বেড়ালের শহর

রওশন জামিল | ৩১ জানুয়ারি ২০১৩ ১১:২৪ অপরাহ্ন

হারুকি মুরাকামি সাম্প্রত সময়ের একজন নিপট বিশ্বায়িত কথাসাহিত্যিক। তাঁর সাহিত্যকর্মের পটভূমি জাপান হলেও, এগুলোর শিল্প-পরিচর্যা যেমন পাশ্চাত্য ভাবধারার পরাবাস্তবতা ও জাদুবাস্তবতা আক্রান্ত, তেমনি কাহিনির চরিত্রগুলো ব্যক্তিক অপ্রাপ্তির যন্ত্রণায়, বীতস্পৃহায়, নৈঃসঙ্গ্যে, আবেগে-সংরাগে যথার্থই বৈশ্বিক। তিনি, প্রকৃতপক্ষে, জাদু বাস্তবতার সংমিশ্রণে তাঁর লেখায় পাশ্চাত্য আধুনিকতা এবং জাপানি ঐতিহ্যের সংশ্লেষ ঘটান। সমালোচকদের মতে মূলত এসব কারণেই ১৯৪৯ সালে জন্ম মুরাকামির সৃষ্টিকর্মের জনপ্রিয়তা পশ্চিমা বিশ্বে প্রবল। যেমনটি হয়েছিল হ্যারি পটার-এর ক্ষেত্রে, ব্রিটেন এবং আমেরিকার শীর্ষ বুকস্টোরগুলো তাঁর সর্বসাম্প্রতিক উপন্যাস ওয়ানকিউ৮৪ প্রকাশ করে। নিজের সাহিত্যভাবনা প্রসঙ্গে মুরাকামি বলেন, “কিছু মানুষ মনে করেন সাহিত্য হচ্ছে উচ্চ সংস্কৃতি এবং এর পাঠক সীমিত হওয়া উচিত। আমি তা মনে করি না…আমাকে টিভি, ম্যাগাজিন, মুভি এবং ভিডিও গেমসসহ জনপ্রিয় সংস্কৃতির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।” তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে নরওয়েজীয় অরণ্য, বেলাভূমিতে কাফকা, হাতিবিলোপ (গল্পগ্রন্থ) ইত্যাদি। অনেকদিন ধরেই মুরাকামির নাম সম্ভাব্য নোবেল সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী হিশেবে উচ্চারিত হচ্ছে। বিডিনিউজটুয়েন্টিফোরডটকমের জন্য এই গল্পটি অনুবাদ করেছেন বরেণ্য অনুবাদক রওশন জামিল । (সম্পূর্ণ…)

বিনয় বর্মনের হ্রস্ব পংক্তিমালা

বিনয় বর্মন | ৩০ জানুয়ারি ২০১৩ ৪:১০ অপরাহ্ন

পতন

বৃষ্টির সুর অধোমুখী
মেঘমালা অনন্ত অসুখী
উড়ে উড়ে ডানাদের ক্ষয়
রোদ্দুর দেবে না অভয়।

ব্যর্থতা

প্রাপ্তির ব্যাপ্তি মাপে সৃজনশীলতা
শব্দরস ছাড়া মৃত কাব্যবৃক্ষলতা
ছন্দকার অন্ধকার গন্ধ খুঁজে খুঁজে
ব্যর্থমনোরথ হয়ে থাকে চক্ষু বুজে। (সম্পূর্ণ…)

বইমেলা নিয়ে অম্লমধুর ভাবনা

সৈকত হাবিব | ২৮ জানুয়ারি ২০১৩ ৮:০২ অপরাহ্ন

ফেব্রুয়ারি মাসটি এলে বাঙালির মধ্যে প্রধানত যে চেতনাবোধটি সক্রিয় হয়ে ওঠে তা হলো তার ভাষাচেতনা। তা বছরের অন্য সময় যা-ই হোক। কারণ আমাদের জানা ইতিহাস অনুসারে পৃথিবীতে বাঙালিকেই প্রথম নিজের মায়ের ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য রক্তদান করতে হয়েছে। বাঙালির কপালটাই এমন, খুব ন্যায্য ও ন্যায়সঙ্গত পাওনার জন্যও নিজেকে ক্রমাগত বলি দিতে হয়, তাও কপালে প্রাপ্তি জোটে অল্পই। কারণ যে ভাষার জন্য এত মহিমান্বিত ত্যাগ, রাষ্ট্রে-সমাজে-ব্যবহারিকতায় তার ফল যে এতকাল পরও বেশ অপক্ক, তা আর ব্যাখ্যা করে বলার অবকাশ রাখে না। (সম্পূর্ণ…)

মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাকের গুচ্ছ কবিতা

মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক | ২৫ জানুয়ারি ২০১৩ ৪:১১ অপরাহ্ন

