Poet for the World: The Universality of Kazi Nazrul Islam.

মারিয়া এলেনা বাররেরা-আগারওয়াল | ১ মার্চ ২০১৫ ৮:১৯ অপরাহ্ন

nazrul-pic.gifWhen I was preparing for this talk, my first intention was to create a lecture structured traditionally, infused with abundant quotations taken from the choicest scholarly sources available. A few weeks into my work, I was proofreading the text when I realized that most of these sources – almost every one of them, in fact – were taken from highly respected, highly acclaimed, commonly quoted European and American authors and academicians. (সম্পূর্ণ…)

কোথাও ক্রন্দন নেই !

তাপস গায়েন | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১২:১৪ পূর্বাহ্ন

avijit.jpg[ব্লগার এবং লেখক অভিজিৎ রায়কে ভালবেসে]

কোথাও ক্রন্দন নেই, কেবলই পাহাড় ভেঙ্গে পড়ে ; কোথাও ক্রন্দন নেই, কেবলই রক্তগঙ্গা বয়ে চলে ! দিগন্ত-বিস্তৃত বরফাচ্ছাদিত স্তদ্ধ প্রান্তর শব্দহীন নয় ; গভীর শীতের রাতে নিঃশ্চুপ প্রান্তর জুড়ে কে শুনেছে সুপ্ত ঘাসের অহঙ্কার? তবু, শান্ত মধ্যরাতে শিশুর মস্তিষ্কে যিনি জেগে আছেন, বোধকরি, তিনি এক উন্মাদ ঈশ্বর ! তাই মায়ের স্তনে ঘুমন্ত শিশু দুঃস্বপ্নে জেগে ওঠে, আর অনতিদূরে, কেবলি পাহাড় ভেঙ্গে পড়ে । প্রেমিক ও অবতার, উন্মাদ আর কবি, এঁদের কে যে জীবনের কী স্বপ্ন ফেরি করে ফেরে ! জানি না, কোন্‌ সে উন্মাদনা এসে বুদ্ধের বিগ্রহ ভাঙ্গে? যিনি বোঝেননি সাকারের আরাধনা, তিনি কী প্রকারে জানিবেন নিরাকারের সাধনা । ইতিহাসে সেই ভ্রান্তি আজও জেগে আছে । শূন্যের অনুধ্যান সে তো এক অসামান্য বোধ ; অনেক জন্মান্তর যাত্রার অনুভবে তাকে জেনে নিতে হয়। আর নাস্তিকতা সে তো অক্ষম ঈশ্বরের জন্য কবির ভালোবাসা বয়ে নিয়ে চলা ! (সম্পূর্ণ…)

কেন কোনো কিছু না থাকার বদলে কিছু আছে?

অভিজিৎ রায় | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২:৪৪ অপরাহ্ন

কেন কোনো কিছু না থাকার বদলে কিছু আছে? (Why there is something rather than nothing?) – প্রথম কবে এ প্রশ্নটির মুখোমুখি হয়েছিলাম তা আজ মনে নেই। সম্ভবত: জঁ-পল সাত্রের (১৯০৫- ১৯৮০) অস্তিত্ববাদী দর্শন ‘বিয়িং এণ্ড নাথিংনেস’ কিংবা মার্টিন হাইডেগারের (১৮৮৯ -১৯৭৬) অধিপদার্থবিদ্যা বিষয়ক বই ‘ইন্ট্রোডাকশন টু মেটাফিজিক্স’ পড়তে গিয়ে। শেষোক্ত বইটির প্রথম লাইনটিই ছিল – ‘হোয়াই দেয়ার ইজ সামথিং র্যা দার দেন নাথিং?’। তারপর থেকে বহু বইয়ে, অসংখ্য জায়গাতেই এর উপস্থিতি টের পেয়েছি। দার্শনিক উইলিয়াম জেমস (১৮৪২ – ১৯১০) তার ‘সাম প্রবলেমস অব ফিলসফি’ গ্রন্থে এ প্রশ্নটিকে চিহ্নিত করেছিলেন ‘অন্ধকারতম দর্শন’ হিসেবে। জ্যোতির্পদার্থবিদ স্যার আর্থার বার্নার্ড লোভেল (১৯১৩ – ২০১২) একে দেখেছেন ‘ব্যক্তির মনকে ছিন্ন ভিন্ন করা’ প্রশ্ন হিসেবে। সত্যিই তো – এই যে বিশাল মহাবিশ্ব আর এই বস্তুজগৎ, এতো সবকিছুর বদলে যদি কিছুই না থাকতো – কীই বা ক্ষতি হতো? আর কেনই বা কোনো কিছু না থাকার বদলে এতো কিছু আছে? বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে আমার পড়া এখন পর্যন্ত সর্বশেষ বই জিম জোল্টের ‘হোয়াই ডাস দ্য ওয়ার্ল্ড এক্সিস্ট’ (২০১২) । সেখানে লেখক রসিকতা করে বলেছেন –‘সাইকিয়াট্রিক রোগীরা এই প্রশ্ন দিয়ে বরাবরই আচ্ছন্ন থাকে’! (সম্পূর্ণ…)

