সাক্ষাৎকার

নির্মলেন্দু গুণের সাক্ষাৎকার: ভালোবাসা, অর্থ, পুরস্কার আদায় করতে হয়

রাজু আলাউদ্দিন | ২০ মার্চ ২০১৬ ৯:৪৪ অপরাহ্ন

goon.jpg
ছবি:রুবাইয়াৎ সিমিন
ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করার নয় দিনের মাথায় কবি নির্মলেন্দু গুণকেও স্বাধীনতা পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে সরকার। এই মুহূর্তে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে তার এই পুরস্কার প্রাপ্তির পক্ষে বিপক্ষে প্রতিক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে কবি ও প্রাবন্ধিক রাজু আলাউদ্দিন তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি খোলামেলা ও অকপট অনুভূতির কথা জানান। তাদের অডিও আলাপচারিতার শ্রুতিলিপি এখানে প্রকাশ করা হলো। বি. স.

রাজু আলাউদ্দিন: গুণদা, আপনাকে পুরস্কার পাওয়ার জন্য অভিনন্দন এবং আলিঙ্গন।
নির্মলেন্দু গুণ: তোমাকেও আলিঙ্গন হে মার্কেস।
রাজু: সর্বনাশ! আমাকে কেন গুণদা, তাও মার্কেস বলে!
গুণ: তুমি তো আমাদের লাতিন আমেরিকান।
রাজু: আমি খুব খুশি হয়েছি শেষ পর্যন্তু আপনি ক্ষোভ প্রকাশের মাধ্যমে পুরস্কারটি পেলেন বলে।
গুণ: আমি চাইলাম বলেই তো এই পুরস্কারটার মূল্য বাড়লো, তাই না?
রাজু:অবশ্যই, অবশ্যই।
গুণ: এর আগে তো কেউ চায় নাই। সরকার দিত। আমি চেয়ে পদকের মূল্যটা বাড়িয়ে দিলাম। এটা প্রার্থিত পদক, নোবেল পুরস্কারের মতোই প্রার্থিত পদক। আমি চাই এটা সসম্মানে সচল থাকুক। আমাকে বাদ দিয়ে এটা সসম্মানে সচল থাকতে পারে না, ইন আদার ওয়ার্ড, তাই না?
রাজু:তা তো বটেই। পুরস্কার যখন কোনো প্রকৃত লেখককে দেওয়া হয় তখন পুরস্কারের মর্যাদা বাড়ে।
গুণ: আমি এটার মূল্যমান বাড়িয়ে দিলাম। এখন আমার সঙ্গে যারা অনায়াসে প্রাপ্ত হয়েছেন, সংগ্রাম না করেই পুরস্কারটা পেয়েছেন, তাদেরকে এখন আমার চেয়ে যোগ্য বলে ভাবা হবে। (সম্পূর্ণ…)

উম্বের্তো একো: ডাইনী পোড়ানোটা শুরুই হয়েছিল রেঁনেসার সময় থেকে

হোসেন মোফাজ্জল | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:৪৩ অপরাহ্ন

eco-1.jpg
উম্বের্তো একো, ইতালীয় সেমিয়াটিসান এবং বিশ্বজুড়ে সফল উপ্যনাসিক, এবং একজন অতৃপ্ত পুস্তকপ্রমিক বা বিবলিওফাইল। তিনি সংগ্রহ করেছেন ৫০,০০০ বেশী বই, এবং বিশেষ করে মনগড়া, অকাল্ট, এমন কী বোগাস বিষয়ের দিকে তার প্রশয়টা ছিল বেশী। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকার আন্তর্জাতিক আর্ট বিভাগে প্রকাশিত স্টিফেন হেম্যান (২৭ নভেম্বর ২০১৩) এর লেখাটি ইংরেজি থেকে অনুবাদ করেছেন হোসেন মোফাজ্জল।

