আশিতম জন্মদিনে লতা মঙ্গেশকরকে শুভেচ্ছা

“এক চাঁদ, এক সূর্য আর একটাই লতা”

আশীষ চক্রবর্ত্তী | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ৮:১৬ অপরাহ্ন

lata10.jpg
লতা দীনানাথ মঙ্গেশকর (জন্ম. ইন্দোর, মহারাষ্ট্র, ভারত ২৮/৯/১৯২৯)

জীবনযুদ্ধে জয়ী মানুষ হিসেবে শুধু তাঁর নাম বলে থেমে গেলেও ভুল হবে না। এর চেয়ে বড় প্রতিকূলতাকে জয় করে, এর চেয়ে বেশি সফল হওয়া তো আর কারো পক্ষে সম্ভব নয়! আজকের এই অবস্থানে আসতে কী অসম্ভবকেই না সম্ভব করেছেন লতা মঙ্গেশকর।

বাবা দীনানাথ মঙ্গেশকর ছিলেন শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী এবং মঞ্চ অভিনেতা। নাটকের গ্রুপ ছিল তাঁর। স্ত্রী সুধামতি, চার মেয়ে লতা, মীনা, আশা, উষা আর
—————————————————————–
লতা নিজেও রেডিয়োতে খুব মন দিয়ে শুনতেন সায়গলের গান। বড় সাধ ছিল, একদিন বড় শিল্পী হবেন, সায়গলের পাশে দাঁড়িয়ে ডুয়েট গাইবেন। তো নিজের আয়ে প্রথম রেডিয়োটা কিনলেন লতা। চালিয়ে দিয়ে ভাবছেন বহুদিন পর একটু শান্তিতে বসে সায়গলজীর গান শুনবেন। একটু পরেই শুরু হলো খবর। প্রথম খবর—কুন্দন লাল সায়গল আর বেঁচে নেই! সেই কষ্ট সইতে পারেননি লতা। কাঁদতে কাঁদতে ‘অপয়া’ রেডিয়োটাকে ফিরিয়ে দিয়ে এসেছিলেন দোকানে।
—————————————————————-
একমাত্র ছেলে হৃদয়নাথকে নিয়ে তাঁর সুখের সংসার। কিন্তু ১৯৩৪ সালে ভারতের প্রথম টকি আলম আরা মুক্তি পাওয়ার পর তার প্রতিক্রিয়া এত ভয়াবহ হলো যে ‘বলওয়ানত মানডাল’ বন্ধ করতে বাধ্য হলেন দীনানাথ। হঠাৎ এক রকম বেকার হয়ে পড়ায় মানসিকভাবেও ভেঙে পড়লেন। হতাশা ভুলতে ডুবলেন মদ্যপানে। তাতে কি আর সুদিন ফেরে! সন্তানদের বড় বেশি ভালবাসতেন। নাটকের দল নিয়ে আজ এখানে, কাল ওখানে ঘুরে বেড়াতে হতো বলে তাদের লেখাপড়া খুব ভালো করে শেখাতে পারছিলেন না। তবে গান শিখিয়েছিলেন সমস্ত আন্তরিকতা ঢেলে। বিশেষ করে বড় মেয়ে লতাকে তো তালিম দিয়েছিলেন খুব যত্ন করে। মেয়েটাকে ভালোও বাসতেন খুব। ওর নাম রাখার সময় যে কত কাণ্ড হলো! দীনানাথ নিজে ছিলেন শৌখিন জ্যোতিষী। তাই জন্মের মুহূর্তের কত কী হিসেব কষে টষে প্রথমে নাম রাখা হলো হেমা। কিন্তু নিয়ম মেনে রাখলেও ওই নাম তাঁর নিজেরই বোধহয় খুব একটা পছন্দ হতো না। তাই আদর করে সবসময় ডাকতেন, ‘হৃদিয়া’। পরে অবশ্য হেমা বা হৃদিয়া—কোনো নামই টেকেনি। পরিবারের অন্যদের মুখে মুখে কেন যেন ফিরতে লাগলো লতা নামটা, এক সময় পরিবারের বড় মেয়ের নামই হয়ে গেল লতা মঙ্গেশকার।

