অক্ষরমালা

নূরুল আলম আতিক | ৩০ অক্টোবর ২০১২ ৮:১৩ অপরাহ্ন

তথাগত, হাসছেন?

দেহ গুড়িয়ে দিয়েছো, অন্তর পুড়ে খাক্
প্রতিমার আসনে তোমাকে বসিয়ে,
এক হাতে কাঁচি, অন্য হাতে ভাঙা
কাঁচ নিয়ে দন্ডায়মান সময়ের নাপিত।

‘সভ্যতার চুল কাটতে কাটতে হয়রান আমি!’

মাস মাস সেলুনে যে যাস–
বউ জানে–যায় শুধু খর্চা বাড়াতে…
নাকি, মুখোমুখি রাখা দু’টি আয়নায়
নিজের সংখ্যা অসীম দেখেই পয়সা উশুল?

‘এ জাতির কী-বা হবে? হলে, আর কবে?’ (সম্পূর্ণ…)

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের স্মৃতি ও পাঠপ্রসঙ্গ

জাহেদ সরওয়ার | ২৪ অক্টোবর ২০১২ ১১:৩৪ অপরাহ্ন

’১৯৯৭ সালে আমার প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয়। ঐ বছরই সুনীল গঙ্গোপাধ্যারে সাথে আমার দেখা হয় কক্সবাজারে। বইমেলা উপলক্ষে তাড়াহুড়ো করে পহেলা বই প্রকাশ। বইমেলা শেষ করে কিছু বই কাঁধে করে নিজের শহর কক্সবাজারে গেছি। বই নিয়া ঘরে ফেরার মতোই। কক্সবাজারে জনে জনে তখন নিজের বইয়ের প্রচারণা আর বিক্রি করার উত্তেজনায় অস্থির, কয়েকজন সহযাত্রীসহ। ঠিক তখনই স্থানীয় পত্রিকায় দেখি সংবাদটা। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এখন কক্সবাজারে। পানসে হয়ে আসে আমার নিজের বইয়ের প্রচারণা বা বিক্রির উত্তেজনা। তখন একমাত্র উত্তেজনা হয়ে দাঁড়ায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। কারণ এর আগে প্রায় বছর পাঁচেক একনাগাড়ে পড়ছি তাকে। এর আগেরও সামান্য শানেনুযুল আছে। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে আমি খুব দু:সময়ে পেয়েছিলাম। আমি তখন হয়রানীমূলক এক মামলার আসামী হয়ে লুকিয়ে আছি ভোলার বোরহানউদ্দিনে। সেখানেই আমার হোস্টের কাছে এককপি ’ভালবাসা প্রেম নয়’ পেয়েছিলাম। নি:সঙ্গতার সঙ্গী হিসাবেই। বইটি টেনেছিল লেখার শক্তির গুণে। একদিনও লাগে নাই বইটা শেষ করি। কিন্তু নাওয়া খাওয়া ভুলে শেষ করার পরও বইটা ছাড়তে পারিনা হাত থেকে। রাতে ঘুমানোর সময় বালিশের নিচে রেখে দিই। চেরাগের আলোয় মাঝে মাঝে খুলে প্রিয় অংশটুকু ফের পড়ি। বইটার নিউজপ্রিন্টের ঘ্রাণ শুকি। হাত বুলাই।
sunil_gangopadhyay_20120917.gif (সম্পূর্ণ…)

তাদের কি দেখা হয়েছে ?

শাকুর মজিদ | ২৩ অক্টোবর ২০১২ ১০:২২ অপরাহ্ন

১৯৯০ সালের নভেম্বর মাস। পড়ি থার্ড ইয়ারে। কোলকাতার ৩শ বছরপূর্তি উপলক্ষে একটা আন্তর্জাতিক স্থাপত্য সেমিনার হবে বাড়ির পাশের দেশে। যশোর পেরোলেই বনগাও। ছাত্রদের মধ্যে যাদের পার্সপোর্ট আছে, তাদের অনেকেই যাচ্ছে। আমিও নাম লেখালাম। ভিসার ফরম পূর্ণ করতে গিয়ে পড়ি বিপাকে। কোলকাতার পরিচিত কারো নাম লিখতে হবে, ঠিকানা দিতে হবে। আমি কোলকাতার দু’জন মাত্র মানুষকে চিনি। একজন শংকর, আরেকজন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। শংকরের ঠিকানা জানি না, সুনীলের ঠিকানা জানি, দেশ পত্রিকার ঠিকানা মুখস্ত। আমি অবলীলায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে আমার পরিচিতজন বানিয়ে ভিসার ফর্ম ফিলআপ করে ধানমন্ডি দুই নাম্বার রোডের ভারতীয় হাইকমিশনে জমা দিয়ে দেই এবং পরদিন ভিসার সীলযুক্ত পার্সপোর্টটি পেয়েও যাই।
shunik-humayun-1.jpg (সম্পূর্ণ…)

