নওশাদ জামিলের চারটি কবিতা

নওশাদ জামিল | ৩১ মে ২০১৫ ৩:০৯ অপরাহ্ন

মর্মতল

সব কথা বলা হয়ে গেল?
দিনশেষে, ঘরে ফিরে খুব
ক্লান্ত হই, দৃশ্যের বাইরে
বিশুষ্ক প্রাণের বার্তা নিয়ে
জেগে ওঠে তীব্র কথাপুঞ্জ
কথার পারদ নেই–তাই
যাও পুড়ে যাও সূর্যতাপে
যাও রেখে যাও ছাইভস্ম। (সম্পূর্ণ…)

শিল্পী মুন রহমানের প্রদর্শনী

সাখাওয়াত টিপু | ৩১ মে ২০১৫ ১:০৬ অপরাহ্ন

img_3314.JPGThere is no such thing as good painting about nothing.
― Mark Rothko

মানুষ নিছক বাস্তবতার ভেতর দিয়ে যায় না। বাস্তব আদতে অভিজ্ঞতা আর শিক্ষার ধারণা মাত্র। সুনির্দিষ্ট জ্ঞান কাঠামোই তার ভিত্তি। কিন্তু শিল্প আর সাহিত্য বাস্তব ধারণার ভাবাতিরিক্ত ব্যাপার। ফলে মানুষ কল্পনাপ্রবণ হতে বাধ্য। এই প্রবণতা মানুষকে কল্পনা আর জ্ঞান-কাঠামোর সাথে উৎপাদন সম্পর্ক তৈরি করে। এই যে কল্পনা, এই অধরাকে ধরবার কারবারকে সহজ ভাষায় আমরা শিল্প বা সাহিত্য বলি। মানে ইমেজ বা কল্পনা বা ধারণার বাইরে মানুষের জ্ঞানের জগৎ নেই। ফলে শিল্প আর সাহিত্য নতুন ধ্যান ধারণার জন্ম দিয়েছে। দিচ্ছে। ভবিষ্যতে দেবে। এমন পাটাতনে ঢাকার শিল্পের নতুন ঘটনার কথা বলব।
মুন রহমানকে লোকে এক নামে চেনেন, এমন শিল্পী নন। চারুবিদ্যার বিদ্যার্থীও নন। ফলে চারুকলার জগতে মুন অনেক আনকোরা। অর্থশাস্ত্রে আনকোরা শব্দ নঞর্থক ভাব বহন করে। কিন্তু দর্শনশাস্ত্রে না অর্থ শুধু নঞর্থক নয়। হাঁ বোধও এতে বিরাজ করে। কারণ বিরাজিত বস্তুর ভাব নিছক বস্তু নয়। ভাবও বটে। জগতে হাঁ বোধ না থাকলে না বোধও নাই। হ্যাঁ তো ভাষার সংকেত। আর না ভাষার অপর গঠন। হ্যাঁ বোধের তখনই বিস্তৃতি ঘটে যখন না বোধের সম্পর্ক হয়। (সম্পূর্ণ…)

মোহাম্মদ রফিকের ছয়টি কবিতা

মোহাম্মদ রফিক | ২৯ মে ২০১৫ ৫:২৩ অপরাহ্ন

বেহুলা

আমি তবে লখিন্দর
তোমারে অমর করে যাব,

ভাসতে দাও ঢেউয়ে-ঢেউয়ে নিম্নগামী স্রোতে
গলিত মাংসের পিন্ড ঝরে পড়বে জলে,

আনন্দে মাতাল হবে মৎস্য-পরিবার,
কামনা দংশিছে যারে কাকে বা সে দোষারোপ করে,

বজ্রবিদ্যুতের শিখা বিদ্ধ করে শস্যের ভান্ডার
নয় সর্প দুর্ভাগ্যের কালচক্র নয়,

ফিরে চলো, কাজ নেই দেবতাকে তুষ্ট করে,
স্বর্গ বড়ো পরিহাসপরায়ন, (সম্পূর্ণ…)

