রবীন্দ্রজন্মের দেড়শ বছর

“একজন তৃতীয় সারির কবি”: রবীন্দ্রকবিতার বোর্হেসকৃত মূল্যায়ন

রাজু আলাউদ্দিন | ১৩ মে ২০১০ ৪:৪০ অপরাহ্ন

রবীন্দ্রনাথের অনুবাদক-ভাগ্য রীতিমত ঈর্ষণীয় বলা যেতে পারে। জীবদ্দশায় তাঁকে নিয়ে ইউরোপীয় ভাষায় গুরুত্বপূর্ণ লেখকরা লিখেছিলেন এবং তাঁর লেখা অনুবাদও করেছেন ইউরোপের বিভিন্ন ভাষার গুরুত্বপূর্ণ সব লেখকরা।
—————————————————————–
উজ্জ্বয়িনীপুরের স্বপ্নময় আবেশ, শিপ্রানদীর শিহরণ এবং আরও নানান অনুষঙ্গ উধাও হওয়ার পর যে কংকালটি রয়েছে তা থেকে বিদেশী একজন পাঠক এই কবিতার মহিমা কতটুকু অনুমান করতে পারবেন সেটাই আমার প্রশ্ন।
—————————————————————-
তাদের অনেকেই পরবর্তীতে জয় করেছিলেন নোবেল পুরস্কার। রুশ ভাষার বরিস পাস্তেরনাক অনুবাদ করেছেন রবীন্দ্রনাথের কবিতা। ফরাসী ভাষায় ocampo_tagore-1930.jpg…….
বিক্তোরিয়া ওকাম্পোর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ, প্যারিস ১৯৩০; শেষ দেখা
…….
আঁদ্রে জীদের মতো লেখক। আরও একজন ফরাসী কবি ছিলেন যিনি রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলি অনুবাদের আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেছিলেন, তিনি সাঁ ঝ পের্স। যদিও পরে তিনি এই দায়িত্ব অর্পণ করেন আঁদ্রে জীদকে। অন্য একটি ইউরোপীয় ভাষা অর্থাৎ স্প্যানিশে অনুবাদ করেছেন হুয়ান রামোন হিমেনেথের মতো কবি। তিনিও নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত। আমরা হয়তো অনেকেই জানি না হিমেনেথের সমগ্র রচনার এক তৃতীয়াংশ হলো রবীন্দ্রনাথের অনুবাদ। স্প্যানিশ ভাষার আরেক লেখক এবং অনুবাদক রাফায়েল কানসিনোস আসসেন্সও অনুবাদ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথের মানব ধর্ম নামের প্রবন্ধের বইটি। রাফায়েল ছিলেন বোর্হেসের গুরু, যিনি জানতেন ১৪টির মতো ভাষা। এই সব ভাষা থেকে তিনি অনুবাদ করেছেন। কিন্তু যে তথ্যটি আমরা একেবারেই জানি না তাহলো এই যে স্প্যানিশ ভাষার আরেক লেখক যিনি আজ বিশ্বব্যাপী অসাধারণ এক কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত অর্থাৎ হোর্হে লুইস বোর্হেস, তিনিও রবীন্দ্রনাথের লেখা অনুবাদ করেছিলেন।
borges_victoria_adolfo1.jpg
বোর্হেস, বিক্তোরিয়া ওকাম্পো ও আদোলফো বিওই কাসারেস

তবে অন্যদের মতো কোনো রবীন্দ্র-মুগ্ধতা থেকে সে অনুবাদ তিনি করেননি, করেছেন অ-মুগ্ধতার কারণ দেখিয়ে, একটি নমুনা হাজির করার সূত্রে। এই নমুনাটি পেশ করার আগে আমি আরেকটি মন্তব্য এখানে হাজির করতে চাই। রবীন্দ্রনাথের কবিতার প্রতি অ-মুগ্ধতার সেই নমুনাটি আমরা দেখতে পাবো, ভ্রমণলেখক ও ঔপন্যাসিক পল থেরোর সাথে বোর্হেসের এক কথোপকথনে:

“আমরা ইউরোপ নিয়ে কথা বলে যাচ্ছিলাম। আলাপচারিতা স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশগুলো নিয়ে, আর অনিবার্যভাবেই নোবেল পুরস্কারের প্রসঙ্গ এলো। আমি নিশ্চিতভাবেই যেটা বলিনি তাহলো বোর্হেস নিজে সম্ভাব্য তালিকায় উল্লেখিত নাম হিসেবে রয়েছেন। তবে, একেবারে স্বভাবসুলভ ভঙ্গির বাইরে গিয়ে তিনি বললেন, ‘পুরস্কারটা যদি পাই, তাহলে দৌড়ে গিয়ে দুহাতে জড়িয়ে ধরবো। আমেরিকান কোনো লেখক এ পুরস্কার পেয়েছিলো?’

