ই-লাইব্রেরি

আর্টস ই-বুক

শ্রীগিরিগোবর্দ্ধনের ‘একেই বলে বাঙ্গালি সাহেব’

| ১৫ নভেম্বর ২০১১ ১০:৪৬ অপরাহ্ন

একেই বলে বাঙ্গালি সাহেব

প্রথম প্রকাশ: ১৯৩৩

শ্রীগিরিগোবর্দ্ধন

(জন্ম-মৃত্যু: অজানা)


আমি পাঁচালিদল-ভুক্ত ব্যক্তি নহি যে, অন্যের সহিত বাগবিতণ্ডায় প্রবৃত্ত হইব। অনেকেই এই পুস্তকের নাম পাঠ করিয়া মনে করিতে পারেন যে, ইহা ইহার সদৃশ অপর এক প্রহসনের উত্তর স্বরূপ। আমি তাঁহাদিগকে নিশ্চয় কহিতেছি যে, কোন প্রকার জনরঞ্জনকারী পুস্তক পাঠে ইহা লিখিত হয় নাই। আমি সে পুস্তক কি প্রকার এবং তাহার বিষয় কি, অদ্যপি অবগত নহি। এ প্রহসনের উদ্দেশ্য কেবল দেশের হিত-সাধন।

cover-ebbs.jpg

বিশ শতকে ৩০ দশকের বাংলা প্রহসন ‘একেই বলে বাঙ্গালি সাহেব’ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। এটির লেখকের নাম শ্রীগিরিগোবর্দ্ধন। এই নামের কোন লেখক ও তাঁর বৃত্তান্ত অজানা। হতে পারে এটি অন্য কোন লেখকের ছদ্মনাম। বর্তমান আর্টস সংস্করণটি তৈরি করা হয়েছে ১৯৩৩ সালের একটি সংস্করণের ভিত্তিতে। পূর্ববর্তী প্রকাশ না পাওয়ায় এটিকেই প্রথম প্রকাশ ধরা হয়েছে।

‘একেই বলে বাঙ্গালি সাহেব’ সম্পর্কে বিশেষ জানা না গেলেও ১৮৮০ সালে ‘একেই কি বলে বাঙ্গালি সাহেব’ নামে প্রকাশিত আরেকটি প্রহসন পাওয়া যায়। দুই প্রহসনের মধ্যে কোন সম্পর্ক আছে কিনা—তা আর এখন বোঝার উপায় নেই। ১৮৮০ সালে প্রকাশিত প্রহসনটির লেখক হলেন বিদ্যাশূন্য ভট্টাচার্য। এটি ছদ্মনাম কিনা বোঝা শক্ত। ছদ্মনাম বিষয়ে বলবার কারণ সে যুগে ছদ্মনাম ব্যবহারের বেশ প্রচলন ছিলো। যেমন, ‘কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য’ নামে বিদ্যাসাগর ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা লিখেছিলেন দুটি বই—‘অতি অল্প হইল’ এবং ‘আবার অতি অল্প হইল’।

‘একেই বলে বাঙ্গালি সাহেব’-এর শুরুতে লেখক একটি ভূমিকা দিয়েছেন। ভূমিকায় সম্ভবতঃ আগে প্রকাশিত প্রহসনের সাথে এর সম্পর্ক অস্বীকার করেছেন লেখক। সেখানে আগের প্রহসন সম্পর্কে একটি ইঙ্গিত পাওয়া যায়–বিদ্যাশূন্য ভট্টাচার্য পাঁচালি দলের লেখক ছিলেন। ভূমিকাটি এখানে দেয়া হলো।
(সম্পূর্ণ…)

আর্টস ই-বুক

রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘কলিকাতা কল্পলতা’

| ১ নভেম্বর ২০১১ ২:২৭ পূর্বাহ্ন

কলিকাতা কল্পলতা

প্রথম প্রকাশ: অজানা

রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়

(১৮২৭ ১৮৮৭)


