আর্টস ই-বুক

চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায়ের ‘উদভ্রান্ত প্রেম (১৮৭৫)’

| ৩১ মে ২০১১ ১১:০৪ অপরাহ্ন

উদভ্রান্ত প্রেম

উদভ্রান্ত প্রেম

প্রথম প্রকাশ: ১৮৭৫

চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায়

(১৮৪৯ ১৯২২)

চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখন আর সহজলভ্য নয়। তাঁর পিতা-মাতা, নিবাস বা পেশা সম্পর্কে তথ্যাদি অপর্যাপ্ত। কিন্তু এটুকু জানা যায় যে, তিনি বঙ্গদর্শন-এর নিয়মিত লেখক ছিলেন।

বঙ্গদর্শন অন্তত তিন জনের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়, দুটি পর্বে। দুই পর্বে বলা হলো মাঝখানে বিরতির কারণে। প্রথম পর্বের সম্পাদক ছিলেন ক্রমান্বয়ে সঞ্জীবচন্দ্র ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আর বঙ্গদর্শন নবপর্যায়ের সম্পাদক ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায় বঙ্গদর্শনের দুটি পর্বেই নিয়মিত লেখক ছিলেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনাকালে বঙ্কিমযুগের অনেক লেখক বেঁচে থাকলেও চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায় ও শ্রীশচন্দ্র মজুমদার ছাড়া আর কাউকে এ পর্যায়ের লেখক হিসেবে পাওয়া যায় না; রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই দুজনকে গ্রহণ করেছিলেন অথবা অন্যরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে তাদের সম্পাদক হিসাবে গ্রহণ করেননি।
(সম্পূর্ণ…)

হেমিংওয়ে: নতুন করে বিতর্কে

ফখরুজ্জামান চৌধুরী | ২৬ মে ২০১১ ১১:৫৪ অপরাহ্ন

বিশ শতকের অন্যতম সেরা এবং আলোচিত মার্কিন ঔপন্যাসিক, গল্পকার আর্নেস্ট হেমিংওয়েকে ঘিরে নানা রকম কল্পকাহিনী শোনা যেতো তার জীবদ্দশায়। ধনতান্ত্রিক দেশের লেখক হয়েও তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন প্রতিবেশি দেশ কিউবায়, যার শাসন ব্যবস্থা ছিলো পুরো দস্তুর সমাজতান্ত্রিক; তার দেশের চক্ষুশুল!

কিউবাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বরাবর জেনে এসেছে বিষফোঁড়া হিসেবে। ক্ষমতাদর্পী মার্কিন প্রশাসন বারবার সুযোগ খুঁজেছে যে কোনো ছলচাতুরিতে কিউবার ওপর হামলা চালাতে। যখন সোভিয়েত রাশিয়া ছিলো বিশ্বের দ্বিতীয় মহাশক্তি, কিউবা তার সমর্থন পেয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য প্রায়শঃই বিরক্তি ও ক্ষোভের কারণ হয়েছে।

hemingway_fidel.jpg………
আর্নেস্ট হেমিংওয়ে এবং ফিদেল ক্যাস্ট্রো
………

এহেন বিশ্বরাজনীতির রেষারেষির মধ্যেও আর্নেস্ট হেমিংওয়ে আনন্দ খুঁজে পেতেন কিউবার সমুদ্র সৈকতে মাছ শিকার করে, তৎকালীন কিউবার প্রেসিডেন্ট ফিডেল ক্যাস্ট্রোর সখ্য লাভ করে। দুই বন্ধু নাকি অবসর সময়ে কিউবার জাতীয় ‘এলকোহলিক পানীয় রম‘ খেতে খেতে বিশ্ব রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করতে আনন্দ পেতেন।
(সম্পূর্ণ…)

