গুচ্ছকবিতা

ফরিদ আহমদ দুলাল | ১৮ আগস্ট ২০১২ ৮:৪০ অপরাহ্ন

১. বেদের মেয়ে

আমাদের যৌথ স্বপ্ন থেকে একবর্ণও রাখিনি আলাদা করে,
পূর্ণ একটি দিনের আত্মহননের গল্প পড়ে
সাজিয়ে রেখেছি কল্পলোকের ব্যর্থতা শূন্যতার ঘরে;
চৈত্রের কঠোর রোদ সারাদিন পোড়ে
স্বপ্ন হারিয়ে স্বপ্নের খোঁজে স্বপ্নবাজ ঘুড়ি
আকাশের নীল ছুঁয়ে ওড়ে।

মহুয়া সুন্দরী নাচে প্রজাপতি মন
সাথে নাচে সরীসৃপ বিষধর সাপের নাচন,
নাচের মুদ্রার সাথে নাচে প্রেমিক নদেরচাঁদ
পশ্মি আলোয়ান জড়োয়া ও জমি দিয়ে কেনে প্রণয় বিষাদ
ক্ষিরু নদী ডাকে সবুজের বাঁকে বাঁকে বিষকাঁটালির ফাঁদ।

বেদের বহরে মহুয়ার পাণিপ্রার্থী মানিকেরা ঘোরে
মহুয়াকে নিয়ে বেদের বহর পালায় বসতি ফেলে দূরে বহু দূরে
স্বপ্নের বসতি ভেঙ্গে যাযাবর জীবনের কাছে পুনর্বার যায় ফিরে;

প্রেমের বিপক্ষে প্রতিরোধ খাড়া জীবনের মোড়ে মোড়ে
প্রেমিক নদেরচাঁদ ফেলে রাজ্যপাট মহুয়ারে খুঁজে মরে।

১০মার্চ ২০১২

২. মহুয়াসুন্দরীর পালা

জীবনের পাঠ বদলে যায় বারেবারে
যে তুমি স্বপ্নের বিদ্যাপীঠ খুলেছিলে পরিত্যাক্ত ঘরে
সেই তুমি পলাতক আজ বিশ্বাসের আলো চুরি করে।

স্বপ্নের বিপক্ষে যারা রচনা করেছে দুঃস্বপ্নের দিন
তারাও কি ভুলে গেছে বিগত দিনের ঋণ
স্বপ্নের সাম্পান ভাসে দূর জলাশয়ে যদিও দু’চোখের দৃষ্টি মলিন;
যেন দুঃসংবাদ দিয়ে শুরু আমাদের প্রতিটি আগামী দিন।

সূর্য উঠেছিলো যথারীতি যখন সকাল
গৃহস্থের ঘরে ছিলোনা আকাল
গোলা ভরা ধান ছিলো গলা ভরা গান
বুক ভরা দুধ ছিলো কোলে সোনার সন্তান;

অন্ধকারে আসে চোর সোনা-রূপা সম্পদের লোভে
মায়ের বুকের কাছে ঘুমায় সোনার মেয়ে অলীক সৌরভে
সোনা-রূপা ভুলে রূপের মাধুর্য নিয়ে পালায় পামর চোর
জীবনে সে পেয়ে যায় হঠাৎ সোনালী ভোর।

লোকবাংলার প্রণয়গাথা মেওয়া সুন্দরী যার নাম
বেদের দলের সাথে ঘোরে পথে পথে
যাযাবর জীবনে থাকেনা সাকিন থাকেনা নিজস্ব ধাম।
সোনার যে কন্যা ছিলো গৃহস্থের ঘরে
মহুয়া সুন্দরী হয়ে বনে সাপ ধরে;
বিষ দিয়ে বিষ মারে বিষ করে ক্ষয়
যুবকেরা দূরে থাকে রূপে সামান্য- অধিক বিষে ভয়।
মহুয়ারা আজো আছে পৃথিবীর পথে
সোনার পালঙ্কে শুয়ে মার্সিডিসে কেউ উল্টোরথে।

