পারো
নৈঃশব্দের স্ফটিক
টিপে টিপে বসাতে পারো আকাশে - চাঁদের দিকে, সূর্যের দিকে -
সেগ্রিগেশান -
একটা পানিভর্তি বেলুন, ওই যে
যার কথা হচ্ছিলো টেপা চোখে
কুয়ার ভিতর
বিকট লাল শব্দ
বিকট লাল জিৎ

ভিজিয়ে ফেলতে পারো পয়সা দিয়ে কেনা জিনিসের শুষ্ক
রোদ রোদ
জ্যোস্না জ্যোস্না
অবয়ব
অবয়ব পড়া মন - কাঁটা বিধে আছে -
দুপুরের কড়া রোদে বিরাট মাশরুম কলনি
হাজার হাজার ছাতা! থিকথিকে - শাদা কুৎসিত
এক সেট তাস
বাঁকিয়ে টেনে ছেড়ে দিতে কেমন মজা?
অনুভূতি -
অণু একটা ঋতুর নাম

কবর খুঁড়ে হাড্ডিগুড্ডি
হাড্ডিগুড্ডির ওজনই সবচে বেশি - যেহেতু মাসের শুরুতে ভাড়া দিয়েছি
এই ফ্ল্যাটে আমি এখন যা খুশি করবো - কার কী বলার আছে
কারো কিছু বলার নাই - যতক্ষণ না আমি ফায়ার এলার্ম বাজায় ফেলতেসি
যতক্ষণ না আমি আলুসিদ্ধ বসায়ে ঘুরতে গিয়ে ভুলে যাচ্ছি আলু সিদ্ধ হচ্ছে আমার ফ্ল্যাটে
আলুসিদ্ধ - আলুসিদ্ধ - মাশরুম -
বিষ্ফোরিত আলুর মেঘ ছাদ কালো করে ফেলেছে
ফিরে এসে দেখলাম
দমকলের লোক রশি বেয়ে উঠতে চাচ্ছে আমার ফ্ল্যাটের জানালা ভাঙছে
সেগ্রিগেশান?
মন্ড কি মন্ড না - বসার ঘরের টেলিফোনের
গলিত আলাপের
তারগুলিকে জিজ্ঞেস করার উপায় নাই -
আসলে দরকারো নাই। সময় দিলে সব ট্রমা কাটে
আবার নতুন ঘর ভাড়া করা যায় -
আবার -
আবার - চলতে থাকে কার কুয়ায় বেঁচে থাকবে তুমি?
খেলা শুরু হলে
আলু খাও -
বাক্যালাপের মেরুদন্ডে আঁঠালো রেশম
যখন মাকড়শা উঠে আসলো পানি থেকে ডাঙায় - তার জাল গেলো বদলে

শ্বাসে তন্তয়
গতকালের ঐকান্তিক

কিন্তু ওই যে বিষ্ফোরিত একা, পুড়ে যাওয়া ফ্ল্যাটের সমস্ত কালো ছোপ লাগা একা
কালো তারার মতো

সেগ্রিগেশান - নিজের জন্তুকে না ফাঁপালে তুমি ঘর হারাবে
স্বপ্ন হারাবে, বিয়ে ভেঙে যাবে
সবাই মুখ ফিরিয়ে নেবে তোমার কাছ থেকে
নজরুলের কবরের পাশে সন্ধ্যাবেলা বাদাম ছাড়াতে ছাড়াতে মনে হবে
এই লাল ইটগুলার নিচে খালি হাড়গোড় -
কি আশ্চর্য
দুলতে থাকো সন্ধ্যা - দুলতে থাকো - লাফিও না - দাঁড়িয়ে থেকো না
দুলতে থাকো ছড়ার ছন্দের মতো
পাহাড়ি ঝুমুরের মতো কাহার্বার মতো
অনুরাগ
কুমকুম দিলে দেহে
মনে
ছন্দে
নাইলনে লিখো বা না লিখো কিছুই যায় আসে না
আবেগের তলস্রোত বলো - অন্ধকার টিভি ফেলে বেরিয়ে আসো রাদের সাথে ফুটপাথে
মধ্যরাতের ফুলের দোকানে গুচ্ছ গুচ্ছ কশেরুকা -
অন্ধকারে ধক ধক করে জ্বলছে কেন ওই বুড়াটার চোখ?
কেন তোমার সমস্ত চিৎকার
জট পাকিয়ে ঢুকে পড়ছে কৃষ্ণচুড়ার বনে -
হাসতেসো কেন?
তরতর করে কবরের উপর গোলাপচারা বেড়ে উঠলো লাশ খেয়ে
লাশখেকো গোলাপ মরে পাপড়ি ঝরলো কবরের উপর চোখের পানি নাকের পানি
মিশে গেলো আহা - আহা - আর দেখবো না তাকে
আর দেখবো না - কোথায় গেলে তুমি?
কোথায় গেলে কোথায় গেলে কোথায় যাচ্ছো লাশখেকো রক্তগোলাপ?

