জীবনের জন্য বই

মোহাম্মদ আসিফ | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ৮:৫৯ অপরাহ্ন

একবার সৈয়দ শামসুল হককে একটা সাক্ষাৎকারে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল মানব জীবনে ও সমাজে শিল্প-সাহিত্যের প্রয়োজনীয়তা কি। উনি তখন উত্তরে যা বলেছিলেন তা অনেকটা এরকম যে আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক কিছু ব্যবহার করি যা শিল্প-সাহিত্যের অবদান। এই যে চমৎকার সব ডিজাইনের বাহারী জানালার পর্দা, সুন্দর সুন্দর বিছানার বেড কভার এসব চিত্র শিল্পীরা আকেঁ, সময়ের বিবর্তে এগুলো একসময় বাজারে চলে আসে, আমাদের নিত্য ব্যবহার্য হয়ে যায়। সাহিত্যের বেলায়ও সেরকম। এই যে আমরা গুছিয়ে কথা বলি, সুন্দর শব্দ চয়ন করি, ভাষার অলংকরণ করে নিজেদের ভাব, মতামত প্রকাশ করি। পণ্যের প্রচারে, বিজ্ঞাপনে মনকাড়া সংলাপ ব্যবহার করা হয়– এসবই সৃজনশীল সাহিত্যের চর্চা ও পাঠের পরোক্ষ প্রকাশ ও ব্যবহার।

আমাদের ব্যাক্তিগত ও সমাজ জীবনে শিল্প-সাহিত্যের প্রয়োজনীতার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে লেখাটি শুরু করার কারণ হচ্ছে লেখালেখি সৃজনশীল কাজের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব সঠিকভাবে, কার্যকর উপায়ে আমাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছেনা। টেলিভিশনে মাঝে মাঝে সাহিত্য আলাচনার অনুষ্ঠানে বই পড়া নিয়ে কথাবর্তা হয়। সরকারের মুখপাত্র সরকারী টেলিভিশনে এসব অনুষ্ঠানে সাহিত্য চর্চা ও পাঠের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা যতটা না করা হয় তার চেয়ে বেশী এই বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট সরকারী প্রতিষ্ঠান কর্তাব্যক্তিরা কে কী করছেন সেসব প্রসঙ্গই মুখ্য হয়ে ওঠে। (সম্পূর্ণ…)

কুয়াকাটা : সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত

নূরুল আনোয়ার | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ৯:২৯ অপরাহ্ন


খুব বেশিদিনের কথা নয় কুয়াকাটা নামটি মানুষের তেমন জানাশুনা ছিল। এখন এই নামটি নিয়ে যেভাবে ঘাটাঘাটি হচ্ছে অল্প ক’ বছর আগেও কেউ বেশি ভাবেনি। ভ্রমণপিপাসু মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশের চিরপরিচিত পর্যটন কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে নতুন নতুন জায়গা যোগ হচ্ছে। কুয়াকাটা ইতোমধ্যে ভ্রমণপিপাসু মানুষের চিত্ত জয় করে ফেলেছে।
কুয়াকাটা সম্পর্কে আমার জানাশুনা ছিল অতি অল্প। এটার অবস্থান কোথায় সেটাও আমার জানা ছিল না। এতটুকু আমি জেনেছি, যেখানেই হোক এটার অবস্থান সাগড়ের পাড়ে। আমি যতবারই চোখ বন্ধ করে কুয়াকাটার কথা ভেবেছি কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের মত একটা চেহারা তার মধ্যে দেখতে পেয়েছি। কল্পনা করতে দোষ কি? ভেবেছিলাম এখানে বিশাল বিশাল ঢেউ পাড়ে এসে আছড়ে আছড়ে পড়ে। পর্যটকেরা ওখানে নেমে স্নান করে। তারা লাফঝাঁপ করে। শ’য়ে শ’য়ে স্পিড বোট শাঁ শাঁ করে ছুটে চলে। সাগড়ের পাড়ে আছে ঘন অরণ্য। বন-বনানী। সেখানে আছে নানা প্রজাতির পাখির কলকাকলি। ঝাউগাছের পাতায় পাতায় বাতাসে শিহরণ। তার সঙ্গে শোঁ শোঁ শব্দ। ছায়াশীতল গাছের নিচে বসে কপোত কপোতিরা বসে প্রেমের আলাপ করছে। তারা একে অপরের সঙ্গে নানারকম খুনসুটি করে চলেছে। আছে বড় বড় মার্কেট। তরুণ-তরুণীরা দল বেঁধে সেখানে ছুটে চলছে কেনাকাটা করতে। সত্যি বলতে কি, আমি এরকম একটি পরিবেশ কল্পনা করে এঁকে নিয়েছিলাম এবং সত্যি সত্যি ধরে নিয়েছিলাম জায়গাটি এরকম। (সম্পূর্ণ…)

