আমাদের সাযযাদ ভাই

আনিসুর রহমান | ২৩ এপ্রিল ২০১৭ ৬:৪৩ অপরাহ্ন

sajjad-kadirকবি সাযযাদ কাদিরের এবং আমার জন্ম একই জেলায় হলেও তাঁর সাথে পরিচয় এবং সান্নিধ্য ঢাকায় এসে। ১৯৯০ দশকের শেষের দিকে গ্রাম এবং মফস্বলের পাট চুকিয়ে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবে ভর্তি হয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে জাতীয় কবিতা উৎসবের দফতরে একটু আধটু যাওয়া আসা করি। ওখানে অন্য বয়োজ্যেষ্ঠ কবিরা যেমন সৈয়দ শামসুল হক, বেলাল চৌধুরী, রফিক আজাদ, খালেদা এদিব চৌধুরী, মোহন রায়হান, রবিউল হুসাইন, সমুদ্র গুপ্ত, মুহাম্মদ সামাদ, হাবীবুল্লাহ সিরাজী, মুহাম্মদ নূরুল হুদা, আসাদ চৌধুরী, ফারুক মাহমুদ, আসলাম সানী এবং তারিক সুজাতসহ অনেকেই আসেন। ওনারা একটি নির্দিষ্ট টেবিলে বসেন। আমরা কম বয়সীরা অন্য টেবিলে বসি। গ্রাম থেকে আসার কারণে প্রতিষ্ঠিত কবি লেখকদের কাউকেই চিনি না। আরো যদি খোলাসা করে বলি প্রথম যেদিন ঢাকা শহরে পা দিই আমার নিজেকে ছাড়া কাউকেই চিনি নি। প্রথম দিনে ঢাকাকে ছমছম করা ভয় জাগানো নির্মম এক মোহনীয় শহর মনে হয়েছে আমার কাছে। কবিতা উৎসবেও অনেকটা কাউকেই চিনি না, ততদিনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঠিকানা হবার কারণে চেনা পরিচয় যদিও বাড়তে শুরু করেছে। ঘটনাচক্রে কবি মুহাম্মদ সামাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং জহুরুল হক হলেরও আবাসিক শিক্ষক। আমি একই হলের আবাসিক ছাত্র। তখনও আমি জানি না আমাদের হলের অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ একজন প্রতিষ্ঠিত কবি এবং কবিতা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে। দূর থেকে তিনি আমার নাম ধরে ঢেকে উপস্থিত অন্য কবিদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন। সেই শুরু। এরপর ঢাকা শহরের যত কবি সাহিত্যিকদের সাথে আমি ঘণিষ্ঠ স্নেহসান্নিধ্য লাভ করেছি তাদের বেশির ভাগের সাথে পরিচয় ঘটেছে সামাদ স্যারের সূত্রে। এক্ষেত্রে কবি সাযযাদ কাদিরও ব্যতিক্রম নন।