১১.০৩.২০১২

৩. মগজ ধোলাই

সতীত্বের পরীক্ষা দিয়েছে নারী বারেবারে
পুরুষের পাপে নারী পুড়েছে একাকী অন্ধকারে
সতী সীতা সাবিত্রী-বেহুলা কমলারাণী থেকে মহুয়া
বিপন্ন জীবন পুড়েছে অন্তর তবু দিয়ে গেছে ছায়া;
যুগে যুগে নারী পুরুষের লালসা ও কামের শিকার
ছড়িয়ে দিয়েছে পুরুষ নারীতে প্রণয়-বিকার;
মোহ মায়া প্রেমে ভালোবেসে নারী আকাক্সক্ষা করেছে সুঠাম পুরুষ
অবাধ্য চুলের গোছা কোনোদিন নিয়ন্ত্রণ করেনি কুরুশ।
আত্মরক্ষার্থে রমনী ছলনার কলা করেছে রক্ষাকবজ
ধোলাই করেছে পুরুষ কব্জায় নিতে পৃথিবীর নারীর মগজ।

১২ মার্চ ২০১২

৪. মূল্যবোধ বিপর্যয়

বাণিজ্যে বসতি তার পকেটে রয়েছে লক্ষ্মীর আসন
কর্পোরেট বিশ্বকে নেপথ্যে বসে করেন শাসন
কব্জায় রয়েছে ইন্টারনেট ফেসবুক টুইটার সেলফোন
বিপণন সিন্ডিকেট করায়ত্ত তার
অঙুলি হেলনে ওঠে বসে ক্রাইমজোন।
মাদকাসক্ত যুবক নতজানু তার সীমানায় এসে
মক্ষীরাণীও বিবস্ত্র দিবালোকে অকপট হেসে।

লসএঞ্জেলস প্যারিস সিঙ্গাপুর হিল্লি-দিল্লি ও ব্যাংকক
তুড়িতে হাজির চারপাশে সারাক্ষণ সহস্র স্মাবক
জাফরান এলাচ দারচিনি তার বাণিজ্যের বিকিকিনি
স্যাম্পেন স্কচের পাশে পেয়ে যান বিকিনি-রমনী ।
তবু তার মহুয়াকে চাই
চেয়েছে যেমন করে গাঙুরের জলেভাসা বেহুলা সবাই।
একদিকে মহুয়ার প্রেম-প্রতিজ্ঞার সাথে সতীত্বের অহংকার
অন্যদিকে লোভের ফাৎনায় জৌলুসের চরম বিকার
এদিকে মূল্যবোধের সংযম পবিত্রতার মহাজনী
ওদিকে চকচকে সোনার মোহর মোহের হাতছানি।

১৪.০৩.২০১২

৫:মহুয়া-মলুয়া-চন্দ্রাবতী

মহুয়া-মলুয়া-চন্দ্রাবতী ছাড়া আমাদের আর
নাম জানা ছিলোনা শৈশবে কোনো নায়িকার
মহুয়া বেদের মেয়ে গোখরোর ফণায় নাচে শরীরের বাঁক
মলুয়া যেমন সাত ভাই চম্পা, গ্রামে নিভৃতিতে ফোটা পদ্মরাগ,
চন্দ্রাবতী অভিমানী পাহাড় চূড়ায় শোকার্ত অনড় মেঘ
নাড়াতে পারেনি তার বিশ্বাসের ভিত পুবাল হাওয়ার বেগ;
মিশি ঘষা চিরল দাঁতের গায়ে মুক্তোদানার ঝিলিক ওঠে হেসে
ওদের রূপের যাদু মেখে মুখে হাসে পুবাকাশ সোনালী প্রত্যুষে।

যতবার তোমার সান্নিধ্যে আসি যৌবন-বসন্ত ছুঁয়ে
মহুয়ার হাসি মলুয়ার ব্যথা চন্দ্রাবতীর বিরহ-অশ্র“ স্বপ্ন দেয় ধুয়ে;
কখনো হেলেন রম্ভা তুমি উর্বশী কখনো ভেনাসের মোহ
সোফিয়া লোরেন কখনো মাধুরী বিদ্যাবালান সেজেছো
আমি খুঁজে মরি বিরহী রাধার নেহ
দু’চোখে তোমার স্বার্থ-লোভ-কামান্ধতা খেলা করে
প্রেমিক পতঙ্গ মুগ্ধ, রূপের আগুনে পুড়ে মরে।

মৌসুম এখন তথ্যপ্রবাহের ভোগবাদিতার কালে
দাঁড়ায়েছি ভুলে মহুয়া-মলুয়া-চন্দ্রাবতী বেহুলা-সকালে।