‘‘আমি আগ্রহী ফেইক, ঝুটা বিষয়ের প্রতি, ” একটা ইন্টারভিয়ুতে তিনি বলেন। ‘‘আমার কাছে গ্যালিলিও নেই, তবে আমার কাছে টলেমি আছে, কারণ তিনি ছিলেন ভুল।”
তার লাইব্রেরী ঘাটাঘাটি করে, মিস্টার একো বের করলেন ‘‘দ্য বুক অফ লিজেন্ডারি ল্যান্ডস্” (রিৎসলি এক্স লিবরিস, ৪৫ ডলার), আটলান্টিস, এল ডোরাডো, ক্যামেলট–এসব পৌরাণিক জায়গাগুলোর উপর একটা সচিত্র সার্ভে– ইতিহাসে যা প্রকৃত ছাপ ফেলেছে। (সম্পূর্ণ…)

উম্বের্তো একোর সাক্ষাৎকার: আমরাই একমাত্র জানি যে আমাদের মরতেই হবে

রেশমী নন্দী | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ৮:১৫ অপরাহ্ন

umberto.jpg“আসলে দার্শনিক, সপ্তাহান্তে কেবল উপন্যাস লিখি” নিজের সম্পর্কে এমন মন্তব্য করতেন ইতালীয় লেখক, দার্শনিক, চিহ্নবিজ্ঞানী উমবের্তো একো। ৪৩টিভাষায়অনুদিত তাঁর ” দি নেম অব দি রোজ” বইটির জন্য জগৎবিখ্যাত হলেও সবমিলিয়ে ৬টি উপন্যাস ছাড়াও লিখেছেন অসংখ্য উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ, চিহ্নবিজ্ঞানের উপর গবেষনাগ্রন্থ। ইতালির বালোনে বিশ্ববিদ্যালয়ে চিহ্নবিজ্ঞানের এমিরাটাস অধ্যাপক এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের মানববিদ্যার উচ্চতর বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্তছিলেন একো। ২০১৬ সালের ২০ফেব্রুয়ারী ক্যান্সার আক্রান্ত এই শিক্ষাবিদ ইতালির মিলানে নিজ বাসায় মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৯৬ সালের ১২ডিসেম্বর তাঁর এই সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন থিয়েডোর বেলে। সাক্ষাৎকারটি ইংরেজি থেকে অনুবাদ করেছেন রেশমী নন্দী। বি. সি. (সম্পূর্ণ…)

গুলতেকিন খানের সাক্ষাৎকার: কবিতার প্রতি আমার বিশেষ অাগ্রহ ছিল

রাজু আলাউদ্দিন | ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১১:২৩ অপরাহ্ন

gk.jpgবাংলা গল্প-উপন্যাসের পাঠকদের অনেকেই তাকে চেনেন। ছড়া লেখার অভ্যাস থাকলেও কবিতায় তার সৃষ্টিশীল হাতের পরিচয় ঘটেছে এই প্রথম। বাঙালি মুসলমান লেখকদের মধ্যে সুনাম কুড়ানো লেখক প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁয়ের নাতনী পরিচয় ছাপিয়ে পাঠক তাকে চিনতো প্রয়াত লেখক হুমায়ূন আহমদের সাবেক স্ত্রী হিসেবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যের সাবেক এই শিক্ষার্থীর প্রথম কাব্যগ্রন্থ আজও, কেউ হাঁটে অবিরাম প্রকাশের অনুভূতিসহ আরও অন্যান্য বিষয়ে কথা বলেছেন কবি ও প্রাবন্ধিক রাজু আলাউদ্দিনের সাথে। বি. স.

