বিশ্বসাহিত্য

নগ্নপদ ইলিয়াড ও আসুয়েলার বিপ্লব

রাজু আলাউদ্দিন | ৩০ জানুয়ারি ২০১৭ ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন

Azuelaনিকারাগুয়ার রুবেন দারিও, কিংবা পেরুর সেসার বাইয়েহোর নামটি স্মরণে রেখেই আমরা প্রায়শই বলতে শুনি যে লাতিন আমেরিকায় চিলেই হচ্ছে কবিতার সেই দেশ যা সৃষ্টির বৈচিত্র ও গভীরতা দিয়ে বিশ্বের বৃহত্তর পাঠকগোষ্ঠীকে অভিভূত করেছে। এমনটা বলার কারণও আমাদের অজানা নয়, কারণ চিলেতে প্রায় কাছাকাছি সময়ে বিসেন্তে উইদোব্রো, গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল, পাবলো নেরুদা, পাবলো দে রোকা ও নিকানোর পাররার মতো বিশ্বমানের কবির আর্বিভাব। অন্যদিকে, কথাসাহিত্যের জন্য আর্হেন্তিনাকেই পরানো হয় প্রশংসার অতুল্য মুকুট; কেননা এস্তেবান এচেবেররিয়া থেকে শুরু করে মাসেদোনিও ফের্নান্দেস, হোর্হে লুইস বোর্হেস, আদোল্ফো বিয়ই কাসারেস, দানিয়েল মোইয়ানো, হুলিও কোর্তাসার ও মানুয়েল পুুইগ-এর মতো লেখকরা কেবল লাতিন আমেরিকার প্রেক্ষাপটেই নয়, গোটা বিশ্বসাহিত্যের প্রেক্ষাপটেই বিস্ময়কর উত্থান হিসেবে স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হয়ে আছেন। কিন্তু লাতিন আমেরিকার একেবারে উত্তরে অবস্থিত মেহিকো সম্পর্কে এমন কিছু কখনোই বলতে শুনা যায় না। অথচ মেহিকো, কী কবিতায়, কী প্রবন্ধে, কী কথাসাহিত্যে-বলতে গেলে সাহিত্যের এই তিনটি শাখায়ই রয়েছে তার অনন্য অর্জন। কবিতায়, সেই ঔপনিবেশিক যুগের বিস্ময়কর প্রতিভা সর হুয়ানা ইনেস্ দে লা ক্রুস থেকে শুরু করে আমাদো নের্বো, রামোন লোপেস বেলার্দে, হাবিয়ের বিইয়াউররুতিয়া, হোসে গরোস্তিসা কিংবা লাতিন আমেরিকার প্রথম ঔপন্যাসিক হোসে হোয়াকিন ফের্নান্দেস দে লিসার্দি, তিনিও মেহিকানো। প্রবন্ধে দার্শনিক ও ভাবুক হোসে বাসকন্সেলোস, এদমুন্দো ওগোরমান, আলফোনসো রেইয়েস, অক্তাবিও পাস। অর্থাৎ তিনটি ক্ষেত্রেই মেহিকোর রয়েছে অসামান্য অর্জন। আর কথাসাহিত্যের ক্ষেত্রে আমরা যদি সময়ক্রমের ধারাবাহিকতায় দেখতে চাই তাহলে লক্ষ্য করবো লিসার্দি দিয়ে গোটা লাতিন আমেরিকার উপন্যাসের যে শুরু, তার পরে ধীরে ধীরে এসে যুক্ত হচ্ছেন বিস্ময়কর সব ঔপন্যাসিক, যেমন হুয়ান রুলফো, আগুস্তিন ইয়ানঞেস, হুয়ান গার্সিয়া পন্সে, হোসে এমিলিও পাচেকো, ফের্নান্দো দেল পাসো কিংবা কার্লোস ফুয়েন্তেস। কিন্তু এদের সবার আগে উচ্চারণ করতে হবে মারিয়ানো আসুয়েলার নাম, যিনি কেবল মেহিকোরই নয়, গোটা লাতিন আমেরিকার প্রেক্ষাপটেই প্রথম সত্যিকারের এক উল্লম্ফন ঘটিয়েছিলেন কথাসাহিত্যের ক্ষেত্রে। (সম্পূর্ণ…)

২০১৬-এর ব্যক্তিগত পাঠ-পরিক্রমা

ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী | ১ জানুয়ারি ২০১৭ ৭:১১ অপরাহ্ন

