কামরুল হাসানের পাঁচটি কবিতা

কামরুল হাসান | ১ অক্টোবর ২০১৪ ১১:৩২ অপরাহ্ন

না ফেরার ইতিবৃত্ত

নীলিমায় ভেঙ্গেছে আমার চোখের চৌকোন।
বায়ুস্তরে ভেসে গেছে ফুসফুস,
ভুলবশে সমুদ্রে রেখেছিলাম পা
সেই থেকে লোনাজলে সিক্ত-দগ্ধ তাঁবুর স্থিতি
পা আর পেল না কোন যাত্রার সৌরভ।

বনবিহারে এত বেশি সবুজের মৌতাত মদ
গিলেছিল হৃদপিণ্ড আমার, যে একটি প্রাণবান বৃক্ষ
হয়ে উঠা ছাড়া রক্তসঞ্চালনও ভুলে গেল সে। (সম্পূর্ণ…)

মুহম্মদ নূরুল হুদার সাক্ষাৎকার: ‘টেকনিকের বিবর্তনের ইতিহাস’ কথাটা একটি খণ্ডিত সত্য

রাজু আলাউদ্দিন | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ৬:১৪ অপরাহ্ন

nurul.gifআজ ৩০ সেপ্টেম্বর (২০১৪) ষাট দশকের অগ্রগণ্য কবি মুহম্মদ নূরুল হুদার ৬৫তম জন্মদিন। এ উপলক্ষে কয়েকদিন আগে কবিতা ও অনুবাদ প্রসঙ্গে যে-আলাপচারিতা অডিওতে ধারণ করা হয়েছিলো তারই শ্রুতিলিপি এখানে উপস্থাপন করা হলো। (সম্পূর্ণ…)

প্রাচ্য পুরাণের নবরূপায়ণের কবি

তপন বাগচী | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ৩:০৭ অপরাহ্ন

huda-2.jpgপুরাণের নবরূপায়ণ সাহিত্যের এক স্বীকৃত ও নন্দিত প্রথা। ‘কানু ছাড়া গীত নাই’ প্রবাদটির মধ্য দিয়েই পুরাণের নবরূপায়ণের লৌকিক স্বীকৃতি মেলে। প্রেমের গান মানেই কালার বাঁশি আর রাধার বিরহের সুর। বাংলা কবিতা ও গানে পুরাণের নানামাত্রিক ব্যবহার কারও অজানা নয়। এমন কোনো কবি নেই, যিনি জেনে বা না জেনে পুরাণের পূর্ণ কিংবা খণ্ডিত ব্যবহার করেননি। কেবল প্রাচ্য পুরাণ নয়, প্রতীচ্য পুরাণও হয়ে উঠেছে সচেতন কবির অন্বিষ্ট। এমনকি লৌকিক পুরাণ ব্যবহারেও বাংলা কবিতা সমৃদ্ধ হয়েছে। এছাড়া ঐতিহাসিক কিংবা সামাজিক বিষয়াদিও ব্যবহারের গুণে পুরাণের মর্যাদা পেয়ে গেছে। কবিতার অনুষঙ্গ হিসেবে পুরাণে ব্যবহৃত শব্দ, চরিত্র, আখ্যান প্রয়োগের পাশাপাশি কেউ কেউ সম্পূর্ণ পুরাণকাহিনির নবনির্মাণ করেছেন। কাব্যনাট্যে এই উদ্যোগের ঘটনা বেশি লক্ষিত হলেও মালা-কবিতায় এর প্রয়োগ বেশি নেই। যে কজন নিষ্ঠাবান কবি এই ধরনের সচেতন প্রয়াস চালিয়েছেন কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা তাদের শীর্ষ সারির একজন। ‘শুক্লা শকুন্তলা’ (১৯৮৩) তাই বাংলা কবিতার স্মরণীয় উদাহরণ। (সম্পূর্ণ…)

