সাক্ষাৎকার

আবদুল মান্নান সৈয়দ: “কবিতা আবেগের উত্তাল দশা ছাড়া লেখা সম্ভব না ”

শিমুল সালাহ্উদ্দিন | ৩ আগস্ট ২০১৬ ৭:৩৯ অপরাহ্ন

Mannan

……………………………………………………………………..

আবদুল মান্নান সৈয়দ একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও সাহিত্য-সমালোচক। শুরুর দিকে লিখেছেন অশোক সৈয়দ নামে। ১৯৪৩ সালের ৩ আগস্ট অখণ্ড বাংলার পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনায় জন্মেছিলেন তিনি। তাঁর বাবা সৈয়দ এ এম বদরুদ্দোজা এবং মা আনোয়ারা মজিদ। দেশভাগ পরবর্তি দাঙ্গার কারণে মুসলমান পরিবারের আবদুল মান্নান সৈয়দরা ১৯৫০ সালে পালিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। ১৯৫৮ সালে ঢাকার নবাবপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রবেশিকা (মেট্রিকুলেশন বা মেট্রিক), ১৯৬০ সালে ঢাকা কলেজ থেকে আইএ (ইন্টারমিডিয়েট)এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে ১৯৬৩ সালে স্নাতক (সম্মান) ও ১৯৬৪ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।ভারতের রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পি এইচ ডি ডিগ্রি অর্জন করেন আবদুল মান্নান সৈয়দ। প্রথমে সিলেটের এম সি কলেজে প্রভাষক পদে চাকরির মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়। পরে তিনি শেখ বোরহানউদ্দিন কলেজে কিছুকাল এবং জগন্নাথ কলেজে দীর্ঘকাল অধ্যাপনা করেন। ১৯৯৮ সালে উক্ত কলেজ থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির প্রথম রেসিডেন্ট স্কলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২— ২০০৪ সাল পর্যন্ত নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন আবদুল মান্নান সৈয়দ। মাসিক সাহিত্য পত্রিকা শিল্পতরুতে তিনি দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন।

আবদুল মান্নান সৈয়দের কাব্য-অভিযাত্রা শুরু হয় ১৯৬০ সালেই। পাঁচ দশক ধরে লেখা অব্যাহত রাখেন। তাঁর প্রথম কবিতাগ্রন্থ জন্মান্ধ কবিতাগুচ্ছ প্রকাশিত হয় ১৯৬৭ সালে। তাঁর কবিতায় কখনো মৃত্যুচেতনা, কখনো রোমান্টিকতা, কখনো সুররিয়ালিজম, প্রতীকধর্মী আবার কখনো এ্যাবসার্ডিটির প্রতিফলন দেখা যায়। একজন মননশীল ও পাণ্ডিত্যপূর্ণ গবেষক হিসেবে আবদুল মান্নান সৈয়দ তাঁর লেখার বিষয় ও রচনা রীতিতে বারবার পরিবর্তন এনেছেন। তিনি কবিতায় প্রায়ই চাঁদ, সূর্য, আকাশ ও মেঘকে চিত্রকল্পের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করেছেন। আবদুল মান্নান সৈয়দ ছন্দ বিষয়ে বেশ গুরুত্বপূর্ণ নিরীক্ষা করেছেন। প্রবোধচন্দ্র সেন ও শহীদ মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী ছিলেন তাঁর ছন্দবিষয়ক শিক্ষক। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সাহিত্য সমালোচক ও সম্পাদক আবদুল মান্নান সৈয়দ জীবনানন্দ ও নজরুল সাহিত্য নিয়ে অসামান্য সব কাজ করেছেন। তিনি ফররুখ আহমদ, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, বিষ্ণু দে, সমর সেন, বেগম রোকেয়া, আবদুল গনি হাজারী, মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী, প্রবোধচন্দ্র সেন— প্রমুখ কবি-সাহিত্যিক-সম্পাদকের জীবনীমূলক গবেষণাকর্ম উপহার দিয়েছেন। কবিতা, উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ-গবেষণা, কাব্যনাটক, স্মৃতিকথাসহ তাঁর গ্রন্থের সংখ্যা দেড়শতাধিক। জন্মান্ধ কবিতাগুচ্ছ (১৯৬৭), নির্বাচিত কবিতা (১৯৭৫), কবিতা কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড (১৯৮২), পরাবাস্তব কবিতা (১৯৮২), পার্ক স্ট্রিটে এক রাত্রি (১৯৮৩), মাছ সিরিজ (১৯৮৪) তার গুরুত্বপূর্ণ কবিতার বই। সত্যের মতো বদমাশ (১৯৬৮), চলো যাই পরোক্ষে (১৯৭৩), মৃত্যুর অধিক লাল ক্ষুধা (১৯৭৭) আবদুল মান্নান সৈয়দের ছোটগল্পের বই। পরিপ্রেক্ষিতের দাসদাসী (১৯৭৪),অ-তে অজগর (১৯৮২), গভীর গভীরতর অসুখ (১৯৮৩), ক্ষুধা প্রেম আগুন (১৯৪৪), শ্রাবস্তীর দিনরাত্রি (১৯৯৮) তার লেখা সুখপাঠ্য উপন্যাস। জীবনানন্দ দাশের কবিতা (১৯৭৪),নজরুল ইসলাম: কবি ও কবিতা, করতলে মহাদেশ (১৯৭৯), ছন্দ (১৯৮৫), রবীন্দ্রনাথ (২০০১), আবদুল গনি হাজারী (১৯৮৯), সৈয়দ মুর্তজা আলী (১৯৯০), প্রবোধচন্দ্র সেন ((১৯৯৪) তার গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ও জীবনীগ্রন্থ। (সম্পূর্ণ…)