তানিয়া চক্রবর্তীর ‍গুচ্ছ কবিতা

তানিয়া চক্রবর্তী | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১১:৩১ অপরাহ্ন

ডিজেল শেড

র-চায়ের মতো স্বর
মেল ট্রেনের মতো শরীর
ধ্রুপদী নাচের টুকরোতে ঘুঙুর
আর পচা শামুকে কাটা কোনো ক্ষত
এই সমস্ত দেখতে থাকে লোকাল বগিরা
একটা মহাভারত বুকের কলকে ফুল
বা নারীর ঘুর্ণি নিয়ে হারিয়ে যাচ্ছে
গাঢ় গাঢ় ডিজেলবাহী ট্রেন
যেন অশ্বমেধের ঘোড়ার কারশেড
গাছগুলোর আর কিছু নেই
ওকে বেদীর কেন্দে বসানো হয়েছে
যাতে ভিনদেশী মানুষ
শহরের গর্ত না দেখে ফেলে
একটা প্রাচীন ডিজেল শেড
ভ্রান্ত শহরকে আহ্লাদ দিচ্ছে অযথা (সম্পূর্ণ…)

কবিতায় প্রেম-বিরহ পুরাণ ও ইতিহাসের সমন্বয়

সাইমন জাকারিয়া | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১১:৪৮ অপরাহ্ন

saimon-1.gifখেরোখাতার পাতা থেকে শীর্ষক কাব্যগ্রন্থটি বাংলাদেশের সময়, রাজনীতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, এমনকি বিশ্বসাহিত্যের বেশ কিছু অমর প্রেমগাঁথার সমন্বিত অনুভূতির ধারক। এ গ্রন্থটির কাব্যিক নির্মাণে কবি মাহবুবুল হক শাকিল নতুন করে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন– বাংলা কবিতার ইতিহাস অর্বাচীন কালের নয়, তা সহস্রাব্দ প্রাচীন এবং তার অভিযাত্রায় সংগীতই ছিল প্রধান অবলম্বন। আধুনিক বাংলা কাব্যের চর্চায় অনেকেই তথ্যটি ভুলে যান, শাকিল তা ভোলেন নি; তাই সম্ভবত শাশ্বত প্রেমের গীতিকবির মতো তিনি ‘সমুদয় ভুলগুলি’ শিরোনামের কবিতায় সংগীত-বাদ্যের সুরমূর্চ্ছনায় প্রেম তথা প্রেমিকার গুণগানকে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন ‘অভ্যস্ত মুনশিয়ানায়’। কবিতাটিতে প্রেমের চিরায়ত ভঙ্গি প্রকাশের অভিপ্রায়ে তিনি সহস্রাব্দের বাংলা ভাষার সাহিত্যিক অভিযাত্রার ইতিহাসকে বর্ণনা করেছেন গূঢ় এক কাব্যিক মহিমায়; লিখেছেন– ‘ভাষা খুঁজি, শব্দ খুঁজি, খুঁজি বাক্সময় উচ্চারণ,/তোমার কানে কানে নিবিড় মন্ত্রপাঠের জন্য।/মধ্যযুগের পাতা জুড়ে আলাওলের পদ্মাবতী, বুকের উঠোন জুড়ে/হেঁটে যান কাদম্বরী; জীবনানন্দের ট্রামে ঘাপটি মারে/বিনয়ের বিষাদ-ভেজানো তরবারি।/আবেগের সব ভাষা আটপৌরে, গৃহস্থ বাড়ির আঁশটে গন্ধের মতো।/নিমেষে জিহ্বা কাটি, বেরিয়ে আসে চর্যাপদের পদাবলি…।’ (সম্পূর্ণ…)

