ওকাম্পো আর রবীন্দ্রনাথ : কিছু অশ্রুত গুঞ্জন

অভিজিৎ রায় | ১ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ৭:২৭ অপরাহ্ন

ocampo-1.jpgরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে ডাকতেন ‘বিজয়া’ নামে। কিন্তু বিজয়া তাঁর আসল নাম ছিল না। নাম ছিল তাঁর ভিক্টোরিয়া1 । ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো। আর্জেন্টিনার এক নারীবাদী লেখিকা এবং বিগত ত্রিশের দশক থেকে ষাটের দশক পর্যন্ত প্রবল প্রতাপে রাজত্ব করা সুর (Sur) নামের এক প্রগতিশীল পত্রিকার সম্পাদিকা। ধারণা করা হয়, রবীন্দ্রনাথের সাথে এক ‘রহস্যময়’ প্লেটোনিক ধরণের রোমান্টিক সম্পর্ক ছিল তাঁর। রবিঠাকুরের একেবারে শেষ বয়সের প্রেম। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বয়স তখন ৬৩। আর ওকাম্পোর ৩৪। (সম্পূর্ণ…)

সোমেন চন্দের ‘ইঁদুর’ : ছেঁড়া কাঁথায় পট্টি লাগানো জীবনের ইতিকথা

দীপংকর গৌতম | ৩১ আগস্ট ২০১৪ ১২:০৪ পূর্বাহ্ন

somen-1.gifসোমেন চন্দ। বাংলা সাহিত্যের তিন উদীয়মান তরুণ সাহিত্যিদের একজন। সুকান্ত কবি হিসেবে ও সোমেন চন্দ আধুনিক কথাশিল্পের স্থপতি হিসেবে এবং খান মোহাম্মদ ফারাবী উভয়কেই ধারণ করে বাংলা সাহিত্যে পরিচিতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এই তিন সাহিত্যিকের কেউই ২২ বছরও বাঁচতে পারেননি। অর্থাৎ ২২ বছরের পূর্বে, ২১ শের ঘরে তাঁদের জীবনের সমাপ্তি ঘটে। সোমেন চন্দকে হত্যা করা হয়। আর অন্য দু’জন মরণব্যাধী যক্ষা ও ক্যান্সারে মারা যান। (সম্পূর্ণ…)

হুলিও কর্তাসারকে নিয়ে গার্সিয়া মার্কেসের স্মৃতিচারণ: সবার প্রিয় ছিলেন যে আর্জেন্টিনিয়

যুবায়ের মাহবুব | ২৯ আগস্ট ২০১৪ ৭:৩০ অপরাহ্ন

cortazar-1.jpgগত ২৬ আগস্ট ছিলো আর্জেন্টিনিয় ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার হুলিও কর্তাসারের শততম জন্মদিন। লাতিন আমেরিকার ‘বুম’ সাহিত্য-আন্দোলনের নেতৃস্থানীয়দের একজন। মার্কেস, ফুয়েন্তেস বা মারিও বার্গাস যোসার মতো ব্যাপক পরিচিতি না পেলেও লাতিন আমেরিকার কথাসাহিত্যে নতুন প্রকাশভঙ্গি আর শিল্পরীতির অভিনবত্বের কারণে ‘উপন্যাসের সিমোন বলিভার’ হিসেবে তাকে অভিহিত করেছিলেন তার বন্ধু এবং শিল্পের সহযাত্রী কার্লোস ফুয়েন্তেস। ‘বুম’-এর গুরুত্বপূর্ণ সব লেখকের সাথেই ছিলো তার বন্ধুত্ব। ১৯৮৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তার মৃত্যুর পরপরই লেখক-বন্ধুর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে গার্সিয়া মার্কেস এই লেখাটি পাঠ করেছিলেন মেক্সিকোর গুয়াদালাহারা বিশ্ববিদ্যালয়ে । এই প্রথমবারের মতো লেখাটি মূল ভাষা থেকে অনূদিত হলো। অনুবাদ করেছেন অনুবাদক যুবায়ের মাহবুব। বি. স. (সম্পূর্ণ…)