সাগরতরঙ্গে কবির মুখ

বিনয় বর্মন | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ২:৪৪ অপরাহ্ন

nurul-huda.jpgকবি মুহম্মদ নূরুল হুদার মুখের দিকে তাকালেই কেন জানি সাগরের ছবি ভেসে ওঠে। তাঁর চোখে সাগরের উষ্ণস্রোত। নিঃশ্বাসে প্রমত্ত মৌসুমি বাতাস। ঠোঁটে বিড়বিড়-করা উর্মিমালা। দাড়িগোঁফে শ্যাওলা-গুল্ম, ফসফোরেসেন্স। কবি সাগরজাতক; সাগরের নোনাজল বালিপলিতে গঠিত, লালিত তার দেহ। উপকূলের গাছ তাকে ছায়া দিয়েছে, সাগর থেকে ভেসে আসা মেঘ তার উপর বারিপাত করেছে। কবির স্বীকারোক্তি: ‘অনন্ত প্রশ্নের মুখে ধাবমান আমি আজও তরঙ্গ সফেন’। সাগর তাঁর অস্তিত্বে শেকড় গেড়েছে, তাকে করেছে সৃষ্টিশীলতায় উন্মাতাল। কবির হৃদয়ে-মননে যত ভাব-অনুভব, তা প্রকাশিত হয় কবিতার মাধ্যমে। তার প্রতিটি উচ্চারণ সাগর মন্থন করে তুলে আনা অমৃতের মতো। আমরা সেই অমৃতবাণী শ্রবণ করে মুগ্ধ হই, ধন্য হই, পুণ্যবান হই। আমরা পুলকিত হতে হতে হারিয়ে যাই নন্দনের অচেনা বন্দরে। (সম্পূর্ণ…)

মুহম্মদ নূরুল হুদা : দীপ্ত কণ্ঠের কবি

মোস্তফা তারিকুল আহসান | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১:৪৯ অপরাহ্ন

huda-1.gifবাংলাদেশের এবং বাংলা ভাষার অন্যতম কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা; বাংলাদেশের সামগ্রিক কাব্যস্বরের সাথে তিনি অন্বিত হয়ে আছেন প্রগাঢ়ভাবে । একই সাথে কাব্য নিয়ে যে সকল আন্দোলন বা জাগরণমূলক কর্মকাণ্ড হয়ে থাকে এদেশে তার সঙ্গেও তিনি অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। তাঁর লেখালেখির জন্য তিনি গুরুত্বপূর্ণ সম্মাননা পেয়েছেন এবং আরো পাবেন ভবিষ্যতে তবে তাঁর লেখকসত্তার ভেতরে যে বৈভব রয়েছে, রচনাশৈলীর যে বৈচিত্র্য রয়েছে এবং বিশেষত কাব্যসিদ্ধির যে উচ্চস্থানে তিনি পৌঁছে গেছেন সেটা সবেচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। (সম্পূর্ণ…)

