মহত্তম প্রেমের কবিতা

বিনয় বর্মন | ২৩ জুলাই ২০১৪ ২:১২ অপরাহ্ন

love-1.gifমানুষের প্রেম-ভালোবাসার প্রকাশ ঘটে বিচিত্রভাবে। প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ উপায়ে, বস্তুতে-প্রতীকে, শারীরিক-মানসিকভাবে, আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিক পদ্ধতিতে। পৃথিবীর দেশে দেশে সমাজ-সংস্কৃতিভেদে এর প্রকাশ কিছুটা ভিন্ন হলেও এর রয়েছে সর্বজনীন রূপ। প্রেম এমন এক মানসাবস্থা যেখানে অন্যের জন্য আকুলতা-ব্যাকুলতা তীব্র হয়ে ওঠে। প্রেম এক ধরনের আকর্ষণ, মঙ্গলকামনা। প্রেম বিশুদ্ধ, স্বর্গীয়, মধুর, মহৎ। প্রেমের সঙ্গে কবিতার ওতপ্রোত সম্পর্ক। প্রেমের প্রতিটি উচ্চারণ কাব্যিক। সম্প্রতি লন্ডনে হয়ে গেলো প্রেমের কবিতাশিল্প উদযাপন অনুষ্ঠান। শব্দে-ছন্দে কবিরা কিভাবে প্রকাশ করেন মানুষের একান্ত আবেগের কথা, তারই বার্তা পাওয়া গেলো সেখানে। (সম্পূর্ণ…)

স্কুলের দিনগুলো: আমার কথাটি ফুরালো

সনজীদা খাতুন | ২২ জুলাই ২০১৪ ৭:৫৪ অপরাহ্ন

সেজদির শ্বশুরবাড়ির কাহিনি আর একটু বলা যাক। বিয়ের প্রস্তাব এসেছিল, বরপক্ষ স্কুলের ঘোড়ার গাড়িতে সেজদিকে দেখে পছন্দ করেছিলেন বলে তাড়াহুড়া করে বিয়ে হয়ে গেল। আব্বুর ধারণা ছিল মেয়েদের যেখানেই বিয়ে হোক, তারা মানিয়ে নেবে। পরিবারে পরিবারে সংস্কৃতিতে ভেদ থাকতে পারে, সেসব ভাবেননি।

ফলে বিয়ের পর অজপাড়াগাঁয়ে গিয়ে সেজদি পড়লেন আতান্তরে। রান্নার চালায় শাশুড়িকে সাহায্য করবার মানসে গিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন, শ্বশ্রূমাতা উনুন থেকে একটি হাঁড়ি নামিয়ে একটি মাটির সরা বধুর হাতে দিয়ে বললেন-‘গুইরা অ্যারো’। হাবাগোবা সেজদি তার এক বর্ণ বুঝতে না পেরে ঢাকনা হাতে খাড়া দাঁড়িয়ে রইলেন। শাশুড়ি খানিক পরে তাকিয়ে দেখেন ঘোমটা-পরা বউয়ের চোখ দিয়ে ঝর ঝর করে জল ঝরছে। তাড়াতাড়ি কাউকে ডেকে বউকে ঘরে নিয়ে যেতে বললেন। অনেক পরে সেজদি বুঝেছিলেন যে শাশুড়ি ঢাকনা দিয়ে তরকারির হাঁড়িটা ঢেকে রাখতে বলেছিলেন। ‘গুইরা অ্যারো’ মানে ঢেকে রাখো। নিতান্ত আঞ্চলিক কথন। (সম্পূর্ণ…)

সলিমুল্লাহ খানের পাঁচটি সনেট

সলিমুল্লাহ খান | ২১ জুলাই ২০১৪ ৯:৪১ অপরাহ্ন

গ্লোবাল ভিলেজে বাস

টালত মোর নাহি পড়বেসী।
হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী॥

-বৌদ্ধগান ও দোহা: ৩৩

গ্লোবাল ভিলেজে বাস করে এক বিষণ্ন বলদ
এ নিয়ে স্বাধীন পঞ্চাশ বছর পরাধীনতার
গুজবে দিচ্ছে না কান, দেখছে না জগদপিতার
শব কাঁধে মর্তের মানুষ ধরছে স্বর্গের গলদ।

বসে আছে ফিলাডেলফিয়া কবিতার সম্মেলনে
দুই পা সামনে নিবিড় রিপোর্ট ভনে বিজ্ঞানের
জয় মা বল বিবরবাসী পত্রিকায় লেখে ফের
(ইংরি)জিলিপি সম্পাদকীয় সত্যমিথ্যা প্রয়োজনে। (সম্পূর্ণ…)

আমি শুধু রানী, তুমি মহারাজা

পূরবী বসু | ২০ জুলাই ২০১৪ ৭:২৮ অপরাহ্ন

সে আমাকে ভালোবাসে
সব সময়েই থাকে পাশে।
বোঝায় যখন,বুঝি আমি
স্ত্রী-অধিকার-উৎসে স্বামী।

