মেসবা আলম অর্ঘ্য’র গুচ্ছ কবিতা

মেসবা আলম অর্ঘ্য | ৩১ মার্চ ২০১৪ ২:৫৫ অপরাহ্ন

ডাব

ঘুমাও। ডাব দ্যাখো

দরজা ভাঙুক না!
দরজা ভেঙে ঢুকে পড়ুক কিছুই পাবে না

তুমি তো এক অযাচিত গুপ্ত খবর
খালি মনে হয় গুলায় গেলো
হারায় গেলো
কোথায় গেলো
পুকুর শিরোনাম! (সম্পূর্ণ…)

স্কুলের দিনগুলো: প্রথম প্রেমের চিঠি

সনজীদা খাতুন | ২৯ মার্চ ২০১৪ ৯:১৮ অপরাহ্ন

আমরা ক্লাশ টেনে পড়বার কালে, ১৯৪৮ সালে জিন্নাহ্ সাহেব ঢাকায় এসে তখনকার রেসকোর্সের ময়দান (এখনকার সোহরাওয়ার্দি উদ্যান)-এর জনসভায় বক্তৃতা করেছিলেন। স্কুল থেকে আমাদের লাইন করিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেখানে। মিছিল করে যাবার পথে স্কুলের শিক্ষক আক্তার আপা বলছেন– এই মেয়েরা, স্লোগান দাও’। কারোই গলা ওঠে না। অভ্যাস নেই তো! হঠাৎ আমিই জোরে স্লোগান দিয়ে উঠলাম। আক্তার আপা মহাখুশি ‘এই মেয়েই পারবে’। রেসকোর্স ময়দানে ভিড়ের মধ্যে পুলিশ মেয়েদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক ব্যবহার করেছিল বলে আক্তার আপা সেখানেও আমাকে দিয়ে স্লোগান দেওয়ালেন। ওদিকে জিন্নাহ্ সাহেব যে কী কথা বলে গেলেন তার কিছুই আমরা বুঝলাম না। আমরা যে সেকালে কীরকম অগা ছিলাম! আজকালকার দিনের মেয়েদের চোখ–কান অনেক খোলা। (সম্পূর্ণ…)

গণ-সঙ্গীতের তুলিতে উদীচীর সাহসী আঁচড়

সঙ্গীতা ইমাম | ২৯ মার্চ ২০১৪ ১২:১১ পূর্বাহ্ন

border=0‘বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী’- লড়াই আর সংগ্রামের সার্থক ঐকতানে এমন এক সংগঠন, যা সমাজের চোখ হয়ে মানুষের দুঃখে কাঁদে, আনন্দ-অশ্রু হয়ে ঝরে পড়ে যে কোনো আনন্দ বা উত্তরণে, প্রাণিত হয় মানুষের স্বপ্নময় উদ্বোধনে। শিল্পী-সাহিত্যিক-সাংবাদিক ও গণ-মানুষের জন্য অধিকারের এক অপূর্ব কণ্ঠস্বর সত্যেন সেন (১৯০৭-১৯৮১) স্বপ্ন দেখেছিলেন হাসি-গানে মুখর এক বাংলার; ছিলেন বিপ্লবী ও কৃষক আন্দোলনের সংগঠক। সময়ের পলিমাটিতে হেঁটে কিছু মানুষ হয়ে ওঠেন সময়ের দর্পন- সত্যেন সেন ছিলেন তেমনই এক মানুষ। (সম্পূর্ণ…)

দশদিগন্তগামী

মুহম্মদ নূরুল হুদা | ২৫ মার্চ ২০১৪ ১১:৪৪ অপরাহ্ন

অনবরত
বদলে যাচ্ছে
যাওয়া,
আমি আদম,
আমি আমার হাওয়া।

অনবরত বদলে যাচ্ছে তনু,
আমি মনু, আমি মনুর অণু। (সম্পূর্ণ…)

স্বাধীনতা ও শামসুর রাহমানের কবিতা

সৈয়দা আইরিন জামান | ২৫ মার্চ ২০১৪ ১১:২৩ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর জাতীয় চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রখ্যাত গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার লিখেছিলেন:

শোনো একটি মুজিবরের থেকে
লক্ষ মুজিবরের কণ্ঠ
স্বরের ধ্বনি প্রতিধ্বনি
আকাশে বাতাসে ওঠে রণি।
(সম্পূর্ণ…)

ধূসর দিনের হৃদয়

আমানুল্লাহ কবীর | ২৫ মার্চ ২০১৪ ১১:২০ অপরাহ্ন

ঘর থেকে চলে গেছে বসন্ত
খোলা জানালায় ঢুকে সারাক্ষণ রুদ্র বাতাস,
বারান্দার ওপাশে ছিলো যারা দিবারাত্রির প্রতিবেশী
কুঞ্জে কূজন করতো
চঞ্চুতে মাখামাখি করতো ভালোবাসা,
বিগত-বসন্ত বৃক্ষের ন্যাড়া আবডালে
খড়কুটার সংসার ছেড়ে
তারাও পালিয়ে গেছে
কোথাও সবুজের সমারোহের সন্ধানে। (সম্পূর্ণ…)