ইসাবেল : কালদগ্ধ ও রূপমুগ্ধ

মইনুদ্দীন খালেদ | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ৩:৩১ অপরাহ্ন

isabel-2.gifগত রোববার ( ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫) ধানমন্ডির দৃক গ্যালারিতে ২২ থেকে ২৬ ফেব্রয়ারি পর্যন্ত মেক্মিকোর তরুণ চিত্রশিল্পী ইসাবেল জামানের এক চিত্রপদর্শনীর উদ্বোধন হয়। উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন চিত্রশিল্পী মনিরুল ইসলাম। মেক্সিকান বংশোদ্ভূত শিল্পী ইসাবেলের এই একক প্রদর্শনীর বেশিরভাগ ছবির বিষয় বাংলাদেশ। বিভিন্ন মাধ্যমে আঁকা বিভিন্ন আয়তনের মোট ২১টি ছবি রয়েছে। চলমান এই প্রদর্শনী নিয়ে লিখেছেন চিত্রসমালোচক মইনু্দ্দীন খালেদ। বি.স. (সম্পূর্ণ…)

সৌরভ সিকদারের গুচ্ছ কবিতা

সৌরভ সিকদার | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১২:৩৪ অপরাহ্ন

কবিতা কি?

কবিতা কি রাজবাড়ির মাঠে বেণীদোলানো কিশোরীর কানামাছি খেলা
কবিতা কি রেললাইনের স্লিপারের কান রেখে ট্রেনের শব্দ শোনা
কবিতা কি জলহারা ব্রহ্মপুত্র একা একা হেটে পার হওয়া?
কবিতা কি স্কুলের খোলামাঠ চেকশার্ট খুলে বই নিয়ে বাড়ি ফেরা
কবিতা কি বইয়ের ভাজে লুকিয়ে রাখা গোলাপের শুকনো পাপড়ি
কবিতা কি আষাঢ়ের প্রথম বৃষ্টিতে ভিজে মায়ের বকুনি
কবিতা কি কদমের ডালে সারা দুপুর ঘুঘুর ঘু-ঘু ডাক
কবিতা কি গ্রাম ছেড়ে গঞ্জে আসা তরুণের দীর্ঘশ্বাস
কবিতা কি খেজুরেররস পাটিসাপটা পিঠা শীতের কুয়াশা
কবিতা কি মেডিকেলের মেয়ে ঘটিহাটা লাভলি আপা? (সম্পূর্ণ…)

নয়াউপনিবেশে ভাষা আন্দোলন

অনিন্দ্য রহমান | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১:৪৪ পূর্বাহ্ন

untitled-1.gif

ক. ফিরিস্তি

বিলাতি সাময়িকী স্পেকটেটরের সংরক্ষণাগারে মিলল গ্রিফিথ্স সাহেবের নিবন্ধ - ‘পাকিস্তান টুডে’, মানে ‘আজিকার পাকিস্তান’। ‘আজিকার’ হল পূর্বাপর সন ১৯৫২। ঐ বছর ২৮শে মার্চ নাতিদীর্ঘ নিবন্ধখানা পত্রস্থ হয়। প্রাসঙ্গিক বিবেচনায় আমরা তার বঙ্গানুবাদ করেছি। এ-ভিন্ন কোনও ভাষান্তরের ঘটনা আমাদের অজানা। অনূদিত নিবন্ধখানা এই অর্থে দুর্লভ। ভাষা আন্দোলনের অসংখ্য দলিলের উপস্থিতিতে এই নিবন্ধ দলিল পদবাচ্য কিনা তা তর্কসাপেক্ষ।

