বই

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য:চিরকালের শত শ্রেষ্ঠ

বিপাশা চক্রবর্তী | ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ৯:৪২ পূর্বাহ্ন

book-2.jpgসব দেশের সব ভাষা থেকে পৃথিবীর সেরা বইগুলো বাছাই করেছে নরওয়েজিয়ান বুক ক্লাবস। এই বাছাই প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে পৃথিবীর ৫৪টি দেশের ১০০ জন স্বনামধন্য লেখক।
চলুন, আমাদের ভাষার মাসে এক নজরে দেখে নেয়া যাক, পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় লেখা ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দেয়া সেই সব গল্প উপন্যাস কাব্যগ্রন্থের এই তালিকায় যা সাহিত্যিক মুল্য বিবেচনায় আজও অনন্য হয়ে আছে। মনে করা হয়, পৃথিবীর এ যাবতকালের সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তারকারী ও ফলপ্রসূ গ্রন্থ এগুলো। (সম্পূর্ণ…)

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতি: ভিক্টর হুগো ও টেনেসি উইলিয়াম

বিপাশা চক্রবর্তী | ১৪ december ২০১৫ ৯:৪৬ অপরাহ্ন


গরীবদের জন্য ভিক্টর হুগোর আবেদন

victorhugo.jpg“ দয়া করে আপনার দেশের দরিদ্র মানুষের জন্য ১০০ ফ্রাঁ দান করুন” । – সম্প্রতি ভিক্টর হুগোর এমন একটি আবেদন সম্বলিত লেখনি নিলামে তোলা হলো। দারিদ্র্যের প্রতি সংবেদনশীল, দরিদ্র মানুষের রক্ষক হিসেবে তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত। ভিক্টর হুগো রচিত বিশ্বসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ লা মিজারেবল উপন্যাস যেখানে তিনি নির্যাতিত শোষিত বারবণিতা ফাতিনে ও তার কন্যা সন্তান কসেত্তের মাধ্যমে তৎকালীন ফ্রান্সের নিঃস্ব অভাবগ্রস্ত মানুষের চিত্র তুলে ধরেছেন। জা ভলজা এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র যিনি তার বোনের সাতটি ক্ষুধার্ত সন্তানের জন্য এক টুকরো রুটি চুরি করতে গিয়ে ১৯ বছর জেল খাটেন। তার বহুলআলোচিত বাক্য ‘১০০ ফ্রাঁ দিন’ এই কথায় মানুষের প্রতি উদার হবার আহ্বান ছিল। ঐ সময়ের প্রেক্ষাপটে দরিদ্রের জন্য যা রীতিমতো প্রবাদবাক্য আর স্লোগান হয়ে উঠেছিল। হুগো তাঁর মৃত্যুর আগে যে উইল করে গেছেন, সেখানে উল্লেখ আছে , “ আমি ৫০০০০ ফ্রাঁ গরীবদের জন্য রেখে গেলাম। আমার সৎকার যেন তাদের মতোই করা হয়। আমি চার্চের মরণোত্তর অন্তেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান প্রত্যাখ্যান করছি। সকল আত্মার শান্তি কামনা করছি। আমি ঈশ্বরে বিশ্বাস করি”। (সম্পূর্ণ…)

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য: আইনস্টাইন, শেক্সপিয়র, আঁদ্রে গ্লুক্সমাঁ, ফের্নান্দো ও বিয়োরো

বিপাশা চক্রবর্তী | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ১২:১৭ পূর্বাহ্ন


