কোত্থেকে টপ্পা ?

ওমর শামস | ২৫ অক্টোবর ২০১৪ ১১:২২ অপরাহ্ন

১. উপক্রমণিকা :
“কীর্তন আমি অনেক কাল থেকেই ভালোবাসি”, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দিলীপকুমার রায়-কে চিঠিতে লিখছেন, “ওর মধ্যে ভাবপ্রকাশের যে নিবিড় ও গভীর নাট্যশক্তি আছে সে আর কোনো সঙ্গীতে এমন সহজভাবে আছে বলে আমি জানি নে। সাহিত্যের ভূমিতে ওর উৎপত্তি, তার মধ্যেই ওর শিকড়, কিন্তু ও শাখায় ও প্রশাখায় ফলে ফুলে পল্লবে সঙ্গীতের আকাশে স্বকীয় মহিমা অধিকার করেছে। কীর্তনসঙ্গীতে বাঙালির এই অনন্যতন্ত্র প্রতিভায় আমি গৌরব অনুভব করি। …… কখনো কখনো কীর্তনে ভৈঁরো প্রভৃতি ভোরাই সুরেরও আভাস লাগে, কিন্তু তার মেজাজ গেছে বদলে – রাগরাগিণীর রূপের প্রতি তার মন নেই, ভাবের রসের প্রতি তার ঝোঁক। আমি কল্পনা করতে পারি নে হিন্দুস্তানি গাইয়ে কীর্তন গাইছে, এখানে বাঙালির কণ্ঠ ও ভাবার্দ্রতার দরকার করে। কিন্তু, তৎসত্ত্বেও কি বলা যায় না যে এতে সুরসমবায়ের পদ্ধতি হিন্দুস্তানী পদ্ধতির সীমা লঙ্ঘন করে না ? অর্থাৎ, য়ুরোপীয় সঙ্গীতের সুরপর্যায় যে রকম একান্ত বিদেশী, কীর্তন তো তা নয়।” রবীন্দ্রনাথ বিদেশ যাত্রার প্রাক্কালে, ১৩৩১ সনে প্রেসিডেন্সি কলেজের ছাত্রগণের অভিনন্দনে কথিত বক্তৃতায় আরো বলেছিলেন, “এখানে (বাংলাদেশে) বৌদ্ধধর্ম বৈষ্ণবধর্ম বাংলার যা বিশেষ রূপ, গৌড়ীয় রূপ, তাই প্রকাশ করেছে। আর একটা খুব বিস্ময়কর জিনিস এখানে দেখা যায় – হিন্দুস্তানী গান বাংলায় আমল পায় নি। এটা আমাদের দৈন্য হতে পারে। অনেক ওস্তাদ আসেন বটে গোয়ালিয়র হতে, পশ্চিমদেশ দক্ষিণদেশ হতে, যারা আমাদের গান বাদ্য শেখাতে পারেন, কিন্তু আমরা সে-সব গ্রহণ করিনি। কেননা আমাদের জীবনের সঙ্গে তা মেলে না। আকবর শা’র সভার তানসেন যে গান গাইতেন সাম্রাজ্যমদগর্বিত সম্রাটের কাছে তা উপভোগের জিনিস হতে পারে, কিন্তু আমাদের আপনার হতে পারে না।” (সম্পূর্ণ…)

কথাসাহিত্যিক জীবনানন্দ দাশ

সৈকত হাবিব | ২৩ অক্টোবর ২০১৪ ৪:০৮ অপরাহ্ন

jibanananda-1.jpgঅন্তত সত্তর বছর ধরে জীবনানন্দ দাশের কবিতা আমাদের প্লাবিত করে আসছে। ১৯৫৪ সালে তাঁর দুর্ঘটনাজনিত অকালমৃত্যুর পর থেকে তাঁর কাব্যপাঠ ব্যাপক-বিস্তৃত তো বটেই, কিন্তু এরও অন্তত এক যুগ আগে থেকেই তিনি পাঠকের হৃদয় স্পর্শ করে আসছিলেন, বিশেষত বনলতা সেন প্রকাশ হবার পর থেকে। উপরন্তু তাঁর একমাত্র কাব্যগ্রন্থ বনলতা সেনই জীবদ্দশায় একটিমাত্র পুরস্কার তাঁকে এনে দেয়। আর তাঁর কবিস্বীকৃতিও সম্ভবত বনলতা-র হাত ধরেই শুরু। (সম্পূর্ণ…)