‘ভাষা আন্দোলনে’র চরমতম ধাপ ২১শে ফেব্রুয়ারি এই নিবন্ধের একমাত্র প্রসঙ্গ নয়। তদুপরি এর তাৎপর্য কম নয়। বণিকের হাতে ইতিহাস পড়লে (হরহামেশাই পড়ে) তার কী ঘটে সেটার আরও একটিমাত্র নজির এই নিবন্ধ। একালে যখন এডওয়ার্ড সাইদের অরিয়েন্টালিজম আর সাবঅলটার্ন দলের তলা-হইতে-দেখা-ইতিহাসের হালে পানি আছে, তখন গ্রিফিথ্স সাহেবের নিবন্ধ আলাদা মনোযোগের দাবি রাখে। তারও চেয়ে বড় বিষয়, নয়াসাম্রাজ্যবাদী যে ইতিহাসদর্শন এবং ১৯৮০’র দশক থেকে নয়াউদারবাদী চেতনা থেকে ইতিহাসের বোঝাপড়ার যে অভ্যাস আমাদের মজ্জার স্বাদ পেয়েছে, সে দর্শন ও অভ্যাসের একটি আদি নিদর্শন এই রচনা। (সম্পূর্ণ…)

ধর্মনিরপেক্ষতা:গভীর চিন্তা ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ভাবনার বই

আলী রীয়াজ | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১১:৫২ পূর্বাহ্ন

border=0অধ্যাপক আলী আনোয়ার সম্পাদিত বিস্মৃতপ্রায় গ্রন্থ ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’র নতুন সংস্করণ বেরিয়েছে সম্প্রতি। বইটির নতুন সংস্করণ ছাপা হচ্ছে এমনটি জানিয়েছিলেন মুজতবা হাকিম প্লেটো। ফলে অপেক্ষায় ছিলাম বললে অত্যুক্তি হবে না; যদিও এই বইয়ের পুরোটা আমার বহু আগেই পড়া। এই বইয়ের সঙ্গে আমার যোগাযোগটা কেবল এই কারণেই নয় যে এটি আমার প্রয়াত অগ্রজের সম্পাদিত বই, এ কারনেও যে আমার কৈশোরে আমার মানস গঠনে এই বইটির একটি ভূমিকা রয়েছে। কিন্ত তারচেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে গত ৪৩ বছরে বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতা বিষয়ে গভীর চিন্তা ও দূরদৃষ্টি সম্পন্ন ভাবনাসমৃদ্ধ যে সব বই প্রকাশিত হয়েছে, আমার জানামতে, এটি তাঁর অন্যতম; সম্ভবত একে শীর্ষস্থানীয় বলেই বিবেচনা করতে পারি। অথচ এটি কোনো নতুন প্রকাশনা নয়, এই বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিলো ১৯৭৩ সালে। বইটির পটভূমিকা জানার আগে তাঁর লেখক তালিকার দিকে তাকানো যেতে পারে। এর লেখক তালিকায় আছেন (প্রয়াত) সালাহ উদ্দীন আহমদ, (প্রয়াত) খান সারওয়ার মুর্শিদ, (প্রয়াত) জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী, গোলাম মুরশিদ, সনৎকুমার সাহা, কাজি জোন হোসেন, এবনে গোলাম সামাদ, অসিত রায় চৌধুরী প্রমুখ। অগ্রজ আলী আনোয়ারের জীবনাবসান হয়েছে ২০১৪ সালের ৩ মার্চ, তাঁর মৃত্যুর প্রায় এক বছর পরে বইটি পুনঃমুদ্রিত হল। (সম্পূর্ণ…)

