রাজস্থান এক্সপ্রেস

| ৩০ অক্টোবর ২০০৭ ৫:৩৭ অপরাহ্ন

ঢাকার ‘নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ফটোগ্রাফি ক্লাব’ তাদের সাম্প্রতিক ভারত ভ্রমণের ওপর একটি ফটোগ্রাফি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। প্রদর্শনীর নাম ‘রাজস্থান এক্সপ্রেস’।

ক্লাবের ২৭ সদস্যের একটি দল ১৫ দিনের জন্য ভারতের জয়পুর, পুষ্কর, যোধপুর, জয়সালমীর, ঘানেরাও এসব দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ করেন ও এসব এলাকার ছবি তোলেন। তা থেকে বাছাই করা ৫০টি ছবির প্রদর্শন চলছে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির মোনামী টাওয়ারে (বাড়ি নং ১১, রোড নং ১৭, বনানী)। ২৮ অক্টোবর শুরু হওয়া এ প্রদর্শনী চলবে ১ নভেম্বর পর্যন্ত। সবার জন্য উন্মুক্ত এ প্রদর্শনীটির সময় প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা।

এনএসইউ ফটোগ্রাফি ক্লাবের সৌজন্যে আর্টস-এর ওয়েব গ্যালারিতে প্রদর্শনীর ১৮টি ছবির স্লাইড শো দেখা যাচ্ছে। প্রদর্শনী শেষ হওয়ার পরও আগ্রহীরা আর্টস-এর আর্কাইভে ছবিগুলি দেখতে পাবেন।

free counters

শিক্ষক হুমায়ুন আজাদ, যখন আমি তাঁর ছাত্র

চঞ্চল আশরাফ | ২৫ অক্টোবর ২০০৭ ১১:৩২ অপরাহ্ন

হমায়ুন আজাদের সঙ্গে লেখক, ১৯৯২

১৯৮৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হই আমি। আর হুমায়ুন আজাদের সঙ্গে আমার প্রথম সাক্ষাৎ ঘটে ১৯৮৯ সালে। এর আগে, তাঁকে লক্ষ করেছি বাংলা বিভাগের সামনে, করিডোরে, লেকচার থিয়েটার বিল্ডিং থেকে বের হয়ে কলা ভবনের দিকে, বা, কলা ভবনের পশ্চিম দিকের গেট দিয়ে বের হয়ে দক্ষিণের পথটা ধরে হেঁটে যেতে। তাঁর সম্পর্কে আমার অভিজ্ঞতা এসবের মধ্যেই ছিল সীমাবদ্ধ। কারণ তখনও তাঁর সরাসরি ছাত্র হইনি আমি। তো, সেই ঘটনাটার কথা বলি।

বাংলা বিভাগের করিডোরে দাঁড়িয়ে সিগারেট টানছিলাম। হুমায়ুন আজাদকে আসতে দেখে আমি সিগারেটটা ফেলে জুতা দিয়ে চেপে রাখলাম। উনি কাছে এসে জিগ্যেস করলেন, ‘তুমি কি বাংলা বিভাগের ছাত্র?’ বললাম, ‘হ্যাঁ’। ‘সবাই জ্বি বলে, তোমার কি হ্যাঁ বলার অভ্যাস? ভালো। কিন্তু সিগারেট ফেলে দিলে কেন?’ আমি চুপ। উনি বললেন, ‘নিশ্চয়ই বাবার টাকায় খাও। কিন্তু সিগারেট খাওয়ার সঙ্গে শ্রদ্ধার কোনও সম্পর্ক নেই, যেমন নেই পান খাওয়ার সঙ্গে। বুঝেছ?’ বলেই হাঁটা, ডিপার্টমেন্ট অফিসের দিকে। (সম্পূর্ণ…)