মেঘমল্লার, বাংলাদেশের ছবির পালাবদল

মুহম্মদ খসরু | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ৮:০৫ অপরাহ্ন

জাহিদুর রহিম অঞ্জনের ‘মেঘমল্লার’ ছবিটি আমাদের প্রাণপ্রিয় অকাল-প্রায়ত প্রখ্যাত গল্পকার আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘রেইনকোট’ গল্প অবলম্বনে চলচ্চিত্রায়িত, এখানে উল্লেখ থাকা দরকার যে ‘রেইনকোট’ নামে দুটি ছবি পরপর নির্মিত হয়েছে। প্রথমটি হলিউডে, দ্বিতীয়টি ভারতীয়। চলচ্চিত্রকার ঋতুপর্ন ঘোষ ঐ ইংরেজী ছবির হিন্দি ভার্সন নির্মাণ করেন এবং ছবিটি দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। এবংবিধ কারনে জাহিদুর রহিম এই ‘রেইনকোট’ গল্পটির নাম পরিবর্তন করে ‘মেঘমল্লার’ রাখেন, যাতে করে দর্শকদের সাথে কোন ভুল বোঝাবুঝি না হয়।

জাহিদুর রহিমের ‘মেঘমল্লার’ ছবিটি বাজার চলতি ছবির ধারায় নির্মিত নয়। ছবিটি সম্পূর্ণরূপে নতুন একটি জঁর-এর প্রকাশ ঘটায়, যা এদেশের চলচ্চিত্রের একটি নতুন মাত্রা সংযোজিত করে। ‘মেঘমল্লার’ ছবিটি দেখে এদেশের দর্শকবৃন্দ কিছুটা হোঁচট খেলে অবাক হব না। (সম্পূর্ণ…)

গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:

নিঃসঙ্গতার একশ বছর

আনিসুজ্জামান | ১৮ অক্টোবর ২০১৪ ৫:২৩ অপরাহ্ন

border=0বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে নিঃসঙ্গতার একশ বছর-এর মতো আর কোনো উপন্যাস প্রকাশের পরপরই এতটা পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে কিনা সন্দেহ। জনপ্রিয়তার বিচারে যেমন, তেমনি শিল্পকুশলতা আর শিল্পমুক্তির ক্ষেত্রেও এটি হয়ে উঠেছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। কেবল স্প্যানিশ সাহিত্যেই নয়, গোটা বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসেই একটি মাত্র উপন্যাসে ইতিহাস, আখ্যান, সংস্কার, কুসংস্কার, জনশ্রুতি, বাস্তব, অবাস্তব, কল্পনা, ফ্যান্টাসি, যৌন-অযাচার ও স্বপ্ন– সবকিছুর এমন স্বাভাবিক ও অবিশ্বাস্য সহাবস্থান আগে কখনও দেখা যায়নি।
ঠিক এই কারণে মারিও বার্গাস যোসা এটিকে বলেছিলেন এক সামগ্রিক উপন্যাস (Novela Total), আর পাবলো নেরুদা একে বলেছিলেন, “সের্বান্তেসের ডন কিহোতের পর স্প্যানিশ ভাষায় সম্ভবত মহত্তম উন্মোচন (“perhaps the greatest revelation in the Spanish language since Don Quixote of Cervantes.”)
বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত কিংবদন্তিতুল্য এই উপন্যাসটি মূলভাষা থেকে অনূদিত হয়নি। এই প্রথম এটি আনিসুজ্জামানের অনুবাদে মূল থেকে ধারাবাহিক অনূদিত হচ্ছে। বি. স.
(সম্পূর্ণ…)