নৃত্য শুধু নৃত্য নয়

আবদুস সেলিম | ২৭ মে ২০১৫ ৮:০১ অপরাহ্ন

dance-1.jpgপৃথিবীর অপরাপর জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংস্কৃতির সংজ্ঞার মতানৈক্যের কারণে পঞ্চদশ শতাব্দিতে উপনিবেশবাদের শুরু ও প্রসার। প্রতিটি মানবগোষ্ঠীর জীবনধারণের একটি একান্ত ধারা আছে যা তার সভ্যতা ও সংস্কৃতির ইঙ্গিত বহন করে– যার আওতায় জীবনের সবকিছুই সংযুক্ত। এক সময়ে উপনিবেশবাদের পক্ষে একটি জোরালো যুক্তি ছিল যে দেশকে দখল করা হলো সে দেশকে সভ্য করা। এশিয়া এবং বিশেষ করে আফ্রিকার জনগোষ্ঠীকে তথাকথিত সভ্যতার স্বাদ দেবার জন্য পশ্চিমা দেশগুলো বহু বছর ধরে উঠে পড়ে লেগেছিল যাকে ‘সাদা মানুষের দায়বদ্ধতা বা Whiteman’s burden হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। আজ কিছুটা হলেও পশ্চিমারা অনুধাবন করতে পেরেছে তাদের দেয়া সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সভ্যতার সংজ্ঞাটি আসলে একপেশে এবং অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্টতই ভ্রান্ত ছিল। বিশ্বের সকল মানবগোষ্ঠীই তাদের আপন-আপন অবস্থানে ও ব্যাখ্যায় সভ্য। এই উপলব্ধির পেছনে অবশ্যই পারস্পরিক সমঝোতার, বোঝাপড়ার ব্যাপার আছে আর সেই সমঝোতা ও বোঝাপড়ার অধিকাংশ সেতুবন্ধ হলো কৃত্যশিল্প, বিশেষত নৃত্য। নৃত্য মানবগোষ্ঠীর সবচেয়ে পরীক্ষিত বান্ধব, নৃত্যের অবস্থান সর্বকালে হিংসার বিপরীতে। (সম্পূর্ণ…)

পথে, প্রদেশে (পর্ব-৫)

মাসুদ খান | ২৬ মে ২০১৫ ১০:১৯ অপরাহ্ন

শীত যায় গীত গায়/ শিল পড়ে কিল খায়

ঝড়ের প্রকোপ বাড়তেই থাকে ক্রমশ। একপর্যায়ে ঝড়ের কেন্দ্রে তৈরি হয় এক বিশেষ ধরনের ঘোর ও ঘূর্ণি, যার প্রভাবে হাওয়ায় জাগে কড়া কেন্দ্রাতিগ টান। প্রকৃতি যেন এক অতিকায় অদৃশ্য সেন্ট্রিফিউগাল মেশিন বসিয়ে দিয়েছে ঝড়ের উৎকেন্দ্রে। ঝড় যেদিকে যায়, অদৃশ্য মেশিনটাও সেইদিকে। ঘটতে থাকে অদ্ভুত সব কাণ্ড।

এ-অঞ্চলের রসিক মানুষজন আড্ডায় খোশগল্পে ঠাট্টায় চুটকিতে ব্যবহার করে বিচিত্র সব শালীন-অশালীন, ভব্য-অভব্য প্রবাদ প্রবচন ধাঁধা শোলক ও বাগধারা। দেহাতি মানুষ নানা আদিরসাত্মক কথা বলে, লোকজনের সামনে, প্রকাশ্য জমায়েতে, ভর মজলিশে, অবলীলায়। তাদের কাছে সেগুলি অশ্লীল নয় কোনোভাবেই। আদিরসের মধ্যেই নিহিত ওইসব প্রবচনের শক্তি ও সৌন্দর্য।