lata_mangeshkar_asha_bhonsl.jpg…….
আশা ভোসলের সঙ্গে
…….
তো ১৯৩৪ থেকে হতাশা সইতে সইতে, শরীরের ওপর অত্যাচার করতে করতে দীনানাথ অবশেষে ১৯৪২ সালে সব হতাশা থেকে চিরমুক্তি পেলেন—মারা গেলেন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে। বাবার মৃত্যুতে সমস্ত পরিবারের দায়িত্ব এসে পড়লো লতার কাঁধে।

বয়স তখন মাত্র ১২। এ বয়সে কী করা যায়! গান ছাড়া তেমন কিছু জানাও নেই। আর শুধু গান দিয়ে খুব ভালো কিছু করারও জো নেই, কণ্ঠ তো তখন একেবারেই কচি, ফিল্ম বা অন্য কোথাও তা খুব বেশি কাজে আসবে না। বাধ্য হয়েই লতা নামলো অভিনয়ে। শুরুটা মারাঠি ছবি দিয়ে। বাবার মৃত্যুর অষ্টম দিনেই মেকআপ নিয়ে কিশোরীটিকে যেতে হলো ‘প্যাহলি মঙ্গলাগাওর’ ছবির শুটিংয়ে। মুম্বাই চলচ্চিত্রের এক সময়ের নামকরা অভিনেত্রী নন্দার বাবা ভিনায়েক রাও-এর এ ছবিতে অবশ্য গানও গাইতে হয়েছে তাকে। (সম্পূর্ণ…)

শাহাবুদ্দিনের একক চিত্রপ্রদর্শনী, ২০০৯

| ২১ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ১১:৪০ পূর্বাহ্ন

10-horse-a.jpg
ঘোড়া, ক্যানভাসে তেলরঙ, ৮১ x ১৪২ সেমি, ২০০৯

ধানমণ্ডির গ্যালারী চিত্রক-এ (রাস্তা ৪, বাড়ি ২১) ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯ থেকে শুরু হয়েছে শিল্পী শাহাবুদ্দিনের একক চিত্রপ্রদর্শনী। এটি শিল্পীর ২৭তম একক প্রদর্শনী। এর আগে দেশে ১৯৯৫ ও ১৯৯৭ সালে শিল্পাঙ্গন কনটেম্পরারি আর্ট গ্যালারিতে শিল্পীর দুটি একক প্রদর্শনী হয়েছিল। এবারের প্রদর্শনীর উদ্ধোধন করেন বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রী একে খন্দকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন আমিনুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন শিল্পী জয়নুলের সহধর্মীনী জাহানারা আবেদীন।

shahabuddin-ahmed.jpg…….
শাহাবুদ্দিন,জন্ম. ঢাকা ১৯৫০
…….
শাহাবুদ্দিন ১৯৭১ সালে আর্ট কলেজে থাকাকালীন মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৭৪ সাল থেকে প্যারিসে প্রবাস করছেন।শিল্পীর ‘Shahabuddin 2009’ নামের এ প্রদর্শনী চলবে ৯ অক্টোবর ২০০৯ পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পযর্ন্ত। গ্যালারী চিত্রকের সৌজন্যে প্রদর্শনীর ২৬টি ছবি আর্টস-এর ওয়েব গ্যালারিতে উপস্থাপিত হলো। প্রদর্শনী শেষ হওয়ার পরেও আর্টস আকাইভে আগ্রহী দর্শক প্রদর্শনীটি দেখতে পাবেন।

20-freedom-fighter.jpg
মুক্তিযোদ্ধা, ক্যানভাসে তেলরঙ, ৪৩ x ২৫৯ সেমি, ২০০৯

চিত্রপ্রদর্শনী উপলক্ষে প্রকাশিত ছবিপুস্তিকায় শিল্প-সমালোচক অধ্যাপক নিসার হোসেন শাহাবুদ্দিন সম্পর্কে যা লিখেছেন তা নিচে যুক্ত হলো: (সম্পূর্ণ…)