পরে অবস্থাটা এমন দাঁড়ালো সামাদ স্যারকে যারা পছন্দ করেন- তাদের পছন্দের তালিকায় আমি থাকি বা না থাকি, কিন্ত তাঁকে যারা অপছন্দ করেন আমি তাদের অপছন্দের তালিকায় থাকি। এ নিয়ে আমার কোনো উদ্বেগ নেই। বয়স কম, রক্ত গরম, যা ভালো লাগে করি এবং মুখের উপর ঠাস ঠাস বলি।
কবি সাযযাদ কাদির আমাদের সাযযাদ ভাই সামাদ স্যারকে অসম্ভব রকম পছন্দ করেন। সামাদ স্যারও তাঁকে খুব সমীহ করেন। সামাদ স্যারের পরামর্শেই বেশ কয়েকবার বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট এবং মানব জমিনে এমন কি গ্রীন রোডে সাযযাদ ভাই’র বাসায় বেশ কয়েকবার গিয়েছি। আমার প্রথম দিকের ঢাকার শহরজীবনে হাতে গোনা দুই একটি বাসায় এবং অফিসে আন্তরিক এবং মর্যাদাপূর্ণ আতিথেয়তা পেয়েছি, তার মধ্যে সামাদ স্যার, সাযযাদ ভাই, কবি সৈয়দ শামসুল হক, রফিক আজাদ, নির্মলেন্দু গুণ, মহাদেব সাহা, সমুদ্র গুপ্ত এবং বেলাল চৌধুরীর বাসার কথা বলতেই হয়। কিন্তু এদের সকলের মধ্যে দুইজনের সাথে আমার অন্য এক টান কাজ করতো- এই টানটা ছিল টাঙ্গাইলা ভাষার, এই টানটা ছিল একই জেলায় জন্ম হবার কারণে। আর এই কবিদ্বয় হলেন, রফিক আজাদ এবং সাযযাদ কাদির। আমি এই আন্তরিক টান আমার বাপ চাচাদের ছাড়া অন্য কারোর মাঝেই খুব সহজে অনুভব করি না।
সাযযাদ ভাই মানুষ হিসেবে স্পষ্টবাদী ঠোটকাঁটা এবং সত্য প্রকাশে দ্বিধাহীন ছিলেন। ভাষা ও ব্যাকরণে ছিল তাঁর অসাধারণ দখল। যে কারণে তাঁর চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য মূর্খ প্রজাতির লেখক এবং সাংবাদিকদের খুব একটা পরোয়া করার ছিল না। যে কারো লেখার কৌশল এবং রহস্য খুব সহজে গল্পের মতোই করে বাতলে দিতেন। বয়সে তিনি ছিলেন প্রায় আমার বাবার বয়সী। কিন্তু মিশতেন এবং গল্প করতেন হাসিমাখা মুখ নিয়ে বন্ধুর মতো করে। তাঁর সাথে কথা বলার সময় আমার কেন জানি কল্পনায় সক্রেটিস, প্লেটো, আহমদ শরীফ এবং আহমদ ছফার মুখ ভেসে উঠতো।
কবিতার প্রতি ওনার ছিল সারা জীবনের পক্ষপাত। একবার উপন্যাস ও গল্পের কথা বলতে গিয়ে বললেন- জানো গল্প উপন্যাস কারা লেখে? কেন লেখে?
তারপর নিজেই বলা শুরু করলেন- ভেতরের ক্ষোভ উজার করে প্রকাশ করার জন্যে। তোমাকে একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দিই। তুমি যদি খেয়াল করো দেখবে হুমায়ূন আহমেদের লেখায় কাদের চরিত্রটি নির্মাণ করেছেন তুচ্ছার্থে। এর কারণ হলো কাদের সিদ্দিকীর প্রতি হুমায়ূন আহমেদ ছিল দারুণ নাখোশ।
তিনি দিনকাল এবং মানবজমিনে কাজ করার কারণে তাঁকে অনেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ঘরানার মনে করতো। আবার সাযযাদ ভাই মুক্তিযোদ্ধা হবার কারণে মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতি তাঁর অগাধ শ্রদ্ধার কারণে বিএনপি ঘরানার লোকজন তাঁকে আওয়ামীলীগ ঘরানার মনে করতো। কারণ সাযযাদ ভাই পনেরই আগস্টে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে যেতেন বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে। তিনি অসাধারণ প্রাজ্ঞ একজন মানুষ ছিলেন তাঁর চিন্তা এবং বোধশক্তি আওয়ামীলীগ-বিএনপি সমীকরণের বহু উর্ধ্বে ছিল। সাযযাদ ভাই এসব বুঝতেন। আর মুচকি মুচকি হাসতেন। প্রসঙ্গক্রমে বলতেন- ওসব বাদ দাও। লেখালেখির কথা বলো।