এক রহস্যজনক জনশ্রুতি এই যে, ইংরাজেরা যখন প্রথমতঃ এইস্থানে বাণিজ্যালয় স্থাপনার্থ আগমন করিলেন তখন গঙ্গাতীরে দণ্ডায়মান কোন লোককে অঙ্গুলী প্রসারণ পূর্ব্বক স্থানের নাম জিজ্ঞাসা করাতে সে ব্যক্তি সেইদিকে শায়িত এক ছিন্নবৃক্ষ দেখিয়া মনে করিল সাহেবরা কবে ঐ বৃক্ষছেদন হইয়াছে, তাহাই জিজ্ঞাসা করিতেছেন। অতএব সে উত্তরচ্ছলে কহিল—“কালকাটা”। সেই হইতে ইংরাজেরা ইহার নাম “ক্যালকাটা” রাখিলেন।–কলিকাতা কল্পলতা


cover-web.jpg

রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদি নিবাস বর্তমান হুগলি জেলার বাকুলিয়া। তাঁর পিতার নাম রাম নারায়ণ। মায়ের নাম জানা যায় না।

রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় হুগলি মহসিন কলেজে কিছুদিন পড়াশোনা করেন। ইংরেজি, সংস্কৃত এবং প্রাচীন ওড়িয়া কাব্য ও সাহিত্যে তাঁর জ্ঞান ছিল। কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকায় তিনি সাহিত্য রচনা শুরু করেন। ১৮৫৫ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত এডুকেশন গেজেট পত্রিকার সহ সম্পাদক ছিলেন তিনি। সেই সময়ের এডুকেশন গেজেটে তাঁর গদ্য এবং পদ্য দুই রকম রচনাই প্রকাশিত হতো।

১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে ৬ মাস অধ্যাপনা করবার পর আয়কর অ্যাসেসর এবং ডেপুটি কালেক্টর হন। তারপর ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে চাকরি শুরু করেন। ১১ এপ্রিল ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দে অবসর নেন।

তিনি মূলত স্বদেশপ্রেমিক কবিরূপে বিখ্যাত। তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘পদ্মিনী উপাখ্যান’, ‘কর্মদেবী’ এবং ‘শূরসুন্দরী’। টডের ‘অ্যানাল্‌স্‌ অব রাজস্থান’ থেকে কাহিনীর অংশ নিয়ে তিনি ‘পদ্মিনী উপাখ্যান’ রচনা করেন। অনুবাদ সাহিত্যে আছে সংস্কৃত থেকে ঋতুসংহার এবং কুমারসম্ভব (১৮৭২), নীতিকুসুমাঞ্জলি (১৮৭২), হোমারের মহাকাব্যের অনুবাদ ‘ভেক-মুষিকের যুদ্ধ’ | ১৮৮২ সালে তিনি মুকুন্দরামের কবিকঙ্কন চণ্ডি সম্পাদনা করে প্রকাশিত করেন | ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে রচিত ‘কাঞ্চী কাবেরী’ কাব্যগ্রন্থ প্রাচীন ওড়িয়া কাব্যের অনুসরণে লিখিত। তিনি ‘উৎকল দর্পণ’ নামে সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এছাড়া তিনি রস সাগর, বার্তাবহ, এডুকেশন গেজেট ইত্যাদি পত্রিকার সম্পাদনা করেন | ওড়িশার পুরাতত্ত্ব ও ওড়িয়া ভাষা সম্বন্ধে বহু নিবন্ধ লিখেছিলেন তিনি।

স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে

কে বাঁচিতে চায়?

দাসত্ব শৃঙ্খল বল কে পরিবে পায় হে

কে পরিবে পায়…

উপরের লাইন ক’টি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ‘পদ্মিনী উপাখ্যান’-এর অংশ। ভারতবর্ষে ইংরেজ বিরোধী আন্দোলনে এই লাইনগুলো উদ্দীপনামূলক ভূমিকা রেখেছে।
(সম্পূর্ণ…)

আর্টস ই-বুক

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দেবদাস (১৯১৭)’

| ১৬ অক্টোবর ২০১১ ২:৪৬ পূর্বাহ্ন

দেবদাস

প্রথম প্রকাশ: ১৯১৭

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

(১৮৭৬ ১৯৩৮)