‘স্টেইনবেক;’ বললাম তাঁকে।

‘না, আমার বিশ্বাস হয় না।‘

‘সত্যি বলছি।‘

‘স্টেইনবেক পেয়েছেন এটা আমার বিশ্বাসই হয় না। আর রবীন্দ্রনাথও এটা পেয়েছেন, তিনি তো জঘন্য লেখক। মামুলি সব কবিতা লিখেছেন: চাঁদ, বাগান। অসাড় কবিতা।‘

‘হয়তো বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করার সময় সেগুলো খানিকটা হারিয়ে গেছে।‘

‘ কেবল অনুবাদের মাধ্যমেই সেগুলো অর্জিত হতে পারে। তবে এগুলো অগভীরই।‘ মৃদু হাসলেন, মুখের মধ্যে তাঁর সুখীভাব—অন্ধত্বের কারণে সেটা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বারবারই তা ঘটছিলো। লক্ষ্য করলাম তিনি স্মৃতি নিয়ে নাড়াচাড়া করছেন। তিনি বললেন ‘রবীন্দ্রনাথ বুয়েনোস আইরেসে এসেছিলেন।’

‘এটা কি নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরের ঘটনা?’

অবশ্যই তাই। পুরস্কার পাওয়ার আগে বিক্তোরিয়া ওকাম্পো তাঁকে দাওয়াত করবেন—এটা আমি কল্পনাই করতে পারি না। হা হা করে হাসলেন তিনি। ‘আর আমরা ঝগড়া করেছিলাম। রবীন্দ্রনাথ এবং আমি।‘

(পল থরো, ওল্ড পাতাগোনিয়ান এক্সপ্রেস, মারিনার বুকস, ১৯৭৯, পৃ: ৩১৬-৩১৭)

যাই হোক, এই ঝগড়া এবং অ-মুগ্ধতা সত্ত্বেও বোর্হেস রবীন্দ্রনাথের কবিতা অনুবাদ করেছিলনে। একটিই মাত্র। কবিতাটি রবীন্দ্রনাথের কল্পনা কাব্যগ্রন্থের ‘স্বপ্ন’ শীর্ষক কবিতাটি। বোর্হেস অবশ্য কবিতাটি অনুবাদ করেছেন রবীন্দ্রনাথকৃত ইংরেজি অনুবাদের ভিত্তিতে।

মূল কবিতাটি ছিলো ৫৬ পঙ্‌ক্তির। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ ইংরেজিতে অনুবাদ করতে গিয়ে ছন্দ এবং অনুপ্রাস এড়িয়ে গদ্যে মাত্র ১৩ পঙ্‌ক্তিতে দাঁড় করিয়েছিলেন। অনুবাদটি The Gardener-এর ৬২ নং কবিতা। অসাধারণ এই বাংলা কবিতাটির কেন তিনি ১৩ পঙ্‌ক্তির বামন-ছাট দিলেন এটা এক অকূল রহস্য। গোটা কবিতা থেকে তিনি যে অংশগুলো ইংরেজি অনুবাদের জন্য বেছে নিলেন তা হচ্ছে এই:

দূরে বহুদূরে
স্বপ্নলোকে উজ্জয়িনীপুরে
খুঁজিতে গেছিনু কবে শিপ্রানদীপারে
মোর পূর্বজনমের প্রথমা প্রিয়ারে।
– – – – – – –
প্রিয়ার কপোতগুলি ফিরে এলো ঘরে।
ময়ূর নিদ্রায় মগ্ন স্বর্ণদণ্ড-’পরে।
হেনকালে হাতে দীপশিক্ষা
ধীরে ধীরে নামি এল মোর মালবিকা।

– – – – – – –
মোরে হেরি প্রিয়া
ধীরে ধীরে দীপখানি দ্বারে নামাইয়া
আইল সম্মুখে, মোর হস্তে হস্ত রাখি
নীরবে শুধালো শুধু সকরুণ আঁখি।
‘হে বন্ধু, আছ তো ভালো?’ মুখে তার চাহি
কথা বলিবারে গেনু, কথা আর নাহি।
সে ভাষা ভুলিয়া গেছি। নাম দোঁহাকার
দুজনে ভাবিনু কত, মনে নাহি আর।
দুজনে ভাবিনু কত চাহি দোঁহা পানে,
অঝোরে ঝরিল অশ্রু নিস্পন্দ নয়ানে।।

– – – – – – –
দ্বীপ দ্বারপাশে
কখন নিবিয়া গেল দুরন্ত বাতাসে।

উদ্ধৃত এই পঙ্‌ক্তিগুলোও যে রবীন্দ্রনাথ হুবহু অনুবাদ করেছেন ইংরেজিতে—তাও নয়। তারপরও দেখা যাক তিনি কী করেছেন:

In the dusky path of a dream I went to seek the love who was mine in
a former life.