মো ইয়ান এবং চীনের নোবেল-কাণ্ড

সামিন সাবাবা | ২২ অক্টোবর ২০১২ ১২:৩০ পূর্বাহ্ন

এ বছর সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য চীনের লেখক মো ইয়ান নোবেল পুরস্কার পাবার পরপরই আমেরিকার ন্যূ ইয়র্কার পত্রিকায় ১১ অক্টোবর Mo Yan and China’s “Nobel Complex” শিরোনামে ইভান অসনস-এর একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। বাংলায় প্রকাশিত এই নিবন্ধটি তারই অনুবাদ। অনুবাদ করেছেন সামিন সাবাবা।বি.স.

সাহিত্যে নোবেল অর্জন দ্বারা দেশটি সব সময়ই প্রমাণ করতে চেয়েছে তাদের সাংস্কৃতিক অগ্রগতি এবং বিশ্বের ওপর তাদের কর্তৃত্বের পরিমাপ। এ কারণেই মো ইয়ানের জন্য চীনা গনমাধ্যম অনেক উচ্ছাস প্রকাশ করেছে। এক চীনা লেখকের প্রথম ইতিহাস সৃষ্টিকারী জয় হিসাবে তারা একে অভিহিত করেছে।
mo-yan-p.jpeg
দেশটিতে এর আগে নোবেল প্রাপ্তি নিয়ে তোলপাড় হয়েছে। জন্মসূত্রে চীনা লেখক গাও জিংজিয়ান যখন ২০০০ সালে সাহিত্যে নোবেল জেতেন, ততদিনে তিনি ফ্রান্স এর নাগরিক। গাও তার জীবনের পঞ্চাশটি বছর চীন-এ কাটিয়েছেন এবং তার লেখার বিষয় দেশটির এতই ঘনিষ্ঠ ছিল যে প্রথমে চীনা সরকার বুঝে ওঠেনি যে এর প্রতিক্রিয়া কেমন হওয়া উচিৎ। (সম্পূর্ণ…)

বার্ট কোমেনের ডান হাত

দীপেন ভট্টাচার্য | ২০ অক্টোবর ২০১২ ১০:৪১ অপরাহ্ন

১. যাত্রা

আজ সকালে উঠে শুনলাম ২০১২ সালের মেডিসিনের নোবেল পুরস্কার জন গার্ডন ও সিনিয়া ইয়ামানাকাকে দেওয়া হয়েছে। এই দুই বিজ্ঞানী পরিণত কোষকে একদম শিশু অবস্থায় (স্টেম সেল) ফিরিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন যে শিশু কোষ কিনা শরীরের যে কোন ধরনের কোষে রূপান্তরিত হতে পারে। এই খবরটা শুনে মনে হল এরকম কোন একটা ঘটনার কথা আমি শুনেছিলাম, বহু বছর আগে, প্রশান্ত মহাসাগরের ওপারে।

প্রায় দশ বছর আগের ঘটনা। সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সে লস এঞ্জেলেস থেকে সিঙ্গাপুর হয়ে ঢাকা যাচ্ছি। প্লেন পথে টোকিয়ো থামবে। লস এঞ্জেলেস বিমান বন্দরে পৌঁছে দেখি লোকে লোকারণ্য, এয়ারলাইন কাউন্টারে বিশাল লাইন। সেই লাইন দেখাশোনা করছে বিমান কোম্পানীর এক ছেলে, সে আমাকে পাঠাল মাল এক্স-রে করতে। সেখানে অনেক সময় গেল। সব মিলিয়ে ঘন্টাখানেক লাগল শুধু কাউন্টারেই পৌঁছাতে। কোম্পানীর এক মহিলা আমার টিকিট দেখে বললেন আমার নাম নাকি লিস্টে নেই।

‘ভাল করে দেখুন,’ অনুরোধ করলাম। মনে মনে আমার ট্র্যাভেল এজেন্সীর শাপ-শাপান্ত করতে থাকলাম। ‘ভাল করে দেখুন,’ আবার বললাম, ‘আমার দুটো বুকিং ছিল, একটা ক্যান্সেল করেছি।’

মহিলা অনেকক্ষণ ধরে কম্পিউটারে হাত চালালেন। তারপর বললেন, ‘আপনি অপেক্ষা করুন, আমি আসছি।’ চলে গেলেন, আর এদিকে আমি তো আতংকে অস্থির, ঘেমে গেলাম। পুরো দশ মিনিট লাগল তাঁর ফিরতে। হাসি মুখ।