মোহাম্মদ রফিক: তাদেরকে শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চার দিকে ফিরিয়ে আনতে হবে

শিমুল সালাহ্উদ্দিন | ১১ জুলাই ২০১৬ ৬:৪৮ অপরাহ্ন

Rafiq
ছবি: নাসির অালী মামুন

শিমুল সালাহ্উদ্দিন: স্যার আপনি এ অঞ্চলের মাটি মানুষ জনসংস্কৃতিকে আপনার কবিতার উপাদান হিসেবে ব্যবহার করেছেন। গুলশান হামলার এই ঘটনার পর সবার মধ্যে যেনো একটা ভীতি ঢুকে গেছে। এ দশায় করণীয় কি স্যার বাঙালির। বাঙালি এখন কি করবে?
মোহাম্মদ রফিক: তুমি যে বাঙালি বলছো তার মধ্যেই তুমি উত্তর দিয়ে দিয়েছো। বাঙালি আরো বাঙালি হবে। বাঙালিকে আরো বাঙালি হতে হবে। আমরা ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম, এবং এদের বিরুদ্ধেই তো মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। এদের মতো ধর্মকে রাজনীতিতে ব্যবহার করা কিছু মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেই তো দেশ স্বাধীন করেছি। আমরা কি মন্ত্রে দেশ স্বাধীন করেছি! অন্য যা কিছু থাক, আমাদের মূল উদ্দ্যেশের জায়গা ছিলো, আমরা আমাদের বাঙালিত্বকে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলাম। একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে আমরা আবির্ভূত হয়েছিলাম এদের সাথে লড়াই করে।

শিমুল সালাহ্উদ্দিন: অনেক তরুণরা ধর্মীয় রাজনীতির দিকে আকৃষ্ট হচ্ছে, এমনকী তারা জীবনের তোয়াক্কা করছে না। গুলশানের হামলায় বাচ্চা বাচ্চা ছেলেরা বিশজন মানুষকে জবাই করে হত্যা করেছে, তাদের এই মোটিভেশনের কারণ কি বলে মনে করেন আপনি?
মোহাম্মদ রফিক: আজকের তরুণদের বিভ্রান্ত হওয়ার বড় কারণ, তাদের সামনে কোন মন্ত্র নেই। তারা জানে না, তারা কেনো জীবন ধারণ করছে। তাকে যদি এই মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ করা যায়, যেটা আমাদের মতোই, রাষ্ট্রেরও দায়িত্ব বলে আমি মনে করি, যে, তাকে বোঝাতে হবে, তুমি বাঙালি, তোমার বাঙালি সত্ত্বাকে বিশ্বে প্রতিষ্ঠা করতে হবে— তাহলে দেখবে এই জঙ্গিবাদের ক্ষমতা অনেক কমে যাবে। (সম্পূর্ণ…)

ঈদ ও রোজা প্রসঙ্গে কবি নির্মলেন্দু গুণ: “ আমি ওর নামে দুইবার খাশি কুরবানী দিয়েছি”