আমার বন্ধু রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

সলিমুল্লাহ খান | ১৬ অক্টোবর ২০১৪ ৭:২৩ অপরাহ্ন

rudro-1.gifরুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর সহিত আমার প্রথম দেখা ইংরেজি ১৯৭৬ সালে। তখন মাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উঠানে পা রাখিয়াছি। আমি আসিয়াছিলাম তখনকার জেলা চট্টগ্রাম হইতে। হালফিল আমার সাকিন জেলা কক্সবাজার দাঁড়াইয়াছে। রুদ্র তাঁহার কবিতার নিচদিকের বাম কোণায় প্রায়ই লিখিতেন মিঠেখালি, কখনও মোংলা। এইগুলি যথাক্রমে তাঁহার গ্রাম ও উপজেলার নির্দেশ। কবিতার অতিরিক্ত চিংড়িচাষেও রুদ্রের আগ্রহ ছিল। খুলনা ও বাগেরহাট এলাকায় ঐ সময় হইতে কিছু চিংড়িঘের গড়িয়া উঠিতেছে উঠিতেছে। (সম্পূর্ণ…)

পুলক হাসান-এর একগুচ্ছ কবিতা

পুলক হাসান | ১৫ অক্টোবর ২০১৪ ৭:৩৮ অপরাহ্ন

ঠিকানা

প্রজাপতি তার ধূসর ডানায়
বয়ে চলে যে পৃথিবী
তার স্বপ্ন রঙিন ছবি
তোমারই চোখের পাতায়
টলমল করে
যেন তুমি তৃতীয় বিশ্বের অন্ধকারে
আত্মবিকারগ্রস্ত পাখির কলরবে
নেমে আসা সন্ধ্যা ছায়ার গভীরে
জীবনের পাঁপড়ি ছড়ানো সেই রবি
যার মধ্যে স্রোতহীন শুকনো নদী
ছলছল এক ভাষা খুঁজে ফেরে। (সম্পূর্ণ…)

আবদুল মতিনের সাক্ষাৎকার: নিজেদের শিকড় ভুলে গেলে সে জাতির দুর্ভাগ্য বড়ই শোচনীয়

পলিয়ার ওয়াহিদ | ১৩ অক্টোবর ২০১৪ ৯:৩৪ অপরাহ্ন

abdul-matin.jpgসদ্যপ্রয়াত আবদুল মতিন ভাষা সংগ্রামী এক জীবন্তকিংবদন্তীর নাম। তিনি ১৯২৬ সালের ৩ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার একটি ছোট্ট গ্রাম ধুবালীয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম আব্দুল জলিল। মায়ের নাম আমেনা খাতুন। আবদুল মতিন ছিলেন পরিবারের প্রথম সন্তান। ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ এই দাবিতে জীবনবাজী রেখে রাজপথে মিছিল-মিটিং, লড়াই-সংগ্রাম করেছেন অকুতভয় এই ভাষা সৈনিক। বায়ান্ন’র ভাষা আন্দোলনের ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন। বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষা এবং এই ভাষাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি নিয়ে প্রতিটি সংগ্রামে অংশ নিয়েছিলেন আবদুল মতিনসহ তৎকালীন ছাত্রনেতারা। ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে কয়েক দফায় বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা হয় তার সঙ্গে। কথা বলেছেন পলিয়ার ওয়াহিদ। বি.স. (সম্পূর্ণ…)