ঝড়কেন্দ্রের সেই প্রবল কেন্দ্রাতিগ টানে বাতাসে বিলীন হয়ে ভেসে বেড়ানো তাবৎ কথার এলোমেলো জঙ্গলের ভেতর থেকে জট ছাড়িয়ে ছিটকে বেরিয়ে আসছে এ-যাবৎ উচ্চারিত যত প্রবাদ প্রবচন শোলক-শায়েরি ধাঁধা শ্লোগান ও বাগধারা– অনর্গল, অফুরন্ত, নিরবচ্ছিন্ন, নিরবদমিত। প্রথম-প্রথম বেরুচ্ছে গুচ্ছাকারে, মেশামেশিভাবে ও একাকার হয়ে। পরে আস্তে-আস্তে অনেকটা শোধিতরূপে, স্পষ্টভাবে… যেমন প্রবাদ-প্রবচনগুলি একদিকে, বাগধারা-বাগবিধি আরেক দিকে, ধাঁধা শোলক শ্লোগান এগুলি অন্য পাশে। আবার, প্রবাদ-প্রবচনের মধ্যে অন্ত্যমিল-অলা দ্বিপদীগুলি একদিকে, একপদীগুলি অন্যদিকে। অভব্য ও চটুল প্রবচনগুলি বেশ হালকা, চার্জিত বাতাসের প্লবতাশক্তি তাদের ওপর অনেক বেশি। তাই সেগুলি ভেসে উঠে ছিটকে বেরিয়ে আসছে সবার আগে আগে। চারদিক থেকে বাগবাহুল্যের লাগাতার ঘূর্ণি ও ঝাপটা এসে একরকম গুঁড়িয়ে উড়িয়ে দিয়ে চলে যাচ্ছে সবকিছু। একপর্যায়ে সুস্পষ্ট শোনা যাচ্ছে বিলীনদশা থেকে উদ্ধার-পাওয়া, জীবন্ত ও মুখর হয়ে ওঠা ওইসব বিচিত্র প্রবাদ প্রবচন ধাঁধা ও শোলক…। কিছুটা শোনেন তাহলে… (সম্পূর্ণ…)

অপরাজেয় নজরুল- জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি

সাহানা মৌসুমী | ২৫ মে ২০১৫ ১০:২৬ অপরাহ্ন

kazi-nazrul_31.jpgরুক্ষ পাথুরে মাটির ধু ধু প্রান্তরের শেষ সীমানায় এক অজ পাড়াগাঁ। গাঁয়ের নাম চুরুলিয়া- উত্তরে অজয় নদী। এ গ্রামে দরিদ্র চাষাভুষো মানুষজনের বাস। দরিদ্র হলেও আছে শিক্ষা আর রুচির ছাপ। গাঁয়ের পশ্চিম দিকে এক পুকুর- পাশে মসজিদ, মক্তব। তার পাশে কাজী বাড়ি। কোন এক কালে- সেই মোগল আমলে আদালতের বিচারক ছিলেন এ বাড়ীর কেউ। সেই থেকে কাজী বাড়ি। বিদ্যাচর্চার ঐতিহ্য নিয়েও পরিবারটি এখন দরিদ্র। মসজিদের মুয়াজ্জিন আর ইমামতিতে সামান্য উপার্জন। এভাবে পিতামহ কাজী আমিনুল্লাহ থেকে পিতা কাজী ফকির আহমদের সংসারযাত্রা। এই সংসারে, এক মঙ্গলবারে- জ্যৈষ্ঠের সেদিন এগারো- বাংলা ১৩০৬- জাহেদা খাতুন জন্ম দিলেন এক শিশুপুত্রের। নাম রাখা হল – কাজী নজরুল ইসলাম। জন্ম নিলেন বাঙালির দ্রোহের সর্বাধিনায়ক যার ‘এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী- আর হাতে রণতূর্য’! (সম্পূর্ণ…)

নজরুলের “বিদ্রোহী’’ ও অন্যান্য কবিতার ইংরেজি অনুবাদ প্রসঙ্গে

মোস্তফা তোফায়েল | ২৫ মে ২০১৫ ৮:৫১ পূর্বাহ্ন

nazrul1.jpg
Poetry of Kazi Nazrul Islam in English Translation প্রকাশিত হয় ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে, নজরুল ইনস্টিটিউট ঢাকা থেকে। বইটির তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয় ২০১২ তে, চতুর্থ পরিশোধিত সংস্করণ প্রকাশিত হয় ২০১৪ তে। সম্পাদক মুহম্মদ নূরুল হুদা। ১২ পৃষ্ঠাব্যাপী দীর্ঘ সম্পাদকীয়তে কাজী নজরুল ইসলামের জীবনী এবং তাঁর কবিতা-গান-গদ্য ইত্যাদি প্রকাশের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমী ও নজরুল ইনস্টিটিটের ভ’’’মিকা ও অবদান বর্ণিত হয়েছে । এই সম্পাদকীয় নিবন্ধ থেকেই আমরা জানতে পারি যে নজরুল ইনস্টিটিউট কাজী নজরুলের হারিয়ে যাওয়া দুটি পাণ্ডুলিপি উদ্ধার করেছে। সাহিত্যিক উদ্ধার কাজ বিশেষ গৌরব ও তাৎপর্যের। বরিশালের ভূমেন্দ্র গুহ ও কুষ্টিয়ার আবুল আহসান চৌধুরী এরকম কিছু পাণ্ডুলিপি উদ্ধারের কাজ করেছেন। শতাধিক বছর আগে রপ্রুরস্থ ‘রংপুর সাহিত্য পরিষৎ’ সাংগঠনিকভাবে তৎপর হয়ে বিপুলসংখ্যক পাণ্ডুলিপি উদ্ধার ও সংরক্ষণ কাজ সম্পাদন করেছেন। (সম্পূর্ণ…)