রাজু আলাউদ্দিন: প্রথমেই আপনাকে অভিনন্দন আপনার প্রথম প্রকাশিত কবিতার বইয়ের জন্য। আমার ভাল লাগছে যে আপনি লেখক-পরিবার ভুক্ত হলেন, অর্থাৎ লেখকদের একজন হলেন। যদিও আপনি লেখালেখির পরিমন্ডলের মধ্যেই ছিলেন। তো কেমন লাগছে, আপনার প্রথম বই প্রকাশের অনুভূতি যদি একটু বলেন।
গুলতেকিন খান: আসলে আমি লেখালেখি অনেক ছোটবেলা থেকেই করছি। সব সময়ই করে আসছি। আমার দাদা প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ, ওখান থেকেই আমার লেখালেখির হাতেখড়ি হয়েছে। আমি লেখালেখির মধ্যেই আছি। এবার বই আকারে প্রকাশিত হলো। তাছাড়া আমি লেখালেখিই করে এসেছি। বই আকারে দেখতে তো ভাল লাগেই।
রাজু আলাউদ্দিন: আপনি বলছিলেন যে আপনার লেখালেখি অনেক ছোটবেলা থেকেই। কিন্তু প্রকাশ হলো, বা গ্রন্থাকারে প্রকাশ হলো অনেক দেরিতে। প্রকাশের ব্যাপারে এত সময় নিলেন কী ভেবে? একটু বলবেন কি?
গুলতেকিন খান: আমার লেখা প্রকাশিত হতো দৈনিক পত্রিকায়। দৈনিক বাংলা, পূর্বদেশ, ইত্তেফাকে প্রকাশিত হতো। তারপর নানা কারণে আমার লেখা কিছুদিন বন্ধ ছিল। আমি পড়াশুনা করেছি। মাঝখানে মাঝখানে টুকটাক লিখেছি। হঠাৎ মনে হলো হোয়াই নট। ভাবলাম একটা বই প্রকাশ করি। (সম্পূর্ণ…)

শওকত আলীর সাক্ষাৎকার: সাঁওতালরা আমাদের জাতির একটা অংশ

শ্যামল চন্দ্র নাথ | ১৮ december ২০১৫ ২:৪১ অপরাহ্ন

shawkat-ali.jpgআমাদের কথাসাহিত্যের অগ্রগণ্য লেখক শওকত আলী। তাঁর লেখায় বিচিত্র সৃষ্টি ও ভাবনার বিস্তার। পাঠক তার লেখায় মুগ্ধ হয়ে আছেন দীর্ঘকাল ধরে। সমালোচকদের দৃষ্টিতে প্রদোষে প্রাকৃতজন বাংলা সাহিত্যের এক অসামান্য সংযোজন। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি নিজের জন্য একটি স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। এই গুণী কথাসাহিত্যিকের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শ্যামল চন্দ্র নাথ।

শ্যামল চন্দ্র নাথ : আপনার জন্মের দু’বছর পর আপনার বোনের জন্ম হয়। এবং আপনার বাবা বাড়ির পাশে ইজারার কাছে কুচুবনে থাকতেন। আপনার দাদী আপনাকে বাঁচিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে যদি কিছু বলতেন।
শওকত আলী: না না, আমার না। তখন আমার বোনটা মারা গিয়েছিল। আমার বোনটা মারা গিয়েছিল ডায়রিয়ায়। আমার বোনকে খুব আদর করতো আমার বাবা। জন্মের এক বছর পরে মারা গেল। তো আম্মা কাউকে কিছু বলেন নাই, বাবার ধারণা ছিল, ছেলেটাই তার মেয়ের মৃত্যুর কারণ, ও জন্ম হওয়ার পরে ও মারা গেল। মা সঙ্গে সঙ্গে তাকে নিয়ে এসেছিল। ব্যাপারটা আমাদের ফ্যামিলির মধ্যেও সবাই জানেন না আরকি। তো আমি তখন ছোট ছিলাম। মা’র কাছাকাছি আমি থাকতাম। আমার শৈশবের স্মৃতির মধ্যে সেসব আটকে আছে। এবং আমার সেই বোনের নাম ছিল রাবেয়া। (সম্পূর্ণ…)

মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য নিয়ে নবীন প্রবীণ লেখকদের অভিমত