নজরুল ইসলাম, বাঙ্গালি মুসলমান ও তুর্কি বিপ্লব

সলিমুল্লাহ খান | ২৭ আগস্ট ২০১৪ ৭:৫৯ অপরাহ্ন

kazi-nazrul-islam.jpgতুর্কি সমাজের জন্য মোস্তফা কামাল যা করেছিলেন, নজরুল আন্তরিকভাবে বাঙালি মুসলমানের জন্য অনুরূপ কিছু করার বাসনা পোষণ করতেন। তাঁর কবিতা, গদ্য রচনা, অভিভাষণ, চিঠিপত্র–এসবের মধ্যে তার অজস্র প্রমাণ ছড়ান রয়েছে।
–আহমদ ছফা (২০০১: ১১০)

হাইস্কুলের শেষ পরীক্ষা শেষ না করিয়াই কাজী নজরুল ইসলাম ইংরেজ সরকারের অধীন সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়াছিলেন। তখন ইংরেজি ১৯১৭ সাল। নজরুল ইসলামের বয়স টানিয়াটুনিয়া আঠার বছর। এয়ুরোপ মহাদেশের দুই পরাশক্তি ইংরেজ সাম্রাজ্য ও জার্মান সাম্রাজ্যের মধ্যে লড়াই চলিতেছে। আর ওসমানিয়া রাজবংশের শাসনাধীন তুর্কি সাম্রাজ্যও এই লড়াইয়ে শামিল হইয়াছে। তাঁহারা দাঁড়াইয়াছেন ইংরেজ, ফরাশি ও রুশ প্রভৃতি বড় বড় জাতির বিপক্ষে। এমতাবস্থায় পরাধীন ভারতের প্রত্যন্ত বাংলা প্রদেশের কোন এক গাঢ় মফস্বল শহরের দশম শ্রেণীর একটি মুসলমান ছাত্র পরিবার পরিজন কাহাকেও না বলিয়া, প্রাণসংহারের ত্রাস উপেক্ষা করিয়া ব্রিটিশভারতীয় যোদ্ধার দলে নাম স্বাক্ষর করিলেন। ইহা কম কথা নহে। আরো বড় কথা ইংরেজ সাম্রাজ্য লড়িতেছে যাহার তাহার বিরুদ্ধে নহে, লড়িতেছে ভারতীয় বা বাঙ্গালি মুসলমান কেন সারা দুনিয়ার সকল মুসলমানের আশাভরসাস্থল ওসমানিয়া সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে। (সম্পূর্ণ…)

৭১-এর ধর্ষিতাদের নিয়ে মার্কিন কবি তার্ফিয়া ফৈজুল্লাহর কাব্যগ্রন্থ

মোস্তফা তোফায়েল | ২৬ আগস্ট ২০১৪ ৮:৪৩ অপরাহ্ন

tarfia-1.jpgতার্ফিয়া ফৈজুল্লাহ্ মার্কিন কবি। তাঁর পূর্ব-পুরুষরা বাংলাদেশের মানুষ, যাঁরা মার্কিন মুলুকে প্রবাসী হয়েছেন ১৯৭৮-এ। তার্ফিয়া ফৈজুল্লাহর জন্ম সেখানে ১৯৮০ তে। সে-হিসেবে এখন এ-প্রবাসী কবির বয়স ৩৪। তিনি ক্রাব অর্চার্ড সিরিজের পোয়েট্রি ফাস্ট বুক অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছেন Seam নামের কবিতাসংকলনের জন্য। এই সিম-এ ১০ পৃষ্ঠার একটি ধারাবাহিক কবিতা আছে বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে হানাদার বাহিনীর গণধর্ষণ বিষয়ে। অমীমাংসিত পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে বলা হয়ে থাকে, ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধকালে বাঙালি ধর্ষিতার সংখ্যা দু’লক্ষ থেকে চার লক্ষের মাঝামাঝি। কবিতায় পরিসংখ্যানগত সঠিকতা আবশ্যক হয়ে দাঁড়ায় না, এখানে মুখ্য উপাদান মানবতার বিপর্যয় এবং ক্ষরণ ও দহনের উপলব্ধিকে সভ্যতার সমকালীন চেতনায় ধরিয়ে দেয়ার শৈল্পিক উপস্থাপনা। তার্ফিয়া ফৈজুল্লাহর কবিতায় এটাই প্রত্যাশিত। তিনি তাই করেছেন। (সম্পূর্ণ…)

গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস:

নিঃসঙ্গতার একশ বছর

আনিসুজ্জামান | ২৪ আগস্ট ২০১৪ ১১:২৭ অপরাহ্ন

border=0বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে নিঃসঙ্গতার একশ বছর-এর মতো আর কোনো উপন্যাস প্রকাশের পরপরই এতটা পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে কিনা সন্দেহ। জনপ্রিয়তার বিচারে যেমন, তেমনি শিল্পকুশলতা আর শিল্পমুক্তির ক্ষেত্রেও এটি হয়ে উঠেছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। কেবল স্প্যানিশ সাহিত্যেই নয়, গোটা বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসেই একটি মাত্র উপন্যাসে ইতিহাস, আখ্যান, সংস্কার, কুসংস্কার, জনশ্রুতি, বাস্তব, অবাস্তব, কল্পনা, ফ্যান্টাসি, যৌন-অযাচার ও স্বপ্ন– সবকিছুর এমন স্বাভাবিক ও অবিশ্বাস্য সহাবস্থান আগে কখনও দেখা যায়নি।
ঠিক এই কারণে মারিও বার্গাস যোসা এটিকে বলেছিলেন এক সামগ্রিক উপন্যাস (Novela Total), আর পাবলো নেরুদা একে বলেছিলেন, “সের্বান্তেসের ডন কিহোতের পর স্প্যানিশ ভাষায় সম্ভবত মহত্তম উন্মোচন (“perhaps the greatest revelation in the Spanish language since Don Quixote of Cervantes.”)
বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত কিংবদন্তিতুল্য এই উপন্যাসটি মূলভাষা থেকে অনূদিত হয়নি। এই প্রথম এটি আনিসুজ্জামানের অনুবাদে মূল থেকে ধারাবাহিক অনূদিত হচ্ছে। বি. স.
(সম্পূর্ণ…)

মানিক বৈরাগী-র কবিতা

মানিক বৈরাগী | ২৩ আগস্ট ২০১৪ ১১:৫৯ অপরাহ্ন

পথিক

মিলিলে মিলাব না মিলিলে চুপ থাকবে না কেউ
রথী-মহারথীর আশায় প্রতীক্ষা করে না পথিক
আগাবেই আগুয়ান চোরাগোপ্তা পথ রুখবেই
তৃণমূল নাবিক ঐক্যবদ্ধ আজ।
ওস পেয়ে তস পেয়ে দ্রুত বেড়ে-ওঠা আগাছারা
রুদ্ধ হবে, পথ হারাবে পালাবার, আমাদের
মানবিক বৃক্ষ মুক্ত বাতাসে নিশ্বাস নেবে তখন।

আবারও জড়ো হবে আনন্দ-প্রাণ, উড়াবেই
লাল সবুজের পতাকা, এসো মৌলিক স্বজন
নান্দনিক কলরবে মুজিবের চেতনায়। (সম্পূর্ণ…)

মাসুদুজ্জামান-এর চারটি কবিতা

মাসুদুজ্জামান | ২২ আগস্ট ২০১৪ ৪:৫৭ অপরাহ্ন

বনের মধ্যে আমাদের শাদা বাড়ি

তোমার শরীর আমি পেয়েছি যেভাবে চাই, ডাকবা্ক্স থেকে
উড়ে আসা নীল লাজুক চিঠির মতো অপঠিত, নগ্ন, চাঁদ,
অন্ধকার রাতে যেভাবে দিগন্ত জুড়ে জ্যোৎস্নার ঝড় ওঠে,
সেইভাবে বসুধা ভেবে তুমি আমাকে জড়িয়ে ধরে শুনিয়েছো
মহিনের কালো ঘোড়া, ঘাস, আর বনের ভেতরে জেগে থাকা
সেই শাদা বাড়িটির গল্প। এরকম একটা নির্জন বাড়ি নিয়ে
তারকোভস্কি যে-ছবিটি বানিয়েছিলেন, সেই ছবি দেখে তুমি
স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েছিলে। তোমাদের বাড়ির পাশের দীঘি,
তৃণলতা আর মাঠ থেকে রৌদ্রমাখা বিষণ্ন ডানায় ভর করে
উড়ে আসা শান্ত ঘুঘুটির মতো ওই শাদা বাড়িটির ভেতরেই
একসময় তুমি আমার হৃৎপিণ্ডে চুমু খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছো। (সম্পূর্ণ…)