আইনস্টাইনের প্রিয় শিল্পী আলেকজান্ডার ক্ল্যাডার

clader.jpg১৯৩৭ সাল, প্যারিসে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ফেয়ার পরিদর্শনের সময় হঠাৎ স্প্যানিশ প্যাভিলিয়নে চোখ আটকে যায় মহামতি আইনস্টাইনের। ঝারা ৪৫ মিনিট সেখানে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকেন । কী দেখছিলেন তিনি? দেখছিলেন এক জীবন্ত ভাস্কর্য আর তার শৈল্পিক কর্মকৌশল। অসাধারণ ঐ ভাস্কর্যের শিল্পীর নাম আলেকজান্ডার ক্ল্যাডার। যিনি পরে আইনস্টাইনের প্রিয় শিল্পী হয়ে ওঠেন। যার প্রতিটি শিল্পকর্ম ছিল গতিময়তা, অধিবাস্তববাদ আর বিমূর্ততার প্রতীক। বিজ্ঞান আর শিল্প মিলেমিশে একাকার হয়েছিল ক্ল্যাডারের হাতের জাদুতে। ব্যতিক্রমী সচল প্রাণবন্ত ভাস্কর্যের জন্য বিশ্ববিখ্যাত আলেকজান্ডার ক্ল্যাডার। তাঁর শিল্পগুলি এমনভাবে ভারসাম্যপূর্ণ ও নির্দিষ্ট আকারে তৈরি যে, সেগুলো বায়ুস্রোত বা বাতাসের বৈদ্যুতিক স্পর্শে প্রতিক্রিয়া দেখায়। বিশেষ করে, তার দিয়ে তৈরি করা কাঠামোগুলি যেন শূণ্যে আঁকা ছবির মতন এক শৈল্পিক রঙ্গভূমি। তাই বলা হয়ে থাকে, আপনি যদি আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা-নীতি ভালবাসেন তাহলে ক্ল্যাডারের শিল্পকর্মও না ভালবেসে পারবেন না।

আলেকজান্ডার ক্ল্যাডারের জন্ম শিল্পী বাবা মায়ের ঘরেই। ১৮৯৮ সালে ২২ আগস্ট আমেরিকার পেনসিলভিনিয়ায়। বাবা ছিলেন ভাস্কর আর মা চিত্রশিল্পী । ব্যতিক্রমী কাজের জন্য ক্ল্যাডার ছিলেন তার সময়ের অগ্রদূত। মারা যান ১৯৭৬ সালে ১১ নভেম্বর নিউইয়র্কে । নানা রকম কাগজ, গৃহসামগ্রী, খেলনা, জুয়েলারি, সচল ও স্থির , তার দিয়ে তৈরি ভাস্কর্য, স্বারক, আঁকা ছবিসহ প্রায় ২২ হাজার বিস্ময়কর শিল্প রেখে গেছেন তিনি। এই মহান শিল্পীর স্মৃতির উদ্দেশে তার মৃত্যু দিবস এ মাসের এগার তারিখ থেকে লন্ডনের মডার্ন টেট আর্ট গ্যালারিতে শুরু হয়েছে প্রদর্শনী। ক্ল্যাডারের জীবনের বিভিন্ন সময়ে করা প্রায় একশ’র মতো শিল্পকর্ম এখানে প্রদর্শিত হচ্ছে। এই প্রদর্শনী চলবে আগামী বছরের এপ্রিল পর্যন্ত । (সম্পূর্ণ…)