অসম্পূর্ণ জীবনের দাসত্ব: জানা-বোঝার ভেতর-বাহির

ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ৬:৫৫ অপরাহ্ন

zia_haider.jpgজিয়া হায়দার রহমান সম্প্রতি ৫৫৫ পৃষ্ঠার এক ঢাউস উপন্যাস লিখেছেন। নামটিও চমৎকার, প্রচ্ছদটিও - ইন দ্য লাইট অফ হোয়াট উই নো। উপন্যাসটি এক কথায় চমৎকার, যদি অবশ্য পুরোটা পড়ে শেষ করার ধৈর্য কারো থাকে। জিয়া হায়দার সেই প্রজন্মের বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত লেখক যাঁদের জন্ম বাংলাদেশে হলেও বাবা-মায়ের হাত ধরে বিদেশে থিতু হয়েছেন। সবচেয়ে বড় কথা, তাদের বিদ্যালয় জীবনটি বিদেশে রচিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের ব্যাপারটা জরুরি, কেননা সেখানেই মানসভূমি রচিত হয়, সেখানে সারাজীবনের বন্ধুত্ব রচিত হয়। স্কুল-জীবনের বন্ধু বলে কথা! প্রবাসী সমাজের রীতিনীতি শেখার সর্বোত্তম স্থান হলো বিদ্যালয় - প্রাথমিক কিংবা মাধ্যমিক অথবা হাইস্কুল। প্রবাসী সমাজে টিকে থাকা, সেখানকার মানুষেরা কী নিয়ে আড্ডা দিতে পছন্দ করে, কেমন ভাবতে পছন্দ করে - এসবই স্কুল থেকে মানুষ শেখে। বিশ্ববিদ্যালয়েও মানুষ বন্ধু তৈরি করে, নতুন সমাজের আদব-কায়দা, রীতি-লেহাজ রপ্ত করে। কিন্তু বিদ্যালয়ে এটা ঘটে আরো গভীরে, আরো গহন অন্তরালে। বিদ্যালয়-জীবনের বন্ধুত্ব সারাজীবনের বন্ধুত্ব। যদি প্রবাসী সমাজের প্রধান ধারায় মিশে যেতে হয়, তাহলে সেখানকার স্কুলিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নয়ত পাঁচজন মানুষ একত্র হলে কী নিয়ে কথা বলবে সেটাও হাতড়াতে হয়। কাজেই জিয়া হায়দার সেদিক দিয়ে এগিয়ে। (সম্পূর্ণ…)

তাপস গায়েনের কবিতা: আসিয়াছেন তথাগত, আসিয়াছেন পিতাশ্রী

তাপস গায়েন | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১২:৫০ পূর্বাহ্ন

(এক)
পুষ্প বিকাশের নিয়মে পুষ্প ফুটিয়াছে, যেইরূপে রাধাসমীপে শ্রীকৃষ্ণ আসিয়া থাকেন । বর্ষায় কদম ফুটিয়া থাকে না কি কদম ফুটিলে বর্ষার প্রকাশ ঘটে, তাহার মীমাংসা রাধারাণীই করিবেন ! অক্লান্ত বর্ষা আর কদম ফুলের যুগল সম্মিলনকালে এই জগৎ রাধারূপে জাগিয়া ওঠে, যেইরূপে প্রাতঃকালে আলোর স্ফুটন হয়, যেইরূপে ক্রমাগত আলো আমাদের সম্মুখে আসিয়া প্রতিভাত হয় । এইক্ষণে, রাধারাণীকে প্রকৃতরূপে জানা হইলে, শ্রীকৃষ্ণকে আর জানা হইয়া উঠে না, অন্যদিকে শ্রীকৃষ্ণকে জানা সম্পূর্ণ হইলে, শ্রীমতীরাধা অজ্ঞাতই থাকিয়া যান । পূর্ণ অবয়বে রাধা এবং কৃষ্ণ, এই উভয়কে একসাথে জানিয়া উঠিতে পারিলেই প্রেমের সম্যক ধারণা পাওয়া যায় । হে দয়াল ঠাকুর, এই যুগলকে সম্পূর্ণরূপে না জানিতে পারিয়া আমরা অস্থির হইয়াছি, আমরা প্রেমহীন হইয়া রহিয়াছি । (সম্পূর্ণ…)

কুমার চক্রবর্তীর গুচ্ছ কবিতা

কুমার চক্রবর্তী | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১১:৪০ অপরাহ্ন

ভুট্টাখেতের স্তব্ধতায়

এখানে রোদ ঘন ও আঠালো,
আকাশ আর সমতল রচনা করেছে যোগচিহ্নহীন সম্পর্কের চিত্ররূপ।
আমাদের কেউ ছিল না , না জল-হাওয়া না মেঘস্তূপ,
তবু অজানা বিন্দুগুলোকে ধরতে গিয়ে আমরা পৌঁছে গিয়েছিলাম
ভুট্টাখেতের সরল প্রান্তরেখায়। আমরা জেনেছিলাম―
জীবন এক আলো আর ছায়া যা মনে করিয়ে দেয়
নিঃসঙ্গতা, আর নির্নিমেষ
জল আর পাতালের বিরামহীন বিস্তার
যখন নেমে আসে স্তব্ধতা
যখন নিমগ্নতা অধিকার করে বসে
আর আমরা ধনেশপাখির দিকে নিবিড়ভাবে তাকিয়ে খুঁজি―
আত্ম ও অমরত্বের স্থিরসন্ধান। (সম্পূর্ণ…)

গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:

নিঃসঙ্গতার একশ বছর

আনিসুজ্জামান | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ৭:৩০ অপরাহ্ন

border=0বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে নিঃসঙ্গতার একশ বছর-এর মতো আর কোনো উপন্যাস প্রকাশের পরপরই এতটা পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে কিনা সন্দেহ। জনপ্রিয়তার বিচারে যেমন, তেমনি শিল্পকুশলতা আর শিল্পমুক্তির ক্ষেত্রেও এটি হয়ে উঠেছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। কেবল স্প্যানিশ সাহিত্যেই নয়, গোটা বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসেই একটি মাত্র উপন্যাসে ইতিহাস, আখ্যান, সংস্কার, কুসংস্কার, জনশ্রুতি, বাস্তব, অবাস্তব, কল্পনা, ফ্যান্টাসি, যৌন-অযাচার ও স্বপ্ন– সবকিছুর এমন স্বাভাবিক ও অবিশ্বাস্য সহাবস্থান আগে কখনও দেখা যায়নি।
ঠিক এই কারণে মারিও বার্গাস যোসা এটিকে বলেছিলেন এক সামগ্রিক উপন্যাস (Novela Total), আর পাবলো নেরুদা একে বলেছিলেন, “সের্বান্তেসের ডন কিহোতের পর স্প্যানিশ ভাষায় সম্ভবত মহত্তম উন্মোচন (“perhaps the greatest revelation in the Spanish language since Don Quixote of Cervantes.”)
বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত কিংবদন্তিতুল্য এই উপন্যাসটি মূলভাষা থেকে অনূদিত হয়নি। এই প্রথম এটি আনিসুজ্জামানের অনুবাদে মূল থেকে ধারাবাহিক অনূদিত হচ্ছে। বি. স.
(সম্পূর্ণ…)

আমি আনন্দ ছাড়া আঁকতে পারি না, দুঃখ ছাড়া লিখতে পারি না

–মুতর্জা বশীর

রাজু আলাউদ্দিন | ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১১:০৮ অপরাহ্ন

bashir.jpgগত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রবীণ শিল্পী মুর্তজা বশীর(জন্ম আগস্ট ১৭, ১৯৩২)-এর প্রদর্শনী শুরু হয়েছে উত্তরায়, গ্যালারিকায়ায়; প্রদর্শনী চলবে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রদর্শনীতে শিল্পীর ওয়েল প্যাস্টেল অন ক্যানভাসে আঁকা ১৭টি, ওয়েল অন ক্যানভাসে আঁকা ২টি, ৯টি কোলাজ এবং ১৯৫৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে প্যাপারে আঁকা ১৮টি ড্রয়িংসহ মোট ৪৬টি শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। বিষয়বৈচিত্রে যেমন, তেমনি শৈলী ও মাধ্যমের দিক থেকেও তার এবারের প্রদর্শনী দর্শকদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা। শিল্পী বশীর পুরাণের সেই কাল্পনিক জীব প্রটিয়াসের মতো যিনি নিজেকে বদলে নিয়েছেন বারবার, কিন্তু বামপন্থী রাজনৈতিক বিশ্বাস আর গণমানুষের প্রতি অঙ্গীকারের জায়গায় তিনি নিজেকে রেখেছেন অপরিবর্তিত। চিরনতুন এই প্রবীণ শিল্পীর প্রদর্শনী উপলক্ষে সম্প্রতি তার একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন কবি ও প্রাবন্ধিক রাজু আলাউদ্দিন। সাক্ষাৎকারের পূর্ণ ভিডিওসহ লিখিত রূপটি এখানে প্রকাশ করা হলো। বি.স. (সম্পূর্ণ…)

