শওকত আলী: প্রাকৃতজনের প্রদোষকাল

সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১২:৫০ অপরাহ্ন

border=0টিকাটুলীর ‘বিরতি ভিলা’র নীচের তলায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন কুঠুরিতে বহুকাল আগে থাকতেন আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক ইলিয়াস জগন্নাথ কলেজে পড়াতে শুরু করেই ঘরটা ভাড়া নিয়েছিলেন। তখন চারপাশে খোলামেলা ছিলো, এখন আলো-হাওয়া নেই, বাইরের শব্দ পৌঁছায়না। বেল বাজিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও কেউ দরজা খুলবেনা। তবে এখনো একজন থাকেন এখানে। তাঁর বিস্মৃত স্মৃতির গহ্বর থেকে যা কিছু উঠে আসে অধিকাংশই শৈশবের রায়গঞ্জ আর লেখার কথা। এর ভেতরও বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে বন্ধু ইলিয়াসের স্মৃতি। বললেন, তাদের দুজনেরই চেতনা ও উপলব্ধির জায়গাটা এক। প্রকাশের ভাষাটা স্বতন্ত্র।
চারতলা ‘বিরতি ভিলা’র প্রায় পরিত্যক্ত এই ঘর এখন প্রদোষে প্রাকৃতজন-এর লেখক শওকত আলীর পৃথিবী। অপরিচ্ছন্ন ছোট একটি বারান্দা আর পা আটকে যাওয়া ঘরে গুমোট হাওয়া। জানালার সাথে নানা রকম প্লাস্টিকের ব্যাগে ওষুধপত্র, কাপড় দলা পাকানো। দেওয়ালে স্ত্রীর বিশাল ছবি কালো ফ্রেমে বাঁধানো, গাদাগাদি করে আছে বইসমেত দুটো বুকসেলফ। সেখানে গর্ডন চাইল্ডের হোয়াট হ্যাপেনড ইন হিস্ট্রি থেকে রোডি ডোয়েলের দ্য ডেড রিপাবলিক। রবীন্দ্র রচনাবলী ও ফয়জুল লতিফ চৌধুরী সম্পাদিত জীবনানন্দ দাশের চিঠিপত্র বইগুলোতেও দু’স্তরের ধুলোর পরত। জানতে চাইলাম পড়েন কিনা? মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন। নিরাসক্তভাবে মনোযোগ সরিয়ে বন্ধ জানালায় চোখ রেখে কিছু দেখলেন। জানালেন, কিছুই আর পড়তে তেমন আগ্রহ পাননা। রাতে ঘুম হয়না, পড়তে চেষ্টা করলে চোখে কষ্ট হয়। তাকে এখন কেউ দেখতে আসেনা তবে এতে অভিযোগ নেই বললেন। জানতে না চাইলেও এই যে ‘অভিযোগ নেই’ বললেন, ওতেই টের পাওয়া গেলো অভিমানের উত্তাপ। এই ঘরে তিনি একাই থাকেন। ছেলেরা উপরের ভিন্ন ভিন্ন তলায়। চলাফেরার শক্তি প্রায় হারিয়ে ফেলেছেন বাংলা সাহিত্যের শক্তিমান লেখক শওকত আলী, পায়ের পাতা দুটো ফুলে আছে। চোখের ওষুধ নিতে চেষ্টা করেন, হাত কেঁপে গড়িয়ে যায়। সাহায্য করতে চাইলে বাধা দিলেন। তখন মনে হলো, তিনি নিজেরই তৈরি চরিত্র শ্যামাঙ্গের মতো যেন জীবনের কাছে আহত ও প্রতারিত।