সাম্প্রতিক বিশ্বসাহিত্য

বিপাশা চক্রবর্তী | ৫ নভেম্বর ২০১৫ ২:১৯ অপরাহ্ন


এলিয়টের বেড়াল

cat-eating.jpgঅনেক বড় লেখকদের মনোযোগ কেড়েছিল বেড়াল নামক গৃহপালিত আদরের প্রাণীটি। অনেকের লেখার বিষয় হিসেবেও এসেছে: এডগার এ্যালেন পোর সেই বিখ্যাত গল্প Black Cat কার না মনে পড়বে! হোর্হে লুইস বোর্হেস-এরও আদরের প্রাণী ছিল বেপ্পো নামের এক বেড়াল। To Beppo নামে একটি কবিতাও লিখেছিলেন তিনি । কিন্তু এ যুগের প্রধান কবি টি এস এলিয়টও বেড়ালের প্রতি কৌতূহলী ছিলেন তা অজানা ছিল গত কয়েকদিন আগে পর্যন্তও। ১৯৬৪ সালে লেখা এলিয়টের এই কবিতাটি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ইংল্যান্ডের Sunday Times পত্রিকায়। কবিতাটি পাওয়া গেছে এলিয়টের তরুণ বন্ধু এন্থনী লুড-এর, ২০০৩ সালে মৃত্যুর পরে, একটি বইয়ের ভেতরে। ২০০৬ সালে এটি ৯০০ পাউন্ডে ইবে (Ebay) তে বিক্রিও হয়েছিল। কবিতাটি ছিল অনুপ্রাস যুক্ত। (সম্পূর্ণ…)

মঈনুল আহসান সাবেরের ‘আবদুল জলিল যে কারণে মারা গেল’

মেহেদী উল্লাহ | ২ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১০:২৪ পূর্বাহ্ন

নিজ দেশে নাগরিকের ‘ঔপনিবেশিক-মৃত্যু’ই দেশের মৃত্যু ঘটায়!

একটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ লেখকরা যখন অধিকাংশ ক্ষেত্রে সমকালীন বাস্তবতাকে এড়িয়ে যান, বসবাস করেন অন্যকোনো জগতে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তা ইতিহাসে কিংবা প্রবাসে, নস্টালজিয়ায় আর পিছুটানের পরম্পরায় তখন কী ঘটে? সে দেশের সাহিত্যিকরা হয়ে পড়েন ‘বর্ণচোরা’ আর তাঁদের হাতে সৃষ্ট সাহিত্য পাঠকের জন্য কেবলই পলায়নপর সাহিত্যিকের সাহিত্য-পসরা। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের যে উপন্যাসগুলোতে সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক গোষ্ঠী আলো ফেলেছে তা থেকে এটাই প্রতীয়মান হয়েছে, তারাও বর্তমান বাংলাদেশের বাস্তবতাকে আধিপত্যবাদী গোষ্ঠীর কাছ থেকে আড়াল করতে চাইছে। দেশীয় ও ইউরোপীয় এই দুই গোষ্ঠীর চাওয়াটা মিলে গেলে একটা জিনিস খুব সুখকর হয় নতুন করে যারা উপনিবেশ স্থাপন করতে চায় তাদের জন্য, তারা কিছু একটা চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ পায় তখন। যেহেতু নিজের দেশের বর্তমান সংকটগুলোকে স্বদেশের লেখকরা আড়াল করে দিয়েছেন তাতে তারা দেশের ওপর ও মানুষের ওপর তাদের বাসনাকে চাপিয়ে দিতে পারছে, যা তারা চায় বা চেয়েছে। এটাই ঘটছে বাংলাদেশের বেলায়।

পাশ্চাত্য এখন আর প্রাচ্যের সাহিত্য থেকে বা বৃহৎ পরিসরে এর কালচারাল টুলগুলো থেকে একে জানতে আগ্রহী নয়। এ বিষয়ে তারা প্রযুক্তি, এজেন্টসহ ভিন্ন মাধ্যমগুলো ব্যবহার করছে। না জানতে চাওয়ার এটাও একটা কারণ, যে একশ বছর হয়ে গেলেও বাংলা কিংবা ভারতীয় ভাষার অন্য কোনো সাহিত্য আর নোবেল পায় নি, বড়কথা এনিয়ে পাশ্চাত্যের আগ্রহ নাই বললেই চলে। (সম্পূর্ণ…)

মারিও বার্গাস যোসার জীবন ও মিথ্যার সত্য’র প্রকাশনা উৎসব

প্রমা সঞ্চিতা অত্রি | ১৪ জুন ২০১৫ ১১:০২ অপরাহ্ন

anisuzzaman.jpgমারিও বার্গাস য়োসার জীবন ও মিথ্যার সত্য, ল্যাটিন আমেরিকার জনপ্রিয় কথাসাহ্যিত্যিক নোবেলবিজয়ী মারিও বার্গাস যোসার জীবন ও কর্ম সম্পর্কিত এই বইটি রাজু আলাউদ্দিন কর্তৃক সংকলিত, সম্পাদিত ও অনূদিত হয়েছে সম্প্রতি। স্প্যানিশ ভাষা থেকে বইটি বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে যা অনুবাদ সাহিত্যের ক্ষেত্রে নুতনত্বের দাবী রাখে। ৯ জুন, মঙ্গলবার পাঠক সমাবেশ সেন্টারে এক ছোট অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বইটির মোড়ক উন্মোচিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাবন্ধিক অনুবাদক ড. খালিকুজ্জামান ইলিয়াস, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. আনিসুজ্জামান, বিশেষ অতিথি ছিলেন কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা এবং অনুষ্ঠানের মূল আলোচক ছিলেন কবি সাজ্জাদ শরিফ।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও অনুবাদক কিছুটা দেরিতে উপস্থিত হওয়ায় অনুষ্ঠান শুরু করতে একটু বিলম্ব হয়ে যায় আয়োজকদের। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে অনুষ্ঠানের শুরু হয় প্রধান অতিথি ড. আনিসুজ্জামানের বক্তব্য দিয়ে। ড.আনিসুজ্জামান বইয়ের অনুবাদক-সম্পাদক রাজু আলাউদ্দিনকে অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কাজের মাধ্যমে বিশ্বসাহিত্যের মহৎ কর্মগুলোর সঙ্গে সবাইকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। (সম্পূর্ণ…)

কুদরত-উল ইসলামের ‘গন্ধলেবুর বাগানে’

রাজু আলাউদ্দিন | ২৩ মে ২০১৫ ১১:৩২ পূর্বাহ্ন

border=0কুদরত-উল ইসলামের পরিচিতি মূলত উপন্যাস, ছোটগল্প, প্রবন্ধ আর শিশুসাহিত্যের জন্য হলেও, তার মরণোত্তর কবি পরিচয়কে যে উপেক্ষা করা যা না তার প্রমাণ অন্ধ অন্ধ গন্ধলেবুর বাগানে শীর্ষক কাব্যগ্রন্থ।

তার কবি পরিচয়ের হদিস নেয়ার আগে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ কুদরত-উল ইসলাম সম্পর্কে কয়েকটি জরুরী তথ্য এই যে তিনি ১৯৩২ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বাংলাদেশে। ১৯৬৩ সালে থেকে যুক্তরাজ্যে প্রবাসী হন। কিন্তু প্রবাস তাকে বাংলাদেশ এবং সাহিত্যের শেকড় থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি । বাংলাদেশের জন্মের মুহূর্তে লেখক প্রবাসে থাকাবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আন্তর্জাতিক মতাদায়ে বিরাট ভূমিকা পালন করেন।

সাহিত্যিক জীবনে তিনি ছিলেন বহুমুখী: বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে যেমন, তেমনি সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় সৃষ্টিশীল সফরের কারণেও। বাংলাদেশে তিনি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর আদি স্রষ্টাদের একজন। বাংলা ভাষায় অনুসন্ধানী সমালোচনা নেই বলে আমরা তার অবদানের মানচিত্রটি আঁকতে পারিনি। ১৯৭৫ সালে প্রকাশিত তার প্রথম উপন্যাস ব্রেইন ফ্যান্টাসীর নাট্যরূপ প্রচারিত হয়েছিলো বিটিভিতে। বিশ্বনাগরিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ লেখক কুদরত-উল ইসলাম দেশজ এবং বিশুদ্ধ কাল্পনিক বিষয়ে আবদ্ধ না থেকে নিকারাগুয়ার মুক্তিসংগ্রাম নিয়েও লিখছেন উপন্যাস। সাম্যবাদী আদর্শ তার ব্যক্তিত্বকে দিয়েছে বিশ্বরূপের প্রসারতা আর মানবিক চেতনার সৌন্দর্য্য। তার ব্যক্তিত্বের ঐশ্বর্য্য থেকে বঞ্চিত ছিল না শিশুরাও। ওদের জন্য লিখেছেন তিনি। (সম্পূর্ণ…)

সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘দেশে বিদেশে’র ইংরেজি অনুবাদ

প্রমা সঞ্চিতা অত্রি | ৯ মে ২০১৫ ৬:৫৪ অপরাহ্ন

04_book-launching_in-a-land-far-from-home_indra-gandhi-c-c_040515_0012.JPGইন আ ল্যান্ড ফার ফ্রম হোম– সৈয়দ মুজতবা আলীর ভ্রমণকাহিনীভিত্তিক উপন্যাস দেশে বিদেশে বইয়ের ইংরেজি অনুবাদ এটি। অনুবাদক নাজেস আফরোজ। দেশে বিদেশে সৈয়দ মুজতবা আলীর এক অনবদ্য ভ্রমণকাহিনী। গত শতাব্দীর বিশের দশকে ও তার পরবর্তী সময়ের আফগানিস্তানে রাজতন্ত্রের পতন ও গণতন্ত্রের অভ্যুদয়ের সূচনালগ্নের এক মূল্যবান সাক্ষী এই বই। কর্মসূত্রে দীর্ঘদিন কাবুলে অবস্থান করেন নাজেস আফরোজ। সে সময়ই বইটি অনুবাদের কথা চিন্তা করেন তিনি। বইটির ইংরেজি অনুবাদ আদৌ সম্ভব কি না তা নিয়ে প্রথমে সংশয় ছিল তার মনে। পরবর্তীকালে কাবুলের বন্ধুদের অনুরোধে ও দেশি বন্ধুবান্ধব ও সহকর্মীদের উৎসাহে বইটির ইংরেজি অনুবাদে হাত দেন তিনি। (সম্পূর্ণ…)

বাংলাদেশের এসিডদগ্ধ নারীদের সম্পর্কে নোবেলবিজয়ী মারিও বার্গাস যোসা

রাজু আলাউদ্দিন | ২২ মার্চ ২০১৫ ১০:০৩ অপরাহ্ন

mario_ed.jpg২০১০ সালে সাহিত্যে নোবেলবিজয়ী লেখক মারিও বার্গাস যোসা উপন্যাস, গল্প ও সাহিত্যসমালোচনা ছাড়াও, লিখেছেন বিশ্বরাজনীতি ও সংস্কৃতি বিষয়ে অসংখ্য প্রবন্ধ। ইউরোপ ও মধ্যপাচ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মন্তব্য ও পর্যবেক্ষণ পাঠকদের ভাবনা ও অনুভূতিকে করেছে সমৃদ্ধ । তাঁর সার্বজনীন কৌতূহলের কাছে বাদ যায়নি, বাংলাদেশের এসিডদগ্ধ নারীদের করুণ ঘটনাও। ১৯৯৯ সালে স্পানঞা থেকে প্রকাশিত এল পাইস পত্রিকায় বাংলাদেশের এসিডদগ্ধ নারীদেরকে নিয়ে এই লেখাটি প্রকাশিত হয়। পরে ২০০১ সালে লেঙ্গুয়াহে দে লা পাশিয়ন গ্রন্থে এটি প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয়, আর ইংরেজি তর্জমায় গ্রন্থটি দ্য লেঙ্গুয়েজ অব প্যাশন নামে ২০০৪ সালে প্রকাশিত হয়। ইংরেজি গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত `Weaker sex’ নামক প্রবন্ধের প্রাসঙ্গিক অংশটি কবি-প্রাবন্ধিক রাজু আলাউদ্দিনের অনুবাদে এখানে হাজির করা হলো। বি. স. (সম্পূর্ণ…)