প্রতি বছরই বেশ অনেক বই পড়া হলেও, একদম প্রথম পাতা থেকে শেষাবধি পড়া হয় খুব কমই। অনেক বই কেজো বই, শুধুমাত্র কাজের পাতাতেই তাদের পাঠ সীমাবদ্ধ থাকে। অনেক বই রেফারেন্স বই, শুধু কয়েকটি পাতার জন্যই কেনা হয়। কখন কাজে লাগে কেউ জানে না। এদের মধ্যে কোনো কোনোটি দারুণ স্বাদের। একদম মনপ্রাণ কেড়ে নেয়ার মত। গত বছর ২০১৬তেও এমনই পাঠ-পরিক্রমা থেকে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পাঠ-প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা যেতে পারে। যেহেতু আমি মূলত নন-ফিকশন পাঠক, কাজেই প্রবন্ধসাহিত্যেই মনোযোগ দিলাম।

border=0
‘এ বিউটিফুল কোয়েশ্চেন’, ফ্র্যাঙ্ক উইলচেক, ২০১৫।
অনেকদিন বাদে বিজ্ঞানের এতো ঢাউস একটা বই পড়ে শেষ করলাম। লেখক ফ্র্যাঙ্ক উইলচেক, নোবেল জয়ী বিজ্ঞানী। বইটা পড়ে মনে হলো, সত্যিই নোবেল-জয়ীদের ধাতই আলাদা। কনসেপ্ট এতো সুন্দর এবং ততোধিক সুন্দর করে বোঝাতে পারেন, কিম্বা ধরা যাক নতুন একটি প্রপঞ্চকে কিম্বা পুরনো প্রপঞ্চকেই এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেন, যে মাথা ঘুরে যায়। পদার্থবিজ্ঞান, কিছুটা গণিতেরও, এক অনবদ্য ভাষ্য রচিত হয়েছে এই বইটিতে। বইটিতে মূলত একটি প্রশ্ন করা হয়েছে – জগত কি সুন্দর আইডিয়া ধারণ করে কিনা, অথবা এই বিশ্বজগৎ একটি শিল্পকর্ম কিনা? তারপর পিথাগোরাস এবং প্লেটোর ধারণা থেকে সূত্র ধরে বাস্তবতার ব্যাখ্যা, গণিতের অর্থ, প্লেটোনিক সলিডের ওপর বিস্তারিত আলোচনা, প্রকৃতিতে প্লেটোনিক সলিডের প্রাপ্যতা, ব্যবহারিক প্রয়োগ, নিউটনের তিনটি আবিষ্কার – তাঁর অ্যানালিসিস ও সিন্থেসিস, রঙের ধারণার বিস্তার, গতিশীলতার সূত্রধরতা, বিদ্যুত-চুম্বকত্বের বিস্তার ও ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণ (ইএম থিওরি), রঙের পারসেপশনে ইএম থিওরির প্রয়োগ, সিমেট্রির আইডিয়া, গাণিতিক তত্ত্বে সিমেট্রির প্রয়োগ এবং উচ্চতর কণাপদার্থবিজ্ঞানে সেই সিমেট্রির প্রভাব, কোয়ার্ক-গ্লুয়ন স্যুপের ব্যাখ্যায় কোয়ান্টাম ক্রোমোডায়নামিকস, কোয়ান্টাম তত্ত্বের বিস্তার, কণার ওয়েভ-ফাংশনের বিস্তারে সিমেট্রির প্রয়োগ, তার ব্যাখ্যা, বাক্সবন্দী ইলেকট্রন আর টানাতারের কম্পনের অদ্ভুত মিল, এমি নয়থারের অবদান, সুপারসিমেট্রির ধারণা ইত্যাদি নিয়ে এক চরম দক্ষযজ্ঞ বাধিয়ে দিয়েছেন ফ্র্যাঙ্ক।রজার পেনরোজের “দ্য এম্পেররস নিউ মাইন্ড” গ্রন্থটির পর তুলনীয় এনসাইক্লোপিডিক গভীরতায় প্রাকৃতিক বিজ্ঞান নিয়ে বিশাল ক্যানভাসে লেখা হয়েছে বিরল। তাই ফিজিক্স এবং ন্যাচারাল সায়েন্সে যারাই আগ্রহী এই বইটি তাদের গভীর তৃষ্ণা মেটাবে। বইটিতে আছে ৫৩টি কালার প্লেট এবং আরও ৪০টি সাদাকালো ছবি, এক সমৃদ্ধ টেকনিকাল গ্লসারি যেটা বইয়ের মূল সরল ভাষ্যের গাণিতিক এবং বৈজ্ঞানিক পূর্ণতা দেয়। (সম্পূর্ণ…)

বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি: ওবামা চিত্র ও সংকটে বিস্ময়ে “Surreal”

রেশমী নন্দী | ৩০ december ২০১৬ ৯:৪০ অপরাহ্ন

Obamaঅনেকের অনেক হিসেবনিকেশ উল্টাপাল্টা করে দিয়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হয়ে গেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওবামা প্রশাসনের বিদায়ের দিনও খুব কাছেই, ২১ জানুয়ারী ২০১৭। এরই মধ্যেই হয়তো তৈরি হয়ে গেছে তাঁর বিদায় ভাষণও। অন্যদিকে, নিউ ইয়র্কের শিল্পী রব প্রুইটের কাজও প্রায় শেষের দিকে। ২০০৯ সালে বারাক ওবামা ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই তাঁর দিনযাপনের নানা মুহূর্ত এঁকেছেন মার্কিন এই পপ আর্টিস্ট। দুই মেয়াদে আট বছর শাসনামলে বারাক ওবামার দিনযাপনের মুহূর্তগুলো প্রায় ৩ হাজার লাল নীল রঙের আলোকাভরণে ধরে রাখছেন এই শিল্পী। বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত এসব ছবির সংকলন একদিকে যেমন প্রেসিডেন্ট ওবামার আনন্দময় স্মরণ, অন্যদিকে অসাধারণ এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের প্রতি ভালবাসার প্রকাশও। নানা পরিবেশে নানা ভঙ্গি ফুটে আছে এসব ছবিগুলোয়- কোথাও বক্তৃতা দিচ্ছেন, কোথাও কাজে ব্যস্ত তিনি, রয়েছে গলফ খেলার মুহূর্ত, সন্তানের সাথে সময় কাটানোর দৃশ্য, স্ত্রীর সাথে নাচের মুহূর্ত। এর মধ্যে অনেক ছবিই উপস্থাপিত হয়েছিল ডেট্রোয়টে “Museum of Contemporary Art”-এ। তবে প্রুইট বলছেন, কোন বিশেষ মুহূর্তকে মূর্ত করে তুলতে নয়, বরং সময় কিংবা সূত্র বিবেচনায় না এনে সামগ্রিকভাবে একজন মানুষের নানা অভিব্যক্তিই তুলে আনতে চেয়েছেন তিনি। “আমি চাই প্রত্যেকটি দিন এমন কিছু একটা ফুটিয়ে তুলুক যার ফলে ছবিগুলো দেখলেই এর মাধ্যমে আমরা যে জগতকে চিনি কিংবা চিনি না তা জানান দেবে।” (সম্পূর্ণ…)

গার্সিয়া মার্কেসের প্রবন্ধ: এন্থনি কুইনের বোকামি

রাজু আলাউদ্দিন | ৩০ december ২০১৬ ১:১৯ পূর্বাহ্ন

Comboঅগ্রন্থিত অবস্থায় গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের প্রচুর লেখা এখনও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিভিন্ন পত্রিকায়। এটি সেগুলোরই একটি। লেখাটির এখনও কোনও ইংরেজি অনুবাদ হয়নি। বাংলা ভাষাতেও সম্ভবত এই প্রথম অনূদিত হল। অনুবাদক রাজু আলাউদ্দিন লেখাটি উদ্ধার করেছেন মেক্সিকো থেকে প্রকাশিত বিখ্যাত সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘এল প্রোসেসো’র ১৯৮২ সালের ১৯ এপ্রিল সংখ্যাটি থেকে। স্প্যানিশ থেকে লেখাটির পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ এখানে হাজির করা হল। প্রবাদপ্রতিম উপন্যাস শতবর্ষের নিঃসঙ্গতার চলচ্চিত্রায়নের সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে যে ঘটনাগুলো ঘটেছিল, মার্কেস এই লেখায় তারই বর্ণনা দিয়েছেন।

অভিনেতা এন্থনি কুইন স্পেনের এক পত্রিকায় জানালেন, “টেলিভিশনে ৫০ ঘন্টার এক সিরিয়ালের জন্য শতবর্ষের নিঃসঙ্গতা হতে পারে একটি চমৎকার জিনিস। কিন্তু গাসিয়া মার্কেস তা বিক্রি করতে চান না।” আরও বললেন, “আমি এক মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব দিয়েছিলাম, রাজি হননি, কারণ গার্সিয়া মার্কেস কমিউনিস্ট এবং তিনি এক মিলিয়ন ডলার নিয়েছেন–এটা কাউকে জানতে দিতে চান না। কারণ নৈশভোজের শেষে তিনি এসে আমাকে আলাদাভাবে ডেকে নিয়ে বললেন, “আচ্ছা বলুন তো, প্রকাশ্যে এই টাকা-পয়সা প্রস্তাব করার ব্যাপারটা আপনার মাথায় এল কী করে? পরেরবার আমাকে আপনি কোনও রকম সাক্ষী-সাবুদ ছাড়া টাকার প্রস্তাব করুন।” (সম্পূর্ণ…)

গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস: নিঃসঙ্গতার একশ বছর (৩৯ পর্ব)

আনিসুজ্জামান | ২০ december ২০১৬ ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

combo.jpgবিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে নিঃসঙ্গতার একশ বছর-এর মতো আর কোনো উপন্যাস প্রকাশের পরপরই এতটা পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে কিনা সন্দেহ। জনপ্রিয়তার বিচারে যেমন, তেমনি শিল্পকুশলতা আর শিল্পমুক্তির ক্ষেত্রেও এটি হয়ে উঠেছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। কেবল স্প্যানিশ সাহিত্যেই নয়, গোটা বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসেই একটি মাত্র উপন্যাসে ইতিহাস, আখ্যান, সংস্কার, কুসংস্কার, জনশ্রুতি, বাস্তব, অবাস্তব, কল্পনা, ফ্যান্টাসি, যৌন-অযাচার ও স্বপ্ন– সবকিছুর এমন স্বাভাবিক ও অবিশ্বাস্য সহাবস্থান আগে কখনও দেখা যায়নি।
ঠিক এই কারণে মারিও বার্গাস যোসা এটিকে বলেছিলেন এক সামগ্রিক উপন্যাস (Novela Total), আর পাবলো নেরুদা একে বলেছিলেন, “সের্বান্তেসের ডন কিহোতের পর স্প্যানিশ ভাষায় সম্ভবত মহত্তম উন্মোচন (“perhaps the greatest revelation in the Spanish language since Don Quixote of Cervantes.”)
বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত কিংবদন্তিতুল্য এই উপন্যাসটি মূলভাষা থেকে অনূদিত হয়নি। এই প্রথম এটি আনিসুজ্জামানের অনুবাদে মূল থেকে ধারাবাহিক অনূদিত হচ্ছে। বি. স.
(সম্পূর্ণ…)

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য : যন্ত্রের পেটে ছোটগল্প

রেশমী নন্দী | ১৮ december ২০১৬ ৮:৩৩ পূর্বাহ্ন

storyস্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের পেট ভর্তি ছোটগল্প। বোতাম টিপে বের করে পড়ে নিলেই হলো। ফ্রান্সের ট্রেন অপারেটর SNCF স্টেশনে আপনার অপেক্ষা করার সময়টুকু নষ্ট না করে ঘুরিয়ে নিয়ে আসতে পারবে সাহিত্যের ভুবনে। সম্পূর্ণ বিনা খরচে কেবল বোতাম টিপে যে কেউ একটা ছোটগল্প বের করে চট করে পড়ে নিতে পারবেন এখানে। ক্ল্যাসিক বা মডার্ণ এমনকি রূপকথার গল্পও মিলবে এই যন্ত্রের পেটে। মজার এই যন্ত্রে তিনটি বোতাম রয়েছে ১, ৩ কিংবা ৫ মিনিট সময় নির্দেশ করে। অর্থাৎ পাঠক কতটুকু সময় দিতে চান এর পিছনে, সেটা ঠিক করারও সুযোগ আছে। গতবছর গোনবেল ( Grenoble )-এ সফল শুরুর পর এ বছর অন্তত ৩৫টি ষ্টেশনে “এমন গল্প পেটে ঢোকানো” যন্ত্র বসানো হবে বলে জানিয়েছেন SNCF। এ ছোটগল্প মানুষকে পড়ানোর প্রকল্প পরিচালনা করছে “Short Edition”। ২০১৩ সালে ‘লেখকের জাতি’ হিসেবে ফরাসিদের খেতাব মিলেছিল এ তথ্যের ভিত্তিতে যে, সে দেশের ১৭ ভাগ জনগন লেখালেখি করে। অবশ্য বেশিরভাগই থেকে যায় অপ্রকাশিত। আর তাই এমন যন্ত্রের ব্যবস্থা সে দেশে পাঠকের পাশাপাশি নবীন লেখকদেরও ভরসার জায়গা হয়ে উঠবে নিঃসন্দেহে। এরই মধ্যে তাঁদের কাছে ৫ হাজারেরও বেশি অজ্ঞাতনামা লেখকের লেখা জমা পড়েছে। এমনকি স্মার্ট ফোনের যুগে কাগুজে পদ্ধতিও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। মাত্র ছমাসে একটি মেশিন থেকেই অন্তত ১ লাখ গল্প পড়েছে ট্রেন যাত্রীরা। এরই মধ্যে চলচ্চিত্র পরিচালক ফ্রান্সিস ফোর্ড কোপোলা ঘোষণা দিয়ে ফেলেছেন, সান ফ্রান্সিসকোতে তাঁর পানশালাতেও এমন একটা যন্ত্র বসাবেন। (সম্পূর্ণ…)