অলাত এহ্সান | ১৬ december ২০১৫ ১০:১৯ অপরাহ্ন

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এখনো কি উল্লেখ করার মতো শিল্পমানোত্তীর্ণ মহাকাব্যিক সাহিত্য রচিত হয়েছে? প্রতিবছর ১৬ ডিসেম্বর ও ২৬ মার্চ এলেই পত্রিকাগুলো মুক্তিযুদ্ধের বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করে। সেখানে গল্প-প্রবন্ধ-কবিতা থাকলেও তার শিল্পমান নিয়ে নবীন প্রবীণ লেখকরা প্রকাশ করেছেন তাদের সংশয় ও আশাবাদ। অলাত এহ্সানের গ্রন্থনায় প্রকাশ করা হলো তাদের সেই অভিমতসমূহ। বি.স.

………………………………………………

আহমদ রফিক: মেধাবি ঔপন্যাসিক বোধহয় নাই

ahmad-rafiq.jpg

………………………………………………
আজকের দিনে মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ এলেই ভাষা আন্দোলনকে সামনে আনা হয় তার প্রথম ধাপ হিসেবে। ভাষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী আহমদ রফিক মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে ইতিহাসের সেই বিবেচনাকে পুষ্ট করেছেন। কবিতা, প্রবন্ধ ও গবেষণার মাধ্যমে ভাষা সংগ্রামী আহমদ রফিক জাতির এসব দিক নিয়েই আলোচনা করেছেন। তার কাছে, ’৭১ সালের সশস্ত্র যুদ্ধকে মুক্তিযুদ্ধ না বলে, একে ‘স্বাধীনতা যুদ্ধ বলাই ভাল।’
এই স্বাধীনতাযুদ্ধ নিয়ে অনেক উপন্যাস ছোটগল্প লেখা হয়েছে, তবে কবিতাই সবচেয়ে বেশি। ‘মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য’ বলতে বাংলাদেশের সাহিত্যের একটা ট্রেন্ড দাঁড়িয়েছে, আহমদ রফিকের কবিতায় এই প্রসঙ্গ প্রবলভাবে এসেছে। তবে লিও তলস্তয়ের বিখ্যাত ‘ওয়ার এন্ড পিস’ উপন্যাসের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এপিকধর্মী বা মহাকাব্যিক ভাব প্রকাশে, সেই রকম কোয়ালিটি আছে, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সেই ধরনের কালজয়ি উপন্যাস এখনো রচিত হয়নি।’ মুক্তিযুদ্ধের রাজনীতি ও বাস্তবতা ধরা কঠিন না হলেও, ‘মুক্তিযুদ্ধের নানামাত্রিক দিক নিয়ে বড় উপন্যাস লিখবেন, সেই ধরনের মেধাবি উপন্যাসিক বোধহয় নাই।’ একাডেমিক বা সাহিত্যিক–উভয় দিক দিয়েই মুক্তিযুদ্ধের গবেষণার দিকটাও কম। (সম্পূর্ণ…)