অমর একুশে গ্রন্থমেলার আরও কিছু বই

চিন্তামন তুষার | ২ মার্চ ২০১৫ ৯:২৬ অপরাহ্ন

cover-1.jpgদেখতে দেখতে পার হয়ে গেল ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি। এরই সঙ্গে শেষ হয়েছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা, ২০১৫ সালের আসর। বইপ্রেমী ও তাদের যোগানদাতাদের সমাবেশ এ বছরের মতো শেষ হওয়ার পথে আরও কিছু নতুন বই এসেছিল মেলায়। কৌতূহলী পাঠকদের জন্য একনজরে সেসব বইয়ের সংক্ষিপ্ত পরিচিত এখানে দেয়া হলো। বি.স.

বইয়ের নাম: রমেন্দ্রনাথ ঘোষ দার্শনিক প্রবন্ধাবলি
সম্পাদনা: হাসান আজিজুল হক, মহেন্দ্রনাথ অধিকারী
বইয়ের ধরণ/বিষয়: দর্শন/মুক্তচিন্তা
প্রকাশক: ইত্যাদি
প্রচ্ছদ: ধ্রুব এষ
মূল্য: ৫২৫
দেশের প্রকৃত বিদ্বান ও মনীষীর এই দূর্ভিক্ষের সময় প্রায় অপরিচিত মনীষী রমেন্দ্রনাথ ঘোষের রচনাসংগ্রহ প্রকাশ অত্যন্ত জরুরী কাজ বলে মনে হয়েছে সম্পাদকদ্বয়ের। রমেনের বহুমাত্রিক চিন্তা, প্রাগ্রসর ‍দৃষ্টিভঙ্গি, দেশ-সমাজ-রাষ্ট্র-রাজনীতি বিষয়ে তাঁর ব্যাপক ভাবনা, চিন্তা, সমস্যা শনাক্তকরণ ইত্যাদি সবই যে তাঁর চিন্তাবিশ্বের কেন্দ্রে ছিল–এ সত্যটি এমনকি সম্পাদকদ্বয়ের কাছেও এতটা স্পষ্ট ছিল না। রচনাগুলোর বিষয়, শিরোনাম, উৎকর্ষ, অনুৎকর্ষ ইত্যাদি সবই মানোত্তীর্ণ এবং সর্বসাধারণের সামনে প্রকাশের দাবি রাখে। এ দায় এড়াতে না পেরেই গ্রন্থটির অবতারণা। (সম্পূর্ণ…)

কবিতায় প্রেম-বিরহ পুরাণ ও ইতিহাসের সমন্বয়

সাইমন জাকারিয়া | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১১:৪৮ অপরাহ্ন

saimon-1.gifখেরোখাতার পাতা থেকে শীর্ষক কাব্যগ্রন্থটি বাংলাদেশের সময়, রাজনীতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, এমনকি বিশ্বসাহিত্যের বেশ কিছু অমর প্রেমগাঁথার সমন্বিত অনুভূতির ধারক। এ গ্রন্থটির কাব্যিক নির্মাণে কবি মাহবুবুল হক শাকিল নতুন করে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন– বাংলা কবিতার ইতিহাস অর্বাচীন কালের নয়, তা সহস্রাব্দ প্রাচীন এবং তার অভিযাত্রায় সংগীতই ছিল প্রধান অবলম্বন। আধুনিক বাংলা কাব্যের চর্চায় অনেকেই তথ্যটি ভুলে যান, শাকিল তা ভোলেন নি; তাই সম্ভবত শাশ্বত প্রেমের গীতিকবির মতো তিনি ‘সমুদয় ভুলগুলি’ শিরোনামের কবিতায় সংগীত-বাদ্যের সুরমূর্চ্ছনায় প্রেম তথা প্রেমিকার গুণগানকে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন ‘অভ্যস্ত মুনশিয়ানায়’। কবিতাটিতে প্রেমের চিরায়ত ভঙ্গি প্রকাশের অভিপ্রায়ে তিনি সহস্রাব্দের বাংলা ভাষার সাহিত্যিক অভিযাত্রার ইতিহাসকে বর্ণনা করেছেন গূঢ় এক কাব্যিক মহিমায়; লিখেছেন– ‘ভাষা খুঁজি, শব্দ খুঁজি, খুঁজি বাক্সময় উচ্চারণ,/তোমার কানে কানে নিবিড় মন্ত্রপাঠের জন্য।/মধ্যযুগের পাতা জুড়ে আলাওলের পদ্মাবতী, বুকের উঠোন জুড়ে/হেঁটে যান কাদম্বরী; জীবনানন্দের ট্রামে ঘাপটি মারে/বিনয়ের বিষাদ-ভেজানো তরবারি।/আবেগের সব ভাষা আটপৌরে, গৃহস্থ বাড়ির আঁশটে গন্ধের মতো।/নিমেষে জিহ্বা কাটি, বেরিয়ে আসে চর্যাপদের পদাবলি…।’ (সম্পূর্ণ…)