আমাদের বব ডিলান

আনিসুর রহমান | ১১ december ২০১৬ ৯:৪৬ পূর্বাহ্ন

Dylanবব ডিলান মার্কিন মুল্লুকের একজন জনপ্রিয় গায়ক। যার খ্যাতি দুনিয়া জুড়ে। যিনি আমাদের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ১৯৭১ সালে সমর্থন জুগিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে কনসার্টে অংশ নিয়ে গান গেয়েছেন। এতটুকু আমি জানতাম। কিন্তু এতোটা তলিয়ে দেখিনি তাঁর কণ্ঠের গানগুলো কবিতা হিসেবে কেমন। কিংবা তিনি কি আদতে কবি? নাকি শুধুই গায়ক? এই প্রশ্নগুলোও মাথায় কোনোদিন আসেনি।
নোবেল পুরস্কার পাবার আগে তার গানও যে খুব বেশি শুনেছি তা নয়, এমনিতেই আমার জীবনটা নুন আনতে পানতা ফুরানোর মতো। আর্থিক টান তো থাকেই, তারপর সময়ের টানও কেমন যেন। আমাদের বাংলার এতো এতো গান, সেইসব গান শোনার সময় হয়ে ওঠে না। তারপর আবার আলাদা আয়োজন করে ইংরেজি গান শুনবো, তা সে বব ডিলানই হোক যেই হোক।
অন্যদিকে ইংরেজি ভাষা সাহিত্যের ছাত্র হওয়া সত্ত্বেও ইংরেজির প্রতি কেন যেন একটােঔপনিবেশিক বিতৃষ্ণাও কাজ করছিল। বিশেষ করে ঢাকা শহরকেন্দ্রিক ধনী লোকদের নাক সিটকানো ভাব এবং ইংরেজিপ্রীতি দেখে। সে যাকগে, সে আমারই সীমাবদ্ধতা। তাই বলে বব ডিলানকেও উপক্ষো করব? জর্জ হ্যারিসন? (সম্পূর্ণ…)

হেমিংওয়ের মৃত্যুতে গার্সিয়া মার্কেসের প্রবন্ধ: একজন মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যু

যুবায়ের মাহবুব | ৪ december ২০১৬ ৭:৪৯ অপরাহ্ন

১৯৬১ সালের ২ জুলাই নতুন জীবন গড়ার উদ্দেশ্যে সপরিবারে মেহিকো সিটিতে এসে পৌঁছান তরুণ কলম্বিয় লেখক গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস। ঘটনাক্রমে সেই একই দিনে মহাদেশের আরেক কোণে আত্মহত্যা করেন নোবেল বিজয়ী মার্কিন সাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে। সংবাদটি পেয়ে তার ব্যক্তিগত আইডল হেমিংওয়ের প্রতি একটি শ্রদ্ধার্ঘ লিখেছিলেন গার্সিয়া মার্কেস, যেটি সপ্তাহখানেক পর স্থানীয় একটি সাংস্কৃতিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। যতদূর জানা যায়, মেহিকোয় প্রকাশিত সেটিই ছিল গার্সিয়া মার্কেসের প্রথম গদ্য রচনা। প্রথমবারের মত এটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন অনুবাদক যুবায়ের মাহবুব।
Hemingway-1

এবার বোধ হয় গুঞ্জনটি সত্যি – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে আর নেই। দূর-দূরান্তে, পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে এই সংবাদ সবাইকে নাড়িয়ে দিয়েছে, খবরটি পৌঁছে গেছে ক্যাফের বয়-বেয়ারাদের কাছে, শিকারী গাইড আর শিক্ষার্থী ম্যাটাডোরের কাছে, জেনে গেছেন ট্যাক্সি চালক, ভগ্নস্বাস্থ্য মুষ্টিযোদ্ধা, অবসরপ্রাপ্ত জনৈক বেনামী বন্দুকবাজ।