আসলে ব্যাপার না! নিজের জন্তুকে এত মূল্য দিচ্ছি কারণ ব্যাপারগুলি লাশের জন্য না
নাকের পানি চোখের পানি হাওয়ায় ফর্ফর ফর করে উল্টে যায়
মহৎ গ্রন্থের পৃষ্ঠার মতো
ঋতু আসছে
ঋতু আসছে
চাহিদা মাফিক - যেই পাপ বুঝলা না
যেই হেতু ঘরের ভিতর
ঘর থাকে - হতাশার থাকে ট্যাবলেট
ট্যাবলেটের থাকে আরো ট্যাবলেট
তুমি চাইলেই যেকোনো দিকে নিয়ে যেতে পারো
চাইলেই হাজার বছরের ভয়
জাগিয়ে তুলতে পারো টবে বোনা চারার ভিতর
দোলে দোদুল
হাওয়ার অন্ত্র ঝুলে থাকে
আলু ভরে নাও
রাগ করো ললিপপ - রাগ করো হাজার নিরাময়ে
যা হবে তা হবারই ছিল
তুমিই খালি বুঝতে পারো নাই। তুমিই খালি তোমার মতো
কুয়ার নিচে সাজিয়েছো সুস্থ স্বাভাবিক আকাশ
গভীরতা, নিভৃত্য
প্লাস্টিক গলে বেরিয়ে আসা টেলিফোনের তারে আর চালাক স্বরে বলা যাচ্ছে না
কই তুমি?
বলা যাচ্ছে না - কারণ আলুসিদ্ধ বসিয়েছিলে
কারণ তোমার তলাহীন পা পেট
ঘুম ভেঙে উঠে বসে সন্ধ্যাবেলা চাদরের উপর
এক পাশের ফুল অন্যপাশের শেলাইয়ে মিশ খায় না
খায় না
শুধু হাওয়ার ঘুর্ণি

মন্ড কি মন্ড না

মনে পড়ে কি অদ্ভুত নরোম গন্ধ লেগে ছিল লেবুগাছে

গুঁড়ির পাশে গর্ত খুড়ে ভেড়ার গলা চেপে ধরা হলো

গর্ত ভরে উঠলো রক্তে

মনে পড়ে হাস্নুহেনার ডালে বাঁধা রশি

ছুরি থেকে ছিটকে আসা চর্বি মাখা হাওয়ায় খুলে নেমে আসলো লেবু পাতা
গর্তভরা কাঁচা রক্তের পুডিঙের উপর

একটা কুকুর জিব বের করে থাবা মেলে বসে আছে

ফ্ল্যাট বাড়ি

তিনতলার বারান্দায় কিছু খালি বোতল পড়ে আছে
কাগজের গ্লাস, ছেড়া ফিল্টার

ঠিক তার নিচের বারান্দায় দরোজা খুলে মেয়েটি বেরোলো
গোলাপের মতো লাল শূন্য টব

ঠিক তার নিচতলায় একটা হেলানো শাবল

বোতলগুলির উপর
মেয়েটার পিঠে, শাবলে
ধাক্কা খেয়ে গড়িয়ে যাচ্ছে চিকন মেয়েলি স্বরের মতো
মেয়েলি স্বরে ডাকছে কে যেন
রেলিং ধরে
ফ্ল্যাটের চাবি ফেলে দিচ্ছে নিচে

