ভার্চুয়াল গ্যালারি

আট তরুণের সময়-দর্শনের সংযোগ প্রদর্শনী

অলাত এহ্সান | ২৮ নভেম্বর ২০১৫ ১২:৫৮ অপরাহ্ন

বেঙ্গল ফাউন্ডেশনকে সঙ্গে নিয়ে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার ‘অনলি কানেক্ট’ শিরোনামে এক প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী আটজনই স্বকীয়তার মধ্যদিয়ে স্বচ্ছভাবে তুলে ধরেছেন তাদের ভাবনাকে। তারা যেমন ভেবেছেন, তেমনি দর্শকদেরও ভাবাচ্ছেন। চিত্রকলার বিভিন্ন মাধ্যমেই তারা এই কাজ করেছেন। প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে আলোকচিত্র, পেইন্টিং, ভিডিওগ্রাফি, ইন্সটলেশন, পার্ফমেন্স আর্ট, টেক্সটাইল ইন্সটলেশন।
শিল্প এগিয়ে যাওয়ার প্রধান যে উপায়, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, প্রত্যেকে তাদের কর্মে দুর্বীনিতভাবেই তা করছেন। শিল্প যাচ্ছে মানুষের কাছে আর মানুষের জীবন উঠে আসছে শিল্পকর্মে। এখানেই এই প্রদর্শনীর গুরুত্ব। প্রতিটি শিল্পকর্মে বর্তমান সময়ের যে প্রধান প্রবণতা—বৈচিত্র্য, বিক্ষোভ, অসহনীয় লঘুতা—তুলে ধরেছে। বোঝা যায়, প্রদর্শনীতে অংশ নেয়া প্রত্যেক শিল্পী কেবল শিল্পের সাধনায়ই নয়, ভাবনায়ও ঋদ্ধ। প্রদর্শনীতে একটু খেয়াল করলে যেকারোরই চোখে পড়ে উপস্থাপিত বিষয় ও মাধ্যমের বৈচিত্র্য।

আবির সোম নিয়ে এসেছেন ডিজিটাল কোলাজ, ড্রয়িং ও ছাপচিত্র; আলি আসগার’র মাধ্যম ছাপচিত্র ও পার্ফর্মেন্স; দেবাশিস চক্রবর্তী’র আলোকচিত্র; মো. আতা ইসলাম খান’র কোলাজ, মেহেরুন আখতার’র টেক্সাইল ইন্সটলেশন, পলাশ ভট্টাচার্য’র ভিডিও ডকুমেন্ট, রফিকুল শুভ’র ভিডিও ও ফটোগ্রাফি এবং রাজীব দত্ত’র ডিজিটাল কোলাজ।
ইতোমধ্যে প্রত্যেক শিল্পীরই যৌথ প্রদর্শনীর সংখ্যা দুইয়ের ঘর ছাড়িয়েছে। অর্ধশত, শতও পূরণ করেছে কেউ কেউ। গত ২২ নভেম্বর গ্যালারির দোতলার বারান্দায় বসেছিল শিল্পীদের সঙ্গে দর্শনার্থী, সংবাদকর্মী, লেখক, শিল্প সমালোকদের উন্মুক্ত আড্ডা। সেখানে তারা শিল্পকর্ম নিয়ে তাদের ভাবনা প্রকাশের পাশাপাশি উপস্থিতদের সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দেন। (সম্পূর্ণ…)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মের দেড়শ বছর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ফটো

| ৮ মে ২০১১ ১২:৪০ পূর্বাহ্ন

(সম্পূর্ণ…)

নাজলী লায়লা মনসুর-এর সাক্ষাৎকার

| ৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ৩:১২ অপরাহ্ন

বাংলাদেশের সমকালীন চিত্রকলার অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব নাজলী লায়লা মনসুর-এর জন্ম ১৯৫১ সালে রাজশাহী শহরে। চিত্রকলায় তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সূত্রপাত ১৯৬৮ সালে তৎকালীন ঢাকা আর্ট কলেজ-এ হলেও সমাপ্তিটুকু ঘটে ১৯৭৬ সালে চট্টগ্রাম nazlee-laila-mansur.jpg
নাজলী লায়লা মনসুর