নোবেলজয়ী সোয়েতলানা আলেক্সিয়েভিচ:আধুনিক বিশ্বে ক্ষমতার অন্ধ উপাসনা কত বিপজ্জনক

যুবায়ের মাহবুব | ৮ অক্টোবর ২০১৫ ৮:২৬ অপরাহ্ন

svetlana.jpg১৯৮৭ সালে কবি প্রাবন্ধিক জোসেফ ব্রোদস্কির পর আরেক রুশভাষী লেখক সোয়েতলানা আলেক্সিয়েভিচ প্রায় ২৮ বছরের ব্যবধানে এবারের নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত হলেন। কয়েক বছর যাবতই তার নামটি সংক্ষিপ্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন রাশিয়ার আবির্ভাব লক্ষণীয়ভাবে প্রবল ও আশাব্যঞ্জক হয়ে উঠছে, ঠিক তখনই রুশভাষী জনগোষ্ঠীর জন্য সোয়েতলানা নিয়ে এলেন গৌরবের এই পরম পালক।
প্রায় ২৯ বছর আগে, ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল রাশিয়ার ইউক্রেনে যে নিউক্লিয়ার দুর্ঘটনা বহু মানুষের হতাহতের কারণ হয়েছিল সোয়েতলানার Voices from Chernobyl গ্রন্থে তা প্রধান উপজীব্য হয়ে ওঠে। ২০০৫ সালের পহেলা এপ্রিল এই গ্রন্থটির ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ উপলক্ষে লেখিকার একটি সাক্ষাৎকার বেরিয়েছিল Dalkey Archive Press-এর ওয়েবসাইটে। সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছিলেন আনা লুচিচ। অনুবাদক যুবায়ের মাহবুবের অনুবাদে এখানে তা প্রকাশ করা হলো। বি. স.

………………………………………………………………….

আনা: চমকপ্রদ, আবেগময় একটি বই চের্নোবিলের জবানবন্দী। পাঠকের মনে কি ধরনের অনুভুতি বা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন আপনি?

সোয়েতলানা: একটি ধারণা চালু আছে যে দুর্ঘটনার এত বছর পর চের্নোবিল সম্পর্কে যা কিছু জানার ছিল, সবই বোধ হয় আমরা জেনে ফেলেছি; চের্নোবিল সুদূর অতীতের ঘটনা, ওই পুরনো কাসুন্দি কেউ নাকি আর শুনতে চায় না। কিন্তু সত্যি কথা হলো, সেই দুর্ঘটনা যেমন আমরা ভুলিনি, তেমনই চের্নোবিল নামের প্রপঞ্চটি আজ অবধি আমরা সঠিকভাবে বুঝতে সক্ষম হইনি। (সম্পূর্ণ…)

রণি আহমেদ: নাস্তিকতা হল সৃষ্টিকর্তাকে খোঁজার বিয়োগান্তক পথ

অলাত এহ্সান | ৩ অক্টোবর ২০১৫ ১২:৪৯ অপরাহ্ন

roni-1.jpgসুররিয়ালিজম, পুরাণ ও সুফিইজমের সমন্বয় শিল্পী রণি আহমেদের এবারের চিত্রপ্রদর্শনীর মূল বিষয়। ঢাকায় জর্মান কালচারাল সেন্টার ও আলিয় ফ্রঁসেস-এ যথাক্রমে ২০০২ সালে ‘আনটাইটেল’ ও ২০০৪ সালে ‘মিথোরণিয়া’ শীর্ষক একক প্রদর্শনীর মাধ্যমেই তিনি বাংলাদেশি চিত্রকলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় আবির্ভূত হন। ইতোমধ্যে দেশে ৬টি একক চিত্রপ্রদর্শনী হয়েছে তার। আবাসিক, উপস্থিত, সম্মিলিত, একক ও উন্মুক্ত চিত্রপ্রদর্শনে দেশ-বিদেশে অংশ নিয়েছেন তিনি। গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে গুলশান-১-এ বেঙ্গল আর্ট লাউঞ্জে শুরু হয়েছে তার ‘গডস এন্ড বীস্ট’ শীর্ষক মাসাধিক কালব্যাপী একক চিত্রপ্রদর্শনী। চলবে ১৭ আক্টোবর পর্যন্ত। প্রদর্শনী ঘুরে রণি আহমেদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তরুণ লেখক অলাত এহ্সান। তারা কথা বলেছেন চিত্রকলা, পুরাণ, জাগতিক বিশ্ব ও সুফি দর্শন নিয়ে। সাক্ষাৎকার চলাকালে গল্পকার দিলওয়ার হাসানও আলাপে অংশগ্রহণ করেন। বি.স (সম্পূর্ণ…)

