মতিন বৈরাগীর গুচ্ছ কবিতা

মতিন বৈরাগী | ৩১ মে ২০১৪ ৮:৩৭ অপরাহ্ন

এক নারী

চারিদিকে এতো রোদ গড়িয়ে ছড়িয়ে ফুটন্ত তরল
তপ্ত হাওয়ার নিশ্বাস গাছগুলো তিরতির নড়ে
ক্লান্তির ডানায় দুটো পাখি এতোক্ষণ পরস্পর খুটছিলো প্রেম
চলেগেছে তারা, একটা পাতার ফাঁকে আননন্দ মুখ ভাসে

বিষণ্ন শিরীষ, স্মৃতিগুলো ঘুরে যায় চোখ একা চেয়ে থাকে
এক নারী ছাদে ছড়ায় কাপড় আলগোছে, দাঁড়ের চিৎকার
ঝির ঝির নড়ে মুখ দূরে, কাছে কেউ নেই আর এক নারী
ওই ছাদে কেন আসে প্রতিদিন, সে কী আসে? আবছায়া মুখ (সম্পূর্ণ…)

নেরুদা-মার্কেসের দুর্লভ আলাপচারিতা

যুবায়ের মাহবুব | ২৯ মে ২০১৪ ৭:১২ অপরাহ্ন

ভূমিকা
গত মাসে গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের মৃত্যুর পর Foundation for New Latin American Journalism (FNPI) ৪২ বছর পুরনো একটি দুর্লভ ভিডিও প্রকাশ করে। ১৮ মিনিটের এই ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছিল ১৯৭১ সালে, সম্প্রচার করেছিল চিলির জাতীয় টেলিভিশন চ্যানেল। সে বছর অক্টোবর মাসে পাবলো নেরুদা নোবেল সাহিত্য পুরস্কার জয় করেন। কবি সেই সময় ফরাসী রাজধানীতে চিলির রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পুরস্কার ঘোষণার দুদিনের মধ্যে প্যারিসে পৌঁছে যায় চিলি টিভির ফিল্ম ক্রু, তাদের নেতৃত্বে ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক আউগুস্তো অলিভারেস। অলিভারেসের সার্বিক পরিচালনা এবং উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি ধারণ করা হয়। (সম্পূর্ণ…)

নজরুলের গানে চিত্রকল্প

মোস্তফা তারিকুল আহসান | ২৮ মে ২০১৪ ১১:৫৭ অপরাহ্ন

nazrul.jpgবাংলা সাহিত্যের এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কাজী নজরুল ইসলামের আর্বিভাব। রবীন্দ্রনাথের সমসাময়িক কবিরা যখন রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে মহাচিন্তিত, বেশিরভাগ লেখকই নিজেকে যখন প্রকাশ করার কোন সুযোগ পাচ্ছিলেন না সেই সময় নজরুলের অভিষেক। অন্যরা যেখানে রবীন্দ্ররিাধীতার হুজুগ তুলে নিজেদেরেকে অন্তঃসারশূন্য প্রমাণ করছিলেন নজরুল তখন নিজের লেখা দিয়েই নিজেকে মৌলিক কবি হিসেবে প্রমাণ করতে পেরেছিলেন। তাঁকে রবীন্দ্রবিরোধীতা করতে হয়নি। রবীন্দ্রনাথ বরং তাঁকে গ্রন্থ উৎসর্গ করে বরণ করে নিয়েছিলেন। (সম্পূর্ণ…)

জোহানেসবার্গে বৃষ্টি

গীতাঞ্জলি বড়ুয়া | ২৭ মে ২০১৪ ৯:১৭ অপরাহ্ন

জানালার কাঁচ বেয়ে বৃষ্টির জল ঝরে পড়ছে। গত রাত থেকেই আকাশ ছাপিয়ে বৃষ্টির তান্ডব। মনে হচ্ছে আজও সারাদিন তা-ই চলতে থাকবে। এরকম ক্লান্তিহীন বৃষ্টি অনেকের অনেক পরিকল্পনা নষ্ট করে দেয়ার জন্যে যথেষ্ট। তবে এলিয়ার তা মনে হচ্ছে না। আজ এ বৃষ্টি যেন কোনো বার্তা বাজিয়ে চলেছে। বিছানায় আর একটু এপাশ-ওপাশ করে নিয়ে ঘুমের শেষ রেশটুকু আজকের মতো বিদায় জানানোর কসরত করে নেয় খানিক। হাত বাড়িয়ে ফোনটা নিতে চায়, ক’টা বাজে? ডোরবেল বেজে ওঠে, জেনিফার এসেছে। দরজা খুলেই হাত বাড়িয়ে দেয়, লিমা চেরনি- সুপ্রভাত! দুজনে আলিঙ্গনে আবদ্ধ হয়ে চুম্বনে মিলিত হয়। বৃষ্টির এই স্নিগ্ধতাটুকুরই অপেক্ষা ছিলো যেনো এতক্ষণ। বাকি সারাদিন যাই হোক, সবই চমৎকার হতেই হবে। ঝরে যাক বৃষ্টি অবিরাম। (সম্পূর্ণ…)