রাজু আলাউদ্দিন | ৪ জুলাই ২০১৬ ১:০৬ পূর্বাহ্ন

Goon-1এ মাসের প্রথম দিন কবি নির্মলেন্দু গুণের সাথে রোজা ও ঈদের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা হয়েছিল কবি ও প্রাবন্ধিক রাজু আলাউদ্দিনের সাথে। এখানে তাদের সেই আলাপচারিতা প্রকাশ করা হলো বিডিনিউজটোয়েন্টিফোর ডটকমর-এর পাঠকদের জন্য।

রাজু আলাউদ্দিন: গুণদা, কেমন আছেন? ভাবছিলাম যে ঈদ সংখ্যার জন্য একটি কবিতা চাইবো আপনার কাছে, কিন্তু জানি ঐভাবে তো কবিতা সঙ্গে সঙ্গে চাইলে পাওয়া যাবে না।
নির্মলেন্দু গুণ : কালকে নাকি যুগান্তর আমার কবিতা ছাপছে।
রাজু :আপনার?
গুণ:হ্যাঁ হ্যাঁ।
রাজু : আচ্ছা, আমি খেয়াল করিনি তো! পুরোনো কবিতা নিশ্চয়।
গুণ:ওটা ফেসকুব থেকে নেয়া ,ছাড়পোকার উপর যে কবিতাটা।
রাজু :ও আচ্ছা। ওরা ছাপছে এইটা তা আমি জানি না।
গুণ: একজনে ফোন করে আমাকে বলল।
রাজু:ও! আচ্ছা। হইতে পারে আমি খেয়াল করিনি। আমি ওদের পাতাটা দেখিনি গতকালকে। আমি যেটা জানতে চাচ্ছিলাম সেটা হলো যে, আপনি তো ধরেন অন্য একটি সম্প্রদায়ের লোক। এখন মুসলমানদের এই ঈদের আনন্দ বলে কী আপনার কোন প্রতিক্রিয়া বা অনুভুতি আছে?
গুণ: হ্যাঁ, আমি তো ডেইলি সেহেরি না খাইলেও ইফতারি করতেছি। আমার বাসায় তো দুইজন ইসলামধর্মী থাকে, তাদেরকে ভোর রাতে তুলে দিতে হয়।
রাজু : আচ্ছা, আপনি যখন ছোট ছিলেন তখন তো মুসলমান বন্ধুবান্ধব ছিল, তাই না? তাদের বাড়ীতে গিয়ে ঈদের আনন্দ আপনি কাটিয়েছেন কিনা কখনো।
গুণ: এইগুলো আমার ছেলেবেলার বইয়ে আছে যে মুসলমান বন্ধুরা আমাদের বাড়ীতে যেত। সেই রকম আমার এক বন্ধু মতউর রহমান, ওর সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক ছিল, যাতায়াত করতো আমাদের বাড়ীতে। তো ওরা যখন আমাদের বাড়ীতে আসতো, আমাদের বাড়ীটা দর্শনীয় ছিল। মানুষ এমনিতেও বাড়ী দেখার জন্য আসতো। তো ঐরকম বন্ধুবান্ধব মুসলমান যারা ছিল বা তাদের বাড়ীতে যাতায়াত ছিল এইরকম আছে দুই চারজন। এসব কাহিনী আমার ছেলেবেলার বইতে আছে।
রাজু : আচ্ছা, এর বাইরেও যেগুলো অন্তর্ভুক্ত হয়নি–এর রকম দুই একটা স্মৃতি বলেন না অনুগ্রহ করে। (সম্পূর্ণ…)