Her house stood at the end of a desolate street.
In the evening breeze her pet peacock sat drowsing on its perch, and
the pigeons were silent in their corner.

She set her lamp down by the portal and stood before me.
She raised her large eyes to my face and mutely asked,’Are you well,
my friend?’
I tried to answer, but our language had been lost and forgotten.

I thought and thought; our names would not come to my mind.
Tears shone in her eyes.She held up her right hand to me. I took
it and stood silent.

Our lamp had flickered in the evening breeze and died.

(62. The Gardener)

রবীন্দ্রনাথের অবিশ্বস্ত ইংরেজি অনুবাদটির বোর্হেসকৃত বিশ্বস্ত স্প্যানিশ রূপটি হচ্ছে এরকম:

POR EL SENDERO DE UN OSCURO SUENO

Por el sendero oscuro de un sueno fui en busca del amor
Que fue mio en una vida antigua.
La casa estaba en el fondo de una calle desolada.
En el aire de la tarde su pavo real favorito dormitaba en
Su aro, y las palomas callaban en su rincon.
Ella dejo su lampara en el portal y se paro ante mi.
Alzo sus grandes ojos a mi cara y sin palabras interrogo:
Estas bien, amigo?
Quise responder. Nuestro idioma estaba perdido
Y olvidado.
Pense y pense.. nuestros nombres no llegaban a mi
Recuerdo.
Brillaron lagrimas en sus ojos. Me tendio su mano derecha.
Yo la tome en silencio.
Una lampara temblo en el aire de la tarde y murio.

(11 de Junio de 1937)

বাংলা তর্জমা করলে দাড়ায় এরকম:

স্বপ্নের আবছা পথে পূর্বজনমের

প্রিয়াকে আমার খুঁজতে গিয়েছিলেম
একলা পথের শেষে ছিলো গৃহখানি।
বিকেল বেলার প্রভঞ্জনে তাহার প্রিয় ময়ূর
ঝিমুচ্ছিলো দণ্ড-’পরে বসে, কপোতগুলো কোনাতে চুপচাপ।
কুলুঙ্গিতে দীপখানি সে রেখে আমার সামনে দাঁড়ালো।
আয়ত চোখে তাকালো সে আমার মুখপানে,

নিরবে শুধালো সে: ”বন্ধু, ভালো আছো”?
কথা বলতে চেয়েছিলাম। আমাদের ভাষা হারিয়ে গেল, বিস্মৃত হয়ে গেল।
ভেবে ভেবে সারা: আমাদের নাম স্মরণে এলো না মোর।
অশ্রুকণা ঝিলিক দিলো চোখের কোণে তার। ডান হাত তার বাড়িয়ে
দিলো আমার পানে। নিরবে তার হাতটি তুলে নিলাম।
বিকেল বেলার প্রভঞ্জনে একখানি দীপ
কেঁপে উঠে নির্বাপিত হলো।

স্প্যানিশ বাক্যগঠন, শব্দ এবং অভিব্যক্তির প্রতি বিশ্বস্ত থেকে মোটামুটি মুলানুগ থাকার চেষ্টা করেছি বলে ছন্দস্পন্দন হয়তো এতে সঞ্চারিত করা যায়নি। আমার লক্ষও সেটা নয়। আমি শুধু দেখাতে চাইছি ‘স্বপ্ন’ নামক এই বাংলা কবিতাটি স্প্যানিশভাষীরা কীভাবে পাচ্ছেন।

উজ্জ্বয়িনীপুরের স্বপ্নময় আবেশ, শিপ্রানদীর শিহরণ এবং আরও নানান অনুষঙ্গ উধাও হওয়ার পর যে কংকালটি রয়েছে তা থেকে বিদেশী একজন পাঠক এই কবিতার মহিমা কতটুকু অনুমান করতে পারবেন সেটাই আমার প্রশ্ন।