চায়না দুপুর

চায়না দুপুর যখন গিলে ফেললো আমাকে - আমার ঘুরিয়ে বলার আর কিছু থাকে না।
প্লেটের কিনারে ফেরার অপেক্ষা করি। কতদিন
তবু চায়না আঁকিবুকি
বইগুলোর পৃষ্ঠা ছিড়ে কাগজের পয়ার বানাই - জানলা খুলে দেই?
উড়তে উড়তে ওরা
তুষারের নিচে
ওই কত নিচে, কিনারে
গাছগুলি মরেনি - শীত এসেছে শুধু আজকে অন্ধকার দুপুরবেলা
ভীষণ দুরাশায়
ওদের মনে পড়ুক বই বাঁধনের উত্তাপের কথা, মলাটের কথা…
সমস্ত প্রশ্নে ওরা চুপ করে থাক

পার হতে হতে

কখন একটা মৃত্যু হলো
পার হতে হতে দেখা গেলো না
বাইরে বেরোয় না একদম, ঘরে বসে থাকে
তার কথা মনে পড়ে পুরানো হয়ে গেলে
পুরানো মানে সূর্য ডুবে যাবার মুহূর্তে কালো লোকটা
দুই হাতে দুই কমলা নিয়ে হেঁটে আসছে বাগান থেকে
আমি কোনোদিন ভাল বোধ করিনি

চায়না আর চায়নাকে দেখার বাইরে চায়না
চায়না আর চায়নার মধ্যে ঢুকে
থেকে থেকে অপেক্ষা যায় এক ভিড় থেকে অন্য মানুষ
চায়নায় কমলার খোসা
খুব খোসা - খুব মৃত্যু - পার হতে হতে দেখা গেলো না

সম্নিলকি ১২

দূর কোনো ভিতর জেনে আমার সেই কবে
থালাভরা শামুক বসে আছে
খুলছিনা . . .
আসো ঝিল দেখি। কিন্নর, এমনকি বেড়া – তুলনা করে বলি, আমায় যখন ডাকা হলো
রঙ শুকালো পলেস্তারা

কেউ নাই
বিমানের খেলা দেখতে গেছে
ভুট্টাক্ষেতে জেটের ছায়ায়
বেড়ার পর বেড়া শুঁকে দেখলো গোয়েন্দা পুলিশ
তেমন কেউ নাই, গোয়েন্দা জানালো
খামারবাড়ির আকাশ কি শাদা
টিলার ঢাল ধরে পাতা ঝরেছে
কলের শব্দ। অন্ধ বৃদ্ধা। বড় রাস্তায় চিলের মতো নেমে আসে এলুমিনিয়াম

কেন আসি … আসলে তো টানেনা কিছুই
জমজ ঘুলঘুলি, একেকটা অনুক্ত আকার
টিলায় বলেছিল
আমায় বলেছে হারিয়ে আছো তুমি – এইটাই পাপ
গাছ বোনো
কাপড় মেলে দাও। কুকুরগুলি নতুন লোক শুঁকে শুঁকে দেখে
আমাদের শামুক ঠান্ডা হচ্ছে

চাবি

আমাকে জানানো হয়নি
আমার বমি লেগে আছে চাবিকাটা যন্ত্রে
আমাকে জানানো হয়নি কিছুই
আমি কি চাবি চেয়েছি কারো কাছে?
নম্বর তো হারাবোই। সব বাড়ি হারিয়ে আসবো
কেনো বলছো ভাঙা গড়ার কথা

এক খোপের শেষ অন্য খোপের
ক্ষার তাপে রঙ উঠে যাচ্ছে ! আমি খালি শিশি হাতে
সবার মায়া বুকের ভিতর কাঁদবোনা