বিপিএল থেকে আরও চারটি বই

চিন্তামন তুষার | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ৭:৪৩ অপরাহ্ন

border=0মাশুকের দরবার
প্রেম, হাস্য- রসের গল্পের পাঠক যুগে যুগে এবং নিয়মিত তৈরি হয়েছে, হচ্ছে এবং হবে। কিন্তু ‘মাশুকের দরবার’-এ কী নিবেদন করা হচ্ছে, তা না চেখে কেন বলবেন ভুল আশেকের আহবান। মুখ ঘুরিয়ে কেনইবা ‘গালিভারের নিদ্রাভঙ্গ’-এর দায় দেবেন প্রকাশকের ঘাড়ে; অযথা। রসশ্রেষ্ঠ হাস্যরস কাব্যরস অধিক ঘন, সর্ববিধ বিজ্ঞদের মতামত। সবার হাতে ‘চাঁদের আলো’য় ‘কিউপিডের দুষ্টামি’র কথা ফুল হয়ে ফোঁটে না তাই। বরং ‘বসন্তের বধু’র চোখে বিরহ জাগিয়ে তোলে ক্ষেত্রবিশেষে। যুগে যুগে, বাদে-অনুবাদে হাস্যরসের রহস্য উদঘাটনে রসিক ভ্রমরাদের গুঞ্জরণে আক্রান্ত হয়েছে বইয়ের পৃষ্টা এবং পৃথিবীর পৃষ্ঠদেশ।
এস. ওয়াজেদ আলীর গল্পগ্রন্থ ‘মাশুকের দরবার’। প্রথম প্রকাশ ১৩৩৭ বঙ্গাব্দ, ১৯৩০ ঈসায়ী সনে। লেখক হিসেবে ওয়াজেদ আলীকে তৎকালীন বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সমাজের একজন কর্ণধার বলা অত্যুক্তি হবে না। তার গদ্য লেখায় পরিমিতিবোধ, প্রাঞ্জলতা, আকর্ষণক্ষমতা ঈর্ষনীয়।
দুর্লভ গ্রন্থের সঙ্গে আধুনিক যুগের পাঠকদের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছে প্রকাশক বিপিএল। পুণঃমুদ্রণে মূল রক্ষার চেষ্টা করা হয়েছে সর্বোচ্চ। আরও আছে গল্পের সঙ্গে প্রাচীন চিত্রকর্মের ছবি, যা গল্প পাঠের আবহ সৃষ্টি করবে। গ্রন্থের প্রচ্ছদ, অলঙ্করণ ও টাইপ সেটিং করেছে পি অ্যান্ড জে।
১৩৩ পৃষ্ঠার গ্রন্থের মূল্য ২৫০ টাকা।
স্টল ৫২৫-২৬
বাংলা একাডেমি পুকুরপাড় (সম্পূর্ণ…)

অমর একুশে গ্রন্থমেলার নতুন বই: দ্বিতীয় সপ্তাহ

চিন্তামন তুষার | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ৮:৫১ অপরাহ্ন

cover-1.jpgপ্রাণের ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’ ২০১৫-এর দ্বিতীয় সপ্তাহ পার হয়েছে। ইতিউতি ঘোরাঘুরি করতে করতে অনেকেই বই কেনাও শুরু করেছেন। ক্রেতার প্রতি দৃষ্টি রেখে বিক্রেতা অর্থাৎ প্রকাশকরাও তাদের পণ্যসম্ভার সাজিয়ে বসেছেন এবং প্রকাশ করছেন নতুন বই। প্রকাশকদের কাছ থেকে পাওয়া নতুন বইয়ের প্রাকতথ্যাদি তুলে ধরা হলো এ লেখায়।


বইয়ের নাম: আমার জীবন ও অন্যান্য

লেখক: মুর্তজা বশীর
বইয়ের ধরণ/বিষয়: আত্মজীবনী
প্রকাশক: বেঙ্গল পাবলিকেশন্স
প্রচ্ছদ অলঙ্করণ: কাইয়ূম চৌধুরী
মূল্য: ৫২৫

