স্টিফেন ডান-এর দুটি কবিতা
[স্টিফেন ডান কবিতার বই ডিফারেন্ট আওয়ারস (২০০০)-এর জন্য পুলিৎজার পুরস্কার পান ২০০১ সালে। বিশ বৎসর বয়সে কর্পোরেট চাকুরিতে ক্রমাগত ভালো করতে থাকায় ভয় পেয়ে চাকুরি ছেড়ে লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন তিনি। এরপর কবি সস্ত্রীক এক 
……..
স্টিফেন ডান (Stephen Dunn, জন্ম. কুইনস, নিউ ইয়র্ক, ১৯৩৯)
……..
বৎসরের জন্য স্পেনযাত্রা করেন। সেখানে উপন্যাস লিখবার চেষ্টা কবিতা রচনায় মোড় নেয়। এ সময়ে কবির সে সময়কার একমাত্র সাহিত্যিক বন্ধু স্যাম টোপারফ তাঁর কাছে বেড়াতে আসেন। তিনি পরামর্শ দেন কবিতা ঠিক পথে এগুচ্ছে। স্টিফেন ডান এরপর পুরোপুরি কবিতায় মন দেন। বিভিন্ন কলেজে কবিতা এবং ক্রিয়েটিভ রাইটিং-এর শিক্ষক, সম্পাদক তিনি। পেশাদার বাস্কেটবল খেলোয়াড় ছিলেন।
কীভাবে কবিতা লেখেন সে ব্যাপারে বলতে গিয়ে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, কবিতা যখন শুরু করেন তখন কোনো নির্দিষ্ট ডিজাইন থাকে না তাঁর। কখনো কোনো ছবি থেকে কখনো কোনো আইডিয়া দিয়ে অগ্রসর হন তিনি। এবং তাঁর স্বভাব হলো যা তিনি বলতে চান তা বলা থেকে বিরত থাকেন। ফলে তাঁর কবিতার আগানোটি এক অর্থে নানান বাদ দেওয়ার সমাহার যেখানে তিনি হয়তো কিছু বলতে চেয়েছিলেন।]
অনুবাদ: শামস আল মমীন
বাড়িতে নিয়মিত যা যা করি
মা যখন মারা গেল
ভেবেছিলাম: এবার একটা মৃত্যুর কবিতা লেখা হবে।
ওটা ক্ষমার অযোগ্য
তবুও নিজেকে ক্ষমা চোখে দেখি
মায়েদের ভালবাসা পেয়ে
ছেলেরা যেমন করতে পারে।
তাঁর কফিনে স্থির চেয়ে থাকি
যদিও জানি কতকাল এই শুয়ে থাকা,
কত জীবনের সুখ স্মৃতি
মগজের কোষে।
ঠিক বলা মুশকিল
কী ভাবে আমরা বিষণ্নতা কাটিয়ে উঠি,
কিন্তু মনে আছে আমার, মাত্র
বারো আমি, ১৯৫১, পৃথিবী তখনো
আমার কাছে অপরিচিত।
আমি মার কাছে (ভয়ে ভয়ে)
তার স্তন দেখার আবদার করি
কোনো দ্বিধা কিম্বা লজ্জা ছাড়াই
মা আমাকে তার কামরায় নিয়ে যায়
আমি স্থির তাকাই ওদের দিকে,
সাহস হয়নি আর কিছু জিগ্যেস করি।
আজ, এতদিন পর, একজন বলে
কর্কট রাশির জাতকেরা মায়ের আশির্বাদ না পেলে
অভিশপ্ত হয়, কিন্তু আমি, কর্কটরাশি হয়েও,
নিজেকে আবার ভাগ্যবান মনে করি। (সম্পূর্ণ…)




…….

…….

দি ইউনিভার্সেল একাডেমী (৪০/৪১ বাংলাবাজার, ঢাকা ১১০০) থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রন্থিত ইতিহাস বইটি প্রকাশ করেছেন এ. এস. এ. ভূঁইয়া শিহাব। অনেক দিন ধরে বিভিন্ন রেকর্ড রুম আর আর্কাইভ ঘেঁটে এ বই রচনা করেছেন ড. রতন লাল চক্রবর্ত্তী।
……..