Dusk, Dawn and Liberation

Nafees Imtiazuddin | ১২ জানুয়ারি ২০১৫ ৭:৫২ অপরাহ্ন

border=0The book Dusk, Dawn and Liberation is a compelling read. This is the ultimate test of any book, fact, fiction or fusion of both. This book is hard to put down once you start. Even though I am thoroughly familiar with most of the history, I was drawn in from the very first narrative the setting, not mentioned, being in Larkana, Sindh, in the then West Pakistan. I found myself racing through the book turning page after page to see what came next. Events that most of our generation not just knew about but actually lived. The author’s ability to create suspense in a known narrative proves, more than anything, that he is a very good story teller.
Dusk,Dawn and Liberation is a seamless fusion of facts and fiction. But on reading it is difficult to see where the facts blend into fiction. Except maybe the tragedy of Mr. Rauf. Having said that, the question quickly jumps to mind— or does it? Is that fiction, or just changed identities? Because it could as really be true. Very good technique from the author. (সম্পূর্ণ…)

কাছে ছিলে, দূরে গেলে : আলী আনোয়ার

সনৎকুমার সাহা | ১১ জানুয়ারি ২০১৫ ১২:২৮ অপরাহ্ন

hasan-ali-anwar.gif
সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘স্বনন’ কর্তৃক ১৩৯১ বাংলা সনে আয়োজিত বৈশাখি কবিতা উৎসবে কবিতা পাঠ করে শোনাচ্ছেন কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক এবং প্রাবন্ধিক আলী আনোয়ার

পাঁচ-ছ বছর একটানা দূর বিদেশেই তিনি ছিলেন― আমেরিকায়। স্বেচ্ছায় নয়। ঘাতক রোগ শরীরে বাসা বেঁধেছিল। যকৃতে ক্ষয়। আগে জানা ছিল না। ওখানে ডাক্তাররা দেখে বলেন, শতকরা পঁচাত্তর ভাগই অকেজো। তখন থেকেই বাকি পঁচিশ ভাগ টিকিয়ে রাখার লড়াই। ওখানকার ব্যবস্থা তার জন্যে অনুকূল। এখানে থাকলে ঝুঁকি বেশি। তাই বাধ্য হয়ে নিউইয়র্কে। ছেলে-মেয়ে ওই দেশে। যথেষ্ট যোগ্য তাঁরাও। আমাদের নাগরিক সমাজে এটা এক স্বপ্নপূরণ। ছেলে-মেয়ে কৃতী হবে। উন্নত বিদেশে থাকবে। বাবা-মা বেশি বয়সে তাঁদের কাছে ছুটি কাটাতে যাবেন।। চাইলে থেকে যাবেন সেখানেই। দেশেও কদর বাড়বে। কিন্তু তিনি, অধ্যাপক আলী আনোয়ার, তেমন ধাতের ছিলেন না। বছর পনের আগে যখন অবসর নেন, তখন তাঁর মনে হয়েছিল, এবার ইচ্ছামতো পড়বেন, ভাববেন, লিখবেন। একটু নিরিবিলি বাসা, আর অনেক পড়ার সুযোগ। অবশ্য ভাবীকে নিয়ে একটা চিন্তা ছিল। কর্কটরোগ তাঁর ধরা পড়ে এর বছর কয়েক আগেই। তবে তা ছড়ায়নি। গভীরে যায়নি। তখন চটজলদি আমেরিকা নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান, সেরে ওঠেন। তিনি আলী আনোয়ারের পাশে ছিলেন সবসময় রক্ষয়িত্রীর মতো। ক্লান্তিহীন অতন্দ্র প্রহরা, এমনকি ওই আমেরিকাতেও। (সম্পূর্ণ…)

মহাশ্বেতা দেবী: সাক্ষাতে, অসাক্ষাতে

অভিজিৎ সেনগুপ্ত | ১০ জানুয়ারি ২০১৫ ১:৪২ পূর্বাহ্ন

maha.jpgমহাশ্বেতা দেবীর সঙ্গে সাক্ষাতের কথা ভাবলে মুহূর্তের জন্য আমার মনে ভেসে ওঠে বহুদিন বহু বিষয়ে তার সঙ্গে আমার আলোচনার কথা, যা আমাকে ক্রমশ শ্রদ্ধাশীল কৌতূহলী করে তুলেছিল তার সম্বন্ধে। কয়েক মুহূর্তের সাক্ষাৎকার আর কতটুকু নতুন কথা বলতে পারে একজনের সম্বন্ধে, যখন তার সান্নিধ্যধন্য বহু মুহূর্ত জমা হয়ে আছে বুকের মধ্যে।

