দিলীপ পালের লেখা: বাংলাদেশে সংষ্কৃতি-চর্চা, নববর্ষ ও মৌলবাদ

খালিকুজ্জামান ইলিয়াস | ১৭ এপ্রিল ২০১৪ ২:৩৮ অপরাহ্ন

এদেশেরই মানুষ ছিলেন তিনি। ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ায় শৈশব ও কৈশোর কাটিয়ে ঢাকার নটরডেম কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে আই-এ পাশ করেন। এরপর কিসে কি হলো তিনি পাড়ি জমালেন কোলকাতা। সেখান থেকে শান্তিনিকেতনে। বাবা মা ভাই বোন সবাই রয়ে গেলেন ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ায়; কেবল দিলীপ পাল ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেই গিয়ে হাজির হলেন রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতনে–একা। সেখানে পড়লেন রসায়ণ। সেখানে স্নাতকোত্তর পাশ না করা পর্যন্ত চুটিয়ে যাপন করলেন ছাত্র জীবন। আবার, আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বিভিন্ন সভা সমাবেশ করে চাঁদা তুলে নানাভাবে সাহায্যও করলেন। (সম্পূর্ণ…)

প্রিয় বাংলা সন

মুহম্মদ তকীয়ূল্লাহ | ১৩ এপ্রিল ২০১৪ ১০:১০ অপরাহ্ন

আবহমান কাল থেকেই বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণসহ বারো মাস বাঙালির একান্ত নিজস্ব ছিল। বাংলাসহ ভারতীয় ভূখণ্ডে শকাব্দ, লক্ষণাব্দ ইত্যাদি যে বর্ষপঞ্জি প্রচলিত ছিল তাতে এই মাসগুলোই ছিল। প্রতিটি মাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে পুরাণ, কাব্যকাহিনি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সনগুলো ছিল চান্দ্র-সৌর মিশ্র সন। এর মানে হল মাস গণনা করা হত চান্দ্র পদ্ধতিতে আর বছর গণনা করা হত সৌর পদ্ধতিতে। ব্যাকরণ অনুযায়ী অগ্রহায়ণ মানে অগ্র+ হায়ণ(বৎসর)। অর্থাৎ বছরের প্রথম। অগ্রহায়ণ মাসে সে সময় নতুন ফসলও উঠতো। এ থেকে ধারণা করা যেতে পারে প্রাচীন বাংলায় হয়তো বছরের প্রথম মাস ছিল অগ্রহায়ণ। (সম্পূর্ণ…)

হালখাতা শুভাশুভ

শামস হক | ১৩ এপ্রিল ২০১৪ ৯:৩২ অপরাহ্ন

সৌররথে উড়ে এসে দাবদাহ চৈত্রের উঠোনে এসে হানা দিলে চৈত্রসংক্রান্তির বাদ্য বেজে ওঠে; চড়ক-পূজার ঢাকগুড়গুড়– অনিবার্য্য করে তোলে আড়ং-মেলা, দশহরা, গঙ্গাস্নান।
বর্ষশেষের মাদল বাজিয়ে কালবোশেখী ধেয়ে আসে বাংলার মাঠ-ঘাট-লোকালয়ে। প্রকৃতির আনাচে-কানাচে, ঝোপ-ঝাড়ে, বন-বনানী-মাঠে-তেপান্তরে জেগে ওঠে উদোম সবুজ। জেগে ওঠে প্রকৃতির প্রাণ দূর্বাদামে, তরুলতায়, পাতায়-পল্লবে। ঐ বুঝি বোশেখ এলো, নববর্ষের কাড়া-নাকাড়া। কাঁচা সবুজ তৃণগুল্মে আলোর নাচন, বন-বাদাড়ে পাখ-পাখালী ওড়াউড়ি, দূর গেরামের ঢোলের বাদ্যশোন তবে বৈশাখের নতুন কেতন। (সম্পূর্ণ…)

বৈশাখ একটি পাঠের নাম

হাবীবুল্লাহ সিরাজী | ১৩ এপ্রিল ২০১৪ ৯:১০ অপরাহ্ন

সবুজ পাঠের মধ্যে মাথা দিচ্ছে বৈশাখ
আকাশ ছুটছে—তলপেটে ফুলকো মেঘ
কখন যে কি, আরো একটি খই ফোটানো চাল-বালি
তরমুজের ডোরা শরীরে ডুবে যাচ্ছে কাকের চঞ্চু … (সম্পূর্ণ…)

বৈশাখের প্রথম দিবসে

ফারুক মাহমুদ | ১৩ এপ্রিল ২০১৪ ৯:০৩ অপরাহ্ন

তোমাকে আকাঙ্ক্ষা করি। ছায়াস্মৃতি ওড়ে
আমি যদি দুকদম হাঁটি, তুমি হাঁট একশ মিটার
বরফের দাহ্যক্রোধ– নিভন্তকে পোড়ে

এত পুঞ্জ। এত রূঢ়। প্রতিবন্ধী ঘ্রাণে
দূরত্ব বাড়ছে দ্রুত। তখনো কি সত্য নয় চিরলোকাচার
প্রেমের বশ্যতা শেখা– হয় কিছু মানে? (সম্পূর্ণ…)

বেইলি রোড

জাহিদ হায়দার | ১৩ এপ্রিল ২০১৪ ৮:৪৯ অপরাহ্ন

পায়ের ভেতর হিংসা চাকার, ঘুরছে পা;
সামনের দিন ফেলবে কোথায়, কেউ জানে না;