অথচ যুক্তরাষ্ট্রের আইডাহো অঙ্গরাজ্যের কেচাম নামের ছোট্ট শহরে এই সুনাগরিকের মৃত্যু স্রেফ একটি দুঃখজনক স্থানীয় ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে, ওর বেশি কিছু নয়। গ্রীষ্মের গরমে তপ্ত এক ঘরে গত ছয় দিন ধরে লাশ রেখে দেয়া হয়েছে, সামরিক সম্মাননা প্রাপ্তির কোন দুরাশায় নয়, বরং আফ্রিকায় সিংহ শিকারে গেছেন এমন একজনের ফিরে আসার অপেক্ষায়। পর্বতশৃঙ্গে মৃত চিতাবাঘের বরফজমাট দেহের পাশে এই লাশ খোলামেলা পড়ে থাকবে না শেয়াল-শকুনের আহার হয়ে, বরং মার্কিন মুল্লুকের অতিশয় শুচিশুদ্ধ কোন এক গোরস্থানে তিনি শোবেন শান্তিতে, তাকে ঘিরে থাকবে আরো কিছু চেনাশোনা মরদেহ। (সম্পূর্ণ…)

জ্যাক লন্ডনের দুষ্প্রাপ্য ছবি

রেশমী নন্দী | ২৪ নভেম্বর ২০১৬ ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন

London আলোকচিত্র: ১৯০৬ সালে জ্যাক লন্ডন সান ফ্রান্সিস্কো উপসাগরের তীরে ছবি তুলছেন।

বিখ্যাত সাহিত্যিক জ্যাক লন্ডনের অনেক লেখায় পাওয়া যায় তাঁর বিচিত্র জীবনের ছায়া। তবে আলোকচিত্রী হিসেবে তাঁর দক্ষতা খুব বেশি মানুষের দেখার সৌভাগ্য হয়নি। লেখালেখির মতো সমান দক্ষতায় জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতাকে তিনি ধারণ করে রেখেছেন তাঁর তোলা অনবদ্য কিছু ছবিতে। তাঁর দুঃসাহসী জীবনাচারণ সেই সাথে সংবাদদাতা হিসেবে তাঁর কাজের পরিধি-সবমিলিয়ে বিশ শতকের গোড়ার দিককার জীবনের অসাধারণ প্রতিচ্ছবি এসব আলোকচিত্র।
The Call of the Wild-এর মতো উপন্যাসের জন্য তিনি বিখ্যাত, যার উপজীব্য তাঁরই দুঃসাহসী অভিযান, পর্বতারোহন কিংবা দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে পাড়ি দেবার অভিজ্ঞতা। আর্নেষ্ট হেমিংওয়ের আগ পর্যন্ত তিনিই ছিলেন পৌরুষদীপ্ত লেখকের আর্দশ । তিনি একাধারে ছিলেন একজন সমাজবিজ্ঞানী, ভবঘুরে, নাবিক, যুদ্ধ সংবাদদাতা এবং “ওয়েষ্টার পায়রেট”। তাঁর প্রপৌত্রী টারনেল এ্যাবোটের ভাষ্য অনুযায়ী, অন্যদের ধরা ঝিনুক চুরি করতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিতেও দ্বিধা করেন নি। উনিশ শতকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম ও পূর্ব উপকূলে এ ধরনের দস্যুবৃত্তি হতো সমানে। জ্যাক লন্ডনের ছোট গল্প “What Life Means to Me”তেও এর বর্ণনা পাওয়া যায়। পরে অবশ্য এসব ছেড়েছুড়ে দেন তিনি। (সম্পূর্ণ…)

শব্দের জাদু– অনুবাদে ঠিক কতটা হারাই?

রেশমী নন্দী | ১৯ নভেম্বর ২০১৬ ১:১৩ অপরাহ্ন

TranslationDictionary of Untranslatables: A Philosophical Lexicon বইটি মূলত ফরাসী ভাষায় লিখিত। পরে প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে তিন গুণী ভাষাবিদের সম্পাদনায় ইংরেজীতে প্রকাশিত হয় বইটি। প্রায় ডজনখানেক ভাষার দর্শন, সাহিত্য এবং রাজনৈতিক ৪০০ শব্দের উপর নানা দিক থেকে আলোকপাত করে মূলের কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বইটিতে। এই বই নিয়ে আলোচনার সূত্র ধরেই “দি নিউইয়র্কার” -এ এ্যাডাম গুপনিক এই লেখাটি লেখেন। অনুবাদ করেছেন রেশমী নন্দী। বি. স.