ড. রফিকুল ইসলাম: ঢাকাই একদল সংগীত সন্ত্রাসী ইচ্ছেকৃতভাবে নজরুলের সুর বিকৃত করে

অলাত এহ্সান | ২৫ মে ২০১৬ ৫:০৩ অপরাহ্ন

dr-rofikul-islam.jpgকাজী নজরুল ইসলামের ১১৭তম জন্মবার্ষিকী আজ। বাংলাদেশে নজরুল গবেষণার ক্ষেত্রে প্রধান পুরুষ ড. রফিকুল ইসলাম। দীর্ঘ চারদশকের অধিক সময় ধরে তিনি নজরুল গবেষণায় নিজেকে ব্যাপৃত রেখেছেন। গবেষক হিসেবে তার অন্যতম কাজ কাজী নজরুল ইসলামের ওপর সব চেয়ে তথ্যবহুল জীবনীগ্রন্থ রচনা। এখনো তিনি লিখে যাচ্ছেন নজরুলের বহুমুখী লেখনীর বিভিন্ন দিক নিয়ে। এই মুহূর্তে তিনি কাজ করছেন নজরুলের সুস্থাবস্থায় করা গানের স্বরলিপি উদ্ধারে। দীর্ঘ অধ্যাপনা জীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে প্রথম নজরুল অধ্যাপক এবং নজরুল-গবেষণা কেন্দ্রের প্রথম পরিচালক। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। পেয়েছেন একুশে পদকসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সব পুরস্কার। কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশে নজরুল চর্চার বর্তমান হাল, গবেষণা, প্রাসঙ্গিকতা ইত্যাদি নিয়ে কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তরুণ গল্পকার অলাত এহ্সান।

অলাত এহ্সান : এটা খুব পীড়াদায়ক বিষয় হচ্ছে যে, কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে তাঁর জন্ম-মৃত্যু দিনেই সবচেয়ে বেশি কথা বলা হয়। প্রবণতাটা একটা মারাত্মক বিষয়, তাই না?
ড. রফিকুল ইসলাম : না, এটা নির্ভর করে প্রচার মাধ্যমগুলোর ওপর, বুঝেছো। তবে আমাদের প্রচার মাধ্যমগুলোতে নজরুল সংগীতের প্রচার এখন বাড়ছে ক্রমে ক্রমেই। যেমন আগে তো হতো না, এখন সকালে প্রায় প্রত্যেকটা প্রচার মাধ্যমে ছোটখাট যে একটা সংগীতানুষ্ঠান হয়, সেখানে নজরুলের গান হয়। এখন আমি এটা দেখলাম–বিটিভি, তারপরে চ্যানেল আই’তে তো ছিলই; অন্যগুলোতে ছিল না। মোহনা চ্যানেলে হয়। এরকম কয়েকটা টিভি চ্যানেলে আমি দেখলাম তারা নিয়মিত সকালে নজরুল সংগীত প্রচার করে। কাজেই এটা বলা যাবে না যে, প্রচারিত হচ্ছে না। তবে বিটিভিতে নিয়মিত হয়। (সম্পূর্ণ…)

নির্মলেন্দু গুণের সাক্ষাৎকার: ভালোবাসা, অর্থ, পুরস্কার আদায় করতে হয়

রাজু আলাউদ্দিন | ২০ মার্চ ২০১৬ ৯:৪৪ অপরাহ্ন

goon.jpg
ছবি:রুবাইয়াৎ সিমিন
ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করার নয় দিনের মাথায় কবি নির্মলেন্দু গুণকেও স্বাধীনতা পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে সরকার। এই মুহূর্তে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে তার এই পুরস্কার প্রাপ্তির পক্ষে বিপক্ষে প্রতিক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে কবি ও প্রাবন্ধিক রাজু আলাউদ্দিন তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি খোলামেলা ও অকপট অনুভূতির কথা জানান। তাদের অডিও আলাপচারিতার শ্রুতিলিপি এখানে প্রকাশ করা হলো। বি. স.

রাজু আলাউদ্দিন: গুণদা, আপনাকে পুরস্কার পাওয়ার জন্য অভিনন্দন এবং আলিঙ্গন।
নির্মলেন্দু গুণ: তোমাকেও আলিঙ্গন হে মার্কেস।
রাজু: সর্বনাশ! আমাকে কেন গুণদা, তাও মার্কেস বলে!
গুণ: তুমি তো আমাদের লাতিন আমেরিকান।
রাজু: আমি খুব খুশি হয়েছি শেষ পর্যন্তু আপনি ক্ষোভ প্রকাশের মাধ্যমে পুরস্কারটি পেলেন বলে।
গুণ: আমি চাইলাম বলেই তো এই পুরস্কারটার মূল্য বাড়লো, তাই না?
রাজু:অবশ্যই, অবশ্যই।
গুণ: এর আগে তো কেউ চায় নাই। সরকার দিত। আমি চেয়ে পদকের মূল্যটা বাড়িয়ে দিলাম। এটা প্রার্থিত পদক, নোবেল পুরস্কারের মতোই প্রার্থিত পদক। আমি চাই এটা সসম্মানে সচল থাকুক। আমাকে বাদ দিয়ে এটা সসম্মানে সচল থাকতে পারে না, ইন আদার ওয়ার্ড, তাই না?
রাজু:তা তো বটেই। পুরস্কার যখন কোনো প্রকৃত লেখককে দেওয়া হয় তখন পুরস্কারের মর্যাদা বাড়ে।
গুণ: আমি এটার মূল্যমান বাড়িয়ে দিলাম। এখন আমার সঙ্গে যারা অনায়াসে প্রাপ্ত হয়েছেন, সংগ্রাম না করেই পুরস্কারটা পেয়েছেন, তাদেরকে এখন আমার চেয়ে যোগ্য বলে ভাবা হবে। (সম্পূর্ণ…)