ত্রিশালে আজ তবে বৃষ্টি আসুক

শামীম সিদ্দিকী | ২৫ মে ২০১৫ ৮:০৫ পূর্বাহ্ন

kazi-nazrul_3.jpg
বৃষ্টি এলে আমার কেমন মুক্তক মাত্রাবৃত্ত মাত্রাবৃত্ত লাগে
ত্রিশালে আজ তবে বৃষ্টি আসুক
তীব্র রঙের ফুল আম-লিচু-কাঁঠাল
প্রকৃতির কণায় কণায়
সরস টগরধারা বৃষ্টি জৈষ্ঠ্য মাসের

কেমন স্নেহের দোলা নিয়ে আসেন দারোগা রফিজ উল্লাহ
চাকচিক্য-কুলীন শহর ঘুরে ঘুরে শেষাবধি নামাপাড়া
দরিরামপুর
কিশোর কবি দুখু দুঃখ ভুলে প্রকৃতির
আকাশ ছাপানো স্নেহে তার ভরেন হৃদয়
মন্দাক্রান্তা বৃষ্টির সুরে লয়ে (সম্পূর্ণ…)

প্রত্যুষে ওদের কথা

মো. আনোয়ার হোসেন | ২৩ মে ২০১৫ ৯:১৮ অপরাহ্ন

ঘড়ির দুইটি ছোট কাল হাত ধীরে
আমাদের নিতে চায় যেই শব্দহীন মাঠে, ঘাসে
সাহস-সঙ্কল্প-প্রেম আমাদের
কোনদিন সেদিকে যাবে না
তবুও পায়ের চিহ্ন সেদিকেই চলে যায়
কি গভীর সহজ অভ্যাসে।

– জীবনানন্দ দাশ

আরাকানে তৃতীয় ভোর। পাহাড়ে ভোরের নিজস্ব রূপ আছে। সুবেহ সাদেকের সময় ক্ষণস্থায়ী স্বর্গীয় আলোতে কিছু পাখী ডেকে উঠে। তারপর আবার নরম অন্ধকার। আবার নিস্তব্ধতা। ভোরের আলো ফুটতে শুরু করে এরপর থেকে। তার আগে আগে পাখীর কল-কাকলি জানান দেয় সূর্যদেবের আবির্ভাবের। বনমোরগের ডাক পাহাড় থেকে পাহাড়ে প্রতিধ্বনিত হয়ে ফেরে। ভোরের আলো স্নিগ্ধ। গাছের পাতা, পোকা-মাকড়, পাখী ও প্রাণীকুল সে আলোয় জেগে উঠে। লক্ষ কোটি বছরের মুগ্ধতা নিয়ে প্রকৃতি তাকায় সূর্যের রশ্মির দিকে। প্রায় পনের কোটি কিলোমিটার দূর থেকে আট মিনিট আগে সূর্যদেব যে আলো পাঠিয়েছে, তার জন্য সারারাত অপেক্ষা করেছে সে। (সম্পূর্ণ…)

কুদরত-উল ইসলামের ‘গন্ধলেবুর বাগানে’

রাজু আলাউদ্দিন | ২৩ মে ২০১৫ ১১:৩২ পূর্বাহ্ন

border=0কুদরত-উল ইসলামের পরিচিতি মূলত উপন্যাস, ছোটগল্প, প্রবন্ধ আর শিশুসাহিত্যের জন্য হলেও, তার মরণোত্তর কবি পরিচয়কে যে উপেক্ষা করা যা না তার প্রমাণ অন্ধ অন্ধ গন্ধলেবুর বাগানে শীর্ষক কাব্যগ্রন্থ।

তার কবি পরিচয়ের হদিস নেয়ার আগে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ কুদরত-উল ইসলাম সম্পর্কে কয়েকটি জরুরী তথ্য এই যে তিনি ১৯৩২ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বাংলাদেশে। ১৯৬৩ সালে থেকে যুক্তরাজ্যে প্রবাসী হন। কিন্তু প্রবাস তাকে বাংলাদেশ এবং সাহিত্যের শেকড় থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি । বাংলাদেশের জন্মের মুহূর্তে লেখক প্রবাসে থাকাবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আন্তর্জাতিক মতাদায়ে বিরাট ভূমিকা পালন করেন।