২০১৩ সালে আমার এক বন্ধু কবির অনুবাদে সুইডিশ ভাষায় ‘বাংলার মেঘ’ (Bengaliska moin) নামে সমসাময়িক বাংলাদেশের ১৭ কবির কবিতা নিয়ে একটা কাব্যসঙ্কলন প্রকাশিত হয়। এই ১৭ কবির তালিকায় সাযযাদ ভাইর নাম না থাকায় আমি খুব বিব্রত হতাম। কিন্তু বাছাই প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমার বন্ধু ক্রিস্টিয়ান কার্লসন। প্রায় শ তিনেক কবির কবিতা পড়ে এক রকম একনায়কের মতো একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একবার সাযযাদ ভাই আমাকে জিজ্ঞেস করলেন- তুমি কি জানো ক্রিসিন্টয়ান ১৭ জন কবি কিভাবে নির্বাচন করলো?
আমি ঠিক জানি না, ওর বিবেচনা কি ছিল?
তুমি কি ওর সাথে আমার একটা আলাপের ব্যবস্থা করতে পারবে?
অবশ্যই পারবো।
এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে কবিতা উৎসবে যোগ দিতে ক্রিস্টিয়ান যখন ঢাকায় তখন ক্রিস্টিয়ানের হোটেলে এবং সাযযাদ ভাই’র বাসায় সকাল থেকে নিয়ে দুপুরের পর পর্যন্ত দীর্ঘ এক আড্ডা। এই আড্ডা শেষে সাযযাদ ভাই ক্রিস্টিয়ান সম্পর্কে একটা মন্তব্য করেছিলেন: ‘ক্রিস্টিয়ান লেখক হিসেবে সৎ’। প্রসঙ্গক্রমে বলে নিই ইংরেজি অনুবাদের দুর্বলতা অথবা পাঠে দ্রুততার জন্যে সাযযাদ ভাই’র মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কবি ক্রিসটিয়ানের সঙ্কলন থেকে বাদ পড়েছিলেন।
জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার ছাড়া আর কোনো গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার সাযযাদ ভাইকে দেওয়া হয় নি। না দেবারই কথা। গ্রিস যদি সক্রেটিসকে মৃত্যুদণ্ড দিতে পারে আমরা সাযযাদ কাদির আর আহমদ ছফাদের পুরস্কার দেব কিসের জোরে? সেই হিম্মত আমাদের বুড়ো মোড়লদের কোথায়?
সাযযাদ ভাই ক্রিস্টিয়ান এবং আমার সাথে আলাপচারিতা নিয়ে একটা লেখা দাঁড় করিয়েছিলেন। লেখাটা কম্পিউটার থেকে হারিয়ে যায়। লেখাটা তিনি জনকণ্ঠে ছাপতে চেয়েছিলেন। তিনি তাঁর মৃুত্যুর একদিন আগে খুব দুঃখ করে জানালেন, লেখাটা আবার লিখতে হবে। আমি তাঁকে সাহস দিয়ে বললাম এরকম আমারও হয়। মন খারাপ কইরেন না। তিনি একই আলাপচারিতায় জানালেন তিনি বাংলা কবিতার আধুনিক একটা সঙ্কলনের কাজ অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছিলেন। তিনি একবার আলাপকালে এই সময়ের লেখক এবং সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব এবং সততা নিয়ে খুব আক্ষেপ করছিলেন।
সাযযাদ ভাই ছড়ালেখকদের খুব একটা গুরুত্ব দিতেন না। একবার কবিতা উৎসবে ছড়া শুনতে শুনতে বললেন এরা করে কি? পড়ে কি? আমি বললাম- এরা আসলে ‘স্ট্যান্ড আপ কমেডিয়ান’। তারপর তিনি বললেন- ভালো বলেছো। আমি কি তোমার কথাটা ফেসবুকে প্রকাশ করতে পারি? আমি বললাম, অবশ্যই পারেন। তিনি প্রকাশ করেছিলেন, আমার নাম উল্লেখ করে।
তিনি দেশ বিদেশের লেখালেখির তাবৎ খোঁজ খবর রাখতেন। সাযযাদ ভাই’র সাথে গল্প করা মানে আরব্যরজনীর এক হাজার এক রাত্রির গল্পের মতো মোহনীয় সময় পার করা।
সাযযাদ ভাই সকল সরকারের সময়ই বিরাগভাজন হয়েছেন। তার শত্রুর অভাব ছিল না, এক অর্থে তিনি বন্ধু যেমন লালন করতেন, শত্রুও তেমনি পুষতেন। তার দর্শন ছিল মূর্খদের বন্ধু বানাবার চেয়ে শত্রু হিসেবে দূরে রেখে দেয়াই ভালো। একবার আমি তাঁকে বলেছিলাম, আপনার লেখালেখির গুরুত্ব বাংলা একাডেমি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাজনেরা বুঝলো না, তিনি মুখে হাসি নিয়ে বললেন, মূর্খদের কথা বাদ দাও। তাঁর পুরস্কার, খ্যাতি নিয়ে কোনো খেদ ছিল না। তিনি এক ধরনের সক্রেটিস জীবনধারা রপ্ত করেছিলেন। তাঁর বন্ধু শুভার্থী তরুণ এবং তরুণীরাই বেশি, দেশে এবং বিদেশে। কিন্তু এসব যোগাযোগের মধ্যে পরিশীলিত একটা সৌন্দর্য ও সম্মান রক্ষা করে চলতেন সাযযাদ ভাই। আমি নিজে এরকম অনেক ঘটনার সাক্ষী।