ডাক্তার

আমাকে একটা অসুধ দাওতো ডাক্তার
আমি তোমার দুরুহতম
দুরুহতম যতি
আমাকে অসুধ দাও, ভাল করে দাও
ভাল করো
টান টান করে দাও পাখা
অন্ধকার টাওয়ার ফেলে নেমে আসো
মুখের উপর ঘুরিয়ে ধরো টর্চ - আসো তো দেখি আমার
কোথায় কোথায় অপার মহিমা?
কোথায় আমার বিকাল পড়ছে আর লোহা পড়ছে
চিক চিক করে উবে যাচ্ছে চোখ
আমার পকেট হাতড়ে ব্যাটারি বার করো
যোগ আর বিয়োগ দেখাও
আমাকে বলার সুযোগ দিওনা কিছু
কাচের টুকরার মতো সোজা করে, তেরছে করে, পেরেক আর বাষ্প করে
চোখ ধাঁধানো আলোর পিছে আমার থ্যাবড়া ছায়ায় উপুর করে দাও এন্টিবায়োটিক

তার্পিন শিশি

হ য বর লো
সুঁইয়ে সূতা ভরো দেখি!

তার্পিন শিশি খুলে দাও

ডাক্তার

ঘুমের ভিতর
রক্ত আর জবা এক ফুল নয়
এক সময় নয় কেন — - কুঞ্জবনে সুস্থ স্বাভাবিক লো -
আমি কি এখন গান করবো
পোস্টার খুলে মোম ঘষবো বনের ভিতর
আসল রূপের মতো, না?

আসল এক ফোটা মোম গলে গলে পার হচ্ছে নিজেকে

ছোঁয়ালে ঠান্ডা
জিবে দুল
আর কিছু লাগবেনা তোমার
উত্তাপ? - আমার থাবা তোমার থাবা এক করো - এইবার আসো গোল্লা বানাই
শরীর ভরা কাঁচা তেতুল টিপে টিপে কি
কানা কানি কি
চুলে রঙ দাও চুল কেটে ফ্যালো
আয়না সরিয়ে দেখো
তোমার পিছনে
তার্পিনে

কখন গলে যাচ্ছি আমি
ফাঁটল
গুঁড়ি
উপড়ে যায় কাঠে, করিডোরে
ভূতের গায়ে ধাক্কা মেরে বাসনুল্টে চিৎ- — আছড়ে ভেঙে দেখো আমার ভিতর
খুব
আমার ভিতর চিনি আর চুন মিশ খাচ্ছে না

Flag Counter

প্রতিক্রিয়া (৩) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন zubair — december ২৯, ২০১২ @ ৯:১৯ পূর্বাহ্ন

      খুবই দুঃখিত অর্ঘ্য! এটা সম্পূর্ণ আমার ব্যর্থতা, আমিই বুঝতে পারি নাই… কবিতার সাথে আমার কদাচ সাক্ষাৎ হয়…তাই হয়ত!
      বুঝদার- সমঝদার মানুষ অবশ্যই বলবেন “অর্ঘ্য দারুন লিখেছে…!”

      আল্লাহ তোমার ভালো করুন!

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Mostafa — december ৩১, ২০১২ @ ১০:৫২ পূর্বাহ্ন

      তুমিই খালি বুঝতে পারো নাই। তুমিই খালি তোমার মতো
      কুয়ার নিচে সাজিয়েছো সুস্থ স্বাভাবিক আকাশ … সুন্দর ।।। খুবি সুন্দর

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Choyon Khairul Habib — জানুয়ারি ১৭, ২০১৩ @ ৭:৪২ পূর্বাহ্ন

      ‘সম্নিলকি ১২’ পড়বার পর অন্যান্যগুলা পড়লাম। সম্নিলকি-১১ অব্দি এই সিরিজ এপিক ধারা প্রপাতটির সাথে আমার সম্পর্ক হয় বছর খানেক আগে, যখন মেসবাহ ফেসবুকের ‘জুলেখা সিরাপ’ গ্রুপের প্রতি বদান্য হয়ে আগে প্রকাশিত ঐ ১১টা পর্ব সেখানে ফাইলবন্দি করেছিল!

