নদীর চোখে পানি ও অন্যান্য কোয়াটরেন
দেনা
ও পায়রা নদী
লাখ টাকা পাই যদি
এক উথাল চৈত্রের দিন
আমি শোধ করে দেব তোর ঋণ!
দাবী
ঝরাপাতাগুলো কার
পাতা কুড়োনীর? না পথের?
পাতারা কী আজ বাতাসের? কার?
বৃক্ষটার কোন দাবী নেই আর!
নদীর চোখে
আমার সাধ, নদীর বাঁধ
গুড়িয়ে, নদী উড়িয়ে আনি।
বায়ুর কনা, পুড়লো ডানা,
নদীর চোখে অজর পানি!
কুশল
তারপর শয়তান একা একা একা একা
একা একা দোজখের আগুনের দিকে
চোখ রেখে বলে আমি হেরে গেছি
আপনি এখন কেমন আছেন খোদা!
ধারণাতত্ত্ব
কোথাও হাসি নাই
খালি হাসির ধারণা
শিশু তুমি এতো পারো
হাসি তো পারো না!
বার্তা
বার্তা দিও জলে লিখে মেঘেদের বাড়ি
বার্তা দিও জলে লিখে ভিজিয়ো না শাড়ি
বার্তা দিও খুদে বার্তা, দিও তাড়াতাড়ি
না হলে তোমার কথা ভুলে যেতে পারি!
ফাঁকি
আমার বাসায় একটা ফর্সা বেড়াল আছে।
খাবার সময় হলে তারে কাঁটা খেতে দেই।
সে কাঁটা খায়। আমি তারে মা বলে ডাকি।
সে মুখ তোলেনা। তার কাঁটা খাওয়া বাকি!
প্রচুর
এই ইউনিভার্সে আমিও একজন কবি। কবিতা লিখি।
কী লাভ এসব ভার্সে-কে পড়ে? শুধায় আপন লোক।
যদিও এই ইউনিভার্সে এই একটা মাত্র ইউনিভার্সে
এই মাত্র একটা ইউনিভার্সে আমার কুড়িটা পাঠক!
সাহস
কে সাহসী?
যার মরার সাহস আছে সে বাঁচতে ভয় পায়
যার বাঁচার সাহস আছে সে মরতে ভয় পায়
কার ভয় বেশি?
সমাজ
মানো বা না মানো
এই সত্য জেনে নিও
কুত্তার রাজত্বে
সব কুত্তারাই মাননীয়!


Osadharon
”মানো বা না মানো
এই সত্য জেনে নিও
কুত্তার রাজত্বে
সব কুত্তারাই মাননীয়!”
কবি ইমতিয়াজ মাহমুদের কবিতায় আলাদা রকমের যে সুর দোলা ও দর্শন আছে আমাকে মুগ্ধ করে। বারবার পাঠ করি আর ভাবি।
ধন্যবাদ আপনাকে।
অনেক ভালো লাগলো।
মৃত্যুর জন্মদাতা পড়ে ছিলাম সেই কবে। অনেক দিন পর আবার ভালো লাগলো।
কবি ইমতিয়াজ মাহমুদের কয়েকটি লাইন উল্লেখ করার লোভ সামলাতে পারছিনা-
“নদী হাসে নদী কঁাদে
সুখ তার নয়
নদী জানে জানে খুব
ভাঙনের ভয়।”
চমৎকার।
I like it.