নজরুলের কাগুজে চর্চা আর কতকাল?

সৈকত হাবিব | ২৫ মে ২০১৩ ২:৫৫ পূর্বাহ্ন

অপ্রিয় হলেও সত্য যে, কাজী নজরুল ইসলাম বহুকাল ধরে বিশেষণের জীর্ণ দেয়ালে আটকা পড়ে আছেন। সেখান থেকে তাকে উদ্ধারের কিছু চেষ্টা থাকলেও সাফল্য খুবই কম। এটা যেমন তার জীবদ্দশায় সত্য ছিল, তার মৃত্যুর পর আরো বেশি সত্য। অন্যদিকে নজরুলের কাছ থেকে এখনো আমাদের অনেক কিছু নেবার থাকলেও বাস্তবে কাগুজে চর্চা আর সাহিত্যবাণিজ্য ছাড়া তেমন কিছুই হচ্ছে না। (সম্পূর্ণ…)

অক্তাবিও পাসের চোখে বু্দ্ধ্ ও বুদ্ধবাদ:

‘তিনি হলেন সেই লোক যিনি নিজেকে দেবতা বলে দাবী করেন নি ’

রাজু আলাউদ্দিন | ২৩ মে ২০১৩ ৭:০৩ অপরাহ্ন

মেহিকোর প্রথম সারির লেখিকা এলেনা পনিয়াতৌস্কার সাথে অক্তাবিও পাসের কথোপকথনভিত্তিক একটি বই হচ্ছে Octavio Paz : Las Palabres del arbol নামে । বইটি বেরিয়েছিলো ১৯৯৮ সালে মেহিকো থেকে। এ বইটিতে নানা প্রসঙ্গের সাথে আলোচিত হয়েছে বু্দ্ধ এবং বুদ্ধবাদ সম্পর্কেও । ভারতীয় ভাবুকতার যে অংশটি পাসকে সবচেয়ে বেশি আলোড়িত করেছে তা বুদ্ধবাদ। বুদ্ধ এবং বুদ্ধবাদের প্রতি তার গভীর অনুরাগ এবং শ্রদ্ধা অত্যন্ত গভীর। বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম-এর পাঠকদের জন্য এখানে প্রাসঙ্গিক অংশটুকু অনুবাদ করা হলো স্প্যানীশ থেকে । অনুবাদ করেছেন রাজু আলাউদ্দিন । বি. স. (সম্পূর্ণ…)

ওম মনি পদ্মে হুম

শান্তা মারিয়া | ২৩ মে ২০১৩ ১:১৮ পূর্বাহ্ন

তারপর কোশলের প্রাচীন সড়কে
রাত্রি নেমে এলো।
আরতির প্রদীপ আর ধূপের ধোঁয়া
মিলিয়ে এলো শিশিরের জলজ সৌরভে। (সম্পূর্ণ…)

আন্তর্জাতিক গ্রন্থদিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য

সুব্রত বড়ুয়া | ২১ মে ২০১৩ ৯:২৫ অপরাহ্ন

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক অঙ্গ সংগঠন ইউনেস্কো ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠানটির ২৮তম সাধারণ সম্মেলনে ২৩ এপ্রিল দিনটিকে ‘আন্তর্জাতিক গ্রন্থদিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দেয়। এই তারিখটি তারা বেছে নিয়েছিলেন কারণ ২৩ এপ্রিল তারিখটি ইউরোপের তিন কালজয়ী কবি ও কথাসাহিত্যিকের মৃত্যুদিবস। ১৬১৬ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে ইংল্যান্ডের উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, স্পেনের মিগেল দে সের্বান্তেস্ এবং ইনকা গার্সিলাসো দে লা ভেগা প্রয়াত হন। নিশ্চয়ই আমাদের বিনা বাক্যব্যয়ে স্বীকার করতে হয় যে, আন্তর্জাতিক গ্রন্থদিবস হিসেবে নির্বাচনের জন্য এমন তারিখের খুব কম বিকল্পই পাওয়া যাবে। ইউনেস্কোর অধিবেশনে এই তারিখ নির্ধারণ উপলক্ষে যে প্রস্তাবটি গৃহীত হয় তাতে প্রাসঙ্গিক বিষয় হিসেবে বলা হয়েছিল : (সম্পূর্ণ…)