প্রত্যাশার প্রদীপ

প্রত্যাশার সবুজ প্রদীপ অকস্মাৎ তার রঙ
বদলে ফেলে। অতঃপর অবিকৃত অনড় দেয়াল
সমুখে দাঁড়ায় এসে। শতাব্দীর সুরেলা শপথ
বেখেয়াল ভুলে যায় পথচলা, আসে অন্ধকার।

চারিদিকে ঝিঁঝিঁর দলেরা ছুটে যায় জোট বেঁধে
সুরার সন্ধানে। সূর্য হাসে সূর্যালোকে। দুর্বিপাকে
মেঘমালা করে কালের কীর্তন। অযাচিত প্রশ্ন
প্রশ্নের পালক খুলে ওড়ে ওই অসীম আকাশে। (সম্পূর্ণ…)

ইন্টেলেকচুয়াল কবিতা, কী বস্তু ?

জাহেদ সরওয়ার | ২৫ জানুয়ারি ২০১৩ ৩:২৬ অপরাহ্ন

তখন

নতুন কবিতা, নতুন কবিতা বলে কোরাস
হৈ-হল্লা ও পেটরোগা শ্লোগান দিলেই
কবিতা নতুন হবে, কথা নেই।

নতুন কোত্থেকে হবে, মশায় বাহাত্তরটা শব্দে
নতুন কি করে হবে বোধিহীন সংস্কার ও স্বার্থে
সেইজন্য ছোটো জায়গা থেকে যাত্রা পৌঁছয়
আরো ছোটো জায়গায়। (সম্পূর্ণ…)

গুড নাইট মিস্টার কিসিঞ্জার এন্ড আদার স্টোরিস

রিয়াজ মিলটন | ২৪ জানুয়ারি ২০১৩ ১০:০৪ অপরাহ্ন

ভারতীয়দের ইংরেজিতে সাহিত্য চর্চার রেওয়াজ শত বছরের বেশী। কিন্তু সালমান রুশদী-র “মিডনাইটস চিলড্রেন”- এর আগে পর্যন্ত দেশে ও বিদেশে এই ধারা ছিল গৌণ সংস্কৃতির। গত তিন দশকে ভারতীয় ইংরেজি লেখকেরা দেশে ও বিদেশে পুরোপুরি মূলধারায় প্রবেশ করে ফেলেছেন। তবে ভারতীয় ইংরেজির এই বিকাশকালে কখনও মনে হয়নি যে বাংলাদেশেও ইংরেজি একদিন একটি অর্থবহ প্রকাশ মাধ্যম হয়ে উঠতে পারবে। এখন বিষয়টি নতুন করে ভেবে দেখার সময় এসেছে।

এখন আর মাইকেল মধুসূদন দত্তের সময়কার ভাষার ঔপনিবেশি রাজনীতি নেই। সময় পাল্টেছে, পাল্টেছে ভাষা ব্যবহারের রাজনীতি। আফ্রিকার চিনুয়া আচেবে, ত্রিনিদাদের ভি এস নাইপল, কেরিবিয়ান ডেরেক ওয়ালকট কিংবা ভারতের সালমান রুশদি যখন ইংরেজিতে লেখেন তখন ইংল্যান্ডের সমকালীন লেখকদের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন ইংরেজি কিংবা আন্তর্জাতিক সাহিত্যে। অধুনা ভারতের অরুদ্ধতি রায় বা শ্রীলঙ্কার মাইকেল ওন্দাজের নাম উচ্চারিত হয় ইয়ান ম্যাকইউয়ান ও মার্টিন এমিসদের সাথে এক কাতারে। (সম্পূর্ণ…)

কামরুল হাসানের গুচ্ছ কবিতা

কামরুল হাসান | ২২ জানুয়ারি ২০১৩ ১০:১০ অপরাহ্ন

মানুষ মকর নয়, অন্যপ্রত্নজীব

মৌলিক হতে গিয়ে সেওতো নীরব হল অনুপুঙ্খ
মাকড়সার মত শুধু নিজ তন্তু নিজ শিল্পঘোরে
মুগ্ধ হয়ে টের পেল মানুষ মকর নয়, অন্যপ্রত্নজীব;
বায়ু হতে প্রতিমুহূর্তে তারও অনিবার্য অম্লজান লাগে।

সর্বদাই অগোচরে তবু ঠিক পাতাদের আশ্চর্য রান্নাঘরে,
পাতাদের অপূর্ব রন্ধনশালায় শর্করার শতব্যঞ্জনা গাঁথে
বিশ্লেষিত করে নিলে মানুষও কার্বন, মানবীর হাঁড় হল হীরে
তখনি সে কেবল মৌলিক, কণাদের দিকে চোখ রেখে। (সম্পূর্ণ…)