১৬.০৪.২০১২


৬: চন্দ্রাবতী-জয়চন্দ্র পালা

নিত্যসখ্য আমাদের সীমাবদ্ধ করে দেয় আরো
অন্ধকার পাঠেও চশমার প্রয়োজন কারো কারো
বৈশাখের প্রখর উত্তাপ ভেঙ্গে বেড়ে ওঠে আমের বাড়ন্ত শিশু
শিলাবৃষ্টি ঝড় পার হয়ে যায় লোকায়ত বাংলার যীশু
পেয়ারার ভাঙা-ছেঁড়া ছায়া কোকিলের ভাঙা কণ্ঠস্বরে
বৈশাখী রোদ্দুর পথে বর্শা হয়ে ঝরে
কখন বিবাগী হয়ে যায় কণ্ঠে রুদ্রাক্ষের মালা
কপালে চন্দন টিপ অবিরাম একা কথা বলা;
জীবনের বাঁক পেরিয়ে ‘জয়চন্দ্র’ ফিরে আসে যদি
অপেক্ষায় থাকে বিরহী গ্রামের ‘চন্দ্রাবতী’ নদী।

পয়ারে সাজায় মনসার পালা বেহুলার উপাখ্যান
ভালোবাসা যাকে ডেকেছে যুদ্ধের মাঠে
বীরাঙ্গনা সখিনা রচেছে যুদ্ধে বিচ্ছেদ-ভাসান।
করিমগঞ্জের পাতুয়ারী থেকে কিল্লাতাজপুরে
ছড়িয়ে রয়েছে যত ধুলোয় মলিন পথ
মলুয়ার বিরহে কাতর দস্যু কেনারাম ফেরেনি তবুও জয়চন্দ্রের প্রতারক রথ।

২৬.০৪.২০১২

৭: পক্ষিশিকার

পৃথিবীর অগণন আয়োজন ভিড়ে
তুমি-আমি আছি পেছন সারিতে পড়ে
আমি পক্ষিরাজ বিনোদ মলুয়া তুমি
আমাদের ছোট সংসারে ছিলোনা সামান্য চাষের ভূমি
পাখি শিকারী বিনোদ আমি বনবাদাড়ে ঘুরে
দিন কেটে যায় ডাহুক এবং কুড়া পাখি ধরে
খাল-বিল-জলাশয়ে মাছের নাচন
আনন্দ-বেদনা ভরা ভাটির জীবন ।

আসে বিশ্বায়ন জীবন-উচাটন মুৎসুদ্দিরা ঘোরে
কারেন্টের জালে বেসুমার মাছ দ্রুত ধরা পড়ে
কতিপয় পাখি মরে দুনালা বন্দুকে বিষটোপে মরে পাখির সন্তাপ
শূন্য প্রকৃতিতে সবুজের বদলে কেমন অশুভ উত্তাপ
দিগন্ত বিস্তৃত গ্রামীণ জীবনে আজ নগর হাজির
ঘরে ঘরে বিভাজন অগণন সীমানা প্রচীর।

২৯.০৪.২০১২


৮: নারীনীতি অধ্যায়

অগণন ভোগবাদী পুরুষের সাক্ষৎ পেয়েছি পথে
শরীর-সর্বস্ব নারী কদাচ দেখেছি, যদিও উঠেছে সীতা
রাবনের রথে
পুরুষেরা পছন্দের অগ্রভাগে কাম-ক্রিয়াকেই রাখে
নারীর রয়েছে অজস্র জরুরী ক্রিয়াপদ- নারী আব্র“ ঢাকে;
প্রাণিকুল মৌসুমে সংসার গ’ড়ে বংশবিস্তারে হয়েছে ব্রতী
প্রকৃতি থেকেই মানুষের কামাভ্যাস পাঠ নারীরা হয়েছে সতী,
মৌচাকে পুরুষ মৌমাছিরা ব্যস্ত সম্ভোগে-বংশবিস্তারে
নারী মৌমাছিটি রতি-সঙ্গী হয়েও গদির কলকাঠি নাড়ে।
ঋতুবতী হলে নারী সুঠাম পুরুষ তার আকাক্সক্ষার ধন
মিলনের আগে নারী পেতে চায় প্রেমিকের মন।