আমার সংসার, আমার বাড়ি
আগলে রাখি যত পারি।
সব দেখে তাই বলে স্বামী,
“তুমিই চালাও, চলি আমি। (সম্পূর্ণ…)

ফর্মালিন বিষয়ক সাতপঙক্তি

মুহম্মদ নূরুল হুদা | ১৮ জুলাই ২০১৪ ৮:২৮ অপরাহ্ন

ফলমূল সব্জিকুল তাজা থাকতে চায়,
ইলিশ-বোয়াল-বেলে হাড়-মাংশ-ননী
যাবতীয় খাদ্য-পথ্য তাজা থাকতে চায়,
মৃত সব শরীরেরা তাজা থাকতে চায় (সম্পূর্ণ…)

কবিতা ‘খোয়াবনামা’ : একটু মন দিয়ে পড়া

হাসান আজিজুল হক | ১৬ জুলাই ২০১৪ ১১:২৫ অপরাহ্ন

border=0আমি হঠাৎ একটি আশ্চর্য চিঠি দেখে ফেলেছি। এই চিঠিটিকে আর লুকিয়ে রাখা এখন ঠিক হবে না। এখন এটা সবাই দেখতে পারবেন। চিঠিটি লিখেছিলেন আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১৯৭৯ সনের জানুয়ারী মাসের ১৩ তারিখে। প্রবাসী কবি ওমর শামসের কাছ থেকে তাঁর কবিতার বই ‘খোয়াবনামা’ আর কিছু মার্গ-সংগীতের ক্যাসেট হাতে আসার কথা জানিয়েছেন এই চিঠিতে। ওমর শামসের দ্বিতীয় কবিতার বই ‘খোয়াবনামা’ প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৬-তে (এই খবরটি আমার কিছুদিন আগেও জানা ছিলো না, সে-অজ্ঞতার দায় অবশ্য পুরোপুরি আমারই), তখনই কোনো এক-সময়ে ইলিয়াসের টিকাটুলির বাসায় ‘খোয়াবনামা’-সহ আরও কয়েকটি কবিতা শামস নিজেই ইলিয়াসকে পড়ে শুনিয়েছিলেন। (সম্পূর্ণ…)

বিশ্বকাপ ফুটবল বন্ধ করে দেওয়া উচিত

নির্মলেন্দু গুণ | ১৫ জুলাই ২০১৪ ১০:৪৫ অপরাহ্ন

বিশ্বকাপ ফুটবল বন্ধ করে দেওয়া উচিত। ৩১টি দেশের মানুষ ও তাদের সমর্থকদের চোখের জলের বিনিময়ে ১টি দেশের মানুষ ও সমর্থকদের মুখে হাসি ও উল্লাস প্রকাশের এই বিশ্ব-আয়োজন বড়ই নির্মম ও নিষ্ঠুর। বন্ধ করো এই মানুষ কাঁদানোর খেলা।

১৯৩০-১৯৫৪ এই বিশ্বকাপ ফুটবল বিশ্বকে কাঁপাতে পারতো না। টেলিভিশন বিশ্বকাপকে দুনিয়াময় ছড়িয়ে দিয়েছে এবং টিভিজালে বিশ্ববাসীকে জড়িয়ে নিয়েছে। বিশ্বকাপ ফুটবল বিশ্বের কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণীদের এমন এক নেশায় পরিণত করেছে, যাকে আপাতদৃষ্টিতে নির্দোষ বলে মনে হলেও, এটা একটা ড্রাগ। ফুটবল-ড্রাগ। (সম্পূর্ণ…)

‘চেতন-কবিতা’ ও আবুল হোসেনের কবিতার পুনর্পাঠ

রবীন আহসান | ১৪ জুলাই ২০১৪ ১২:০৪ পূর্বাহ্ন

kobit.gifবিশ শতকের চল্লিশ দশকের আধুনিক বাঙালি কবি আবুল হেসেন। তাঁর কবিতার পুনর্পাঠের মাধ্যমে কবিতার একাল-সেকালের মধ্যে দুটি সমান্তরাল ধারা দৃশ্যমান করা হলো ‘চেতন-কবিতা’-র একাদশ অধিবেশনে।

১২ জুলাই ২০১৪, শনিবার। শাহবাগের আজিজ সুপারমার্কেটের চারতলায় ‘নিত্য উপহার গ্যালারি’তে অনুষ্ঠিত হলো ‘কবিতাবাংলা’ আয়োজিত এই অন্যরকম অনুষ্ঠানটি। সম্প্রতি বিরান্নব্বই বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছেন স্বাতন্ত্র্যসন্ধানী ও স্বল্পপ্রজ কবি আবুল হোসেন । তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, তাঁর কবিতার পুনর্পাঠ, নতুন প্রজন্মের তিন কবির কাব্যালোচনা ও কবিকন্ঠে কবিতা পাঠ ছিল তিনটি পর্বে বিভক্ত এই অনুষ্ঠানটির বৈশিষ্ট্য। (সম্পূর্ণ…)