ভ্রম অথবা ভ্রমণ বিষয়ক গল্প

ইফফাত আরেফীন তন্বী | ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ৭:৩৮ অপরাহ্ন

রিকশার পিছনের পর্দাটা তুলে টুক করে দেখে নেয় সুজলপুরের শেষ ব্রীজটা। ব্রীজের গোড়ায় এক বিশাল পাইন গাছ, পাইন গাছের কথা বিদেশী গল্প উপন্যাসে পড়েছে। ছোটবেলায় ভাবতো পাইন বুঝি কোনো ফল। চীন দেশের ছবিতে আঁকা রূপকথার বইতে একবার দেখেছিলো সাদা রঙের ফল। শাড়িতে গোলাপী পাড়ের মতো শেড দেওয়া সেই ফলে। সেই গাছে গল্পের বাঁদর গুলো ঝুলছিলো। ওই বয়সে বাঁদরের বাঁদরামীতে যেমন মোহিত হয়েছিলো তেমনি গোলাপীপেড়ে সাদা ফলেও চমৎকৃত হয়েছিলো। ফলের কি নাম লেখা হয়েছিলো ওই বইয়ে? না বোধ হয়। লেখা হয়নি বলেই সে মনে মনে নাম দিয়েছিলো পাইন। অথচ কী আশ্চর্য পাইনের ফলই হয় না! এবং মুহিব জানালো পাইন কাঠই নাকি কেরোসিন কাঠ।

পাইন কাঠই কেরোসিন কাঠ শোনার পর বুকের গভীর থেকে দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এসেছিলো। দীর্ঘশ্বাস এমন একটি কমন বিষয়! কত কারণেই না বের হয়। দাদি মেঝকার মৃত্যুর কথা মনে হলে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে, সামু গোপনে বিয়ে করেছিলো তিমিরকে—গোপনে বিয়ে গোপনেই তালাক—কেউ জানে না। সেদিন দুপুরে বারিস্তায় কফি খেতে খেতে বলছিলো, “জানিস জাসিফের একটা হাত আমাকে জড়িয়ে ওর নাক আমার ডান বাহুতে ডোবানো মানে আমি চিৎ হয়ে শুয়ে আর ও কাত হয়ে আমার দিকে ফিরে…।”

তবু কেন যেন তিমিরের কথা ভেবে এত ফাঁকা মনে হলো সব কিছু! ও প্রশ্ন করেছিলো, “কেঁদেছিলি বুঝি খুব সামু?” (সম্পূর্ণ…)

শাহ আবদুল করিমের জীবনসঙ্গীত

সাইমন জাকারিয়া | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ১১:০০ পূর্বাহ্ন

sak.jpg
শাহ আবদুল করিম (সুনামগঞ্জ ১৫/২/১৯১৬ – সিলেট ১২/১০/২০০৯)