১৯০১ সালে রচিত হলেও দেবদাস প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৭ সালে। প্রকাশের পরে পরেই ভারত উপমহাদেশের বেশ কয়েকটি ভাষায় অনূদিত হয়। শরৎচন্দ্র তখন খ্যাতিমান সাহিত্যিক।

front-eb-2.jpg দেবদাস-এর মতো বাংলা ভাষার আর কোনো উপন্যাস সিনেমা নির্মাতাদের আকৃষ্ট করতে পারেনি। দেবদাস-এর প্রথম চলচ্চিত্ররূপ ১৯২৮ সালে। এটি ছিলো নির্বাক ছবি। এরপর ১৯৩৫ ও ৩৬ সালে আবার নির্মিত হয়। এ দুটি সবাক। প্রথমটি বাংলায়, দ্বিতীয়টি হিন্দিতে। ১৯৫৫, ২০০২ ও ২০০৯ সালে আবার হিন্দিতে সিনেমা নির্মিত হয়। এ ছাড়া তামিল ও অহমিয়া ভাষায় নির্মিত হয়। বাংলা ভাষায় আরো তিনবার। কোলকাতায় একবার, বাংলাদেশে দুইবার (দুটি-ই চাষী নজরুল ইসলামের–একটি মুক্তির অপেক্ষায়)।

সিনেমার কাহিনী হিসেবে দেবদাস জনপ্রিয় হলেও সাহিত্য আলোচনায় দেবদাসকে খুব একটা পাওয়া যায় না। অন্যদিকে, ১৯৩৫ সালে নির্মিত দেবদাস শরৎচন্দ্র পছন্দ করেননি বলে জানা যায়। দেবদাসের মৃত্যুসংবাদে পার্বতীর উদ্ভ্রান্ত দৌঁড় উপন্যাসে না থাকলেও সিনেমায় ঢোকানো হয়। সিনেমা নির্মাতার তরফে এই ‘দৌঁড়’কে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি একটি দৃশ্যের মাত্র, কিন্তু চিন্তা উদ্রেককারী।
(সম্পূর্ণ…)

আর্টস ই-বুক

গোপালচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের ‘বিধবার দাঁতে মিশি (১৮৭৪)’

| ২২ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১১:৫৪ অপরাহ্ন

বিধবার দাঁতে মিশি

প্রথম প্রকাশ: ১৮৭৪

গোপালচন্দ্র মুখোপাধ্যায়

(জন্ম-মৃত্যু অজানা)

arts-thumb.jpg

গোপালচন্দ্র মুখোপাধ্যায় সম্পর্কে তথ্য বিশেষ পাওয়া যায়নি। জন্ম-মৃত্যু, মা-বাবা, আবাস, পেশা, লেখাপড়া ইত্যাদি জানা যায়নি। বহু বছর যাবত তাঁর কোন বইও আর প্রকাশিত হয় না। বিভিন্ন উৎস থেকে জানা যায় যে গোপালচন্দ্র মুখোপাধ্যায় ‘বিধবার দাঁতে মিশি’ বাদে অন্ততঃ সাতটি বই লিখেছেন। ১৯৮৫ (বাংলা ১২৯২) সালে ‘রাজস্থান’ নামে রাজস্থানের ইতিহাস তার শেষ বই হিসাবে পাওয়া গেছে। এটি দুইখণ্ডে প্রকাশিত হয়। কর্ণেল টড রচিত “Annals and Antiquities of Rajasthan” অবলম্বনে রচিত ‘রাজস্থান (১৮৮৫)’। ‘রাজস্থান’-এর আখ্যাপত্রে লেখকের পরিচয় হিসেবে ‘ভিক্টোরিয়া রাজসূয়’, ‘রাজ-জীবনী (১৮৮২)’, ‘বীরবরণ (১৮৮৩)’, ‘যৌবনে যোগিনী (১৮৮৩)’, ‘পাষাণ-প্রতিমা (১৮৭৭)’ ‘কামিনীকুঞ্জ’ প্রভৃতি প্রণেতা দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্যণীয়, ‘বিধবার দাঁতে মিশি’-এর নাম বাদ পড়েছে; যদিও এটি-ই লেখকের প্রথম বই। ১৮৮৩ সালে প্রকাশিত ‘যৌবনে যোগিনী’-এর আখ্যাপত্রে ‘বিধবার দাঁতে মিশি’-এর উল্লেখ ছিলো।
(সম্পূর্ণ…)