কিউবার লেখক লিওনার্দো পাদুরা: গোটা দুনিয়া থেকেই সমাজতন্ত্র উধাও হয়ে গেল

যুবায়ের মাহবুব | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১১:৫৭ অপরাহ্ন

padura-1.jpgকিউবান সাহিত্যিক লিওনার্দো পাদুরা ফুয়েন্তেস ১৯৫৫ সালে রাজধানী হাভানায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বিখ্যাত সৃষ্টি ডিটেকটিভ মারিও কোন্দে, আজ অব্দি আটটি উপন্যাস লিখেছেন এই চরিত্রকে কেন্দ্র করে। বহু ভাষায় অনুদিত হয়েছেন, জিতেছেন অসংখ্য পুরস্কার। রুশ বিপ্লবের নেতা লিওন ট্রটস্কি এবং তার আততায়ীকে নিয়ে সম্প্রতি লিখেছেন ঐতিহাসিক উপন্যাস “যে মানুষটি কুকুর ভালোবাসতো”। ২০১২ সালে কিউবার জাতীয় সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হন, এবং এই বছর (২০১৫ সালে) জিতেছেন হিস্পানিক বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য পুরষ্কার “প্রেমিও আস্তুরিয়াস”। আলেহো কার্পেন্তিয়ের এবং গিয়ের্মো কাব্রেরা ইনফান্তে’র যোগ্য উত্তরসুরী পাদুরা আধুনিক কিউবার শ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে স্বীকৃত। গুরুত্বপূর্ণ এই লেখকের সাক্ষাৎকারটি অনুবাদ করেছেন অনুবাদক যুবায়ের মাহবুব। (সম্পূর্ণ…)

আহমদ রফিক: সৎ বন্ধু থাকা মানুষের খুব পরম ভাগ্যের ব্যাপার

শিমুল সালাহ্উদ্দিন | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১:১১ অপরাহ্ন

images.jpgতিনি মূলত কবি,তবে কবিপরিচয় ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠেছে তাঁর অনেকগুলো পরিচয়। সমাজ-গবেষক, নামকরা প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট, নিরপেক্ষ রাজনৈতিক বিশ্লেষক, ভাষাসংগ্রামী। রবীন্দ্র গবেষক হিসেবে তিনি খ্যাতিমান দুই বাংলাতেই। কলকাতার ‘টেগোর রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ থেকে পেয়েছেন ‘রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য’ উপাধি এবং স্বদেশে রবীন্দ্র পুরস্কার। সাহিত্যকর্মে সামগ্রিক অবদানের জন্য পেয়েছেন সৃজনশীলতায় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মান ‘একুশে পদক’। ব্যক্তিগত জীবন,রাজনৈতিক চিন্তা ও দর্শন,বুদ্ধিজীবীতার স্বরূপ, বর্তমান সময়ের সাহিত্যের ভুবন, বহুমাত্রিক বিষয়াদী নিয়ে তাঁর মুখোমুখি হয়েছিলেন শিমুল সালাহ্উদ্দিন। (সম্পূর্ণ…)

ইমদাদুল হক মিলনের সাক্ষাৎকার: বাংলাদেশের প্রথম জনপ্রিয় লেখক আমি

শিমুল সালাহ্উদ্দিন | ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন

milon.jpgজনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলনের জন্ম ৮ সেপ্টেম্বর ১৯৫৫ সালে, বৃহত্তর ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে। পৈতৃক ভিটে লৌহজং থানার পয়শা গ্রামে। ঢাকার গেণ্ডারিয়া হাইস্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন পাশ করা মিলন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে সম্মানসহ স্নাতক অর্জন করেছেন অর্থনীতি বিষয়ে অধ্যায়ন করে। দুই বাংলার পাঠকদের কাছে সমাদৃত এ লেখকের প্রথম লেখা গল্প ‘বন্ধু’ প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে। প্রথম উপন্যাস যাবজ্জীবন ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় ১৯৭৬ সালে। প্রথম গল্পগ্রন্থ ভালোবাসার গল্প ১৯৭৭ সালে প্রকাশিত হবার পর থেকেই বিপুলভাবে আলোচিত, পঠিত, সংবর্ধিত তিনি। ১৯৯২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন কথাসাহিত্যে। ২০১১ সালে মহাকাব্যিক নূরজাহান উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন আই পি এম সুরমা চৌধুরী স্মৃতি আন্তর্জাতিক সাহিত্য পুরস্কার। ২৩ আগস্ট ২০১৫ সন্ধ্যায় লেখকের ষাটতম জন্মদিন সামনে রেখে তাঁর সাথে কথা বলেছেন শিমুল সালাহ্উদ্দিন। (সম্পূর্ণ…)