যার বই তখন অনেক পড়ে ফেলেছি কিন্তু চাক্ষুষ দেখা হয়ে ওঠেনি– কেন না তার সম্ভাবনাই ঘটেনি– সেই মহাশ্বেতা দেবীকে চোখে দেখার বিবরণ আমি শুনেছিলাম প্রখ্যাত অলঙ্করণশিল্পী আমার ভাই যুধাজিৎ সেনগুপ্তের কাছে, যিনি তখন মহাশ্বেতা দেবীর অচিরেই প্রকাশিতব্য গ্রন্থ এককড়ির স্বপ্ন বইয়ের অলঙ্করণের ভার নিয়েছেন। সে অনেককাল আগেকার কথা– মহাশ্বেতা দেবী তখন থাকেন কাঁকুলিয়ার বাড়িতে। (সম্পূর্ণ…)

গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:

নিঃসঙ্গতার একশ বছর

আনিসুজ্জামান | ৭ জানুয়ারি ২০১৫ ৭:২১ অপরাহ্ন

border=0বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে নিঃসঙ্গতার একশ বছর-এর মতো আর কোনো উপন্যাস প্রকাশের পরপরই এতটা পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে কিনা সন্দেহ। জনপ্রিয়তার বিচারে যেমন, তেমনি শিল্পকুশলতা আর শিল্পমুক্তির ক্ষেত্রেও এটি হয়ে উঠেছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। কেবল স্প্যানিশ সাহিত্যেই নয়, গোটা বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসেই একটি মাত্র উপন্যাসে ইতিহাস, আখ্যান, সংস্কার, কুসংস্কার, জনশ্রুতি, বাস্তব, অবাস্তব, কল্পনা, ফ্যান্টাসি, যৌন-অযাচার ও স্বপ্ন– সবকিছুর এমন স্বাভাবিক ও অবিশ্বাস্য সহাবস্থান আগে কখনও দেখা যায়নি।
ঠিক এই কারণে মারিও বার্গাস যোসা এটিকে বলেছিলেন এক সামগ্রিক উপন্যাস (Novela Total), আর পাবলো নেরুদা একে বলেছিলেন, “সের্বান্তেসের ডন কিহোতের পর স্প্যানিশ ভাষায় সম্ভবত মহত্তম উন্মোচন (“perhaps the greatest revelation in the Spanish language since Don Quixote of Cervantes.”)
বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত কিংবদন্তিতুল্য এই উপন্যাসটি মূলভাষা থেকে অনূদিত হয়নি। এই প্রথম এটি আনিসুজ্জামানের অনুবাদে মূল থেকে ধারাবাহিক অনূদিত হচ্ছে। বি. স.
(সম্পূর্ণ…)

দেয়ালের চিত্রিত ভাষা

মাসুদ হাসান উজ্জল | ৬ জানুয়ারি ২০১৫ ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন

immage-of-wall01.jpgএকটা গুহার দেয়ালে শেকলবন্দি কিছু মানুষ আগুনের সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়া কিছু ছায়া দেখে সেগুলোর নামকরণ করে চলেছিল– হয়তো বা মুক্ত ছায়ার চলাচল দেখে তারাও পেতে চাইছিল মুক্তির স্বাদ। অথচ তারা জানেই না ছায়াগুলো সত্য অবয়ব নয়!– এমন একটা কাহিনী বর্ণনা করতে গিয়ে মহামতি সক্রেটিস প্লেটোকে বুঝিয়েছিলেন দার্শনিকগণও এমনটি শৃঙ্খলিত- বাস্তব অবাস্তবের দোলাচলে। এই ভাবনা পরবর্তীতে প্লেটোর ‘থিওরি অফ ফর্মস’কে প্রভাবিত করে। গ্রীক-দর্শন অনুযায়ী কোনো বস্তুর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিগত মূল্যায়ন হলো ‘ফর্ম’। নির্দিষ্ট আকারের বস্তুর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতা তাকে ভিন্নভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। কবি জীবনানন্দ দাস বলেছিলেন `পশ্চিমের মেঘে সোনার সিংহ আঁকে’ আরেক জায়গায় বলেছেন– ‘সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি’। ‘পশ্চিমের মেঘে সোনার সিংহ আঁকে’ অথবা ‘কেউ কেউ কবি’ এই দুটি বাক্যে ফর্মের ব্যখ্যাটা খুব স্পষ্টভাবে ধরা দেয়। কারও কারও কাছে– মেঘ সেতো নিছক মেঘই, বড় জোর বৃষ্টি ঝরাতে সক্ষম, কিন্তু কেউ কেউ সেই মেঘের ভাঁজে খুঁজে ফেরে ‘সময়’ নামক সাদা ঘোড়া, হারিয়ে যাওয়া সোনার সিংহ, হাজারো অবয়ব! (সম্পূর্ণ…)