showkat-2শওকত আলীর স্মৃতি এখন যুক্তির বদলে পুরোটাই আবেগের দখলে। যে কোন প্রসঙ্গেই কথা শুরু হলে চলে যান রায়গঞ্জের শৈশব আর তাঁর কমিউনিষ্ট পিতার প্রসঙ্গে। হাতড়ে হাতড়ে খুঁজে নিয়ে আসেন বহু যুগ আগের পুরনো কথা। যে কোন লেখা প্রসঙ্গে জানতে চাইলেই শুরু করেন, ঔপনেবিশক আমলের রাজনীতির গল্প। বাংলা সাহিত্যের শক্তিমান এই কথাসাহিত্যিকের কাছ থেকে তাঁর লেখার গল্পের স্পষ্ট ধারণা পাবার আর বিশেষ সুযোগ নেই। এই যে নিম্নবিত্তের মানুষদের নিয়ে লিখলেন এর কতটা প্রভাব সমাজে পড়েছে জিজ্ঞেস করতে তিনি চলে এলেন সমকালীন সাহিত্যে। বললেন, এখনকার গল্পে তৃণমূল মানুষের জীবন-সংগ্রাম বা ক্ষোভের কথা উঠে আসেনা কেন? তাহলে কি বুঝতে হবে, সমাজের সব প্রান্তিক মানুষের বঞ্চনার, অভিযোগের অবসান হয়েছে? শিল্প সৃষ্টির জন্য আদিমতার প্রয়োজন, মৃত্তিকালগ্নের কাছে যেতে হয় সেসব কেন এখনকার লেখকরা লিখতে চাননা? এবার শওকত আলীর প্রশ্নের জবাবে আমি নিরুত্তর।
showkat-3প্রতিটি উপন্যাসেই শওকত আলীর কণ্ঠস্বর স্বতন্ত্র। যে কোন লেখারই মূল উদ্দেশ্য সমাজের চিত্রকল্প তৈরি। পিঙ্গল আকাশ-এ নীতিহীনতা, মধ্যবিত্তের নগ্নতা। অপেক্ষা, যেতে চাই, বাসন-এর শব্দে-বাক্যে এসেছে নাগরিক মধ্যবিত্ত সমাজের চেতনার কথা। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক কাল, স্বাধীনতার ক্রান্তিকাল, মুক্তিযুদ্ধ, জাতীয়তাবাদের চেতনার উন্মেষ নিয়ে লিখেছেন দক্ষিণায়নের দিন, কুলায় কাল স্রোতপূর্বরাত্রি পূর্বদিন ত্রয়ী উপন্যাস। তবে তাঁর সব কাজের ভেতর বিশেষ গুরুত্ব বহন করে প্রদোষে প্রাকৃতজন। এই উপন্যাসে নতজানু দাসত্ব থেকে মুক্ত হতে বলেছিল মিত্রানন্দ। আর সে আহ্বানেই জগত-সংসারের সমস্ত কোমল মায়া পিছে ফেলে মিত্রানন্দের সঙ্গী হয়েছিল বসন্তদাস। প্রদোষকালে ( সামন্ত সেনদের অত্যাচারের সময়কালকে লেখক সন্ধ্যার সাথে তুলনা করেছেন) প্রাকৃতজনদের কথা বলতে বলতে শওকত আলী যে মূলে আঘাত করেছেন তার পরিচয় বইয়ের শেষদিকের প্রশ্নে। “ এই কি মানুষের জীবন? এর শেষ কোথায়? এ জীবন কি যাপন করা যায়?” পাঠক উপন্যাসটিকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিলেও লেখক মানতে রাজী নন। তিনি উড়িয়ে দিলেন ঐতিহাসিক বিশেষণ। বললেন, আমি শুধু প্রান্তিক মানুষের কথা বলতে চেয়েছি। বসন্তদাস, লীলাবতী, ছায়াবতীদের এনেছি প্রান্তিক মানুষের চরিত্রের রূপক হিসেবে। শ্যামাঙ্গকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে উপন্যাসের শেষে। এটাই তাঁর নিয়তি ছিল। ঐ সময়ের সমাজ ওঁর মতো মৃৎশিল্পীকে বেঁচে থাকার অধিকার দেয়নি। আমি তাই বলতে চেয়েছি। তবে লেখাটা (উপন্যাস) শুরুর আগে একটা আগ্রহ ছিলো আমার। মুসলমানরা সব এসেছে ওদিক দিয়ে কিন্তু এই অঞ্চলে কেন তাদের সংখ্যা বেশি? যবন বণিকদের নিয়ে একটা বই পেয়েছিলাম ‘শুভদয়া’ নাম মনে হয়। তখন সংস্কৃত পড়তে জানি। ওই বইতে বণিকদের নিয়ে কিছু কিছু গল্প ছিলো। সব মিলিয়ে শুরু হয়ে গেলো প্রদোষে প্রাকৃতজন এর চিত্রকল্প। পাঠক ঐতিহাসিক বললেও আমি মনে করি, এটা অন্য সময়ের প্রান্তিক মানুষদের বঞ্চনার কথা। এই হলেন নির্মোহ, নিভৃত শওকত আলী। যিনি বিস্মৃত স্মৃতির ভেতরও নিজের রচনা নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভোগেন না। এমনকি তাঁর আক্ষেপ রয়েছে, প্রদোষে প্রাকৃতজন-এর আরেকটি অধ্যায় তিনি লিখতে পারেন নি বলে। সে অধ্যায়ে কী লিখতেন জিজ্ঞেস করলে আবারও সেই না বোঝা দৃষ্টি। জানতে চাইলাম এই যে দীর্ঘপথ হাঁটলেন, দেশ ভাগ, স্বাধীনতা দেখলেন, জাতিস্বত্ত্বা নিয়ে বারবার মোচড় এসেছে আপনার জীবনে। আফশোস আছে? শওকত আলী মাথা নীচু করে উত্তর দিলেন একটা দীর্ঘশ্বাসের মাধ্যমে।
showkat-2চারপাশে এখন এতো বইয়ের উৎসব, লেখক আড্ডা, গ্রন্থমেলায় যেতে ইচ্ছে করেনা? উত্তর দিলেন “ অপ্রয়োজনে অনেক শব্দ খরচ করতে ভালো লাগেনা। আমার জীবনীশক্তি ফুরিয়ে গেছে, যদি আরও একটু শক্তি থাকতো তবে কিছু কিছু মানুষের কথা লিখতাম, বাকি রয়ে গেলো।” বিরতি ভিলার গেটের সামনে এখনো সেই পুরনো লাল একটা চিঠির বাক্স। তাঁর গায়ে সাদা কালীতে লেখা মৃত স্ত্রী ও তাঁর নাম। এই বাক্সে এখনো তাঁর জন্য হাতে লেখা কোন চিঠি আসে কিনা জিজ্ঞেস করলে জানালেন, চাবিটা হারিয়ে গেছে। সামনেই তাঁর জন্মদিন মনে করিয়ে দিতেই বললেন তাতে কী আসে যায় আর? নির্মোহ-নির্ভৃতচারী শক্তিশালী ঔপন্যাসিক শওকত আলী এবং সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের জন্মদিন একই দিনে, ১২ ফেব্রুয়ারি। দম বন্ধ কুঠুরির ভেতর আমাদের সাথে কথা বলতে বলতেই বসে ঘুমিয়ে গেলেন তিনি। মনে হলো এই জীবন কি যাপন করতে পারছেন তিনি? কিছুক্ষণ নিঃশব্দে অপেক্ষা করে ‘বিরতি ভিলা’ থেকে ফিরে আসা ছাড়া আর কিছুই করার নেই। বাংলা সাহিত্যানুরাগী প্রতিটি লেখক পাঠক-পাঠকই খুব যত্ন নিয়ে যে কয়েকটি বই পড়েন, প্রদোষে প্রাকৃতজন এর অন্যতম। সেই লেখক শওকত আলীর জীবনের এমন ‘অযত্ন’ আমাদের দীর্ঘসময় শব্দহীন করে রাখলো বিরতি ভিলার আঁধারঘরে। শক্তিমান এই কথাসাহিত্যিকের জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলী।