প্যাত্রিক মোদিয়ানো: নব্যপ্রুস্তীয় অনৈচ্ছিক স্মৃতির ভাষ্যকার

কুমার চক্রবর্তী | ১১ অক্টোবর ২০১৪ ১:৪০ অপরাহ্ন

modiano.jpgএবারও বিস্ময় অপেক্ষা করছিল, যেমনটা অন্য বছর হয়ে থাকে। নোবেল কমিটি ২০১৪ সালের জন্য যাকে পুরস্কার দিলেন তাঁর নাম আন্তর্জাতিকভাবে বহুল আলোচিত নয়, আর বাংলাদেশে বলা যায়, একেবারেই অজানা। কিন্তু যেটা স্বস্তিকর তা হলো যেহেতু একজন ফরাসি লেখক পুরস্কারটি পেয়েছেন সেহেতু নিশ্চয়ই যোগ্য একজন পেয়েছেন বলে বোদ্ধারা মনে করছেন, এর কারণ অপ্রতিরোধ্য ফরাসি সৃজনশীলতা। ফরাসি লেখকরা একএক জন অদেসিউস, যাঁরা সাহিত্যের ভ্রমণকে অভিজ্ঞতায়, আর অভিজ্ঞতাকে করে তোলেন নতুন সৃষ্টি, এরকমই ফরাসিদের সম্পর্কে অনেকের ধারণা। তবে ফরাসি কবিদের বিষয়ে আমরা বাঙালিরা যতটা প্রাণোচ্ছ্বাস ও আবেগ অনুভব করি, ঔপন্যাসিকদের নিয়ে তার তুলনায় উচ্ছ্বাস কিছুটা কম। এর একটা কারণ হয়তো হতে পারে ফরাসি কবিদের বিস্তৃত অতলান্ত জীবনতৃষ্ণা এবং ফরাসি কবিতার বহুমাত্রিক ব্যাপ্তি ও বিচ্ছুরণ। কিন্তু ফরাসি কথাসাহিত্যও অনন্যসাধারণ, এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর পরিপ্রেক্ষিত ও কবিতার পরিপ্রেক্ষিত সাধারণ বোধিবিন্দুকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে। বস্তুত ফরাসিতেই কবিতা, আখ্যান ও চিত্রকলা সমবেত আদান-প্রদান এবং অন্যোন্য মাত্রা নিয়ে এমন করে উদ্ভাসিত হয়েছে। ফরাসি সাহিত্যের ক্ষেত্রে এর সামগ্রিক অভিঘাত সুদূরপ্রসারী প্রভাব সৃষ্টি করতে পেরেছে যার তুলনা সমগ্র বিশ্বসাহিত্যে দুর্লভ। সাহিত্য ও শিল্পের এমন সার্থক ভারসাম্যাবস্থা আর কোনো দেশেই ঘটেনি। ফরাসিরা সাহিত্যাক্রান্ত জাতি। এর পুরস্কারও পেয়েছে ফরাসি দেশ। (সম্পূর্ণ…)

প্যাত্রিক মোদিয়ানো: ডোরা ব্রুডার

বিনয় বর্মন | ১০ অক্টোবর ২০১৪ ১০:১০ অপরাহ্ন

patrick-modiano.gif১৯৯৯ সালে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া প্রেস থেকে প্রকাশিত হয় নোবেলবিজয়ী সাহিত্যিক প্যাত্রিক মোদিয়ানোর Dora Bruder-এর ইংরেজি সংস্করণ। একই শিরোনামে মূল ফরাসি বইটি বের হয়েছিলো ১৯৯৭ সালে। ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশকালে এর ওপর একটি আলোচনা প্রকাশিত হয় বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্নি ম্যাগাজিনে (অনলাইনসহ)। Patrick Modiano: Remembrance of Shadowy Things Past শীর্ষক আলোচনাটি লেখেন জাঁ শারবনু (Jean Charbonneau)। লেখাটি বিডিনিউজের পাঠকদের জন্য বাংলায় অনূদিত হলো। অনুবাদ করেছেন বিনয় বর্মন। (সম্পূর্ণ…)