বিশ্ববিদ্যালয়-এর চারুকলা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জনের মধ্য দিয়ে। এরপর তিনি চট্টগ্রাম আর্ট কলেজে শিক্ষকতার পাশাপাশি নিয়মিত ছবি আঁকার কাজ চালিয়ে গেছেন। অংশ নিয়েছেন শিল্পকলা একাডেমির বার্ষিক প্রদর্শনী এবং এশীয় দ্বিবার্ষিক চিত্রপ্রদর্শনীসমূহে। তাঁর প্রথম একক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমির গ্যালারিতে ২০০০ সালে। এরপর ২০০২ সালে ভারতের নয়াদিল্লির ললিতকলা একাডেমিতে তাঁর আরেকটি ছোট্ট প্রদর্শনী হয়। এ-পর্যন্ত তাঁর সবশেষ প্রদর্শনীটি অনুষ্ঠিত হয় ঢাকার বেঙ্গল গ্যালারিতে, ২০০৫ সালে। তিনি তাঁর শিল্পকর্মের জন্য দেশেবিদেশে নানা সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। নাজলীর ব্যক্তিজীবন, শিল্পীজীবনসহ বিবিধ প্রসঙ্গে এই অন্তরঙ্গ আলাপচারিতাটুকু চট্টগ্রামে তাঁর পাহাড়ের কোলঘেঁষা বাড়িতে নেয়া হয়।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আলম খোরশেদএহসানুল কবির

আলম খোরশেদ: আমরা জানি আপনি সমকালীন বাংলাদেশের একজন প্রথম সারির চিত্রশিল্পী। এই জায়গাটিতে পৌঁছাতে আপনাকে নিশ্চয়ই দীর্ঘ, lovers-and-dead-fish-small.jpg…….
Lovers and dead fish, Acrylic on canvas, 122 x 92 cm, 2008
…….
ঘটনাবহুল এক পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। আপনার একান্ত নিজস্ব সেই শিল্পযাত্রার গল্প বলুন।

নাজলী লায়লা মনসুর: আর সবার মতো আমিও ছোটবেলায় ছবি আঁকতাম। চট্টগ্রামে খাস্তগীর স্কুলে পড়ার সময়, ছবি আঁকায় আমার আগ্রহ দেখে অংকনশিক্ষিকা নমিতা দিদিমণি আমার দিকে বিশেষ মনোযোগ দেন। বলতে পারেন, তাঁর তত্ত্বাবধানেই প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আমার ছবি আঁকার শুরু। আমার বড়বোনও ছবি আঁকার ব্যাপারে আমাকে বেশ উৎসাহ দিতেন। ভাইবোনদের মধ্যে সবার ছোট হওয়াতে পরিবারের সবাই আমাকে সব ব্যাপারে উৎসাহ দিত। মেট্রিক পাশ করার পর আমার বড়বোন আমাকে ঢাকা আর্ট কলেজে ভর্তি করিয়ে দেন। উনি তখন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্যকলার ছাত্রী। তাই তার সঙ্গে তৎকালীন শিল্পকলার অঙ্গনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের যোগাযোগ ছিল। যাই হোক, আর্ট কলেজে আমার সহপাঠী ছিলেন এখনকার অনেক প্রতিষ্ঠিত শিল্পী, যেমন অলকেশ ঘোষ, আসেম আনসারী, মনসুর-উল-করিম, হাসি চক্রবর্তী, চন্দ্রশেখর দে, কাজী হাসান হাবীব, বনিজুল হক ও আরো অনেকে। (সম্পূর্ণ…)

একই সমুদ্র

স্নিগ্ধা জামান | ১৮ অক্টোবর ২০০৭ ১:১০ পূর্বাহ্ন

সেন্ট মার্টিনের সমুদ্র দেখে আমি মুগ্ধ। বাংলাদেশের সমুদ্রের পানি এত নীল আর স্বচ্ছ! বিশ্বাস হয় না। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ক্যামেরা নিয়ে সমুদ্রের সৌন্দর্যের ছবি তুলতে বের হলাম আর পাচঁজন টুরিস্টের মত। মাত্র দুদিনের জন্য আসা। যত পারা যায় ছবি তো তুলতে হবে। পেছন দিকের কোরাল বিচ ধরে হাঁটতে হাঁটতে দেখা এক দল ব্যস্ত মানুষের সাথে। বাচ্চারা দৌড়ে দৌড়ে গামলায় সামুদ্রিক গুল্ম তুলছে , আর বড়রা ভারা ভরে নিয়ে যাচ্ছে সৈকতে। সেখানেও আবার দু’তিনজন মিলে সমুদ্রের তীরে তা বিছিয়ে দিচ্ছে শুকাবার জন্য। ‘ভালো সাবজেক্ট ছবি তোলার জন্য’ – মনে মনে খুশি হয়ে ছবি তোলা শুরু করলাম। (সম্পূর্ণ…)


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com