সন্ধ্যা এবং দিনের পেটে জটের পাঁক;
ধুলোর দেশে হাঁপাচ্ছেই বেইলি রোড।

দেখার বাতিক ? বদলাও চোখ নদীর মত;
ঘুণ পোকারা চালায় দেশ রাত্রিদিন। (সম্পূর্ণ…)

শান্তি দাও না, মা

সাখাওয়াত টিপু | ১৩ এপ্রিল ২০১৪ ৮:৩৭ অপরাহ্ন

প্রভু তুমি কোন মালিক প্রবর
শ্মশানের পাশে ডুবিতেছে মন
যেন ইতিহাসে মরিবার পর
লেখা রবে নাম অগ্নি সন্তরণ (সম্পূর্ণ…)

বোশেখি এলিজি

বিনয় বর্মন | ১৩ এপ্রিল ২০১৪ ৮:১৮ অপরাহ্ন

বোশেখি বিউগল আজ বেজে চলে অবিরাম ঘরে ধূপ-ধোঁয়া
বছরের আদিক্ষণে মরলো কে? চারদিকে শোকের চাঁদোয়া

পলাশেরা হতবাক শিমুলের লাশ ঢাকা রক্তাক্ত কাফনে
গ্রহের গ্রহণকথা ছড়িয়েছে মৌমাছিরা আমলকি বনে

বসেছে গানের মেলা এ-জন্মের ভোরবেলা বোধি বটমূলে
হিংসা আর বিস্ফোরণে সংস্কৃতির বিহগেরা বেতাল বেভুলে (সম্পূর্ণ…)

অরুণিমা নাসরীনের ৪টি কবিতা

অরুণিমা নাসরীন | ১২ এপ্রিল ২০১৪ ৬:২৭ অপরাহ্ন

বালিকার পা

তুমিই কি তবে সেই - যে শুধু শ্রবণে স্মৃতি-হেম,
দ্রবণে অনন্তপ্রেম পরম্পরা।

তাহলে রাত্রির দ্বিত্ব আকাশে কে ওড়ে?
কৃত্তিকা, কর্কট - নক্ষত্রের তারা ?
সাবধান, চোকির তলেতে বাস্তু সাপ-কুণ্ডলিকা!
নাবিও না পা ওরে বালিকা! (সম্পূর্ণ…)

আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক: মুক্তিযুদ্ধের নতুন প্রজন্ম জেগে উঠেছে

নির্বাণ পাল | ১১ এপ্রিল ২০১৪ ৭:৩৫ অপরাহ্ন

অধ্যাপক ড. আবু আহসান মোঃ সামসুল আরেফিন সিদ্দিক। জন্ম ১৯৫৩ সালের ২৬ অক্টোবর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য। ২০০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ অধ্যাপক সিদ্দিককে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেন। তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক। অধ্যাপক সিদ্দিক ঢাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।
এ বছর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান অবস্থা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, শাহবাগ আন্দোলন এবং চলমান বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন নির্বাণ পাল-এর সাথে। (সম্পূর্ণ…)

অন্যায়ের প্রতিবাদে বলিষ্ঠ হওয়ার ডাক

জুননু রাইন | ৯ এপ্রিল ২০১৪ ১১:৪১ অপরাহ্ন

‘যারা ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলেন, তাদের কেউ কেউ যখন মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের স্বপ্ন দেখেন তখন খুব দুঃখ হয়। কি বোকার স্বর্গেই না বসবাস তাদের। নিউজ এজেন্সি উইকিলিকসের সাম্প্রতিক রিপোর্ট দেখেও কি দুঃস্বপ্নের ঘোর থেকে তারা বাস্তবে ফিরবেন না?’
উল্লিখিত অংশটুকু ‘কিছু ভাবনা কিছু কথা’ গ্রন্থের ‘কণ্ঠরোধের পশ্চাৎমুখী তোড়জোড়’ শিরোনামের নিবন্ধ থেকে নেয়া। লেখক সাইফুল আলমের বইয়ের নামকরণে আছে সারল্য। তবে এই সারল্য গ্রন্থের তাৎপর্য বহনে সারল্যের প্রমাণ না দিয়ে দিচ্ছে পাঠককে আপন করে নেয়ার হাতছানি। হয়ে উঠতে চাচ্ছে সবার কথার বাহন। (সম্পূর্ণ…)

নাগরকোটের এভারেস্ট

শাকুর মজিদ | ৮ এপ্রিল ২০১৪ ১১:২৭ পূর্বাহ্ন

নাগরকোট ভক্তপুর জেলার একটা পাহাড়ি গ্রাম। নেপালের প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে ‘ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট কমিটি’ নামে কতগুলো গ্রাম উন্নয়ন পরিষদ থাকে। অনেকটা আমাদের ‘ইউনিয়ন’ পর্যায়ের। ‘নাগরকোট’ আসলে সে ধরনেরই একটি গ্রাম উন্নয়ন কমিটির অধীনে শাসিত একটি অঞ্চল।
নাগরকোট মূলত: বিখ্যাত দু’টো কারণে। প্রথমটি হচ্ছে, প্রায় ৭ হাজার ফুট উপরের অনেকগুলো পাহাড় চূঁড়ার উপর থেকে বসে বসে, অনায়াসে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত দেখা যায়। দ্বিতীয় কারণটি আরো মজার। তা হচ্ছে, কপাল ভালো থাকলে, আকাশ যদি পরিস্কার পাওয়া যায়, তবে ওখান থেকে খুব সহজে হিমালয় রেঞ্জের পাহাড়শ্রেণী, বিশেষ করে এভারেষ্টশৃঙ্গসহ আরো কতগুলো পর্বতশৃঙ্গ একটু করে হলেও দেখা যায়। (সম্পূর্ণ…)