আলোকচিত্র

কথাসাহিত্যিক হুয়ান রুলফোর আলোকচিত্র : আলোছায়ার অজানা স্রষ্টা

রেশমী নন্দী | ১৯ মে ২০১৭ ১২:৪৪ অপরাহ্ন

rulfo-1
চিত্র: লেখক হুয়ান রুলফো, জন্ম ১৯১৭ সালের ১৬ মে, মেহিকোর পশ্চিমাংশের হালিস্কোতে

গত ১৬ মে ছিল লাতিন আমেরিকান সাহিত্যের অন্যতম ব্যক্তিত্ব হুয়ান রুলফোর শততম জন্মবার্ষিকী। লোকসংষ্কৃতি বিষয়ে খুচরো কিছু প্রবন্ধ ছাড়া তাঁর জীবদ্দশায় প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা মাত্র দুটি। একটি উপন্যাস, আরেকটি ছোট গল্পের সংকলন। তবু সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি বিবেচিত হন অন্যতম লেখক হিসেবে। তাঁর উপন্যাসের নাম Pedro Páramo, যেখানে মৃত মায়ের কথা রাখতে বাবাকে খুঁজতে গিয়ে নায়ক হুয়ান প্রেসিয়াদো পৌঁছান ভৌতিক এক নগরীতে। তারপর মৃত আর জীবিতের ফারাক; অতীত, বর্তমান আর ভবিষ্যতের সীমা সবকিছুই হয়ে ওঠে একই সাথে বাস্তব ও অলীক। হোর্হে লুইস বোর্হেসের মতে, এটা গোটা বিশ্বের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভালো উপন্যাস। গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস বলেছিলেন, তিনি উপন্যাসটি এতবার পড়েছেন যে মুখস্ত বলতে পারবেন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস One Hundred Years of Solitude লেখার প্রেরণা হিসেবেও তিনি একে উল্লেখ করেছেন। ১৯৫৫ সালের প্রকাশিত উত্তরাধুনিক উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য এক উদাহরণ হিসেবে স্বীকৃত। এই উপন্যাস প্রকাশের দু’বছর আগে প্রকাশিত হয় তাঁর একমাত্র গল্পগ্রন্থ El Llano en Llamas, ১৯৫৩ সালে। আর ১৭ টি গল্পের এই সংকলনের জন্যই তিনি বিবেচিত হন অন্যতম সফল ছোটগল্প লেখক হিসেবেও। (সম্পূর্ণ…)

সিমিন হোসেন রিমি’র আলোকচিত্রে ‘প্রকৃতি’ দর্শন

অলাত এহ্সান | ২৪ december ২০১৫ ৬:৫৪ অপরাহ্ন

02_9.jpgশিল্প-সাহিত্যের অপার বিস্ময়ের জায়গা হচ্ছে মানুষ ও প্রকৃতি। এই দুইয়ের মধ্যে ডুব দিয়েই শিল্পী-সাহিত্যিক তুলে আনে মূল্যবান মনিমুক্তা। রাজধানীর গ্যালারি টুয়েন্টি ওয়ান-এ চলছে সিমিন হোসেন রিমি একক আলোকচিত্র প্রদর্শনী। শিরোনাম ‘প্রকৃতি’। প্রদর্শনীতে উপস্থাপিত ১১৪ টি আলোকচিত্রে প্রকৃতির নিত্যদিনের সৌন্দর্যের অন্বেষণ করেছেন চিত্রী।

সিমিন হোসেন রিমি ইতোমধ্যে লেখক ও সমাজকর্মী হিসেবে খ্যাত। বিশেষত মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের ডাইরি, চিঠিপত্র সম্পাদনা, গবেষণা ও তাঁকে নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী লেখার মাধ্যমে আমাদেরকে অনেক অজানা সত্য ও সময়ের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন তিনি। তবে আলোচিত্রী হিসেবে এবারই প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন। পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের মতোই তার আলোকচিত্রের হাতেখড়ি পরিবার থেকেই। এখানেও চিন্তার উন্মীলন তার ঘটেছে দেখায়। তার ছবির দিকে তাকালেই তা পরিস্কার বুঝা যায়।