গৌতম চৌধুরীর কবিতা

গৌতম চৌধুরী | ২১ আগস্ট ২০১৪ ২:০৫ পূর্বাহ্ন

তুমি আর আমি
১.
তোমার সঙ্গে যে দেখা হয়ে যাবে আবার
সে আমি ভালোই জানতাম
ইচ্ছে গো ইচ্ছে, সবটাই হল ইচ্ছে
নইলে তো নদীর এপার আর ওপার
সাঁকো বলতেও, ফুস মন্তর
তবুও চলে যাই কোথায় কোথায়, ঘুরে বেড়াই আদাড় বাদাড়
তুমিও কি ছাই বসে থাক নাকি ঘরের কোণে
আলপনা দেওয়া জলচৌকিতে আসনপিঁড়ি হয়ে? (সম্পূর্ণ…)

আবুল ফজল: জন্মের ১১১ বছর পর

মাহফুজ পারভেজ | ১৯ আগস্ট ২০১৪ ৩:১৩ অপরাহ্ন

border=0মৃত্যুর কিছু বছর পর, সামাজিক তো বটেই, পারিবারিক অঙ্গনেও অনেকই বিস্মৃত হন। নিদেন পক্ষে কেউ কেউ থেকে যান মোহাফেজখানার প্রায়োন্ধকার প্রকোষ্ঠে কিংবা বিশেষায়িত গবেষণার পাদটীকায় এবং ব্যক্তিগত স্মৃতিতর্পণে। কিন্তু আবুল ফজল (১৯০৩-১৯৮৩) বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের মনীষাম-লীর অন্যতম, যার প্রভাব একবিংশেও সামাজিক জীবনে প্রবহমান; ভাব ও চিন্তার তরঙ্গে আন্দোলিত। লিখিত ভাষ্যে তাঁর জন্মদিন চলে গেছে ১ জুলাই; আর পিতার ডায়েরিতে লেখা তারিখ গণ্য করা হলে আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে হয় ১৭ জুলাই। চলতি ২০১৪ সালে তাঁর জন্মের ১১১ বছর আর মৃত্যুর ৩১ বছর পূর্তির সাল। এই সময়-সন্ধিক্ষণে চিহ্ণিত করা জরুরি যে, আবুল ফজলকে নিয়ে আলোচনা ও মূল্যায়ন দুইটি বিপরীতধর্মী এক্সস্টিমে পরিচালিত হয়েছে। যারা আহমদ ছফার ‘বাঙালী মুসলমানের মন’ পড়েছেন, তারা তাঁকে যেভাবে দেখবেন, অন্যদের লেখায় (শতবার্ষকী স্মারকগ্রন্থভুক্তগণ) তাঁকে দেখা যাবে বিপ্রতীকে। খণ্ড-খণ্ড অবলোকনের সংগ্রন্থনে সামগ্রিক চরিত্র-চিত্রণ এবং ব্যক্তিত্ব কাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে বহুমাত্রিক আবুল ফজলের উদ্ভাসনের লক্ষে সমীক্ষা পরিচালনা করাই শতবর্ষ-পরবর্তী প্রেক্ষাপটের অপরিহার্য দাবি। ফলে যারা এখনই তাঁকে ঘিরে একটি উপসংহারে উপনীত হতে চান, তাদের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত মতের সাযুজ্য হওয়ার কোনওই কারণ নেই। কিংবা যারা তাঁর চারপাশে কারার প্রাচীরের মতো যতি চিহ্ণ লেপন করে তাঁর সম্পর্কে শেষ কথা বলে দিতে প্রস্তুত, তাদের উদ্যোগও আমার কাছে সন্দেহজনক। আবুল ফজলচর্চার ক্ষেত্রে যারা অতিদ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে বিশ্লেষণের তড়িৎ পরিসমাপ্তি ঘটাতে ইচ্ছুক, তারা সাহসের দিক থেকে কাণ্ডজ্ঞানহীন হলেও জ্ঞানের দিক থেকে অগভীর ও চঞ্চল-চপল মতি। (সম্পূর্ণ…)

