কেন হুমায়ূন আহমেদ

বিশ্বজিৎ ঘোষ | ৩০ জুলাই ২০১২ ১০:২২ অপরাহ্ন

জনপ্রিয় একজন লেখকের প্রয়াণে গোটা জাতি যে আবেগসিক্ত হবে, নিমজ্জিত হবে শোকসাগরে- এটা খুবই স্বাভাবিক। নন্দিত লেখক এবং চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যু আমাদের সেকথা আরেক বার স্মরণ করিয়ে দিল। রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর পর কীভাবে ভেঙে পড়েছিল কলকাতা শহর তা আমরা দেখিনি। তবে বুদ্ধদেব বসুর ‘তিথিডোর’ উপন্যাসে তার এক নিপুণ ছবি পাওয়া যায়। হুমায়ূনের শবযাত্রা দেখে, শহীদ মিনারে লক্ষ জনতার শোক-বিহ্বলতা দেখে আমার বারবার মনে পড়েছিল বুদ্ধদেবের সেই বর্ণনা। এত মানুষ, এত অশ্রু, এত ভালোবাসা- আমি কখনো দেখিনি। হুমায়ূন আহমেদ তা আমাদের দেখার সুযোগ করে দিলেন।

কেন হুমায়ূন আহমেদ? কী কারণে মানুষের বাঁধ-ভাঙা এই উচ্ছ্বাস, কী কারণে এত শোক অশ্রু ভালোবাসা? একজন লেখকের জন্য এত ভালোবাসার বন্যা তো আগে আমরা কখনো দেখিনি। হুমায়ূন তা দেখাতে পারলেন কোন গুণে? কোন কারণে তার উপন্যাস কিনতে, ছবি দেখতে, নাটক উপভোগ করতে ক্রেতা ও দর্শক হুমড়ি খেয়ে পড়তো? আর কেনই-বা তাকে বলা হতো যাদুকর? এত অশ্রু এত মাতমের মুখেও এসব প্রশ্ন আমাকে ভাবিয়ে তোলে। (সম্পূর্ণ…)

স্মৃতিসত্তায় নন্দিত কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদ

ফরিদ আহমদ দুলাল | ২৮ জুলাই ২০১২ ৮:২৫ অপরাহ্ন

সকাল সাতটা থেকে নাট্যজন আবুল হায়াত ও ডলি জহুর-এর হুমায়ূন-তর্পণ শুনছিলাম আর হুমায়ূন আহমেদ-এর সাথে আমার ব্যক্তিগত স্মৃতি হাতড়াচ্ছিলাম। সকাল ন’টায় অনুষ্ঠান শেষে টেলিভিশনে বিশেষ সংবাদ হিসেবে নিচে লেখা এলো, ‘নন্দিত কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদ-এর মরদেহ ঢাকায় পৌঁচেছে’। সংবাদটি মনিটরে দেখে বুকের ভেতরে হাহাকার করে উঠলো। হুমায়ূন আহমেদ-এর সাথে আমার তেমন ঘনিষ্ঠতা কোনোদিনই ছিলো না, আমি তাঁর তেমন অনুরক্ত পাঠকও ছিলাম না, যারা হুমায়ূন আহমেদ-এর বই পেলেই গোগ্রাসে গেলেন; বরং বলতে পারি যখন হুমায়ূন আহমেদ খুবই স্বল্প পরিচিত লেখক সে সময় তাঁর সাথে আমার সামান্য পরিচয় ছিলো, সে পরিচয়কেও ঘনিষ্ঠতা বলা যাবে না কিছুতেই। তবু কেন বুকটা হাহাকার করে উঠলো ! কেন মনে হলো তাঁর উদ্দেশে কিছু নিবেদন করি? হুমায়ূন আহমেদ-এর সৌভাগ্য এবং আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা দেখে একজন সামান্য সাহিত্যকর্মী হিসেবে আমার বুকে কখনো ঈর্ষা উঁকি দেয়নি এমন কথা বললে মিথ্যাচার হবে; কিন্তু তাঁকে নাগাল পাওয়া যে আমার সাধ্যের অতীত তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ ছিলো না; তবু কেন লেখার উদ্যোগ? হুমায়ূননামা লিখে নিজেকে পরিচিত করতে চাই? তা-ও বোধকরি নয়। তাহলে আগেই লিখতাম। আর যেখানে লিখছি তা আমার নিজের পাঠ সীমার বাইরে। লিখছি বুকের হাহাকারকে সান্তনা দিতে। (সম্পূর্ণ…)

এডিথ স্যোডেরগ্রান :