নজরুল প্রতিভা

বাবু রহমান | ২৫ মে ২০১১ ১:৪৬ পূর্বাহ্ন

কাজী নজরুল ইসলামের সৌভাগ্য, তিনি যখন কর্মে মগ্ন তখন তিনি খ্যাতির শীর্ষে। আর যখন বাকরুদ্ধ হলেন- তখন প্রচারের বাইরে; এক সময় তা অন্ধবিবরে। কবির জীবিত অবস্থায় দিল্লী থেকে ১৯৩৮ সালে আখতার হোসেন রায়পুরী’র অনুবাদে ‘পীয়াম-ই-শাহাব’ শীর্ষক উর্দু ভাষায় নজরুল কাব্য প্রকাশিত হয়েছে। জানা যায়, ছান্দসিক আব্দুল কাদির (১৯০৬-১৯৮৪) তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী রচনা করেছেন কবির জীবদ্দশায়।


ইউটিউব থেকে: নজরুল ইসলামের ভিডিও ফুটেজের সাথে ফিরোজা বেগমের গাওয়া নজরুলের গান

নজরুল চর্চার অন্ধকার যুগে–১৯৪৯ সালে, মহামানব কাজী আব্দুল ওদুদের (১৮৯৪-১৯৭০) কোলকাতার বর্মণ পাবলিশিং থেকে ‘নজরুল প্রতিভা’ নামে মূল্যায়নমূলক একটি চটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। ১৯৫৩ সালে শিবপ্রসন্ন লাহিড়ী রচিত ‘নজরুল সাহিত্যের ভূমিকা’ নামে ‘পাকিস্তান বুক স্টল’ থেকে আর একটি গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছিল। দীর্ঘদিন দুষ্প্রাপ্যের খাতায় নাম রেখে নজরুল জন্মশতবর্ষে নজরুল ইন্সটিটিউট থেকে এর ২য় সংস্করণ হয়। ১৯৬২ সালে শহীদ আমীর হোসেন চৌধুরী রচিত নজরুল কাব্যে রাজনীতি গ্রন্থটি বহুকাল পর ‘আন্তর্জাতিক নজরুল ফোরাম’ থেকে বের হয়।
(সম্পূর্ণ…)

আর্টস বৈঠক

মেহেরজান বিতর্ক (কিস্তি ৬)

| ১৯ মে ২০১১ ২:০১ অপরাহ্ন

কিস্তি ১-এর লিংক কিস্তি ২-এর লিংক কিস্তি ৩-এর লিংক কিস্তি ৪-এর লিংক কিস্তি ৫-এর লিংক

কিস্তি ৫-এর পর
————-

ফৌজিয়া খান: আচ্ছা, আমি একটু আরেকটা প্রসঙ্গে বলতে চাচ্ছিলাম যে, এখানে ফিমেল সেক্সুয়ালিটি, ডেপিকশন বা ডিজায়ারের ডেপিকশন বলা হচ্ছে। আমার পুরো ছবিটা দেখে, রুবাইয়াত, আপনার (পিয়াস করিম) মতো আমার সামান্য একটু পরিচিত, বেশি ঘনিষ্ঠ বন্ধু না, তারপরও আমি বলব যে, দ্য ওয়ে-তে–ওম্যান আর পোর্ট্রেট হিয়ার, মানে, আমি কোনোভাবেই এটা বলতে পারি না যে, এখানে…বরং মেল গেইজ-ই মনে হয়েছে।


আর্টস বৈঠক: মেহেরজান বিতর্ক (কিস্তি ৬)

পিয়াস করিম: আমি আপনার সঙ্গে একমত এখানে।

ফৌজিয়া খান: সো, মানে এইটাকে–মানে, আমরা বেশি তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা করতে গিয়ে যেন আবার…

[সুমন রহমান: না, বেশি তাত্ত্বিক বলতে কি বুঝাইতেছেন?]