আর্টস ই-বুক

ভূদেব মুখোপাধ্যায়ের ‘অঙ্গুরীয় বিনিময় (১৮৫৭)’

| ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১:৪৮ পূর্বাহ্ন

অঙ্গুরীয় বিনিময়

প্রথম প্রকাশ: ১৮৫৭

ভূদেব মুখোপাধ্যায়

(১৮২৭ ১৮৯৪)

angb-cover.jpg

১৮৫৭ সালে ঐতিহাসিক উপন্যাস নামে একটি বই প্রকাশ করেন ভূদেব মুখোপাধ্যায়। ঐতিহাসিক উপন্যাস-এঅঙ্গুরীয় বিনিময়-এর প্রথম প্রকাশ। এই বইয়ে দুটি উপন্যাস একসাথে প্রকাশিত হয়। অঙ্গুরীয় বিনিময় বাদে অন্যটি ছিলো সফল স্বপ্ন। ‘রোমান্স অব হিস্ট্রি’ নামের একটি ইংরেজি বই থেকে প্লট সংগ্রহ করেন ভূদেব। দু’টি উপন্যাসই ঐ ইংরেজি বইয়ের উপর ভিত্তি করে রচিত। ফলে উপন্যাস দু’টিতে ঐতিহাসিক তথ্যনিষ্ঠার সাথে সচেতন ফিকসনের যোগ আছে। বলা হয় বাংলা সাহিত্যে ঐতিহাসিক উপন্যাস লিখবার প্রথম উদাহরণ ভূদেব মুখোপাধ্যায়ের। কাজী আবদুল ওদুদ বলেন, বঙ্কিমচন্দ্রের ‘দুর্গেশনন্দিনী’ উপন্যাসে অঙ্গুরীয় বিনিময়-এর আসর দেখতে পাওয়া যায়।

অঙ্গুরীয় বিনিময় তথা ঐতিহাসিক উপন্যাস প্রথম প্রকাশের সময় ভূদেব রচিত বিজ্ঞাপন পাওয়া যায় ১৯০২ সালে প্রকাশিত বইটির (ঐতিহাসিক উপন্যাস) ষষ্ঠ সংস্করণ থেকে। এখানে সেটি যুক্ত করা হলো:

(সম্পূর্ণ…)

আর্টস ই-বুক

রবীন্দ্রনাথ মৈত্রের ‘মানময়ী গার্লস্ স্কুল (১৯৩২)’

| ৩১ আগস্ট ২০১১ ৪:৪৬ অপরাহ্ন

মানময়ী গার্লস্ স্কুল

প্রথম প্রকাশ: ১৯৩২

রবীন্দ্রনাথ মৈত্র

(১৮৯৬ ১৯৩৩)

post-im-mgs.jpg
মানময়ী গার্লস্ স্কুল সফল বাংলা নাটকগুলির একটি। রবীন্দ্রনাথ মৈত্রের লেখা এ নাটকটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩২ সালে, তাঁর মৃত্যুর এক বছর আগে। প্রকাশের পরেই কোলকাতা ও কোলকাতার বাইরে মানময়ী গার্লস্ স্কুল মঞ্চস্থ হয় বহুবার। এ নাটকের সাফল্যের আরেকটি ক্ষেত্র একাধিক ভাষায় সিনেমা হওয়া। হিন্দি ও তামিল ভাষায় সিনেমা তৈরি হয়, বাংলায়—কোলকাতায় সিনেমা হয় দুইবার। বলা হয় অভিনেত্রী কানন বালা বা কানন দেবী ১৯৩৫ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমা মানময়ী গার্লস্ স্কুল–এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হন। পরে ১৯৫৮ সালে উত্তমকুমারের অভিনয়ে আবার সিনেমা তৈরি হয়। এর বাইরে নাটকটি ইংরেজিতে অনূদিত হয়।

পরবর্তীতে নাটকটি ক্রমশঃ অপরিচিত হয়ে উঠতে থাকে, বিশেষতঃ বাংলাদেশে। বাংলা একাডেমী’র লেখক অভিধানে রবীন্দ্রনাথ মৈত্র-এর নাম নেই, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক একটি পাঠ্য বইয়ে দেখা গেল, নাটক অধ্যায়ে এই নাটক বা নাট্যকারের উল্লেখ নেই। স্পষ্ট করে এগুলির কারণ নির্দেশ করা কঠিন।

এখন ই-বুক হিসেবে প্রকাশিত হলো মানময়ী গার্লস্ স্কুল-এর প্রথম আর্টস সংস্করণ।

অনলাইনে পড়ুন অথবা/এবং ডাউনলোড করুন:
রবীন্দ্রনাথ মৈত্রের ‘মানময়ী গার্লস্ স্কুল (১৯৩২)’
(সম্পূর্ণ…)

