বর্ষাকাব্য

শান্তা মারিয়া | ১৫ জুন ২০১৪ ১১:৩৩ অপরাহ্ন

গল্পটা অনেক পুরনো। প্রায় সকলেরই জানা। কোনো একটি অপরাধে এক তরুণ প্রণয়ীকে নির্বাসন দেওয়া হল তার আবাসস্থল থেকে বহু দূরের এক দেশে, পর্বত শিখরে। এক বছরের জন্য নির্বাসন। সেখানে একটি একটি করে তার কষ্টের দিন পার হতে লাগল। প্রায় আট মাস চলে গেল। এমনিভাবে যখন বর্ষা ঋতু এল, সজল কালো মেঘে ছেয়ে গেল আকাশ। তখন বিরহ যন্ত্রণায় সে অধীর হয়ে উঠল। তার হৃদয়ের বার্তা প্রেয়সীর কাছে পৌঁছানোর জন্য সে ব্যাকুল। গল্পটা যে যুগের, সেসময় ইন্টারনেট ছিল না। মোবাইল ফোনও না। তাই অবশেষে ‘আষাঢ়স্য প্রথম দিবসে’ মানে আষাঢ়ের প্রথম দিনে আকাশের মেঘকে মনের যন্ত্রণা খুলে বলে সে অনুরোধ করল তার প্রেয়সীর কাছে এই বিরহ-বার্তা পৌঁছে দেবার। সংক্ষেপে এই তো গল্প। হ্যাঁ, মহাকবি কালিদাসের মেঘদূতম কাব্যের কথাই হচ্ছে। কাব্যটি যতটা বিরহের তারচেয়ে অনেক বেশি বর্ষার বন্দনা। কারণ বিরহের বার্তা দ্রুত পাঠাতে হলে তো বিদ্যুৎকে দূত করে পাঠানোই ছিল ভালো। বর্ষায় মানুষের মন যখন হয়ে ওঠে উদাসী তখন অলকাপুরী হোক না হোক ভেসে যেতে ইচ্ছা করে সুদূরে। বর্ষার সেই উদাসী হাওয়ার কাব্যই মেঘদূতম(সম্পূর্ণ…)

পিতৃব্যের জন্য এলিজি

ইমরান চৌধুরী | ১৫ জুন ২০১৪ ১:২৩ পূর্বাহ্ন

border=0কাজী নূরুজ্জামান চৌধুরী ও বেগম হুরউন্নিসা চৌধুরাণীর শেষ জীবিত পুত্র সন্তান ফখরুজ্জামান চৌধুরী, আমাদের ফকু চাচা চলে গেলেন। গত পনেরো মাসে তিন সহোদর একে একে দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেন। সহোদরেরা জমিনে আসে ক্রমধারা অনুসরণ করে। জ্যেষ্ঠতা এদেশের সংস্কৃতিতে মস্ত গুরুগম্ভীর একটা বিষয়। কিন্তু জমিন থেকে বিদায়ের বেলায় জ্যেষ্ঠতার ক্রমধারা মানার বাধ্যবাধকতা থাকে না। অন্তত, আমার পিতামহের সন্তানদের বেলায় সেটা মোটেই অনুসৃত হয়নি। (সম্পূর্ণ…)

নরোত্তম কবি উত্তম দাশ

ফরিদ আহমদ দুলাল | ১৪ জুন ২০১৪ ১:৪০ অপরাহ্ন

uttam.gifআমরা যখন কবির পঁচাত্তরতম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছি; তখন এই দুঃসংবাদ যেন বিনা মেঘে বজ্রপাত হয়ে নেমে এলো মস্তকে। কবিতাবাংলার সর্ববৃহৎ আয়োজন ‘দরিয়ানগর কবিতামেলা ২০১৪’ ডিসেম্বরে বাস্তবায়ন হবে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায়। ঢাকা থেকে আমরা দীর্ঘ কবিতাযাত্রা করে পৌঁছে যাবো দরিয়ানগরে। আমাদের সাথে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের কবিরা সহযাত্রী হবেন। আমাদের সে কবিতাযাত্রায় যাঁরা থাকবেন তাঁদের অন্যতম কবি উত্তম দাশ (সম্পূর্ণ…)

জাহিদ হায়দারের কবিতা: বেইলি রোড

জাহিদ হায়দার | ১৩ জুন ২০১৪ ৭:২৩ অপরাহ্ন

পায়ের ভেতর হিংসা চাকার, ঘুরছে পা;
সামনের দিন ফেলবে কোথায়, কেউ জানে না;

সন্ধ্যা এবং দিনের পেটে জটের পাঁক;
ধুলোর দেশে হাঁপাচ্ছেই বেইলি রোড।

দেখার বাতিক ? বদলাও চোখ নদীর মত;
ঘুণ পোকারা চালায় দেশ রাত্রিদিন। (সম্পূর্ণ…)