সুনীলদা কথা রেখেছিলেন

শান্তা মারিয়া | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১১:৫৬ অপরাহ্ন

sunil.jpgবাংলাভাষাভাষী পাঠককে গত অর্ধশতাব্দী ধরে যিনি মুগ্ধ করে রেখেছিলেন তার সৃষ্টির যাদুতে তিনি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি অসামান্য কবি, অতুলনীয় গদ্য লেখক।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কবি না ঔপন্যাসিক? তাঁর কবিতার মুগ্ধ পাঠকের সংখ্যা যেমন অসংখ্য তেমনি তাঁর গদ্যের ভক্ত পাঠক অজস্র। তবে এ প্রশ্নের মীমাংসা তিনি নিজেই তাঁর আত্মজীবনী অর্ধেক জীবনসহ অন্যান্য লেখায় ও সাক্ষাৎকারে করেছেন। মনে আছে ২০১১ সালে ঢাকায় তাঁকে এ প্রশ্নটি করার পর তিনি হেসেছিলেন। রহস্য করে বলেছিলেন দেহে তিনি গদ্যকার, অন্তরে কবি।
লেখকের সঙ্গে পাঠকের একটি অলিখিত চুক্তি থাকে। চুক্তিটি হলো, লেখক যেমন পাঠকের চাহিদা পূরণ করবেন, তাকে নিয়ে যাবেন সৃষ্টির ভুবনে তেমনি পাঠকের ভালোবাসাও তিনি পাবেন। জীবনে কেউ কথা না রাখলেও সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কথা রেখেছিলেন। ১৯৫৮ সালে প্রথম বই প্রকাশের পর তিনি লিখে গেছেন ক্লান্তিহীনভাবে। আর পাঠকও তাকে ভালোবাসা দিয়েছে হৃদয় উজাড় করে। (সম্পূর্ণ…)

জীবনানন্দ-র উত্তরসুর

ওমর শামস | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ৩:২২ অপরাহ্ন

“রবীন্দ্রনাথের কাব্যভঙ্গি বাংলাভাষাকে যতোটা প্রকাশ ক্ষমতা দিয়েছিল, জীবনানন্দের কাব্যভঙ্গি তার চাইতে খানিকটা বেশি দিয়েছে”, সঞ্জয় ভট্টাচার্য-র১ এই পরিলক্ষণ মেনে নিলে ভাবা যেতে পারে যে অনুজ কবিদের হাতে প্রকাশ-ক্ষমতার বিস্তার ঘটবে। কিন্তু কালের আবাদ দেখে, ভূমেন্দ্র গুহ২ আশঙ্কা করেছেন, “তাঁর (জীবনানন্দ-র) পূর্বসূরি ছিল না, উত্তরসূরি থাকবে এ-রকম বিশ্বাস করতে খুব আশাবাদ দরকার।” উত্তরসূরি ঠিক নেই, কিন্তু উত্তরসুর যে কোথাও একেবারে পাওয়া যায় না তা নয়। উত্তরসুর পাওয়া যায় বিনয় মজুমদার, শক্তি চট্টোপাধ্যায় এমনকি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়-এর মধ্যে। আমার উদ্দেশ্য এই সুরগুলোকে বার করে একটু চিনিয়ে দেয়া। আগেই বলে নি, বিনয় মজুমদারকে জীবনানন্দ দ্বারা প্রভাবিত বলা যায়; শক্তি চট্টোপাধ্যায়-এর সনেট এবং দু-একটি কবিতায় জীবনানন্দ-র ব্যবহার আছে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়-এর অন্তত একটি কবিতায় জীবনানন্দ আছেন। (সম্পূর্ণ…)