‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও ইসলাম’: আট দশকের জমানো প্রশ্ন, আটাশি পৃষ্ঠায় উত্তর

হাবিব ইমরান | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১২:১৭ অপরাহ্ন

mawlana+Cover-02মুসলিমদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল-কোরআনের কোনো কোনো আয়াতের ‘অপব্যাখ্যা’ দিয়ে সন্ত্রাসবাদে উদ্বুদ্ধ বা ‘ব্রেনওয়াশ’ করা হয়, আপনি জানেন?
মুরতাদ-মুশরিক-কাফের কাকে বলে? এদের মধ্যে পার্থক্যই কী ? মন্দির-গির্জা-প্যাগোডা রক্ষা করার দায়িত্বও একজন মু’মিনের, যেটা কিনা জিহাদেরই অংশ- জানেন কি!
আট দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ব রাজনীতি ও ইসলামকে কেন্দ্র যেসব প্রশ্ন, প্রসঙ্গ এবং বিতর্ক বারবার ঘুরেফিরে এসেছে মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও ইসলাম বইটিতে সেগুলোর সব উত্তর রয়েছে।
মাত্র আটাশি পৃষ্ঠার বইটি পড়তে একজন সাধারণ পাঠকের সময় লাগবে তিন থেকে চার ঘণ্টা, বিনিময়ে পাবেন ইসলাম সম্পর্কে আশি বছরেরও বেশি সময় ধরে জমিয়ে রাখা কিছু প্রশ্নের পরিষ্কার এবং নির্ভরযোগ্য উত্তর।
উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত ‘শোলাকিয়া’র গ্র্যান্ড ইমাম মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ-এর বইটি সাজানো হয়েছে প্রশ্নোত্তরের ছলে। সমসাময়িক দুনিয়ায় আগুনের মত গনগনে বিষয়- জিহাদ, কিতাল, আত্মঘাতী হামলা, খিলাফত, নারী ও ইসলাম, হিজাব, কওমী মাদরাসার শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রতিনিয়ত জমা হতে থাকা প্রশ্নগুলো আল কোরআন ও সহীহ হাদিসের ভিত্তিতে দৃঢ়ভাবে ব্যাখা দেওয়া হয়েছে এতে।
‘ছাপ্পা ঘুড়ি’র মত এলোমেলো দুলতে থাকা নানা বিষয়কে এক সুতোয় বাঁধতে গিয়ে মাওলানা মাসঊদ উত্তর শুরু করেছেন গোড়া থেকেই- কখনো কখনো বেছে নিয়েছেন ফিকহ শাস্ত্রের রেফারেন্স।
জিহাদের নামে সন্ত্রাসবাদ তৈরি করে বিশ্বব্যাপী যে ‘ইসলামোফোবিয়া’ তৈরি করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে মাওলানা মাসঊদের এ বইটি একটি ‘জিহাদ বিল কালম’ এর উদাহরণ।

বইটি পড়তে গিয়ে বারবার ধাক্কা খেতে হয়েছে। বইটির শুরুতেই জিহাদের উপর আলোচনা করতে গিয়ে সরাসরি বাতিল করে দিয়েছেন ব্যক্তি উদ্যোগে সশস্ত্র জিহাদ বা ‘কিতাল’-এর ধারণাকে। মাওলানা মাসঊদ হাদিস তুলে ধরে দেখিয়েছেন- ‘কিতাল’-এর ডাক দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে একমাত্র আমীর বা মুসলিমদের পক্ষ থেকে নির্বাচিত প্রশাসনিক প্রধানের।