সাহিত্যিক জীবনে তিনি ছিলেন বহুমুখী: বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে যেমন, তেমনি সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় সৃষ্টিশীল সফরের কারণেও। বাংলাদেশে তিনি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর আদি স্রষ্টাদের একজন। বাংলা ভাষায় অনুসন্ধানী সমালোচনা নেই বলে আমরা তার অবদানের মানচিত্রটি আঁকতে পারিনি। ১৯৭৫ সালে প্রকাশিত তার প্রথম উপন্যাস ব্রেইন ফ্যান্টাসীর নাট্যরূপ প্রচারিত হয়েছিলো বিটিভিতে। বিশ্বনাগরিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ লেখক কুদরত-উল ইসলাম দেশজ এবং বিশুদ্ধ কাল্পনিক বিষয়ে আবদ্ধ না থেকে নিকারাগুয়ার মুক্তিসংগ্রাম নিয়েও লিখছেন উপন্যাস। সাম্যবাদী আদর্শ তার ব্যক্তিত্বকে দিয়েছে বিশ্বরূপের প্রসারতা আর মানবিক চেতনার সৌন্দর্য্য। তার ব্যক্তিত্বের ঐশ্বর্য্য থেকে বঞ্চিত ছিল না শিশুরাও। ওদের জন্য লিখেছেন তিনি। (সম্পূর্ণ…)

চিনুয়া আচেবের লড়াই এবং ক্ষমতা ও সত্যের সমন্বয়

অলাত এহ্সান | ২১ মে ২০১৫ ২:১৯ অপরাহ্ন

achebe-e1.gif‘আফ্রিকার লেখকের পক্ষে এক ধরনের অঙ্গীকার, এক ধরনের বার্তা প্রদান, এক ধরনের প্রতিবাদ করা—এসব ছাড়া আর কিছুই লেখা সম্ভব নয়। আফ্রিকার জীবনটাই এমন হয়েছে যে আপনাকে প্রতিবাদ করতেই হবে; আপনাকে ইতিহাস, ঐতিহ্য, ধর্ম ইত্যাদি নিয়ে কথা বলতেই হবে।’ আফ্রিকার মহান সাহিত্যিক চিনুয়া আচেবে বলেছিলেন এই কথা। তিনি এইসব কথা বলেছিলেন আফ্রিকার উপনিবেশ ও উত্তর-উপনিবেশিকতার প্রেক্ষিতে দাঁড়িয়ে। তিনি তাঁর সাহিত্য করেছেন এই দায়বদ্ধতা থেকেই। তার অনবদ্য উপন্যাস ত্রয়ী (ট্রিওলজি) ‘থিংস ফল এ্যাপার্ট’, ‘নো লংগার এট এজ’ ও ‘এ্যারো অফ গড’-এর দিকে তাকালেই তা বোঝা যায়। এর বাইরে ‘দেয়ার ওয়াজ এ কান্ট্রি’ ও ‘এন্টহিল অফ দ্য সাভানা’-এ প্রসঙ্গগুলো আরো জোড়ালোভাবে এসেছে।
কিন্তু সাহিত্য যখন উত্তর-আধুনিকতা নিয়ে ভাবছে, তখন আফ্রিকার সাহিত্যিক তার লেখায় কি তুলে ধরবেন? আরেকটু বিস্তারিত ভাবে বললে, বর্তমান বিশ্বে সাহিত্যের কি বা মূল্য আছে, যেখানে মারণাস্ত্রের উন্নতি আর যুদ্ধ নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। (সম্পূর্ণ…)

‘কিন্তু’ গীত

লীসা গাজী | ২০ মে ২০১৫ ২:২০ অপরাহ্ন

‘কিন্তু’ গীত গানেওয়ালা ‘কিন্তু’ গীত বাঁধেন
যৌন হ্য়রানি ন্যাকারজনক
সেইটা ভালোই বোঝেন
‘কিন্তু’ বাইরে যখন পড়বে পা
সবার নজর সমান না
স্মরণ রাখা চাই

আরে ধর্ম-মতে, লোক-মতে
নিজের মান নিজের বটে
বেশভূষা, চাল-চলনে
স্পষ্ট থাকা চাই (সম্পূর্ণ…)

পরের পাতা »

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com