মাহমুদ দারবীশ: গানের প্রশংসা অতিক্রমী এক পরিযায়ী পাখি

তাপস গায়েন | ২৬ মে ২০১৪ ৯:৩৭ অপরাহ্ন

darwish.jpgপ্যালেস্টাইনের গ্যালিলীর সন্তান কবি মাহমুদ দারবীশ (১৯৪২-২০০৮) নির্বাসনকে জেনেছেন তাঁর ব্যক্তিগত এবং সাহিত্যিক জীবনের সত্য হিসাবে। নিজের মাতৃভূমি এবং তাঁর মানুষের জন্য এক অনিঃশেষ ক্রন্দন এই কবির কবিতার অন্যতম প্রধান লক্ষণ । আরব-বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত এবং নিরন্তর সৃজনশীল এই কবি তাঁর সাহিত্যিক সৃজনশীলতা এবং অনুপ্রেরণা খুঁজে ফিরবেন নেটিভ আমেরিকান কবিদের মধ্যে ; এবং প্রাক-ইসলামিক আখ্যান, পুরাণ, আর তার দেব-দেবীদের মধ্যে । সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের অন্যতম প্রধান কবি, যার বিচিত্রগামী বিপুল সাহিত্য ভাণ্ডার (কবিতা এবং গদ্য মিলিয়ে প্রায় তিরিশটি বই, যা প্রায় তিরিশটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে) থেকে মাত্র তিনটি কবিতা অনুবাদ করতে চেষ্টা করেছি মাত্র, যা এখানে সন্নিবেশিত হয়েছে বিডিনিউজটোয়েন্টিফোর ডটকম-এর পাঠকদের জন্য । (সম্পূর্ণ…)

নজরুল : রূপদক্ষ কবি, জাতির কণ্ঠস্বর

রহমান হেনরী | ২৪ মে ২০১৪ ১০:২৯ অপরাহ্ন

border=0পাঠ্য বইতে তার শিশুতোষ কবিতা পড়েছি, মুখস্থ করে পরীক্ষার খাতায় লিখেছি। ইশকুলের বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় তার গান, গজল, হামদ-নাত গেয়ে অংশ নিয়েছি, পুরস্কারও পেয়েছি দু’চার বার। বাংলাদেশ বেতারে নিয়মিত শুনেছি তার গান। স্পষ্ট মনে আছে, তখন চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ি। গ্রামে, বাড়ির সামনের উন্মুক্ত খোলায় (উঠান) আউশ ধান মাড়াইয়ের মলন চলছে। ১৯৭৬ সালের কথা। রেডিওতে শুনলাম তার মৃত্যুর সংবাদ। মনটা বিষাদে ভরে উঠলো। তখনও সেই অর্থে তার কোনও বই-পুস্তক পড়ার সৌভাগ্য হয়নি আমার; কিন্তু ওই বয়সেই আমরা জেনে ফেলেছি, আমাদের রণ-সংগীতের রচয়িতা তিনি। তার গান ও গজল ছাড়া চলে না আমাদের। (সম্পূর্ণ…)

স্কুলের দিনগুলো: সেই যে দিনগুলি

সনজীদা খাতুন | ২৩ মে ২০১৪ ১১:০২ অপরাহ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (এখনকার মেডিকেল কলেজ) উত্তর আর দক্ষিণ দিকের পুব ঘেষা দুটি গেট হাউসেই আমরা বাস করেছি। বেশ কিছুদিন এক বাসাতে থাকা হলেই আমার মা অস্থির হয়ে উঠে বাসা বদলের জন্যে আব্বুকে তাড়া দিতে শুরু করতেন। এ বাসাগুলোতে ওপর-নীচ মিলিয়ে ছোট-বড় আষ্টেক ঘর ছিল। সব ঘর ব্যবহারও হতো না। উঠোনও ছিল বেশ বড় সড়। সেখানে রান্নাঘর খাবার ঘর ছাড়া বড় চৌবাচ্চার ধারে কাপড় কাচার চাতাল, সংলগ্ন স্নানঘর, আর সব শেষ প্রান্তে দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে ছিল শৌচাগার। প্যান বসানো থাকলেও, কোনো লো-ডাউন ছিল না। পানির কল ছিল; কাজ হলে বালতি করে পানি ঢেলে দিতে হতো। (সম্পূর্ণ…)