রিলেটেড রাইটস : অংশীজনের যৌথ অধিকার

মনজুরুর রহমান | ১২ জুন ২০১৪ ৮:৩১ অপরাহ্ন

বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ে সচেতন উন্নত বিশ্ব বিশ্বাস করে-বিগত শতাব্দী ছিলো আইটির যুগ আর একবিংশ শতাব্দী আইপি-র যুগ। তাদের প্রতীতি জন্মেছে যে, একজন আধুনিক মানুষ প্রতিদিন কোনো না কোনোভাবে একশ থেকে দেড়শ আইপি ব্যবহার করে সংস্কৃতিবান হয়ে ওঠেন। তারা উপলব্ধি করলেও বাংলাদেশ এবং এরকম আরো অনেক স্বল্পোন্নত সমাজের মানুষ যেন বাতাসের মধ্যে ডুবে থেকে বাতাসের অস্তিত্ব টের পান না; তারা প্রতিনিয়ত আইপি সমুদ্রে অবগাহন করেও আইপির অস্তিত্ব সম্পর্কে প্রদর্শন করেন চরম ঔদাসীন্য। (সম্পূর্ণ…)

শামসেত তাবরেজীর দুটি কবিতা

শামসেত তাবরেজী | ১১ জুন ২০১৪ ৭:১৬ অপরাহ্ন

প্রতিদান

এইটুকু ভুরুক্ষেপ হল না তোমার
কোন্ মার্গে মহাজন এতটা উঠল!
কুশন লাগল না আর, বুটি তোলা রাত
ফাটবে-ফাটবে আশ্চর্য এমনই বোমার
স্প্রিন্টার চেপে লয়ে উথলিল দাঁত
কি ব্যাকুল কামড়ে দিতে ঝাঁপিয়ে ফুটল। (সম্পূর্ণ…)

খোয়াকিম মারিয়া মাচাদো দি আসিসের গল্প: ইবলিসের গির্জা

রওশন জামিল | ৯ জুন ২০১৪ ৮:৪৬ অপরাহ্ন

border=0‘আ ইগরেহা দু দিয়াবো” নামে এই গল্পটি ১৮৮৪ সালে মাচাদো দি আসিসের ছোটগল্প সংগ্রহে প্রকাশিত হয়। এই বাংলা অনুবাদের ভিত্তি টেক্সাস প্যান অ্যামেরিকান সিরিজভুক্ত জ্যাক শ্মিট ও লোরি ইশিমাৎসু অনূদিত ও সম্পাদিত ইংরেজি দি ডেভিলস্ চার্চ অ্যান্ড আদার স্টোরিজ-ভুক্ত ‘দি ডেভিলস চার্চ।’ ইংরেজি থেকে গল্পটি বাংলায় তর্জমা করেছেন অনুবাদক রওশন জামিল । (সম্পূর্ণ…)

জুননু রাইনের তিনটি কবিতা

জুননু রাইন | ৮ জুন ২০১৪ ৮:৪০ অপরাহ্ন

ক্লান্ত অভিমান

কী অদ্ভুত!
আমি আমার হাতকে বলছি-
তোমাকে দিয়ে আমি আর কিছুই স্পর্শ করব না
আমি আমার পা’কে বলছি-
তোমায় ভর করে আমি আর কোনোদিনই হাঁটব না
আমি আমার চোখকে বলছি-
তোমাকে দিয়ে আমি আর কোনো দৃশ্যই দেখব না
আর এই কথা শুনে শুনে অভিমান ক্লান্ত হয়ে আসে। (সম্পূর্ণ…)

বরেণ্য শিল্পী সৈয়দ জাহাঙ্গীর

সৈয়দ ইকবাল | ৭ জুন ২০১৪ ২:৫৪ অপরাহ্ন

border=0প্রবীণ শিল্পীদের মধ্যে সৈয়দ জাহাঙ্গীর নিজে যেমন শৈলিপ্রবণ তেমনি ওনার কাজেও সেটা বিদ্যমান। ৩১শে মে শনিবার সন্ধ্যা ছয়টায় আরেক বরণ্যে ব্যক্তিত্ব বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর প্রধান অতিথি হিসেবে সৈয়দ জাহাঙ্গীরের ৪১ তম একক প্রদর্শনী Of man and earth উদ্বোধন করেন গুলশানে বেঙ্গল লাউনজে। বিশেষ অতিথি ও আলোচক ছিলেন স্থপতি শামসুল ওয়ারেশ। উপস্থাপনায় ছিলেন বেঙ্গল শিল্পালয়ের প্রধান কর্মকর্তা নাহিদ লুভা চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন গ্যালারী ডিরেক্টর নওশীন খায়ের এবং নতুন ব্যাবস্থাপক হেড্রিয়ান ভিয়াজ। অনান্য অতিথিদের মধ্যে ছিলেন মুনতাসীর মামুন, শিল্পী মাহমুদুল হক, শেখ আফজাল, বিপাশা হায়াতসহ অনেকে। শিল্পী জাহাঙ্গীর আশা ব্যক্ত করেন ৫০তম একক পর্যন্ত করে যাওয়ার। উদ্বোধনকালে বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর বলেন, দীর্ঘ ৫০ বছর বন্ধু সৈয়দ জাহাঙ্গীরের কাজ দেখে আসছি। যতই দিন যাচ্ছে তিনি দেশের, গ্রামের মানুষ আর প্রকৃতির সঙ্গে নিজেকে মিশিয়ে দিচ্ছেন । (সম্পূর্ণ…)