Flag Counter

প্রতিক্রিয়া (8) »

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সৈকত রুশদী — ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৭ @ ১:৫৩ অপরাহ্ন

      অসাধারণ এই কথাশিল্পী, যাঁর রচনা আমার কৈশোর কালকে আবিষ্ট করে রেখেছিল, বার্ধক্যে এসে তাঁর নিঃসঙ্গ জীবনে অযত্ন ও অবহেলার এই চিত্র বড়ই বেদনাময়। যাঁর রচনার মধ্য দিয়ে দেখা যায় বাংলাদেশের প্রান্তিক ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনের জলছবি এবং সেই জীবনে এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রস্তুতিকালীন রাজনীতির প্রগাঢ় প্রভাব, তাঁর এই অবস্থা আমাদের সমাজে বার্ধক্যে ব্যক্তির স্বাস্থ্যগত, মানসিক ও সার্বিক নিরাপত্তাহীন করুণ অবস্থাকে তুলে ধরে। প্রমাণ করে, চাকচিক্যহীন ও অনাড়ম্বর অথচ গুণী অগ্রজদের জীবদ্দশায় তাঁদের প্রযত্ন নিতে এই রাষ্ট্র ও সমাজ অপারগ!

      ধন্যবাদ সাদিয়া মাহজাবীন ইমাম, কথাশিল্পী শওকত আলীর বর্তমান অবস্থা তুলে ধররার জন্য।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জুনান নাশিত — ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৭ @ ৪:২১ অপরাহ্ন

      ‘চাবিটা হারিয়ে গেছে’ কথাটা আমাকে নিরালম্ব এক দীর্ঘশ্বাসের ভেতর টেনে নিল। আমিও হারিয়ে গেলাম শূন্যতার উদাসীন এক গহ্বরে।তাঁর এ যাপিত জীবন বেদনার ক্লান্তিকে আরো ঘনিয়ে তুলল। মাত্র কদিন আগেই শওকত আলীর সবগল্প গ্রন্থটি পড়ছিলাম। তাই নতুন জেগে ওঠা আবেগের জমিনে লেখাটির ঘা তীব্রভাবেই গেঁথে গেল। মলিন চেহারার মাঝের উজ্জ্বল দুটি চোখ আজ এই অপরাহ্নের কোমল আলোয় আমার ভেতরে কেবলি ডুবসাঁতার দিচ্ছিল। আমিও ফিরে গেলাম শওকত আলীর গ্রন্থলগ্ন হওয়ার সময়ের ভেতর। ধন্যবাদ মঞ্জুরি। অনেক অনেক শুভ কামনা

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন লোকমান হেকিম — ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৭ @ ৪:৫৫ অপরাহ্ন

      আহ! লেখাটি না পড়লেই মনে হয় ভালো থাকতাম। খুব মনে পড়ছে প্রদোষে প্রাকৃতজনের প্রতিটি চরিত্র আর সময় কাল। এখন লেখক নিজেই সায়ংকালে আছেন। প্রার্থনা করি, লেখকের এই অন্তিম দিনগুলো শান্তিপূর্ণ হোক।

      সাদিয়া্ মাহজাবীন ইমামকেও ধন্যবাদ।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শাহ তোফায়েল — ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৭ @ ৯:২৬ অপরাহ্ন

      খুব-ই বিষণ্ণতা অনুভব করছি।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন afsan chowdhury — ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৭ @ ৯:৩৪ পূর্বাহ্ন

      Age is a major vulnerability and its universal across class and community. As his wife has passed away, her care giving is limited since he always depended on his wife. We don’t know about other arrangements,

      At 75+ years, his vulnerability is high. But many people are still active at his age and his emotional health may be an issue here. Those who retire suffer more than those who work at all ages.

      It’s for such reasons that old age homes are very useful for many.