এই বছর ফেব্রুয়ারি মাসে একদিন ফোন করে বললেন, আমি বইমেলায় যাব আজকে, তুমি কি আসতে পারবে? যদি না পার, আমি অন্য একদিন যাব। যেদিন তুমি যাবে। আমি বললাম, অন্য কাজ ফেলে হলেও আমি আজকেই যাবো বইমেলায়। আপনার সাথে দেখা হওয়াটা সবচেয়ে জরুরি আমার জন্যে। কথাটা শুনে তিনি খুব খুশি হলেন। বইমেলায় উনি আমার আগেই এসে উপস্থিত। আমাকে ফোন করলেন, তুমি কোথায়?
আমি রাস্তায়, সাযযাদ ভাই।
তাড়াতাড়ি এসো। আমি অপেক্ষা করতেছি।
তারপর আমার হাত চেপে ধরে, আমাকে নিয়ে সারা বইমেলা ঘুরলেন; মনে পড়ে সেই কবে; ছোটবেলায় আমার বাবা এবং আমার বড় বোন মর্জিনা আপা গ্রামের হাটে এভাবে হাত চেপে ধরে ঘুরে দেখাতেন। সাযযাদ ভাই বেশ কতগুলো জরুরি বই নির্বাচন করে দিলেন; কোন ধরনের লেখালেখিতে কোন বইটা কাজে আসতে পারে সাথে সাথে বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন।
উনি অসৎ মানুষদের থেকে সবসময় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতেন। লেখালেখির সব খবর তিনি রাখতেন। একবার ঢাকা শহরের এক অসৎ কথাসাহিত্যিক ও সম্পাদক প্রসঙ্গে আমার একটি লেখা পড়ে তিনি আমাকে জানালেন- তোমার এতো সাহস, আগে বুঝতে পারি নি। আমি জিজ্ঞেস করলাম-আপনি কি ধরতে পেরেছেন, কাকে নিয়ে লিখেছি?
তিনি বললেন, ধরতে পারব না কেন? এই সব ধান্দাবাজ মূর্খগুলো তো আমার চোখ ফাঁকি দিতে পারে নি।
তুমি সাবধানে থেকো। চালিয়ে যাও। লেখালেখি থামিও না।
আরও একটি প্রসঙ্গের অবতারণা করে সাযযাদ ভাইকে নিয়ে আমার লেখাটি শেষ করব।
১৯৯০ দশকের শেষের দিকে সাযযাদ ভাই ‘সমালোচনা সংঘ’ নামে নতুন বইয়ের আলোচনা অনুষ্ঠান শুরু করেছিলেন। অনুষ্ঠানটা খুব জমজমাট হতো। বেশিরভাগ আলোচক ছিলেন বয়সে তরুণ। আগ্রহী যে কেউ আলোচক হিসেবে তালিকাভূক্ত হতে পারতো। নির্বাচিত বই আলোচনার বেশ কয়েকদিন আগে আলোচকদের ঠিকানায় পৌঁছে যেত। তারপর সকল আলোচক খুব স্বাধীনভাবে আলোচনার সুযোগ পেত। সঞ্চালকের আসনে থাকা সাযযাদ ভাই আলোচকদের মতপ্রকাশের এই স্বাধীনতাটা খুব উপভোগ করতেন। দেশ বিদেশের অনেক সভাসংঘের সংস্পর্শে এলেও সাযযাদ ভাইয়ের ‘সমালোচনা সংঘ’ আমার জীবনের সেরা সংঘ হিসেবে টিকে আছে, আমার স্মৃতিতে। এক পর্যায়ে সাযযাদ ভাই ‘সমালোচনা সংঘ’ চালিয়ে যেতে আগ্রহ হারিয়ে ফেললেন।
আমি একবার সাযযাদ ভাইকে জিজ্ঞেস করলাম; কি হয়েছে সাযযাদ ভাই? তিনি বললেন- বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্রের কাজ যদি হয় নগরের মশা তাড়ানো-তাহলে সাহিত্য করবো কিভাবে?
সত্য প্রকাশে এমনই দ্বিধাহীন ছিলেন, আমাদের সাযযাদ ভাই।

Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (2) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Farooque Chowdhury — এপ্রিল ২৪, ২০১৭ @ ৯:০৭ পূর্বাহ্ন

      সাযযাদ কাদিরকে নিয়ে লেখা দরকার ছিল। ভাল হয়েছে। ওনার লেখা আবার ছাপা দরকার। সেগুলো দরকারি।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Masud — এপ্রিল ২৬, ২০১৭ @ ৭:৫৭ অপরাহ্ন

      ছড়াকাররা স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান, কথাটা বুঝলাম না। দয়া করে একটু বুঝিয়ে দেবেন?

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com