চিত্রকর রবীন্দ্রনাথ এবং তাঁর বর্ণান্ধতা প্রসঙ্গ

অভিজিৎ রায় | ৩ জানুয়ারি ২০১৫ ৮:০৪ অপরাহ্ন

গত বছরের জুন মাসে হঠাৎ করেই আর্জেন্টিনা এবং পেরু ভ্রমণে গিয়েছিলাম। সে সময় এক ফাঁকে আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনোস আইরেসের অদূরে সান ইসিদ্রোতে ‘ভিলা ওকাম্পো’ দর্শনের এক মনোরম অভিজ্ঞতা হয় আমার। এ বাড়িটি এবং তার অদূরে মিরালরিও নামের আরেকটি বাড়ির সাথে রবীন্দ্রনাথের কিছু অমলিন স্মৃতি জড়িয়ে আছে, অনেকেই হয়তো জানেন। ভ্রমণ থেকে ফিরে এসে আমি বিডিআর্টসের জন্য একটি লেখা লিখেছিলাম–‘ওকাম্পো আর রবীন্দ্রনাথ : কিছু অশ্রুত গুঞ্জন’শিরোনামে1 । আমার ভ্রমণ অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া নতুন কিছু তথ্যের আলোকে নতুনভাবে রবীন্দ্রনাথ-ওকাম্পোর সম্পর্ককে বুঝবার প্রয়াস ছিল সে লেখায়। লেখাটি ছিল বেশ দীর্ঘ। আমি ভেবেছিলাম এ ধরণের একঘেয়ে নিরস লেখা পড়তে পড়তে হয়তো পাঠকদের ক্লান্তি চলে আসবে একটা সময়। পাঠকদের কাছ থেকে যে প্রতিক্রিয়া পেয়েছি, তাতে মনে হয় সেরকম কিছু হয়নি। বরং, যে কোন কারণেই হোক, লেখাটি পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছিল। অনেক পাঠক লেখাটিকে পূর্ণাঙ্গ বইয়ে রূপ দিতে অনুরোধ করেন।

তবে বই লিখতে বললেই চট করে লেখা যায় না। আর তাছাড়া রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে, তার কাজের নানা দিক নিয়ে, এমনকি তাঁর জীবনের নানা অলিগলি নিয়ে ইতোমধ্যেই অজস্র গ্রন্থ লেখা হয়েছে, এখনো হচ্ছে, ভবিষ্যতেও হবে। কাজেই নতুন বইয়ে চর্বিতচর্বণের একটা ভয়তো আছেই। তাই ঠিক করেছি বই যদি হয়ই তবে সেটা স্রেফ রবীন্দ্রনাথের উপর না হয়ে ওকাম্পোর কিছু অনালোকিত দিক, এবং রবীন্দ্রজীবনে তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে, কিংবা এর উল্লেখযোগ্য প্রভাব নিয়ে কিছু একটা হলেও হতে পারে ভবিষ্যতে। তবে বই টই না হোক, এ নিয়ে নতুন কিছু তথ্য যদি পাওয়া যায় -যেটা অনেকেরই অজানা, তা পাঠকদের সাথে বিনিময় করতে তো কোন বাধা নেই। বাধা নেই এ নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত ঘটাতেও। সে থেকেই শুরু হল বাড়তি কিছু অনুসন্ধান। আমার আজকের লেখাটি আমার সেই অনুসন্ধানেরই একটা সংক্ষিপ্ত রূপ বলা যায়। (সম্পূর্ণ…)

এলিস মুনরোর গল্প: চোখ

নুসরাত সুলতানা | ১ জানুয়ারি ২০১৫ ১১:০৯ অপরাহ্ন

alice-munro-005.jpg নোবেলজয়ী লেখক এলিস মুনরোর এ গল্পটি তার Dear Life গ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে। নুসরাত সুলতানার অনুবাদে গল্পটি আর্টস.bdnews24.com-এর পাঠকদের জন্য এখানে প্রকাশ করা হলো । বি. স.

হঠাৎই আমার মায়ের একটা ছেলে জন্মাল। আমার বয়স তখন পাঁচ। আর আমার মা বলতে শুরু করল আমি নাকি সবসময়ই একটা ভাই চাইতাম। এই ধারণা মায়ের মাথায় কোত্থেকে এল আমি জানি না। মা বেশ রসিয়ে রসিয়ে ব্যাপারটা বর্ণনা করত–মনগড়া তথ্যে ভরা অথচ অস্বীকার করার জন্য পাল্টা জবাব দেয়াও কঠিন।

এর এক বছর পর ঘরে এল একটা মেয়ে সন্তান। আবারও শুরু হল একরাশ আদিখ্যেতা। তবে এবার আদিখ্যেতার পরিমাণটা গতবারের চেয়ে খানিকটা কম।

প্রথম বাচ্চাটা জন্মানোর আগ পর্যন্ত আমি আমার সম্পর্কে মায়ের সব কথাই বেদবাক্যের মত মেনে নিতাম, ভাবতাম মা যেমন বলে আমি ঠিক তেমনই। আর সে পর্যন্ত আমাদের বাড়ী জুড়ে মায়ের উপস্থিতিই ছিল সবচেয়ে প্রবল, মায়ের পায়ের শব্দ, কণ্ঠস্বর, মা ঘরে না থাকলেও তার ভয়-জাগানো গন্ধে ঘরগুলো ভরে থাকত। (সম্পূর্ণ…)

« আগের পাতা |

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com