যে কথা পুষিও জানে

মণীশ রায় | ১৯ মে ২০১৩ ৩:০৭ অপরাহ্ন

মাত্র কয়েক সেকেন্ড আগে আনন্দে মজেছিল লিজা, আম্মাকে জানাল,‘আম্মা , তাড়াতাড়ি টেলিভিশনটা খোল। লাইভ টেলিকাস্ট চলছে। আমাদেরও দেখাচ্ছে।’
বিকেলের দিকটায় বিউটি বেগম খানিকক্ষণ দিবানিদ্রা উপভোগ করেন। এসময় কেউ তাকে বিরক্ত করুক তা তিনি চান না। দেখতে কিঞ্চিৎ পৃথুলা , গায়ের রং ফর্সা। বয়স চল্লিশ না হলেও আচার-আচরণের ভারিক্কিয়ানার কারণে তাকে বয়স্ক লাগে সবার কাছে।
স্বামী বিদেশে থাকেন। পেশায় ইঞ্জিনীয়ার। বছরে একবার করে বাংলাদেশে বেড়িয়ে যান আর মাসে-মাসে সংসার খরচ পাঠান। (সম্পূর্ণ…)

ঢাকার কবিতা

মেসবা আলম অর্ঘ্য | ১৭ মে ২০১৩ ৪:২১ অপরাহ্ন

নিরানন্দের প্রশ্ন

নিরানন্দের প্রশ্ন বর্তুলাকার
এবং নিরানন্দের প্রশ্ন উদয়
কেন হে
বারান্দা টেনে লম্বা করো
আদি মাড়ের গন্ধ ভাসাও নতুন মাড় থেকে (সম্পূর্ণ…)

ইলিয়া এরেনবুর্গের সাহিত্য বিচার

জাহেদ সরওয়ার | ১৬ মে ২০১৩ ৩:১০ অপরাহ্ন

দি রাইটার এন্ড হিজ ক্র্যাফট নামের লেখাটি ছাপা হয় ভারত- সোভিয়েত সাংস্কৃতিক সমিতির মুখপত্র ‘ইসকাস’র প্রথম সংখ্যায় ১৯৫৪ সালে। পরে একই নামে এটি বই আকারে প্রকাশিত হয়। এরেনবুর্গ সোভিয়েত রাশিয়ার নামজাদা লেখক। এই লেখাটি বিশেষ করে লেখকদের জন্য এমন এক গুরত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত লেখা, যেখানে লেখক নিজের সাথেই তর্কে জড়িয়ে পড়বেন। লেখক কেন লেখেন, সমাজের সাথে লেখকের সম্পর্ক কী, লেখক ফরমায়েশি লেখা লিখতে পারেন কিনা, অধ্যয়ণ, অভিজ্ঞতা ও আবেগ লেখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিনা ইত্যাদি বিষয়ে তিনি আলোকপাত করেছেন বেশ কয়েকটি শিরোনামে। ‘অনিশ্চয়তা’ ‘পুস্তক সমালোচনা কিভাবে করা হয়’ ‘সমাজ বদলাচ্ছে’ ‘লেখক ফরমায়েশী লেখা লিখতে পারেন কিনা’ ‘প্রগতিশীল সাহিত্য কি উদ্দেশ্যমূলক?’ ‘হৃদয়াবেগ ছাড়া কখনো শিল্প হয় না’ ‘অধ্যয়ণ একটি সৃজন-প্রক্রিয়া’ ‘চরিত্র হচ্ছে নানা জিনিসের সংমিশ্রণ’ ‘অভিজ্ঞতা ও আবেগ’ ‘জ্ঞানার্জনের অর্থ নকল করা নয়’ ‘ রোমান্টিকতা বলতে কী বোঝায়?’ ইত্যাদি বিষয়ে তিনি তুলে আনেন লেখক সত্ত্বাকেই। (সম্পূর্ণ…)

ঝর্না রহমানের গুচ্ছ কবিতা

ঝর্না রহমান | ১৪ মে ২০১৩ ১২:৩০ পূর্বাহ্ন

আগুনচিতা

ক্ষীণ সলতেয় এক চিলতে আগুন
আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় নিবু নিবু
তার আছে দোজখী দহনক্ষমতা, পোড়াতে জানে চামড়া
মনুষ্যদেহ পোড়াতে তার কুমোরের পুইন বা শ্মশানের দরকার হয় না।
এ চিলতে চিতার মতো লাফ দেয়। বনপ্রান্তর ভেঙে আমার ঘাড় মটকে ধরে। (সম্পূর্ণ…)

রবীন্দ্রনাথের নিজের অনুবাদ

খালিকুজ্জামান ইলিয়াস | ৯ মে ২০১৩ ১১:৪৩ অপরাহ্ন

অনুবাদ একটি স্বতন্ত্র শিল্পমাধ্যম। কবিতা নাটক উপন্যাস প্রবন্ধ ইত্যাদির মতো এরও রয়েছে একটি স্বতন্ত্র এলাকা যা ওইসব মাধ্যমের মতোই নানা উপকরণ ও বৈশিষ্ট্যে পূর্ণ। যদিও অনুবাদ বিপুলাংশে স্থাপিত হয় কোনো একটি উৎস মাধ্যমের ওপরই, এবং সেই উৎসকে একটি লক্ষ্যভাষায় রূপান্তরিত করাই অনুবাদের কাজ, তবু অনুবাদও বিবেচিত হয় একটি সৃজনশীল শিল্পমাধ্যম হিসেবে। মূলের কতটা অনূগামী হলে শিল্প হিসেবে অনুবাদ উতরে যাবে বা ব্যর্থ হবে সেই নির্বাচন ক্ষমতার ওপরই প্রকাশ পায় অনুবাদের সৃজনশীলতা। (সম্পূর্ণ…)