শিল্পী মুর্তজা বশীরের সাক্ষাৎকার:

আজকাল তো জামায়াতে ইসলামী, ছাত্র শিবিররা কেউ দাড়ি রাখে না

শিমুল সালাহ্উদ্দিন | ১৭ আগস্ট ২০১৪ ১:৩৮ পূর্বাহ্ন

mb.jpgবহুমুখী প্রতিভার অধিকারী শিল্পী মুর্তজা বশীর। শিল্পী তিনি সিনেমার, কবিতার, উপন্যাসের, গল্পের এবং চিত্রশিল্পের। এমনকি গবেষণাকর্মেও তার প্রতিভা অনন্য হয়ে আছে। প্রায় ছয় দশক ধরে বাংলাদেশের শিল্পজগৎকে সমৃদ্ধ করে চলেছেন নতুনত্বে আর মৌলিকতায়। তিরাশিতম জন্মদিনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়ানো এই শিল্পী এখনো নিবেদিতপ্রাণ শিল্পের নতুনের সন্ধানে।
চিত্রকলা বিষয়ে পাঠদান করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে। এক সময় শিল্পনির্দেশনা দিয়েছেন উর্দু ও বাংলা চলচ্চিত্রে। বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘নদী ও নারী’-র চিত্রনাট্যকার মুর্তজা বশীর ১৯৩২ সালের ১৭ই আগস্ট জন্ম গ্রহণ করেন। বহুভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ছোট ছেলে তিনি। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী রক্তাক্ত আবুল বরকতকে আরো অন্যান্যদের সঙ্গে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে গিয়েছিলেন বরেণ্য এই শিল্পী। গত বছরের ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ভর্তি হয়েছিলেন হাসপাতালে। ডাক্তারদের পরামর্শে বুকে পেসমেকার বসানোর পর তিনি মাস দুয়েক হলো আবার ফিরেছেন নিয়মিত শিল্পচর্চায়। ৮৩তম জন্মদিন ঘিরে গ্যালারি কায়ায় নিজের একক প্রদর্শনীর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সম্প্রতি পরপর দুটি সাক্ষাতে রং ও রেখায় চির-স্পন্দিত প্রবীণ এই শিল্পীর সাথে আলাপ হয় কবি শিমুল সালাহ্উদ্দিনের। আলাপচারিতার চৌম্বক অংশগুলো শিল্পীর জন্মদিন উপলক্ষে এখানে আর্টস-এর পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হলো। বি.স.
(সম্পূর্ণ…)

হে বাঙালি যিশু

মুহম্মদ নূরুল হুদা | ১৫ আগস্ট ২০১৪ ২:১৯ পূর্বাহ্ন

bangubandhu_16273.jpgচল্লিশ বছর যায়, তোমাকে স্মরণ করে তোমার বাঙালি;
চল্লিশ হাজার যাবে, তোমার শরণ নেবে তোমার বাঙালি।

সতত বহতা তুমি জন্মে-জন্মে বাঙালির শিরায় শিরায়
সতত তোমার পলি হিমাদ্রি শিখর থেকে বীর্যের ব্রীড়ায়
দরিয়ায় দ্বীপ হয়ে যায়, যে-দরিয়া বাংলার সীমানা বাড়ায়,
যে-দরিয়া তোমার তরঙ্গ হয়ে কাল থেকে কালান্তরে যায় :
আজন্ম বাঙালি তুমি, আমৃত্যু বাঙালি,
তুমি নিত্য-বিবর্তিত এই লালসবুজের জাতিস্মর মায়ায়-ছায়ায়। (সম্পূর্ণ…)