আমি আনন্দ ছাড়া আঁকতে পারি না, দুঃখ ছাড়া লিখতে পারি না

–মুতর্জা বশীর

রাজু আলাউদ্দিন | ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১১:০৮ অপরাহ্ন

bashir.jpgগত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রবীণ শিল্পী মুর্তজা বশীর(জন্ম আগস্ট ১৭, ১৯৩২)-এর প্রদর্শনী শুরু হয়েছে উত্তরায়, গ্যালারিকায়ায়; প্রদর্শনী চলবে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রদর্শনীতে শিল্পীর ওয়েল প্যাস্টেল অন ক্যানভাসে আঁকা ১৭টি, ওয়েল অন ক্যানভাসে আঁকা ২টি, ৯টি কোলাজ এবং ১৯৫৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে প্যাপারে আঁকা ১৮টি ড্রয়িংসহ মোট ৪৬টি শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। বিষয়বৈচিত্রে যেমন, তেমনি শৈলী ও মাধ্যমের দিক থেকেও তার এবারের প্রদর্শনী দর্শকদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা। শিল্পী বশীর পুরাণের সেই কাল্পনিক জীব প্রটিয়াসের মতো যিনি নিজেকে বদলে নিয়েছেন বারবার, কিন্তু বামপন্থী রাজনৈতিক বিশ্বাস আর গণমানুষের প্রতি অঙ্গীকারের জায়গায় তিনি নিজেকে রেখেছেন অপরিবর্তিত। চিরনতুন এই প্রবীণ শিল্পীর প্রদর্শনী উপলক্ষে সম্প্রতি তার একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন কবি ও প্রাবন্ধিক রাজু আলাউদ্দিন। সাক্ষাৎকারের পূর্ণ ভিডিওসহ লিখিত রূপটি এখানে প্রকাশ করা হলো। বি.স. (সম্পূর্ণ…)

সুনীলদা কথা রেখেছিলেন

শান্তা মারিয়া | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১১:৫৬ অপরাহ্ন

sunil.jpgবাংলাভাষাভাষী পাঠককে গত অর্ধশতাব্দী ধরে যিনি মুগ্ধ করে রেখেছিলেন তার সৃষ্টির যাদুতে তিনি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি অসামান্য কবি, অতুলনীয় গদ্য লেখক।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কবি না ঔপন্যাসিক? তাঁর কবিতার মুগ্ধ পাঠকের সংখ্যা যেমন অসংখ্য তেমনি তাঁর গদ্যের ভক্ত পাঠক অজস্র। তবে এ প্রশ্নের মীমাংসা তিনি নিজেই তাঁর আত্মজীবনী অর্ধেক জীবনসহ অন্যান্য লেখায় ও সাক্ষাৎকারে করেছেন। মনে আছে ২০১১ সালে ঢাকায় তাঁকে এ প্রশ্নটি করার পর তিনি হেসেছিলেন। রহস্য করে বলেছিলেন দেহে তিনি গদ্যকার, অন্তরে কবি।
লেখকের সঙ্গে পাঠকের একটি অলিখিত চুক্তি থাকে। চুক্তিটি হলো, লেখক যেমন পাঠকের চাহিদা পূরণ করবেন, তাকে নিয়ে যাবেন সৃষ্টির ভুবনে তেমনি পাঠকের ভালোবাসাও তিনি পাবেন। জীবনে কেউ কথা না রাখলেও সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কথা রেখেছিলেন। ১৯৫৮ সালে প্রথম বই প্রকাশের পর তিনি লিখে গেছেন ক্লান্তিহীনভাবে। আর পাঠকও তাকে ভালোবাসা দিয়েছে হৃদয় উজাড় করে। (সম্পূর্ণ…)