মানে, আমার কাছে মনে হয়েছে–যা সরলভাবে আমরা দেখতে পারি সেই দেখাটাকে আমরা একটু ফেস করার চেষ্টা করি।

পিয়াস করিম:‘সরল দেখা’ বলে কোনো দেখা নেই তো আসলে।
(সম্পূর্ণ…)

আর্টস ই-বুক

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা (১৯২৯)’

| ১৫ মে ২০১১ ১১:১১ অপরাহ্ন

লেখা ও প্রকাশের দিক থেকে শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দশম উপন্যাস। রবীন্দ্রনাথ এটি লেখেন ১৯২৮ সালে ব্যাঙ্গালোরে, স্বাস্থ্যোদ্ধারে থাকবার সময়ে। শেষের কবিতা প্রথম প্রকাশিত হয় প্রবাসী’তে, ধারাবাহিকভাবে ভাদ্র থেকে চৈত্র পর্যন্ত। প্রবাসী’র এই সংখ্যাগুলির অধিকাংশের কপি পাওয়া গেছে। প্রবাসী’র কার্তিক ১৩৩৫ সংখ্যায় দু’টি ছবি আছে শেষের কবিতা’র সাথে। এই দু’টি ছবিতে তিনটি চরিত্র দেখা যায়—যোগমায়া, অমিত আর লাবণ্য।

shesher-kabita-4.jpg

ভাদ্র ও আশ্বিন সংখ্যা পাওয়া যায়নি; পরবর্তি সংখ্যাগুলিতে আর কোন ছবি নেই। কী কারণে পরবর্তি সংখ্যাগুলিতে আর কোন ছবি রাখা হয়নি—সেটি জানা যায় না।

প্রবাসী’তে ধারাবাহিকভাবে শেষের কবিতা প্রকাশিত হবার পরে ইংরেজি ১৯২৯ সালে বই হিসাবে বের হয়। ১৯৪৬ সালে সম্ভবত প্রথম শেষের কবিতা ইংরেজিতে প্রকাশিত হয় Farewell, My Friend নামে। এটি অনুবাদ করেন কৃষ্ণা কৃপালানি (১৯০৭–১৯৯৩), প্রকাশিত হয় লন্ডন থেকে। আরো অন্তত দু’টি অনুবাদের কথা জানা যায়। একটি রাধা চক্রবর্তী’র অনুবাদে Farewell Song এবং অন্যটি হলো The Last Poem, এই অনুবাদটি আনন্দিতা মুখোপাধ্যায়ের।
(সম্পূর্ণ…)

রবীন্দ্রনাথের অমূল্য রচনা সম্বন্ধে আমাদের উপলব্ধি

খোসে পাজ্ রড্রিগেজ | ১৪ মে ২০১১ ১:০৮ অপরাহ্ন

আমি প্রথমবার রবীন্দ্রনাথের নাম শুনি গান্ধীর নামের সঙ্গে, করনা (পিন্যিয়র দে সেয়া-ঔরেন্সে) গ্রামের স্কুলে। এই গ্রামেই আমার জন্ম আর এই গ্রামের স্কুলেই আট বছর বয়সে আমার হাতে আসে দালমাও কার্লেস প্লা দে গিরোনার সম্পাদিত ‘‘তেরসের মানুসক্রিতো’’ বা তৃতীয় পাণ্ডুলিপি। কিন্তু তাঁর রচনা সম্বন্ধে সঠিক ধারণা হতে শুরু করে ১৯৬৬ থেকে, যখন আমি ঔরেন্সে হাইস্কুলে পড়াশোনা করেছি। ১৯৬১ সালে রবীন্দ্রনাথের জন্মশতবার্ষিকী সারা বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হয়েছিল।

gandhi_and_tagore_1920.jpg
মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী’র সাথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯২০