তার আলোকচিত্রের বিষয়বস্তু হঠাৎ চমকে দেয়া কিছু না। নিত্যদিনের নিত্য সভা। আকাশ, সাগর, মেঘ, প্রকৃতি, ফুল, পাখি, সূর্যাস্ত ইত্যাদি। এই নিত্যবস্তু প্রতিনিয়ত রূপ বদলায়। একই আকাশের দিকে তাকিয়ে যেমন ক্ষণিক পরপরই নতুন রূপ দেখা যায়, সাগরের পাড়ে দাঁড়িয়েও প্রতিটি ঢেউকে নতুন করে দেখা যায়, তেমনি প্রতিদিনের সূর্যাস্তকেও। প্রদর্শনীর ছবিগুলোর মধ্যে আকাশ, সূর্যাস্ত ও সাগর পাড়ের দৃশ্যই বেশি। এই ছবিগুলো আর সার্বজনীনও। পৃথিবীর যে কোনো দেশে যে কোনো সময়ে এই দৃশ্যগুলো উপভোগ করা যায়। এর মাঝেই খুঁজে পাওয়া যাবে মানুষের নিয়ত দুঃখ-কষ্ট, ভাবনা ও উদাসীনতা। (সম্পূর্ণ…)

মামুন ও তাঁর মুখের পৃথিবী

সৈকত হাবিব | ৩০ জুন ২০১৩ ৭:০৯ অপরাহ্ন

নাসির আলী মামুন বাংলাদেশের সৃষ্টিশীল আলোকচিত্রায়নে এক অগ্রবর্তী শিল্পী । আজ পহেলা জুলাই তার ৬০ তম জন্মদিন। তার প্রতি আমাদের সপুষ্পক শুভেচ্ছা বি. স.

দৈবের বশেই হোক বা দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই হোক, যা কিছু আধুনিক, বিজ্ঞানময় এবং প্রগতির– বাঙালি মুসলমানকে এগুলো পেতে বড় বেশি নিষেধাজ্ঞা আর ধর্মের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করতে হয়েছে। তাই ইংরেজি শিক্ষাই বলি, পশ্চিমা বিশ্বের মুক্ত হাওয়াই বলি কিংবা বলি বিজ্ঞান-প্রযুক্তি-প্রগতির কথা, সবকিছুতেই আমাদের শুরু অনেক বেশি দেরিতে। তার উপর পূর্ববঙ্গের দুর্ভাগ্য হল, পশ্চিম পাকিস্তানের জোয়াল, যা ধর্মের ছদ্মাবরণে অধর্মের চর্চা করেছে আর তাদের শোষণক্ষমতাকে অব্যাহত রাখতে ধর্মকে হাতিয়ার বানিয়ে বাঙালি মুসলমানকে আরও শত বছরের ফেরে ফেলে দিয়েছে। তাই দেখা যায় আরজ আলী মাতুব্বরের মৃত মায়ের ছবি তোলার ‘দোষে’ তাকে নিগৃহীত হতে হয়, কেবল তা-ই নয়, ফতোয়ার কারণে মাকে কবরস্থ করতেও অনেক বেগ পেতে হয়। (সম্পূর্ণ…)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মের দেড়শ বছর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ফটো

| ৮ মে ২০১১ ১২:৪০ পূর্বাহ্ন

(সম্পূর্ণ…)

ছবিমেলায় ওপেন এয়ার এক্সিবিশন

মুনেম ওয়াসিফের ফটোগ্রাফি বাংলাদেশের ‘টেকসই উন্নয়ন’কে এগিয়ে দেবে

এস এম রেজাউল করিম | ৩১ জানুয়ারি ২০১১ ৩:০২ পূর্বাহ্ন

img_0514.jpg
‘নোনা পানির আহাজারি’ বা ‘Salt Water Tears’ প্রদর্শনীতে সাতক্ষীরার মানুষ