জীবনানন্দ-র উত্তরসুর

ওমর শামস | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ৩:২২ অপরাহ্ন

“রবীন্দ্রনাথের কাব্যভঙ্গি বাংলাভাষাকে যতোটা প্রকাশ ক্ষমতা দিয়েছিল, জীবনানন্দের কাব্যভঙ্গি তার চাইতে খানিকটা বেশি দিয়েছে”, সঞ্জয় ভট্টাচার্য-র১ এই পরিলক্ষণ মেনে নিলে ভাবা যেতে পারে যে অনুজ কবিদের হাতে প্রকাশ-ক্ষমতার বিস্তার ঘটবে। কিন্তু কালের আবাদ দেখে, ভূমেন্দ্র গুহ২ আশঙ্কা করেছেন, “তাঁর (জীবনানন্দ-র) পূর্বসূরি ছিল না, উত্তরসূরি থাকবে এ-রকম বিশ্বাস করতে খুব আশাবাদ দরকার।” উত্তরসূরি ঠিক নেই, কিন্তু উত্তরসুর যে কোথাও একেবারে পাওয়া যায় না তা নয়। উত্তরসুর পাওয়া যায় বিনয় মজুমদার, শক্তি চট্টোপাধ্যায় এমনকি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়-এর মধ্যে। আমার উদ্দেশ্য এই সুরগুলোকে বার করে একটু চিনিয়ে দেয়া। আগেই বলে নি, বিনয় মজুমদারকে জীবনানন্দ দ্বারা প্রভাবিত বলা যায়; শক্তি চট্টোপাধ্যায়-এর সনেট এবং দু-একটি কবিতায় জীবনানন্দ-র ব্যবহার আছে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়-এর অন্তত একটি কবিতায় জীবনানন্দ আছেন। (সম্পূর্ণ…)

গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:

নিঃসঙ্গতার একশ বছর

আনিসুজ্জামান | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১:৩১ পূর্বাহ্ন

border=0বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে নিঃসঙ্গতার একশ বছর-এর মতো আর কোনো উপন্যাস প্রকাশের পরপরই এতটা পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে কিনা সন্দেহ। জনপ্রিয়তার বিচারে যেমন, তেমনি শিল্পকুশলতা আর শিল্পমুক্তির ক্ষেত্রেও এটি হয়ে উঠেছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। কেবল স্প্যানিশ সাহিত্যেই নয়, গোটা বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসেই একটি মাত্র উপন্যাসে ইতিহাস, আখ্যান, সংস্কার, কুসংস্কার, জনশ্রুতি, বাস্তব, অবাস্তব, কল্পনা, ফ্যান্টাসি, যৌন-অযাচার ও স্বপ্ন– সবকিছুর এমন স্বাভাবিক ও অবিশ্বাস্য সহাবস্থান আগে কখনও দেখা যায়নি।
ঠিক এই কারণে মারিও বার্গাস যোসা এটিকে বলেছিলেন এক সামগ্রিক উপন্যাস (Novela Total), আর পাবলো নেরুদা একে বলেছিলেন, “সের্বান্তেসের ডন কিহোতের পর স্প্যানিশ ভাষায় সম্ভবত মহত্তম উন্মোচন (“perhaps the greatest revelation in the Spanish language since Don Quixote of Cervantes.”)
বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত কিংবদন্তিতুল্য এই উপন্যাসটি মূলভাষা থেকে অনূদিত হয়নি। এই প্রথম এটি আনিসুজ্জামানের অনুবাদে মূল থেকে ধারাবাহিক অনূদিত হচ্ছে। বি. স.
(সম্পূর্ণ…)

বরাম হাওরে আজ কেনো এতো জল

শাকুর মজিদ | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ৩:২২ অপরাহ্ন

border=0২০০৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর শাহ আবদুল করিম সিলেটের এক ক্লিনিকে মারা যান। সিলেট শহরের
ঈদগাহ মাঠে তাঁর প্রথম জানাজা শেষে পরদিন ভোরবেলা তাঁর লাশ নিয়ে যাওয়া হয় দিরাই। সেখানে
পৌরসভা মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বড় একটা নৌকা নিয়ে বরাম হাওর পার হয়ে তাঁর নিজগ্রাম
উজানধলের মসজিদের মাঠে নেয়া হয়। ভরা বর্ষায় থৈ থৈ করছে চারদিক । একবার ঈদের নামাজের
পর সালিশী করে নিজগ্রামের মসজিদ থেকে বের করে দেয়া হয়েছিলো তাঁকে। দীর্ঘদিন তিনি
উকার গাওতে তাঁর এক ওস্তাদের বাড়িতে থেকে সঙ্গীত সাধনা করেন। এবার তাঁর লাশ নিয়ে আসা
হয় নিজগ্রামের মসজিতে। হাজার হাজার মানুষ নৌকা নিয়ে এসেছেন জানাজা পরতে। অবশেশে দুই
দফায় জানাজা পড়ান মসজিদের ঈমাম।
এ ঘটনাটির কাব্যিক উপস্থাপনা এসেছে শাকুর মজিদের লেখা মঞ্চ নাটক মহাজনের নাও-তে। (সম্পূর্ণ…)