প্রসঙ্গকথা
১২ সেপ্টেম্বর ২০০৯ সকাল ৭ টা ৫৮ মিনিটে দেহ রেখেছেন বাংলাদেশের সুবিখ্যাত সঙ্গীতকার সাধক শিরোমনি শাহ আবদুল করিম। তিনি ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে বৃহত্তর সিলেট জেলার সুনামগঞ্জের দিরাই থানার উজানধল গ্রামে তার জন্ম গ্রহণ করেন। সঙ্গীতজীবনের প্রথম দিকে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের গ্রামে গ্রামে মালজোড়া গান গেয়ে ফিরতেন। জীবদ্দশায় রাষ্ট্রীয় পুরস্কার একুশে পদকসহ বহু পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছিলেন। তাঁর গান গ্রামের সাধারণ থেকে শুরু করে শহুরে আধুনিক ও সাম্প্রতিক সঙ্গীতধারা ব্যান্ডসঙ্গীতের শিল্পীদেরও আকৃষ্ট করেছে এবং বহু শিল্পী তাঁর গান গেয়ে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন। বহু জনপ্রিয় গানের বাণীর এই মহান রচক ও সুরস্রষ্টা শাহ আবদুল করিম-এর জীবন, সঙ্গীত ও সময় নিয়ে গত বছর আমি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা শাকুর মজিদ-এর জন্য একটি প্রামাণ্যচিত্রের পাণ্ডুলিপি তৈরি করি (উল্লেখ্য, তার আগেই তিনি ভাটির পুরুষ নমে একটি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন)। কিন্তু বিভিন্ন কারণে আমার সেই পাণ্ডুলিপিটি আজও চিত্রভাষ্য অর্জন করতে পারেনি। শাহ আবদুল করিমের দেহগত অনুপস্থিতির সুযোগে আমার পাণ্ডুলিপিটির প্রয়োজনীয় অংশের বর্ণনা (ধারাভাষ্য), সাক্ষাৎকার, গান ইত্যাদি পাঠকের সামনে উপস্থাপন করা হলো।

ভাটির পুরুষের সূচনাকথা

দক্ষিণ এশিয়ার একটি নদীমাতৃক রাষ্ট্র বাংলাদেশ। বিশাল সমুদ্র উপকূলবর্তী এদেশের মানুষ প্রাণশক্তিতে ভরপুর। তাঁরা নিজের দেশকে ধানের দেশ গানের দেশ ভেবেই আনন্দ খুঁজে ফেরে। তাঁদের গানপাগল কর্মনিষ্ঠ প্রাণশক্তির কাছে বারবার পরাস্ত হয় নানাবিধ প্রাকৃতিক বিপর্যয় বন্যা-খরা-ঝড়-জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদি, এমনকি বিচিত্র রাজনৈতিক সঙ্কটকেও তারা অতিক্রম করে যায় গানের বাণী ও সুরে। ব্যক্তিগত জীবনের প্রেম-বিরহ ইত্যাদি মানবিক জীবনাচারকে তারা মিশিয়ে দিতে জানে ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির পৌরাণিক চরিত্রের মানবীয় লীলার সঙ্গে।
—————————————————————–
নিজের এলাকার সাধক রাধারমণের গানের সঙ্গে নিজের গানের মিল-অমিল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শাহ আবদুল করিম বলেছিলেন, রাধারমণের গানের সাথে আমার গানের বেশ মিল আছে। ছোট বেলা থেকে তার গান শুনে আসছি। তাঁর অনেক তত্ত্ব গান আছে, যা হিন্দু মুসলমান সবাই পছন্দ করে। তবে, খুব গভীর তত্ত্ব নাই। তাঁর গানের মধ্যে রাধা-কৃষ্ণের ভাবধারার গান বেশি। আর আমি দেহতত্ত্বকে বেশি ভালোবেসেছি। দেহের মাঝেই সবকিছু আছে।
—————————————————————-
আকাশ, মাটি, আলো, হাওয়া, জল সর্বোপরি প্রকৃতির আবেগ নিয়ে এদেশের মানুষ প্রায় দুই হাজার বছর ধরে বাংলা গানের যে ঐতিহ্য প্রবহমাণ রেখেছিলেন তাঁদেরই একজন মহৎ হলেন ভাবসাধক শাহ আবদুল করিম। ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে বৃহত্তর সিলেট জেলার সুনামগঞ্জের দিরাই থানার উজানধল গ্রামে তার জন্ম।

তিনি শুধু নিজেই গান লেখেননি তাঁর জীবদ্দশাতে তাঁকে নিয়েও রচিত হয়েছে গান:

“যুগের বাউল আব্দুল করিম
জন্ম নিলেন উজানধল।
তোমার গানে কতজন পাগল…॥”

বৃহত্তর সিলেট জেলার অনেক শিল্পীই সুগভীর ভক্তিতে নিত্যই তাঁর নামে এ ধরনের বন্দনা গেয়ে ফেরেন। (সম্পূর্ণ…)