‘আমি ম্যানেজারের সাথে কথা বলেছি। আমাদের কম্পিউটারে কিছু গন্ডগোল হয়েছে। আমাদের ইকোনমি ক্লাসে সব সিট ভর্তি। কিন্তু আমরা আপনার টিকিট আপগ্রেড করে দিয়েছি বিজনেস সেকশানে।’

বিমান কোম্পানীর ত্রুটির বদলে ভাল আসন জুটল। পা ছড়িয়ে, সিট পেছনে ফেলে প্রশান্ত মহাসাগর পারি দেওয়া যাবে। (সম্পূর্ণ…)

বুদ্ধ, অশোক ও আমরা

ওমর শামস | ২০ অক্টোবর ২০১২ ৯:৪৯ অপরাহ্ন

buddha.gif

শরনং গচ্ছামি

ঝ’রেছে তোমার পুণ্য পুন্ড্র হতে হরিকেল দু’হাজার সাল, জানে নাকি বাংলার জন?
হতবাক শুপুরিরা, হায়! – কান্ড স্থির, উড়েছে সকল পাখি – নিস্তব্ধ, বিহবল এখন।
জ্ঞানের-প্রাণের-ধ্যানের – শুদ্ধির এ আগুন নয়, – জ্বলে ধ্বংসের । জরা-মুক্তি পরে,
হে বুদ্ধ! শেখাও- কি ক’রে রক্ত থেকে সমুচ্ছেদ – হিংসা, হনন আর দ্বেষের গঠন? (সম্পূর্ণ…)

গুচ্ছ কবিতা

ময়ূখ দাশ | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ৮:১৫ অপরাহ্ন

দাবা-র খেলা

সাধনা করতে করতে আমি
দেবতার বেশ কাছাকাছি চলে এসেছি

ইদানিং ও খুব ভালোবাসে আমাকে
আমিও ভালোবাসি
তবে

যখন দাবা খেলি, দুজনে
দেবতা বলে, তুমি ন্যাটা তাই
না হলে আমাকে হারাও,
অত ক্ষমতা তোমার কোথায়

তবে দেবতা খুব ভালোবাসে আমাকে

সারাদিন সব সৃষ্টিকর্ম সেরে
এবং সারাদিন সব ঋণ শোধ করে
রাতের বেলায় শীতল হাওয়ায়
স্নান করতে করতে আমরা মদ খাই
দেবতা ও আমি

একদিন হঠাৎ দেবতার একটু বেশী
মানে ঐ যাকে বলে ড্রাঙ্ক আর কি
বলে কিনা, তোকে আমি হিংসা করি (সম্পূর্ণ…)

গুচ্ছ কবিতা

শ্রীপর্না বন্দ্যোপাধ্যায় | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ৭:৫৭ অপরাহ্ন

আবিষ্কার

বহু বর্ষ আগের এক মানবী
পা বেয়ে রক্ত গড়াচ্ছিল যার,
যন্ত্রণায় কাতর সে জানত না
ওর নাম বলাৎকার।

ঝড় বৃষ্টি বজ্রাঘাত অগ্নৎপাতের মতোই
কোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগ,
কিংবা বন্য প্রাণীর আক্রমণের মতোই
কিছু অনিবার্য অমোঘ,
ভেবে শুধু করেছিল চীৎকার!

বহু বর্ষ আগের এক মানুষ,
নারী অথবা পুরুষ-
সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ আর
আকাশের সঙ্গমে ওঠা
কমলা সূর্য দেখে-
উষা কিংবা গোধূলী
কোনও একটির রং মেখে
অনির্বচনীয় আবেগে আত্মহারা হয়ে
বালিতে লুটিয়ে পড়ে গড়াগড়ি খেয়ে
পেয়েছিল এক বিচিত্র আহ্লাদ
ভোজন ও রমণের চেয়ে
যার অন্যরকম স্বাদ! (সম্পূর্ণ…)

শব্দের আয়নায় রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর রক্তাক্ত মুখ

জাহেদ সরওয়ার | ১৬ অক্টোবর ২০১২ ৮:৪৬ অপরাহ্ন

ভাষার কিষান চোখ মেলে চেয়ে দেখি,
চারিপাশে ঘোর অসম জীবন,
– শব্দ-শ্রমিক/ র. ম. শহিদুল্লাহ

একাত্তর পরবর্তীকালে বাংলাদেশের কবিতায় গুরুত্বপূর্ণদের একজন অথচ কম বিজ্ঞাপিত কবি মহাত্মা রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ। বাংলা সাহিত্যে ভুলবুঝা কবিও বলা যাবে তাকে। শুধু একাত্তরই বা বলি কেন। বাংলা কবিতার বিদ্রোহীধারায় নজরুল, সুকান্ত, দিনেশ দাস, সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের পর তার মত কণ্ঠস্বর আর খুঁজে পাওয়া যায় নাই।
rudra-p.jpg (সম্পূর্ণ…)

