ভিডিও

নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা ও তাঁর ‘ম্যারি মাই এগ’

প্রমা সঞ্চিতা অত্রি | ২৪ জানুয়ারি ২০১১ ১:৪৭ পূর্বাহ্ন


নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা’র ম্যারি মাই এগ

বেঙ্গল আর্ট গ্যালারিতে প্রদর্শিত হয়েছিল নাজিয়া আন্দালিব প্রিমার একটি ভিডিও আর্ট। নাম ম্যারি মাই এগ (Mary My Egg)। সেখানে আরও অনেক শিল্পীর সাথে প্রদর্শিত হচ্ছিল তাঁর আঁকা কিছু ছবি ও এই ভিডিওটি। ‘ম্যারি মাই এগ’, নামটার মাঝে একটু নতুনত্বের গন্ধ পেলাম এবং শিল্পের এই মাধ্যমটিকেও একটু নতুন বলেই মনে হল। পাঁচ মিনিট তেতাল্লিশ সেকেন্ডের এই ভিডিও আর্টটিতে প্রথমে দেখা যায় একটি মেয়ে বিয়ের সাজে সজ্জিত। তাঁর গলা ও কানে ভারি গহনা, পরনে লাল শাড়ি এবং মুখে বিয়ের প্রসাধন। তাঁর সামনে একটি প্লেট ও তাতে রয়েছে অনেকগুলো পোচ করা ডিম এবং আশে পাশে ছড়ানো বেশ কিছু ডিমের খোসা। মেয়েটি কাঁটা চামচ আর ছুরি দিয়ে ডিম কাটছে এবং খাচ্ছে। বারবার সে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করেই চলেছে।

—————————————————————–
আমি বলতে চেয়েছি—আমাদের ট্র্যাডিশনাল যে বিয়েগুলো হয় তাতে কেবল থাকে ডিম উৎপাদন আর ডিমটা খাওয়া। মানে খাওয়াটা এখানে সরাসরি না, আমি বলতে চাইছি আমাদের ভাবটা এমন, আমি নিজে যেটা ফিল করেছি সেটা হচ্ছে যে, আমি আমার ডিম এমনভাবে উৎপাদন করছি যেন আমি নিজেই শুধু তা খাচ্ছি, মানে নিজেই জানি না আমি এটা করছি কেন? আমাকে এটা করতে হবেই কেন? সে সম্পর্কে আমার কোন চিন্তাভাবনা নেই অথচ আমি কিন্তু কাজটা করছি এবং করেই যাচ্ছি। ওই করাটা একটা কনটিনিউয়াস প্রসেস-এ চলছে তো চলছেই।
—————————————————————-

তার চোখে-মুখে একটা নিস্পৃহ ভাব আবার একই সাথে অভিব্যক্তিতে রয়েছে কিছুটা যৌনতার ছাপ। পরের দৃশ্যে দেখা যায় সেই একই মেয়ে। কিন্তু এবার সে একটি কালো কাপড়ে আবৃত, শুধু মুখটা দেখা যাচ্ছে। তার সামনে রয়েছে সেই একই প্লেট এবং তাতে রয়েছে ডিম। সে ছুরি ও কাঁটা চামচ দিয়ে একইভাবে ডিম খাচ্ছে কিন্তু এবার সেটার রঙটা একটু অন্যরকম। ডিমের মধ্যে থেকে একটা লাল রঙ ফুটে উঠেছে। তার চোখে-মুখে সেই একই যৌন অভিব্যক্তি; মনে হচ্ছে, ডিমটা সে ঠিক খাচ্ছে না, যেন ডিমের সাথেই মিলিত হচ্ছে!
(সম্পূর্ণ…)

নজরুলের হারিয়ে যাওয়া গান
“ওরে আশ্রয়হীন শান্তিবিহীন
আছে তোরও ঠাঁই আছে…”

বাবু রহমান | ২৬ মে ২০১০ ১১:১১ অপরাহ্ন

nazrul_babu.jpg

নজরুল রচনার কিয়দংশ এখনো অনাবিষ্কৃত। ১৯৪২ থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত তাঁর সৃষ্টির নানা দিক প্রকাশিত হয়। এরপর তা দুষ্প্রাপ্যের খাতায় নাম লেখায়। নজরুলের অবমূল্যায়ন, সাতচল্লিশের দেশবিভাগ নজরুল শিল্পী, গবেষক ও সাহিত্যিকদের হতাশ করে তুলেছিল। কবিবন্ধু কমরেড মুজফ্‌ফর আহমদ এককভাবে নজরুলচর্চা শুরু করেন। বন্ধু শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়, পবিত্র মুখোপাধ্যায়, কমল দাশগুপ্ত প্রমুখ ষাটের দশকের প্রথম দিকে নব উদ্যমে কাজ শুরু করেন নজরুল নিয়ে। নবজাতক প্রকাশনীর মাজহারুল ইসলাম, কবি জিয়াদ আলী, নজরুলের আত্মীয় কাজী আব্দুল সালাম এ প্রচেষ্টায় শরীক হন। ঢাকাতে নজরুল একাডেমি প্রাতিষ্ঠানিক কাজ শুরু করে। কবি আবদুল কাদির, খান মুহম্মদ মঈনুদ্দীনসহ অনেকেই ঢাকায় নতুন করে নজরুলচর্চায় নিয়োজিত হন। তাতে কবির ছড়িয়ে থাকা হারিয়ে যাওয়া অনেক কবিতা, গান, প্রবন্ধ, নিবন্ধ, নাটক, চলচ্চিত্র, রেকর্ড আবিষ্কৃত হতে থাকে। সেলিনা বাহার জামান, সঙ্গীতজ্ঞ আব্দুস সাত্তার, সঙ্গীতজ্ঞ মফিজুল ইসলাম, কবি আবদুল মান্নান সৈয়দ কবির হারানো সম্পদ পুনরুদ্ধারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তার ধারাবাহিকতা এখনো চলছে।


গান করছেন বাবু রহমান; তবলায় আবদুল কাদের

দুই.
আমি নজরুলের ওপর কাজ করছি দীর্ঘ দিন ধরে। কাজ করতে গিয়ে অনেক নতুন জিনিস পাচ্ছি, তখন আনন্দে উদ্বেলিত হচ্ছি। তো সম্প্রতি জাহাঙ্গীরনগরে আমার এক ছাত্র নির্ঝর অধিকারী সংবাদ দিলো যে পাবনায় একটি নাটক খুঁজে পাওয়া গেছে ১৯৪০ সালে প্রকাশিত, যেখানে নজরুলের কিছু গান আছে। প্রথমে আমি বিষয়টি পাত্তা দেই নি। তারপরে যে ভদ্রলোকের কাছে এই নাটকের বইটি ছিল, তাঁর সঙ্গে আমি মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করি। তখন ওই ভদ্রলোককে—তাঁর নাম আবুল কাশেম, তিনি সংগীত শিল্পী—আমি বলি যে, আপনি নাটকটি পাঠিয়ে দিন ফটোকপি করে। উনি বললেন, বইটি বেশ পুরোনো, পাঠানো যাবে কিনা সন্দেহ আছে, আমি গান কয়টি পাঠিয়ে দিচ্ছি আগে।

যাই হোক পরে আমি বইটি পেয়ে গেলাম। নাটকের নাম বিদ্রোহী বাঙ্গালী। রচয়িতা শ্রীযুক্ত রমেশ গোস্বামী। পাবনার সপ্তর্ষী পাঠাগারে এটি রক্ষিত ছিল। (সম্পূর্ণ…)


Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com