আর্টস ই-বুক

গিরীশচন্দ্র সেনের ‘তাপসমালা (১৮৮০)’

| ১৫ আগস্ট ২০১১ ১:২৮ পূর্বাহ্ন

তাপসমালা

প্রথম প্রকাশ: ১৮৮০

গিরীশচন্দ্র সেন

(১৮৩৫ ১৮৯৬)

untitled-2.jpg
তাপসমালা (১৮৮০–১৮৯৬) ফার্সি কবি শেখ ফরিদ-উদ্-দ্বীন আত্তার রচিত ‘তাজকিরাত-উল-আউলিয়া’ গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ। গিরীশচন্দ্র সেন মূল ফার্সি থেকে এটি বাংলায় অনুবাদ করেন।

গিরীশচন্দ্র সেন ফার্সি ভাষা জানতেন। মোঘল আমলে উচ্চাকাঙ্ক্ষী হিন্দু পরিবারে ফার্সি শেখার প্রচলন ছিল। কারণ, ফার্সি ছিলো মোঘল রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ভাষা। ইংরেজরা মোঘলের স্থলাভিষিক্ত হবার পরেও দীর্ঘ দিন ফার্সির স্থলাভিষিক্ত হয়নি ইংরেজি। গিরীশচন্দ্র সেনের জন্মের দুই বছর পর, ১৮৩৭ সালে ফার্সির বদলে ইংরেজিকে প্রশাসনিক ভাষা হিসাবে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু ততদিনে ফার্সির সাথে ভারতের সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়ে গেছে। ফলে তাৎক্ষণিকভাবেই ফার্সির প্রচলন উঠে যায়নি। তবে আরো আগে থেকেই ইংরেজদের ক্ষমতাসীন হবার সাথে তাল মিলিয়ে ইংরেজির প্রতি আগ্রহ বাড়তে থাকে এবং ফার্সির প্রতি আগ্রহ কমতে থাকে।
(সম্পূর্ণ…)

আর্টস ই-বুক

জীবনানন্দ দাশের ‘সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮)’

| ১৩ জুলাই ২০১১ ১০:৪২ অপরাহ্ন

সাতটি তারার তিমির

প্রথম প্রকাশ: ১৯৪৮

জীবনানন্দ দাশ

(১৮৯৯ ১৯৫৪)

cover.jpg

সাতটি তারার তিমির জীবনানন্দ দাশের পঞ্চম কাব্যগ্রন্থ, প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে, বাংলা অগ্রহায়ণ ১৩৫৫ সনে। প্রকাশক আতাওয়ার রহমান, কলকাতার ‘গুপ্ত রহমান এন্ড গুপ্ত’ প্রকাশনী থেকে প্রকাশ করেন সাতটি তারার তিমির। প্রচ্ছদ করেছিলেন সত্যজিৎ রায়। ৪০টি কবিতা নিয়ে ৬+৮০ পৃষ্ঠার ডিমাই সাইজের বইটির মূল্য রাখা হয়েছিল আড়াই টাকা। বইটি জীবনানন্দ দাশ উৎসর্গ করেন হুমায়ুন কবিরকে।

হুমায়ুন কবির ফরিদপুরের লোক, কিন্তু ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হলে তিনি ভারতে থেকে যান, যদিও ফরিদপুর পাকিস্তানের অংশ হয়। পাকিস্তান থেকে যাওয়া জীবনানন্দ এসময় কলকাতায় চাকরি খুঁজছিলেন। আর হুমায়ুন কবির ছিলেন একাধারে কংগ্রেস সরকারের শিক্ষামন্ত্রী মৌলানা আবুল কালাম আজাদের অধীনে ভারতের যুগ্ম শিক্ষা উপদেষ্টা, শিক্ষা সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান।

‘সাতটি তারার তিমির’ প্রকাশিত হবার পরে জীবনানন্দ দাশ ‘স্বরাজ’ নামে এক দৈনিক পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক নিযুক্ত হন। ‘স্বরাজ’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন হুমায়ুন কবির।
(সম্পূর্ণ…)