পুতুলগাছ

নূরুল আলম আতিক | ১৯ জানুয়ারি ২০১৩ ১০:০৯ অপরাহ্ন

কথা কথা কথা…

‘ভয় পাবার অ্যাকটিংটা বেশ ভালোই রপ্ত করেছিস!’ ওশো’র একটা বইয়ের পাতা উল্টে চরকি আড়চোখে শিরিনের দিকে তাকিয়ে আছেন, বেশ কিছুটা সময়। চরকি অনন্যা করিমের ডাক নাম। রেড অক্সাইডের ফ্লোরে শীতের রোদ পড়েছে তেরছা করে। পুরোনো এই বারান্দাটা বেশ লম্বা-চওড়া । দাদার আমলের তিনতলা বাড়ির দোতলার বারান্দায় গোল একটা বেতের চেয়ারে গা এলিয়ে বই পড়ছেন পঞ্চাশোর্ধ চরকি, আর মাঝেমধ্যে রিডিং গ্লাসের ফাঁকে হাউজমেইড শিরিনকে দেখছেন বিরক্তির চোখে। চরকির চোখের নিচটা ফোলা আর কালসিটে, ইদানিং ঘুমের ব্যাঘাত তার প্রায় নিত্যদিনের। স্মার্ট এই মহিলা যেন হঠাৎই বুড়িয়ে যাচ্ছেন, গলার নিচে ভাঁজ পড়েছে, তা নিয়ে অবশ্য চরকির বিশেষ মাথাব্যথা নেই। মাথা ঘামানোর মতো যথেষ্ট জটিল কা- এখন তাকে সামলাতে হচ্ছে। বাবা জায়েদুল করিম মারা গিয়ে বিপত্তিটা বাঁধিয়েছেন। চরকি থাকতেন বিদেশে, প্রায় বছর বিশেক বাদে এসেছেন অল্প কিছুদিনের জন্যে। বাক্সপ্যাটরাও সব খোলা হয়নি। চরকির বাবা করিম সাহেব দীর্ঘকাল ফরেন সার্ভিসে কাজ করেছেন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে, বাংলাদেশের প্রায় জন্মলগ্ন থেকেই। রিটায়ারমেন্টের পর অবশ্য পৈত্রিক বাড়িটাতেই থাকতেন তিনি। কিন্তু এই দায়িত্বশীল মানুষটিই এমন অস্বস্তির একটি ব্যাপার ঘটিয়েছেন যা চরকির আত্মীয়-বন্ধুদের কাছে বলবার মতো মুখ নেই। (সম্পূর্ণ…)

দরিয়ানগর কবিতামেলা ও শান্তিযাত্রার অবিস্মরণীয় আয়োজন

ফরিদ আহমদ দুলাল | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ১০:৩৭ অপরাহ্ন

বাংলাদেশের কবিতার অঙ্গনে ‘কবিতাবাংলা’ নামটি খুব পুরোনো নয়, কিন্তু ইতোমধ্যেই নিজেদের কর্মচাঞ্চল্যে হয়ে উঠেছে দেশের আলোচিত কবিতার সংগঠন। বিশ্বব্যাপী শুদ্ধ কবিতা চর্চার আহবান জানিয়ে কবিতাবাংলা তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে ২০০৮ সালে। ‘কবিতাবাংলা’ নামের কবিতা বিষয়ক কাগজ প্রকাশের মাধ্যমেই কবিতাবাংলার প্রথম পথচলা। ২০০৯ ‘মানবিক সৌন্দর্যের জন্য কবিতা’ শ্লোগানকে উপজীব্য করে আয়োজন করা হয় ‘দরিয়ানগর কবিতামেলা ১৪১৬’ অনুষ্ঠানের। দরিয়ানগর-খ্যাত কক্সবাজারে আয়োজিত দুইদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালায় শান্তিশপথ, শোভাযাত্রা, কবিতাপাঠ, সেমিনার ও পুরস্কারপ্রদান ছাড়াও ছিলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং পিঠা উৎসব। প্রথম কবিতামেলায় দেশের প্রায় দুইশতাধিক কবি-সাহিত্যিক অংশ গ্রহণ করেন। সে বছর সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হককে ‘কবিশ্রেষ্ঠ’ অভিধায় ভূষিত করে কবিতাবাংলা। মেলারকবি সম্মাননা পান কবি অসীম সাহা। অন্যান্যের মধ্যে কবিতায় কবি আসাদ মান্নান, ছড়ায় আসলাম সানী, নাসের মাহমুদ ও আলম তালুকদারকে সম্মাননা জ্ঞাপন করা হয়। সাহিত্য সংগঠন হিসেবে জাতীয় কবিতা পরিষদ, ময়মনসিংহ সাহিত্য সংসদ, ম্যাজিক লণ্ঠন ও কবিতাবাংলা-কুমিল্লা শাখাকে কবিতাবাংলা পদক প্রদান করা হয়। (সম্পূর্ণ…)