পৃথিবীর কোন পুরুষ নারীর আকাক্সক্ষার মুখে
বলেছে নিজের অক্ষমতা নিজের রিপুকে রুখে?
এমন কী অক্ষম যে ঝরেছে তারও জিভে লালা;
হাবিল-কাবিল থেকে গোঠের রাখাল অথবা কলির কালা।

কন্যা-জায়া-জননী-মৃত্তিকা নারীর বিকল্প নাম
নারী থেকে নদী আকাশের মেঘ সন্তানের সাথে নাড়ির লাগাম,
লোকায়ত জীবনে নারী কেঁদেছে আকূল বিশ্বাস-আশ্রয় চেয়ে
যত বিপর্যয় ঘটেছে নারীর নেপথ্যে পুরুষ ছিলো সুতো হাতে লয়ে।

৩১, মে, ২০১২


৯. বীরাঙ্গনা সখিনা উপাখ্যান

কুক পাখি ডেকে বলে সখিনার কানে
কার জন্য করো যুদ্ধ কাকে মারো বানে
কাকে পেতে উচাটন কাকে রাখো বিমুগ্ধ-স্মরণে
কার স্বপ্নে জেগে ঝরাও মাথার ঘাম ক্লান্ত রণে?
কার জন্য সিঁথিতে সিঁদুর পরো কাকে ডাকো রোজ
তালাক দিয়েছে তোমাকে খসম সাহসী ফিরোজ;
বজ্রাহত চাঁদ সখিনা তখন ভূতলে গড়ায়
নিস্পন্দ সখিনা! ওঠে মাতম তখন নশ্বর ধরায়।

আজো আছে তাজপুরে সখিনার গোর
নেই ভিড় কোলাহল বাতাসের সোর
মাটির সড়ক শুয়ে দক্ষিণে ধুসর-বর্ণ ফিতে
আড়ার নিভৃতে ঘাস ফুল ফোটে নিত্য অর্ঘ্য দিতে,
পাহারায় রাখে কাঠচম্পা বৃক্ষের ছায়া ঢালে পুষ্পাঞ্জলি
কিল্লাতাজপুরে বীরাঙ্গনা সখিনা ঘুমায় জানে প্রজাপতি-অলি।

জুন ২০, ২০১২


১০. চন্দ্রাবতী উপাখ্যান

ঝরা বকুল ফুলের মালা স্রোেেতর টানে লয়ে
নদীটি যায় ভাটির টানে বাতাস ছুঁয়ে ছুঁয়ে,
উজান বেয়ে দূরের দেশে ‘জয়চন্দ্র’ কবে
উড়াল পাখি স্বপ্ন লয়ে মৌন কলরবে
হারিয়ে গেছে পথের শেষে দূরে নিরুদ্দেশে
ফিরবে কি-না জানে না কেউ রজনী ভোর শেষে;
প্রেয়সী তার ‘চন্দ্রাবতী’ স্বপ্ন নিয়ে বাঁচে
অপেক্ষাতে পদ্য লেখে বুকের ব্যথা রচে।

বর্ষা কালে জুঁই ফুলেরা উঠোন শাদা করে
চাঁদের আলো অঙ্গে মেখে রাতের শেষে ঝরে
শিউলি ঝরে শিশির মেখে ভোরের আগে আগে
পায়রা খোঁপে দম্পতিরা ভোরের আগে জাগে;
চন্দ্রাবতী রমনীকূল শতবর্ষ পরে
পথের দিকে তাকিয়ে আজো নিঃসঙ্গ মরে।

জুলাই ১, ২০১২

free counters

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (9) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Manik Mohammad Razzak — আগস্ট ১৯, ২০১২ @ ১:৫৫ অপরাহ্ন

      দুলাল ভাই, আপনার কবিতা পড়িযা যার পর নাই প্রীত হইলাম। পর সমাচার এই যে, ‌বেদের মেয়ে’ কবিতার ‍- বেদের বহরে মহুয়ার পানিপ্রার্থী মানিকেরা ঘোরে- চরণটি অতি চমৎকার লাগিয়াছে। এখানকার অনুপ্রাসটি মনে কিঞ্চিত ধাক্কা মারিয়াছে। বক্তব্যের মানদণ্ডে -মূল্যবোধ বিপর্যয়- কবিতাটি শ্রেষ্ঠ বলিয়া প্রতীয়মান হইয়াছে। নিয়মিত লিখিয়া আমাদেরকে উদ্ভাসিত করিবেন এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করিয়া ধন্যবাদ জ্ঞাপন করত ইতি টানিলাম।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন হাবীবুল্লাহ সিরাজী — আগস্ট ২০, ২০১২ @ ১০:০২ অপরাহ্ন