প্রেম, একাকিত্ব ও মৃত্যুর কবিতা

| ২৫ জুলাই ২০১২ ৫:২৫ অপরাহ্ন

ফিনল্যান্ডের প্রথম সারির কবি এডিথ স্যোডেরগ্রান-এর সাথে বাংলাভাষী পাঠকদের পরিচয় তেমন নেই বললেই চলে। বাংলাভাষী প্রবাসী দুই লেখকের আনুকূল্যে এডিথ স্যোডেরগ্রান-এর একগুচ্ছ কবিতা এই প্রথমবারের মতো প্রকাশ করা হলো বিডিনিউজটোয়ান্টিফোরডটকমের পাঠকদের জন্য। স্যোডেরগ্রান সম্পর্কে ভাষ্যটি লিখেছেন অংকুর সাহা এবং কবিতাগুলোর ভাষান্তর করেছেন সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ। বলা বাহুল্য যে কবিতাগুলো ডেভিড ম্যাকডাফ-এর ইংরেজি অনুবাদ থেকে বাংলায় তর্জমা করা হয়েছে।
sodargran-1.gif
হ্যাঁ, তাঁর কবিতার মূল থিম অবশ্যই এই তিনটি–প্রেম, একাকিত্ব ও মৃত্যু; সব কবিতারই হয়তো তাই। কিন্তু সেটাই সব নয়, তাঁর অভিজ্ঞতার ফোকাসের মধ্যে রয়েছে যুদ্ধ–যেকোনো যুদ্ধ নয়, কালান্তক প্রথম মহাযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮); আর রয়েছে সশস্ত্র বিপ্লব–যেকোনো বিপ্লব নয়, অক্টোবর বলশেভিক বিপ্লব; হ্যাঁ, ২৫ অক্টোবর ১৯১৭। তিনি ছিলেন পেট্রোগ্রাড শহরে সেই বিপ্লবের কেন্দ্রে; রয়েছে দারিদ্র্য আর ক্ষুধার অভিজ্ঞতা এবং রাজরোগ যক্ষ্মা, যা তাঁকে গিলে খায় প্রথম যৌবনে। (সম্পূর্ণ…)

যখন তার চারদিকে আর কৃত্রিম ‘সাইকোফ্যান্ট দেয়াল’টি থাকবে না তখন আমি তার কাছে যাবো।

আনোয়ার শাহাদাত | ২৪ জুলাই ২০১২ ৪:১৬ অপরাহ্ন

শুধু বাংলায় নয় সাড়া পৃথিবীতে এই রাতে অপূর্ব জ্যোৎস্নারা নেমেছে। মাঠ-ঘাটলা-ফসলের ক্ষেত প্লাবনে ভেসে যায় চারদিক! আজ সেই চাহ্নি পসর রাত। আমাদের শহরে (নিউ ইয়র্ক) এটা সবচেয়ে বেশী।

একটা কিছু হয়তো থামে। যদি তা আমরা মেনে নেই। অন্যথায় সব কিছুই চলতে থাকে। আমরা যে ছবি দেখতে যাব বলে ঠিক করেছি তা শুর হওয়ার কথা ২:১৫ তে, সে সময় ঠিক থাকে। ছবি দেখতে যাওয়াও ঠিক থাকে। তখন কেবল অবিশ্বাস্য রকমের সত্য হয়ে থেমে থাকেন হুমায়ুন আহমেদ। আর সব কিছুই চলতে থাকে ও থাকবে এমন কী তার কফিন বহনকারী বিমানটিরও আকাশে উড়বার সময়-ক্ষণ বা কোনও যাত্রী শিশু কেঁদে সেই বিমানে বমি করলে, তার জন্য বিমান হোস্টেসের এগিয়ে দেয়া আন্তরিক ন্যাপকিনও ।
humaun-1.jpg
নিজের মৃত্যু নিয়ে খোলামেলা রোম্যান্টিক ‘কবি’ বাংলাদেশে আর কেউ ছিলেন না, কেবল তিনি। কবি? (সম্পূর্ণ…)

গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের ‘লা মারিওনেতা’ :

বিদায়ভাষ্য ছিল না আদৌ

আইরিন সুলতানা | ১৯ জুলাই ২০১২ ১২:৪০ পূর্বাহ্ন

২০১০-এ মারিও ভার্গাস য়োসার সাহিত্যে নোবেল প্রাপ্তিতে প্রতিক্রিয়া হিসেবে লাতিন আমেরিকার আরেক নোবেল জয়ী গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের টুইটার বার্তা ছিল ’এবার আমরা সমকক্ষ’ (“Cuentas iguales “, অর্থ “Now we’re even”) । গণমাধ্যমগুলোর অবশ্য এ মন্তব্যের পেছনের কারণটুকু বুঝে নিতে বেগ পেতে হয়নি একেবারেই। পত্রিকার সাহিত্য পাতায় অনেকখানি রসবোধ যুক্ত করেছিল য়োসা-মার্কেস সাহিত্যিক জুটি অথবা প্রতিদ্বন্দী!