খুশবন্ত সিং-এর সাক্ষাৎকার: সেক্স তাদের মগজে

আন্দালিব রাশদী | ৩০ আগস্ট ২০১৫ ৯:৩৫ অপরাহ্ন

k-1.jpg১৫ আগস্ট ২০১৫ ছিল খুশবন্ত সিং-এর জন্মশত বার্ষিকী। কেবল ভারত নয়, দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে পঠিত এই লেখক ২০ মার্চ ২০১৪ মৃত্যুবরণ করেন। ৯৪ বছর বয়সেও কলাম লিখে গেছেন, ৯৮ বছর বয়সেও তাঁর বই প্রকাশিত হয়েছে। দিল্লির ‘ডার্টি ও টি ম্যান খুশবন্ত সিং ভিনোদ মেহতাকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে খোলামেলা অনেক কথা বলেছেন। জন্মশতবর্ষের শ্রদ্ধা জানাতে ভিনোদ মেহতার নেয়া এই সাক্ষাৎকারটি অনুবাদ করেছেন কথাসাহিত্যিক অনুবাদক আন্দালিব রাশদী। বি. স.

শীলা রেড্ডি সম্পাদিত ও সংকলিত খুশবন্ত সিং-এর Why I supported Emergency: Essays and Profiles-এর প্রকাশনা উপলক্ষে দুজন কীর্তিমান সম্পাদক আলাপ করতে বসেছিলেন। একজন Outlook-এর প্রধান সম্পাদক ভিনোদ মেহতা, অন্যজন দ্য ইলাসট্রেটেড উইকলি অব ইন্ডিয়ার একদা ডাকসাইটে সম্পাদক এবং প্রকাশিতব্য গ্রন্থটির গ্রন্থকার।
এমন দুজন মানুষ যখন কথা বলেন, লাগাম কে টানবে? আলোচনায় সেক্স, ডার্টি জোকস থেকে শুরু করে মানেকার বাজে ভাবে বেড়ে উঠা সন্তান করুন–কোনো কিছুই লুকোনো থাকেনি।

ভিনোদ:
দেবোনায়ার ম্যাগাজিনে ‘সেন্টারফোল্ড’ বলে একটা ব্যাপার ছিল। আমি প্রায়ই এ নিয়ে খুশবন্ত সিং-এর সাথে আলাপ করতাম। সুতরাং আমাদের বন্ধুত্ব ১৯৭৪ থেকে। মাঝখানে অবশ্য কিছু ঢেকুরও ছিল। আমি বোম্বে নিয়ে Bombay A Private View নামে একটি বই লিখি, এর একটি পুরো অধ্যায়ই খুশবন্ত সিংকে নিয়ে। একটি সাক্ষাৎকার নেবার জন্য যখন খুশবন্ত সিং-এর সাথে দেখা করি আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম আপনি যে এতো বছর ইংল্যান্ডে ছিলেন, কী করেছেন? তিনি জবাব দিলেন, সঙ্গম, পনির আর মদ। আমি তখন থেকে তাকে চিনি এটা আমার জন্য আনন্দের ব্যাপার। (সম্পূর্ণ…)

« আগের পাতা | পরের পাতা »

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com