উম্বের্তো একো: ডাইনী পোড়ানোটা শুরুই হয়েছিল রেঁনেসার সময় থেকে

হোসেন মোফাজ্জল | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:৪৩ অপরাহ্ন

eco-1.jpg
উম্বের্তো একো, ইতালীয় সেমিয়াটিসান এবং বিশ্বজুড়ে সফল উপ্যনাসিক, এবং একজন অতৃপ্ত পুস্তকপ্রমিক বা বিবলিওফাইল। তিনি সংগ্রহ করেছেন ৫০,০০০ বেশী বই, এবং বিশেষ করে মনগড়া, অকাল্ট, এমন কী বোগাস বিষয়ের দিকে তার প্রশয়টা ছিল বেশী। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকার আন্তর্জাতিক আর্ট বিভাগে প্রকাশিত স্টিফেন হেম্যান (২৭ নভেম্বর ২০১৩) এর লেখাটি ইংরেজি থেকে অনুবাদ করেছেন হোসেন মোফাজ্জল।

‘‘আমি আগ্রহী ফেইক, ঝুটা বিষয়ের প্রতি, ” একটা ইন্টারভিয়ুতে তিনি বলেন। ‘‘আমার কাছে গ্যালিলিও নেই, তবে আমার কাছে টলেমি আছে, কারণ তিনি ছিলেন ভুল।”
তার লাইব্রেরী ঘাটাঘাটি করে, মিস্টার একো বের করলেন ‘‘দ্য বুক অফ লিজেন্ডারি ল্যান্ডস্” (রিৎসলি এক্স লিবরিস, ৪৫ ডলার), আটলান্টিস, এল ডোরাডো, ক্যামেলট–এসব পৌরাণিক জায়গাগুলোর উপর একটা সচিত্র সার্ভে– ইতিহাসে যা প্রকৃত ছাপ ফেলেছে। (সম্পূর্ণ…)

উম্বের্তো একোর সাক্ষাৎকার: আমরাই একমাত্র জানি যে আমাদের মরতেই হবে

রেশমী নন্দী | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ৮:১৫ অপরাহ্ন

umberto.jpg“আসলে দার্শনিক, সপ্তাহান্তে কেবল উপন্যাস লিখি” নিজের সম্পর্কে এমন মন্তব্য করতেন ইতালীয় লেখক, দার্শনিক, চিহ্নবিজ্ঞানী উমবের্তো একো। ৪৩টিভাষায়অনুদিত তাঁর ” দি নেম অব দি রোজ” বইটির জন্য জগৎবিখ্যাত হলেও সবমিলিয়ে ৬টি উপন্যাস ছাড়াও লিখেছেন অসংখ্য উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ, চিহ্নবিজ্ঞানের উপর গবেষনাগ্রন্থ। ইতালির বালোনে বিশ্ববিদ্যালয়ে চিহ্নবিজ্ঞানের এমিরাটাস অধ্যাপক এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের মানববিদ্যার উচ্চতর বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্তছিলেন একো। ২০১৬ সালের ২০ফেব্রুয়ারী ক্যান্সার আক্রান্ত এই শিক্ষাবিদ ইতালির মিলানে নিজ বাসায় মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৯৬ সালের ১২ডিসেম্বর তাঁর এই সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন থিয়েডোর বেলে। সাক্ষাৎকারটি ইংরেজি থেকে অনুবাদ করেছেন রেশমী নন্দী। বি. সি. (সম্পূর্ণ…)