      ফরিদ আহমদ দুলাল, প্রিয়বরেষু

      লোকজীবনের প্রতি টান , লোকসংস্কৃতির উন্মোচন তথা লোকবংলায় বিচরণ কবিতাকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। লোকদর্শনের বিষয়টিও পায় অন্য মনোযোগ।
      রচনাকাঠামোর নিশ্চিত দাবী কিন্তু নব্য কলা ও অগ্রগামী কৌশলের।
      চন্দ্রাবতী রমনীকূল আজো পথের দিকে তাকিয়ে আছে…

      হাবীবুল্লাহ সিরাজী

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন হামিম কামাল — আগস্ট ২১, ২০১২ @ ২:২১ পূর্বাহ্ন

      দারুণ লাগলো!

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Chandrima Dutta. — আগস্ট ২৪, ২০১২ @ ১:১২ পূর্বাহ্ন

      Lokojo jeebon aapnar kobitay kotha bolchhe matir sure, matir tane r tai kobita aapnar jeebon mukhi. Dhnyobad kobibor, ak guchchho valo kobitar jonyo. R o kobitar opekshye. Chandrima dutta. Silchar. assam.

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন prokash — আগস্ট ২৪, ২০১২ @ ৩:৪৪ অপরাহ্ন

      ভালো লেগেছে কবিতা।…..প্রকাশ

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন matin bairagi — অক্টোবর ৭, ২০১২ @ ৮:১২ অপরাহ্ন

      ‌‌‌‌দুলাল ভাই, আপনার কবিতাগুলো আজ মনযোগ দিয়ে পড়লাম। লোকজ সাহিত্য যা আমাদের অতীত মানুষের রীরত্ব ভীরুতা আর সামাজিক রাজনৈতিক স্থিরতা-অস্হিরতা নিয়ে আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য হয়ে আছে আপনি তাকে উপজীব্য করে আমাদের বর্তমানকে যে ভাবে তার উত্তরাধিকার করে যে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন তা প্রসংশার যোগ্য । আপনার কবিতাগুলো পড়ে একজন অনুসন্ধ্যৎসু পাঠক নিশ্চয়ই সময়কে অনুধাবন করে সেই মানব জীবনের আজতকের অগ্রযাত্রায় ‘আয়রনী অব ফেট’ এর জগদ্দল কতো খানি অপসারিত করেত পারলো কি পারলো না _না কী মানুষ ঘুরে ফিরে সেই চক্রের মধ্যেই আছে_ কবিতাগুলো গড়ে এমন জিজ্ঞাসা নিজের মধ্যে জাগতে পারে । আপনাকে ধন্যবাদ আরো এজন্য যে আপনার ‘কম্পোজিশনে ‘ লোকজ আমেজটি অটুট রাখবার চেষ্টা করেছেন, যদিও পঙক্তি একটু এদিক সেদিক করে সাজালে বা কিছু বহুল ব্যাবহৃত শব্দ বিবেচনা করে তার সামার্থ শব্দ নির্বাচন করলে এবঙ ‌‌‌’কাব্য ম‌্যাজিকের’ কিছুটা আশ্রয় নিলে এবঙ সর্বোপরি অন্তমিলের বিষয়টিকে অতো বেশী গুরুত্ব না দিয়ে কবিতাগুলেকে পূণরবিন

      ্রযাস করলে আরো বিশী সুখ-পাঠ্য হতো এতো লোকজ ফেলফারটি যেমন থাকতো একই সংগে আধুনিক মনষ্কতাও খুঁঝজ পাওয়া যেতো ।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন matin bairagi — অক্টোবর ৭, ২০১২ @ ৮:২২ অপরাহ্ন

      কবিতাগুলোকে পুনরবিন্যাস করলে আরো বেশী সুখপাঠ্য হতো এতে লোকজ সাহিত্যের ফ্লেভার যেমন থাকতো এবং একই সংগে আধুনিক মনষ্কতাও খুঁজে পাওয়া যেতো । তার পরেও বলবো নতুন কিছু শুনছি নতুন করে আবার পড়ছি পুরাণোকে নতুন আঙ্গিকে ।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com