গড়া ও ভাঙা। গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস : নিঃসঙ্গতার একশ বছর (১ম পর্ব)

জি এইচ হাবীব | ২৯ এপ্রিল ২০১৪ ৬:২৬ অপরাহ্ন

আন্দ্রে ব্রিঙ্ক : দক্ষিণ আফ্রিকার স্বনামধন্য কথাসাহিত্যিক। জন্ম ১৯৩৫ খৃষ্টাব্দ। দেশের বর্ণ বৈষম্য নীতির সমালোচনার কারণে আফ্রিকানস ভাষায় রচিত তাঁর উপন্যাস ‘Kennis van die aand’ নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়। তখন তিনি নিজেই সেটি ইংরেজিতে অনুবাদ করে ‘Looking on Darkness’ নামে প্রকাশের ব্যবস্থা করেন বিদেশ থেকে। ‘গড়া ও ভাঙা। গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস : নিঃসঙ্গতার একশ বছর’ ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত লেখকের দ্য নভেল : দ্য ল্যাঙ্গুয়েয এন্ড ন্যারেটিভ ফ্রম সার্ভান্তেস টু কালভিনো গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত প্রবন্ধ ‘মেকিং এন্ড আনমেকিং. গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস : ওয়ান হান্ড্রেড ইয়ার্স অভ সলিচুড’ প্রবন্ধের অনুবাদ। অনুবাদ করেছেন বাংলাদেশে নিঃসঙ্গতার একশ বছর-এর অনুবাদক জি এইচ হাবীব। (সম্পূর্ণ…)

স্মৃতিচারণ: আমার ভাই গার্সিয়া মার্কেস

যুবায়ের মাহবুব | ২৭ এপ্রিল ২০১৪ ৮:০৪ অপরাহ্ন

marquez-y-jaime.jpgগাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের মৃত্যুর পর তার ছোট ভাই হাইমে গার্সিয়া মার্কেসের এই লেখাটি ছাপা হয় কলম্বিয়ার ‘সেমানা’ সাপ্তাহিকে। লেখাটি স্প্যানিশ থেকে অনুবাদ করেছেন যুবায়ের মাহবুব। (সম্পূর্ণ…)

মার্কেসের রাজনৈতিক চেতনা

বিনয় বর্মন | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ৭:০৭ অপরাহ্ন

marquez-and-castro.gifগাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস ছিলেন আপাদমস্তক একজন রাজনীতি-সচেতন ও রাজনৈতিক লেখক। তাঁর এমন কোনো লেখা নাই যেখানে রাজনীতি নেই। নিঃসঙ্গতার একশো বছর থেকে শুরু করে জেনারেল তার গোলকধাঁধা পর্যন্ত সর্বত্র ছড়িয়ে আছে প্রচ্ছন্ন ও প্রকাশ্য রাজনীতি। তাঁর কাছে রাজনীতি মানে সাধারণ মানুষের কল্যাণ, নিজের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা। (সম্পূর্ণ…)

গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস: সাহিত্য ছুতারগিরি ছাড়া কিছু নয়

রওশন জামিল | ২৪ এপ্রিল ২০১৪ ৮:০১ অপরাহ্ন

border=0গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের এই সাক্ষাৎকারটি ১৯৮১ সালে প্যারিস রিভিউর শীত সংখ্যায় ‘দি আর্ট অভ ফিকশন’ সিরিজে প্রকাশিত হয়। মার্কেস্ এতে তাঁর সাংবাদিকতা ও সাহিত্যভাবনা এবং এই দুয়ের মধ্যে লেনদেন বিষয়ে আলো ফেলেছেন। সাক্ষাত্কারটি গ্রহণ করেন পিটার এইচ. স্টোন। এটি গৃহীত হয় মেক্সিকো সিটিতে, তাঁর বাড়ির ঠিক পেছনদিকে অবস্থিত স্টুডিও-কাম-অফিসে। সদ্যপ্রয়াত মহান এই গদ্যশিল্পীর শিল্পচিন্তা সম্পর্কে ধারণা পেতে সাক্ষাৎকারটির অংশবিশেষ অনুবাদে প্রকাশ করা হল। এটি বিডিনিউজ আর্টস-এর জন্য অনুবাদ করেছেন রওশন জামিল (সম্পূর্ণ…)