আর এই উপলক্ষে তাঁর বহু রচনার পুনর্মুদ্রণ হয়েছিল, কিছু রচনার অনুবাদও হয়েছিল। আমার প্রেমিকা, বর্তমানে আমার স্ত্রী আনা, বইয়ের প্রতি আমার ভালোবাসা জেনেই আমার জন্ম দিনে, ১৯৬৬ সালের মার্চে, আমাকে রবীন্দ্রনাথের তিনটি বইয়ের অনুবাদ উপহার দেন–প্রথম দুটি উপন্যাস, ‘‘গোরা’’ ও ‘‘নৌকাডুবি’’, তৃতীয়টি ‘‘জীবনস্মৃতি’’র অনুবাদ। এই তিনটি বই আমার আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়–বিশেষতঃ ‘‘নৌকাডুবি’’ উপন্যাসটি। এটি এখনও আমার কাছে আমার পড়া সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস এবং এটি আমি বাংলা থেকে পর্তুগীজে অনুবাদও—তেলো দ্য মাসকারেন্যিয়াসের করা–পড়েছি। এই অনুবাদটি আমার কাছে আরও বেশি আনন্দদায়ক কারণ গালিসীয় ও পর্তুগীজ একই ভাষা–কেবল এদের অ্যাকসেন্ট আলাদা। গালিসীয় আমার মাতৃভাষা—২০০৭ সালের মে মাসে ৯৬ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই গত হয়েছেন আমার মা আর তিনি শুধু এই ভাষাতেই কথা বলতেন।
(সম্পূর্ণ…)

আলাপচারিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

এইচ. এন. ব্রেইলসফোর্ডের সঙ্গে

সাহানা মৌসুমী | ১২ মে ২০১১ ১১:২১ অপরাহ্ন

at-the-san-diego-exposition-1917.jpg
১৯১৭ সালে আমেরিকার সান দিয়েগো এক্সপোজিশনে রবীন্দ্রনাথ

[হেনরি নোয়েল ব্রেইলসফোর্ডের জন্ম ইংল্যান্ডের ইয়র্কশায়ারে, ১৮৭৩ সালে; কিন্তু তিনি পড়ালেখা করেন স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গ ও গ্লাসগোতে, তাঁর পিতার কর্মক্ষেত্রে। গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যলয়ে গিলবার্ট ম্যুরে’র ছাত্র হিসাবে ক্লাসিক ও ইতিহাস পড়েন ব্রেইলসফোর্ড। পরে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগের স্বেচ্ছাসেবক প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন ১৮৯৫ সালে। ১৮৯৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে তিনি ফিলহেলেনিক লিজিয়ন-এ যোগ দেন। ফিলহেলেনিক লিজিয়ন হলো গ্রিকদের পক্ষে তুর্কিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে থাকা একটি স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী। এ সময় তিনি জেন এসডন ম্যালোচ-এর সাথে মিলে বিয়ে করেন। ১৯২১ সালে তাঁরা ডিভোর্স ছাড়াই স্থায়ীভাবে আলাদা হয়ে যান।

h-n-brailsfords-picture.jpeg……..
হেনরি নোয়েল ব্রেইলসফোর্ড (১৮৭৩–১৯৫৮)
………

ফিলহেলেনিক লিজিয়ন-এ থাকাকালে তিনি আহত হন। পরে তিনি ম্যানচেস্টার গার্ডিয়ান-এর রিপোর্টার হিসেবে ক্রিট, মেসিডোনিয়া ও বলকানে কাজ করেন। ১৯১২ সালে বলকান অঞ্চলে কাজ করার সুবাদে লেলিনসহ সোভিয়েত ইউনিয়নের বলশেভিকদের সাথে যোগাযোগ তৈরি হয়। তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের পক্ষের লোক ছিলেন, কিন্তু কখনো কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ছিলেন না। এছাড়া ভারতীয় জাতীয়তাবাদীদের সাথে তাঁর যোগাযোগ ছিল এবং ১৯৪৬ সালে ভারতে আসেন তিনি। এ সময় ব্রেইলসফোর্ড মহাত্মা গান্ধীর সাক্ষাৎকার নেন। ১৯৫৮ সালে ব্রেইলসফোর্ড মারা যান।

রবীন্দ্রনাথের সাথে ব্রেইলসফোর্ডের এই আলাপচারিতার সুনির্দিষ্ট স্থান-কাল জানা যায়নি। এটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন সাহানা মৌসুমী।–বি.স.]