রেবেকা ইসলাম-এর ৪ কবিতা

রেবেকা ইসলাম | ১০ অক্টোবর ২০১৪ ১১:৫২ পূর্বাহ্ন

আমার শুধু এতটুকুই দুঃখ

আমার শুধু এতটুকুই দুঃখ
তুমি আমায় বুঝলে না ,
আমার ভাষার কারুকার্য তোমার কাছে যেন
দুরূহ বাবুই পাখির বাসা
আমার ভালোলাগার বহিঃপ্রকাশ
তোমার কাছে দুর্বোধ্য ব্যাকরণ
যেন অব্যয়, সমাস কিংবা ক্রিয়ার রূপ
অথবা বঙ্কিমীয় ভাষা। (সম্পূর্ণ…)

শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা: মৈত্রীতে পূর্ণ হোক ধরা

ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয় | ৮ অক্টোবর ২০১৪ ১:৩৩ অপরাহ্ন

purnima-1.gifশুভ প্রবারণা পূর্ণিমা বৌদ্ধদের একটি আনন্দময় উৎসব। ত্রৈমাসিক বর্ষাব্রত পালন শেষে প্রবারণা পূর্ণিমা আসে শারদীয় আমেজ নিয়ে । প্রবারণার আনন্দে অবগাহন করেন সকলেই । এটি সর্বজনীন উৎসব । আকাশে উড়ানো হয় নানা রকম রঙ্গিন ফানুস । নদীতে ভাসানো হয় হরেক রকমের প্যাগোডা আকৃতির জাহাজ । সবাই আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে নানা রকমের কীর্তন, গান গেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে । আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, কৃষ্টিকে তুলে ধরে উৎসবের মধ্যে । এ উৎসব আশ্বিনী পূর্ণিমাকে ঘিরে হয়ে থাকে । এ পূর্ণিমায় বৌদ্ধদের তিন মাসব্যাপী আত্মসংযম ও শীল-সমাধি প্রজ্ঞার সাধনার পরিসমাপ্তি ও পরিশুদ্ধতার অনুষ্ঠান বলে বৌদ্ধ ইতিহাসে এ পূর্ণিমার গুরুত্ব অপরিসীম । ফলে এ পূর্ণিমা বৌদ্ধদের কাছে দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসবে রূপ পেয়েছে । ৭ অক্টোবর ২০১৪ পালিত হয় শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা। (সম্পূর্ণ…)

গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:

নিঃসঙ্গতার একশ বছর

আনিসুজ্জামান | ৪ অক্টোবর ২০১৪ ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন

border=0বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে নিঃসঙ্গতার একশ বছর-এর মতো আর কোনো উপন্যাস প্রকাশের পরপরই এতটা পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে কিনা সন্দেহ। জনপ্রিয়তার বিচারে যেমন, তেমনি শিল্পকুশলতা আর শিল্পমুক্তির ক্ষেত্রেও এটি হয়ে উঠেছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। কেবল স্প্যানিশ সাহিত্যেই নয়, গোটা বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসেই একটি মাত্র উপন্যাসে ইতিহাস, আখ্যান, সংস্কার, কুসংস্কার, জনশ্রুতি, বাস্তব, অবাস্তব, কল্পনা, ফ্যান্টাসি, যৌন-অযাচার ও স্বপ্ন– সবকিছুর এমন স্বাভাবিক ও অবিশ্বাস্য সহাবস্থান আগে কখনও দেখা যায়নি।
ঠিক এই কারণে মারিও বার্গাস যোসা এটিকে বলেছিলেন এক সামগ্রিক উপন্যাস (Novela Total), আর পাবলো নেরুদা একে বলেছিলেন, “সের্বান্তেসের ডন কিহোতের পর স্প্যানিশ ভাষায় সম্ভবত মহত্তম উন্মোচন (“perhaps the greatest revelation in the Spanish language since Don Quixote of Cervantes.”)
বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত কিংবদন্তিতুল্য এই উপন্যাসটি মূলভাষা থেকে অনূদিত হয়নি। এই প্রথম এটি আনিসুজ্জামানের অনুবাদে মূল থেকে ধারাবাহিক অনূদিত হচ্ছে। বি. স.
(সম্পূর্ণ…)