স্পানঞল জগতে রবীন্দ্র প্রসারে হোসে বাসকোনসেলোস

রাজু আলাউদ্দিন | ৯ মে ২০১৩ ৮:৫৮ অপরাহ্ন

লাতিন আমেরিকায় রবীন্দ্রপ্রীতির প্রথম দিককার একজন হচ্ছেন মেহিকোর শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব হোসে বাসকোনসেলোস। লক্ষ্য করেছি ইংরেজি এবং বাংলাভাষী রবীন্দ্র-গবেষকদের কাছে তিনি প্রায় অপরিচিত বা উপেক্ষিত একটি নাম। অথচ স্প্যানীশ জগতে রবীন্দ্র প্রসারে তাঁর যে অসামান্য ভূমিকা ছিলো তার ইতিহাসটুকু না জানা থাকলে স্প্যানীশে রবীন্দ্র-চর্চার ধারাবাহিক রূপটা আমরা পরিপূর্ণভাবে পাবো না, পাবো এক খণ্ডিত আদল। বহির্বিশ্বে রবীন্দ্র-চর্চার ইতিহাস নির্মাণে নিবেদিত কোন গবেষকের লেখাতেই তাঁর ভূমিকার কথা খুঁজে পাওয়া যায় না। (সম্পূর্ণ…)

সত্য ও সত্তা : আইনস্টাইন এবং রবীন্দ্রনাথ

ওমর শামস | ৮ মে ২০১৩ ৩:০২ অপরাহ্ন

১. উপক্রমণিকা
নিরঙ্কুশ সত্য নিয়ে বিজ্ঞানের কারবার নয়। ‘সত্য’র মধ্যে যে নিত্যতা, ধ্রুবত্ব এবং অখন্ডত্বের আভাস রয়েছে, বিজ্ঞান তার সন্ধান বা বিশ্লেষণ দিতে পারে না। বরং পারে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অভিজ্ঞতায়, তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যা-ই হোক, তার প্রাকৃতিক ঘটনার কারণিক ব্যাখ্যা দিতে । ঘটনা প্রাকৃতিক, অতএব স্বতঃসিদ্ধ হচ্ছে যে, তা পরীক্ষাগারে পরীক্ষা দ্বারা বারবার পুনরাবৃত্ত করা সম্ভব। এ-ও সিদ্ধ যে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার স্বয়ংসম্পূর্ণতার সীমানা রয়েছে। প্রাকৃতিক ঘটনাকে বুঝে ওঠার চেষ্টার ক্রমপরিণতি হিসেবে সতেরো শতকে নিউটনী গ্রাভিটেশন তত্ত্বের বিকাশ ও প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে স্পষ্ট করে বোঝা গ্যালো বিজ্ঞান কি এবং বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের চারিত্র্য কি।১ (সম্পূর্ণ…)

রবীন্দ্রনাথের সাক্ষাৎকার:

আমার ঈশ্বর ধারণা

শওকত হোসেন | ৮ মে ২০১৩ ১:৫৯ অপরাহ্ন

১৯২৪ সালের নভেম্বর রবীন্দ্রনাথ দক্ষিণ আমেরিকার আর্হেন্তিনার মিরালরিওতে বিক্তোরিয়া ওকাম্পোর আতিথ্যের সময় এলমহার্স্টের সাথে এই আলাপচারিতা হয়। রবীন্দ্রনাথ এলমহার্স্টের লিখিত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন। সাক্ষাৎকারটি পরে বিশ্বভারতী কোয়ার্টার্লি পত্রিকার ১৯৬০-এর হেমন্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।
১৮৯৩ সালে লেনার্ড এলমহার্ষ্ট ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে ডিগ্রি নিয়েছিলেন। ১৯১৫ সালে তিনি ভারতে আসেন। পেশায় তিনি কৃষিবিজ্ঞানী ছিলেন। কৃষিবিজ্ঞানে পড়াশুনার জন্য তিনি আমেরিকার কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। বহুদেশে তিনি রবীন্দ্রনাথের সফর সঙ্গী ছিলেন। বি.স.
(সম্পূর্ণ…)