      Thanks

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রফিকুল বাসার — ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৭ @ ৯:৪৮ পূর্বাহ্ন

      ‍‌”‘দেখ এই কি মানুষের জীবন? সুখ নেই, স্বস্তি নেই, গৃহ নেই, কেবলি প্রাণ নিয়ে পলায়ণ করতে হচ্ছে, এর শেষ কোথায় ? এ জীবন কী যাপন করা যায়? বলো কতোদিন এভাবে চলবে ? ’ উপন্যাসের মাধ্যমে এ প্রশ্ন গুলো ২০ বছর আগে যিনি করেছিলেন তিনি বাংলা কথা সাহিত্যের অন্যমত পুরুষ শওকত আলী। জনগণের সেই দূর্দশা এখনো কাটেনি বলে তাঁর আফসোস। ‘ জনগণের যে কষ্ট এটা কিছুতেই দূর হচ্ছে না এবং দূর করার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে না। এইটাই আমার আফসোস।’ এমনভাবে জানালেন তার কষ্টের কথা। আফসোসের পাশাপাশি নিজের ব্যর্থতা বোধও আছে। লিখতে না পারার। তৃণমূলের নারী-পুরুষ মিলিত হয়ে যে লড়াই করছে, তার পরিণতিটা এখনো দেখাতে পারেননি। ভাল করে লিখতে পারেননি মাটির মানুষের জীবন সংগ্রামের কথা। যা তার জানা আছে। মহাস্থানগড়, পার্বতিপুর কিম্বা দেশের অন্য কোথাও পোড়ামাটির টেরাকেটার মধ্যে এখনো তিনি খুঁজে ফেরেন তাঁর লিলাবতীকে। তাঁর বিশ্বাস বারশ’ শতাব্দীর লিলাবতী এখনো বাংলায় আছে। থাকবে। শওকত আলী একমাত্র কথা শিল্পী, যিনি বাংলা উপন্যাসে বৈচিত্র এনেছেন। একহাতে লিখেছেন ইতিহাস, ঐতিহ্য, ভূগোল, তৃণমুল মানুষের জীবন, মধ্যবিত্ত, দেশভাগ, প্রেম। সব স্বাদ আছে তার লেখায়। একটা উপন্যাসের সাথে আর একটার মিল কম। বাংলা সাহিত্যে উল্লেখ করার মতো উপন্যাসের তালিকা করলে সে খেরো খাতায় তিনি এগিয়ে। প্রদোষে প্রাকৃতজন তার কালজয়ী উপন্যাস। উপন্যাস ছাড়াও লিখেছেন ছোটগল্প, প্রবন্ধ, বাচ্চাদের জন্য গল্প-উপন্যাস। সব মিলিয়ে ৩০/৩৫টি হবে তার বই এর সংখ্যা।”

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন হিমাদ্রিশেখর সরকার — ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৭ @ ৮:৫২ অপরাহ্ন

      তার বইগুলো তো এখনো বিক্রি হয়।প্রকাশকেরা রয়্যালটি দিয়ে সহযোগিতা করতে পারেন। সাহিত্যানুরাগী সবার এগিয়ে আসা উচিত। মাননীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী নজর দেবেন আশা করি। তিনি তো সারাজীবন দেশকে দিয়ে গেলেন।

    • প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বনি আমিন — ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৭ @ ৯:০২ অপরাহ্ন

      ব্যথা কেমন যেন রিনরিনিয়ে ওঠে। তবে ‘সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে ‘? ভাবি, হয়ত মানুষের এটাই স্বাভাবিক পরিণতি। শুধু স্বপ্নগুলো যদি পাখা মিলতো মানুষদেরই পাঁজরে?

আর এস এস

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

 
প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন:
১. ছদ্মনামে করা প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে করা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না। বিষয়সংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান।
২. বাংলা লেখায় ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
৩. পেস্ট করা বিজয়-এ লিখিত বাংলা প্রতিক্রিয়া ব্রাউজারের কারণে রোমান হরফে দেখা যেতে পারে। তাতে সমস্যা নেই।
 


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com