প্রতিদিনের নতুন বই

| ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ৯:৪৯ অপরাহ্ন

boimela.jpg[আর্টস-এর পাতায় ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১২’-এ বের হওয়া বইপত্রের তালিকা নিয়মিত প্রকাশিত হবে। তালিকাটি সরবরাহ করছে বাংলা একাডেমীর ‘সমন্বয় ও জনসংযোগ উপবিভাগ’। উল্লেখ্য ১ ফেব্রুয়ারির কোনো তালিকা পাওয়া যায় নি। ‘গ্রন্থমেলা ২০১২-এ প্রকাশিত বই’ বলতে গত বইমেলার পরে প্রকাশিত সব বই বোঝানো হয়েছে। – বি. স.]

প্রতিদিনের নতুন বইয়ের তালিকা দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন

৫ ফেব্রুয়ারি
৬ ফেব্রুয়ারি
৭ ফেব্রুয়ারি
৮ ফেব্রুয়ারি
৯ ফেব্রুয়ারি
১০ ফেব্রুয়ারি
১১ ফেব্রুয়ারি
১২ ফেব্রুয়ারি
১৩ ফেব্রুয়ারি
১৪ ফেব্রুয়ারি
১৫ ফেব্রুয়ারি
১৬ ফেব্রুয়ারি
১৭ ফেব্রুয়ারি
১৮ ফেব্রুয়ারি
২১ ফেব্রুয়ারি
২২ ফেব্রুয়ারি
২৩ ফেব্রুয়ারি
২৫ ফেব্রুয়ারি

মুরাকামি, দ্বিতীয় চাঁদ ও লাগাশ

শিবব্রত বর্মন | ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন

সায়েন্স ফিকশন লেখকদের মধ্যে নিজের নবুয়তি ক্ষমতা নিয়ে বড়াই করার একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।
কিছুদিন আগে গার্ডিয়ান পত্রিকায় একটা বড় লেখা লিখে অশীতিপর ব্রায়ান অ্যালডিস একপ্রকার উল্লাসই প্রকাশ করেছেন। তার উল্লাসের উপলক্ষ্য সিগনাস নক্ষত্রপুঞ্জে আবিষ্কৃত একটি নতুন গ্রহ, যেটি প্রায় পৃথিবীরই মতো দেখতে। অ্যালডিস তার হেলিকনিয়া স্প্রিং (১৯৮৪) উপন্যাসে ঠিক এই জায়গাটিতেই একটি গ্রহ থাকার কথা বলেছিলেন। এমনকি গ্রহটি সম্পর্কে তিনি যে-যে বিবরণ দিয়েছিলেন, সেগুলোও নাকি নবাবিস্কৃত গ্রহটির সঙ্গে অনেকখানি মিলে যাচ্ছে। ব্রায়ান অ্যালডিসের উপন্যাসে গ্রহটির নাম হেলিকনিয়া। বিচিত্র পরিবেশ সেটির। ৫ হাজার বছরে সেটি একবার নিজের সূর্যকে ঘুরে আসে। সে কারণে গ্রহটিতে আড়াই হাজার বছর ধরে গ্রীষ্মকাল, আড়াই হাজার বছর ধরে শীত। এরকম আবহাওয়ায় গাছপালা, পশুপাখির চেহারা, স্বভাবচরিত্র কেমন হবে, তার বিস্তারিত যুক্তিপূর্ণ বিবরণ তুলে ধরেছেন অ্যালডিস। অ্যালডিসের গ্রহটির আবার দুটি সূর্য। একটি ছোট সূর্যকে ঘিরে ঘোরে হেলিকনিয়া। আর সেই ছোট সূর্যটি আবার হেলিকনিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ৫ হাজার বছরে প্রদক্ষিণ করে আরেকটি বড় নক্ষত্র। (সম্পূর্ণ…)


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com