পেরুর মারিও ভার্গাস য়োসা এবং কলম্বিয়ার গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের মধ্যে একসময় যেমন তুমুল বন্ধুত্ব ছিল, তেমনি ঘটনাচক্রে তারা পরস্পর মুখদর্শন পর্যন্ত স্থগিত রাখেন। যদিও নিজমুখে এরা কেউই একে অন্যের বিরুদ্ধে সুষ্পষ্ট অভিযোগ উত্থাপিত করেননি, তথাপি অনেকেই ধারণা করে থাকেন য়োসার স্ত্রী’র প্রতি নজর দেয়াই ছিল মার্কেসের চোখে কালো দাগ বসিয়ে দেয়া য়োসার সেই ঘুষির কারণ। সম্পর্কের ইতি বস্তুত সেদিন থেকেই এবং তা জারি রয়েছে আজ অব্দি। এরকম একটি মুখরোচক ঘটনার কারণেই মারিও ভার্গাস য়োসার নোবেল প্রাপ্তির পরপরই গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের নামও উঠে এসেছে গণমাধ্যমগুলোতে। সাহিত্যপ্রেমীদের জন্য এটি অবশ্য বাড়তি পাওয়া। সমসাময়িক আলোচনা থেকে দু’জন নোবেলজয়ী সাহিত্যিকের কালজয়ী লেখনীর কথা তারা জানতে পারছেন। (সম্পূর্ণ…)

গুচ্ছ কবিতা

ফারহান ইশরাক | ১৬ জুলাই ২০১২ ১১:৩৫ অপরাহ্ন

নাভিবোতাম

দোয়াতের ছিপি খুলে কালো প্রজাপতি শিশিরজ্যোৎস্নায় শাদা পৃষ্ঠাকে বলে:
পরাগজলে পা ডুবে ছিলো, উঠে এলাম তোমার বুকে বসতে পাবো বলে।
দাগ-না-কাটা কাগজের মন অল্পতেই গ’লে গোলাপজল; বলে:নিশ্চই নিশ্চই!
পড়ার টেবিল থেকে বালকের চোখ খুলে পড়ে বালিকার স্পর্শকাতর নখে
স্বপ্নজলে কামরাঙা মাছ। পাতালের পানিতে দেখো জ্বলছে বিদ্যুৎ।

নাভিবোতামের নিচে ভোল্টার কোষ। বয়োসন্ধির মৃদুমৌমাছি একটু কামড়ালো
কল্পনার না-দেখা মাখন-স্পঞ্জের ভেতরে শিরশিরে বিষ একটু কৌতূহল।
তীব্র-চিকন আগুনগুচ্ছ চোরাগোপ্তা একজোড়া মন একজোড়া হৃৎপিণ্ডের
ভেতরে পরস্পর আসন বদলায় স্নায়ুসতর্ক নীলঘোর অন্ধকার ঘরে,
ঝড়ে কাঁপা বেসামাল রাতে। (সম্পূর্ণ…)

গুচ্ছ কবিতা

মৃণাল বসুচৌধুরী | ১১ জুলাই ২০১২ ২:৪৭ অপরাহ্ন

একলা মানুষ

নিজের সঙ্গে একটা মানুষ
ছায়ার সঙ্গে একটা মানুষ
রোদের মধ্যে একটা মানুষ
হাঁটছে কেবল হাঁটছে কেবল হাঁটছে
ধর্ম সে তার ব্যক্তিগত
আদর্শ তার ব্যক্তিগত
চিন্তাভাবনা ব্যক্তিগত
জীবনযাপন ব্যক্তিগত
যন্ত্রণাভার ব্যক্তিগত
তবুও কেমন একলা মানুষ
রোদের মধ্যে ছায়ার মানুষ
ছায়ার মধ্যে রোদের মানুষ
সংঘবদ্ধ হবার জন্য
ভিড়ের মধ্যে একলা মানুষ
হাঁটছে কেবল হাঁটছে কেবল হাঁটছে (সম্পূর্ণ…)

বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি

ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী | ৭ জুলাই ২০১২ ১১:০৬ অপরাহ্ন