—————————————————

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: ইয়োরোপ আমার মনে মূল যে ছাপ ফেলেছে সেটা অস্থিরতা আর নিরানন্দের। সর্বত্র দ্বন্দ্ব আর সন্দেহ। আলসেসের কাস্টমস হাউসের ঘটনাটা তারই নজির। সেখানে মানুষকে পশুর পালের মতো খাঁচার ভেতর ঠেসে দিয়ে আটকে রাখা হয়। আগের বার যখন জার্মানিতে আসি, ডার্মস্টাডে একই ধরনের জাতীয় দ্বন্দ্ব আরো প্রকটভাবে আমার চোখে পড়ে। বোঝা যায়, জাতিগত ঘৃণা এই মহাদেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে আছে। ভিয়েনাতেও একই ঘটনা; একদিন শ্রমিকদের বিশাল মিছিল, তো পরের দিন মিছিল বিরোধীপক্ষের। বিরোধের কারণ বুঝতে পারিনি, কিন্তু এটুকু বুঝেছিলাম–এটা শ্রেণীযুদ্ধ। এই নিরানন্দ আর দ্বন্দ্ব সর্বত্র অনুভব করেছি।

germany-1930-rt.jpg
১৯৩০ সালে জার্মান যুবকদের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ।

এইচ. এন. ব্রেইলসফোর্ড: তাহলে আপনি কি এই জাতিগত ঘৃণা আর শ্রেণীযুদ্ধকে একই নৈতিক মাপকাঠিতে বিচার করবেন?

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: না, হতে পারে শ্রেণীযুদ্ধ প্রয়োজন। এক অর্থে সঠিকও। সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রতিবাদ। কিন্তু ভিয়েনায় এই ধরনের বহিঃপ্রকাশের ঘটনা সভ্যতার অসুখী আর উদ্বিগ্ন চেহারাটাকেই প্রকট করে তোলে। আমার আরো মনে হয়েছে—আপনাদের সভ্যতায় আপনারা আর সন্তুষ্ট নন। সর্বত্রই অভিযোগের সুর। কয়েক শতাব্দীর মধ্যে এই প্রথম নিজেদের আর চারপাশের জগৎ সম্পর্কে ইংরেজদের ক্ষুব্ধ হতে দেখা গেল। এটি নতুন এবং বিস্ময়কর। এ দেশে এর আগে এরকম কখনো ঘটেনি। আপনাদের পুরনো আত্মতুষ্টি এখন আর নেই। (সম্পূর্ণ…)

দুর্লভ ভিডিও ফুটেজ

ব্রুকলিনে রবীন্দ্রনাথ

এস এম রেজাউল করিম | ১২ মে ২০১১ ১:৩৩ অপরাহ্ন


নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিনে রবীন্দ্রনাথ, ৯ অক্টোবর ১৯৩০

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি ভিডিও পাওয়া গেছে। উৎস সূত্রে জানা যায়, ৯ অক্টোবর ১৯৩০ নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গিয়েছিলেন। আরো বলা আছে, ১৯২০ সালের পরে এটি তাঁর প্রথম সফর। অন্য সূত্রে জানা যায়, রবীন্দ্রনাথ ১৯২০ সালের ২৪ অক্টোবর নিউ ইয়র্ক পৌঁছান এবং ১০ নভেম্বর ব্রুকলিনে বক্তৃতা দেন; বক্তৃতার বিষয় ছিল–‘পূর্ব পশ্চিমের সাক্ষাৎ (The Meeting of the East and the West)’। রবীন্দ্রনাথ ভারত থেকে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স ঘুরে নিউ ইয়র্ক যান। এই যাত্রাটি ছিল বিশ্বভারতী’র জন্য ফান্ড সংগ্রহের যাত্রা; যাত্রাকালে বিভিন্ন জায়গায় বক্তৃতা দিয়ে তিনি ফান্ড জোগার করেন। (সম্পূর্ণ…)