ষষ্ঠ ছবিমেলায় মুনেম ওয়াসিফের ফটোগ্রাফি প্রদর্শনী ‘নোনা পানির আহাজারি’ বা ‘Salt Water tears’ চলবে ০৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। শুরু হয়েছিল ২৩ জানুয়ারি। ঢাকার দৃক-এ ‘মুক্ত হাওয়া প্রদর্শনী (Open Air Exhibition)’ চলছে। প্রদর্শনীর মুখবন্ধ হিসেবে বাংলা টেক্সট লিখেছেন পাভেল পার্থ। সেটি ইংরেজি অনুবাদ করেছেন নাঈম মোহাইমেন। সাতক্ষীরা জেলায় মুনেম ওয়াসিফের ফটোগ্রাফি কর্ম নিয়ে এই প্রদর্শনী। চিংড়ী চাষের কারণে সাতক্ষীরা জেলার পানি লবণাক্ত হয়ে পড়া এবং খাবার পানির সংকট সম্পর্কে আমাদের সুলভ বোধগম্যতা দেয় এই প্রদর্শনী। পানির লবণাক্ততার কারণে এই জেলার মানুষের শরীর ও জীবন কতটা ঝুঁকির মধ্যে নিপতিত তা দেখে দর্শকের হৃদয় আর্দ্র হয়ে ওঠে। সাতক্ষীরার মানুষের জীবনসত্য আমাদের অন্তরে গেঁথে দেয় এই ছবিগুলো। ডকুমেন্টারির দায়িত্ব হিসেবে বিশ্বাস উৎপাদন করতে পেরেছে এই ছবিগুলি। এই বিশ্বাসের গাঁথুনি শক্তিশালী; সাতক্ষীরার মানুষের সুখী হাসি আমাদের আর বিশ্বাস হবে না, অথবা আমাদের সন্দেহ হতে থাকবে সেই হাসিকে।
(সম্পূর্ণ…)

পক্ষীপ্রেমীর পসরায়

সেঁজুতি শোণিমা নদী | ৯ জুলাই ২০১০ ১২:০৫ অপরাহ্ন

spotbill-duck.jpg
মেটে হাঁস

ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে চলছে কালো মাথার রাজহাঁস—যেন জল নয়, বাতাসের সাগরেই তাদের কালো রেখার সাদা ডানা সাঁতরাতে পারে বেশি। ওদিকে
niaz-rahman.jpg………
নিয়াজ রহমান
……….
আবার সবুজশির পাতি হাঁস, মেটে রঙা ভূতি হাঁসেরা জলের নিচে ডুব দিয়ে জলদুনিয়ার সঞ্চিত খাবার সংগ্রহে মত্ত।

এদিকে গাছের ডালে গম্ভীর মুখে বসে আছে গো-বক। যেন কত বছরের তপস্যায় মগ্ন সে। দৃক গ্যালারির তিন তলার দেয়াল জুড়েই সাজানো এমন ৭৬টি ছবি। জলের পাখি, ডাঙার পাখি, এদেশের পাখি, ওদেশের পাখি, পড়শি পাখি, অতিথি পাখি—সব ধরনের রঙ-বেরঙের পাখির আলোকচিত্র প্রদর্শনী। আষাঢ়ের

bhat-shalik2.jpg
ভাত শালিক

সন্ধ্যায় ভিজে মেঘ গায়ে মেখে সেখানে ঢুকতেই যেন পাখিদের ডানার ছন্দে স্পন্দিত হলো হৃদয়। প্রদর্শনীর নামও হয়তো একারণেই ‘পাখায় পাখায় ছন্দ’। (সম্পূর্ণ…)

ঢাকায় আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র উৎসব, ছবি মেলা ৫

| ৩১ জানুয়ারি ২০০৯ ১১:২০ পূর্বাহ্ন

cm-logo-with-theme.jpg

ঢাকার আন্তর্জাতিক ফটোগ্রাফি উৎসব ছবি মেলা ৫-এর আয়োজন করেছে দৃক পিকচার লাইব্রেরি ও দ্য সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব ফটোগ্রাফি পাঠশালা। জাতীয় জাদুঘরের শহীদ জিয়া মিলনায়তনে ৩০ জানুয়ারি বিকেল ৪ টায় মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে। চলবে ফেব্রুয়ারির ২০ তারিখ পর্যন্ত।