ইতালীতে একবার একটা রেষ্টুরেন্টে পরিবার নিয়ে খেতে গিয়েছিলাম। ঊনিশ শতকের লেখকের ভঙ্গীতে বললে বলতে হয়, সামান্য একটা ভুলেই আমি পারিবারিকভাবে বোকা উপাধি পেয়েছিলাম। ইতালীয় দুটি শব্দের সূক্ষ্ণ পার্থক্য না বুঝে এর ব্যবহারই এ দূর্ঘটনার কারণ। ডেজার্টে স্ট্রবেরী অর্ডার দিতে খুব কায়দা করে উচ্চারণ করতে চেয়েছিলাম “fragoline”। পরে দেখলাম, আসলে যা বলেছি তা হলো “fagiolini” যার অর্থ হলো মটরশুটি। ফলে বাচ্চাদের জন্য পেস্ট্রি আর আইসক্রিমের সাথে বেশ সাড়ম্বরে আমার ডেজার্ট হিসেবে এসেছিল কফি আর মটরশুটি। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে আমার বাচ্চাদের যে হাসি শুরু হয়েছিল, সেটা এখনো মাঝে মাঝে নানা কারণে উসকে উঠে। একটা অক্ষর “r” সেদিন যে কারণে ইতালীয় ঐ রেষ্টুরেন্টে একটা পরিবারে একজনকে বোকা বলে চিনিয়ে দিল, তা হলো ভাষার নিজস্ব খামখেয়ালীপনা। যদিও কথা বলা এখন নিঃশ্বাস নেয়ার মতোই স্বাভাবিক ঘটনা, কিন্তু সত্য হলো এই যে শব্দগুলো আসলে খুব অদ্ভুত, বিমূর্ত একধরনের প্রতীক- মিশরীয় চিত্রলিপির মতোই দুর্বোধ্য, মিশরীয় সমাধির মতোই যে কাউকে ঘোল খাইয়ে দিতে পারে। (সম্পূর্ণ…)

ফেদেরিকো গারথিয়া লোরকা-র জন্য গোলাপ

ওমর শামস | ১৬ নভেম্বর ২০১৬ ১:১০ অপরাহ্ন

Lorca১ ভূমিকা :
অগাস্ট ১৯, ১৯৩৬ ফেদেরিকো গারথিয়া লোরকা (Federico Garcia Lorca)-র মৃত্যু দিন, জন্ম – জুন ৫, ১৮৯৮। এই লেখাটুকু আজকে লোরকা এবং তার কবিতা-কাজের স্মরণ, সঙ্গে–সঙ্গে শ্রদ্ধা তর্পণ। লোরকা সারা পৃথিবীর কবিতায় ইউনিক। তিনি অনন্য তাঁর কবিতার বিষয়ে, কবিতার ধারণায়, কলাকৌশলে, ভাষা-ধ্বনি প্রয়োগে, জীবন যাপনেও। আমি তাঁর নাটক বা ছবির কথা বলছি না এখানে। লোরকার ১৮ বছরের কবিতা রচনার মধ্যে ৪ টি ধারা আছে :
১. প্রস্তুতির ও প্রাথমিক বছরগুলো (১৯১৮-১৯২৭)/ Impresiones y Paisajes, 1918; Libro de Poemas, 1921
২. জিপসি বালাদ (১৯২৬-২৮) /Romancero Gitano, 1928
৩. নিউ ইয়র্কে লেখা কবিতা (১২২৯-৩০) /Poeta en Nueva York, 1940
৪. তার পরের কবিতা (১৯৩১-৩৬)/ Llanto por Ignacio Sanchez Mejias, 1935; The Tamarit Divan, 1940
এর মধ্যে মৌলিক ও মূল্যবান হচ্ছে জিপসি বালাদ এবং নিউইয়র্কে কবি। মোটা দাগে জিপসি বালাদের মধ্যে লোরকা গীতলতা এবং চিত্রকল্প ব্যাবহার করে ঐতিহ্যগত লোকজ জিনিশে নতুনত্ব ভরিয়ে দিলেন। নিউইয়র্কে লেখা কবিতাগুলোয়, যা পরে Poeta en Nueva York (নিউইয়র্কে কবি) কাব্য গ্রন্থে প্রকাশিত হয়, তিনি চিত্রকল্প এবং কোলাজ এমন ভাবে বিচ্ছিন্ন আবার একই সঙ্গে সংগ্রথিত করেছেন যে এগুলো সুররিয়ালিস্টিক অভিধা প্রাপ্ত হয়ে উঠেছে। এইসব কথা আমরা আরেকটু বিশদভাবে নিচে বলবো।
উল্লিখিত রচনার বাইরে, লোরকা নাটক লিখেছিলেন, গান বেঁধেছিলেন, ছবি এঁকেছিলেন। (সম্পূর্ণ…)

ক্রিস্টোফার মার্লো শেক্সপিয়রের সহ-লেখক ছিলেন!