সেতু

বায়েজীদ মাহবুব | ২৫ অক্টোবর ২০০৭ ১১:২৭ অপরাহ্ন

bridge-1.jpg

মানুষ বানায় এত কম সেতু আর এত বেশি দেয়াল

সেতু সরলরেখা। তাকে সরল রাখা পুরকৌশল। সেতু সরলরৈখিক
সর্বদা। সেতু কুটিল নয়, লাগসই প্রয়োগহেতু। আহা

সেতুর ছাউনি নাই। তোমার আমার তাই
যোগাযোগে গোলযোগ। কেননা তোমার জানা,
সেতুর ছাউনি নাই। তোমার আমার তাই
যোগাযোগে তালগোল। কেননা…

এ প্রয়োগ্য অন্তঃপুরে, গাছে গাছে, টাওয়ারে টাওয়ারে, তবু

সেতুর ছাউনি নাই। তোমার আমার তাই
যোগাযোগে মনোযোগ। কেননা তোমার জানা,

এবং বাক্যাংশের কাছে এ সংযোজক অব্যয়, সন্ধিপ্রস্তাবে প্রেষণা জাগায়
কত ক্লজ রাজ্যজয়ে এসে দ্যোতিত ক্লাউন হয়ে ফিরে যায়। (সম্পূর্ণ…)

অ্যানি এনরাইট : ম্যানবুকারের সতর্কিত নির্বাচন

অবনি অনার্য | ২৫ অক্টোবর ২০০৭ ১১:২৫ অপরাহ্ন

অ্যানি এনরাইট

এবারের ম্যানবুকারের লংলিস্ট এবং শর্টলিস্টে একটু সতর্ক দৃষ্টি দিলেই বোঝা যাবে, এমনকি, ব্যঙ্গ করার জন্যও অ্যানি এনরাইটকে ম্যানবুকার পুরস্কার বিজয়ী হিসাবে কেউ ভাবেনি। লংলিস্টের চমক ছিলেন ক্যাথেরিন ও’ফ্লিন। তাঁর ‘হোয়াট ওয়জ লস্ট’ ম্যানবুকার ছাড়াও এবছরের ‘গার্ডিয়ান ফার্স্ট বুক অ্যাওয়ার্ড’ এবং ‘অরেঞ্জ প্রাইজ ফর ফিকশন’-এর লংলিস্টে জায়গা নিয়ে রীতিমতো হ্যাটট্রিক করেছে। ফলে চমক হিসাবে তাঁর দিকে দৃষ্টি ছিলো অ্যাডভেঞ্চারিস্টদের। কিন্তু লংলিস্ট থেকে ও’ফ্লিনের বিদায়ের পর অবধারিতভাবেই সবার দৃষ্টি চলে যায় ইয়ান ম্যাকইউয়ানের দিকে। ২০০৫ সালের লংলিস্টে ফেভারিট ছিলেন ম্যাকইউয়ান, ইরাক-যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লিখিত তাঁর ‘স্যাটারডে’ উপন্যাসের দিকে সবার দৃষ্টি। ব্রিটিশ এই পুরস্কারটির কর্তাব্যক্তিরা ম্যাকইউয়ানকে বিজয়ী হিসাবে ঘোষণা দিয়ে একটা আলোড়ন সৃষ্টি করবেন; সাহিত্যপ্রেমীদের এবং, বলাই প্রয়োজনীয়, জুয়াড়িদের মধ্যে কানাঘুষার এইরকম একটা পরিস্থিতিতে শর্টলিস্ট থেকেই বাদ পড়লেন তিনি। পুরোপুরি অপ্রত্যাশিত বিদায়ে সাহিত্য সমালোচকরা ক্ষুব্ধ হন।