রাঙামাটি (একটি ভ্রমণ কাহিনি)

ইমরুল হাসান | ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ৪:২০ পূর্বাহ্ন


ভ্রমণ বিষয়ে
১.
ভ্রমণের চোখজোড়া ব্যস্ত
কর্দমাক্ত ও ঘোলাটে
যেন সবকিছুই নতুন অথবা
হুবহু অতীতেরই মতো
এই বিভ্রম, পরিক্রমা
ধামাচাপা চেষ্টা হৃদয় আবেগ
হীনম্মন্যতা ও ব্যক্তি-বোধকে ঘিরে
এইসব অবয়ব: স্থির-চিত্র, বধিরের

২.
স্থান বিষয়ে, বিষয় সংশ্লিষ্টতায় বলার ইচ্ছা যখন আসে তখন এই বিষয়ের প্রেক্ষিতে বর্ণনাসম্ভব সেলফ জেগে ওঠে বা তাকে করা যায় না বিশ্লিষ্ট আর, বিষয় প্রেক্ষিত থেকে সে বারবার সরে আসে ব্যক্তি দ্বন্দ্বে, বক্তিকেন্দ্রিকতায়, সাবজেক্টিভ সেইসব প্রয়াণ, বিষয়ের লেপ্টালেপ্টি এইসব হৃদয়দৌবল্য, স্থানের; আর স্থান যা হয়ে ওঠে মার্জিনাল, প্রান্তিকতা সবসময়, উৎস খুঁজে বেড়ায়, খুঁজে বেড়ায় ব্যক্তি আকার, সংশ্লিষ্টতার

স্থানের পরিপার্শ্ব ঘিরেই ঘুরপাক খায় সময়। আর সময়ের ডানা ধরেই আটকে থাকতে চায় স্থান। স্থান ঘুরে সময় থেকে সময়ে। সময়ের গোলকের ভিতর এক একটা স্থান। স্থানের নির্দিষ্ট রূপ কোন কি নাই? অ-পার স্মৃতিচিহ্নে, মনে পড়ায়, আটকে থাকায়, ভুলে যাওয়ায়? একইসাথে অশূন্য এবং নিরাকার স্থানচিহ্নের বন্দর ছড়াইতে থাকলো… সময় কী একাকার? একটা সরলরেখা? পাঁকচক্র? সেইটারও প্রচেষ্টা থাকে দৃশ্যকল্পে, কিংবা চোখ ধার করে আর দেখতেই থাকে, পুনরাবৃত্তি করে, যে একটা হয়ে ওঠা অসম্পূর্ণ হয়া আছে ও ছিল, তার অর্ধবৃত্তাকার, মিল ও অমিল

যে আছে, যে নাই, যে আসলে অনির্দিষ্টতা, যে বোধ সঞ্চার করে, দৃশ্যকল্প থেকে লোপাট করে কাঠামো, প্রবিষ্ট করে চেতনা, বেহুলার বাসরে সাপ, চিকন কালা, ভ্রম, সত্যনিবিষ্ট, দৃষ্টিগ্রাহ্যতা, অধঃপতিত বিহ্বলতার আকার, কল্পনা অভীপ্সার, হতোদম্য, আটকে থাকা . . .

তারে উদ্ধারে নেমেছে ডুবরীর সাঁতার। যতিচিহ্নের খেলা। আখ্যানমালার স্ফীতি, বর্ণনারূপ, ন্যারেটিভ এর ভিতর

বিপণীকেন্দ্র

পাহাড়ি মহিলাদের বিপণীকেন্দ্রে আমরা গিয়েছিলাম।
আমি, আমার বউ আর আমাদের মেয়ে।
তারা খুবই উৎসাহী, নানান পোশাক দেখায়।
আমরা হেঁটে হেঁটে ঘুরে ঘুরে সরল পোশাকগুলি দেখি
হ্যান্ডিক্রাফটস (উহাদের নাম)। (সম্পূর্ণ…)


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com