আর্টস ই-বুক

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ল্যাবরেটরি (১৯৪০)’

| ২৫ জুন ২০১১ ৬:১৬ অপরাহ্ন

ল্যাবরেটরি

প্রথম প্রকাশ: ১৯৪০

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

(১৮৬১ ১৯৪১)

lab-cover.jpg

“ল্যাবরেটরি” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প, শুধু এই গল্পটি নিয়ে লেখকের জীবদ্দশায় বা তাঁর মৃত্যুর পরে বই হিসেবে বের হয়নি। গল্পটির প্রথম প্রকাশ আনন্দবাজার পত্রিকা ১৫ আশ্বিন ১৩৪৭ শারদীয় সংখ্যায়। ১৯৪১ সালের ১ জানুয়ারি প্রকাশিত তিনসঙ্গী গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয় গল্পটি। পরে রবীন্দ্রনাথের গল্পগুচ্ছ গল্পসংকলনের চতুর্থ খণ্ডে (সংকলন: পুলিনবিহারী সেন, সম্পাদনা কানাই সামন্ত, ১৩৬৯ বঙ্গাব্দ) সংযোজিত হয় গল্পটি।

এবারে আর্টস ই-বুক সংস্করণ হিসেবে ল্যাবরেটরি গল্পটি নিয়ে স্বতন্ত্র বই প্রকাশিত হলো।

অনলাইনে পড়ুন অথবা/এবং ডাউনলোড করুন:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ল্যাবরেটরি (১৯৪০)’
(সম্পূর্ণ…)

আর্টস ই-বুক

গিরিশচন্দ্র বসুর ‘সেকালের দারোগার কাহিনী (১৮৮৫)’

| ১৫ জুন ২০১১ ৮:০০ অপরাহ্ন

সেকালের দারোগার কাহিনী

প্রথম প্রকাশ: ১৮৮৫

গিরিশচন্দ্র বসু

(১৮২৪ ১৮৯৮)

গিরিশচন্দ্র বসু জন্মগ্রহণ করেন ১৮২৪ সালে। তাঁর জন্মস্থান বা পিতৃ-মাতৃ পরিচয় বিশেষ জানা যায় না। তাঁর জীবনকালে ও সাহিত্যিক সক্রিয়তার সময়ে আরো কয়েকজন ‘গিরিশচন্দ্র’ ছিলেন, এমনকি ‘গিরিশচন্দ্র বসু’ নামেও সাহিত্যিক ছিলেন। সাহিত্যিক প্রতিষ্ঠার দিক থেকে অন্যান্য গিরিশচন্দ্ররা বেশি খ্যাত ছিলেন। যেমন ‘গিরিশচন্দ্র বসু’ নামে একজন কৃষিবিজ্ঞানী ছিলেন যিনি ইউরোপ থেকে কৃষি ও উদ্ভিদবিদ্যা বিষয়ে ডিগ্রি নিয়েছেন এবং এসব বিষয়ে বিভিন্ন বই লিখেছেন।

—————————————————————–
cover-se-da-ka.jpg

পূর্ব্বেই বলিয়াছি যে সাহেবদিগের কথা জানিবার জন্য, তাঁহাদের পুস্তকই আমাদের প্রধান উপায়। তদ্ভিন্ন কলিকাতা নগরের রাস্তাঘাটে যে অল্পবিস্তর ইউরোপবাসীদিগকে আমরা দেখিতে পাই, তাহাতেই আমরা বুঝিতে পারি, যে ইতর সাহেব এক ভয়ানক জীব। তথাপি ইহারা ইউরোপের ইতর লোকের যথার্থ আদর্শ নহে। ইহাদের অপেক্ষা যে আরও কত পরিমাণে অপকৃষ্ট মনুষ্য আছে, তাহা আমাদের জানিবার উপায় নাই; কেবল অনুমানের উপর নির্ভর করিয়া মনকে প্রবোধ দিতে হয়। তাই বলিতেছি যে বাঙ্গালী চোরের সহিত সাহেব চোরের তুলনা হইতে পারে না।সেকালের দারোগা কাহিনী/গিরিশচন্দ্র বসু
—————————————————————–

এর বাইরে তিনি ইউরোপ ভ্রমণের স্মৃতি নিয়ে দুই খণ্ডে ‘ইংরেজ চরিত বা জন্ বুল (ফরাসি বইয়ের অনুবাদ)’ লিখেছেন। আরো একজন গিরিশচন্দ্র বসু (কায়স্থতত্ত্ব-কৌমুদী–১৮৮৫) মূলত সংস্কৃত পণ্ডিত ছিলেন। এছাড়া গিরিশচন্দ্র নামে কোলকাতায় বিখ্যাত নাট্য-ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ফলে বিভিন্ন বই-পুস্তকে তাদের লেখা বই থেকে শুরু করে জন্ম ও মৃত্যু তারিখ পর্যন্ত পরস্পরবিরোধী তথ্য আছে। এত দিন পরে সেই তথ্যগুলি থেকে সঠিক তথ্য নির্ণয় করা কঠিন।
(সম্পূর্ণ…)