রবীন্দ্রনাথের দুর্লভ ভিডিও ফুটেজ

ফ্রান্সে রবীন্দ্রনাথ

এস এম রেজাউল করিম | ৯ মে ২০১১ ৩:৫৩ অপরাহ্ন

১৯০৯ থেকে ১৯৩১ সাল পর্যন্ত ফরাসি ব্যাংকার আলবার্ট কান (১৮৬০–১৯৪০) ‘আর্কাইভস্ অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করেন। ব্যয়বহুল এই প্রকল্পে ফটোগ্রাফার এবং সিনেমাটোগ্রাফার নিয়োগ করেন আলবার্ট কান। এই প্রকল্পে তিনি সারা বিশ্বকে ক্যামেরা দিয়ে রেকর্ড করার পরিকল্পনা নেন। ফ্রান্সের Boulogne-Billancourt-এ একটি বাগান তৈরি করে সেখানে রাখেন বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রধান প্রধান স্মারক চিহ্ন আর গাছপালা। একই সাথে তৈরি করেন একটি স্টুডিও।

১৯০৯ থেকে ১৯৩১ সাল পর্যন্ত আলবার্ট কান ২৩ জন নোবেল বিজয়ীসহ বিশ্বের প্রায় ৪০০০ অর্থনীতিবিদ, বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক, আর্টিস্টকে তাঁর বাগানে আমন্ত্রণ করেন এবং তাঁর নিযুক্ত এই ফটোগ্রাফার এবং সিনেমাটোগ্রাফাররা এই বিশ্বখ্যাত অতিথিদের নিয়ে ফটোগ্রাফি ও চলচ্চিত্রে ডকুমেন্টারি তৈরি করেন। নিউইয়র্ক টাইমসে JACQUELINE McGRATH-এর প্রবন্ধে এই প্রকল্প ও আলবার্ট কান বিষয়ে লিখেছেন, ”তিনি (আলবার্ট কান) বিশ্বাস করতেন–অর্থনীতি, বিজ্ঞান ও শিল্প-সাহিত্যের বিশ্বনেতারা বিশ্বের সাংস্কৃতিক দেয়ালগুলো ভেঙে দেবার ক্ষমতা রাখেন।”

আলবার্ট কানের আমন্ত্রণে ফ্রান্সে রবীন্দ্রনাথ (১৯২১ ও ৩০)

১৯২১ এবং ১৯৩০ সালে দুই দফায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আলবার্ট কানের আমন্ত্রণে ও আতিথ্যে ফ্রান্সে থাকেন। আলবার্ট কানের স্টুডিও, বাগান ও কেপ মার্টিন-এ স্টিল এবং ভিডিও ক্যামেরায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ধারণ করেন কান নিয়োজিত ফটোগ্রাফার ও সিনেমাটোগ্রাফার। ৪ মিনিট ২৭ সেকেন্ডের ভিডিওতে ৯ বছর আগে পরের সাল দেয়া আছে। ভিডিওর প্রথম অংশ ১৯২১ সালে ধারণ করা আর দ্বিতীয় অংশ ১৯৩০ সালে। (সম্পূর্ণ…)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মের দেড়শ বছর

রবীন্দ্রনাথের গল্প নিয়ে এ সময়ের গল্পকাররা

প্রমা সঞ্চিতা অত্রি | ৯ মে ২০১১ ৩:২৩ অপরাহ্ন
[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর ৭০ বছর পরে তাঁর ছোটগল্প নিয়ে কী ভাবছেন এখনকার গল্পলেখকরা? এ সময়ের লেখকদের কাছে রবীন্দ্রনাথের
arts_rabi1.jpgগল্প নিয়ে কিছু প্রশ্ন রাখা হয়। রবীন্দ্রনাথের পরে বাংলা গল্পে কী কী বদল ঘটেছে, রবীন্দ্রগল্পের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য কোনগুলি, রবীন্দ্রনাথের গল্প দিয়ে তিনি কতটা প্রভাবিত বা আদৌ প্রভাবিত কিনা বা তা কোন বৈশিষ্ট্যে আলাদা এবং তাদের প্রিয় রবীন্দ্র ছোটগল্প কোনগুলি–এ বিষয়ে তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়। দেখা গেছে, নিজের গল্পে রবীন্দ্রপ্রভাব নিয়ে বলতে গিয়ে গল্পকাররা একেকজন একেক রকম মত প্রকাশ করেছেন। কেউ যেমন নিজের লেখাতে অনেকাংশেই রবীন্দ্রনাথের ছায়া দেখতে পান, তেমনি অনেকেই আবার তাদের লেখায় রবীন্দ্র প্রভাব একেবারে নেই বলেই মনে করেন।
বি. স]