মৃত্যুর অব্যবহিত আগেও কবি রবীন্দ্রনাথ বিষয়ে বোর্হেসের ধারণা মোটেই বদলায়নি। তার আরেকটি নমুনা আমরা দেখতে পাবো এই উক্তির মধ্যে যখন তিনি বলেন রবীন্দ্রনাথ ‘একজন তৃতীয় সারির কবি’ (es una poeta de tercer grado, “Homenaje a Borges”, suplimento de la revista siete Dias Buenos Aires, junio de 1986)।

এই উক্তি আর এই উদাহরণ আমাদেরকে হয়তো ব্যথিত করবে কিন্তু এর জন্য রবীন্দ্রনাথই কি দায়ী নন? বুদ্ধদেব বসুর ভাষায়: “কেন তাঁকে [রবীন্দ্রনাথ] প্রমাণ করতে হলো যে কোনো কোনো বিশেষ স্থলে অনুবাদক হতে পারেন—শুধু ‘প্রতারক’ নয়, আততায়ী?” (বুদ্ধদেব বসু, বুদ্ধদেব বসুর প্রবন্ধ সমগ্র, তৃতীয় খণ্ড, প্রকাশক: পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি , প্রথম প্রকাশ: জানুয়ারি ২০১০, পৃ: ৩৯৬) “ঠিক এই কারণে তাঁর উত্থানের মাত্র দুই দশকের মধ্যে, প্রতীচীতে মৃত্যুলাভ করেছিলেন…” (বুদ্ধদেব বসু, প্রাগুক্ত, পৃ: ৩৯৭)।

তবু রবীন্দ্রনাথ যে এখনো স্প্যানিশভাষী জগতে টিকে আছেন তার জন্য স্প্যানিশভাষী জনগোষ্ঠীর প্রাচ্যপ্রীতি বা মুগ্ধতাই আসলে দায়ী, প্রাচ্যের প্রতিনিধি হিসেবে রবীন্দ্রনাথকে নির্বিচারে গ্রহণের সহৃদয় মনের আনুকূল্যই হয়তো এর বড় কারণ।

কিন্তু বোর্হেস ছিলেন তাঁর জাতির সেই লেখক যিনি নিজের জাতিগোষ্ঠীর প্রচলিত অনেক স্বভাব-রুচির নিষ্ঠুর সমালোচক। তাই কবি রবীন্দ্রনাথকে তিনি সেই সহৃদয় আনুকূল্য থেকে বঞ্চিত করেছেন নির্মমভাবে। আবার বঞ্চনার মধ্য দিয়েই তিনি রবীন্দ্রনাথের অনুবাদক-তালিকার একজন হয়ে দুর্লভ সৌভাগ্যও কি দান করেননি রবীন্দ্রনাথকে, অনিচ্ছাকৃতভাবে?

বোর্হেসের পক্ষে রবীন্দ্রনাথের কবিতা গ্রহণ না করার পেছনে রুচির ভিন্নতা অবশ্যই একটি বড় কারণ। অনুবাদের দুর্বলতা তো আছেই। আর এটাও তো সত্য রবীন্দ্রনাথ নিজেই ইংরেজিতে কবিতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে খুব বেশি সুবিবেচনার এবং দূরদর্শীতার পরিচয় দেন নি। ফলে ইউরোপে ধুমকেতুর মতো আর্বিভাবের পরপরই দ্রুত এক বিলীয়মান স্মৃতিতে পরিণত হয়েছিলেন তিনি। আমাদের উচিত রবীন্দ্রনাথের কবিতার একটি সুনির্বাচিত সংকলন এবং অনুবাদের প্রকল্প তৈরি করা যাতে অন্তর্ভুক্ত হবেন উইলিয়াম রাদিচের মতো বাংলা জানা বিদেশী অনুবাদক। তাহলেই আমরা রবীন্দ্রনাথকে আবার তাঁর প্রাপ্য মর্যাদার জায়গায় ফিরিয়ে নিতে পারবো।

razualauddin@gmail.com

free counters

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (1) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন humayun azam rewaz — নভেম্বর ১২, ২০১৪ @ ১২:৩২ অপরাহ্ন

      আমাদের অনুবাদ সাহিত‌্য কতটি দীনতায় আক্রান্ত এটা তার উজ্জ্বল নমুনা। শুধু রবীন্দ্রনাথ কেন, মানসম্পন্ন অনুবাদের অভাবে আমাদের অনেক গুণী লেখকের সাহিত্য বাংলার সীমানা পেরোতে পারেনি।

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।