বিপাশা চক্রবর্তী | ৩ নভেম্বর ২০১৬ ৬:২২ অপরাহ্ন

Marloতর্কটা অনেক দিনের। এর বিস্তারও কম নয়। বহুলেখক-গবেষকের পর্যবেক্ষণ, ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষনের ডালপালায় তর্কটি বিস্তার লাভ করেছে। তর্কের উৎসে প্রাণ সঞ্চার করেছে মূলত এই তথ্য যে ক্রিস্টোফার মার্লো ছিলেন শেক্সপিয়রের সমসাময়িক, তারচেয়েও বড় কথা তারা বন্ধু ছিলেন। দুজনই ছিলেন নাটকের অভিন্ন জগতের বাসিন্দা। কিন্তু অভিন্ন জগতের বাসিন্দাতো বেন জনসনও ছিলেন, কিন্তু শেক্সপিয়রের সাথে তাকে জড়িয়ে এই তর্কটা তৈরি হয়নি, হলো মার্লোকে নিয়েই। এর কারণও আছে। কারণগুলো ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই বহু গবেষকের আলোচনায় উঠে এসেছে। সম্প্রতি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস শীঘ্রই শেক্সপিয়রের নাটকগুলি নিয়ে একটি নতুন সমালোচনামূলক সংস্করণ প্রকাশ করতে যাচ্ছে। সেই সংস্করণটির নাম দা নিউ অক্সফোর্ড শেক্সপিয়র। এটির অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে ক্রিস্টোফার মার্লোকে শেক্সপিয়রের সহ-লেখক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান। তিনি ‘ষষ্ঠ হেনরি’ নাটকের তিনটি অংশেই শেক্সপিয়রের সহ-লেখক ছিলেন।

যুগ যুগ ধরেই সাহিত্য গবেষকরা শেক্সপিয়রের রচনায় মার্লোর প্রভাব নিয়ে গবেষণা করে আসছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ আবার ক্রিস্টোফার মার্লো ও শেক্সপিয়র একই ব্যাক্তি ছিলেন বলেও অবহিত করেছিলেন।
এই জন্য ধন্যবাদ জানাতে হয় সেই সমস্ত উদ্যোক্তাদের যারা বছরের পর বছর ধরে শেক্সপিয়রের শব্দভান্ডার, নৈতিক দর্শন ও কাব্যিক শৈলী নিয়ে গাণিতিক বিশ্লেষণ এবং সাহিত্যে ছাত্রবৃত্তি দিয়েছেন। অবশেষে এভাবেই একদল আন্তর্জাতিক গবেষণা-দল সকল রহস্যের সমাপ্তি টানলেন।
একটি বহুল প্রচলিত ধারণা হচ্ছে এই যে, শেক্সপিয়র আদৌ মিশুক ছিলেন না। ১৯৮৬ সালে অক্সফোর্ড যখন জানালো শেক্সপিয়রের আটটি নাটকের উপাদানে অন্য লেখকদের অবদান ছিলো তখন অনেক মানুষই ক্ষিপ্ত হয়েছিল। ১৯৮৬ সালের পর গবেষণার জন্য নতুন নতুন বৃত্তি, কৌশল ও প্রয়োজনীয় সম্পদ ও আধুনিক প্রযুক্তি বিনিয়োগের ফলেই আজ পরিষ্কার হলো যে, তখন শেক্সপিরের নাটকে অন্য লেখকদের অবদানকে খাটো করা হয়েছিল।
সাহিত্য অনুরাগীদের জন্য শেক্সপিয়র ও মার্লোকে ঘিরে পান্ডিত্যপূর্ণ বিতর্কে নিয়ে অনেক অজানা কথা আজ প্রকাশিত হলো। কে এই ক্রিস্টোফার মার্লো?
ক্রিস্টোফার মার্লো ছিলেন শেক্সপিয়রের সমসাময়িক এক কবি ও নাট্যকার। তিনি এলিজাবেথীয় যুগের কবি ও নাট্যকার হিসেবে বেশ সমাদৃত ছিলেন। বছরের পর বছর ধরে চলমান অনেক প্রতিষ্ঠানের গবেষণায় তার ও শেক্সপিয়রের মধ্যে যোগাযোগের প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেছে। এ দু’জনেই একে অপরকে চিনতেন ও জানতেন। তারা একই ক্ষেত্রে কাজও করেছেন। (সম্পূর্ণ…)

« আগের পাতা | পরের পাতা »

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com