_AS_0224সশস্ত্র সংগ্রাম এর বদলে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজের ‘রিপু, প্রবৃত্তি ও পশুত্ব’ অর্থাৎ ‘নফস’-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করাকেই ‘জিহাদে আকবর’ বা বড় জিহাদ মনে করতেন।
ঢাকার জামি’আ মাদানিয়া, ফরিদাবাদ মাদরাসা, মালিবাগ জামি’আ, জামি’আ মাদানিয়া বারিধারাসহ অসংখ্য মাদরাসায় হাদীসের দরসদানকারী এবং ‘শাইখুল হাদীস’- এর দায়িত্বপালনকারী মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ হাদিস দিয়েই ‘জিহাদে আকবর’ এর উদাহরণ টেনেছেন-
“বায়হাকী ‘কিতাবুয যুহদে’ হযরত জাবের রা. থেকে বর্ণনা করেন, রসূল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে যুদ্ধ সমাপ্তকারী এক দল এল। রসূল সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ছোট জিহাদের থেকে বড় জিহাদের প্রতি তোমাদের আগমন শুভ হোক। তারা বলল, বড় জিহাদ কোনটি? রসূল সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ।
হাদীস নং-৩৮৩”
‘জিহাদ’ শিরোনামের প্রারম্ভিক অধ্যায়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ এসেছে প্রশ্নের ধারাবাহিকতায়। আমরা যেটাকে বলি সন্ত্রাসবাদের জন্য ‘ব্রেইনওয়াশ’- সেটি পবিত্র কোরআনের কোন কোন আয়াতের অপব্যাখ্যা দিয়ে করা হয়, তার সূত্র ধরিয়ে দিয়েছেন মাওলানা মাসঊদ।
তিনি বলেছেন, “এরা প্রধানত কয়েকটি আয়াত এবং হাদীসের একটি ঘোষণার অপব্যাখা দিয়ে হত্যার বিষয়টিকে জায়েজ করার চেষ্টা করে।”
সুরা তওবা-এর আগের চারটি আয়াত বাদ দিয়ে ৫ নম্বর আয়াতকে নাজিল হওয়ার প্রেক্ষাপট বা শানে নুযুল বিচ্ছিন্ন করে বিকৃতভাবে ব্যবহারের উদাহরণ টেনেছেন মাওলানা মাসঊদ।
সহীহ বুখারী ও মুসলিম-এ উল্লেখিত হাদীস ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু স্বীকার করা না পর্যন্ত আমি লড়াই করতে নির্দেশিত হয়েছি’ হাদীসটি ব্যবহার করে সন্ত্রাসবাদে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
মাওলানা মাসঊদ বলছেন, “যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নাজিল হওয়া এই আয়াত ও হাদীসের অর্থ সাধারণভাবে প্রযোজ্য নয়।”
‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও ইসলাম’ বইটিতে মোট সাতটি অধ্যায় রয়েছে। এগুলো হলো- জিহাদ, ইসলাম ও অন্য ধর্মের সহাবস্থান, ইসলাম ও ইসলামী গোষ্ঠীসমূহ, আইন, নারী, ইসলাম ও উপমহাদেশ এবং শিক্ষা ব্যবস্থা।
বইটির দ্বিতীয় অধ্যায় অর্থাৎ ‘ইসলাম ও অন্য ধর্মের সহাবস্থান’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জিজিয়া, অমুসলিমদের প্রতি আক্রমণ, ধর্ম পালনে বাধ্য করা, অন্য ধর্মের উপাসনালয়ে হামলা ইত্যাদি নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে একটি প্রশ্ন হচ্ছে- ‘অন্য ধর্মের উপাসনালয়ে হামলা কি ইসলাম সমর্থন করে?’ এর উত্তরে মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ স্পষ্টতই বলছেন- “অন্য ধর্মের মানুষদের রক্ষা করা যেমন মুসলমানদের দায়িত্ব ঠিক একইভাবে অন্য ধর্মের উপাসনালয় রক্ষা করাটাও মুসলমানদের পবিত্র দায়িত্ব, যা জিহাদেরই অংশ।”
এর উদাহরণ টানতে গিয়ে মাওলানা মাসঊদ সুরা হজ্জ এর ৪০ নম্বর আয়াতের রেফারেন্স দিয়েছেন। ভিন্নমত পোষণকারীদের কোন অবস্থাতেই ইসলামের দৃষ্টিতে হত্যার সুযোগ নেই বলে মনে করেন মাওলানা মাসঊদ।
তার মতে, “ইসলাম কোনভাবেই এটি সমর্থন করে না।”
‘ইসলাম ও ইসলামী গোষ্ঠীসমূহ’ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে সন্ত্রাসবাদ ও আত্মঘাতী হামলা নিয়ে কথা বলেছেন। যেকোন ধরনের ‘আত্মহত্যা’ বা আত্মঘাতমূলক কাজ যে ইসলামের দৃষ্টিতে গুনাহ তা হাদিসের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