শিল্পীর শ্রেষ্ঠত্ব

মুহম্মদ নূরুল হুদা | ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ৮:৩১ অপরাহ্ন

border=0সম্রাজ্ঞী তিনি। আর অভিমানী। না, তিনি কোনো সম্রাটের ঘরনী নন। তিনি ফিরোজা বেগম। তিনি আমার দেখা নজরুল সঙ্গীতের অবিসম্বাদিত শ্রেষ্ঠ শিল্পী । আমি নজরুল সঙ্গীতের কিংবদন্তীর শিল্পী আঙুরবালা, ইন্দুবালা, যুথিকা রায়, কে মল্লিক, ধীরেন্দ্র চন্দ্র মিত্র বা আব্বাসউদ্দিন আহমদসহ আরো অনেককেই চাক্ষুষ দেখিনি। কিন্তু যাদের দেখেছি তাদের মধ্যে চলনে-বলনে-অর্জনে তাকেই সম্রাজ্ঞী বলে মেনে নিয়েছি। কেননা তার সঙ্গে সাক্ষাতের প্রথম দিন থেকেই বুঝেছি অন্য কারো মতো তিনি নন। তিনি কেবল নিজের মতো। আপন মুদ্রাদোষে বা মুদ্রাগুণে আপনি মহিয়সী এক শিল্পী : তিনি আপসহীনা, তুলনাহীনা। আর সবার ওপরে, অভিমানী। আর এসব মিলিয়েই শিল্পী হিসেবে তার শ্রেষ্ঠত্ব। (সম্পূর্ণ…)

কালান্তরের ধুমকেতু: নজরুলের প্রতিভা ও নজরুলের ট্র্যাজেডি

মাহফুজ পারভেজ | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১২:১৬ পূর্বাহ্ন

kazi-nazrul-islam.jpg
অবিভক্ত বাংলার প্রান্তিক ও প্রত্যন্ত জনপদ চুরুলিয়া গ্রামের আক্ষরিক অর্থেই একটি মাটির ঘরে যে শিশুটির জন্ম হয়েছিল এবং দুঃখ, দারিদ্র্য ও কঠিন জীবনসংগ্রামের মধ্য দিয়ে সাহিত্যসাধনার সকল শাখায় তুঙ্গস্পর্শী সাফল্য ও জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও ব্যক্তিগত বেদনার নির্বাক জীবন-যাপন শেষে দুখুমিয়া নামের শিশুটি এখন ঘুমিয়ে রয়েছেন বাংলাদেশের রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিয় মসজিদের পাশে–তিনি আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তাঁর জন্ম ছিল একটি নিদ্রিত জাতির মধ্যে মহাজাগরণের ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রবল উত্থানে প্রকম্পিত। (সম্পূর্ণ…)

মাসুদ খান-এর ৩টি কবিতা

মাসুদ খান | ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ৬:০৫ অপরাহ্ন

স্বপ্নভূভাগ

এবার বলো হে ফিরতিপথের নাবিক,
ও মাথা-মুড়ে-ফেলা ভিনদেশি কাপ্তান,
সেই দ্বীপের খবর বলো
যেখানে মানিপ্ল্যান্ট আর সোলার প্ল্যান্টের পাতারা
একযোগে চিয়ার্স-ধ্বনি তুলে পাল্লা দিয়ে
পান করে রোদের শ্যাম্পেন।
কোন প্রজন্মের উদ্দেশে তাদের সেই স্বতঃস্বাস্থ্যপান?

সেই দ্বীপদেশের কথা বলো যেখানে নারীরা
সামান্য একটি কাঠের কুটিরে
ফুটিয়ে তোলে বাষট্টি রকমের মায়া ও ম্যাজিক। (সম্পূর্ণ…)

গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:

নিঃসঙ্গতার একশ বছর

আনিসুজ্জামান | ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ৯:৫০ অপরাহ্ন

border=0বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে নিঃসঙ্গতার একশ বছর-এর মতো আর কোনো উপন্যাস প্রকাশের পরপরই এতটা পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে কিনা সন্দেহ। জনপ্রিয়তার বিচারে যেমন, তেমনি শিল্পকুশলতা আর শিল্পমুক্তির ক্ষেত্রেও এটি হয়ে উঠেছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। কেবল স্প্যানিশ সাহিত্যেই নয়, গোটা বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসেই একটি মাত্র উপন্যাসে ইতিহাস, আখ্যান, সংস্কার, কুসংস্কার, জনশ্রুতি, বাস্তব, অবাস্তব, কল্পনা, ফ্যান্টাসি, যৌন-অযাচার ও স্বপ্ন– সবকিছুর এমন স্বাভাবিক ও অবিশ্বাস্য সহাবস্থান আগে কখনও দেখা যায়নি।
ঠিক এই কারণে মারিও বার্গাস যোসা এটিকে বলেছিলেন এক সামগ্রিক উপন্যাস (Novela Total), আর পাবলো নেরুদা একে বলেছিলেন, “সের্বান্তেসের ডন কিহোতের পর স্প্যানিশ ভাষায় সম্ভবত মহত্তম উন্মোচন (“perhaps the greatest revelation in the Spanish language since Don Quixote of Cervantes.”)
বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত কিংবদন্তিতুল্য এই উপন্যাসটি মূলভাষা থেকে অনূদিত হয়নি। এই প্রথম এটি আনিসুজ্জামানের অনুবাদে মূল থেকে ধারাবাহিক অনূদিত হচ্ছে। বি. স.
(সম্পূর্ণ…)