ম্যাকইউয়ানের বিপরীতে আইরিশ লেখক সেবাস্টিয়ান ব্যারিকে শর্টলিস্টে রাখার কারণে গার্ডিয়ান পত্রিকায় সমালোচনাও করা হয়। সেবার লংলিস্ট থেকে বিদায় নিলেও এবার ঠিকই শর্টলিস্টে পৌঁছে গেছেন ম্যাকইউয়ান তাঁর ‘অন চেসিল বিচ’ নিয়ে। সঙ্গে আছেন আরো পাঁচজন : নিকোলা বারকার (ডার্কম্যানস), অ্যানি এনরাইট (দ্য গ্যাদারিং), মোহসিন হামিদ (রিলাকটেন্ট ফান্ডামেন্টালিস্ট), লায়ড জোন্স (মিস্টার পিপ) এবং ইন্দ্রা সিনহা (অ্যানিম্যাল’স পিপল)। (সম্পূর্ণ…)

দি গ্যাদারিং : জীবনের বহু মাত্রা

কৌশিক আহমেদ | ২৫ অক্টোবর ২০০৭ ১১:২৩ অপরাহ্ন

দি গ্যাদারিং
এগারো মাসের বড় ভাই লিয়াম হিগারটিকে কবরস্থ করার সময় ভেরোনিকা এক শারীরিক ও মনস্তাত্ত্বিক অভিযাত্রার সম্মুখীন হয়। শহরতলীর ঘিঞ্জি ঘরে ফিরে খাঁটি মফস্বলীয় স্বামীর বিছানার চেয়ে নিজের গাড়িতে বসে সে স্মরণ করতে চেষ্টা করে নানীর বাড়িতে লিয়ামকে নিয়ে ঘটে যাওয়া একটা ঘটনা। কিন্তু নিশ্চিত হতে পারে না, আসলেই তেমন ঘটেছিল কিনা। বড় ভাই লিয়াম অন্যান্য বালকদের মতোই পাখি ভালবাসতো, মৃত প্রাণীর হাড়গোর পছন্দ করতো। মৃত মানুষের কংকাল বা মাথার খুলি পথে কোথাও পাশ কাটাতে হলে ভেরোনিকা অবাক হয়ে ভাবতো, এর মাঝে কি এমন আছে যা লিয়ামকে মুগ্ধ করতো!

ভেরোনিকা তার কন্যাদের এসব থেকে বাঁচিয়ে রাখতো। কেন করতো সে জানে না। কিন্তু একবার সমুদ্রসৈকতে ক্যাটালফিশের কাঁটা পেয়ে পকেটে চালান করে দিয়েছিল। হাত উন্মুখ হয়ে ছিল রহস্যময় শ্বেত হাড়টিকে স্পর্শ করতে। (সম্পূর্ণ…)

প্রীত পরায়া

সিউতি সবুর | ২৫ অক্টোবর ২০০৭ ১১:২২ অপরাহ্ন

amrapali-1.jpg

প্রীতের সকাল
প্রীত সক্কাল বেলা উঠে মাকে খুঁজতে থাকে, ভীষণ হিসি পেয়েছে। চাইলে মেঝেতে শোয়া মজনুকে ডেকে তোলা যায়, আবার নিজেই কাজটা করবার চেষ্টা করা যায়। কিন্তু বিছানা থেকে বাথরুম পর্যন্ত শরীরটা টেনে নিয়ে যাবার কথা ভাবতেই, ভয় ধরে যায় ওর মনে। নিজে গিয়ে হিসি করবার সম্ভাবনা ভাবতে ভাবতে আজো সে বিছানা ভেজায়। ভেজা কাপড়ে, ভেজা বিছানায় আর একবার ঘুম দিলে গা কুটকুট করতে থাকে। ফলে প্রীত প্যান্ট খুলে বিছানার শুকনো জায়গাটাতে খানিক গড়ায়। ভারমুক্তির প্রশান্তিতে তার বিশ বছরের ঢ্যাঙা শরীরটাকে ভাঁজ করে ‘দ’ হয়ে ঘুমায়।