গুলতেকিন খানের সাক্ষাৎকার: কবিতার প্রতি আমার বিশেষ অাগ্রহ ছিল

রাজু আলাউদ্দিন | ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১১:২৩ অপরাহ্ন

gk.jpgবাংলা গল্প-উপন্যাসের পাঠকদের অনেকেই তাকে চেনেন। ছড়া লেখার অভ্যাস থাকলেও কবিতায় তার সৃষ্টিশীল হাতের পরিচয় ঘটেছে এই প্রথম। বাঙালি মুসলমান লেখকদের মধ্যে সুনাম কুড়ানো লেখক প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁয়ের নাতনী পরিচয় ছাপিয়ে পাঠক তাকে চিনতো প্রয়াত লেখক হুমায়ূন আহমদের সাবেক স্ত্রী হিসেবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যের সাবেক এই শিক্ষার্থীর প্রথম কাব্যগ্রন্থ আজও, কেউ হাঁটে অবিরাম প্রকাশের অনুভূতিসহ আরও অন্যান্য বিষয়ে কথা বলেছেন কবি ও প্রাবন্ধিক রাজু আলাউদ্দিনের সাথে। বি. স.

রাজু আলাউদ্দিন: প্রথমেই আপনাকে অভিনন্দন আপনার প্রথম প্রকাশিত কবিতার বইয়ের জন্য। আমার ভাল লাগছে যে আপনি লেখক-পরিবার ভুক্ত হলেন, অর্থাৎ লেখকদের একজন হলেন। যদিও আপনি লেখালেখির পরিমন্ডলের মধ্যেই ছিলেন। তো কেমন লাগছে, আপনার প্রথম বই প্রকাশের অনুভূতি যদি একটু বলেন।
গুলতেকিন খান: আসলে আমি লেখালেখি অনেক ছোটবেলা থেকেই করছি। সব সময়ই করে আসছি। আমার দাদা প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ, ওখান থেকেই আমার লেখালেখির হাতেখড়ি হয়েছে। আমি লেখালেখির মধ্যেই আছি। এবার বই আকারে প্রকাশিত হলো। তাছাড়া আমি লেখালেখিই করে এসেছি। বই আকারে দেখতে তো ভাল লাগেই।
রাজু আলাউদ্দিন: আপনি বলছিলেন যে আপনার লেখালেখি অনেক ছোটবেলা থেকেই। কিন্তু প্রকাশ হলো, বা গ্রন্থাকারে প্রকাশ হলো অনেক দেরিতে। প্রকাশের ব্যাপারে এত সময় নিলেন কী ভেবে? একটু বলবেন কি?
গুলতেকিন খান: আমার লেখা প্রকাশিত হতো দৈনিক পত্রিকায়। দৈনিক বাংলা, পূর্বদেশ, ইত্তেফাকে প্রকাশিত হতো। তারপর নানা কারণে আমার লেখা কিছুদিন বন্ধ ছিল। আমি পড়াশুনা করেছি। মাঝখানে মাঝখানে টুকটাক লিখেছি। হঠাৎ মনে হলো হোয়াই নট। ভাবলাম একটা বই প্রকাশ করি। (সম্পূর্ণ…)

শওকত আলীর সাক্ষাৎকার: সাঁওতালরা আমাদের জাতির একটা অংশ

শ্যামল চন্দ্র নাথ | ১৮ december ২০১৫ ২:৪১ অপরাহ্ন

shawkat-ali.jpgআমাদের কথাসাহিত্যের অগ্রগণ্য লেখক শওকত আলী। তাঁর লেখায় বিচিত্র সৃষ্টি ও ভাবনার বিস্তার। পাঠক তার লেখায় মুগ্ধ হয়ে আছেন দীর্ঘকাল ধরে। সমালোচকদের দৃষ্টিতে প্রদোষে প্রাকৃতজন বাংলা সাহিত্যের এক অসামান্য সংযোজন। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি নিজের জন্য একটি স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। এই গুণী কথাসাহিত্যিকের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শ্যামল চন্দ্র নাথ।

