বেইজিংয়ে বসন্ত উৎসব

শান্তা মারিয়া | ১০ মার্চ ২০১৩ ৭:২৯ অপরাহ্ন

বেইজিংয়ের বৃদ্ধ সড়কে
হাঁটু গেড়ে বসে আছে বিষন্ন বিকেল।
বসন্ত উৎসবের চাঁদ
ঝুলে থাকে পাহাড়ের প্রান্ত ছুঁয়ে
অট্টহাসি হেসে লাওশে বলেন
এখনি অধৈর্য তুই, আরেকটু চেখে দ্যাখ
পৃথিবীর যাবতীয় প্রেমিক লবণ।
আহা বেইজিং, হাজার বছর ধরে
তুই গেয়ে যাস সম্রাটের স্তব। (সম্পূর্ণ…)

ভ্রাম্যমান পাখির বাসা

মণীশ রায় | ৮ মার্চ ২০১৩ ১২:৩১ পূর্বাহ্ন

শেষ পর্যন্ত এক গভীর দু:খবোধ থেকে আরজুকে জানাল মান্নান, ‘আমি আর পারছি না।’
আরজু তখন অথৈ আবেগের ভেতর হাবুডুবু খাচ্ছে। সে কানাডায় বসে একবার খোঁজ নিচ্ছে উত্তরার বাড়িটির , পরক্ষণে প¬াম্বার ডেকে মনট্রিয়েলের বাংলো বাড়িটির বাথরুমগুলোর কমোড ঠিক করছে।
কিছুতেই মন ভরছে না ওর। কতটুকু সাজালে বাড়িটিকে মনে হবে প্রাসাদ তাই নিয়ে মশগুল সে।
এক ধরনের অস্থিরতা আর আনন্দবোধ ওকে বুঁদ করে রাখছে এই কটা কদিন।
সে যেরকম চেয়েছিল অবিকল ওরকম জীবনই ওর চারপাশ জুড়ে। কোন কমতি নেই, কোন শূন্যতাবোধ নেই। পূর্ণতা ওকে কানায় কানায় এমনি ভরিয়ে রেখেছে যে ওর কোনদিকে তাকাবার প্রয়োজন নেই। (সম্পূর্ণ…)

তরুণ শাহাবাগ

এম. শাফায়েত হোসেন | ৬ মার্চ ২০১৩ ৭:০৩ অপরাহ্ন

উনসত্তর, একাত্তর আমার চেতনার সৃষ্টি
রক্তের দামে কেনা সব প্রাপ্তি অর্জন
দুই শূন্য তেরোতে আবার বজ্র গর্জন
দাবীসহ লড়াই এখন সরব দৃষ্টি।

সেই রমনা থেকে শাহাবাগ
এক প্রান্ত রেখার মলিন দাগ
এক কথা, এক দাবী ক্রদ্ধ বিরাগ
তুই রাজাকার, তুই রাজাকার শুনছি সবাই
ন্যায়ের জন্য বিচার চাই, ফাঁসি চাই। (সম্পূর্ণ…)

মাতৃভাষার পক্ষে ওকালতি ও রবীন্দ্রনাথের ঢাকাসফর

সোহেল হাসান গালিব | ১ মার্চ ২০১৩ ১১:৫৮ অপরাহ্ন

রবীন্দ্রনাথ প্রথম ঢাকা এসেছিলেন মাতৃভাষার পক্ষে ওকালতি করতে। বিষয়টি কৌতূহল-উদ্দীপক, কেননা কাজটা রাজনৈতিক। সাহিত্য করাটা আশলে যে রাজনীতির বাইরের বিষয় নয়, তা অনুধাবনের ক্ষেত্রে কোনো দ্বিধা বা ঔদাসীন্য রবীন্দ্রনাথের ছিল না। যদিও তার ভক্তদের মধ্যে তাই লক্ষণীয়। এই যে মাতৃভাষার দাবি উত্থাপন, এর গুরুত্ব কবির কাছে এতখানিই যে, প্রায় পঁচিশ-ছাব্বিশ বছর পর দ্বিতীয়বার ঢাকা এসে, প্রথম আগমনের স্মৃতিচারণ করছেন তিনি এভাবেই :

বহুকাল পূর্বে আর একবার এই ঢাকা নগরীতে এসেছিলাম, সেদিনকার রাষ্ট্রীয় প্রাদেশিক সম্মিলনীর অধিবেশন উপলক্ষে। রাষ্ট্রীয় আন্দোলন ব্যাপারে নিপুণভাবে যোগ দিতে পারি এমন অভ্যাস ও শক্তি আমার ছিল না, এই অনুষ্ঠানে আমার দ্বারাও যে কাজ হতে পারে, আমি কেবলমাত্র তার ভার নিতে এসেছিলাম। তখনকার রাষ্ট্রীয় সভাগুলিতে ইংরেজি ভাষাতেই বক্তৃতা হ’ত। যাঁরা বাংলা ভাষার চর্চায় বিরত ছিলেন, যাঁরা এ-ভাষা সভাস্থলে ব্যবহার করতে জানতেন না, তাঁদেরই অনেকে রাষ্ট্রিক আন্দোলনের কাজে প্রাধান্য লাভ করেছিলেন। (সম্পূর্ণ…)

« আগের পাতা |

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com