মজনুর সকাল
মজনুর ঘুম ভাঙতেই বিটকেলে গন্ধটা নাকে আসে। এতোগুলো চাদর, কাঁথা, প্রীতের কাপড় ধোয়ার কথা মনে করতে মেজাজটা খিঁচড়ে যায়, তার ওপরে খালাম্মার গালমন্দ তো আছেই। রোজ মজনু ভাবে আর মেজাজ খারাপ করবে না, অন্তত সকাল বেলাটাতে না। চাকরিটা জেনেশুনেই নিয়েছে সে, বেতনও ভাল। কাজও অনেক না, প্রীতের সঙ্গে থাকা, ওর খেদমত করা। প্রীতের খেদমতও তেমন করতে হয় না, ও মোটামুটি নিজের কাজ নিজেই করতে চেষ্টা করে। সমস্যা একটাই, মাঝে-মধ্যে প্রীত বিছানা ভেজায়। আর ঐ গন্ধটা নাকে যাওয়া মাত্র মজনুর মেজাজ খিঁচড়ে যায়। (সম্পূর্ণ…)

তাদের সঙ্গে, তাদের এলাকায়

আকিমুন রহমান | ২৫ অক্টোবর ২০০৭ ১১:২০ অপরাহ্ন

socialiteevenings.jpgতাদের সঙ্গে তাদের এলাকায় ঢুকছিলাম। তারা দুজন। তাদের এলাকা ভিন্ন। সামাজিক পরিমণ্ডল, স্বপ্ন, সাধ-আহ্লাদ, শত্রুর ধরন ভিন্ন। পুরুষ তাদের দুজনেরই প্রবল ঘৃণা ও উপহাসের বিষয়। পুরুষ আসে পুরুষ যায় তাদের জীবনে ও দুনিয়ায়। তবে এইসব নিয়ে ছিলো শুরুটা – তাদের এলাকায় ঢোকার মুখে। তাই শুরুতে আমার ছিলো অন্যমনস্ক প্রবেশ ও এগুতে থাকা। তারপর ধীরে যতোই ঢুকতে থাকি, ততো মূক ও বিহ্বল হতে থাকি। এখানে পতন ও উত্থান, মন্দ ও ভালো, পতন ও পচন অবাধ ও উন্মোচিত। প্রচলিত ন্যায় অন্যায় বোধ -অন্য কোনো পৃথিবীর বিষয় যেনো! তাদের জীবনে এইসবই গুরুত্বহীন। সততা শুদ্ধতা সতীত্ব বিষয়ে তাদের মাথাব্যথা কম। ন্যায়-অন্যায় বিষয়ে চালু বিধি বিধান তারা জানে, তবে তাদের দু’জনেরই আছে নিজস্ব ন্যায় অন্যায় বোধ; তারা চলে নিজস্ব ওই ন্যায় অন্যায় বোধ দিয়ে। বিশ্বাস করে শঠে শাঠ্যং নীতিতে ; অনুশীলনও করে। আর দরকারমতো বিপুলভাবে প্রয়োগ করে ওটি পুরুষের ওপর।এবং তাদের নিজস্ব ধরণে সফলও হয় তারা । পুরুষের সমাজে বাস করে, পুরুষের কাছে থেকে বিবিধ সুবিধা নিয়ে পুরুষের সংসারে ও শয্যায় থেকে থেকে – পুরুষকে ঘৃণা করে খুবই। মনে মনে মানে যে, পুরুষ স্থূলবুদ্ধিওয়ালা এক জীব, এদের কাছ থেকে প্রাণ-ভরে যাওয়ার রোমান্স নারী কিছুতেই আশা করতে পারে না। পুরুষর সাধ্যই নেই ওই গূঢ় আবেগকে বুঝে ওঠার। তারা পুরুষের বিগড়াবাইকে শক্ত হাতে ঢিট্ করার বুদ্ধি ও কৌশল – বেশ ভালোরকম রাখে; সেই কৌশল তাদের মজ্জাগত। একজনকে তা তীব্রভাবে প্রয়োগ করতে হয়, কারণ সে বাস করে গোঁড়া ও হিংস্র পুরুষের সমাজে। আরেকজনের এলাকায় হালকা-পাতলা চালে ওই কৌশল প্রয়োগ করলেই চলে। (সম্পূর্ণ…)