এই অধ্যায়ে কাফের, মুশরিক ও মুরতাদ কারা এবং সেটি কে নির্ধারণ করবে সে ব্যাপারে কিছু প্রশ্নের উত্তর রয়েছে। প্রসঙ্গক্রমে এসেছে ইসলামের বিভিন্ন গোষ্ঠী ও মতবাদের সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও। তাকফীরী থেকে হাল আমলের উগ্র জঙ্গিবাদী আইএস, সালাফী এবং ওয়াহাবী, খারিজী, শিয়া, মুরজীয়া, আহমদীয়া ইত্যাদি নানা গোষ্ঠীর মুসলিম মতাদর্শের পার্থক্য উঠে এসেছে মাওলানা মাসঊদের সংক্ষিপ্ত অথচ সুনির্দিষ্ট ও যথাযথ উত্তরে।
আইন অধ্যায়টিতে মদীনা সনদ ও শরীয়া আইন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কুরআন-হাদীস তো বটেই হাদীস সংগ্রহের প্রক্রিয়া নিয়েও দৃষ্টান্তসমেত সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেছেন মাসঊদ। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ইজমা এবং কিয়াস এখন আর ব্যবহার করা না হলেও বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
Farid-unddin‘নারী’ অধ্যায়টিতে ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন শোলাকিয়ার গ্র্যান্ড ইমাম মাওলানা মাসঊদ। বর্তমান সময়ের আলোচিত ইস্যু ‘হিজাব’ বাধ্যতামূলক কি না সেটি নিয়ে যেমন আলোচনা আছে, কথা বলেছেন নারীর কর্মসংস্থান নিয়েও।
‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও ইসলাম’ বইটি মূলত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর পাবলিশিং (বিপিএল)-এর পক্ষ থেকে নেওয়া মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের দীর্ঘ সাক্ষাৎকারের ফসল।
‘ইসলাম ও উপমহাদেশ’ অধ্যায়টিতে এই অঞ্চলের রাজনীতির সঙ্গে ইসলামের জড়িয়ে পড়ায় প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মাওলানা মাসঊদ বলছেন- রাজনৈতিক বা ‘পলিটিক্যাল ইসলাম’ বলতে কিছু ইসলামে নেই। এটি একটি নয়া দৃষ্টিভঙ্গি এবং ইসলামে বিভ্রান্তি তৈরি করার জন্য এই শব্দটি সৃষ্টি করা হয়েছে।
বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে দেওবন্দ ও তাবলীগ জামায়াতের মতপার্থক্য নিয়ে যথেষ্ঠ আগ্রহোদ্দীপক তথ্য চলে এসেছে। এ অধ্যায়ের এক পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে পিস টিভির জনপ্রিয় উপস্থাপক জাকির নায়েক প্রসঙ্গে। পাশাপাশি বাংলাদেশের আবাসিক মাদরাসাগুলোর নানা প্রসঙ্গও এসেছে।
কওমী মাদরাসার শিক্ষায় এখনো ভরসা করেন মাওলানা মাসঊদ। শেষ অধ্যায় ‘শিক্ষা’ নিয়ে আরও দীর্ঘ আলোচনা হলে ভালো হত। বিশেষ করে কওমী মাদরাসার ইতিহাস টানতে গিয়ে দেওবন্দ মাদরাসার বিষয়টি হঠাৎ করেই ফুরিয়ে গেছে বলে মনে হয়েছে।
তাছাড়া আধুনিক শিক্ষা নিয়ে মাওলানা মাসঊদের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে আরও আলোচনার সুযোগ রয়েছে বলে পাঠক হিসেবে আমার মনে হয়েছে।
ক্ষুদ্র পরিসরের একটি বইয়ে সব প্রশ্নের উত্তর এবং অবতারণা সম্ভব নয়; সাক্ষাৎকারের বইটি শেষ করার সঙ্গে সঙ্গেই মনে হলো, এ বইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ সম্পর্কে কোন প্রশ্ন করা হয়নি। আর সেটি হচ্ছে- ‘ওয়াজ এবং খুৎবা’। আশা করি, বইটির পরবর্তী সংস্করণে এটি সংযুক্ত করার কথা বিপিএল কর্তৃপক্ষ ভাববেন!
আশি বছরের বেশি সময় ধরে একজন মুসলমান আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে ইসলাম ও নিজের করণীয় সম্পর্কে যেসব সাধারণ প্রশ্ন করেছে- ‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও ইসলাম’ বইটি তাদের জন্য এক চমৎকার খোরাক।