যারা গুম হয়ে যায়

মুহম্মদ নূরুল হুদা | ২২ মে ২০১৪ ১০:২৬ অপরাহ্ন


‘বেঁচে আছি, বেঁচে থাকি কাল মহাকাল’,
বলে এক ক্ষণজীবী ক্ষুধাতুর কৃমির কঙ্কাল
ঢেউ চিরে চিরে
সহিংস সাঁতার কাটে খরস্রোতে,
জলে-ভাসা শবের শরীরে। (সম্পূর্ণ…)

রবীন্দ্রনাথ

মৃণাল বসুচৌধুরী | ২১ মে ২০১৪ ১:২৫ অপরাহ্ন

যেখানে অর্জুন গাছ যেখানে কোপাই
যেখানে কুয়াশা শীত
ছায়াহীন মাটি
সেখানেই মন্ত্রপাঠ
সেখানেই হোমের আগুন
কুমারী শব্দের ভিড়
অক্ষরের জাদু পরম্পরা (সম্পূর্ণ…)

আল মাহমুদের একটি কবিতা: নিদ্রিতা মায়ের নাম

মাহবুব সাদিক | ২১ মে ২০১৪ ১২:৪০ অপরাহ্ন

al-mahmud.gifমানুষের অন্তর্গত আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে আছে তার মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমি। দুই-ই তার জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। তার অস্তিত্বের মর্মমূলে বাসা বেঁধে আছে এদের জন্যে অকৃত্রিম ভালোবাসা। পৃথিবীর তাবৎ কবি মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমি নিয়ে নানাভাবে আবেগ প্রকাশ করেছেন। বাঙালি কবিরাও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। বরং বাঙালি কবি এক্ষেত্রে আরো বেশি আবেগপ্রবণ। বিশ শতকের মধ্যভাগে বাহান্নর ভাষা-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তার সেই আবেগের চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটেছে। ভাষার জন্যে রাজপথে রক্ত ঢেলেছে বাঙালি। ভাষার জন্যে এই আবেগ বাঙালি কবি এর আগেও বোধ করেছে। (সম্পূর্ণ…)

জিয়া হায়দার রহমানের প্রথম উপন্যাস ‘ইন দ্য লাইট অফ হোয়াট উই নো’

শান্তা মারিয়া | ১৯ মে ২০১৪ ৭:২৭ অপরাহ্ন

border=0লেখক হিসেবে জিয়া হায়দার রহমান যে সৌভাগ্যবান তাতে সন্দেহ নেই। কারণ প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসেই জেমস উডের মতো খ্যাতিমান সাহিত্য সমালোচকের দৃষ্টি কেড়েছেন তিনি। ইংরেজিভাষী সাপ্তাহিক পত্রিকার জগতে সাহিত্যের সর্দার ‘দ্য নিউইয়র্কার’-এ তার সদ্য প্রকাশিত বই সম্পর্কে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন জেমস উড। শুধু তাই নয়, জিয়া হায়দার রহমানের সাহিত্যিক-প্রজ্ঞা, তার অভিজ্ঞতা ও উপন্যাসের বিষয়বস্তুর রীতিমতো প্রশংসা করেছেন উড। (সম্পূর্ণ…)

সতত ডানার কবি সিকদার আমিনুল হক

শামস আরেফিন | ১৭ মে ২০১৪ ৬:২৮ অপরাহ্ন

border=0বাংলা-কাব্যলক্ষী এ পর্যন্ত যে কবিদের জন্ম দিয়েছেন– তাদের মাঝে ভিন্ন এক স্বর সিকদার আমিনুল হক। জন্ম ১৯৪২ সালের ৬ ডিসেম্বর। মৃত্যু ১৭ মে ২০০৩। স্বাধীন বাংলাদেশে পঞ্চাশের যে দুই দিকপালের হাত ধরে বাংলা কবিতা কৈশোর অতিক্রম তারা নিশ্চই শামসুর রহমান ও আল মাহমুদ। একজন নাগরিক কবি; যিনি সময় ও স্বাধীনতার প্রহরীর দায়িত্ব পালন করছেন। আরেকজন গ্রাম-বাংলাকে তুলে এনে প্রতিস্থাপন করেছেন বইয়ের পাতায়। কিন্তু কবিতার দীর্ঘ এই যাত্রায় কবিতায় বিমূর্তভাবনার বুননে দর্শনের ব্যবহার অবচেতন মনে এড়িয়ে গেছেন অনেকেই। গালিবীয় ভাবনায় বুদ হয়ে থেকে রুমির মৃত্যুচেতনা স্বার্থকভাবে ছড়িয়ে দিতে পেরেছেন কবি সিকদার আমিনুল হক। (সম্পূর্ণ…)

পরের পাতা »

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com