বীচিকলায় ঢেকে যায় মুখ ও শিরোনাম

আনোয়ার শাহাদাত | ২৫ অক্টোবর ২০০৭ ১১:১৮ অপরাহ্ন

bichikola-1.jpg

দু’পক্ষের ঝগড়া তখন স্পষ্ট হয়ে ওঠে বাংলামটরের মোড়ে যখন কিনা সেখানে রাস্তা পারাপারের জন্যে আটকে পড়া লোক জনের ভিড় জমে যায় কেননা দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সোনারগাঁ হোটেলের দিক থেকে আসা গাড়িগুলোকে যাওয়ার জন্য তের মিনিট একতিরিশ সেকেন্ড দাঁড় করিয়ে রাখে এবং তারই ফলে তখন সেই ভিড় জমে যদিও সেই ভিড়ের কোনো আগ্রহ থাকে না পুষ্পধাম নামক দোকানের সামনে বাংলা মটরের কোনো এক কোনায় একজন কলা ও আপেল বিক্রেতার ভিন্নমত, আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক, এমনকি যাকে ঝগড়াও বলা যেতে পারে তার প্রতি এবং সেই ঝগড়া বা বিবাদ বা যাই বলা হোকনা কেন তা চলা কালে অর্থাৎ ঝগড়া চলা কালে যখন কিনা কলা আপেলকে বলে : ‘আরে বেডা বড় কতা কয়, তোমারে চিনি না, চিনমু না কেয়া?’ কি কথার প্রসঙ্গে কলাওয়ালা ওই কথা বলে। তা খুব স্পষ্ট নয় তবে কলার ওই ক্ষোভমিশ্রিত কথার উত্তরে আপেলও অনুরূপ চড়া গলায় আবার প্রশ্ন করে, কি চেনো আহ্ ? কি চেনো ? কলা এবার তার প্রতি-উত্তরে বলে তুমি ক্যালা বেচ্তা, ক্যালা; কলাওয়ালা একথাটা বলবার পর এক সেকেন্ডের পচিশ ভাগের সাত ভাগ সময় বিরতি নেয় বা তার কথা বলার যথা ভঙ্গীতে ওইরকম যৎসামান্য সময় বিরতি পড়ে এবং তারপর বলে, ক্যালার মুহে আবার বড় কতা! (সম্পূর্ণ…)

রবিনসন ক্রুসোর গ্রামে

সুমন কায়সার | ২৫ অক্টোবর ২০০৭ ১১:১৭ অপরাহ্ন

crusoe-hotel-wiki.jpg
লোয়ার লারগো হারবারে ক্রুসো হোটেল

কিছুদিন ধরে যেখানে থাকছি ‘রবিনসন ক্রুসোর গ্রাম’ সেখান থেকে মাত্র শ দেড়েক মাইল সেটা জানার পর থেকেই মনটা অস্থির লাগছিল। তাই লিভেন যাওয়ার মওকা হতেই আর দেরি করিনি। এক সহকর্মী তার বন্ধুর পুরনো গাড়িটা কিনতে যাবেন জেনে ঝুলে পড়লাম তার সাথে।

সাগরতীরের লিভেনের বাসিন্দা বন্ধুটির রেস্তোরাঁর ব্যবসা। চমৎকার, স্কটিশ হলেও প্রায়-বাঙালিসুলভ সংসারি এক বউকে নিয়ে তার সুখের ঘর। অনেক দিন ধরেই দাওয়াত ছিল এ দম্পতিরও। অন্তত কিছু মহৎপ্রাণ বিশ্বাস করবেন সে ভরসা রেখেই দাবি করা যায়, স্বর্ণকেশীর দাওয়াত কবুল করার চেয়ে রবিনসন ক্রুসোর টানটাই এ ক্ষেত্রে ছিল প্রবলতর।