      আমি কবিতা মুখস্থ করতে পারি না, নিজের কবিতার লাইন হুবহু মনে রাখতে পারি না! তাই বলে কবিতা শুধু অনুভবের, কবিতা অনুপ্রেরণাজাত, কবিতা অনেকরকম– এসবের খদ্দেরও আমি নই। একটা ভাবনার সম্পূর্ণতা আমি কবিতাতে খুঁজি; আর পেছনের প্রয়াসটা রক্তে, মাংসে বিশ্লিষ্ট দেখতে চাই! ওমর শামসের ‘খোয়াবনামা’ পড়ে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস খুশি হতে পারেন নাই, তার ভেতর উনি ‘রক্ত মাংস’ পান নাই; তাই জানিয়েছিলেন হাসান আজিজুলকে এবং নিজের মত করে ‘খোয়াবনামা’ লিখেছিলেন!

      আখতারুজ্জামানের ডাই হার্ড ভক্তরা হয়ত অনেক কিছু পেয়েছে সেখানে, আমাকে তা সন্তুষ্ট করতে পারে নাই। আবার ওমর শামসের লেখাটাও সুন্দরের অতিরিক্ত কিছু আমাকে দিতে পারে নাই, আমি এপিকের ভক্ত হওয়া সত্বেও! ওমর শামস, আখতারুজ্জামানসহ আরো অনেক বাংলাদেশি লেখকেরই মূল সীমাবদ্ধতা তাদের বাংলাদেশে থাকবার সীমাবদ্ধতা! যেই সীমাবধ্বতার খোড়া অজুহাত হিসাবে ‘জাতীয় সাহিত্য’ কে বিশ্ব সাহিত্যের বিরুধ্বে দাড় করিয়ে দেয়া হয়েছে এবং ভাষাতে, প্রক্ষেপনে, নান্দনিকতায় একটা কথিত লোকজীবনভিত্তিক কুপমন্ডুকতা তৈরি করা হয়েছে!

      অর্ঘ্যের ‘সম্নিলকি’র আগের ১১ পর্বের সাথে এখানের ১২ টুকু মিলিয়ে পড়তে গিয়ে মনে হ’লো, উল্লেখিত ভাবনাগুলার উত্তর আমি ওর কবিতায় পাই! সাহিত্যের সীমাসরহদ্যের পাশে ব্যাক্তির ভিতরটাকে উনি উজাড় করে দেখান তার অনুষঙ্গের খোলতাইয়ে! সেখানে ছাত্রদের বিদেশি ডর্মের অনুষংগের হাত ধরে ধরে, সহজেই ”ছিপ, বড়শি…” আমাদের পরিচিত অনুসংগগুলা চলে আসে! ডায়াস্পোরাকে উনি ‘অনায়াসে’ ব্যাক ট্র্যাক করিয়ে আমাদের জমিনে নিয়ে আসার সময় দেখি যে একটা অর্জিত, চর্চিত আয়াস সেখানে আছে, যাকে আমরা বলি ক্র্যাফট পার হওয়া শিল্পের সহজ যত্নবোধ!

      আমি ক্লান্তিহীন কবিতা পাঠক। কিন্তু বাংলা ভাষাতে মূল্য দেবার মত কবিতা গত ৩০ বছরে খুব কম দেখেছি! এই ভাষাটা তার সবচেয়ে ভাল কবিতাগুলাকে মূল্য দিতে পারে না। হরেদরে মাঝারি কবিতাকে নিয়ে প্রচুর হৈ চৈ হয়! আবার হৈ চৈ না হওয়া গুলাই যে ভাল কবিতা সেটাও নয়! আমি অর্ঘ্যের কবিতাকে যথার্থ মূল্য দিতে নিজেকে প্রস্তুত রাখতে চাই। এই কবিতার জন্য অন্ধদের ব্রেইল শেখা সার্থক গন্য হবে। ধন্যবাদ

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us  |  Bangla Font Help

© bdnews24.com