শ্যামল চন্দ্র নাথ : আপনার জন্মের দু’বছর পর আপনার বোনের জন্ম হয়। এবং আপনার বাবা বাড়ির পাশে ইজারার কাছে কুচুবনে থাকতেন। আপনার দাদী আপনাকে বাঁচিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে যদি কিছু বলতেন।
শওকত আলী: না না, আমার না। তখন আমার বোনটা মারা গিয়েছিল। আমার বোনটা মারা গিয়েছিল ডায়রিয়ায়। আমার বোনকে খুব আদর করতো আমার বাবা। জন্মের এক বছর পরে মারা গেল। তো আম্মা কাউকে কিছু বলেন নাই, বাবার ধারণা ছিল, ছেলেটাই তার মেয়ের মৃত্যুর কারণ, ও জন্ম হওয়ার পরে ও মারা গেল। মা সঙ্গে সঙ্গে তাকে নিয়ে এসেছিল। ব্যাপারটা আমাদের ফ্যামিলির মধ্যেও সবাই জানেন না আরকি। তো আমি তখন ছোট ছিলাম। মা’র কাছাকাছি আমি থাকতাম। আমার শৈশবের স্মৃতির মধ্যে সেসব আটকে আছে। এবং আমার সেই বোনের নাম ছিল রাবেয়া। (সম্পূর্ণ…)

মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য নিয়ে নবীন প্রবীণ লেখকদের অভিমত

অলাত এহ্সান | ১৬ december ২০১৫ ১০:১৯ অপরাহ্ন

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এখনো কি উল্লেখ করার মতো শিল্পমানোত্তীর্ণ মহাকাব্যিক সাহিত্য রচিত হয়েছে? প্রতিবছর ১৬ ডিসেম্বর ও ২৬ মার্চ এলেই পত্রিকাগুলো মুক্তিযুদ্ধের বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করে। সেখানে গল্প-প্রবন্ধ-কবিতা থাকলেও তার শিল্পমান নিয়ে নবীন প্রবীণ লেখকরা প্রকাশ করেছেন তাদের সংশয় ও আশাবাদ। অলাত এহ্সানের গ্রন্থনায় প্রকাশ করা হলো তাদের সেই অভিমতসমূহ। বি.স.

………………………………………………

আহমদ রফিক: মেধাবি ঔপন্যাসিক বোধহয় নাই

ahmad-rafiq.jpg

………………………………………………
আজকের দিনে মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ এলেই ভাষা আন্দোলনকে সামনে আনা হয় তার প্রথম ধাপ হিসেবে। ভাষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী আহমদ রফিক মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে ইতিহাসের সেই বিবেচনাকে পুষ্ট করেছেন। কবিতা, প্রবন্ধ ও গবেষণার মাধ্যমে ভাষা সংগ্রামী আহমদ রফিক জাতির এসব দিক নিয়েই আলোচনা করেছেন। তার কাছে, ’৭১ সালের সশস্ত্র যুদ্ধকে মুক্তিযুদ্ধ না বলে, একে ‘স্বাধীনতা যুদ্ধ বলাই ভাল।’
এই স্বাধীনতাযুদ্ধ নিয়ে অনেক উপন্যাস ছোটগল্প লেখা হয়েছে, তবে কবিতাই সবচেয়ে বেশি। ‘মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য’ বলতে বাংলাদেশের সাহিত্যের একটা ট্রেন্ড দাঁড়িয়েছে, আহমদ রফিকের কবিতায় এই প্রসঙ্গ প্রবলভাবে এসেছে। তবে লিও তলস্তয়ের বিখ্যাত ‘ওয়ার এন্ড পিস’ উপন্যাসের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এপিকধর্মী বা মহাকাব্যিক ভাব প্রকাশে, সেই রকম কোয়ালিটি আছে, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সেই ধরনের কালজয়ি উপন্যাস এখনো রচিত হয়নি।’ মুক্তিযুদ্ধের রাজনীতি ও বাস্তবতা ধরা কঠিন না হলেও, ‘মুক্তিযুদ্ধের নানামাত্রিক দিক নিয়ে বড় উপন্যাস লিখবেন, সেই ধরনের মেধাবি উপন্যাসিক বোধহয় নাই।’ একাডেমিক বা সাহিত্যিক–উভয় দিক দিয়েই মুক্তিযুদ্ধের গবেষণার দিকটাও কম। (সম্পূর্ণ…)