আমরা যে সময়ে বাস করি সেটা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সময়। সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে শুতে যাবার আগ পর্যন্ত আমরা হামেশা বিজ্ঞানের উপকরণ ব্যবহার করি। বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির সরবরাহ টোস্টার-মাইক্রোওয়েভ, ইন্টারনেট-ল্যাপটপ -আইফোন, বাতি-পাখা-লিফ্ট, গাড়ি-বাস-বাইক, টিভি-ডিভিডি-হোম থিয়েটার ইত্যাদি সবই আধুনিক প্রযুক্তির অবদান। প্রযুক্তিক উৎকর্ষের কল্যাণে নিত্যনতুন ঔষধ আবিষ্কৃত হয়েছে, আমাদের গড় আয়ুষ্কাল বেড়েছে। বাতাসের মধ্যে থেকেও যেমন বাতাসের অস্তিত্ব আমরা সচেতনভাবে টের পাইনা, ঠিক তেমনি বিজ্ঞানের মধ্যে থেকেও আমরা বিজ্ঞানকে ভুলে থাকি। শুধু ভুলে থাকি না, ভুলে থাকার জন্য সক্রিয়ভাবে চেষ্টা করি। বাইরের জগৎ সম্পর্কে জানতে না চাওয়ার এই মজ্জাগত সমস্যা বিশেষ করে আমাদের দেশে বেশী প্রকট। বাঙালি মুসলমানের বুদ্ধিবৃত্তিক এই কূপমণ্ডুকতা দীর্ঘস্থায়ী ঔপনিবেশিক সংস্কৃতির ফল বলেই মনে হয়। আমরা ভোগ করি ঠিকই কিন্তু কী ভোগ করছি তার সম্পর্কে বিন্দুমাত্র কৌতুহলী আমাদের নেই। এই ভোক্তা-সংস্কৃতির খিদে মিটিয়ে বিদেশী কোম্পানি প্রচুর মুনাফা দেশের বাইরে নিয়ে যাচ্ছে সেটা আমরা দেখতে বুঝতে শুনতে চাইনা। চোখ বন্ধ কলুর বলদের মতো ব্যাপারটা আরকি। (সম্পূর্ণ…)

আইল্যান্ডজ ইন দ্য স্ট্রীম

আর্নেস্ট হেমিংওয়ে | ৪ জুলাই ২০১২ ৩:২৯ অপরাহ্ন

মৃত্যুর আগের দিনগুলিতে হেমিংওয়ে যে তিনটি বড় ভাগে বিভক্ত ‘আইল্যান্ডজ ইন দ্য স্ট্রীম’ উপন্যাসটি লিখছিলেন, তার প্রথম ভাগঃ বিমিনি–১৯৩০-এর দশকে গাল্ফ স্ট্রীম অর্থাৎ উপসাগরীয় স্রোতের এক দ্বীপে এক প্রখ্যাত শিল্পীর জীবনযাপনের বৃত্তান্ত, যেখানে সমুদ্রে মাছ ধরার এক অনুপম সুন্দর ও শক্তিশালী ঘটনার বর্ণনা রয়েছে। দ্বিতীয় ভাগঃ কিউবা–যুদ্ধাবস্থায় কিউবা এবং কিছু অসাধারণ বর্ণাঢ্য চরিত্র চিত্রণের কাজ এখানে রয়েছে। তৃতীয় ভাগঃ সাগরে–যুদ্ধের কাহিনী, উত্তেজনা ও এ্যাকশনে থরথর।

সব মিলিয়ে হেমিংওয়ের অননুকরণীয় বর্ণনাভঙ্গি ঋদ্ধ জীবনচর্যার সঙ্গে গাঢ় পরিচয় ও প্রাণকাড়া ভালবাসা ও অনুরাগ মিশিয়ে সাহিত্য পাঠের অনন্য অভিজ্ঞতা।

‘এই বইয়ে হেমিংওয়ের প্রকৃতি বর্ণনার কিছু সেরা কাজের নমুনা মেলেঃ কিউবার উপকূলে সমুদ্রের সাদা ও সবুজের মিশেলে ভেঙ্গে পড়া; গভীর সমুদ্রে ভোরের সৌন্দর্য; হার্মিট কাঁকড়া, ল্যান্ড ক্র্যাব্স ও গোউস্ট ক্র্যাব্স; মালেটকে তাড়া করা জান্তব ব্যারাকুডা; পান্নাসবুজ টলটলে জলের ওপর দিয়ে শাদা পাখার বকের উড়ে যাওয়া; আইবিস, ফ্ল্যামিঙ্গো ও স্পূনবিল, স্পূনবিলের ডানায় দম আটকে আসা গোলাপির উজ্জ্বল ঝলক; জলাভূমি থেকে উঠে আসা মশার মেঘ; বাতাসের চাবুকে জলের কুঁকড়ে যাওয়া, ফুৎকার দিয়ে ছোটা; স্রোতে ভেসে আসা কাঠের টুকরোয় নোনা বাতাস আর বালুর কারুকর্ম’ –এডমান্ড উইলসন, নিউ ইয়র্কার। বিরল এই লেখাটি অনুবাদ করেছেন মীর ওয়ালীউজ্জামান
(সম্পূর্ণ…)


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com