বিপিএল থেকে আরও চারটি বই

চিন্তামন তুষার | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ৭:৪৩ অপরাহ্ন

border=0মাশুকের দরবার
প্রেম, হাস্য- রসের গল্পের পাঠক যুগে যুগে এবং নিয়মিত তৈরি হয়েছে, হচ্ছে এবং হবে। কিন্তু ‘মাশুকের দরবার’-এ কী নিবেদন করা হচ্ছে, তা না চেখে কেন বলবেন ভুল আশেকের আহবান। মুখ ঘুরিয়ে কেনইবা ‘গালিভারের নিদ্রাভঙ্গ’-এর দায় দেবেন প্রকাশকের ঘাড়ে; অযথা। রসশ্রেষ্ঠ হাস্যরস কাব্যরস অধিক ঘন, সর্ববিধ বিজ্ঞদের মতামত। সবার হাতে ‘চাঁদের আলো’য় ‘কিউপিডের দুষ্টামি’র কথা ফুল হয়ে ফোঁটে না তাই। বরং ‘বসন্তের বধু’র চোখে বিরহ জাগিয়ে তোলে ক্ষেত্রবিশেষে। যুগে যুগে, বাদে-অনুবাদে হাস্যরসের রহস্য উদঘাটনে রসিক ভ্রমরাদের গুঞ্জরণে আক্রান্ত হয়েছে বইয়ের পৃষ্টা এবং পৃথিবীর পৃষ্ঠদেশ।
এস. ওয়াজেদ আলীর গল্পগ্রন্থ ‘মাশুকের দরবার’। প্রথম প্রকাশ ১৩৩৭ বঙ্গাব্দ, ১৯৩০ ঈসায়ী সনে। লেখক হিসেবে ওয়াজেদ আলীকে তৎকালীন বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সমাজের একজন কর্ণধার বলা অত্যুক্তি হবে না। তার গদ্য লেখায় পরিমিতিবোধ, প্রাঞ্জলতা, আকর্ষণক্ষমতা ঈর্ষনীয়।
দুর্লভ গ্রন্থের সঙ্গে আধুনিক যুগের পাঠকদের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছে প্রকাশক বিপিএল। পুণঃমুদ্রণে মূল রক্ষার চেষ্টা করা হয়েছে সর্বোচ্চ। আরও আছে গল্পের সঙ্গে প্রাচীন চিত্রকর্মের ছবি, যা গল্প পাঠের আবহ সৃষ্টি করবে। গ্রন্থের প্রচ্ছদ, অলঙ্করণ ও টাইপ সেটিং করেছে পি অ্যান্ড জে।
১৩৩ পৃষ্ঠার গ্রন্থের মূল্য ২৫০ টাকা।
স্টল ৫২৫-২৬
বাংলা একাডেমি পুকুরপাড় (সম্পূর্ণ…)

« আগের পাতা | পরের পাতা »

Disclaimer & Privacy Policy  |  About us  |  Contact us

© bdnews24.com