গ্রামের নামে উর্ধ্বকমার একটা ব্যাখ্যা গোড়াতেই দেওয়া প্রয়োজন। গ্রামটা আসলে আলেকজান্ডার সেলকার্ক নামে এক নাবিকের জন্মস্থান যিনি কিনা ড্যানিয়েল ডিফোর অমর কাহিনী রবিনসন ক্রুসোর পেছনের অনুপ্রেরণা। লোয়ার লারগো অনেকের কাছেই পরিচিত মূলত রবিনসন ক্রুসোর জন্যই। (সম্পূর্ণ…)

Three Poems

Shumon Ahmed

dream.jpg

Dream

You are not of this planet
Of this distant space
Where you drift along the shore
Where you get lost in you the mirror
You are from a distant time
A distant kiss
Longing to pull me back
Again to your flame.

You are me, and I… you
We are like two shells
Floating under the sea
For eternity too…

(More…)

Seek, and ye may not find

Fazal M. Kamal

An unfinished dialogue

untitled-8.jpg

“Doc, they just won’t let me forget her!”

“Who won’t?”

“They. All those radio stations!”

“Why would they be after you?”

“I don’t know, Doc. I just don’t know. But they keep playing that song over and over and
over again!”

“What song?”

“That James Blunt song. You know, the one I told you about. It’s driving me completely crazy!”

“You’re beautiful etc? And so and so forth?”

“Yeah. That’s it. That’s the one! Wherever I go, whenever I switch on the radio. It’s playing. It’s playing everywhere, all the time!” (More…)

‘জীবনের ছায়া’ প্রদর্শনীর ওয়েব উপস্থাপন

| ২৩ অক্টোবর ২০০৭ ৪:৩৩ পূর্বাহ্ন

আর্টস পাতার এই ওয়েব গ্যালারি থেকে শুরু হলো বাংলা শিল্প জগতের নতুন অধ্যায়। শুরু হলো দেশের গ্যালারিগুলির ওয়েব উপস্থাপন। গ্যালারিতে শুরু হওয়া প্রদর্শনীর প্রামাণ্য উপস্থাপন আর্টস-এর পাতায় থাকবে প্রদর্শনী শেষ হওয়া তক। এর পরও আগ্রহীরা আর্টস-এর আর্কাইভ থেকে প্রদর্শনী উপভোগ করতে পারবেন।

গ্যালারিকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দেওয়ার এ প্রক্রিয়ায় এ বারে এসেছে ধানমণ্ডির ২৭ নং পুরাতন রাস্তায় অবস্থিত ‌’বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌’-এর ১৭-২৬ অক্টোবর ২০০৭ ব্যাপী ‘জীবনের ছায়া’ বা ‘Shades of Life’ প্রদর্শনীটি। নারী-শিল্পীদের সংগঠন সাঁকোর ৯ জন ও ৩ জন অতিথিসহ মোট ১২ জন নারী শিল্পী প্রদর্শনীতে অংশ নেন। শিল্পীরা হলেন : Fareha Zeba, Farida Zaman, Farzana Islam Milky, Kanak Chanpa Chakma, Kuhu, Naima Haque, Nasreen Begum, Rebeka Sultana Moly, Rokeya Sultana, Sarkar Nahid Niazi Nipu, Shulekha Chaudhury ও Denise Hudon। নিচে প্রদর্শনী বিষয়ে বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌-এর ভাষ্য তুলে দেয়া হলো। আমাদের এ যাত্রায় যুক্ত হওয়ার জন্য বেঙ্গল গ্যালারি অব্ ফাইন আর্টস্‌-এর প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা। প্রদর্শিত আর্টওয়ার্কের ছবিগুলি তুলেছেন সিউতি সবুর। (সম্পূর্ণ…)

পরের পাতা »

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com