আর্টস ই-বুক

চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায়ের ‘উদভ্রান্ত প্রেম (১৮৭৫)’

| ৩১ মে ২০১১ ১১:০৪ অপরাহ্ন

উদভ্রান্ত প্রেম

উদভ্রান্ত প্রেম

প্রথম প্রকাশ: ১৮৭৫

চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায়

(১৮৪৯ ১৯২২)

চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখন আর সহজলভ্য নয়। তাঁর পিতা-মাতা, নিবাস বা পেশা সম্পর্কে তথ্যাদি অপর্যাপ্ত। কিন্তু এটুকু জানা যায় যে, তিনি বঙ্গদর্শন-এর নিয়মিত লেখক ছিলেন।

বঙ্গদর্শন অন্তত তিন জনের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়, দুটি পর্বে। দুই পর্বে বলা হলো মাঝখানে বিরতির কারণে। প্রথম পর্বের সম্পাদক ছিলেন ক্রমান্বয়ে সঞ্জীবচন্দ্র ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আর বঙ্গদর্শন নবপর্যায়ের সম্পাদক ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায় বঙ্গদর্শনের দুটি পর্বেই নিয়মিত লেখক ছিলেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনাকালে বঙ্কিমযুগের অনেক লেখক বেঁচে থাকলেও চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায় ও শ্রীশচন্দ্র মজুমদার ছাড়া আর কাউকে এ পর্যায়ের লেখক হিসেবে পাওয়া যায় না; রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই দুজনকে গ্রহণ করেছিলেন অথবা অন্যরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে তাদের সম্পাদক হিসাবে গ্রহণ করেননি।
(সম্পূর্ণ…)

আর্টস ই-বুক

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা (১৯২৯)’

| ১৫ মে ২০১১ ১১:১১ অপরাহ্ন

লেখা ও প্রকাশের দিক থেকে শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দশম উপন্যাস। রবীন্দ্রনাথ এটি লেখেন ১৯২৮ সালে ব্যাঙ্গালোরে, স্বাস্থ্যোদ্ধারে থাকবার সময়ে। শেষের কবিতা প্রথম প্রকাশিত হয় প্রবাসী’তে, ধারাবাহিকভাবে ভাদ্র থেকে চৈত্র পর্যন্ত। প্রবাসী’র এই সংখ্যাগুলির অধিকাংশের কপি পাওয়া গেছে। প্রবাসী’র কার্তিক ১৩৩৫ সংখ্যায় দু’টি ছবি আছে শেষের কবিতা’র সাথে। এই দু’টি ছবিতে তিনটি চরিত্র দেখা যায়—যোগমায়া, অমিত আর লাবণ্য।

shesher-kabita-4.jpg

ভাদ্র ও আশ্বিন সংখ্যা পাওয়া যায়নি; পরবর্তি সংখ্যাগুলিতে আর কোন ছবি নেই। কী কারণে পরবর্তি সংখ্যাগুলিতে আর কোন ছবি রাখা হয়নি—সেটি জানা যায় না।

প্রবাসী’তে ধারাবাহিকভাবে শেষের কবিতা প্রকাশিত হবার পরে ইংরেজি ১৯২৯ সালে বই হিসাবে বের হয়। ১৯৪৬ সালে সম্ভবত প্রথম শেষের কবিতা ইংরেজিতে প্রকাশিত হয় Farewell, My Friend নামে। এটি অনুবাদ করেন কৃষ্ণা কৃপালানি (১৯০৭–১৯৯৩), প্রকাশিত হয় লন্ডন থেকে। আরো অন্তত দু’টি অনুবাদের কথা জানা যায়। একটি রাধা চক্রবর্তী’র অনুবাদে Farewell Song এবং অন্যটি হলো The Last Poem, এই অনুবাদটি আনন্দিতা মুখোপাধ্যায়ের।
(সম্পূর্ণ…)

পরের পাতা »

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com