‘মৃত্যুর আরেক নাম পুনরুত্থান’: মহারাজ মার্কেজ

যুবায়ের মাহবুব | ২৩ এপ্রিল ২০১৪ ১০:২৮ অপরাহ্ন

border=0জেরাল্ড মার্টিন ব্রিটিশ গবেষক এবং সাহিত্য সমালোচক। এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট লাভ করে তিনি বহু বছর যুক্তরাজ্যের পোর্টসমাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। লাতিন আমেরিকার দুইজন নোবেল-বিজয়ী সাহিত্যিক – মিগেল আনহেল আস্তুরিয়াস এবং গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ – তার গবেষণার প্রধান বিষয়। তার লেখা গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ: এ লাইফ (২০০৮) সদ্য প্রয়াত মহান লেখকের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য ইংরেজি জীবনী। মার্কেসের মৃত্যুর পরপরই এই প্রবন্ধটি স্পেনের ‘এল পাইস’ দৈনিকে প্রথম প্রকাশিত হয়। স্প্যানিশ থেকে অনুবাদ করেছেন যুবায়ের মাহবুব। (সম্পূর্ণ…)

সিএমও : স্বত্বাধিকার সুরক্ষার সক্ষম সংস্থা

মনজুরুর রহমান | ২২ এপ্রিল ২০১৪ ১০:৩০ অপরাহ্ন

১৪৫০ খ্রিষ্টাব্দে ইউরোপে কপিরাইট ধারণার উদ্ভবের পূর্বেও পৃথিবীব্যাপী সৃষ্টিশীল মানুষ মেধাসম্পদের সাধনা ও চর্চা করেছে। তাই মানব সভ্যতার সূচনা ও বিকাশের অন্য নাম সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের ক্রমবিবর্তন। যুগে-যুগে, কালে-কালে মানুষ আনন্দ-আবেগ আর দুঃখ-যন্ত্রণাকে তার অভিব্যক্তি দিয়ে, কণ্ঠের সুর দিয়ে, পাহাড়ের পাথুরে শরীরকে ক্যানভাস বানিয়ে ছবি এঁকে মেধা ও মননকে শাণিত করেছে। পৃথিবীর বহু সংগ্রহশালা, জাদুঘর, আরকাইভস ও গ্রন্থাগারে তুলোট কাগজ আর তালপাতার পুঁথিতেও অতীত দিনের সেই সব বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে সংরক্ষিত আছে। ১৪৫০-এর পূর্বে যিনি বা যারা এ জাতীয় মননশীল কর্মে নিয়োজিত হয়েছেন তার সৃষ্টিজাত অধিকার নিজের বলে গণ্য হওয়ার সুযোগ ছিলো না। কিন্তু মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কারের ফলে স্রষ্টার কর্ম সীমাবদ্ধতার অচলায়তন ভেঙ্গে ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। (সম্পূর্ণ…)

শিমুল সালাহ্উদ্দিনের গুচ্ছ কবিতা

শিমুল সালাহ্উদ্দিন | ২১ এপ্রিল ২০১৪ ১১:৩৬ অপরাহ্ন

ছন্দ-সুর

বৈশাখের রোদ উপেক্ষা করে জল-কাদাময় ক্ষেতে, ধানের গাছের ফাঁকে ফাঁকে ঝুঁকে উল্টো হয়ে পড়ে থাকা শামুকদের কুড়িয়ে ডুলায় তুলছিলাম আর ডুলাটা ভরে গিয়েছিল জড়াজড়ি করা শামুকদের স্তূপে

শামুকেরা ডুলাটার ভেতর তাদের আস্ত-শরীরটাই গুঁটিয়ে নিয়েছিলো, এক টিপুনিতেই ভেতর থেকে বের করে আনছিলাম সব মাঁস আর মজ্জ্বা, উঠোনের পাশে পালিত হাঁসগুলোর খাবার তৈরির জায়গায়, আর খোঁয়াড়ের ভেতর হাঁসগুলো তখন জুলজুল লোলপড়া লোভাতুর চোখে তাকাচ্ছিল। হাঁসগুলো কেমন তাকিয়েছিলো! (সম্পূর্ণ…)

গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস: বলে যাই জীবনের গপ্পো

মাসুদুজ্জামান | ২০ এপ্রিল ২০১৪ ৯:৫০ অপরাহ্ন

আত্মকথার খুঁটিনাটি দিয়ে সাজানো মার্কেসের ‘বলে যাই জীবনের গপ্পো’। ত্রয়ীআত্মকথা লেখার ইচ্ছে ছিল তার। কিন্তু লিখে প্রকাশ করতে পেরেছিলেন শুধু এর প্রথম খণ্ডটি। কিন্তু এই আত্মকথার ভেতরে বুনে দিয়েছেন সেই সময়ের জনজীবন, স্থান আর নানা ঘটনা। মার্কেসের পরিবার, কাজ, রাজনীতি, বই, গান, প্রিয় কলোম্বিয়া, যে-কলোম্বিয়ার ইতিহাস অন্তরালে থেকে গিয়েছিল; তার সবই উন্মোচিত হয়েছে তার জীবনের গপ্পে আর উপন্যাসে। উপন্যাসের মতোই তীক্ষ্ণ, অন্তর্ভেদী এক পর্যবেক্ষক আর হিস্পানি ভাষার মহান শিল্পী হিসেবে এখানেও উপস্থিত মার্কেস। এই আত্মজীবনীটি আবেগ আর প্যাশনে এমনভাবে জড়ানো যে এটি হয়ে উঠেছে মার্কেসের আখ্যানসমগ্রের পরিপূরক অবশ্যপাঠ্য গ্রন্থ। এখানে মার্কেসের এই আত্মজীবনীর প্রথম অংশটি প্রকাশিত হলো। অনুবাদ করেছেন মাসুদুজ্জামান। (সম্পূর্ণ…)

না উট, না পাখি

আমানুল্লাহ কবীর | ২০ এপ্রিল ২০১৪ ৮:২১ অপরাহ্ন

যখন অনাদরে, পৃথিবীতে বসবার যাদের এতোটুকু ঠাঁই নাই

অতিথি পাখির মতো তারা আকাশচারী,

উড়তে উড়তে যদি খুঁজে পায় জলকল্লোলিত পান্থশালা

পাখার ঝাপটায় আর ডুবসাঁতারে

জলের ছিটায় সৃষ্টি করে রংধনু,

চঞ্চুতে ঘঁষে ঘঁষে তেলসিক্ত করে শরীরের পালক। (সম্পূর্ণ…)

গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস: তাহলে গানের কথাই বলি

রাজু আলাউদ্দিন | ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ৯:৪৪ অপরাহ্ন

marquez-con-shakira.jpgমেহিকো থেকে প্রকাশিত এল প্রসেসো পত্রিকা তার মৃত্যুর বেশ কয়েক বছর আগে মার্কেসকে নিয়ে একটা সংখ্যা করেছিলো। তাতে মার্কেসকে নিয়ে লেখাতো ছিলোই, ছিলো মার্কেসের নিজের লেখাও। তার নিজের লেখাগুলোর একটি ছিলো সঙ্গীত বিষয়ে। এমন নয় যে এই প্রথম তিনি এ বিষয়ে লিখলেন। সাংবাদিক-জীবনে পত্রিকায় তো বটেই, এমনকি পরবর্তীকালেও তার উপন্যাস ও গল্পে গানের এবং বাদ্যযন্ত্রের প্রসঙ্গ এসেছে বহুবার। গান বিষয়ে মার্কেসের এই লেখাটি এখনও পর্যন্ত তার কোনো গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। দুর্লভ এ লেখাটি স্পানঞল থেকে অনুবাদ করেছেন কবি ও প্রাবন্ধিক রাজু আলাউদ্দিন। (সম্পূর্ণ…)

মাহবুব আজীজের একগুচ্ছ কবিতা

মাহবুব আজীজ | ১৮ এপ্রিল ২০১৪ ৬:৪৮ অপরাহ্ন

ছোট্ট একটি মেলা

ছোট্ট একটি মেলা-
ক্ষীণকটি রাস্তার দু’পাশে ইতস্তত: ছড়ানো দোকান-
আলোর সারি।
হাল্কা হাওয়ায় চুল ওড়ে-
স্মিত চোখে দেখি
উচ্ছল মানুষের ছোটাছুটি।
মায়ের হাত ধরে শিশুটির ছোটা…
-লাল জুতো কিনবো মা! লাল জুতো! (সম্পূর্ণ…)

দিলীপ পালের লেখা: বাংলাদেশে সংষ্কৃতি-চর্চা, নববর্ষ ও মৌলবাদ

খালিকুজ্জামান ইলিয়াস | ১৭ এপ্রিল ২০১৪ ২:৩৮ অপরাহ্ন

এদেশেরই মানুষ ছিলেন তিনি। ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ায় শৈশব ও কৈশোর কাটিয়ে ঢাকার নটরডেম কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে আই-এ পাশ করেন। এরপর কিসে কি হলো তিনি পাড়ি জমালেন কোলকাতা। সেখান থেকে শান্তিনিকেতনে। বাবা মা ভাই বোন সবাই রয়ে গেলেন ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ায়; কেবল দিলীপ পাল ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেই গিয়ে হাজির হলেন রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতনে–একা। সেখানে পড়লেন রসায়ণ। সেখানে স্নাতকোত্তর পাশ না করা পর্যন্ত চুটিয়ে যাপন করলেন ছাত্র জীবন। আবার, আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বিভিন্ন সভা সমাবেশ করে চাঁদা তুলে নানাভাবে সাহায্যও করলেন। (সম্পূর্ণ…)

পরের পাতা »

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com