এবারের ছবিমেলার থিম ‘মুক্তি’ বা ফ্রিডম। জাতীয় জাদুঘর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী, বেঙ্গল গ্যালারি অব ফাইন আর্টস, দৃক গ্যালারি, আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ, গ্যেটে ইনস্টিটিউট, ব্রিটিশ কাউন্সিল, এশিয়াটিক গ্যালারি অব ফাইন আর্টস, শাঁখারীবাজারের কল্পনা বোর্ডিংস, কারওয়ানবাজার আন্ডারপাস ও ছবির হাট এই ১১টি ভেন্যুতে ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। এছাড়া ১০টি রিকশ ভ্যানে করে ঢাকা শহরের রাস্তা ও মার্কেটগুলির সামনের খোলা জায়গায় ভ্রাম্যমাণ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা আছে। মোট ৬২টি আলাদা প্রদর্শনীতে ৩৫ দেশের ফটোগ্রাফারদের এক হাজারের বেশি ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে এবারের ছবি মেলায়।

৩১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার গ্যাটে ইন্সটিটিউটে থাকছে ছবি নিয়ে বক্তৃতা, বিতর্ক, আলোচনা, ডিজিটাল উপস্থাপনা ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। উদ্বোধনী দিনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় লেখক মহাশ্বেতা দেবী। তাঁর সঙ্গে মার্কিন চিন্তাবিদ নোম চমস্কি ভিডিও কনফারেন্সে আলোচনায় যুক্ত হন। তাঁদের আলোচনার বিষয়ও ছিল ‘মুক্তি’। ছবিমেলা থেকে এবার আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন মোজাম্বিকের ফটোগ্রাফার রিকার্ডো রাঙ্গেল।

অংশগ্রহণকারী দেশ হিসাবে আছে সাউথ আফ্রিকা, আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ, নেপাল, ফ্রান্স, ইউকে, ডেনমার্ক, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, লেবানন, চায়না, জার্মানি, ইন্ডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইসরায়েল, ইটালি, ইরাক, জাপান, মালি, মেক্সিকো, রাশিয়া, নাইজেরিয়া, নরওয়ে, পাকিস্তান, প্যালেস্টাইন, ফিলিপিনস, নেদারল্যান্ডস, ইউএসএ, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, শ্রীলংকা, সৌদি আরব ও সুইডেন।

উল্লেখ্য ছবি মেলা ৫-এর উৎসব পরিচালক হিসাবে থাকছেন আলোকচিত্রী শহীদুল আলম। তিনি ২০০০ সাল থেকে ছবি মেলা উৎসবের আয়োজন করে আসছেন।

ওয়েব লিংক

স্লাইড শোর জন্য বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর ফটো গ্যালারি দেখুন।
http://www.bdnews24.com/chobimela/index.php?s=gallery

বিস্তারিত বিবরণের জন্য ছবিমেলার সাইট ব্রাউজ করুন।
http://www.chobimela.org

সুন্দরবনে, সিডরের পরে

মুস্তাফিজ মামুন | ২৬ জানুয়ারি ২০০৮ ১১:৩৫ অপরাহ্ন

32.jpg
সুন্দরবনের কচিখালী অভয়ারণ্যের কাশিবনে।

শুনেছিলাম সিডরে সুন্দরবনের অনেকটাই ধ্বংস হয়ে গেছে। সিডরের পরে সেখানে পর্যটকের আনাগোনা নাকি কমে গেছে। সুন্দরবনের অবস্থা দেখাতে কিছু সংবাদকর্মীকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল বেসরকারি একটি ভ্রমণ সংস্থা। আমাদের সাথে ছিলেন সংস্থাটির পরিচালক মাসুদ
10-a.jpg
সুন্দরবনের নীলকমল অভয়ারণ্যের একটি খাড়ি।

হোসেন আর সুন্দরবন বিশেষজ্ঞ খসরু চৌধুরী।

ঢাকা প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে বাস ছাড়ল মংলার উদ্দেশ্যে। কুয়াশাঢাকা ভোরে আমাদের বাস এসে থামল মংলা বন্দরে। সেখানে আমাদের জন্য
53-a.jpg………
কচিখালীর কাশিবনে বনফুল।
………
অপেক্ষা করছিল ভ্রমণতরী এমভি ডিঙ্গি। তড়িঘড়ি করে সবাই উঠে পড়লাম লঞ্চে। এর পর চার দিনের জন্য আমাদের ঘর-বাড়ি এই ডিঙ্গি।