——————————————————-

শফিক রেহমান

shafik-rehman2-11111934.jpg(জন্ম: ১১ নভেম্বর ১৯৩৪)

রবি ঠাকুরের পরে আমাদের দুই বাংলাতেই অনেক ভাল গল্প লেখকের আর্বিভাব ঘটেছে বলে আমি মনে করি। আমার মনে হয় ঔপন্যাসিকের চাইতে গল্পকারই বেশি এসেছে আমাদের বাংলা সাহিত্যে। অনেক ভাল ভাল গল্পকার যেমন, সুবোধ ঘোষ, রমাপদ চৌধুরী, বারীন্দ্রনাথ দাস—যাঁর নাম হয়তো সবাই জানেন না, এরকম আরও অনেকেই আছেন। তারপর আরও আছে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়–যাঁরা একাধারে ঔপন্যাসিকও বটে।

যেহেতু আমাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে তাই আমি বলছি আমি হয়ত বর্তমান রাজনৈতিক ঘটনার উপরেই বেশি লিখেছি, সেটাই আমাকে বেশি চিন্তিত করে।… হয়ত রবিঠাকুরের সময়ে, তাঁর লেখাতে রাজনীতি অতটা ইম্পর্টেন্ট হয়তো ছিল না। যদিও তার কিছু কিছু লেখায় রাজনীতি এসেছে কিন্তু সেটা তুলনামূলকভাবে কম।

তবে একটা জিনিস আমার কাছে যেটা মনে হয় যে, বাংলাদেশে ছোটগল্পটা ঠিক সেইভাবে হয় নি। এটার জন্য আমি চেষ্টা করেছি। (সম্পূর্ণ…)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মের দেড়শ বছর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ফটো

| ৮ মে ২০১১ ১২:৪০ পূর্বাহ্ন

(সম্পূর্ণ…)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মের দেড়শ বছর

রক্তমাংসের রবীন্দ্রনাথ

রাজু আলাউদ্দিন | ৭ মে ২০১১ ১১:৫৫ অপরাহ্ন

rtvo2.jpg
………
১৯০৯ সালে প্যারিসে ড্রাই পয়েন্ট এচিংয়ে বিক্তোরিয়া ওকাম্পো, শিল্পী Paul César Helleu.
………
পৃথিবীর পাঁচটি মহাদেশের বহু দেশ ভ্রমণ করেছেন রবীন্দ্রনাথ। সম্ভবত আর কোনো বাঙালি লেখক নেই যিনি এত দেশ ভ্রমণ করেছেন। কিন্তু যে দেশটি প্রেমের প্রশ্নে তাঁর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে আছে তা নিঃসন্দেহে আর্হেন্তিনা। ৬ নভেম্বর ১৯২৪ সালে তিনি বুয়েনোস আইরেসে পৌঁছান। পরের বছর অর্থাৎ ২৫ সালের ৩ জানুয়ারি বুয়েনোস আইরেস ত্যাগ করেন। প্রায় দু’মাস তিনি সেখানে কাটিয়েছেন। এত দীর্ঘ সময়, কেবল ভ্রমণে বেরিয়ে, একক কোনো শহরে, আগে বা পরে, আর কোথাও তিনি কাটাননি। (সম্পূর্ণ…)

পরের পাতা »

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com