গুচ্ছ কবিতা

মনির ইউসুফ | ১৩ জানুয়ারি ২০১৩ ১০:৩২ অপরাহ্ন

মাছ ধরা আমার পেশা

আমি তোমার ভেতর সাঁতরাতে থাকি
জন্মজেলে বলে নোনা সাগরের তীরে তীরে বাতাসের বেগ বাড়িয়ে দিই
আমার মাথার উপর দিয়ে বয়ে যায় অসংখ্য ঢেউ
অনেক জেলে মাছ ধরে আর গঞ্জে বিক্রি করে মাছ ধরা আমার পেশা
তা না হলে সংসার চলে না।
সংসার এক কঠিন বস্তু যার জন্য জল স্থল অন্তরীক্ষে
জীবনকে মূর্ত করে তুলতে হয়
অনেক সত্যকে মিথ্যে, মিথ্যেকে সত্য বানাতে হয়
জগত সংসার দিয়ে মোড়ানো ভাতের মোচা
লোভ হিংসা অহংকার দিয়ে মেখে খিচুড়ি বানিয়ে ফেলে
সাগরের শব্দেরা সে ভাষা ব্যক্ত করে আসছে বহুকাল (সম্পূর্ণ…)

আহমদ ছফার অগ্রন্থিত লেখা: স্মৃতির শহর ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আহমদ ছফা | ১১ জানুয়ারি ২০১৩ ৯:৫৩ অপরাহ্ন

প্রয়াত লেখক আহমদ ছফার এই লেখাটি এখন্ও তার কোন গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বলে জানা যায়নি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংস্কৃতিকর্মী ইকবাল খান চৌধুরী সম্প্রতি এটি উদ্ধার করেছেন। লেখাটি ব্রাহ্মবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমীর যুগপূর্তি অনুষ্ঠানে যোগদান উপলক্ষ্যে লিখিত হয়েছিলো। পরে ওই একাডেমীর বিশেষ সংখ্যায় তা প্রকাশিত হয়। লেখাটিতে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাসের স্মৃতিচারণ করেছেন। আহমদ ছফার প্রায় হারিয়ে যা্ওয়া এই লেখাটি বিডিনউজটোয়েন্টিফোরডটকম-এর পাঠকদের জন্য এখানে প্রকাশ করা হলো ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে আমি দ্বিতীয় জন্মস্থান মনে করি। ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে আমার একরকম নব জন্ম ঘটেছিল। আজকে আমি যা হয়েছি, তাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অবদান অল্প নয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সম্পর্কে লিখতে গেলে আমাকে পুরো একটা বই লিখতে হবে। তাতেও আমার কথা ফুরোবেনা। জীবনের ঐ পর্বের উপর একটা উপন্যাস লিখে, আমি যে সময় সেখানে ছিলাম সে সময়ের ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে জাগিয়ে তোলা যায় কিনা একবার চেষ্টা করে দেখবো। কবে সে দিন আসবে ভবিষ্যতই বলতে পারে। (সম্পূর্ণ…)

স্মৃতিতে আহমদ ছফা

ইকবাল খান চৌধুরী | ৮ জানুয়ারি ২০১৩ ১১:১৬ অপরাহ্ন

আমার জন্মস্থান ব্রাহ্মনবাড়িয়া হলেও শৈশবে কয়েক বছর ব্রাহ্মনবাড়িয়া অন্নদা সরকারী হাই স্কুলে পড়াশোনার পর বাবার চাকুরীর সুবাদে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে এক সময় ঢাকায় স্থিত হই। তবে নিজ জন্মভূমি শহরের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। ১৯৯১ সাল হতে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত পেশাগত কাজে ব্রাহ্মনবাড়িয়া শহরে নিজ বাড়িতে অবস্থান কালে ব্রাহ্মনবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমীর বিভিন্ন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত হই।

ব্রাহ্মনবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমী প্রতি বছর যে সকল সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে, তাতে দেশবরেণ্য ব্যক্তিবর্গ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হওয়ার সুবাদে, এদেশের অনেক খ্যাতনামা কবি-সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবীগনের সাথে আমার পরিচিতি হওয়ার সুযোগ হয়।

১৯৯৪ সালের এমনি একটি অনুষ্ঠানে এদেশের প্রখ্যাত কথাশিল্পী, বুদ্ধিজীবী, আহমদ ছফার সাথে আমার পরিচয় হয়। (সম্পূর্ণ…)

পরের পাতা »

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com