নোবেলজয়ী সোয়েতলানা আলেক্সিয়েভিচ:আধুনিক বিশ্বে ক্ষমতার অন্ধ উপাসনা কত বিপজ্জনক

যুবায়ের মাহবুব | ৮ অক্টোবর ২০১৫ ৮:২৬ অপরাহ্ন

svetlana.jpg১৯৮৭ সালে কবি প্রাবন্ধিক জোসেফ ব্রোদস্কির পর আরেক রুশভাষী লেখক সোয়েতলানা আলেক্সিয়েভিচ প্রায় ২৮ বছরের ব্যবধানে এবারের নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত হলেন। কয়েক বছর যাবতই তার নামটি সংক্ষিপ্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন রাশিয়ার আবির্ভাব লক্ষণীয়ভাবে প্রবল ও আশাব্যঞ্জক হয়ে উঠছে, ঠিক তখনই রুশভাষী জনগোষ্ঠীর জন্য সোয়েতলানা নিয়ে এলেন গৌরবের এই পরম পালক।
প্রায় ২৯ বছর আগে, ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল রাশিয়ার ইউক্রেনে যে নিউক্লিয়ার দুর্ঘটনা বহু মানুষের হতাহতের কারণ হয়েছিল সোয়েতলানার Voices from Chernobyl গ্রন্থে তা প্রধান উপজীব্য হয়ে ওঠে। ২০০৫ সালের পহেলা এপ্রিল এই গ্রন্থটির ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ উপলক্ষে লেখিকার একটি সাক্ষাৎকার বেরিয়েছিল Dalkey Archive Press-এর ওয়েবসাইটে। সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছিলেন আনা লুচিচ। অনুবাদক যুবায়ের মাহবুবের অনুবাদে এখানে তা প্রকাশ করা হলো। বি. স.

………………………………………………………………….

আনা: চমকপ্রদ, আবেগময় একটি বই চের্নোবিলের জবানবন্দী। পাঠকের মনে কি ধরনের অনুভুতি বা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন আপনি?

সোয়েতলানা: একটি ধারণা চালু আছে যে দুর্ঘটনার এত বছর পর চের্নোবিল সম্পর্কে যা কিছু জানার ছিল, সবই বোধ হয় আমরা জেনে ফেলেছি; চের্নোবিল সুদূর অতীতের ঘটনা, ওই পুরনো কাসুন্দি কেউ নাকি আর শুনতে চায় না। কিন্তু সত্যি কথা হলো, সেই দুর্ঘটনা যেমন আমরা ভুলিনি, তেমনই চের্নোবিল নামের প্রপঞ্চটি আজ অবধি আমরা সঠিকভাবে বুঝতে সক্ষম হইনি। (সম্পূর্ণ…)

রণি আহমেদ: নাস্তিকতা হল সৃষ্টিকর্তাকে খোঁজার বিয়োগান্তক পথ

অলাত এহ্সান | ৩ অক্টোবর ২০১৫ ১২:৪৯ অপরাহ্ন

roni-1.jpgসুররিয়ালিজম, পুরাণ ও সুফিইজমের সমন্বয় শিল্পী রণি আহমেদের এবারের চিত্রপ্রদর্শনীর মূল বিষয়। ঢাকায় জর্মান কালচারাল সেন্টার ও আলিয় ফ্রঁসেস-এ যথাক্রমে ২০০২ সালে ‘আনটাইটেল’ ও ২০০৪ সালে ‘মিথোরণিয়া’ শীর্ষক একক প্রদর্শনীর মাধ্যমেই তিনি বাংলাদেশি চিত্রকলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় আবির্ভূত হন। ইতোমধ্যে দেশে ৬টি একক চিত্রপ্রদর্শনী হয়েছে তার। আবাসিক, উপস্থিত, সম্মিলিত, একক ও উন্মুক্ত চিত্রপ্রদর্শনে দেশ-বিদেশে অংশ নিয়েছেন তিনি। গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে গুলশান-১-এ বেঙ্গল আর্ট লাউঞ্জে শুরু হয়েছে তার ‘গডস এন্ড বীস্ট’ শীর্ষক মাসাধিক কালব্যাপী একক চিত্রপ্রদর্শনী। চলবে ১৭ আক্টোবর পর্যন্ত। প্রদর্শনী ঘুরে রণি আহমেদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তরুণ লেখক অলাত এহ্সান। তারা কথা বলেছেন চিত্রকলা, পুরাণ, জাগতিক বিশ্ব ও সুফি দর্শন নিয়ে। সাক্ষাৎকার চলাকালে গল্পকার দিলওয়ার হাসানও আলাপে অংশগ্রহণ করেন। বি.স (সম্পূর্ণ…)

« আগের পাতা | পরের পাতা »

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com