বইমেলা উপলক্ষে এখন ২৫% কমিশনে এখন কিনতে পারবেন ক্রেতারা। বাংলা একাডেমির মূল চত্বরে আয়োজিত মেলায় বিপিএল(৬৫-৬৬ স্টল)-এ পাওয়া যাচ্ছে বইটি।
Flag Counter

সর্বাধিক পঠিত

প্রতিক্রিয়া (8) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন abdul Kader — ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৭ @ ৩:৫১ অপরাহ্ন

      এবার বই মেলায় এখনো যাইনি, তবে বই(কিতাব) টি কিনব এবং পড়ব। যতটুকু এখানে পড়লাম, সব ঠিকই লিখছেন বুঝা যাচ্ছে। ধর্ম ব্যাবসার নামেই যত গন্ডগোল হয় এদেশে। মাজার/ নানা রকম বাবা–এদের জ্বালায় রাতে ঘুমাতে পারি না। অথচ ফজরের জামাত ৩ কাতার হয় না।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ফয়জুল্লাহ আমান — ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৭ @ ৪:৪২ অপরাহ্ন

      অসাধারণ একটি বই । এর বহুল প্রচার কামনা করি। সফ্ট কপি নেটে ছেড়ে দিয়ে সবাইকে পাঠের সুযোগ করে দিলে ভাল হয়। অন্যান্য ভাষায় অনুবাদ হলে আরও ভাল হবে।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন heron — ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৭ @ ৯:৫৯ অপরাহ্ন

      একজন ভাল আলেম কখনওই নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত থাকেন না। আর কুপমন্ডুকদের শিখন্ডি হিসেবে দাড় করিয়ে দিয়ে ফায়দা হাসিলের চক্রান্ত নুতন কিছু নয়। ইসলামের মূল শিক্ষা কোরআন ও হাদিস থেকে নিতে হবে। যাহোক, এপ্রসংগে বলা যায় সকলকে সত্য বিষয় জানতে হবে। দুষ্ট লোক চিনতে হবে।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Md Fazlay Rabbi — ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৭ @ ৬:৩৫ পূর্বাহ্ন

      I demand an English translation of the full version of this book. Thank you anyway.

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Abdul Baten — ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৭ @ ৩:৫৯ অপরাহ্ন

      Not only the Jamati or moudodi are responsible for militancy. The main militancy ideology is Wahhabism. Please recherche all militant organization like IS, Taliban, Alkaida you see that all this militant organization are follow radical Wahhabism or salafism ideology which also follow by the so called Hefajot Islam Bangladesh and unfortunately this moluna masud.
      So this book can not gives us 100 percent truth. The most important subject is that the JMB, NEW JMB and all other militant agency of Bangladesh mainly follow Wahhabi or Salafi (ahle hadith) and also Moudodi. And all this organization are mainly funded by rich people of mildest country.

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Mahmood Hassan — ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৭ @ ১০:২৬ অপরাহ্ন

      Women are often attacked by so called clerics of Islam. A lion’s share of their time is used behind giving this and that fatwa about the life style of women and mostly those are disrespectful for humanity. Position of women in Islam was upheld by Quran and Sunnah. With well targeted plan Clerics pulled that down to the earth and for their disrespectful views the Islami activists get themselves involved in Rape. Most Mullahs who teaches girls Arabic or how to read from Quran does not miss the chance to ‘touch’ her and molest very often. This is the ‘teaching’ these Mullahs get from where I do not know but the practice this every where.

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ABSIDDIQUE — ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৭ @ ৮:৪১ অপরাহ্ন

      This book has nicely been written and will give acceptable answers to all queries. Good work.

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন Abdul Baten — ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১৭ @ ৪:০৬ অপরাহ্ন

      ABSIDDIQUE you said that the book is write nicely. It is not important that how nice the book written. The most important thing is that you have to focus main subject. Please see all militant organization around all over the world. All most 100% are follow the Wahhabism or Salfisim. The most unfortunate is that this Maulna Masud is follower of Wahhabism. For that the region he only criticized the Moudodi or Jamati. But he don’t criticized the Wahhabi or the rich Arab people who are the main financial sponsor of the so called Jihadi organization. And Jamat is ridical organization but not this only one the Hefajot is also one of great threat for our country. The main interesting is that Maulna Masud don’t critized the Hefajot Islam for their radical ideology. Because the Hefajot ideology and Masud ideology is same as Wahhabi. Please researches the Islamic history in this Indian subcontinent and also around the world. Islam spread in this subcontinent by Sufi because they were not radical. The so called islamist who are actually radical they don’t attract people in Islam because all over the world radical always rejected. The Islamic clerics who are tolerant they can attract people in Islam. Sufism is the main Islam. In Indian subcontinent Sufi brought the Islam and converted people in Islam by their loving behavior, not radical activist. Please researchers the history how many many people are converted Islam by Sufi and how many people are converted Islam by this Wahhabi, Hefajot, salafi. ahle hadith and the new version of wahhbism which called so called Tablig. You find the answer. In recent attack in Dhaka is done by those group who are actually believe salafi or Wahhabi ideology. Unfortunately most of the our print and electronic media telecast their Islamic program by those mullah who believed same ideology which believed by gulshan attacker. If you think which I said is wrong please see the Islamic program in NTV, BANGLA VISION, ATN BANGLA , RTV ,ETC. AND also read the militant origination like ALQUEDA.

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com