লঞ্চ ছাড়ল ঢাংমারী ফরেস্ট স্টেশনের উদ্দেশ্যে। সেখান থেকে নেওয়া হলো বনে প্রবেশের অনুমতি। এর পর নিরাপত্তাকর্মী সঙ্গে নিয়ে ছুটে চলা। পশুর নদী হয়ে আমাদের গন্তব্য শরণখোলা রেঞ্জের নীল কমল। পশুরের দুই পাশে সুন্দরবনের ঘন জঙ্গল। দেখে বোঝার সাধ্য নেই মাত্র একমাস আগে সিডরের তাণ্ডব বয়ে গেছে এ বনের উপর দিয়ে। (সম্পূর্ণ…)

সায়েরার সঙ্গে ডিজিটাল মোলাকাত

মানস চৌধুরী | ২৬ জানুয়ারি ২০০৮ ১:২৬ পূর্বাহ্ন

সাক্ষাৎকারগ্রহণকারীর টীকা
সায়েরা (Saera) জন্মেছেন এবং বড় হয়েছেন টোকিওতে। ইংরেজি ও sayera-13.jpgজাপানীতে দ্বিভাষিক হবার সুবাদে, তিনি লন্ডন যান ইউনিভার্সিটি অব আর্টসে ফ্যাশন এবং পোর্ট্রেইট ফোটোগ্রাফি নিয়ে পড়ালেখা করতে। টোকিওতে ফিরে তিনি এখন সংবাদ- আলোকচিত্রী হিসেবে কাজ করছেন এশীয় পত্রিকা মেরি ক্লেয়ার হংকং বা কসমোপলিটান হংকং-এ। আমেরিকার রিঅ্যাক্টর পত্রিকার জন্য ফ্যাশন ফোটোগ্রাফার হিসেবেও কাজ করছেন।

এটি নেয়া হয়েছিল ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০০৫ জাপানের সময় রাত ৮ টা থেকে, এমএসএন মেসেনজার মারফতে। ১৫ই সেপ্টেম্বর নির্ধারিত ছিল, এবং সময় নিয়ে ভুলবোঝাবুঝিতে সেটা সম্ভব হয়নি। সাক্ষাৎ না হয়েই
5.jpg……..
সায়েরার মডেল ফোটোগ্রাফি
………
সাক্ষাৎকার নেয়া! কিন্তু পদটির গুণগত কিছু বৈশিষ্ট্যের কারণে ব্যবহার করা বাদ দেবার কথা ভাবতে পারিনি। একেবারে খাপছাড়া লাগতে পারে এমন দু’চার লাইন ছাড়া প্রায় অবিকল ধারাবাহিকতায় এটা পুনর্লিখন করার চেষ্টা করেছি। অনুবাদের ক্ষেত্রে বড়জোর ভঙ্গি বোঝাতে একটা বা দুটো শব্দ আনা-নেয়া করেছি–উভয়ের বেলাতেই। (সম্পূর্ণ…)

একই সমুদ্র

স্নিগ্ধা জামান | ১৮ অক্টোবর ২০০৭ ১:১০ পূর্বাহ্ন

সেন্ট মার্টিনের সমুদ্র দেখে আমি মুগ্ধ। বাংলাদেশের সমুদ্রের পানি এত নীল আর স্বচ্ছ! বিশ্বাস হয় না। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ক্যামেরা নিয়ে সমুদ্রের সৌন্দর্যের ছবি তুলতে বের হলাম আর পাচঁজন টুরিস্টের মত। মাত্র দুদিনের জন্য আসা। যত পারা যায় ছবি তো তুলতে হবে। পেছন দিকের কোরাল বিচ ধরে হাঁটতে হাঁটতে দেখা এক দল ব্যস্ত মানুষের সাথে। বাচ্চারা দৌড়ে দৌড়ে গামলায় সামুদ্রিক গুল্ম তুলছে , আর বড়রা ভারা ভরে নিয়ে যাচ্ছে সৈকতে। সেখানেও আবার দু’তিনজন মিলে সমুদ্রের তীরে তা বিছিয়ে দিচ্ছে শুকাবার জন্য। ‘ভালো সাবজেক্ট ছবি তোলার জন্য’ – মনে মনে খুশি হয়ে ছবি তোলা শুরু করলাম। (সম্পূর্ণ…)


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com