দীর্ঘদিনই ধরেই লেখালেখি করছেন তিনি। শিল্পী হয়েও তিনি যে লেখকের ভূমিকায় কম যান না তার প্রমাণও দিয়েছেন। শিল্পকলা থেকে শুরু করে স্মৃতিকথামূলক রচনায় তার স্বাতন্ত্র্য চোখে পরার মতো। তার রচনায় একদিকে প্রকাশ পেয়েছে তাঁর সাহিত্যবোধ ও সাহিত্যরুচি, অন্যদিকে তিনি ছাত্রাবস্থা থেকে যে অঙ্গীকারের চেতনায় আন্দোলিত হয়ে বৃহত্তর সৃজনভূবনে প্রবেশ করেছিলেন তা খুবই আন্তরিকতার সঙ্গে উঠে এসেছে। যৌবনের প্রারম্ভে তিনি বামপন্থা ও সমতাভিত্তিক সমাজনির্মাণের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা তাঁর ঔজ্জ্বল্যেও দীপ্ত এসব রচনা। এছাড়া পঠন-পাঠন এবং সাহিত্য ও শিল্পের নানা দিগন্তের উন্মোচন আমাদের অভিজ্ঞতার দিগন্তকে বিস্তৃত করে। চিত্রশিল্পে বিচরণে তিনি কোন পরিপ্রেক্ষিত ও দৃষ্টিভঙ্গিকে ধারণ করে হয়ে উঠেছেন এদেশের একজন শীর্ষ ও প্রথিতযশা শিল্পী তা তাঁর কয়েকটি রচনা পাঠে উপলব্ধি করা যায়। তাঁর খ্যাতনামা পিতা ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পর্কে তিনি স্মৃতিচারণ করেছেন। এই স্মৃতিতে তাঁর পিতার পাণ্ডিত্য, ব্যক্তিস্বরূপ দ্যুতিময় হয়ে ফুটে উঠেছে। এছাড়া তাঁর শিক্ষক জয়নুল আবেদিন, শিল্পী কামরুল হাসান এবং বন্ধু শিল্পী আমিনুল ইসলাম শিল্পী সোমনাথ হোর, শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী, শিল্পী রশিদ চৌধুরীসহ বেশ কয়েকজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পীর শিল্পসাধনা ও সৃজন নিয়ে তিনি আলোকপাত করেছেন। (সম্পূর্ণ…)

বিবি মরিয়মের গল্প

মো. আনোয়ার হোসেন | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ৯:২৪ অপরাহ্ন

শিশুদের ছোট দলটি ক্রমে আরও দৃশ্যমান হয়। কাছে এলে শুধোই,

‘কই যাও তোমরা?’

পাঁচজনের দলটির মধ্যে সবার বড় ও সবার ছোট দু’জন মেয়ে। বাকি তিনজন ছেলে। বাঁশের টুকরি হাতে বড় মেয়েটির বয়স নয় কি দশ। একটু দ্বিধা নিয়ে সেই উত্তর দেয়।

‘লাকড়ি টোয়াইতে।’

চারদিকে তাকাই। নিঝুম দ্বীপের পশ্চিমে সাগর পারের বিস্তীর্ণ এই বেলাভূমিতে শুধু ধুধু বালি। লাকড়ি কোথায় যে সংগ্রহ করবে?

মেয়েটি হয়তো আমার মনের কথাটি ধরতে পারে। তার ছোট হাতটির আন্দোলন অনুসরণ করে দূরে পানির দিকে তাকাই। ভাটার এই সময়ে পানি দূরে সরে গেছে। ফেলে গেছে গাছের মরা ছোট ডাল। কাদা-বালিতে দেখা যায় কি যায়না। শীতের এই ভোরে সেগুলো সংগ্রহে যাচ্ছে শিশুদের দলটি।

‘কি নাম তোমার? বাড়ি কোথায়?’

‘বিবি মরিয়ম।’

দূরে পূবদিকের বাড়িটি দেখায়। (সম্পূর্ণ…)