স্বপ্ন এবং স্বাধীনতার গল্প

মতিন বৈরাগী | ২৫ মার্চ ২০১৪ ১১:১৬ অপরাহ্ন

বহুদিন আগে আমি এক অদ্ভুত স্বপ্ন দেখেছিলাম
প্রথম রাতের স্বপ্ন আজো অবিকল মনে আছে
মনে আছে সারাটা রাত সেই এক স্বপ্ন আমার চেতনায় জড়িযে ছিলো
মনে হয়েছিলো আমি যেন সারাটা রাত একই স্বপ্ন বার বার দেখেছি
তারপর অনেকদিন কেটে গেছে (সম্পূর্ণ…)

রক্তচা

সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল | ২৫ মার্চ ২০১৪ ১১:০০ অপরাহ্ন

হত্যাকারীর সাথে চা খাই। কেনো? হাত মিলিয়ে হাতে রহস্যময় চুমু খায়!
দুধচিনির বদলে চায়, আর একটু রক্ত মিশিয়ে দে।

ঘাতক হতে হলে ঘুমের বদলে প্রয়োজন শক্তিসাহস এবং অস্ত্রের কৌশল।
সিঁদুরের সর্বনাশ দেখে রক্তজবার শিশ্ন ছুরি হয়ে ওঠে। (সম্পূর্ণ…)

একটা কাঠগোলাপের গাছ ছিল মনিমালার

মাজুল হাসান | ২৫ মার্চ ২০১৪ ১০:৪০ অপরাহ্ন

এক.
‘বাইরে শিকল দিছে কেডা? দজজা খোলো। বাইরে যামু’
রাত্রি দ্বিপ্রহর পেরিয়ে বাইরে তখন কেউ নেই, কিছু নিশাচর কুকুর, বাংলাখোর পোলাপাইন আর বখরার আশায় বসে থাকা টহল পুলিশ ছাড়া। একনাগাড়ে চেঁচাতে থাকে মনিমালা। কাবিলাও ফিরেছে নাইট সিফট করে অথবা ফেরে নাই। তবু বারোমাসী কাঠগোলাপ, মনি যাকে বলে কাডালিগোলাপ, সেই গাছ থেকে ফুল ঝরে পড়ে। বাচ্চাকাচ্চারা আকশি দিয়ে ফুল পাড়ে। মালা বানায়। মালা পরে কাজে যেতে পারে না খাদিজা-আকলিমারা। তবে কাঠগোলাপের মালা পরে ডাক্তারের কাছে মা-মরা শালিখের মতো বসে থাকে মনিমালা। (সম্পূর্ণ…)

যদি না আসতো স্বাধীনতা

মোশাররফ হোসেন ভূঞা | ২৫ মার্চ ২০১৪ ১০:৩৭ অপরাহ্ন

যদি না আসতো স্বাধীনতা
সবুজ গালিচায় লেখা হতোনা স্বাধীনতার পংক্তিমালা
হয়তো হারিয়ে যেত রবি ঠাকুরের ‘সোনার তরী’
হয়তো তুষের আগুনে পুড়ে যেত নজরুলের ‘অগ্নিবীণা’
হয়তো শেওলায় ভেসে যেত জসীম উদ্দীনের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’
কবি শামসুর রাহমান পারতেন না এতদূর হেঁটে যেতে
বারহাট্টার পথে যেতে পারতেন না কবি নির্মলেন্দু গুণ। (সম্পূর্ণ…)

রাষ্ট্র আর ভয়

সাখাওয়াত টিপু | ২৫ মার্চ ২০১৪ ১০:৩২ অপরাহ্ন

একদিন ভোরে সব অন্ধকার হবে
খসে যাবে চোখ চামড়া আর সুন্দর!

একদিন রাতে কাঁথা বালিশ ছাড়াই
সদালাস্য কাক এসে ঘুমাবে নিরবে! (সম্পূর্ণ…)

ঘোর

তাহমিনা কোরাইশী | ২৫ মার্চ ২০১৪ ১০:০৫ অপরাহ্ন

ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে ছড়িয়ে থাকা হৃদয়ের আরশিগুলো কাউকে ক্ষত-বিক্ষত করতেই পারে। নিজেকে সতর্ক অবস্থানে রাখার আপ্রাণ চেষ্ট করে প্রথমা। তার এই নিরব বিসর্জন মূলত তাকে আত্মকেন্দ্রিক করতেই সাহায্য করে। মাধবীলতা যেমন চায় তমাল বৃক্ষকে জড়িয়ে ভালোবাসার আশ্রয় তেমনিভাবে প্রথমাও কি চায় সুখের অবলম্বন আশ্রয়! দুঃখগুলো জমাট বাঁধার আগেই হাতে এসে যায় অন্যরকম এক প্রাপ্তি। যে মানুষটি স্বাবলম্বী নয় সে কারো না কারো ওপর নির্ভরশীল। কারো না কারো সংসারে তাকে দ্রবণীয় হতে হয়। চুন পানিতে ঠিকই দ্রবণীয় কিন্তু নিজেকে নিজের মধ্যে থিতিয়ে রাখার রূপটি যদিও কিছুটা সময়ের তবুও জলহীন নয়। (সম্পূর্ণ…)

পরের পাতা »

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com