বাঙ্গালের জাপান দর্শন

আনিসুজ্জামান | ১২ জুলাই ২০১৪ ১১:৩০ অপরাহ্ন

japan-1.jpgকিছুটা পারিবারিক ঝামেলা, তাছাড়া লেখাপড়ার ইচ্ছেও ততদিনে উবে গিয়েছিলো। ঠিক এরকম পরিস্থিতিতে ৮৫/ ৮৬ সালের দিকে বিদেশে যাওয়ার জন্য এক ধরনের আগ্রহ তৈরি হলো আমার মধ্যে। মনে হচ্ছিলো দেশে থেকে আমার পক্ষে কিছুই করা সম্ভব নয়। আমার যখন মানসিক অবস্থা এরকম তখন কুড়িলের এক ভদ্রলোক, শুনলাম জাপানে লোক পাঠায়। ঐ সময় উনি আমাকে নিয়ে গেলেন মতিঝিলে এক উপমন্ত্রীর বাড়ি বা অফিসে। উনি নাকাসিমি নামের এক ভদ্রলোকের মাধ্যমে জাপানে লোক পাঠাতো তখন। (সম্পূর্ণ…)

এদুয়ার্দো গালেয়ানোর ‘দর্পন’-এ বাংলাদেশ ও অন্যান্য

রাজু আলাউদ্দিন | ১০ জুলাই ২০১৪ ১০:১২ অপরাহ্ন

galeano-1.jpgউরুগুয়াইয়ের লেখক এদুয়ার্দো গালেয়ানোর লাতিন আমেরিকার উন্মুক্ত শিরাউশিরা (Las venas abiertas de America Latina) বইটি যখন ১৯৭১ সালে বের হয় তখন স্পানঞলভাষী পাঠকরা প্রবল আগ্রহে তাকে বরণ করে নিয়েছিলেন। নেবার কারণ এই বইটির মধ্যে পাঠক দেখতে পেয়েছিলেন লাতিন আমেরিকার বঞ্চনার, নিপীড়নের আর দেশি বিদেশী লুটেরাদের কাহিনী যা তথ্যের প্রাচুর্যে আর অনুপুঙ্খ বিশ্লেষণে প্রায় সামগ্রিকতা নিয়ে হাজির হয় প্রথমবারের মতো। এমন নয় যে গালেয়ানোর আগে লাতিন আমেরিকার ইতিহাসের বই ছিলো না, অনুসন্ধানী পাঠক মাত্রেই জানেন দেদার কিতাব আছে স্পানঞলে এসব বিষয়ে। কিন্তু কোনটাই পাঠকপ্রিয়তায় গালেয়ানোর কাছাকাছি আসতে পারেনি। খোদ রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে একেবারে সাধারণ জনগণ অবদি বিস্তৃত তার পাঠকবৃত্ত। (সম্পূর্ণ…)

ব্রাজিল ভক্তদের কাছে খোলা চিঠি

নির্মলেন্দু গুণ | ৯ জুলাই ২০১৪ ৩:৫১ অপরাহ্ন

সুমি, এতো মন খারাপ করো না। যে প্রশ্নটা আমি অনেকদিন আগে থেকে করে আসছি, তা আবার আজও বলি- ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনা আমাদের কে? সারা ফুটবলবিশ্বই আমাদের বন্ধু। সমগ্র বসুন্ধরাই আমাদের কাছে কুটুম্ববৎ। জাপান আমাদের সবচেয়ে বড় সাহায্যদাতা দেশ। বিশ্বকাপে তাদের আমরা সমর্থন করি না। মুসলমান দেশ হিসেবে ইরানকেও আমরা সমর্থন করি নি। এশীয় দেশগুলির কোনো পতাকা আমার চোখে পড়েনি ঢাকার কোনো বাড়ির ছাদে। (সম্পূর্ণ…)

কয়েকটি কবিতা

আলতাফ হোসেন | ৮ জুলাই ২০১৪ ৯:১০ অপরাহ্ন

ফিরে আর আসা হবে না। ‘অনেক’ দূরে গিয়ে তো হয়েছেই, ‘সামান্য’ দূরে গিয়েও
মনে হয়েছে ফিরতে পারবে না। কোথায় এসেছে?
এ এক অসাধ্য পথচলা। কোথায় ফিরবে?
এক জায়গা থেকে যাচ্ছে আরেক জায়গায়।
আরেক জায়গা থেকে অন্য অনামা জায়গায়। ঝাপসা একটি গাছ, একটি নারী।
ফিরতে পারবে তো? ফিরতে কীভাবে পারবে?
উৎকণ্ঠায় কেঁদেই চলেছে। (সম্পূর্ণ…)