জঙ্গীদেশে সরস্বতী

তুষার গায়েন | ১৬ অক্টোবর ২০১২ ৮:১৬ অপরাহ্ন

সরস্বতী জন্ম নিলেন জঙ্গীদেশে
গোলাপরাঙা রাতুল চরণ পাহাড় ঠেলে
এক হাতে তার খুলছে সাদা বইয়ের পাতা
অন্য হাতে বাজছে রুবাব সোয়াতকূলে

মাথায় টানা ওড়না কালো শাস্ত্রবিধান
জ্বলছে দু’চোখ ভ্রু’র নীচে সজলপ্রখর
মালালা সে জন্ম নিল জঙ্গীদেশে
কন্যা আমার দানবঘন অন্ধদেশে
malala.gif (সম্পূর্ণ…)

মো ইয়ানের সাক্ষাৎকার: আমি নারীদেরকে ভালবাসি ও শ্রদ্ধা করি

জুলফিকার হায়দার | ১৫ অক্টোবর ২০১২ ৯:৪৪ অপরাহ্ন

এ বছর নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন চীনের নিরীক্ষাপ্রবণ কথাসাহিত্যিক মো ইয়ান যার রচনায় লোকপুরান, সমকালের ইতিহাস এবং যাদুবাস্তবতার ব্যতিক্রমী মিশ্রণ লক্ষ্য করা যায়। তিনি চীনের অভ্যন্তরে সুপরিচিত হলেও, নোবেল পুরস্কার পাওয়ার আগ পর্যন্ত বহির্বিশ্বে ছিলেন অপেক্ষাকৃত স্বল্পপরিচিত। বিডিনিউজের পাঠকদের জন্য তাঁর একটি সাক্ষাৎকারের অনুবাদ প্রকাশ করা হল। বি.স

মো ইয়ান চিনের নন্দিত লেখকদের অন্যতম। তার লেখা বিভিন্ন ভাষায় ব্যাপকভাবে অনুদিত হয়েছে। ইয়ানের জন্ম ১৯৫৫ সনে চিনের এক কৃষক পরিবারে। মাত্র বার বছর বয়সে তিনি গণমুক্তি ফৌজে যোগ দেন এবং প্রায় একই সময়ে গল্প লিখিয়ে হিসেবে তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে। সেই থেকে তাঁর লেখা বেশ ক’টি উপন্যাস ও ছোট গল্প সংকলন বের হয়েছে যার মধ্যে Red Sorghum, Big Breasts & Wide Hips, Life and Death Are Wearing Me Out এবং অতি সম্প্রতি লেখা Frog. গত অক্টোবরে লন্ডন বই মেলায় গ্রান্টা সাময়িকীর সম্পাদক জন ফ্রিম্যানকে দেয়া এক নাতিদীর্ঘ সাক্ষাতকারে মো ইয়ান তার সাহিত্য-চিন্তা ও নিজের লেখা গল্প উপন্যাসের বিষয় ও প্রকরণ সম্পর্কে কথা বলেন।

জন ফ্রিম্যান: আপনার অনেক উপন্যাসে গাওমির নিজ শহরের আদলে চিত্রিত আধা-কল্পিত এক একটি পটভূমির দেখা মেলে, বলা যায়, ফকনারের আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চলের সাথে যার এক অর্থে সাদৃশ্য রয়েছে। এই আধোকল্পিত লোকালয়ে আপনার বারংবার ফিরে যাওয়া -সেটি কিভাবে সম্ভব হয়ে ওঠে? আর বিশ্বব্যাপি পাঠকগোষ্ঠির জন্য লিখতে গিয়ে সেই পটভূমির কি কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে? (সম্পূর্ণ…)

গুচ্ছ কবিতা

বিশ্বজিৎ রায় | ১২ অক্টোবর ২০১২ ৫:২২ অপরাহ্ন

কথা হয়

একটা মুখের সঙ্গে সারারাত কথা হয়
সারাদিন, সারাসন্ধা তাঁর অপেক্ষায়
হোমাগ্নি জ্বালিয়ে বসে থাকি
অন্ধ আকাশের নিচে…

সারাদিন গোলচাকার সঙ্গে গড়িয়ে চলি –
অসংখ্য সাদা-কালো দৃশ্য, চিৎকার, পাগলামি, গন্ধ
পারাপার করে
যখন ফিরে আসি নিঃস্তব্ধ সাজঘরে
তখন থেকেই সে ডাকতে শুরু করে,
মহত্বের দৃশ্যগুলি খুলে তাঁর মুখোমুখি বসি
হোমাগ্নি জ্বলে, ধীরে ধীরে রাত বড় হয়
আর আমি
আত্মাহুতির জন্য প্রস্তুত হতে থাকি… (সম্পূর্ণ…)

পরের পাতা »

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com