শতবর্ষে নিকানোর পাররা: একটি সাক্ষাতকার

যুবায়ের মাহবুব | ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১১:৫৫ অপরাহ্ন

border=0 পাবলো নেরুদার পর চিলের সবচেয়ে পরিচিত, জনপ্রিয় এবং বর্ষীয়ান কবি নিকানোর পাররা ৫ সেপ্টেম্বর ১০০ বছরে পা দিলেন। শুধু জনপ্রিয়তা আর বয়সের কারণেই নয়, তিনি বিশ্বকবিতার ইতিহাসেই স্মরণীয় হয়ে আছে তার প্রতি-কবিতা বা এন্টিপোয়েমাস-এর অভিনব ধারণার জন্য। আজ প্রতি-কবিতা বলতেই পাররার নামটি সমার্থক হয়ে উঠেছে। শতবর্ষী এই কবিকে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলী জানাই লেইলা গেররেইরোর নেয়া এবং ‘দ্য প্যারিস রিভিউ’ পত্রিকায় ২০১২ সালের ২৬ মার্চ সংখ্যায় প্রকাশিত সাক্ষাতকারটি অনুবাদক যুবায়ের মাহবুবের অনুবাদে প্রকাশের মাধ্যমে। বি. স. (সম্পূর্ণ…)

কবি আবুল হাসান: অন্যরকম অনেক কিছু

মতিন বৈরাগী | ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ৭:২৮ অপরাহ্ন

images1.jpgস্বল্প জীবনকালের কবি আবুল হাসান আমাদের কাব্যজগতে ৬০ দশকের কবি । মাত্র ১০ বছর তাঁর কাব্য জীবন। ২৯ বছর তাঁর জীবনকাল। আবুল হাসানের কবিতায় উদ্দাম যৌবনের গান ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। আবুল হাসান তাঁর সৃষ্টিতে আজো স্বতন্ত্র। তার স্বর ভিন্ন। তিনি বেঁচে থাকলে হয়তো আরও ঋদ্ধ প্রকাশ ও নির্মাণ লক্ষ করতে পারতাম, তার অকাল মৃত্যুতে নিশ্চয়ই আমরা সে প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছি। এ কথার অর্থ এই নয় যে যৌবনের এই প্রকাশ তার কবিতায় শিল্প সংহতিতে বাঁধা হয়েছে। মূলত যৌবনই হলো সকল সৃষ্টির উৎকৃষ্ট সময়, যৌবনের উদ্দাম গতিধারা স্ব-স্বভাবে পৃথিবী বদলানোর স্বপ্ন দেখে, অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়, রক্ত দেয়, দুর্দমনীয় প্রকাশের মধ্যদিয়ে প্রতিবাদী হয়ে ওঠে, কি শিল্পে, কি সাহিত্যে, জীবন সংগ্রামে যৌবন হলো সংগ্রহের কাল, আর বার্ধক্য হচ্ছে বিবেচনা, অভিজ্ঞতার প্রয়োগ– বিশুদ্ধির। (সম্পূর্ণ…)

ওকাম্পো আর রবীন্দ্রনাথ : কিছু অশ্রুত গুঞ্জন

অভিজিৎ রায় | ১ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ৭:২৭ অপরাহ্ন

ocampo-1.jpgরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে ডাকতেন ‘বিজয়া’ নামে। কিন্তু বিজয়া তাঁর আসল নাম ছিল না। নাম ছিল তাঁর ভিক্টোরিয়া1 । ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো। আর্জেন্টিনার এক নারীবাদী লেখিকা এবং বিগত ত্রিশের দশক থেকে ষাটের দশক পর্যন্ত প্রবল প্রতাপে রাজত্ব করা সুর (Sur) নামের এক প্রগতিশীল পত্রিকার সম্পাদিকা। ধারণা করা হয়, রবীন্দ্রনাথের সাথে এক ‘রহস্যময়’ প্লেটোনিক ধরণের রোমান্টিক সম্পর্ক ছিল তাঁর। রবিঠাকুরের একেবারে শেষ বয়সের প্রেম। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বয়স তখন ৬৩। আর ওকাম্পোর ৩৪। (সম্পূর্ণ…)