স্কুলের দিনগুলো: পারিবারিক আনন্দ-বিষাদ

সনজীদা খাতুন | ৫ জুন ২০১৪ ১০:০১ অপরাহ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট হাউসে থাকতে মাসে অন্তত একটি রোববারে বড়দি এক মহা আনন্দের আয়োজন করতেন। ঘোষণা দিতেন– ‘আজ কেক করব, চল।’ নাচতে নাচতে সঙ্গে ছুটতাম সবাই। বড়দি একটা মোড়া কিংবা জলচৌকির অপেক্ষাকৃত উচ্চাসনে বসে অর্ডার করতেন– ময়দা, ডিম, ডিম ফেঁটবার কল, ঘি, চিনি, এক চিমটি নূন, এক কাপ দুধ, এসেন্স অফ ভ্যানিলা, বেকিং পাউডার আর ডিম ফেঁটবার জন্যে বড় খাড়া বাটি, আরো একটা সাদা তামচিনির বল (Bowl), কাঠের ডাট (কেকের উপকরণ নাড়বার হাতা)। সব হাজির হয়ে যেত। সাদা তামচিনির বলে প্রথমে ময়দা চেলে নিয়ে তার সঙ্গে বেকিং পাউডারে সামান্য নূন মেশানো হতো। তার পরে আলাদাভাবে ঘি, দুধ আর ডিমের কুসুম দই দিয়ে খুব করে তাতে ফ্যাটানো হতো। এসেন্স অব ভ্যানিলা দিতেন বড়টি। অন্যদিকে হুকুম হতো– মিনু, তুমি ডিমের সাদাগুলো মেশিনে ফেটাতে থাকো। বাটি উপচে ফেনা উঠলে একটু একটু করে বড় পাত্রের গোলার সঙ্গে মেশানো চলত। তারও পরে ওতে এক চামচ এক চামচ করে ময়দা দিয়ে দ্রুত নাড়া হতো। (সম্পূর্ণ…)

ঝুম্পা লাহিড়ীর উপন্যাস দ্য লোল্যান্ড

মোস্তফা তোফায়েল | ৩ জুন ২০১৪ ১১:৪৬ অপরাহ্ন

jhumpa-lahiri.jpgঝুম্পা লাহিড়ি ভারতীয় ঔপন্যাসিক। পুলিৎজার প্রাইজ, হেমিংওয়ে অ্যাওয়ার্ড, ফ্রাংক ও’কনর আন্তর্জাতিক ছোটগল্প অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। তিনি অ্যামেরিকা প্রবাসে আছেন। মাতৃভূমি ভারতের প্রতি তাঁর শেকড়বাঁধা টান। ইন্টারপ্রেটা(র) অব ম্যালাডিজ, দ্য নেইমসেইক, আনঅ্যাকাস্টম্বড্ অ্যার্থ— তাঁর তিনটি উপন্যাস, এবং সর্বশেষ দ্য লোল্যান্ড, যার প্রকাশক র‌্যানডম হাউজ ইন্ডিয়া, সাল ২০১৩। ২০১৩-র জুন মাসে নিউইয়র্কার পত্রিকায় দ্য লোল্যান্ড -এর অংশবিশেষ প্রকাশিত হয়েছিল। এটি একটি উপন্যাস। (সম্পূর্ণ…)

শামীম আজাদের গুচ্ছ কবিতা

শামীম আজাদ | ৩ জুন ২০১৪ ১০:২০ অপরাহ্ন

দিনের গভীরে তারা

বিদেশি সিল্কের মত ছিল আমার চুল, পায়ে পায়ে হাঁসের সন্তরণ
সন্ত মুখ নুয়ে বলেছিলেন, উড ইয়্যু লাইক টু বি মাই উইডো
গোলাপবালা, আমি কি তোমার কাঁটা হতে পারি?

কন্ঠস্বর উঠানে নদী ছিল, স্মিত হাসির হোয়াইট বোর্ডে সূর্য
দূর্বার দৃষ্টিতে অশোক তরু আর গালিব। (সম্পূর্ণ…)

« আগের পাতা | পরের পাতা »

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com